Tag: violence erupts in Manipur

violence erupts in Manipur

  • Manipur: ফের অশান্তি মণিপুরে, পুড়ে খাক বাড়ি, জারি কার্ফু

    Manipur: ফের অশান্তি মণিপুরে, পুড়ে খাক বাড়ি, জারি কার্ফু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার অশান্তি হয়েছিল মণিপুরের (Manipur) রাজধানী ইম্ফলে। অশান্তির সেই আগুন (Violence) ছড়িয়ে পড়ল মঙ্গলবারে। এবার অকুস্থল বিষ্ণুপুর জেলার ফউবাকচা এলাকা। আগুনে পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে মোট ৭টি বাড়ি। ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। জখম হয়েছেন দুজন। অশান্তির আঁচ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তাই রাজ্যের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নতুন করে জারি করা হয়েছে কার্ফু। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ জানান, রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সরকার চুপ করে বসে নেই।

    মণিপুরে (Manipur) অশান্তির আগুন

    ৩ মে অশান্তি শুরু হয় মণিপুরে। সেই সময় যেসব জায়গায় সব চেয়ে বেশি উত্তেজনা ছড়িয়েছিল, সেগুলির মধ্যে রয়েছে বিষ্ণুপুর ও চূড়াচাঁদপুর। এই বিষ্ণুপুরে আগে যে অশান্তি হয়েছিল, তখন মৃত্যু হয়েছিল এক সেনা জওয়ান ও পুলিশ কমান্ডোর। আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার করা হয়েছিল বেশ কয়েকজনকে। সোমবার ইম্ফলে যে অশান্তি হয়, সেখানে নিউ লাম্বুলেন এলাকা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার করা হয় তিনজনকে। নিউ কেইথিলমানবি এলাকা থেকেও বন্দুক ও গুলি সহ গ্রেফতার করা হয় একজনকে। পুলিশের দাবি, এরা হিংসার সঙ্গে যুক্ত।

    শান্তি বজায় রাখার আর্জি

    মণিপুর (Manipur) সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিংহ জানান, মঙ্গলবার রাতের ঘটনায় কতজন হতাহত হয়েছেন, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। হিংসার ঘটনা রুখতে রাজ্যের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নতুন করে কার্ফু জারি করা হয়েছে। তবে দৈনন্দিন কাজের জন্য কিছু সময়ের জন্য কার্ফু শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে, এদিনই মণিপুরের দুই সাংসদ দেখা করেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী রাজকুমার রঞ্জন সিংহের সঙ্গে। তাঁর সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন কুকি ও মণিপুর জনগোষ্ঠীর বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও। শান্তি বজায় রাখার আর্জি জানান তাঁরা।

    আরও পড়ুুন: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    মণিপুরের (Manipur) স্পিয়ার কর্পসের তরফে জানানো হয়েছে, কাংচুক চিংখং জংশন এলাকায় মোবাইল ভেহিক্যাল চেক পোস্ট বসানো হয়েছিল। সেখানে একটি মারুতি অল্টো আটক করা হয় হয়। গাড়িটি থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৫টি শটগান, ৫টি গ্রেনেড এবং ৩ কার্টন শটগানের বারুদ। গ্রেফতার করা হয়েছে তিনজনকে। তুলে দেওয়া হয়েছে পুলিশের হাতে।

    প্রসঙ্গত, মণিপুরের সিংহভাগ জনতা মেইতেই সম্প্রদায়ভুক্ত। তফশিলি জনজাতি মর্যাদার দাবিতে দীর্ঘ দিন ধরেই আন্দোলন করছেন তাঁরা। তাঁদের এই দাবির বিরোধিতা করে মিছিল বের করে অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর। সেখান থেকেই শুরু হয় অশান্তি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share