Tag: Vietnam

Vietnam

  • Ajit Doval: প্রতিরক্ষা-নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদারে ভারত-ভিয়েতনাম, ২০৩০ সালের মধ্যে বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ২৫০০ কোটি ডলার

    Ajit Doval: প্রতিরক্ষা-নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদারে ভারত-ভিয়েতনাম, ২০৩০ সালের মধ্যে বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ২৫০০ কোটি ডলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা—একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও মজবুত করতে উদ্যোগী হল ভারত ও ভিয়েতনাম। সোমবার ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (Ajit Doval)। তাঁর এই সফরে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক সম্প্রসারণ, সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

    এই সফরে ভিয়েতনামের উপপ্রধানমন্ত্রী তথা প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল ফান ভান জিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন ডোভাল। ভারতের দূতাবাস সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে চলা প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অগ্রগতি (Vietnam) পর্যালোচনা করা হয়। এই ক্ষেত্রে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সমন্বয় আরও বাড়ানোর বিষয়েও ঐকমত্যে পৌঁছয় দুই পক্ষ।

    জিয়াং জানান, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং তা আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। দুই দেশের বর্ধিত সর্বাঙ্গীণ কৌশলগত অংশীদারিত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

    প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও মজবুত করতে উদ্যোগ (Ajit Doval)

    বৈঠকে পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ভারতের সঙ্গে ভিয়েতনামের সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন ডোভাল। তাঁর বক্তব্য, জাতীয় উন্নয়ন এবং কৌশলগত স্বনির্ভরতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য সহযোগী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ভারত ও ভিয়েতনামের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি জানান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ইতিমধ্যেই দুই দেশের অংশীদারিত্বের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

    অন্যদিকে, দুই দেশের সম্পর্ক বর্ধিত সর্বাঙ্গীণ কৌশলগত অংশীদারিত্বের পর্যায়ে উন্নীত হওয়ার পর ডোভালের এই সফরকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন জিয়াং। তাঁর মতে, অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, কৌশলগত স্বার্থের সমন্বয় এবং বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতার উপর দাঁড়িয়েই ভারত-ভিয়েতনাম সম্পর্ক আরও এগিয়ে চলেছে।

    প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে ভারতীয় সংস্থাগুলিকে আমন্ত্রণ

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভারতীয় প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির জন্য নতুন সুযোগ তৈরির উদ্যোগও নিয়েছে ভিয়েতনাম। আগামী ডিসেম্বর মাসে হ্যানয়ে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ভিয়েতনাম আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী। সেখানে নিজেদের সামরিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি প্রদর্শনের জন্য ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং ভারতীয় প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভিয়েতনাম।

    এই আমন্ত্রণ দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের আগ্রহকেই স্পষ্ট করেছে। সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন, প্রযুক্তি বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে চাইছে দুই দেশ।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ চিন সাগরকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক নিরাপত্তার পরিবর্তিত পরিস্থিতি ভারত ও ভিয়েতনামের প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। ওই অঞ্চলে চিনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও সামরিক তৎপরতা নিয়ে দুই দেশেরই উদ্বেগ রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ চিন সাগর অঞ্চলে তেল অনুসন্ধানেও উভয় দেশের স্বার্থ জড়িত।

    ভারতের তৈরি ব্রহ্মস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার বিষয়ে আগ্রহী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে ভিয়েতনাম অন্যতম (Ajit Doval)। এই অঞ্চলে ভারতের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পরিধি বাড়ছে ফিলিপিন্স ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গেও।

    বাণিজ্য ২৫০০ কোটি ডলারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যও নিয়েছে ভারত ও ভিয়েতনাম। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৬০০ কোটি ডলার। ২০৩০ সালের মধ্যে সেই অঙ্ক বাড়িয়ে ২৫০০ কোটি ডলারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে দুই দেশ।

    উল্লেখ্য, গত মে মাসে ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট তো লামের ভারত সফরের সময় দুই দেশের সম্পর্ককে বর্ধিত সর্বাঙ্গীণ কৌশলগত অংশীদারিত্বের পর্যায়ে উন্নীত করা হয়। বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করাই ছিল এই সিদ্ধান্তের অন্যতম উদ্দেশ্য।

    ভিয়েতনামের নিরাপত্তামন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক ডোভালের

    প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি ভিয়েতনামের জননিরাপত্তামন্ত্রী জেনারেল লুয়ং তাম কোয়াংয়ের সঙ্গেও প্রতিনিধিদল পর্যায়ের আলোচনা করেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। দুই দেশের নিরাপত্তা ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার এবং বিদ্যমান সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

    ভারতীয় দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, বৈঠকে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

    ভিয়েতনামের বিদেশমন্ত্রী লে হোয়াই চুংয়ের সঙ্গেও পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করেন ডোভাল। ২০২৭ সালে ভারত ও ভিয়েতনামের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে কীভাবে তা উদ্‌যাপন করা যায়, সেই বিষয়েও আলোচনা হয় তাঁদের মধ্যে।

    হ্যানয়ের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ মন্দিরে ডোভাল

    সরকারি বৈঠক ও কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি দুই দেশের ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্কের দিকটিও তুলে ধরেন অজিত ডোভাল। সফরকালে তিনি হ্যানয়ের ঐতিহাসিক কোয়ান সু বৌদ্ধ মন্দির পরিদর্শন করেন (Vietnam)।

    সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান মন্দিরের প্রধান থিচ থান নিয়েউ এবং ভিয়েতনামের জাতীয় বৌদ্ধ সংঘের সাধারণ সম্পাদক থিচ ডুক থিয়েন।

    ভারত ও ভিয়েতনামের মধ্যে বৌদ্ধ ঐতিহ্যের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ডোভালের এই মন্দির পরিদর্শন দুই দেশের (Ajit Doval) সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক বন্ধনের গুরুত্বকেও সামনে এনেছে। কূটনীতি, অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও গভীর করার বার্তাই উঠে এসেছে এই সফরে।

     

  • Vietnam: ভিয়েতনামে পর্যটকবাহী স্পিডবোট দুর্ঘটনা, মৃত্যু অন্তত ১৫ ভারতীয়ের

    Vietnam: ভিয়েতনামে পর্যটকবাহী স্পিডবোট দুর্ঘটনা, মৃত্যু অন্তত ১৫ ভারতীয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিয়েতনামের (Vietnam) দক্ষিণাঞ্চলের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ফু কুয়ক দ্বীপের কাছে শনিবার উল্টে গেল যাত্রিবোঝাই স্পিডবোট (Indian Tourists Capsizes)। শনিবার ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৫ জন ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। মোট ৩২ জন ভারতীয় যাত্রী এবং চারজন নাবিককে নিয়ে চলা ওই স্পিডবোটটি উল্টে গেলে ঘটে দুর্ঘটনা। খবর পেয়েই দ্রুত সমুদ্রে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন। আহত ও নিখোঁজদের খোঁজে জারি রয়েছে তল্লাশি অভিযান। ফু কুয়ক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ‘ওশান পার্ল আইল্যান্ড’ নামে একটি সংস্থা পরিচালিত স্পিডবোটটি হন মে রুট দ্বীপ থেকে আন থই বন্দরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। দুপুর ১টা নাগাদ হন মে রুট দ্বীপ থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে পৌঁছতেই উত্তাল সমুদ্রে ভারসাম্য হারিয়ে উল্টে যায় সেটি। হাবুডুবু খেতে থাকেন যাত্রী ও নাবিকরা।

    শুরু হয় উদ্ধারকাজ (Vietnam)

    দুর্ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপন্নদের উদ্ধার করতে ছুটে আসে আশপাশে থাকা পর্যটকবাহী নৌকোগুলি। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। এক নাবিক বলেন, “আমরা পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। কিন্তু অনেক যাত্রী উল্টে যাওয়া নৌকোর ভেতরে আটকে পড়েছিলেন। তাই উদ্ধারকাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। অল্প কয়েকজনকেই জীবিত অবস্থায় বাইরে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে।” দুর্ঘটনার পরপরই ভিয়েতনামে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানায়, তারা পরিস্থিতির উপর নিবিড় নজর রাখছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সাহায্য করতে হো চি মিন সিটি ও হ্যানয়ে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। দূতাবাসের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “ফু কুয়ক দ্বীপের কাছে ভারতীয় পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া একটি স্পিডবোট দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে এবং ঘটনার সঠিক বিবরণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সব ধরনের সাহায্য দিতে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।”

    চলছে যাচাইকরণ

    ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, সরকারি সূত্রের ভিত্তিতে স্পিডবোটে থাকা ৩২ জন ভারতীয় পর্যটকের নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। নিহত ও আহতদের শনাক্ত করতে চলছে যাচাইকরণ। পরিস্থিতি স্পষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য প্রকাশ করা হবে (Vietnam)। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বলেন, “ভিয়েতনামের ফু কুয়ক দ্বীপের কাছে ভারতীয় নাগরিকদের নিয়ে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় আমি অত্যন্ত মর্মাহত। যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই (Indian Tourists Capsizes)। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।” তিনি আরও জানান, ভিয়েতনামে ভারতীয় দূতাবাস ও কনস্যুলেট স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বতোভাবে সাহায্য করছে।

    অন্ধ্রপ্রদেশের মন্ত্রীর তৎপরতা

    অন্ধ্রপ্রদেশের মন্ত্রী নারা লোকেশও ঘটনাটির পরপরই প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা শুরু করেন। তিনি অন্ধ্রপ্রদেশ ভবন এবং রাজ্য সরকারের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত পর্যটকদের মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশের কয়েকজন বাসিন্দাও থাকতে পারেন। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা তাঁকে জানান, ভিয়েতনামে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে যাত্রীদের পরিচয় ও অবস্থার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। মন্ত্রী নির্দেশ দেন, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াতে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করতে (Vietnam)। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় সমুদ্র ছিল উত্তাল। বৃষ্টি না হলেও, ঢেউ ছিল প্রবল। তার মধ্যেই চলাচল করছিল পর্যটকবাহী স্পিডবোটগুলি। স্পিডবোট পরিচালনাকারী সংস্থার এক প্রতিনিধি জানান, স্পিডবোটটি দ্বীপভ্রমণ করাতেই পর্যটকদের নিয়ে যাচ্ছিল। চালকের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাও ছিল (Indian Tourists Capsizes)।

    মে রুট দ্বীপপুঞ্জ

    প্রসঙ্গত, মে রুট দ্বীপপুঞ্জ ফু কুয়কের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। স্বচ্ছ সমুদ্রের জল, সাদা বালুকাবেলা এবং প্রবালপ্রাচীরের জন্য দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক সেখানে বেড়াতে যান। স্নরকেলিং, ডাইভিং-সহ বিভিন্ন জলক্রীড়ার জন্য এলাকাটি বিশেষ পরিচিত। আন থই বন্দর থেকে স্পিডবোটে সাধারণত ২০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যেই সেখানে পৌঁছনো যায় (Vietnam)। গত বছরও ভিয়েতনামে বড় ধরনের নৌ-দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে হা লং উপসাগরে একটি পর্যটকবাহী স্পিডবোট প্রবল ঝড়ের মধ্যে পড়ে উল্টে গেলে অন্তত ৩৫ জনের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনায় বহু শিশুও প্রাণ হারিয়েছিল। পরপর এমন দুর্ঘটনার পর ভিয়েতনামের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে নৌ-নিরাপত্তা এবং (Indian Tourists Capsizes) জরুরি উদ্ধার ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েই উঠছে গুচ্ছের প্রশ্ন (Vietnam)।

     

  • India Brahmos Missile Deal: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা উপস্থিতি বাড়াতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ভারতের, জানুন বিশদে

    India Brahmos Missile Deal: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা উপস্থিতি বাড়াতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ভারতের, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা উপস্থিতি আরও প্রসারিত করার পথে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারত। প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং জানান, ভিয়েতনামের (Vietnam Indonesia Agreement) সঙ্গে ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের চুক্তি (India Brahmos Missile Deal) ইতিমধ্যেই স্বাক্ষরিত হয়েছে। একই রকম আরও একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে।

    সাংগ্রি-লা ডায়ালগ (India Brahmos Missile Deal)

    শনিবার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত সাংগ্রি-লা ডায়ালগ (Shangri-La Dialogue)-এর ফাঁকে সাংবাদিক বৈঠকে রাজেশ জানান, হ্যানয় ইতিমধ্যেই ওই মিসাইল কেনা সংক্রান্ত চুক্তিটি সই করেছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তা এখনও ঘোষণা করা হয়নি। ভিয়েতনামের এক প্রতিনিধির প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমার ধারণা, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনাম—উভয় দেশের ক্ষেত্রেই চুক্তিগুলি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ভিয়েতনামের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যদিও এখনও প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হয়নি।” প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিয়েতনামের ক্ষেত্রে ব্রহ্মোস প্যাকেজের মূল্য প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকা। এতে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, প্রশিক্ষণ এবং লজিস্টিক সাহায্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অগ্রগতি ভারতের একটি বড় প্রতিরক্ষা রফতানিকারী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশের প্রচেষ্টা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

    প্রতিরক্ষা সচিবের বক্তব্য

    জানা গিয়েছে, ফিলিপিন্স ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম বিদেশি ক্রেতা। ২০২৪ সালে ম্যানিলা প্রথম ব্যাচের ক্ষেপণাস্ত্র কেনে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে দ্বিতীয় চালান পায়। এর মাধ্যমে বৃহৎ প্রতিরক্ষা রফতানি চুক্তি বাস্তবায়নে ভারতের ক্ষমতা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে প্রতিরক্ষা সচিব জানান, ভারত আসিয়ান (ASEAN) দেশগুলির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তাদের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে দেখে। তিনি বলেন, “আমরা আপনাদের সবাইকে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচনা করি, যাদের সঙ্গে উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ভাগ করে নেওয়া যায়।” তিনি জানান,  সাধারণত উন্নত সামরিক প্রযুক্তি কেবল সেইসব দেশের সঙ্গেই ভাগ করা হয় যাদের ওপর গভীর আস্থা এবং কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে (Vietnam Indonesia Agreement)।

    বৈশ্বিক পরিবেশে স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

    ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে উন্নত ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম কার্যকর সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলির একটি হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি কৌশলের অন্যতম প্রধান পণ্য হয়ে উঠেছে (India Brahmos Missile Deal)। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ও সামুদ্রিক প্রতিরোধক্ষমতা জোরদার করতে আগ্রহী বিভিন্ন দেশের মধ্যে ব্রহ্মোসের প্রতি আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে। সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজেশ বলেন, “ভারত এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অংশের অংশীদার দেশগুলির সঙ্গে স্থিতিশীল সরবরাহ শৃঙ্খল, নির্ভরযোগ্য প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব, নিরাপদ সামুদ্রিক পরিবেশ এবং উদ্ভাবনভিত্তিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে প্রস্তুত।” তিনি জানান, বর্তমান অনিশ্চিত বৈশ্বিক পরিবেশে স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত প্রয়োজনীয়তাগুলির একটি হয়ে উঠেছে (Vietnam Indonesia Agreement)।

    দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করায় জোর

    প্রতিরক্ষা সচিবের এই ঘোষণার আগে আগেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সম্প্রতি হ্যানয় সফর করে এসেছেন। সেখানে তিনি ভিয়েতনামের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফান ভানন জিয়াংয়ের (Phan Van Giang) সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন (India Brahmos Missile Deal)। শাংরি-লা ডায়ালগের পাশাপাশি রাজেশ অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নেদারল্যান্ডসের ঊর্ধ্বতন কর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন। এর মাধ্যমে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ইন্দো-প্যাসিফিক ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে প্রতিরক্ষা কূটনীতি আরও জোরদার করছে।

    ইন্ডিয়া-অস্ট্রেলিয়া কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ

    অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা সচিব মেঘান কুইন (Meghan Quinn)-এর সঙ্গে আলোচনায় উভয়পক্ষই ইন্ডিয়া-অস্ট্রেলিয়া কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ (India-Australia Comprehensive Strategic Partnership)-এর অগ্রগতি পর্যালোচনা করে। অনুসন্ধান করে নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রও। ভিয়েতনাম এবং ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য ব্রহ্মোস চুক্তিগুলি ভারতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সরবরাহকারী দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নয়াদিল্লির ক্রমবর্ধমান কৌশলগত প্রভাবের ইঙ্গিতও দিচ্ছে। মনে রাখতে হবে, এমন একটা সময়ে এই (Vietnam Indonesia Agreement) অগ্রগতি হচ্ছে, যখন অঞ্চলটিতে ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছে (India Brahmos Missile Deal)।

     

LinkedIn
Share