Tag: vhp

vhp

  • Pahalgam Massacre: পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা ‘পাকিস্তানের জিহাদি যুদ্ধ’, ঘোষণা ভিএইচপি-র

    Pahalgam Massacre: পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা ‘পাকিস্তানের জিহাদি যুদ্ধ’, ঘোষণা ভিএইচপি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। জঙ্গিদের গুলিতে খুন হন অন্তত ২৮ জন পর্যটক (Pahalgam Massacre)। এঁরা প্রত্যেকেই হিন্দু। বেছে বেছে কেবল হিন্দু ধর্মাবলম্বী পর্যটকদেরই খুন করা হয়েছে। ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)। জঙ্গিদের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে পাকিস্তানের জিহাদি যুদ্ধ ঘোষণা বলে আখ্যা দিয়েছে ভিএইচপি (VHP)। তারা ভারত সরকারের কাছে তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় প্রতিশোধ গ্রহণের দাবিও জানিয়েছে।

    ভিএইচপির বক্তব্য (Pahalgam Massacre)

    ভিএইচপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডঃ সুরেন্দ্র জৈন সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেন, “এই বর্বর ঘটনা কেবল একটি সন্ত্রাসী হামলা নয়, এটি পাক-মদতপুষ্ট ইসলামি জিহাদি শক্তির খোলাখুলি যুদ্ধ। নয়ের দশকে উপত্যকায় যে সন্ত্রাসের ছায়া নেমে এসেছিল, এটি তারই ভয়াবহ একটি স্মৃতিচারণ। কাশ্মীরে পুনরায় মাথা তোলার সাহস দেখানো ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদকে আমাদের মূলোৎপাটিত করতেই হবে।” পহেলগাঁওয়ের এই হামলার ঘটনায় গোটা দেশ স্তম্ভিত। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হামলাকারীরা পর্যটকদের প্যান্ট খুলিয়ে, কালমা পাঠ করতে বাধ্য করে এবং তাঁদের আইডি পরীক্ষা করে অমুসলিম নিশ্চিত হওয়া ব্যক্তিদের গুলি করে হত্যা করে। জৈন বলেন, “এই পদ্ধতিগত টার্গেটিং স্পষ্ট প্রমাণ করে যে হামলাটির পিছনে ধর্মীয় উসকানি কাজ করেছে।”

    টার্গেটেড হত্যাকাণ্ড

    তিনি আরও বলেন, “এটি পাক-মদতপুষ্ট জিহাদি ও তাদের স্থানীয় স্লিপার সেলের পরিকল্পিত, টার্গেটেড হত্যাকাণ্ড। তাদের অ্যাজেন্ডা স্পষ্ট— উপত্যকা থেকে হিন্দুদের বিতাড়িত করা, নয়ের দশকের ভয়াবহতা ফের সৃষ্টি করা (Pahalgam Massacre)।” বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) এক নেতা পহেলগাঁওয়ের এই হামলাকে রাজনৈতিক বক্তব্য ও পাকিস্তানি সামরিক বক্তব্য-সহ একটি ডিস্টার্বিং ইকোসিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তিনি একজন ভারতীয় সংসদের সাম্প্রতিক মন্তব্যের উদাহরণ দেন। ওই সাংসদ কাশ্মীরে পর্যটন ও জমি কেনাকে ‘সাংস্কৃতিক অনুপ্রবেশ’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি ওই সাংসদের বক্তব্যের সঙ্গে পাক সেনা প্রধান আসিম মুনিরের বক্তব্যকে যুক্ত করেছেন। পাক সেনা প্রধান সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, ‘কাশ্মীরই একমাত্র অবশিষ্ট অ্যাজেন্ডা’। জৈনের অভিযোগ, এই যে মতাদর্শগত সমর্থন, এটাই পহেলগাঁওয়ে রক্তপাতের পথ প্রশস্ত করেছিল। তিনি বলেন, “এই পরিবেশ — ক্ষমতার করিডর থেকে পাকিস্তানের সেনা সদর দফতর পর্যন্ত — এই কাজগুলিকে সম্ভব করছে। এখন দ্বিধাহীনচিত্তে এটিকে ধ্বংস করার সময় এসে গিয়েছে (VHP)।”

    জনরোষ চরম আকার নিতে পারে!

    সংশোধিত ওয়াকফ আইন নিয়ে সরব হয়েছিলেন মুসলমানদের একাংশ। পহেলগাঁওয়ের এই ঘটনার পর তারা আর মুখ খোলেনি। ভারতীয় মুসলিম নেতারা কেন এই নৃশংস ঘটনা নিয়ে নীরবতা অবলম্বন করছেন, সে প্রশ্ন তোলেন জৈন। তিনি বলেন, “ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে তাঁরা জাতীয় অস্থিরতা সৃষ্টি করেন, কিন্তু নিরীহ হিন্দু তীর্থযাত্রীদের হত্যার নিন্দা করতে তাঁরা এগিয়ে আসেন না? এই নির্বাচিত ক্ষোভ মেনে নেওয়া যায় না (Pahalgam Massacre)।” সরকার যদি দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে জনরোষ চরম আকার নিতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন জৈন। তিনি বলেন, “ভারতের মানুষ অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। এখনই যদি কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, এই ক্ষোভ আরও তীব্র হবে। সরকারের এখন জিরো টলারেন্স নীতি প্রয়োগ করার সময় এসেছে।”

    ২৫ এপ্রিল সারা দেশে বিক্ষোভ প্রদর্শন

    পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার প্রতিবাদে বিজেপি ও বজরং দল ২৫ এপ্রিল সারা দেশে বিক্ষোভ প্রদর্শন করবে বলে ঘোষণা করেছে। তাদের দাবি, নির্যাতিতদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, কাশ্মীরে জঙ্গি নেটওয়ার্ক নির্মূল করা এবং পাকিস্তানের প্ররোচনার বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রতিক্রিয়া দেখানো। জৈন বলেন, “এটাই সেই মুহূর্ত যখন ভারতকে বিশ্বকে দেখাতে হবে যে আমাদের মাটিতে ধর্মীয় নির্মূলকরণ আমরা আর কখনও সহ্য করব না।”

    বনধ পালিত হচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীরে

    এদিকে, ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার বনধ পালিত হচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীরে। কেন্দ্র শাসিত এই অঞ্চলের সমস্ত বাজার, স্কুল-কলেজ, পরিবহণ পরিষেবা এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। উপত্যকার (VHP) বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় সংগঠন এবং বাণিজ্যিক সংগঠনগুলি সর্বতোভাবে এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করেছে (Pahalgam Massacre)।

    মিরওয়াইজ উমর ফারুকের বক্তব্য

    মুতাহিদা মজলিস উলেমার প্রধান মিরওয়াইজ উমর ফারুক এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “যে কেউ যদি একজন নিরীহ ব্যক্তিকে হত্যা করে, সে আসলে সম্পূর্ণ মানবজাতিকেই হত্যা করে। কাশ্মীরের রক্তাক্ত ইতিহাসে আর একটি হত্যাকাণ্ড। ইসলামে এই ধরনের নৃশংসতা ঘৃণ্য। আমরা জম্মু কাশ্মীরের জনগণের কাছে বন‍্‍ধ পালনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে এই জঘন্য অপরাধের প্রতিবাদ করার আবেদন করছি।” পিডিপি সভাপতি মেহবুবা মুফতিও শোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি সকল কাশ্মীরিদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যে তাঁরা যেন পহেলগাঁওয়ে নৃশংস হামলায় নিহত (VHP) নিরীহ মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এই বন‍্‍ধকে সমর্থন করেন। এটি কেবল কয়েকজনের ওপর আক্রমণ নয় – এটি আমাদের সকলের ওপর আক্রমণ (Pahalgam Massacre)।”

  • VHP: ওয়াকফ ইস্যুতে দেশজুড়ে অশান্তি ছড়ানোর জিহাদি চক্রান্ত ব্যর্থ, জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

    VHP: ওয়াকফ ইস্যুতে দেশজুড়ে অশান্তি ছড়ানোর জিহাদি চক্রান্ত ব্যর্থ, জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদের নামে মুর্শিদাবাদ জেলার জুড়ে মৌলবাদীদের তাণ্ডব সামনে এসেছে। এই আবহে এই ঘটনাকে চক্রান্ত বলে উল্লেখ করল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। তাদের দাবি, দেশজুড়ে অশান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই এমন চক্রান্ত ব্যর্থ হয়েছে। এ নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈন। এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা ডক্টর সুরেন্দ্র জৈন জানিয়েছেন, যে ধরনের হিংসাত্মক কার্যকলাপ চলছে ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদের নামে সেখানেই মেকি ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি ও জিহাদিদের মধ্যে একটা আঁতাত তৈরি হয়েছে। এরাই এই আইনের বিরোধিতা করছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ওয়াকফ আইনের বিষয়ে এক কোটিরও বেশি ভারতীয় তাঁদের মতামত দিয়েছেন। একইসঙ্গে ২৫ ঘন্টা ধরে দেশের সংসদে আলোচনা চলেছে, তর্কবিতর্ক হয়েছে তবেই পাস হয়েছে এই আইন।

    ভূমি মাফিয়ারা এই আইন আসাতে সব চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে

    তিনি আরও জানিয়েছেন, যাঁরা সর্বদাই সংবিধানের কথা বলেন। তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন না। তার বদলে তাঁরা হিংসা ছড়ানোর জন্য সমস্ত রকমের উস্কানি দিচ্ছেন। সুরেন্দ্র জৈন বলেন, ‘‘১৮টিরও বেশি পিটিশন দাখিল করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে, এই আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে। যাঁরা এই অভিযোগ জানিয়েছেন, তাঁদের সংবিধানের প্রতি ন্যূনতম মর্যাদা রাখা উচিত। বিচার ব্যবস্থার ওপর আস্থা রাখা উচিত। ভারতীয় মূল্যবোধের প্রতি আস্থা রাখা উচিত।’’ এদিন তিনি অভিযোগ আনেন যে ভূমি মাফিয়ারা এই আইন আসাতে সব চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

    নিজের বক্তব্যে উদাহরণও তুলে ধরেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই নেতা

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা এ নিয়ে ২০১৩ সালের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন যে গুরুগ্রামের পালম্বী হার পার্ককে হঠাৎই ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে দাবি করা হয়। কোনও রকমের প্রমাণ ছাড়াই সেখানে প্রার্থনা শুরু হয়ে যায়। তৎকালীন হরিয়ানাতে চলছিল কংগ্রেস সরকার এবং তারা কোনও রকম প্রমাণ ছাড়াই ওই সম্পত্তিকে ওয়াকফ সম্পত্তি বলে ঘোষণাও করে। এইভাবেই প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার দিল্লিতে ১২৩টি সরকারি সম্পত্তি ওয়াকফকে দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই নেতা।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন, ব্যবস্থা নিচ্ছেনা ইউনূস সরকার, অভিযোগ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন, ব্যবস্থা নিচ্ছেনা ইউনূস সরকার, অভিযোগ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের ওপর হওয়া অত্যাচারে কোনও রকমের ব্যবস্থা নিচ্ছে না সেদেশের ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। শনিবার মধ্যপ্রদেশে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এমনই অভিযোগ তুলল। এই সংগঠনের মতে, ‘‘বাংলাদেশ সরকার এবং সেখানকার সেনাবাহিনী কোনওরকম পদক্ষেপ করছে না হিন্দুদের (VHP) ওপর নির্যাতনরোধে।’’

    কী বললেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা (Bangladesh)

    সংগঠনের তরফ থেকে অভিযোগ আনা হয়, ‘‘প্রত্যহ বাংলাদেশ থেকে অসংখ্য ঘটনা আসছে। যেখানে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন চলছে। বিশেষত হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর। গত অগাস্ট মাসে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ আনে ভিএইচি। এ প্রসঙ্গে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মিলিন্দ পারান্দে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘অন্তর্বর্তী সরকার এবং সেনাবাহিনী কোনও রকমের পদক্ষেপ করছে না হিন্দুদের ওপর চলা অত্যাচারকে প্রতিরোধ করার জন্য। গত বছর থেকেই সে দেশে হিংসা এবং নৈরাজ্যের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তা ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে বর্তমানে। সম্পূর্ণ দক্ষিণ এশিয়ার পক্ষেই বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের (Bangladesh) নৈরাজ্য। বিশেষত ভারতের পক্ষে নিরাপত্তার জন্য তা হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।’’

    হিন্দুদেরও মানবাধিকার আছে বলে স্মরণ করান বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা

    তিনি আরও বলেন, ‘‘এই পরিস্থিতিতে ভারত সরকার এবং এদেশের কূটনীতিকরা এই পরিস্থিতির পরিবর্তনের জন্য অনেক পদক্ষেপ করেছেন।’’ এর পাশাপাশি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা স্মরণ করিয়েছেন যে প্রত্যেককে মনে রাখা উচিত যে হিন্দুদেরও মানবাধিকার রয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি নিন্দা করেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীরও। তাঁর অভিযোগ, বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন নিয়ে যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন গোষ্ঠীর সরব হওয়া দরকার ছিল, সেটা দেখা যায়নি। প্রসঙ্গত, গত বছরের অগাস্ট মাসেই পতন হয় হাসিনা সরকারের। জামাত-বিএনপির ষড়যন্ত্রে দখল করা হয় গণভবন। এরপরেই বাংলাদেশজুড়ে সংখ্যালঘুদের ওপর ব্যাপক নির্যাতনের খবর সামনে আসতে থাকে। সেদেশে রাজনৈতিক হিংসা অনেকক্ষেত্রে পরিবর্তিত হয় সাম্প্রদায়িক হিংসাতে।

  • VHP: তেজাজি মন্দিরে মূর্তি ভাঙচুর, বিক্ষোভে বিশ্বহিন্দু পরিষদ, বজরং দল

    VHP: তেজাজি মন্দিরে মূর্তি ভাঙচুর, বিক্ষোভে বিশ্বহিন্দু পরিষদ, বজরং দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেজাজি মন্দিরে (Tejaji Temple) ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ দেখাল বিশ্বহিন্দু পরিষদ (VHP) এবং বজরং দল। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার জয়পুরের টঙ্ক রোড অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা। মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিও জানান তাঁরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভিড়ও বাড়তে থাকে মন্দির চত্বরে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে মৃদু বল প্রয়োগ করে পুলিশ। কয়েকজনকে আটক করে রাস্তা অবরোধমুক্ত করা হয়।

    মন্দিরের মূর্তি ভাঙচুর (VHP)

    শনিবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখেন, মন্দিরের মূর্তি ভাঙচুর করা হয়েছে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই মন্দির চত্বরে ভিড় জমে যায়। চলে আসেন বিশ্বহিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের সদস্যরা। রাষ্ট্রীয় লোকতান্ত্রিক পার্টির কর্মীদের সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভে যোগ দেয় এবং ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে। এদিন বিক্ষোভকারীরা টায়ার পুড়িয়ে ব্যস্ত টঙ্ক রোড অবরোধ করে। পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থার আশ্বাস দিলেও, প্রতিবাদ চলতে থাকে। শেষে পুলিশি হস্তক্ষেপে ছত্রভঙ্গ হয় জনতা।

    কী বলছে পুলিশ

    অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার বিনোদ শর্মা জানান, পুলিশের দিয়ে ভিড় ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে এবং রাস্তা ফের খুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে।” বিশ্বহিন্দু পরিষদের মুখপাত্র অমিতোষ পারিক বলেন, “গত রাতে কয়েকজন অসমাজিক লোকজন মূর্তি ভাঙচুর করায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে রোষ ছড়িয়ে পড়ে।” তিনি বলেন, “এটি তেজাজি মহারাজের অবমাননা। আমরা বিষয়টিতে জড়িত অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করার দাবি জানিয়েছি।

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP) ও বজরং দল মাঠে নামতেই আসরে নেমে পড়ে কংগ্রেসও। ঘটনার নিন্দা করে তারাও। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তিকারাম জুলি বলেন, “মূর্তি ভাঙার ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। এটি শুধু একটি মূর্তি নয়,  এটি আমাদের বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের ওপর হামলা, যা কখনওই সহ্য করা হবে না। সরকারের উচিত দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং তাদের গ্রেফতার করা (Tejaji Temple)।” প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট বলেন, “এমন ঘটনার মাধ্যমে মানুষের অনুভূতি ও বিশ্বাসে আঘাত দেওয়া কখনওই মেনে যায় না (VHP)।”

  • VHP: রানা সঙ্গ বিশ্বাসঘাতক! বিতর্কিত মন্তব্য সমাজবাদী পার্টির নেতার, ক্ষমা চাইতে হবে, দাবি ভিএইচপি-র

    VHP: রানা সঙ্গ বিশ্বাসঘাতক! বিতর্কিত মন্তব্য সমাজবাদী পার্টির নেতার, ক্ষমা চাইতে হবে, দাবি ভিএইচপি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেবারের রাজা রানা সঙ্গকে (Rana Sanga Remark) বিশ্বাসঘাতক বলে নজিরবিহীন আক্রমণ করেছিলেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ রামজি লাল সুমন। এই মন্তব্যে ইতিমধ্যে দেশজুড়ে প্রবল বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই আবহে তীব্র প্রতিক্রিয়া সামনে এল বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP)। সমাজবাদী পার্টির সাংসদের এমন মন্তব্যের কারণে কড়া নিন্দাও জানাল এই হিন্দু সংগঠন। রাজপুত যোদ্ধাকে এ ধরনের অপমানের ঘটনাকে অত্যন্ত লজ্জাজনক বলে আখ্যা দিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। এর পাশাপাশি এমন মন্তব্য করার কারণে সমাজবাদী পার্টির নেতাকে প্রকাশ্যে ক্ষমাও চাইতে হবে বলে দাবি জানিয়েছে তারা।

    সম্প্রতি সমাজবাদী পার্টির সাংসদের বিতর্কিত মন্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হয়

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে সমাজবাদী পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ রামজি লাল সুমনকে মন্তব্য করতে শোনা যায় যে রানা সঙ্গ অথবা সংগ্রাম সিং ছিলেন একজন বিশ্বাসঘাতক। যিনি ইব্রাহিম লোদিকে পরাস্ত করতে বাবরকে ভারতে ডেকে এনেছিলেন। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা প্রয়োজন, রানা সঙ্গ (Rana Sanga Remark) অথবা সংগ্রাম সিংহ ছিলেন মেবারের রাজা। ১৫০৮ থেকে ১৫২৮ সাল পর্যন্ত তিনি মেবার শাসন করেছিলেন বলে জানা যায়। সমাজবাদী পার্টির সাংসদের এমন মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) জাতীয় মুখপাত্র অমিতোষ পারেক।

    কী বললেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) নেতা অমিতোষ

    নিজের বিবৃতিতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) নেতা বলেন, ‘‘যে ধরনের মন্তব্য রামজি লাল সুমন করেছেন, তা অত্যন্ত লজ্জাজনক। মেবারের সংগ্রামী এবং বীরত্বের ইতিহাসের সঙ্গে এই মন্তব্য কখনও খাপ খায় না। রানা সঙ্গ অথবা সংগ্রাম সিংহ শুধুমাত্র মেবারের নয়, সমগ্র রাজস্থানের গর্ব। রানা সঙ্গ অথবা সংগ্রাম সিংহ ১০০টিরও বেশি যুদ্ধ জিতেছিলেন এবং তিনি ইব্রাহিম লোদীকে পরাস্ত করেছিলেন।’’ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতার কথায়, ‘‘এই ধরনের মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি আসলে প্রমাণ করেছেন, তাঁর মানসিকতা ঠিক কী?’’ এর পাশাপাশি এই মন্তব্যের জন্য সমাজবাদী পার্টির ওই সাংসদের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও দাবি জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

  • Nagpur Violence: নাগপুর হিংসায় বাংলাদেশ যোগ! পদ্মাপাড় থেকেই উস্কানি, জানাল সাইবার সেল

    Nagpur Violence: নাগপুর হিংসায় বাংলাদেশ যোগ! পদ্মাপাড় থেকেই উস্কানি, জানাল সাইবার সেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঔরঙ্গজেবের সমাধি হঠানোকে কেন্দ্র করে হিংসা! ভাঙচুর, পাথর ছোড়া থেকে আগুন লাগানো। উত্তাল নাগপুর (Nagpur Violence)। ঘটনার তদন্তে নেমে নাগপুর পুলিশের সাইবার সেল জানতে পেরেছে, একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়ানো হয়েছিল হিংসা। বাংলাদেশের (Bangladesh Connection in Nagpur) একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টও খুঁজে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। পদ্মাপাড় থেকেই আগুনে ঘৃতাহুতি দিয়েছেন চক্রান্তকারীরা, দাবি সাইবার সেলের।

    নাগপুর হিংসায় বাংলাদেশি পোস্ট

    সম্প্রতি ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়িয়েছিল নাগপুরে (Nagpur Violence)। তবে সেই হিংসাই একেবারে অন্যদিকে মোড় নেয় যখন স্থানীয় পুলিশ বুঝতে পারে যে সোশ্য়াল মিডিয়ায় কিছু লিঙ্ক ঘুরছে যেটা আসল উৎপত্তিস্থল হল বাংলাদেশ। নাগপুর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট একটা ফেসবুক পোস্টকে চিহ্নিত করে। সেটা আসলে এক বাংলাদেশি পোস্ট করেছিল। যার জেরে শহরে আবার অস্থিরতা তৈরি হয়। সাইবার সেল সূত্রে খবর, সেই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বাংলাদেশের এক ব্যক্তির। সেই পোস্টের মাধ্য়মে হিংসা যাতে ছড়িয়ে পড়ে তার উস্কানি দেওয়া ছিল। নাগপুর হিংসাকে ছোট ঘটনা বলে উল্লেখ করা হয়েছিল ওই অ্যাকাউন্টের আর একটি পোস্টে। ভবিষ্যতে আরও বড় হিংসার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল।

    বহু পোস্টের আইপি অ্যাড্রেস বাংলাদেশের

    নাগপুর (Nagpur Violence) পুলিশ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত ৯৭টি আপত্তিকর এবং ভুয়ো সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট পাওয়া গিয়েছে। এই ধরনের বেশ কয়েকটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করা হয়েছিল এমন কম্পিউটার থেকে, যেগুলির আইপি অ্যাড্রেস ছিল বাংলাদেশের (Bangladesh Connection in Nagpur)। সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ানোর অভিযোগে নাগপুর পুলিশ চারটি এফআইআর দায়ের করেছে। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৯০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে দাঙ্গাকারীদের অনেকেই আত্মগোপন করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। হিংসা এবং গুজব ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত প্রায় ২০০ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তারা জানিয়েছে, আরও এক হাজার জনকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনার তদন্তের জন্য পুলিশ ১৮টি দল গঠন করেছে। এই দলগুলি তদন্তের বিভিন্ন দিকে নিযুক্ত। প্রসঙ্গত, ঔরঙ্গজেবের সমাধি অপসারণের দাবিতে ১৭ মার্চ নাগপুরের মহাল এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দল। সেখানে একটি ধর্মগ্রন্থের অবমাননা করা হয়েছে বলে গুজব ছড়ায়। সেই গুজবকে কেন্দ্র করে নাগপুরের বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে।

  • VHP: ৩০০-র বেশি হিন্দু ও তাঁদের মন্দিরে হামলা গত ২২ মাসে, তালিকা প্রকাশ ভিএইচপি’র

    VHP: ৩০০-র বেশি হিন্দু ও তাঁদের মন্দিরে হামলা গত ২২ মাসে, তালিকা প্রকাশ ভিএইচপি’র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশটা বাংলাদেশ নয়। পাকিস্তানও নয়। দেশের নাম ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই দেশেই গত ২২ মাসে হিন্দু ও তাঁদের শ’তিনেক উপাসনালয়ে হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই হামলার অভিযোগের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

    তিনশোর বেশি হামলা (VHP)

    এই তালিকায় ৩০০টিরও বেশি ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। তারা জানিয়েছে, এই আক্রমণগুলি জানুয়ারি ২০২৩ থেকে ৭ নভেম্বর ২০২৪-এর মধ্যে সংঘটিত হয়েছে। পরিষদের দাবি, এই তালিকা ওই সময়কালের মোট আক্রমণের মাত্র এক-দশমাংশ। তাদের মতে, সমাজের একটি নির্দিষ্ট অংশ লাভ জিহাদ থেকে স্পিট জিহাদ এবং ইউরিন জিহাদে উন্নীত হয়েছে। ভিএইচপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈন বলেন, “এই আক্রমণগুলির বর্বরতা ও নিষ্ঠুরতা অমানবিক। আক্রমণের ধরনগুলি মানুষের কল্পনার বাইরে। সারা বিশ্ব ইতিমধ্যেই টেরর জিহাদ, লাভ জিহাদ, ল্যান্ড জিহাদ, জনসংখ্যা জিহাদ নিয়ে উদ্বিগ্ন। এখন অ-মুসলিমদের প্রতি তাদের ঘৃণা স্পিট জিহাদ, ইউরিন জিহাদ, ট্রেন জিহাদ, মাইনর জিহাদ ইত্যাদির মাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে।”

    ক্ষমতার লোভে কুকাজ!

    তিনি বলেন (VHP), “ক্ষমতার লোভে কিছু ধর্মনিরপেক্ষ দল এই জিহাদিদের উসকে দিচ্ছে। তারা দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে প্ররোচিত করছে। জিহাদিদের শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন।” জৈন বলেন, “সংবিধান, আইন, বিচার ব্যবস্থা এবং জাতীয় সভ্যতা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান জানানো প্রত্যেক নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক।” বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই কর্তা বলেন, “এটি একটি বৈশ্বিক বিষয় হয়ে উঠেছে। হামাসের আক্রমণ হোক বা বাংলাদেশি জিহাদিদের কার্যক্রম, কাশ্মীরে হিন্দুদের গণহত্যা হোক… নিষ্ঠুরতা এবং কামনার নির্মম নৃত্য এগুলিতে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান… সারা বিশ্বে কোথাও ইসলামফোবিয়া নেই এবং… জিহাদিরাই ‘কাফেরফোবিয়া’য় ভুগছে।”

    আরও পড়ুন: জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ব্রাজিলে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, যাবেন নাইজিরিয়া, গায়নায়ও

    অত্যাচার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে বলেও দাবি করেন জৈন। তিনি বলেন, “অত্যাচার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। সংগঠিত ও শক্তিশালী হিন্দু সমাজ এই দেশদ্রোহী ও হিন্দুবিরোধী ষড়যন্ত্রগুলিকে থামানোর ক্ষমতা রাখে (VHP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

      

  • VHP: অ-হিন্দুদের অধিকার নেই দেবস্থান দখল করে রাখার, হুঁশিয়ারি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    VHP: অ-হিন্দুদের অধিকার নেই দেবস্থান দখল করে রাখার, হুঁশিয়ারি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিরুপতি বালাজি সমেত অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) সমস্ত মন্দিরের দায়িত্বভার হিন্দু সমাজকে হস্তান্তর করার দাবি জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। চন্দ্রবাবু নাইডু সরকারের কাছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সর্বভারতীয় নেতা সুরেন্দ্র জৈন দাবি জানিয়েছেন, তথাকথিত মেকি ধর্মনিরপেক্ষ সরকার, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও অ-হিন্দুদের কোনও অধিকার নেই দেবস্থানকে দখল করে রাখার এবং তা পরিচালনা করার। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP) এদিন হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও জানিয়েছে, হয় মন্দিরগুলিকে সরকারি দখলমুক্ত করা হোক অথবা প্রতিবাদ আন্দোলনের মোকাবিলা করার জন্য সরকার তৈরি থাকুক।

    তিরুপতির ঘটনায় ক্ষুদ্ধ হিন্দুরা (VHP) 

    তিনি আরও জানিয়েছেন, সারা বিশ্বের হিন্দুরা প্রচণ্ড ক্ষুদ্ধ যে ধরনের খবর সম্প্রতি সামনে এসেছে তিরুপতি বালাজি মন্দিরকে কেন্দ্র করে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি তিরুপতি বালাজি মন্দিরের লাড্ডু প্রসাদ ইস্যুতে জোর বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, দেবতার উদ্দেশে অর্পণ করা লাড্ডু প্রসাদে মিশ্রিত করা হয়েছে পশুর চর্বি। এই ঘটনাকে উল্লেখ করে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ জানিয়েছে, ভক্তদের ভাবাবেগ ও বিশ্বাসকে রক্ষা করা উচিত সরকারের। এর পাশাপাশি সুরেন্দ্র জৈন আরও জানিয়েছেন, অজস্র মন্দির রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশে (Andhra Pradesh), যেগুলি জেহাদীদের দ্বারা আক্রান্ত। শুধু তাই নয়, হিন্দু উৎসবগুলিকেও নিশানা করছে জেহাদীরা। কিন্তু সেই সমস্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনও শাস্তি মূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই নেতা।

    মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী

    এদিন সত্যেন্দ্র জৈন (VHP) আরও জানিয়েছেন, পবিত্র হিন্দু মন্দিরগুলির ওপর ধর্মনিরপেক্ষ সরকারের হস্তক্ষেপ শুধুমাত্র অসাংবিধানিক নয় বরং তা হিন্দু ভাবাবেগেও আঘাত করছে। একথা বলতে গিয়ে সংবিধানের বিভিন্ন ধারা উল্লেখ করে তিনি জানান, ভারতীয় সংবিধানে যে মৌলিক অধিকার প্রদান করা হয়েছে, তার মধ্যে ১২ নম্বর ধারা, ২৫ নম্বর ধারা ও ২৬ নম্বর ধারার পরিপন্থী হল ধর্মস্থানের ওপর সরকারি হস্তক্ষেপ।

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের চার দফা দাবি

    এদিন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফ থেকে অন্ধ্রপ্রদেশের সরকারের সামনে চার দফা দাবিও পেশ করা হয়। এগুলি হল,

    ১. তিরুপতি বালাজি সহ রাজ্যের সমস্ত হিন্দু মন্দিরকে সরকারি হস্তক্ষেপ মুক্ত করতে হবে এবং তা হিন্দু সাধুসন্ত ও ভক্তদের হাতে দিতে হবে।

    ২. অ-হিন্দু  এবং ঈশ্বরে অবিশ্বাসীদের মন্দির পরিচালনার দায়িত্বে রাখা যাবে না।

    ৩. মন্দির চত্বরে কোনও অ-হিন্দু খাবার, প্রসাদ বা অন্যান্য পানীয় বিক্রি করতে পারবেন না।

    ৪. যে সমস্ত জেহাদী হিন্দু মন্দির ও উৎসবগুলিতে আক্রমণ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • VHP: সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত হোক হিন্দু মন্দিরগুলি, দাবি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    VHP: সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত হোক হিন্দু মন্দিরগুলি, দাবি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু মঠ-মন্দির এবং ধর্মীয় স্থানগুলি সরকারের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করার দাবি জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। সোমবার ওড়িশার সম্বলপুরে এই নিয়ে বিশাল প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়। পশ্চিম ওড়িশার আটটি জেলার হাজার হাজার মানুষ এই মিছিলে অংশ নেয়। প্রতিবাদ মিছিলের পর, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের একটি প্রতিনিধি দল জেলাশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রাজ্যপাল এবং রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে একটি স্মারকলিপি জমা দেয়।

    কেন এই দাবি

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় মার্গদর্শকমণ্ডলীর সদস্য স্বামী জীবনমুক্তানন্দ পুরী মহারাজ মিছিলের সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিরুপতি বালাজি মন্দিরের প্রসাদে গরুর মাংস, শুয়োরের মাংস এবং মাছের চর্বি ব্যবহারের রিপোর্ট নিয়ে গভীর দুঃখ এবং অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি তিরুপতির লাড্ডু প্রসাদে প্রাণীর চর্বি ব্যবহারের ঘটনাকে “অসহনীয় এবং একটি নিকৃষ্ট কাজ” বলে আখ্যা দেন। তিনি জানান, এই রিপোর্ট দেখে গোটা হিন্দু সমাজ মর্মাহত এবং দুঃখিত। তাঁর কথায়, “এই ধরনের ঘটনা কেবল তখনই ঘটে যখন হিন্দু মন্দির এবং অন্যান্য হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলি হিন্দু সমাজ দ্বারা পরিচালিত হয় না, বরং সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকে।” তিনি জানান, অনেক দিন ধরে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ দাবি করে আসছে যে মন্দির এবং হিন্দুদের অন্যান্য ধর্মীয় স্থানগুলি সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত নয়। তাঁর কথায়, “আমরা আবারও আমাদের দাবি পুনরায় জানাচ্ছি যে সমস্ত মন্দির এবং অন্যান্য উপাসনালয় সরকার থেকে মুক্ত করা হোক এবং হিন্দু সমাজের হাতে তুলে দেওয়া হোক।”

    আরও পড়ুন: জিনের নিয়ন্ত্রক নিয়ে গবেষণা, চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পাচ্ছেন অ্যামব্রোস ও রুভকুন

    রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি

    বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের রাজ্য সভাপতি ডাঃ রাজকুমার বাদাপন্ডা বলেন “আমাদের দেশে প্রায়ই বলা হয় যে সংবিধান সর্বোচ্চ। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বিভিন্ন সরকার হিন্দু সমাজের প্রধান মন্দিরগুলির উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। সরকারগুলি সংবিধান রক্ষা করার জন্য থাকলেও তারা প্রায়ই চেতনা লঙ্ঘন করে। তারা খোলাখুলিভাবে সংবিধানের ১২, ২৫ এবং ২৬ ধারা লঙ্ঘন করে মন্দিরগুলির উপর নিয়ন্ত্রণ নেয় নিজেদের স্বার্থে।”  তাঁর প্রশ্ন, “৭৭ বছরের স্বাধীনতার পরও হিন্দুরা কি এখনও নিজেদের মন্দির পরিচালনা করার অনুমতি পায়নি? সংখ্যালঘুদের তাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার অনুমতি দেওয়া হয়, কিন্তু হিন্দুদের এই সাংবিধানিক অধিকার কেন দেওয়া হয়নি?” বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দ্বারা গভর্নর এবং রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, “তিরুপতি বালাজি এবং অন্যান্য স্থানে অনিয়মের কারণে হিন্দু সম্প্রদায় এখন বিশ্বাস করে যে মন্দিরগুলিকে সরকার থেকে মুক্ত না করতে পারলে পবিত্রতা পুনরুদ্ধার করা যাবে না।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • VHP: ভারত থেকে নেপালে নিয়ে গিয়ে শতাধিক হিন্দুকে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা, রুখল ভিএইচপি

    VHP: ভারত থেকে নেপালে নিয়ে গিয়ে শতাধিক হিন্দুকে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা, রুখল ভিএইচপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পড়শি দেশ নেপালে নিয়ে গিয়ে ধর্মান্তকরণের (Christian Conversion) চেষ্টা রুখে দিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। যে একশো জনকে ধর্মান্তকরণ করতে নিয়ে আসা হয়েছিল, তাদের মুখে মাখিয়ে দেওয়া হয় কালো রং। আর যে পাদ্রী এই একশোজন ভারতীয়কে খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত করতে এসেছিলেন, তাঁকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ধর্মান্তকরণ নিয়ে ভারত কড়া হতেই ফিকির বের করছে ধর্মের কারবারিরা। তারা এখন ভারত থেকে ভিন দেশে লোক নিয়ে গিয়ে ধর্মান্তকরণ করছে। দীক্ষা-পর্ব শেষ হওয়ার পর তাদের নিয়ে ফিরছে দেশে।

    ভেস্তে দিল ভিএইচপি (VHP)

    ঘটনার সূত্রপাত ১৪ সেপ্টেম্বর। এদিন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের নেপালি শাখার কর্মীরা খবর পান মহারাজগঞ্জের থুথিবাড়ি শহর থেকে প্রায় ১০০ জন ভারতীয় হিন্দুকে নেপালে ধর্মান্তকরণের জন্য নিয়ে যাচ্ছে একটি খ্রিস্টান গোষ্ঠী। দুটি বাসে করে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল নেপালে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়েই বাস দুটি থামিয়ে দেয় হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের লোকজন। এনিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে ধর্মান্তরিত হতে আসা লোকজনের হাতাহাতি হয়। পরে ধর্মান্তরিত হতে আসা লোকজনের মুখে কালো রং মাখিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দু-নির্যাতন নিয়ে প্রশ্ন, আমেরিকায় সাংবাদিককে নিগ্রহ কং সমর্থকদের

    পাদ্রী সাহেবকে মারধর

    জানা গিয়েছে, যাদের ধর্মান্তরিত করতে নিয়ে আসা হয়েছিল, তাদের বেশিরভাগই মহিলা (VHP)। শিশুও ছিল বেশ কিছু। এঁদের অনেকেই দলিত ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। আর যে পাদ্রী তাদের দীক্ষিত করতে নিয়ে আসছিলেন, তাঁর নাম আমোস। নেপালের খৈরাহানি এলাকার একটি গির্জায় তাদের ধর্মান্তকরণ করতে তাদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আগাম খবর থাকায় পাদ্রী সাহেবের পুরো পরিকল্পনাটাই ভেস্তে যায়। ভারত থেকে যারা ধর্মান্তরিত হতে নেপালে গিয়েছিল, তাদের মুখে কালো রং মাখিয়ে দেওয়া হয়। পাদ্রীকে মারধর করা হয়। যে বাসে করে তারা নেপালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল, সেই বাস দুটিকে ভারত-নেপাল সীমান্তে পৌঁছে দেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, গত ৩১ অগাস্টও নেপাল সীমান্তে গ্রেফতার করা হয় কেরলের দুই ব্যক্তিকে। স্থানীয় চার্চে ধর্মান্তকরণ করানোর ধান্ধায় ছিল তারা। স্থানীয়রা তাদের ধরে তুলে দেয় (Christian Conversion) পুলিশের হাতে (VHP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share