Tag: Vice president

Vice president

  • Jagdeep Dhankhar: “ধর্ম হল ভারতীয় সংস্কৃতির সবচেয়ে মৌলিক ধারণা, সংহতির প্রতীক”, বললেন ধনখড়

    Jagdeep Dhankhar: “ধর্ম হল ভারতীয় সংস্কৃতির সবচেয়ে মৌলিক ধারণা, সংহতির প্রতীক”, বললেন ধনখড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ধর্ম (Dharma) হল ভারতীয় সংস্কৃতির সবচেয়ে মৌলিক ধারণা, যা জীবনের সব দিক নির্দেশ করে।” কথাগুলি বললেন ভারতের উপরাষ্ট্রপতি তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)।

    ধর্ম কী (Jagdeep Dhankhar)

    তিনি বলেন, “ধর্ম একদিকে পথ, যাত্রা, অন্যদিকে, গন্তব্য এবং লক্ষ্যকেও উপস্থাপন করে, যা সমস্ত অস্তিত্বের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, এমনকি দেবতাদের ক্ষেত্রেও।” উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “ধর্ম ন্যায়পরায়ণ জীবনের জন্য এক বাস্তবিক আদর্শ হিসেবে কাজ করে, কল্পনাতীত নয়।” তিনি বলেন, “সনাতন সহানুভূতি,  সহমর্মিতা, সহিষ্ণুতা, অহিংসা, পবিত্রতা, উচ্চমার্গতা, রিলিজিয়সিটি-এই সব গুণাবলীকে একত্রিত করে। এক কথায় সংহতির প্রতীক।” বেঙ্গালুরু, কর্নাটকে শৃঙ্গেরী শ্রী শারদা পীঠম আয়োজিত ‘নমঃ শিবায়’ পারায়ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন উপরাষ্ট্রপতি। সেখানেই তিনি ‘মন্ত্র কসমোপোলিস’কে একটি বিরল ও চমৎকার অনুষ্ঠান হিসেবে বর্ণনা করেন।

    কী বললেন ধনখড়

    তাঁর (Jagdeep Dhankhar) মতে, এটি মনের, হৃদয়ের ও আত্মার গভীরে স্পর্শ করে এবং সবার মধ্যে ঐক্যের সুর বয়ে আনে। ধনখড় বলেন, “বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, যা মানব সভ্যতার অন্যতম প্রাচীন ও ধারাবাহিক মৌখিক ঐতিহ্য, আমাদের পূর্বপুরুষদের গভীর আধ্যাত্মিক জ্ঞানের জীবন্ত যোগসূত্র হিসেবে কাজ করে। এই পবিত্র মন্ত্রগুলির সুনির্দিষ্ট ছন্দ, স্বর, এবং কম্পন এমন একটি শক্তিশালী অনুরণন সৃষ্টি করে যা মানসিক শান্তি এবং পরিবেশগত সামঞ্জস্য বয়ে আনে।”

    আরও পড়ুন: “হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত, জনকল্যাণের জন্যই প্রয়োজনীয়”, বললেন দত্তাত্রেয়

    উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “ভারতীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল এর বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য, যা সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন ঐতিহ্যের মিশ্রণের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে। এই যাত্রা বিনম্রতা এবং অহিংসার মূল্যবোধ গড়ে তুলেছে। ভারত এর অন্তর্ভুক্তির জন্য অবিস্মরণীয়, যা মানবজাতির সব অংশের ঐক্যের অনুভূতির প্রতিনিধিত্ব করে।” তিনি বলেন, “ভারতীয় সংস্কৃতির দিব্য সত্তা হল এর সর্বজনীন দয়া, যা ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ দর্শনে ধারণ করা হয়েছে।” তাঁর (Jagdeep Dhankhar) মতে, ভারত হিন্দু, শিখ, জৈন এবং বৌদ্ধ ধর্মের মতো প্রধান ধর্মগুলোর (Dharma) জন্মভূমি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jagdeep Dhankhar: “ভারত এমন দেশ নয়, যাকে অন্যের উপদেশ নিতে হবে”, বললেন ধনখড়

    Jagdeep Dhankhar: “ভারত এমন দেশ নয়, যাকে অন্যের উপদেশ নিতে হবে”, বললেন ধনখড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতের বিচারব্যবস্থা অত্যন্ত সুদৃঢ়। এর মধ্য স্বচ্ছতা রয়েছে। এই ব্যবস্থা স্বাধীনও।” কথাগুলি বললেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তার প্রেক্ষিতে মন্তব্য করেছে আমেরিকা, জার্মানি এবং রাষ্ট্রসংঘ। এই আবহে ধনখড়ের মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     কী বললেন ধনখড়?

    বার অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে ধনখড় বলেন, “পৃথিবীতে অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা আমাদের দেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে বক্তৃতা দিয়ে বেড়ান।” এর পরেই তিনি বলেন, “ভারতের বিচারব্যবস্থা যথেষ্ট শক্তিশালী।” জাতীয়তাবাদের প্রতি দেশবাসীকে দায়বদ্ধ হওয়ার পরামর্শও এদিনের অনুষ্ঠানে দেন ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। বলেন, “আমরা এমন কোনও দেশ নয়, যাদের অন্যের কাছ থেকে উপদেশ নিতে হবে। যুব সমাজ যাতে বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য প্লাটফর্মে সরব হয়, সেই পরামর্শও দেন উপরাষ্ট্রপতি।” যেসব দেশ অজ্ঞানতাবশত ভারত সম্পর্কে মন্তব্য করছে, তাদের কাছে এ দেশের মহিমা প্রচার করার বার্তাও দেন ধনখড়।

    ভারতের বিচারব্যবস্থা

    ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের একটি অনুষ্ঠানেও যোগ দেন উপরাষ্ট্রপতি। সেখানে তিনি বলেন, “ভারত গণতান্ত্রিক দেশ। এ দেশের বিচারব্যবস্থা দাঁড়িয়ে রয়েছে শক্ত ভিতের ওপর। এই ব্যবস্থা কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সঙ্গে আপোস করতে পারে না। আমাদের দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে আমাদের, যাতে করে দেশ বিরোধী শক্তি মিথ্যে প্রচার করতে না পারে। দেশে যে গণতন্ত্র রয়েছে, তাকেও আগলে রাখতে হবে আমাদের।”

    আরও পড়ুুন: এবার উপগ্রহের মাধ্যমে দেশে টোল সংগ্রহ হবে, জানালেন গড়করি

    উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “এটা (কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার) তাদের (বিচারব্যবস্থার) কাজ। কিন্তু যদি একদল লোক যাদের না আছে রেজিস্ট্রেশন কিংবা তারা কোনও স্বীকৃতিপ্রাপ্ত রাজনৈতিক দল কোনও রাজনৈতিক দলের মতো আচরণ করে, তাহলে আমরা কী করব? তাদের ধর্তব্যের মধ্যে আনার প্রয়োজন নেই। তাদের ট্রাকশান দেওয়া হয়েছে। আমাদের অবশ্যই এর ঊর্ধ্বে উঠতে হবে।” প্রসঙ্গত, কেজরিওয়াল গ্রেফতার হওয়ার পরে পরেই মন্তব্য ধেয়ে আসে আমেরিকা, জার্মানি এবং রাষ্ট্রসংঘের তরফে। তার প্রেক্ষিতে আমেরিকা ও জার্মানির ভারতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের ডেকে সমঝে দেয় নয়াদিল্লি (Jagdeep Dhankhar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Jagdeep Dhankhar: “সংবিধানেই রামরাজ্যের ধারণা নিশ্চিত করা হয়েছে”, বললেন ধনখড়

    Jagdeep Dhankhar: “সংবিধানেই রামরাজ্যের ধারণা নিশ্চিত করা হয়েছে”, বললেন ধনখড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংবিধানেই রামরাজ্যের ধারণা নিশ্চিত করা হয়েছে। সংবিধান প্রণেতারা সুচিন্তিতভাবে ভগবান রাম, লক্ষ্মণ এবং সীতার ছবি এঁকেছেন মৌলিক অধিকারের অধ্যায়ের শীর্ষে।” শনিবার কথাগুলি বললেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। এদিন রাজস্থানের জয়পুরে জাতীয় ইলেক্ট্রো হোমিওপ্যাথি সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন উপরাষ্ট্রপতি।

    কী বললেন ধনখড়?

    সেখানে তিনি বলেন, “আমি ব্যথা অনুভব করি তখন, যখন দেখি কোনও অজ্ঞ লোক, যাঁর ইতিহাস সম্পর্কে সম্যক ধারণা নেই, তিনি হলফনামা দিয়ে বলেন ভগবান রাম কাল্পনিক চরিত্র। আমাদের সংবিধানে ২০টিরও বেশি ছবি রয়েছে। এবং মৌলিক অধিকারের অংশে সবার ওপরে ভগবান রাম, লক্ষ্মণ ও সীতাদেবীর ছবি রয়েছে।” তিনি বলেন, “ভগবান রাম ও রামরাজ্য ভারতীয় সংবিধানে রয়েছে। এবং সংবিধান প্রণেতারা একে শীর্ষে স্থান দিয়েছেন।”

    সংবিধানে রামের ছবি

    উপরাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে ধনখড় ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল। তিনি সংবিধান বিশেষজ্ঞও। ধনখড় বলেন, “যাঁরা ভগবান রামকে অশ্রদ্ধা করেন তাঁরা আসলে আমাদের সংবিধান প্রণেতাদের অশ্রদ্ধা করেন। এঁরা সুচিন্তিতভাবে ও বিচার-বিবেচনা করে সেখানে ভগবান রামের ছবি এঁকেছেন।” তিনি (Jagdeep Dhankhar) বলেন, “আমাদের সমাজ তখনই স্বাস্থ্যবান থাকবে, যখন এর সব স্তর ঐক্যবদ্ধ থাকবে।…যাঁরা সমাজকে ভাগ করতে চান, দ্রুত রাজনৈতিক লাভের উদ্দেশে সমাজে বিষ ছড়াতে চান, তাঁরা কেবল সমাজের শত্রু নন, তাঁরা এর মালিকও।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘রামের যারা বিরোধিতা করত, মোদি জমানায় তারাই ভজন শুরু করেছে’’, মন্তব্য রাজনাথের

    উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “এই সব মানুষকে শিক্ষা দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। তবে তাদের সতর্ক করা প্রয়োজন।…তাদের সৎ পথে নিয়ে আসতে হবে। এটা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে করার প্রয়োজন নেই, তবে সামাজিকভাবে করতে হবে।” রাজস্থানের নয়া সরকারের নেতৃত্বে উন্নয়নের কাজ দ্রুত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন উপরাষ্ট্রপতি।

    প্রসঙ্গত, দেশের কয়েকটি রাজনৈতিক দল রামকে কাল্পনিক চরিত্র বলে দাবি করেছে। ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের। সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কংগ্রেস সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকেও। তবে কংগ্রেস এবং সিপিএমের তরফে কেউ এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন না বলেই খবর। এহেন প্রেক্ষিতে উপরাষ্ট্রপতির (Jagdeep Dhankhar) রামরাজ্য সংক্রান্ত মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বই কি!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jagdeep Dhankhar: ‘কেন্দ্রীয় এজেন্সি ডাকলেই আন্দোলন কেন?’ ধনখড়ের নিশানা কাদের দিকে

    Jagdeep Dhankhar: ‘কেন্দ্রীয় এজেন্সি ডাকলেই আন্দোলন কেন?’ ধনখড়ের নিশানা কাদের দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইনকে নিজের কাজ করতে দিতে হবে। যদি তদন্তের স্বার্থে কেন্দ্রীয় এজেন্সি কাউকে ডেকে পাঠায় তাহলে বিরোধিতা না করে সাহায্য করাই কর্তব্য বলে অভিমত বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের (Jagdeep Dhankar)। রবিবার, দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই কথা বলেন তিনি।

    ধনখড়ের অভিমত

    সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে উপস্থিত পড়ুয়াদের আইন নিয়ে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন ধনখড় (Jagdeep Dhankar)। সেই বক্তৃতার মাঝেই তিনি টেনে আনেন ইডি-সিবিআইয়ের মতো কেন্দ্রীয় এজেন্সি এবং সংসদের অচলাবস্থা প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, ‘আইন সকলের জন্য সমান। কোনও পরিবার সেখানে বড় নয়। আইনের কাছে সকলকে জবাবদিহি করতে হবে। ভারতে এখন আইন সঠিক পথে চলছে। তাই যাঁরা আইন লঙ্ঘন করতেন, তাঁদের জন্য চাপের কারণ হয়েছে।’ পাশাপাশি ধনখড় বলেন, ‘আইন লঙ্ঘনকারীরা এখন চাপে পড়ে পথে নামছে। কিন্তু কেন তাদের পথে নামতে হচ্ছে সেটাই ভাবার বিষয়।’ এরপরই বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপালের সংযোজন, ‘কাউকে যদি কোনও এজেন্সি ডেকে পাঠায়, তবে গণতন্ত্রের নিয়ম মেনে সেই ডাকে সাড়া দেওয়া উচিত।’

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে আজ এক বেলায় ৭৩টি পঞ্চায়েত ভোট মামলার শুনানি

    সংসদের অচলাবস্থা প্রসঙ্গে উপরাষ্ট্রপতি

    রবিবারের ওই বক্তৃতায় সংসদের অচলাবস্থার প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন ধনখড় (Jagdeep Dhankar)। তিনি বলেন, ‘‘আলোচনা পর্যালোচনার মাধ্যমেই জনগণের মঙ্গল করা সম্ভব। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, অচলাবস্থা তৈরি করে, কাজে বাধা সৃষ্টি করে গণতন্ত্রের মন্দিরকে কলুষিত করার চেষ্টা হচ্ছে। যে ভাবে দিনের পর দিন এই দু’টি বিষয়কে সুকৌশলে অস্ত্রের মতো ব্যবহার করে গণতন্ত্রের মন্দিরকে কলঙ্কিত করা হচ্ছে, তা দেখে আমি মর্মাহত।’’ ধনখড় একই সঙ্গে নিজের মতামত জানিয়ে বলেছেন, ‘‘কিছু শক্তি ক্ষতি করার মানসিকতা থেকেই উন্নয়নের এই পবিত্রভূমিকে কলঙ্কিত করতে চাইছে। আমি এ দেশের তরুণ প্রজন্মকে বলব এই ধরনের শক্তিকে তোমাদেরই সমূলে বিনাশ করতে হবে। আর আমি জানি তোমরা সেটা পারবে।’’  তরুণ প্রজন্মের ওপর ভরসা রেখেই এদিন বক্তব্য রাখেন ধনখড়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Buckingham Palace: তৃতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠান! লন্ডন যাচ্ছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়

    Buckingham Palace: তৃতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠান! লন্ডন যাচ্ছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লন্ডন যাচ্ছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। আগামী শুক্র এবং শনিবার ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধি হিসাবে হাজির থাকবেন তিনি। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে এ খবর জানিয়ে বলা হয়েছে, ‘‘ভারত এবং ব্রিটেনের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। অনেক মিল এবং পরিপূরকতা রয়েছে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থায়।’’

    কেমন হবে অনুষ্ঠান

    ২০২২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর  প্রয়াত হন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। রানির মৃত্যুর পরই ৭৩ বছর বয়সে রাজার গদি পান তৃতীয় চার্লস। রাজা হওয়ার ৮ মাস পরে, শনিবার রাজ্যাভিষেক হবে তৃতীয় চার্লসের। তাঁর রাজ্যাভিষেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশিষ্টজনদের। রাজ্যাভিষেকে আমন্ত্রণ পেয়েছে ভারতও। ব্রিটেনের রাজার শপথ গ্রহণে ভারতীয় সরকারের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। সে দিনই আনুষ্ঠানিক ভাবে ‘কুইন কনসর্ট’ ঘোষণা করা হবে চার্লসের স্ত্রী ক্যামিলাকেও। প্রথামাফিক, ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবিতে এই অনুষ্ঠানের দায়িত্বে থাকবেন আর্চবিশপ অব ক্যান্টারবেরি।

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ‘মোখা’ ! মে মাসেই কি ফের ঘূর্ণিঝড়, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    বাকিংহামের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৬ মে প্রায় ২ হাজার বিদেশি অতিথির সমাগম হবে। অনুষ্ঠানের দৈর্ঘ্য এক ঘণ্টা। ১৯৫৩ সালে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অভিষেকের অনুষ্ঠানের থেকে অনেকটাই ‘ছোট মাপের’ হবে চার্লসের রাজ্যাভিষেক। রানির অভিষেকের অনুষ্ঠানে ছিলেন ৮ হাজার বিদেশি অতিথি। অনুষ্ঠান চলেছিল ৩ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যেও আমন্ত্রিত ছিল ভারত। সেই সময় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ব্রিটেনে গিয়েছিলেন এবং রানির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে সমবেদনা জানিয়েছিলেন। এবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, আগামী ৫ ও ৬ তারিখ ব্রিটেন সফরে যাচ্ছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। আগামী ৬ মে ব্রিটেনের রাজা হিসাবে তৃতীয় চার্লস ও কুইন কনসর্ট হিসাবে তাঁর স্ত্রী ক্যামিলা শপথ গ্রহণ করবেন। সেই অনুষ্ঠানেই আমন্ত্রিত ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন উপরাষ্ট্রপতি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vice President Elections: উপরাষ্ট্রপতি পদে জয়ী জগদীপ ধনখড়, জানেন তিনি কত ভোট পেলেন?

    Vice President Elections: উপরাষ্ট্রপতি পদে জয়ী জগদীপ ধনখড়, জানেন তিনি কত ভোট পেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশা মতোই উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে (Vice Presidential Elections) পদে জয়ী হলেন বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল এনডিএর (NDA) প্রার্থী  বিজেপির (BJP) জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। বিপুল ব্যবধানে তিনি হারালেন বিরোধী প্রার্থী মার্গারেট আলভাকে (Margaret Alva)। ৭২৫টি প্রদত্ত ভোটের মধ্যে যেখানে ধনখড় পেয়েছেন ৫২৮ ভোট, সেখানে বিরোধী প্রার্থীর ঘরে পড়েছে মাত্র ১৮২ ভোট। প্রদত্ত ভোটের ৭২.৮২% ভোট পেয়ে জিতলেন জগদীপ ধনখড়। 

    পেশায় আইনজীবী ধনখড়ের জন্ম ১৯৫১ সালের ১৮ মে, রাজস্থানের ঝুনঝুন জেলার কিথানায়। স্কুলের পাঠ শেষে আইনবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করেন তিনি। ১৯৭৮-৭৯ সালে রাজস্থান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি পাশ করেন ধনখড়। আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন রাজস্থান হাইকোর্ট ও পরে সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন তিনি। পরে আসেন রাজনীতিতে। ১৯৮৯ সালে রাজস্থানের ঝুনঝুন লোকসভায় জনতা দলের প্রার্থী হন ধনখড়। জয়ীও হন। তার পরের বছরই হন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত তিনি ছিলেন রাজস্থানের কিষণগড়ের বিধায়ক। ২০০৩ সালে তিনি যোগ দেন বিজেপিতে।

    আরও পড়ুন : উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ের পথে এগিয়ে ধনখড়, কেন জানেন?

    এর পর থেকে রাজনীতির পাশাপাশি চলতে থাকে সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিসও। ২০১৯ সালের ৩০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদে শপথ নেন ধনখড়। তার পর থেকে বারবার সংবাদের শিরোনামে এসেছেন তিনি। সম্প্রতি তাঁকে উপরাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেয় এনডিএ। নাম ঘোষণা হতেই রাজ্যপাল পদে ইস্তফা দিয়ে মনোনয়নপত্র পেশ করেন ধনখড়। বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে এখন তিনি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদাধিকারী।

    এদিন সকালে ভোট শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ভোট দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সহ অন্যরা। ভোটে অংশ নেয়নি তৃণমূল। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মুহূর্তে দিল্লিতে থাকা সত্ত্বেও এদিন ভোটদানে বিরত ছিল তৃণমূল। যা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। যদিও, দলের দুই সাংসদ শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী এদিনের ভোটগ্রহণে অংশ নিয়েছিলেন, যা সমান তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

    এদিকে, ধনখড়ের জয়ে খুশির হাওয়া গেরুয়া শিবিরে। ধনখড়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। অন্যদিকে বিরোধী প্রার্থী মার্গারেট আলভার হারে শোকের ছায়া বিরোধী শিবিরে।

    আরও পড়ুন : সুপ্রিম কোর্টে বরাদ্দ চেম্বার ছাড়লেন জগদীপ ধনখড়, কেন জানেন?

  • Jagdeep Dhankhar: একুশ শতকে রেকর্ড, উপরাষ্ট্রপতি পদে সব চেয়ে বেশি ভোটে জয়ী ধনখড় 

    Jagdeep Dhankhar: একুশ শতকে রেকর্ড, উপরাষ্ট্রপতি পদে সব চেয়ে বেশি ভোটে জয়ী ধনখড় 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চতুর্দশতম উপরাষ্ট্রপতি (Vice President) পদে জয়ী হলেন বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। বিজেপির (BJP) ধনখড় এনডিএর (NDA) প্রার্থী ছিলেন। বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের সম্মিলিত প্রার্থী মার্গারেট আলভাকে (Margaret Alva) আক্ষরিক অর্থেই ধরাশায়ী করেছেন তিনি। ধনখড় পেয়েছেন ৫২৮টি ভোট। আর আলভা পেয়েছেন মাত্র ১৮২টি ভোট। ১৯৯৭ সালের পর এই প্রথম কোনও উপরাষ্ট্রপতি জয়ী হলেন এত ভোটে।

    পেশায় আইনজীবী ধনখড়ের জন্ম ১৯৫১ সালের ১৮ মে, রাজস্থানের ঝুনঝুন জেলার কিথানায়। স্কুলের পাঠ শেষে আইনবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করেন তিনি। ১৯৭৮-৭৯ সালে রাজস্থান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি পাশ করেন ধনখড়। আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন রাজস্থান হাইকোর্ট ও পরে সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন তিনি। পরে আসেন রাজনীতিতে। ১৯৮৯ সালে রাজস্থানের ঝুনঝুন লোকসভায় জনতা দলের প্রার্থী হন ধনখড়। জয়ীও হন। তার পরের বছরই হন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত তিনি ছিলেন রাজস্থানের কিষণগড়ের বিধায়ক। ২০০৩ সালে তিনি যোগ দেন বিজেপিতে। ২০১৯ সালে রাজ্যপাল হয়ে আসেন বাংলায়।

    আরও পড়ুন : উপরাষ্ট্রপতি পদে জয়ী জগদীপ ধনখড়, জানেন তিনি কত ভোট পেলেন?

    এহেন ধনখড়কে চতুর্দশতম উপরাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত করে এনডিএ। ৭২.৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন তিনি। তাঁর জয়ের ফলে দেশের প্রধান তিনটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে নিল গেরুয়া শিবির। রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি এবং লোকসভার স্পিকার। প্রধানমন্ত্রী তো আছেনই। উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বৈধ ভোট পড়েছে ৭২৫টি। এর মধ্যে ধনখড় পেয়েছেন ৭২.৮ শতাংশ। ১৯৯৭ সালের পর আর এত ভোটে জয়ী হননি কোনও উপরাষ্ট্রপতি। ১৯৯২ সালে ৭০১টি বৈধ ভোটের মধ্যে ৭০০টি পেয়ে রেকর্ড করেছিলেন কেআর নারায়ণন। ২০১৭ সালে বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু যে ভোট পেয়েছিলেন, তার চেয়েও বেশি ভোট পেয়েছেন ধনখড়। নাইডু জয়ী হয়েছিলেন ৬৭.৮৯ শতাংশ ভোটে। ২০০৭ সালে কংগ্রেসের হামিদ আনসারি উপরাষ্ট্রপতি পদে জয়ী হয়েছিলেন ৬০.৫১ শতাংশ ভোটে। তিনি ওই পদে ছিলেন পর পর দুটো টার্ম।

    ধনখড়ের আগে রাজস্থান থেকে আরও একজনকে দেশ পেয়েছিল উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে। তিনি হলেন ভৈঁরো সিং শেখাওয়াত। ধনখড় উঠে এসেছেন জাঠ কৃষক পরিবার থেকে। পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন আইনবিদ্যাকে। যে বিজেপির প্রার্থী হয়ে আজ তিনি বসতে চলেছেন উপরাষ্ট্রপতি পদে, এক সময় তিনিই একাধিক মামলা লড়েছেন আরএসএস নেতাদের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন : সুপ্রিম কোর্টে বরাদ্দ চেম্বার ছাড়লেন জগদীপ ধনখড়, কেন জানেন?

  • Margaret Alva: বিরোধীদের তোপ দাগলেন ‘হেরো’ মার্গারেট আলভা, কী বললেন জানেন?

    Margaret Alva: বিরোধীদের তোপ দাগলেন ‘হেরো’ মার্গারেট আলভা, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপরাষ্ট্রপতি (Vice President) পদে এনডিএ (NDA) প্রার্থী বিজেপির (BJP) জগদীপ ধনখড়ের (Jagdeep Dhankhar) কাছে গোহারা হেরেছেন বিজেপি বিরোধী সম্মিলিত জোটের প্রার্থী কংগ্রেসের (Congress) মার্গারেট আলভা (Margaret Alva)। তার পরেই বিরোধী নেতাদের নিশানা করেছেন আলভা। নাম না করে তৃণমূল (TMC) সহ ‘ষড়যন্ত্রী’ বিরোধীদের আক্রমণ শানান তিনি।

    উপরাষ্ট্রপতি পদে ধনখড় জয়ী হয়েছেন ৭২ শতাংশেরও বেশি ভোটে। ওই ভোটে পরাস্ত হয়েছেন আলভা। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মতো এই ভোটেও ক্রস ভোটিং হয়েছে। যার জেরে শক্তি খুইয়েছেন আলভা। স্ফীতকায় হয়েছে গেরুয়া শিবির। বিরোধী শিবিরে থেকেও এবার ভোটদানে বিরত ছিল তৃণমূল। বিজেপি বিরোধী শিবিরে থেকেও যাঁরা এনডিএ প্রার্থীকে সমর্থন করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কার্যত তোপ দেগেছেন আলভা। বলেন, কিছু বিরোধী শক্তি বিরোধী অবস্থানে থেকেও বিজেপিকে সমর্থন করছে। যা ঐক্যবদ্ধ বিরোধীদের ধারণাকে লাইনচ্যুত করার চেষ্টা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    উপরাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে এবার মোট ভোট পড়েছে ৭২৫টি। তার মধ্যে বাতিল করা হয়েছে ১৫টি ভোট। বৈধ ভোটের ৫২৮টি পেয়েছেন এনডিএ প্রার্থী জগদীপ ধনখড়। আলভা পেয়েছেন ১৮২টি ভোট। যার অর্থ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মতো এবারেও হয়েছে ক্রশ ভোটিং।এই ফল প্রকাশ্যে আসার পর ভাবী উপরাষ্ট্রপতি ধনখড়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন আলভা। তার পরেই তোপ দেগেছেন বিরোধীদের। ট্যুইটবার্তায় আলভা লেখেন, উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার জন্য ধনখড়কে ধন্যবাদ। এর পরেই বিরোধী সমস্ত নেতা এবং দলকে ধন্যবাদ জানান তিনি। বিশেষ করে যাঁরা তাঁকে ভোট দিয়েছেন, সবাইকে ধন্যবাদ। অন্য একটি ট্যুইটে আলভা লেখেন, এই নির্বাচনে বিরোধীদের জন্য এক সঙ্গে কাজ করা, অতীতকে পিছনে ফেলা এবং একে অপরের বিশ্বাসের একটা জায়গা ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় কিছু বিরোধী দল সরাসরি কিংবা পরোক্ষভাবে বিজেপিকে সমর্থন করতেই ব্যস্ত। তাঁর মতে, বিরোধীদের এই প্রয়াস বিরোধী জোটের ভাবনাকে চালিত করছে বিপথে। এই সব বিরোধী দল ও তাদের নেতারা অজান্তেই লোকসান করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সব শেষে আলভা লিখেছেন, এই নির্বাচন তো শেষ হয়ে গেল। কিন্তু সংবিধান রক্ষা, গণতন্ত্র মজবুত ও সংসদের গরিমা বজায় রাখার লড়াই জারি থাকবে।

    আরও পড়ুন :একুশ শতকে রেকর্ড, উপরাষ্ট্রপতি পদে সব চেয়ে বেশি ভোটে জয়ী ধনখড়

     

  • Vice President Poll: উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ের পথে এগিয়ে ধনখড়, কেন জানেন?   

    Vice President Poll: উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ের পথে এগিয়ে ধনখড়, কেন জানেন?   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সকাল ১০টায় শুরু হয়েছে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন (Vice President Poll)। গত মাসেই হয়েছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (President Poll)। দেশের বিজেপি বিরোধী সতেরটি দলের সম্মিলিত প্রার্থী তৃণমূলের (TMC) প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট যশবন্ত সিনহাকে হারিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন এনডিএ প্রার্থী বিজেপির দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। উপরাষ্ট্রপতি পদে বিরোধীদের বাজি কংগ্রেসের (Congress) মার্গারেট আলভা (Margaret Alva)। আর বিজেপির (BJP) প্রার্থী হয়েছেন বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। মার্গারেটের চেয়ে জয়ের পথে ধনখড় অনেকটাই এগিয়ে। রাজনৈতিক মহলের মতে, বস্তুত ধনখড়ই হতে চলেছেন দেশের পরবর্তী উপরাষ্ট্রপতি। নির্বাচনের আগের দিন আলভা ভোটারদের কাছে বিবেক ভোট দেওয়ার আবেদন জানান। তিনি বলেন, উপরাষ্ট্রপতি পদে ভোট হবে গোপন ব্যালটে। বিবেকের ডাকে সাড়া দিয়ে ভোট দেওয়ার আর্জি জানান আলভা।

    রাষ্ট্রপতি পদে যেমন সাংসদদের পাশাপাশি ভোট দেন বিধায়করাও, উপরাষ্ট্রপতি পদে তা হয় না। এখানে ভোট দেন কেবল সাংসদরা। সংসদের দুই কক্ষের ৭৭৮ জন সদস্য ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন দেশের পরবর্তী উপরাষ্ট্রপতি। ভোটগ্রহণ পর্ব শুরু হয়েছে সকাল ১০টায়। শেষ হবে বিকেল ৫টায়। যিনি জয়ী হবেন, তিনি শপথ নেবেন ১১ অগাস্ট।

    আরও পড়ুন : উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও এনডিএ প্রার্থী জগদীপ ধনখড়কে সমর্থন মায়াবতীর

    রাজনৈতিক মহলের মতে, উপরাষ্ট্রপতি পদে ধনখড়ের জয় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। সংবিধান বিশেষজ্ঞ হিসেবে তাঁর নাম ডাক রয়েছে দেশে। এক সময় সুপ্রিম কোর্টেও প্র্যাকটিস করতেন নিয়মিত। সামলেছেন বাংলার রাজ্যপালের দায়িত্বও। এহেন ধনখড়কে প্রার্থী করে চমক দিয়েছিল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের এমন ‘ওজনদার’ প্রার্থীকে সমর্থন করেছিন এনডিএর বাকি সব দলও। এছাড়াও জনতা দল (ইউনাইটেড), ওয়াইএসআরসিপি, এআইএডিএমকে, অকালি দল এবং শিবসেনার শিন্ডে শিবিরের সমর্থন রয়েছে ধনখড়ের সঙ্গে। মায়াবতীর বহুজন সমাজবাদী পার্টি এবং চন্দ্রবাবু নাইডুর টিডিপিও ধনখড়কে সমর্থন করছেন। এঁদের সম্মিলিত সাংসদ ৮১ জন। যার জেরে ধনখড় পেতে পারেন ৫২৭টি ভোট। যদিও ভোটে জেতার জন্য প্রয়োজন ৩৭২টি ভোট। মোট ভোটের ৭০ শতাংশ পেতে পারেন তিনি। প্রসঙ্গত, লোকসভার সদস্য সংখ্যা ৫৪৩। রাজ্যসভার সংসদ রয়েছেন ২৪৫ জন। রাজ্যসভায় ৮টি আসন শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে এনডিএর সদস্য সংখ্যা ৪৪১। তার মধ্যে বিজেপিরই রয়েছেন ৩৯৪ জন।  

    আরও পড়ুন :স্বাধীনতার ৭৫ বছরে তেরঙ্গা শাড়ি পরে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ দ্রৌপদী মুর্মুর

    এই যদি হয় এনডিএ শিবিরের ছবি, তবে বিরোধী প্রার্থী আলভার অবস্থা তুলনায় ম্লান। তাঁর পাশে রয়েছে কেবল কংগ্রেস, আপ, মিম, টিআরএস এবং জেএমকে। শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে শিবিরের ভোটও পাবেন তিনি। আলভা কমবেশি ২০০ আসন পেতে পারেন। শতাংশের হিসেবে যা দাঁড়ায় ২৬। উপরাষ্ট্রপতি পদে ভোট দানে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাষ্ট্রপতি পদে মুখ পোড়ার পর উপরাষ্ট্রপতি পদে ফের একবার কলঙ্ক গায়ে মাখতে চায়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। লোকসভায় তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা ২৩, রাজ্যসভায় ১৬। তৃণমূলের দুই সাংসদ শিশির অধিকারী ও তাঁর ছেলে দিব্যেন্দুকেও চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে দলীয় সিদ্ধান্ত।

     

  • VP Election: উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও এনডিএ প্রার্থী জগদীপ ধনখড়কে সমর্থন মায়াবতীর  

    VP Election: উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও এনডিএ প্রার্থী জগদীপ ধনখড়কে সমর্থন মায়াবতীর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি (President) নির্বাচনে তিনি সমর্থন করেছিলেন এনডিএ-র (NDA) প্রার্থী বিজেপির (BJP) দ্রৌপদী মুর্মুকে (Draupadi Murmu)। উপরাষ্ট্রপতি (Vice President) নির্বাচনেও বহুজন সমাজবাদী পার্টি (BSP) সুপ্রিমো মায়াবতী (Mayawati) জানিয়ে দিলেন, এবারও তাঁর দল এনডিএ প্রার্থী জগদীপ ধনখড়কেই (Jagdeep Dhankhar ) সমর্থন করবে। বৃহত্তর জনস্বার্থের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত বলেও জানান তিনি।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ-র প্রার্থী ছিলেন দ্রৌপদী মুর্মু। ওই নির্বাচনে বিজেপি বিরোধী সতেরটি দলের সম্মিলিত প্রার্থী ছিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট যশবন্ত সিনহা। ওই নির্বাচনে যশবন্ত নন, মায়াবতীর দল সমর্থন করেছিলেন এনডিএ প্রার্থীকেই। এক ট্যুইট বার্তায় মায়াবতী বলেন, দেশের সর্বোচ্চ পদ রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচনে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে ঐক্যমত্যের অভাবের কারণে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এখন একই অবস্থার কারণে আগামী ৬ অগাস্ট উপরাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচনও হতে চলেছে। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে বৃহত্তর জনস্বার্থ ও নিজস্ব আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে বিএসপি উপরাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচনে শ্রী জগদীপ ধনখড়কে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমি আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এই কথা ঘোষণা করছি।

    আরও পড়ুন : স্বাধীনতার ৭৫ বছরে তেরঙ্গা শাড়ি পরে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ দ্রৌপদী মুর্মুর

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দ্রৌপদীকে কেন তিনি সমর্থন করেছিলেন, তাও তখন জানিয়েছিলেন বিএসপি নেত্রী। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা যশবন্ত সিনহাকে মনোনীত করার সময় তাঁর দলকে উপেক্ষা করেছিলেন। তাই তিনি দ্রৌপদীকে সমর্থন করেছেন। ধনখড়কে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেলেগু দেশম পার্টিও। টিডিপি সুপ্রিমো এন চন্দ্রবাবু নাইডু জানান, উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাঁর দল সমর্থন করবে ধনখড়কে। উপরাষ্ট্রপতি পদে এনডিএ-র প্রার্থী জগদীপ ধনখড়কে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজু জনতা দলও। এদিকে, ভোটদানে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি পদে দ্রৌপদীর জয়ের আনন্দে মাতল বাংলাদেশও

    প্রসঙ্গত, উপরাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন হবে ৬ অগাস্ট। ওই পদে বেঙ্কাইয়া নাইডুর মেয়াদ শেষ হবে ১০ অগাস্ট। উপরাষ্ট্রপতি পদে বিরোধীদের প্রার্থী কংগ্রেসের মার্গারেট আলভা। তা সত্ত্বেও উপরাষ্ট্রপতি পদে পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল ধনখড়ের জয় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

     

LinkedIn
Share