Tag: viksit bharat

viksit bharat

  • PM Modi: ‘মাদকমুক্ত যুবসমাজই বিকশিত ভারতের ভিত্তি’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ‘মাদকমুক্ত যুবসমাজই বিকশিত ভারতের ভিত্তি’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে এগিয়ে চলার পথে দেশের যুবসমাজকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ও আত্মবিশ্বাসে পরিপূর্ণ হতে হবে। তাদের সব ধরনের মাদকাসক্তি থেকে দূরে থাকাও অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবার ভিডিও সম্মেলনের মাধ্যমে ‘নেশামুক্ত যুব ফর বিকশিত ভারত সংকল্প অভিযান’-এর সূচনা করে তিনি বলেন, মাদকবিরোধী এই দেশব্যাপী প্রচারের লক্ষ্য শুধু ব্যক্তি নয়, পরিবার, সমাজ এবং সমগ্র দেশের কল্যাণ নিশ্চিত করা (Viksit Bharat)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ যে অভিযান আমরা প্রত্যক্ষ করছি, তা ব্যক্তি, পরিবার এবং সমাজের জন্য; সর্বোপরি এটি দেশের জন্য। এই আন্দোলনের নামই—বিকশিত ভারত সংকল্প অভিযানের অধীনে ‘মাদকমুক্ত যুব’ উদ্যোগ—এর সংকল্পকে স্পষ্ট করে দেয়।” তিনি আরও বলেন, “দেশ যখন বিকশিত ভারত হয়ে ওঠার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে, তখন আমাদের যুবসমাজের শরীর ও মন সুস্থ থাকা, আত্মবিশ্বাসে পরিপূর্ণ থাকা এবং মাদকের মতো প্রাণঘাতী অভ্যাস থেকে চিরতরে মুক্ত থাকা অত্যন্ত জরুরি। এটাই এই অভিযানের উদ্দেশ্য। আমাদের সংকল্প নিতে হবে, যাতে যুবসমাজ মাদক ও মাদকাসক্তির বিপদ সম্পর্কে সচেতন হয়, সতর্ক থাকে এবং এই ধ্বংসাত্মক অভ্যাস থেকে দূরে থাকে।”

    সম্মিলিত উদ্যোগেই সামাজিক পরিবর্তন (PM Modi)

    সামাজিক প্রচারাভিযানকে সফল করার ক্ষেত্রে সম্মিলিত অংশগ্রহণের গুরুত্বও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, একা কোনও কঠিন কাজ করতে গেলে অনেক সময় হতাশা, ক্লান্তি এবং দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার ক্ষেত্রে অনীহা তৈরি হতে পারে। কিন্তু সেই কাজই যখন গণআন্দোলনের রূপ নেয়, তখন মানুষের মধ্যে নতুন উৎসাহ ও শক্তির সঞ্চার হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছু কাজ রয়েছে, যা একা করতে গেলে কখনও কখনও হতাশা, ক্লান্তি এবং দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার অনীহা তৈরি হতে পারে। কিন্তু সেই কাজ যখন একটি সম্মিলিত অভিযানে পরিণত হয় এবং লাখ লাখ মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে চলেন, তখন যাঁরা একা সেই কাজটি করতে পারতেন না, তাঁরাও নতুন শক্তি ও উদ্দীপনায় ভরে ওঠেন।” তিনি এও বলেন, “আজ সেই শক্তিতেই পরিচালিত এই অভিযান প্রতিটি তরুণ হৃদয়কে স্পর্শ করছে।”

    কাশী থেকে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছিল অভিযান

    প্রধানমন্ত্রী জানান, গত বছর কাশী থেকে পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে এই অভিযান শুরু হয়েছিল। বর্তমানে দেশের কোটি কোটি মানুষের কল্যাণে ১২৫টিরও বেশি আধ্যাত্মিক সংগঠন এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে (Viksit Bharat)।তিনি বলেন, “গত বছর এই অভিযান পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে শুরু করা হয়েছিল। আজ আমাদের কোটি কোটি সহনাগরিকের কল্যাণে ১২৫টিরও বেশি আধ্যাত্মিক সংগঠন আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তাই আমাদের সকলকে সংকল্প নিতে হবে, যাতে যুবসমাজ মাদকাসক্তি ও মাদকের বিপদ সম্পর্কে বুঝতে পারে, সর্বদা সচেতন থাকে এবং এগুলি থেকে দূরে থাকে।”

    ১০০ সপ্তাহ ধরে চলবে দেশব্যাপী জনঅংশগ্রহণের অভিযান

    ‘নেশামুক্ত যুব ফর বিকশিত ভারত সংকল্প অভিযানে’র লক্ষ্য হল তরুণদের মাদকাসক্তি থেকে দূরে থাকতে উৎসাহিত করা এবং নিজেদের এলাকার ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনের দূত হিসেবে গড়ে তোলা (PM Modi)। এই অভিযানের সূচনার মাধ্যমে মাদকবিরোধী ১০০ সপ্তাহের দেশব্যাপী জনঅংশগ্রহণ কর্মসূচি শুরু হল। এর আওতায় প্রতি রবিবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হবে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। অভিযানের অংশ হিসেবে ক্রীড়া অনুষ্ঠান, পদযাত্রা, ধ্যানের অধিবেশন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সচেতনতামূলক প্রচার, পথনাটিকা, আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির আয়োজন করা হবে (Viksit Bharat)।

    এক মঞ্চে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন

    মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে সম্মিলিত আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যুব সংগঠন, নাগরিক সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠী, শিল্পক্ষেত্রের সংগঠন এবং আধ্যাত্মিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে একটি অভিন্ন মঞ্চে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।দেশের ১০ হাজারেরও বেশি জায়গা থেকে যুবসমাজ এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়। ভারত সরকারের ‘মাই ভারত’-এর স্বেচ্ছাসেবক, জাতীয় সেবা প্রকল্পের স্বেচ্ছাসেবক, যুব ক্লাব, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং বিভিন্ন শিল্প সংগঠনের যুব শাখার সদস্যরা ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হন এই কর্মসূচিতে (PM Modi)।

     

  • Jan Aushadhi Kendras: জন ঔষধি প্রকল্পে এক যুগে ওষুধের খরচে বেঁচেছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা, কেন্দ্রের সংখ্যা ছাড়াল ২০ হাজার

    Jan Aushadhi Kendras: জন ঔষধি প্রকল্পে এক যুগে ওষুধের খরচে বেঁচেছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা, কেন্দ্রের সংখ্যা ছাড়াল ২০ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১২ বছরে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জন ঔষধি প্রকল্পের (Jan Aushadhi Kendras) মাধ্যমে দেশের মানুষের ওষুধ কেনার খরচে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। লোকসভায় লিখিত জবাবে এই তথ্য জানান (India) কেন্দ্রীয় রাসায়নিক ও সারমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। তিনি জানান, ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত দেশে জন ঔষধি কেন্দ্রের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার ১৪৯। দেশের ৭৮৪টি জেলার মধ্যে ৭৭৬টিতে ইতিমধ্যেই এই কেন্দ্রগুলির পরিষেবা পৌঁছে গিয়েছে। ২০০৮ সালে স্বল্পমূল্যে মান-নিয়ন্ত্রিত জেনেরিক ওষুধ বিক্রির উদ্দেশ্যে এই প্রকল্পের সূচনা হলেও, প্রথম দিকে এর অগ্রগতি ছিল ধীর। পরে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জন ঔষধি প্রকল্প হিসেবে নতুনভাবে চালু হওয়ার পর দ্রুত সম্প্রসারণ শুরু হয়। ২০২১ সালের জুন মাসে কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৮৩৬। ২০২৪ সালে তা ১৪ হাজার ছাড়িয়ে যায়। একই বছরে বার্ষিক ওষুধ বিক্রি এক হাজার কোটি টাকার গণ্ডিও অতিক্রম করে। ২০২৫ সালের জুনে কেন্দ্রের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ হাজার, ৯১২ এবং তখন পর্যন্ত নাগরিকদের মোট সাশ্রয়ের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এক বছরেরও কম সময়ে আরও তিন হাজারের বেশি নতুন কেন্দ্র চালু হওয়ায় কেন্দ্রের সংখ্যা ২০ হাজার পেরিয়েছে এবং মোট সাশ্রয়ের পরিমাণ পৌঁছেছে ৪৫ হাজার কোটি টাকায়।

    সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয়ে বড় স্বস্তি (Jan Aushadhi Kendras)

    সরকারের দাবি, জন ঔষধি কেন্দ্রগুলিতে বিক্রি হওয়া ওষুধের দাম বাজারে প্রচলিত ব্র্যান্ডেড ওষুধের তুলনায় ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম। কিছু ক্ষেত্রে এই ব্যবধান আরও বেশি। ফলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ-সহ নানা রোগের চিকিৎসায় মানুষের ব্যক্তিগত খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বিশেষ করে ছোট শহর ও গ্রামীণ এলাকায়, যেখানে ব্র্যান্ডেড ওষুধের দোকান তুলনামূলক কম এবং চিকিৎসার খরচ পারিবারিক বাজেটের ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করে, সেখানে এই প্রকল্প উল্লেখযোগ্য স্বস্তি এনে দিয়েছে বলে দাবি সরকারের (Jan Aushadhi Kendras)।

    ওষুধের পাশাপাশি দাম কম অস্ত্রোপচার সামগ্রীরও

    বর্তমানে জন ঔষধি প্রকল্পে ২ হাজার ১১০ ধরনের ওষুধ এবং ৩১৫ ধরনের অস্ত্রোপচার-সরঞ্জাম, চিকিৎসা উপকরণ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পাওয়া যায়। হৃদরোগ, ক্যানসার, ডায়াবেটিস, সংক্রমণ, অ্যালার্জি, পরিপাকতন্ত্রের রোগ থেকে শুরু করে পুষ্টি-সম্পূরক—প্রায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় জেনেরিক ওষুধই এখন এই প্রকল্পের আওতায় মেলে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কেন্দ্রীয় পরিচালকদের ২০০টি সর্বাধিক চাহিদাসম্পন্ন ওষুধ সবসময় মজুত রাখার জন্য বিশেষ আর্থিক অনুদানও চালু করেছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে প্রকল্পের ১০০টি সর্বাধিক বিক্রিত ও বাজারে সর্বাধিক ব্যবহৃত আরও ১০০টি ওষুধও।

    মান নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি

    কম দামের ওষুধের গুণগত মান নিয়ে মানুষের মধ্যে যে (India) সংশয় রয়েছে, তা দূর করতে সরকার একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রকল্পের আওতায় শুধুমাত্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উত্তম উৎপাদন পদ্ধতির শংসাপত্রপ্রাপ্ত সংস্থার কাছ থেকেই ওষুধ সংগ্রহ করা হয়। প্রতিটি ব্যাচ বাজারে আসার আগে জাতীয় পরীক্ষাগার স্বীকৃতি বোর্ড অনুমোদিত পরীক্ষাগারে মান যাচাই করা হয়। প্রকল্প পরিচালনাকারী ভারতীয় ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যুরো নিয়মিতভাবে কেন্দ্রগুলির কার্যকারিতা, সরবরাহ ব্যবস্থা ও গুণমান পর্যবেক্ষণ করে এবং কোথাও ঘাটতি ধরা পড়লে দ্রুত সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় (Jan Aushadhi Kendras)।

    নারী ও যুব উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ

    জন ঔষধি কেন্দ্রগুলি সরাসরি সরকার পরিচালনা করে না। ব্যক্তি উদ্যোক্তা, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, সমিতি, ট্রাস্ট এবং বেসরকারি সংস্থাগুলি অনলাইনে আবেদন করে এই কেন্দ্র পরিচালনার সুযোগ পায়। কেন্দ্রীয় পরিচালকরা বিক্রির ওপর নির্ধারিত কমিশনের পাশাপাশি কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে মাসিক প্রণোদনাও পান। উত্তর-পূর্বাঞ্চল, হিমালয় অঞ্চল, দ্বীপাঞ্চল, প্রাক্তন সেনাকর্মী, মহিলা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতির উদ্যোক্তাদের জন্য আসবাবপত্র ও কম্পিউটার কেনার উদ্দেশ্যে এককালীন ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হয়। সম্প্রতি প্রাথমিক কৃষি ঋণ সমবায় সমিতির সঙ্গেও এই প্রকল্প যুক্ত হয়েছে। ফলে গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান ও আয়ের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে (Jan Aushadhi Kendras)। এ ছাড়া, মাত্র ১ টাকা দামে বিক্রি হওয়া জন ঔষধি সুবিধা স্যানিটারি ন্যাপকিন ইতিমধ্যেই ১০০ কোটিরও বেশি বিক্রি হয়েছে। এতে একদিকে যেমন মহিলাদের মাসিক স্বাস্থ্যবিধির সামগ্রী সহজলভ্য হয়েছে, অন্যদিকে ওষুধ বিক্রির কেন্দ্রগুলির আয়ও বেড়েছে।

    সরবরাহ ব্যবস্থা ও প্রযুক্তির উন্নয়ন

    দেশের প্রতিটি প্রান্তে ওষুধ পৌঁছে দিতে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। একটি কেন্দ্রীয় গুদাম এবং চারটি আঞ্চলিক গুদাম থেকে দেশের বিভিন্ন পরিবেশকের মাধ্যমে ওষুধ সরবরাহ করা হয়। প্রায় ৪০০টি সর্বাধিক চাহিদাসম্পন্ন ওষুধের মজুত নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। চাহিদার পূর্বাভাস নির্ধারণেও এখন ডিজিটাল ব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য চালু হয়েছে জন ঔষধি সুগম মোবাইল অ্যাপ। ৩৮ লাখেরও বেশি মানুষ এই অ্যাপ ব্যবহার করছেন। এর মাধ্যমে নিকটতম কেন্দ্রের অবস্থান, ব্র্যান্ডেড ও জেনেরিক ওষুধের দামের তুলনা এবং ওষুধের তাৎক্ষণিক প্রাপ্যতার খবর জানা যায় (Jan Aushadhi Kendras)।

    সচেতনতা বাড়াতে দেশজুড়ে প্রচার

    শুধু ওষুধ বিক্রিই নয়, জেনেরিক ওষুধ সম্পর্কে মানুষের আস্থা বাড়াতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচিও চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় যোগাযোগ ব্যুরো, প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো, মাইগভ এবং মাই ভারত-এর সহযোগিতায় সংবাদপত্র, টেলিভিশন, বেতার, সামাজিক মাধ্যম, প্রচারফলক ও বিভিন্ন জনসংযোগ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে (India)। এ ছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটবট এবং টেলিফোনের মাধ্যমেও নাগরিকদের তথ্য দেওয়া হচ্ছে। প্রতি বছর মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ ‘জন ঔষধি সপ্তাহ’ হিসেবে পালন করা হয়। এই উপলক্ষে স্বাস্থ্য শিবির, সচেতনতা র‍্যালি, ফার্মেসি কলেজে সেমিনার এবং বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ৭ মার্চ পালিত হয় ‘জন ঔষধি দিবস’।

    রাজ্যভিত্তিক বিস্তার

    জন ঔষধি কেন্দ্রের সংখ্যায় দেশের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, যেখানে ২ হাজার ৬০০-রও বেশি কেন্দ্র রয়েছে। এর পরে রয়েছে বিহার, গুজরাট এবং মহারাষ্ট্র। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, অরুণাচল প্রদেশ এবং লাদাখের মতো প্রত্যন্ত এলাকায়ও এখন জন ঔষধি কেন্দ্র চালু হয়েছে। ছত্তিশগড় ও মধ্যপ্রদেশের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায়ও মানুষ এখন ক্রমশ অনিয়ন্ত্রিত উৎসের পরিবর্তে এই কেন্দ্রগুলির ওপর নির্ভর করছেন। সরকারের লক্ষ্য, ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে দেশে ২৫ হাজার জন ঔষধি কেন্দ্র চালু করা। বর্তমানে মাত্র আটটি জেলায় এখনও কেন্দ্র খোলা বাকি রয়েছে। সেখানেও সরকারি হাসপাতালগুলিতে জায়গা চিহ্নিত করে দ্রুত কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে (Jan Aushadhi Kendras)। কেন্দ্রের মতে, গত এক দশকেরও বেশি সময়ে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জন ঔষধি প্রকল্প একটি সীমিত পরিসরের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ থেকে দেশের অন্যতম বৃহৎ স্বল্পমূল্যের ওষুধ বিতরণ ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে। সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্পন্ন ওষুধ মানুষের হাতের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই প্রকল্প ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই (India) দাবি সরকারের।

     

  • PM Modi: “ভারতের যুবসমাজ বিকশিত ভারতের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে”, রোজগার মেলায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতের যুবসমাজ বিকশিত ভারতের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে”, রোজগার মেলায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার ১৯তম রোজগার মেলায় (Rozgar Mela) বিভিন্ন সরকারি দফতর ও সংস্থায় নবনিযুক্ত ৫১ হাজারেরও বেশি প্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই সমাবেশে বক্তব্যও রাখেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারতের যুবসমাজ বিকশিত ভারতের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। রোজগার মেলা যুবশক্তিকে নতুন সুযোগের মাধ্যমে ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে আমাদের সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।”

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    ভারতের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে, ইউএই এবং ইতালিতে তাঁর সাম্প্রতিক সফর সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সবুজ প্রযুক্তি এবং উন্নত উৎপাদন-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতীয় যুবকদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করবে। তিনি বলেন, “নেদারল্যান্ডসে আমার সাম্প্রতিক সফরের সময় সেমিকন্ডাক্টর, জল ব্যবস্থাপনা, কৃষি এবং উন্নত উৎপাদন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সুইডেনে এআই ও ডিজিটাল উদ্ভাবনে সহযোগিতা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। নরওয়ে এবং ভারতের মধ্যে সবুজ প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে, আর ইউএই-এর সঙ্গে কৌশলগত, জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।”

    সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের প্রসঙ্গ

    তিনি আরও জানান, ভারত ও ইতালির মধ্যে প্রতিরক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে চুক্তি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সমস্ত চুক্তি সরাসরি ভারতের যুবসমাজকে উপকৃত করবে।” সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের উদাহরণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী ডাচ সেমিকন্ডাক্টর যন্ত্র নির্মাতা এএসএমএল (ASML) এবং টাটা গ্রুপের (Tata Group) অংশীদারিত্বের কথা উল্লেখ করেন। তিনি (PM Modi) বলেন, “ভারত বিশ্বের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সাপ্লাই চেইন অংশীদার হয়ে উঠছে। এএসএমএল ও টাটার এই চুক্তি একটি বিরল অংশীদারিত্ব, যা অসংখ্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে এবং ভারতের জন্য পরবর্তী প্রজন্মের প্রযুক্তির দরজা খুলে দেবে।”

    ১২ লাখ নিয়োগপত্র বিলি

    তিনি জানান, সুইডেন ও ইউএই-এর সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, বিশেষ করে এআই এবং সুপারকম্পিউটিং ক্ষেত্রে, ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং তরুণ পেশাজীবীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। সরকার জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর যে গুরুত্ব দিয়েছেন, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রোজগার মেলা উদ্যোগের লক্ষ্য হল দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এই উদ্যোগ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশজুড়ে আয়োজিত ১৮টি রোজগার মেলার মাধ্যমে প্রায় ১২ লাখ নিয়োগপত্র বিলি করা হয়েছে (PM Modi)। ১৯তম রোজগার মেলা (Rozgar Mela) দেশের ৪৭টি জায়গায় অনুষ্ঠিত হয়। নবনিযুক্ত প্রার্থীরা ভারতের বিভিন্ন মন্ত্রক ও বিভাগে যোগ দেবেন, যার মধ্যে রয়েছে রেলমন্ত্রক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক, আর্থিক পরিষেবা বিভাগ এবং উচ্চশিক্ষা বিভাগ ইত্যাদি।

     

  • Saffron Wave: ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে নাটকীয় পালাবদল, নজির গড়ল পদ্মময় বলয়

    Saffron Wave: ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে নাটকীয় পালাবদল, নজির গড়ল পদ্মময় বলয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাজনৈতিক পরিসরে নাটকীয় মোড় (Saffron Wave)। পশ্চিমবঙ্গে নয়া অধ্যায়ের সূচনা করতে চলেছে বিজেপি। ৩৪ বছরের বাম রাজত্ব, তার পরে ১৫ বছরের তৃণমূল জমানা শেষে বঙ্গে ফুটল পদ্ম (India Power Map)। বহুদিন ধরে বিজেপি-বিরোধী দুর্গ হিসেবে পরিচিত বাংলার পতন সূচনা করেছে পূর্ব ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে এক মৌলিক পুনর্বিন্যাসের, যেখানে বিজেপি এখন হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি ক্ষমতার বলয় তৈরি করেছে।

    বদলে গেল দক্ষিণ ভারতের রাজনৈতিক  সমীকরণ (Saffron Wave)

    এদিকে, তামিলনাড়ুতে দেখা গিয়েছে বড়সড় পরিবর্তন। সেখানে ১০০-র বেশি আসন জিতে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকের দীর্ঘস্থায়ী মৌরশিপাট্টায় আঘাত হেনেছে নয়া দল তামিল বিকাশ কাজাগম (TVK)। যার জেরে বদলে গিয়েছে দক্ষিণ ভারতের রাজনৈতিক  সমীকরণ। কেরলে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (UDF) ফের ক্ষমতায় ফিরেছে। এলডিএফের সঙ্গে পালাবদলের ধারা ভেঙে দিয়ে দক্ষিণে আবারও প্রাণপ্রতিষ্ঠা কংগ্রেসের।  এদিকে, অসম ও পুদুচেরিতে এনডিএর শাসনই জারি থাকছে। যা আদতে নির্দেশ করে উত্তর-পূর্ব এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে তাদের মজবুত অবস্থানকে।

    বিজেপির জয়জয়কার

    এদিকে, সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলের জেরে বদলে গিয়েছে ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্র। বর্তমানে বিজেপি একাই ১৭টি রাজ্যে রাজ করছে। এগুলি হল— পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, অসম, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, ত্রিপুরা, গোয়া, অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর এবং উত্তরাখণ্ড। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ শাসন করছে আরও পাঁচটি রাজ্য। এগুলি হল— বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড এবং সিকিম। সব মিলিয়ে মোট ২২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাশ রয়েছে এনডিএর হাতে (India Power Map)। এই ২২টি অঞ্চল ভারতের মোট ভৌগোলিক এলাকার প্রায় ৭৩ শতাংশ, প্রতিনিধিত্ব করে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭৮ শতাংশের (Saffron Wave)। সাম্প্রতিক নির্বাচনের পরে বিজেপির রাজ্যস্তরের বিধায়কের সংখ্যা প্রায় ১৭০০-তে গিয়ে পৌঁছেছে, যা কংগ্রেসের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। পদ্মশিবিরের এই ফলের জেরে রাজ্যের আইনসভাগুলিতে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে বিজেপি (India Power Map)। বিজেপি-নেতৃত্বাধীন জোট এখন দেশের প্রায় চার-পঞ্চমাংশ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছে, যেখানে বিরোধী শিবিরের আওতায় রয়েছে মাত্র এক-সপ্তমাংশের কিছু বেশি।

    গেরুয়াময় অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ

    পশ্চিমবঙ্গ জয়ের মাধ্যমে বিজেপি এখন উত্তর হিমালয় অঞ্চল থেকে গঙ্গা সমভূমি, পশ্চিম মালভূমি হয়ে উত্তর-পূর্ব ও পূর্ব উপকূল পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক ক্ষমতার বলয় গড়ে তুলেছে। এর ফলে নীতিগত সমন্বয়, কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক এবং নির্বাচনী কার্যকলাপ আরও সহজ হয়েছে (Saffron Wave)। দিল্লিতে বিজয় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী “বিকশিত ভারত” লক্ষ্যের সঙ্গে পূর্ব ভারতের পুনর্জাগরণের কথারও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “অতীতে বিহার, বাংলা ও ওড়িশা ভারতের গৌরবের তিন স্তম্ভ ছিল—অঙ্গ, বঙ্গ ও কলিঙ্গ। এই তিন রাজ্যের উন্নয়নই বিকশিত ভারত গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ (India Power Map)।” তিনি কলিঙ্গ (ওড়িশা)-কে সামুদ্রিক শক্তি, অঙ্গ (বিহার)-কে বস্ত্র বাণিজ্যের কেন্দ্র এবং বঙ্গ (পশ্চিমবঙ্গ)-কে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে বর্ণনা করেন।

    বৃত্ত ছোট হচ্ছে কংগ্রেসের

    অন্যদিকে, কংগ্রেস এখন একাই শাসন করছে মাত্র চারটি রাজ্য। এগুলি হল, হিমাচল প্রদেশ, তেলঙ্গানা, কেরল এবং কর্নাটক। ‘ইন্ডি’ জোটের সঙ্গে যুক্ত আরও দু’টি অঞ্চলেও রয়েছে কংগ্রেস—ঝাড়খণ্ড এবং জম্মু-কাশ্মীর। এই ছ’টি অঞ্চল ভারতের মোট এলাকার প্রায় ১৯ শতাংশ, প্রতিনিধিত্ব করে মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৪ শতাংশের। যদিও এই জোট দক্ষিণ, মধ্য ভারত এবং হিমালয় অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে, তবুও তাদের ভৌগোলিক এবং জনসংখ্যাগত প্রভাব এনডিএর তুলনায় ঢের কম (Saffron Wave)। তবে কংগ্রেস-‘ইন্ডি’ জোটের শক্তি কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যেই কেন্দ্রীভূত—কেরলের উন্নত সামাজিক সূচক, কর্ণাটকের প্রযুক্তি-ভিত্তিক অর্থনীতি, তেলঙ্গনার শিল্পভিত্তি এবং ঝাড়খণ্ডের খনিজ সম্পদ তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে (India Power Map)। পরিসংখ্যান বলছে, এনডিএর সঙ্গে ব্যবধান কমাতে চাইলে বিরোধী শিবিরকে মাত্র ১৪ শতাংশ জনসংখ্যা ও ১৯ শতাংশ এলাকা নিয়েই আগামী বছরগুলিতে (Saffron Wave) জাতীয় পর্যায়ে জনসমর্থন বাড়াতে হবে, করতে হবে জয়লাভও। তা না হলে অচিরেই স্রেফ সাইনবোর্ড সর্বস্ব হয়ে যাবে শতাব্দী-প্রাচীন দল কংগ্রেস।

     

  • PM Modi: দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান, দেশের ইতিহাসে নয়া নজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    PM Modi: দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান, দেশের ইতিহাসে নয়া নজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার দেশের ইতিহাসে নয়া নজির গড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি। এদিন তিনি সিকিমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পবন কুমার চামলিংকে (Pawan Kumar Chamling) ছাপিয়ে গিয়েছেন। প্রথমে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী এবং পরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোট ৮,৯৩১ দিন দায়িত্ব পালন করে মোদি ভেঙে দিয়েছেন চামলিংয়ের ৮,৯৩০ দিনের রেকর্ড। এই মাইলফলক ভারতের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যা দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক জনসেবা ও নেতৃত্বের প্রতিফলন। মোদি এর আগেও গুজরাটের দীর্ঘতম মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এবং তিনি এমন এক প্রধানমন্ত্রী, যাঁর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

    মোদির রেকর্ড (PM Modi)

    তিনি স্বাধীনতার পর জন্ম নেওয়া প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি ২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪- পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে নিজের দলকে জয়ী করেছেন। গত বছরের অক্টোবরে, সরকারের প্রধান হিসেবে ২৫তম বর্ষে পদার্পণের সময় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ভারতের জনগণকে ধন্যবাদ জানান। ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে নিজের যাত্রার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং জাতীয় অগ্রগতিতে অবদান রাখা আমার নিরন্তর প্রচেষ্টা। আমি অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম—যখন গুজরাট ভয়াবহ ভূমিকম্প, সুপার সাইক্লোন, ধারাবাহিক খরা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছিল।”

    রাজ্যকে পুনর্গঠনের দৃঢ় সংকল্প

    মোদি জানান, এই চ্যালেঞ্জগুলিই তাঁকে নতুন উদ্যম ও আশায় রাজ্যকে পুনর্গঠনের দৃঢ় সংকল্প দিয়েছে। একটি ব্যক্তিগত স্মৃতি তুলে ধরে তিনি জানান, তাঁর মা তাঁকে সবসময় গরিব মানুষের জন্য কাজ করতে এবং কখনও ঘুষ না নিতে পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা তাঁর জীবনের পথপ্রদর্শক হয়ে রয়েছে (PM Modi)। তিনি তাঁর আমলে গুজরাটের রূপান্তরের কথাও তুলে ধরেন, যেখানে খরাপ্রবণ ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল একটি রাজ্য থেকে “সুশাসনের শক্তিকেন্দ্রে” পরিণত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে কৃষি, শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে।

    বিকশিত ভারত গড়ার প্রতিশ্রুতি

    ২০১৩ সালে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়, যাকে তিনি “বিশ্বাস ও শাসনের সংকটে”র সময় হিসেবে উল্লেখ করেন। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাঁর দলকে নিরঙ্কুশ সমর্থন করার কৃতিত্ব তিনি দেন দেশবাসীকে। তিনি জানান, গত ১১ বছরে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন এবং বিশ্ব অর্থনীতির মধ্যে ভারত একটি উজ্জ্বল অবস্থানে পৌঁছেছে (Pawan Kumar Chamling)। ক্ষমতায়নের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন উদ্যোগ নারী শক্তি, যুব  শক্তি এবং কৃষকদের উপকার করেছে। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের সেবা করা তাঁর কাছে সর্বোচ্চ সম্মানের বিষয় এবং সংবিধানের মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত “বিকশিত ভারত” গড়ার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি (PM Modi)।

     

  • PM Modi: দীপাবলি উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীর, কী লিখলেন তিনি?

    PM Modi: দীপাবলি উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীর, কী লিখলেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলি উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি (Deepawali Letter) লিখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই চিঠিতে আধ্যাত্মিক ভাবনা ও দেশপ্রেমের অঙ্গীকার গাঁথা রয়েছে এক সূত্রে। প্রধানমন্ত্রীর লেখা চিঠিতে যেমন তুলে ধরা হয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুরে’র প্রসঙ্গ, তেমনি উঠে এসেছে মাওবাদী দমনের প্রসঙ্গ এবং দেশিয় জিনিসপত্রের চাহিদার কথাও।

    শ্রীরামের শিক্ষা (PM Modi)

    শ্রীরামের ধর্ম (ন্যায়) ও বীরত্বের আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে কীভাবে জাতীয় প্রতিরক্ষা ও সমষ্টিগত উন্নয়নের মাধ্যমে আধুনিক ভারত আজ সেই একই গুণাবলি ধারণ করছে, চিঠিতে তা-ও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের পর এটাই দ্বিতীয় দীপাবলি। শ্রীরাম আমাদের শিখিয়েছেন ন্যায়কে রক্ষা করতে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করার সাহস জোগাতে।” তিনি বলেন, “কয়েক মাস আগে পরিচালিত সামরিক অভিযান ‘সিঁদুর’-এর মধ্যেও শ্রীরামের শিক্ষার এক জীবন্ত উদাহরণ আমরা দেখেছি। “অপারেশন সিঁদুরের সময় আমরা এর বাস্তব রূপ প্রত্যক্ষ করেছি।” চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী প্রশংসা করেছেন সশস্ত্র বাহিনীর সাহস ও নিখুঁত পরিকল্পনারও।

    অপারেশন সিঁদুর

    দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে বেছে বেছে ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে নৃশংসভাবে হত্যা করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। তারই প্রতিক্রিয়ায় পক্ষকাল পরে পাকিস্তানের জঙ্গিঘাঁটিতে অপারেশন সিঁদুর চালায় ভারত। ওই সামরিক অভিযানে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গিঘাঁটি। ভারতীয় সেনা ও বায়ুসেনার যৌথ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ওই অভিযানে সীমান্তের ওপারে থাকা জঙ্গিঘাঁটিগুলি ধ্বংস করা হয়। খোলা চিঠিতে সেই অভিযানেরই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী একযোগে নৈতিক স্বচ্ছতা এবং জাতীয় শক্তির জোরালো বার্তাই দিলেন বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা।

    প্রসঙ্গ: মাওবাদ

    দীপাবলি বার্তায় অভিযানটির উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) একে ভারতের অন্যায় ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেন। এটি উৎসবের আধ্যাত্মিক ভাবনা, অর্থাৎ অসৎ-এর ওপর সৎ-এর জয়” ধারণার সঙ্গে গভীরভাবে সঙ্গতিপূর্ণ। তিনি বলেন, “এ বছরের দীপাবলি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এই প্রথমবার এমন জেলাগুলিতে প্রদীপ জ্বালানো হবে, যেগুলো একসময় নকশালবাদ ও মাওবাদী সন্ত্রাসের জেরে ক্ষতিগ্রল্ত হয়েছিল।” তিনি বলেন, “এগুলো সেই জেলা যেখানে নকশালবাদ ও মাওবাদী সন্ত্রাসকে মূল থেকে সমূলে উপড়ে ফেলা হয়েছে।” হিংসা ছেড়ে সমাজের মূলধারার উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রাক্তন উগ্রপন্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধিকে একটি বড় জাতীয় সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে (Deepawali Letter) আমরা দেখেছি বহু ব্যক্তি হিংসার পথ ছেড়ে উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত হচ্ছেন। তাঁরা আমাদের সংবিধানের প্রতি আস্থাও প্রকাশ করছেন।”

    অর্থনৈতিক অগ্রগতি

    ভারতের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতির দিকটিও তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দেশটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার পথে এগোচ্ছে।” এই সাফল্যকে শুধু অর্থনৈতিক মাইলফলক হিসেবে নয়, বরং দেশ-গঠনের প্রতি আমাদের সম্মিলিত দায়িত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখার জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “একটি বিকশিত এবং আত্মনির্ভর ভারত (Aatmanirbhar Bharat) গঠনের এই যাত্রায় নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রধান দায়িত্ব হল, জাতির প্রতি আমাদের কর্তব্য সম্পূর্ণভাবে পালন করা।” তিনি সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংস্কারেরও প্রশংসা করেন এবং উল্লেখ করেন কীভাবে নাগরিকরা কম করের সুবিধা পাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নবরাত্রির প্রথম দিনেই কম জিএসটি হার কার্যকর হয়েছে। এই জিএসটি বচত উৎসব (সঞ্চয় উৎসব)-এর সময় দেশের নাগরিকরা হাজার হাজার কোটি টাকা সঞ্চয় করছেন।”

    এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত

    প্রধানমন্ত্রীর এই চিঠিতে (PM Modi) সামাজিক শৃঙ্খলা ও জাতীয় ঐক্যের বার্তাও স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। দেশবাসীকে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন এমন এক মূল্যবোধ বজায় রাখতে, যা ভারতের ঐক্য ও স্বাস্থ্যকে দৃঢ় করে। তিনি লিখেছেন, “আসুন, এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত-এর চেতনা জাগ্রত করি আমরা। সব ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখি। নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি অগ্রাধিকার দিই।” স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য একটি ব্যক্তিগত আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, “চলুন আমরা আমাদের খাবারে তেলের ব্যবহার ১০ শতাংশ কমাই এবং যোগকে জীবনের অংশ করি (Deepawali Letter)।” চিঠির শেষে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “দীপাবলি আমাদের শেখায় যে, যখন একটি প্রদীপ আর একটি প্রদীপ জ্বালায় তখন তার আলো কমে না, বরং আরও বেড়ে যায়। ঠিক সেই মনোভাবেই আসুন আমরা এই দীপাবলিতে আমাদের সমাজ ও পরিবেশে সম্প্রীতি, সহযোগিতা এবং ইতিবাচকতার প্রদীপ প্রজ্বলন করি (PM Modi)।”

  • Pariksha Pe Charcha: পরীক্ষা চাপ নয়, উৎসব! গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘পরীক্ষা পে চর্চা’

    Pariksha Pe Charcha: পরীক্ষা চাপ নয়, উৎসব! গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘পরীক্ষা পে চর্চা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘পরীক্ষা পে চর্চা’র (Pariksha Pe Charcha) মুকুটে নতুন পালক। রেকর্ড সংখ্যক নাম নথিভুক্ত করিয়ে গিনেস বুকে নাম তুলে নিয়েছে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মস্তিকপ্রসূত এই উদ্যোগ শুরু হয় ২০১৮ সালে। চলতি বছর ‘পরীক্ষা পে চর্চা’র জন্য সাড়ে ৩ কোটির বেশি নাম নথিভুক্ত হয়েছে। এই কারণেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ নাম উঠেছে এই উদ্যোগের। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর তরফে দিল্লিতে এই কথা ঘোষনা করেন ঋষি নাথ।

    মানসিক চাপ সরিয়ে পরীক্ষা শিক্ষার উৎসাহ

    কেন্দ্রের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ‘পরীক্ষা পে চর্চা’র অষ্টম সংস্করণে এক মাসের মধেই ৩ কোটি ৫৩ লক্ষ নাম নথিভুক্ত হয়েছে। এই স্বীকৃতি পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, রেল মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছেন, ৩ কোটি ৫৩ লক্ষ নাম নথিভুক্ত হয়েছে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’-র জন্য। এছাড়াও টেলিভিশনের পর্দায় তা দেখেছেন ২১ কোটির বেশি মানুষ। এই অনুষ্ঠান পরীক্ষার মানসিক চাপ সরিয়ে পরীক্ষাকে শিক্ষার উৎসাহে পরিণত করেছে। পরীক্ষার্থীরা যাতে কোনও চাপ ছাড়াই পরীক্ষায় বসতে পারে, তার জন্য এই পরীক্ষা পে চর্চা শুরু হয়। এখন তা দেশজুড়ে উৎসবের আকার নিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। পরীক্ষা পে চর্চাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড টিমকেও ধন্যবাদ জানান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী।

    অভিনন্দন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    এই উদ্যোগের সফলতার জন্য পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবক, শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। সোশ্যাল মিডিয়াতে তিনি লেখেন, ‘এটি একটি রেকর্ড-ব্রেকিং কৃতিত্ব যা বিশ্বব্যাপী পড়ুয়াদের জন্য পরীক্ষার চাপ কমানোর ভূমিকা রেখেছে। এই জাতীয় একটি কর্মসূচি মানব সম্পদকে আরও উন্নত করার পথকে ত্বরান্বিত করে। এটি ভারতের জন্য সত্যিই গর্বের একটি দুর্দান্ত মুহূর্ত।’

    পরীক্ষা প্রেরণার উৎস

    প্রসঙ্গত, পরীক্ষা পে চর্চায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরাসরি পড়ুয়া, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব পরীক্ষা পে চর্চাকে একটি অনন্য উদ্যোগ বলে অভিহিত করেন যা শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষকদের একত্রিত করে সুস্থতা এবং চাপমুক্ত শিক্ষার প্রচার করে। প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘পরীক্ষা পে চর্চা’র অষ্টম সংস্করণটি অনেকগুলো ভাগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যেখানে অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, ছয় বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার মেরি কম এবং আধ্যাত্মিক নেতা সদগুরুর মতো ব্যক্তিত্বরা যোগ দিয়েছিলেন। শুনিয়েছিলেন তাঁদের লড়াইয়ের কথা, যা প্রেরণা দিয়েছিল ছাত্রছাত্রীদের।

  • International Womens Day: থিম ‘বিকশিত ভারত সঙ্গে নারী শক্তি’, আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন মোদি সরকারের

    International Womens Day: থিম ‘বিকশিত ভারত সঙ্গে নারী শক্তি’, আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ৮ মার্চ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Womens Day)। এই দিনটিতে নারীর অধিকার-ক্ষমতায়ন-সশক্তিকরণ নিয়ে সচেতনতামূলক নানা রকমের অনুষ্ঠান পালিত হয়। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, রাজনৈতিক কার্যকলাপ এবং আর্থসামাজিক দিক থেকে নারীরা কতটা এগিয়েছে- তা এদিন উঠে আসে বিভিন্ন আলোচনাতে। সাধারণভাবে এই দিনটিতেই বিশ্বজুড়ে প্রচার করা হয় যে পুরুষদের সমানই হল নারীরা এবং কোনও রকমের লিঙ্গ বৈষম্য নেই এখানে। চলতি বছরে অর্থাৎ ২০২৫ সালের নারী দিবসের আন্তর্জাতিক থিম রাখা হয়েছে Accelerate Action.

    ‘বিকশিত ভারত সঙ্গে নারী শক্তি’ (International Womens Day)

    প্রসঙ্গত, এবছরের নারী দিবসে (International Womens Day) কেন্দ্রের মোদি সরকারও নানারকমের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বলে জানা গিয়েছে। নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী সম্প্রতি একটি থিমের ঘোষণা করেছেন এই উপলক্ষ্যে এবং যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিকশিত ভারত সঙ্গে নারী শক্তি’। আসলে এই থিমের মাধ্যমেই প্রতিফলিত হচ্ছে যে আগামী দিনে মোদি সরকারের লক্ষ্য।

    আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিজ্ঞান ভবনে অনুষ্ঠান (International Womens Day 2025)

    এই আবহে নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক আন্তর্জাতিক স্তরে নারীদের (International Womens Day) সাফল্যকে তুলে ধরতে উদ্যোগ নিয়েছে। ভাষাগত দিক থেকে নারী সাফল্য, সাংস্কৃতিক দিক থেকে নারী সাফল্য, অর্থনৈতিক দিক থেকে নারী সাফল্য, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীদের সাফল্য- এই সমস্ত কিছুকেই তুলে ধরা হচ্ছে। এই উপলক্ষে একটি হ্যাশট্যাগও ব্যবহার করা হচ্ছে। নাম দেওয়া হয়েছে #SheBuildsBharat. প্রসঙ্গত, আজ ৮ মার্চ শনিবার দিল্লির বিজ্ঞানভবন একটি অনুষ্ঠান হবে। সেই অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শ্রীমতি অন্নপূর্ণা দেবী, প্রতিমন্ত্রী শ্রীমতি সাবিত্রী ঠাকুর সহ সম্মানিত অতিথিরা। ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে বেশ কয়েকটি দেশে ৮ মার্চ পালিত হতে থাকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। জানা যায়, পরবর্তীকালে ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। সেসময় নারী দিবস পালনের জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রকে আহ্বান জানায় জাতিসংঘ। এরপর থেকে সারা পৃথিবী জুড়েই পালিত হচ্ছে দিনটি।

  • Viksit Bharat: “২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত হবে উচ্চ আয়ের দেশ”, বললেন অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান

    Viksit Bharat: “২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত হবে উচ্চ আয়ের দেশ”, বললেন অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার শতবর্ষপূর্তি হবে ২০৪৭ সালে। সেই সময় দেশকে বিকশিত ভারত (Viksit Bharat) হিসেবেই দেখার স্বপ্ন দেখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই লক্ষ্য পূরণে নিরন্তর কাজও করে চলেছেন তিনি। তাঁর সেই স্বপ্ন যে নিছক স্বপ্ন নয়, তা স্পষ্ট হয়ে গেল ষোড়শ অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান অরবিন্দ পানাগাড়িয়ার (Arvind Panagariya) কথায়। নয়াদিল্লিতে ৪৯তম সিভিল অ্যাকাউন্টস ডে উদযাপনে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি।

    পানাগাড়িয়ার বক্তব্য (Viksit Bharat)

    সেখানেই পানাগাড়িয়া বলেন, “২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত উন্নত জাতির মর্যাদা অর্জনের পথে সুপ্রতিষ্ঠিত।” তিনি সেই বৃদ্ধির পথের কথা উল্লেখ করেন যা ভারতকে আগামী দশকে ৯.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করবে। তিনি জানান, ২০০৩-২৪ অর্থবর্ষে ভারত বর্তমান মূল্যে মার্কিন ডলারের হিসেবে গড়ে ১০.১ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই গতি বজায় থাকলে, ভারতের অর্থনীতি আগামী দশ বছরে ৯.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যাবে। তিনি ম্যাক্রোইকোনমিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক শাসনকে এই বৃদ্ধির গতি বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেন।

    গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক

    ভারতের অর্থনৈতিক (Viksit Bharat) যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হল ২০৪৭ সালের মধ্যে মাথাপিছু আয় ১৪,০০০ মার্কিন ডলারে পৌঁছানো। বর্তমানে ভারতের মাথাপিছু আয় ২,৫৭০ মার্কিন ডলার। পানাগাড়িয়ার মতে, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন বার্ষিক ৭.৩ শতাংশ মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির হার। তিনি বলেন, “২০২৩ সালের ডলারের মূল্যে, ভারতকে উচ্চ আয়ের মর্যাদা অর্জনের জন্য ১৪,০০০ ডলারের মাথাপিছু আয় দরকার। ধারাবাহিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থাকলে, এই লক্ষ্য পূরণ করাও সম্ভব।”

    ভারতের অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা সমর্থনকারী গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলির একটি হল নিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যা বৃদ্ধি। পানাগাড়িয়া বলেন, “২০৪৭ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যা বছরে মাত্র ০.৬ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে, যা অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করবে।” তিনি বলেন, “বিকশিত ভারত অভিযানের সম্ভাবনাগুলি তাই বাস্তবায়নযোগ্য থাকে।” ভারতের সামাজিক অগ্রগতির (Arvind Panagariya) ওপর জোর দিয়ে পানাগাড়িয়া বলেন, “দেশে দারিদ্র্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, সে পরিমাপের পদ্ধতি যাই হোক না কেন (Viksit Bharat)।”

  • Jal Jeevan Mission: জল জীবন মিশন প্রকল্প বদলে দিয়েছে গ্রামীণ মহিলাদের অর্থনীতির ভিত, ঠিক কীভাবে?

    Jal Jeevan Mission: জল জীবন মিশন প্রকল্প বদলে দিয়েছে গ্রামীণ মহিলাদের অর্থনীতির ভিত, ঠিক কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল জীবন মিশন (Jal Jeevan Mission) প্রকল্পে নলের মাধ্যমে পানীয় জল পৌঁছচ্ছে ঘরে ঘরে। তাই কাজ কমেছে ভারতীয় মহিলাদের (PM Modi Viksit Bharat)। জল আনতে যাওয়ার বদলে তাঁরা এখন সেই সময়টা ব্যয় করছেন অন্য কাজে। প্রত্যাশিতভাবেই বাড়ছে রোজগার। বিকশিত ভারতের পথে এগোচ্ছে নরেন্দ্র মোদির দেশ।

    জল জীবন মিশন প্রকল্প (Jal Jeevan Mission)

    বিষয়টা তাহলে খুলেই বলা যাক। জল জীবন মিশন প্রকল্পে নলবাহিত জল বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার আগে ভারতীয় মহিলাদের সিংহভাগকেই বেশ কয়েক মাইল উজিয়ে গিয়ে জল আনতে হত। তাই ঘরের কাজেই সময় ব্যয় হত বিস্তর। অন্য কাজ করার সময় পেতেন না তাঁরা। জল জীবন মিশন প্রকল্পে গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে জল। তাই এখন আর তাঁদের জল আনতে ছুটতে হয় না। সেই সময়টা তাঁরা ব্যয় করছেন নানা কাজে। যার জেরে এগিয়ে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জল জীবন মিশন, যার লক্ষ্য প্রত্যেক গ্রামীণ পরিবারের জন্য ট্যাপের মাধ্যমে জল সরবরাহ নিশ্চিত করা, মহিলাদের কৃষি ও সংশ্লিষ্ট কার্যকলাপে অংশগ্রহণ বাড়িয়েছে।

    মহিলাদের শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার বৃদ্ধি

    সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদ দ্বারা প্রকাশিত আর একটি ওয়ার্কিং পেপারও জানিয়েছে যে, প্রায় সব রাজ্যে মহিলাদের শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এসবিআইয়ের রিপোর্টে উপস্থাপিত তথ্যের সঙ্গে একমত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের ওয়ার্কিং পেপারও দেখিয়েছে যে, ২০১৭-১৮ থেকে ২০২২-২৩ সময়কালে গ্রামীণ এলাকার মহিলারা কর্মক্ষেত্রে (Jal Jeevan Mission) যোগদানের ক্ষেত্রে শহুরে এলাকার মহিলাদের তুলনায় বেশি এগিয়ে রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ডিভোর্স মামলায় খোরপোশ নির্ধারণে ৮ দফা গাইডলাইন, বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    ২০১৯ সালে জল জীবন মিশন চালু করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই প্রকল্পই বদলে দিয়েছে গ্রামীণ ভারতের মহিলাদের অর্থনৈতিক ভিত্তি। প্রকল্পটি চালু হওয়ার সময় ট্যাপ ওয়াটার সংযোগ পেয়েছিল মাত্র ১ শতাংশ পরিবার। তবে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত এই মিশনের মাধ্যমে এই পরিসর বেড়ে হয়েছে (PM Modi Viksit Bharat) ৭৮.৬২ শতাংশ। এসবিআইয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে ট্যাপ ওয়াটার সংযোগ প্রদান করা হয়েছে ১৫.২০ কোটিরও বেশি গ্রামীণ পরিবারে (Jal Jeevan Mission)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

      

     

LinkedIn
Share