Tag: vessels

vessels

  • Indian Vessels: ভারতীয় জাহাজের কোনওরকম দুর্ঘটনার খবর মেলেনি, জানালেন মুকেশ মঙ্গল

    Indian Vessels: ভারতীয় জাহাজের কোনওরকম দুর্ঘটনার খবর মেলেনি, জানালেন মুকেশ মঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২৪ ঘণ্টায় কোনও ভারতীয় জাহাজের (Indian Vessels) কোনওরকম দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। শুক্রবার গালফ অঞ্চলে জাহাজ ও নাবিকদের অবস্থা প্রসঙ্গে কথাগুলি বললেন বন্দর, নৌ-পরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব মুকেশ মঙ্গল। সাংবাদিক বৈঠকে (Seafarers) মঙ্গল জানান, এখনও পর্যন্ত ১,৯২৭ জনেরও বেশি ভারতীয় নাবিককে দেশে ফিরিয়ে আনতে মন্ত্রক সাহায্য করেছে।  এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায়ই দেশে ফেরানো হয়েছে ১২৪ জনকে। তিনি পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের সময় বিপন্নদের দেশে ফিরিয়ে প্রত্যাবর্তন প্রচেষ্টার কথাও জানান।

    ভারতীয় নাবিকরা নিরাপদে রয়েছেন (Indian Vessels)

    তিনি বলেন, “এই অঞ্চলে থাকা সমস্ত ভারতীয় নাবিক নিরাপদে রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোনও ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজের সঙ্গে কোনও দুর্ঘটনাও ঘটেনি। এখন পর্যন্ত ১,৯২৭ জনেরও বেশি ভারতীয় নাবিককে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৪ জনও রয়েছেন।” মন্ত্রক জানিয়েছে, নাবিকদের কল্যাণ ও নিরবচ্ছিন্ন সামুদ্রিক কার্যকলাপ নিশ্চিত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ জন্য বিদেশমন্ত্রক, বিদেশে ভারতীয় মিশন এবং অন্যান্য সামুদ্রিক অংশীদারদের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে (Indian Vessels)। মঙ্গল জানান, বাণিজ্যিক মহলের উদ্বেগ দূর করতে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে, যাতে লজিস্টিক জটিলতা এড়ানো যায়। তিনি বলেন, “আজ বন্দর, নৌ-পরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রী বর্তমান পরিস্থিতি, সমস্ত বন্দর এবং আমাদের মন্ত্রকের অধীনস্থ সংস্থাগুলির সঙ্গে পর্যালোচনা করেছেন এবং বন্দর-সহ ডিজি শিপিংকে নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে রপ্তানিকারী বা অন্য কারও কাছ থেকে আসা সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধান করা হয়।”

    ভারতীয় জাহাজ-নাবিকদের ওপর নিবিড় নজর

    গত ৮ এপ্রিল মঙ্গল জানিয়েছিলেন, পশ্চিম এশিয়ায় সমস্ত ভারতীয় নাবিক নিরাপদে রয়েছেন এবং সমুদ্রে তাঁদের কার্যকলাপ নির্বিঘ্নে চলছে। তিনি বলেন, “পারস্য উপসাগরে থাকা সমস্ত নাবিক নিরাপদে রয়েছেন।” মঙ্গল আরও জানান, ওই অঞ্চলে ভারতীয় জাহাজ ও নাবিকদের ওপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি, বন্দর-নির্ভর উন্নয়ন এবং ভারতের নৌ-পরিবহণ খাতের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লক্ষ্যে নেওয়া নীতিগত পদক্ষেপ সম্পর্কেও তিনি আপডেট দেন। বর্তমানে ওই অঞ্চলে একাধিক ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ রয়েছে এবং তাদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকার (Seafarers) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক, বিদেশে ভারতীয় মিশন এবং সামুদ্রিক (Indian Vessels) অংশীদারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে।

     

  • Russian Oil Tanker: চিনে না গিয়ে ভারতের দিকে আসছে একাধিক রুশ তেলবাহী ট্যাঙ্কার

    Russian Oil Tanker: চিনে না গিয়ে ভারতের দিকে আসছে একাধিক রুশ তেলবাহী ট্যাঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রওনা হয়েছিল চিনের উদ্দেশে। মাঝপথে দিক পরিবর্তন করে ভারতের দিকে আসছে রাশিয়ার তেলবাহী অন্তত সাতটি ট্যাঙ্কার। ব্লুমবার্গের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় নয়াদিল্লি নতুন করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার পর এই পরিবর্তন ঘটেছে। জাহাজ-ট্র্যাকিং সংস্থা ভর্টেক্সা লিমিটেডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই জাহাজগুলির রুট পরিবর্তন হয়েছে তখনই, যখন ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সাময়িক ছাড়পত্র পায়, যার ফলে সমুদ্রে আটকে থাকা ‘নিষিদ্ধ’ রুশ তেল কেনা সম্ভব হয়েছে।

    আসছে তেলবাহী জাহাজ (Russian Oil Tanker)

    এই সাতটি ট্যাঙ্কারের মধ্যে অ্যাকোয়া টিটান নামের একটি মাঝারি আকারের তেলবাহী জাহাজ শনিবার (২১ মার্চ) নিউ মাঙ্গালোর বন্দরে পৌঁছনোর কথা। এটি জানুয়ারির শেষদিকে বাল্টিক সাগরের একটি বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল, চিনের রিঝাও বন্দরের উদ্দেশে যাচ্ছিল। তবে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে ভারত আমেরিকার ছাড়পত্র পাওয়ার কয়েকদিন পরে এটি হঠাৎ দিক পরিবর্তন করে। সুয়েজম্যাক্স জৌজৌ এন নামের আর একটি ট্যাঙ্কার গুজরাটের জামনগরের সিক্কা বন্দরের দিকে আসছে। ২৫ মার্চ পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এটিও মার্চের শুরুতে পথ বদল করেছিল।

    হরমুজ প্রণালী বন্ধ

    এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এমন একটি সময়ে, যখন ইরানের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অথচ, বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস পরিবহণের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে যায়। বর্তমানে ইরান এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে ভারত রাশিয়ার তেল কেনা বাড়িয়ে দিয়েছে। বছরের শুরুতে কিছুটা কমানোর পর, মাত্র এক সপ্তাহেই ভারত প্রায় ৩০ মিলিয়ন ব্যারেল রুশ তেল কিনে ফেলেছে। জানুয়ারিতে রাশিয়া থেকে ভারতের মোট তেল আমদানি কমে নেমে গিয়েছিল ২১ শতাংশে। কারণ তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছিল ভারতের।

    রুশ তেল কেনার অনুমতি দেওয়ায় প্রতিযোগিতা

    নয়াদিল্লি যখন রুশ তেল কেনা কমিয়ে দিয়েছিল, তখন চিন কম দামে সেই তেল কিনে নেওয়ার সুযোগ লুফে নিয়েছিল। এখন আমেরিকা অন্যান্য দেশকে রুশ তেল কেনার অনুমতি দেওয়ায় প্রতিযোগিতা গিয়েছে বেড়ে। রাশিয়ার তেল আসা ভারতের স্বস্তির কারণ হবে। কারণ ভারত মোট জ্বালানির প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানির ওপর নির্ভরশীল। হরমুজ প্রণালী ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দেশের ৪০–৫০ শতাংশ  অপরিশোধিত তেল এই পথ দিয়ে আসে। এলএনজি আমদানির প্রায় অর্ধেক এবং অধিকাংশ এলপিজি সরবরাহও এই পথ দিয়েই হয়। এদিকে, যুদ্ধের তৃতীয় সপ্তাহে ভারত ইতিমধ্যেই রান্নার গ্যাসের সঙ্কটে পড়েছে। তার জেরে মুম্বই এবং বেঙ্গালুরুর কিছু রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখতে হয়েছে।

    হরমুজ প্রণালী

    জানা গিয়েছে, বুধবার পর্যন্ত ভারতীয় পতাকাবাহী তিনটি ট্যাঙ্কার হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে দেশে পৌঁছেছে। পারাপারের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ২০টি জাহাজ। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান, ইরানের সঙ্গে ভারতীয় জাহাজ চলাচল নিয়ে কোনও সর্বজনীন ব্যবস্থা নেই। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার তেলবাহী সাতটি ট্যাঙ্কারের আগমন ভারতের স্বল্পমেয়াদি জ্বালানি সঙ্কট কিছুটা লাঘব করবে বলেই অনুমান।

     

LinkedIn
Share