Tag: violence

violence

  • Post Poll Violence: বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় মারধর, খুনের হুমকি! নির্বাচনোত্তর হিংসায় তপ্ত ফলতা, পুলিশকে বড় নির্দেশ কমিশনের

    Post Poll Violence: বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় মারধর, খুনের হুমকি! নির্বাচনোত্তর হিংসায় তপ্ত ফলতা, পুলিশকে বড় নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনোত্তর হিংসার জেরে ফের উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র। ভোটের ফল বের হওয়ার কথা সোমবার। তার আগেই এলাকায় তৃণমূল অশান্তি শুরু করে দিয়েছে বলে (Post Poll Violence) অভিযোগ। রাজনৈতিক সংঘাত, হামলা এবং পুনর্নির্বাচনের দাবিকে কেন্দ্র করে কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে হাসিমনগর এলাকা। বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, পদ্মফুলে ভোট দেওয়ার ‘অপরাধে’ তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীদের হামলার মুখে পড়ছেন তাঁরা। মারধরের পাশাপাশি খুনের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই শনিবার হাসিমনগরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন পদ্ম-কর্মী-সমর্থকরা। এই পরিস্থিতিতে ফলতার তৃণমূল প্রার্থীর দুই ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দিল কমিশন। এমনকী, নির্দেশ না মানলে পুলিশের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে গুচ্ছের অভিযোগ (Post Poll Violence)

    বিক্ষোভকারীদের দাবি, ভোটের দিন থেকেই সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। ভোটারদের বুথে যেতে বাধা দেওয়া, ভয় দেখানো, মায় জোর করে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগও উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটগ্রহণ পর্ব চুকে যাওয়ার পর সেই সন্ত্রাস আরও বেড়েছে বলেই অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। তাদের দাবি, যারা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, তাঁদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে মারধরও করা হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে শুরু থেকেই খবরের শিরোনামে ফলতা কেন্দ্র। ভোটের আগে থেকেই এই কেন্দ্রে বারবার উত্তেজনার ঘটনা সামনে এসেছে। তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করা, ভয় দেখানো এবং হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও তুলেছিলেন বিরোধীরা। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয় উত্তরপ্রদেশের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মাকে। জাহাঙ্গিরের বাড়ির সামনে গিয়ে ‘সিংহম’ নামে পরিচিত এই আধিকারিকের কড়া বার্তা তখনই আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল।

    পুনর্নির্বাচনের দাবিতে সরব স্থানীয়রা

    ভোট-পর্ব শেষ হলেও বিতর্ক থামেনি। বরং পুনর্নির্বাচনের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন ফলতার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, ফলতার অন্তত ২৩টি বুথে পুনর্নির্বাচন হোক। অভিযোগ, ওই বুথগুলিতে অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়নি ভোট প্রক্রিয়া (Post Poll Violence)। এহেন আবহে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকেই হাসিমনগর এলাকায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। দোষীদের গ্রেফতারির পাশাপাশি নিরাপত্তা দেওয়ার দাবিতেও সরব হন তাঁরা। এই ঘটনায় উঠে এসেছে জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ইস্রাফুল চোকদার নাম। তাঁর নেতৃত্বেই হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন গ্রামবাসীদের একাংশ। তাঁর গ্রেফতারির দাবিও করেন বিক্ষোভকারীরা (BJP)।

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য

    আন্দোলনকারীদের মধ্যে ছিলেন রানি মণ্ডলও। তিনি বলেন, “পুরো হাসিমনগর জ্বলছে৷ আমাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে৷ ঘরে তালা দিয়ে দিচ্ছে৷ ৪ তারিখে (ভোট গণনার দিন) আমাদের বাড়িতে বোমা ফেলার হুমকি দিচ্ছে। বাচ্চাদের মেরে ফেলা হবে বলেও হুমকি দিচ্ছে। এই অত্যাচার আমরা মেনে নেব না৷ আমরা সাধারণ মানুষ। আর এটা গণতান্ত্রিক দেশ৷ তাই আমরা যাকে খুশি ভোট দিতেই পারি৷ এতদিন জোর করে আমাদের ভোট দিতে দেয়নি৷ এখন ভোট দেওয়ায় মেরে ফেলার ভয় দেখানো হচ্ছে৷ আমরা তৃণমূল সরকার চাই না৷” বিক্ষোভের খবর পেয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী। সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে এলাকায় টহল দিতে দেখা যায় জওয়ানদের। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হলেও, সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক এখনও কাটেনি। এদিন পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যান ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফলতা থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীও এলাকায় যায় (Post Poll Violence)। বিক্ষোভকারীরা রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন। এক বিক্ষোভকারীর কথায়, ‘‘বাড়িতে গিয়ে মারধর করা হয়েছে। হুমকি দেওয়া হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। আমরা ইসরাফিলের (তৃণমূল নেতা) গ্রেফতারি চাই। কিন্তু রাজ্য পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। আমরা চাই ওকে গ্রেফতার করা হোক। আর চাই ফলতায় দু’টি বুথ আছে, যেখানে পুনর্নির্বাচন করা হোক (BJP)।’’

    পুনর্নির্বাচনের দাবি

    এ রাজ্যে দু’দফায় হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। ২৯ এপ্রিল হয় দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচন। এদিনই ভোট হয় ফলতায়ও। সেদিনও দিনভর খবরের শিরোনামে ছিল ফলতা। এই বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক বুথে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, ১৭০ এবং ১৮৯ নম্বর বুথের ইভিএমে ‘টেপ’ লাগানো হয়েছিল। শুধু ওই দুই বুথ নয়, আরও কয়েকটি বুথ থেকেও নানা অভিযোগ আসতে থাকে। বিরোধীরা ফলতার ৩২টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলেন। তবে ওই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন হবে কি না, তার স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গের ভোটের জন্য কমিশন নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ মতো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দিল্লিতে প্রস্তাব পাঠান বিশেষ পর্যবেক্ষক (BJP)।

    সুব্রত গুপ্তর রিপোর্ট

    সূত্রের খবর, তিনি ফলতার ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচন করার কথা জানিয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন কমিশনকে (Post Poll Violence)। জানা গিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর একটি রিপোর্টে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ভোটের দিন সকালে ফলতার একাধিক বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ ছিল। দুপুর একটার সময় ‘টেপ রিভিউড’ বলে তথ্য দেওয়া হয় প্রিসাইডিং অফিসারের তরফে। যদিও ততক্ষণে প্রায় ৫৮ শতাংশ ভোট পড়ে গিয়েছিল। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এদিন পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় রয়েছে ফলতা থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীও (Post Poll Violence)।

    এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ

    এদিকে, ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। জানা গিয়েছে, ইস্রাফুল এবং অপর এক জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠ সুজাদ্দিন শেখের নামোল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নির্দেশ না মানলে পুলিশের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে পুলিশকেই। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপও করতে হবে।

  • Nigeria Massacre: নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের নৃশংস হামলায় নিহত অন্তত ২৯

    Nigeria Massacre: নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের নৃশংস হামলায় নিহত অন্তত ২৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের নৃশংস হামলায় নিহত অন্তত ২৯ জন। হামলার দায় স্বীকার করেছে (Nigeria Massacre) ইসলামিক স্টেট ওয়েস্ট আফ্রিকা প্রভিন্স (ISWAP)। গোষ্ঠীটির দাবি, তারা হামলা চালিয়ে অন্তত ২৫ জন খ্রিস্টানকে হত্যা করেছে।

    খেলার মাঠে অতর্কিতে হামলা (Nigeria Massacre)

    রবিবার আদামাওয়া (Islamic State) অঙ্গরাজ্যের গোম্বি লোকাল গভর্নমেন্ট এরিয়ার গুইয়াকু কমিউনিটিতে হিংসার ঘটনাটি ঘটে। অঞ্চলটি ক্যামেরুন সীমান্তের কাছে, দীর্ঘদিন ধরে জেহাদি তৎপরতার জন্য পরিচিত। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হামলাকারীরা একটি ফুটবল খেলার মাঠে অতর্কিতে হামলা চালায়। সেই সময় বহু তরুণ-তরুণী খেলা দেখতে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, বন্দুকধারীরা এলাকায় ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে।

    স্থানীয়দের বক্তব্য

    স্থানীয় এক বাসিন্দা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “আমাদের লোকজন গুইয়াকু কমিউনিটির ফুটবল মাঠে জড়ো হয়েছিল…। তখন বিদ্রোহীরা অস্ত্র নিয়ে ঢুকে পড়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে।” নিহতদের অধিকাংশই যুবক-যুবতী। এর মধ্যে ফুটবল খেলা দেখতে আসা কয়েকজন মহিলাও রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, হামলার সময় ঘরবাড়ি, যানবাহন ও গির্জায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আদামাওয়া অঙ্গরাজ্যের গভর্নর আহমাদু উমারু ফিনতিরি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, গুইয়াকু কমিউনিটিতে প্রাণঘাতী হামলায় অন্তত ২৯ জন নিহত হয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দে করে অবিলম্বে নিরাপত্তা জোরদার করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি (Nigeria Massacre)।

    পোড়া গির্জার ছবি

    জানা গিয়েছে, প্রথমে প্রশাসন বোকো হারাম জঙ্গিদের দায়ী করলেও, পরে হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি (Islamic State) দেয় আইএসডাব্লুএপি। তাদের দাবি, অন্তত ২৫ জন খ্রিস্টানকে হত্যা করা হয়েছে। একটি গির্জা ও প্রায় ১০০টি মোটরবাইকে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। টেলিভিশন ফুটেজে পোড়া গির্জা ও কয়েকটি পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেল দেখা গিয়েছে। কমিউনিটি নেতারা জানান, হামলাকারীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে সাধারণ মানুষের ওপর হামলা ও সম্পত্তি ধ্বংস করেছে। নিরাপত্তা রক্ষীরা না থাকায় তারা সঙ্গে সঙ্গে কোনও প্রতিরোধের মুখেও পড়েনি (Nigeria Massacre)।

    নিরাপত্তা সঙ্কট

    এই হামলায় নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা সঙ্কটকে আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। এখানে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিদ্রোহ করছে জেহাদিরা। রাষ্ট্রসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সাল থেকে বোকো হারাম ও আইএসডাব্লুএপি সংক্রান্ত হিংসায় হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন লাখো মানুষ। এই সংঘাত প্রতিবেশী নাইজার, চাদ ও ক্যামেরুনেও ছড়িয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক এই হামলাটি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে, কারণ এতে প্রকাশ্যে দায় স্বীকার করা হয়েছে এবং জনসমাগমে থাকা নিরীহ মানুষদের টার্গেট করা হয়েছে।

    কৃষিজমি নিয়ে বিবাদের জের

    দেশে সাধারণ নির্বাচন এক বছরেরও কম সময় দূরে থাকায় নাইজেরিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে চাপ বাড়ছে। সরকার বিদ্রোহ দমন ও নতুন করে হওয়া হামলা ঠেকাতে বাড়তি চাপে রয়েছে (Nigeria Massacre)। এদিকে, এদিনই ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরের লামুর্দে এলাকায় আর একটি হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, সেখানে কৃষিজমি নিয়ে বিবাদের জেরে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ হয় (Islamic State)। স্থানীয় প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তা বলেন, “মানুষের প্রাণ গিয়েছে, সম্পত্তিও নষ্ট হয়েছে।”

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, গুইয়াকুর হামলাটি সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘটনাগুলির একটি। আইএসডাব্লুএপির দাবি, তারা অন্তত ২৫ জন খ্রিস্টানকে হত্যা করেছে এবং একটি গির্জা ও প্রায় ১০০টি মোটরবাইকে আগুন দিয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই গোষ্ঠীটি ফের হামলা চালাতে পারে। প্রত্যাশিতভাবেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে শুরু করেছেন উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়ার সাধারণ মানুষ।

     

  • Dantan Violence: প্রচারে বেরিয়ে দাঁতনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, কাঠগড়ায় তৃণমূল, ভোটের আগেই ঝরল রক্ত

    Dantan Violence: প্রচারে বেরিয়ে দাঁতনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, কাঠগড়ায় তৃণমূল, ভোটের আগেই ঝরল রক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে আক্রমণের শিকার বিজেপি প্রার্থী স্বয়ং। প্রচারের শেষ দিনে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনে (Dantan Violence) আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী অজিত কুমার জানা। গণতন্ত্রের উৎসবকে আক্ষরিক অর্থেই রক্তাক্ত করে ছাড়ল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল (TMC)! বিজেপি প্রার্থীর হাত ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর গাড়ি ও মিছিলে থাকা প্রচুর বাইক ভাঙচুর করা হয়। লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী। হামলার প্রতিবাদে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকরা।

    বিজেপির মিছিলে হামলা (Dantan Violence)

    মঙ্গলবার সকালে দাঁতনের বিজেপি প্রার্থী অজিত কুমার জানার সমর্থনে হরিপুর থেকে একটি বিশাল বাইক র‍্যালির আয়োজন করা হয়। র‍্যালিটি সাবড়া থেকে মোহনপুর যাওয়ার পথে আঁতলা এলাকায় পৌঁছলে পরিস্থিতি বদলে যায়। অভিযোগ, আগে থেকে ওত পেতে থাকা একদল দুষ্কৃতী লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিজেপির মিছিলে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

    রণক্ষেত্রের চেহারা

    প্রার্থীর ওপর হামলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা মোহনপুর থানার সামনে এগরা-সোলপাট্টা রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। তার জেরে দীর্ঘক্ষণ ওই রুটে যান চলাচল বন্ধ থাকে। অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে সরব হন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ নামানো হয়। পদ্মশিবিরের দাবি, হামলাকারীরা তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। লাঠির ঘায়ে প্রার্থীর একটি হাত ভেঙে গিয়েছে, গুরুতর চোট লেগেছে মাথায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। জখম হওয়া অন্যান্য বিজেপি কর্মীদের চিকিৎসা চলছে মোহনপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। প্রথম দফার নির্বাচনের ঠিক আগে দাঁতনের এই ঘটনার জেরে বাড়ানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারি। পুলিশ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে কড়া পদক্ষেপও করা হচ্ছে (Dantan Violence)।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    ভোটের মুখে প্রার্থীকে জখম করে দেওয়ায় সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। দলের জেলা নেতৃত্বের দাবি, “নি আমাদের প্রার্থীর ওপর (TMC) প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছে।” প্রার্থী বলেন, ‘মিছিলে রড, বাঁশ, লাঠি দিয়ে আমাদের ৫০-৬০ জন কর্মীকে মারধর করা হয়। কারও কারও হাতে আগ্নেয়াস্ত্রও ছিল। আমি জিপ থেকে নেমে কর্মীদের বাঁচাতে গেলে, আমাকেও বাঁশ দিয়ে মারে।’ তাঁর অভিযোগ, ‘মূল অভিযুক্তদের পুলিশ গ্রেফতার করছে না। ভোটের দিনেও ভোটারদের আটকে রাখার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ভয় দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে ওদের। পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন, সন্দেহজনক প্রতিটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করুন (Dantan Violence)।’

    পুলিশ সুপারের বক্তব্য

    জেলার পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বলেন, ‘দুপুর ১২টা নাগাদ বেলদায় একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির অনুমতি ছিল। শুধু দু’টি গাড়ির অনুমতি ছিল। সেই র‍্যালি ৬টা গাড়ি ও ৮০-৮৫টি মোটরবাইক নিয়ে বেলদা থানা থেকে মোহনপুর থানা এলাকায় ঢোকে। সেখানে তাদের অনুমতি ছিল না। সে দিক দিয়ে যাওয়ার সময়ে আঁতলা গ্রামে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ২৫-৩০টি গাড়ি ভাঙচুর হয়, দু’টি মোটরবাইক জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ৫৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। পুলিশ দ্রুত পৌঁছে (TMC) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে। কাউকে রেয়াত করা হবে না। এলাকায় আরও বেশি নজরদারি করা হবে।’ এদিকে, সূত্রের খবর, বুধবার পর্যন্ত সব মিলিয়ে মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের বেশির ভাগই তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক (Dantan Violence)।

     

  • Yogi: শ্রমিক বিক্ষোভের আড়ালে নকশালবাদ পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলতে না তো! উদ্বেগে যোগী আদিত্যনাথ

    Yogi: শ্রমিক বিক্ষোভের আড়ালে নকশালবাদ পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলতে না তো! উদ্বেগে যোগী আদিত্যনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ডা ফেজ-২-এ শ্রমিকদের যে বিক্ষোভ চলছে, তাতে নকশালবাদ (Naxal Conspiracy) পুনরুজ্জীবিত করার একটি বড় ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী (Yogi) আদিত্যনাথ। নূন্যতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গত চারদিন ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন শ্রমিকরা। এই অস্থিরতার আবহেই মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনকে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী শক্তি সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।

    মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি (Yogi)

    লখনউতে রবিবার রাতে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর জারি করা বিবৃতিতে মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ বলেন, “শ্রমিক কল্যাণ সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কিছু শক্তি শ্রমিক অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করতে পারে।” তিনি বলেন, “দেশে নকশালবাদ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে একে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে।” চলতে থাকা বিক্ষোভের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে, গৌতম বুদ্ধ নগর, গাজিয়াবাদ, কানপুর, মীরাট, ফিরোজাবাদ, মোরাদাবাদ, বারাণসী এবং গোরখপুর-সহ শিল্পাঞ্চলগুলিতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে (Yogi)। মুখ্যমন্ত্রী আধিকারিকদের দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন, শিল্পোন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিল্প সংস্থাগুলির সঙ্গে আলোচনা করতে বলেছেন। তিনি বলেন, “প্রকৃত শ্রমিক সমস্যাগুলির সময়মতো এবং স্বচ্ছ পদ্ধতিতে সমাধান করা উচিত।”

    হিংসাত্মক বিক্ষোভ

    প্রসঙ্গত, সোমবার সকালে নয়ডার বিভিন্ন শিল্প ইউনিটের বিপুল সংখ্যক শ্রমিক বিক্ষোভে অংশ নেন। তাঁরা বেতন বৃদ্ধির দাবি জানান। দেন এ সংক্রান্ত স্লোগানও। খানিকক্ষণের মধ্যেই বিক্ষোভ হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে, পাথর ছোড়ে, একটি গাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেয়। জানা গিয়েছে, হরিয়ানা সরকার ন্যূনতম মজুরি ১৪,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯,০০০ করেছে। উত্তরপ্রদেশে এর পরিমাণ ১৩,০০০ টাকা থাকায় ফেজ-২ এলাকায় বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, গৌতম বুদ্ধ নগর কমিশনারেটের অধীনে শিল্প এলাকাগুলিতে যথেষ্ট নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
    প্রশাসন জনগণকে গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ করেছে এবং জানিয়েছে, পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।
    মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনকে নির্দেশ দেন, শ্রমিক প্রতিনিধিত্বের আড়ালে যারা অশান্তি (Naxal Conspiracy) ছড়ানোর চেষ্টা করছে তাদের চিহ্নিত করতে এবং শিল্পাঞ্চলে নজরদারি (Yogi) বাড়াতে।

     

  • KP Oli: বলেন্দ্র শাহের শপথের পরের দিনই বাড়ি থেকে গ্রেফতার নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, হতে পারে হাজতবাস

    KP Oli: বলেন্দ্র শাহের শপথের পরের দিনই বাড়ি থেকে গ্রেফতার নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, হতে পারে হাজতবাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার কাকভোরে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হল নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিকে (KP Oli)। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে ‘জেন জি’ (Gen Z) বিক্ষোভ দমন করতে গিয়ে সংঘটিত হিংসায় জড়িত একটি অপরাধমূলক হত্যাকাণ্ড মামলায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এই বিক্ষোভের জেরেই শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা থেকে সরে যেতে হয় তাঁকে। উল্লেখ্য, ওলিকে গ্রেফতার করার একদিন আগেই র‌্যাপার থেকে (Nepal) রাজনীতিক হওয়া বলেন্দ্র শাহ (Balen Shah) দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

    বাড়ি থেকে গ্রেফতার ওলি (KP Oli)

    ওই একই মামলায় নেপালি কংগ্রেসের নেতা তথা প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককেও আটক করা হয়েছে। দু’জনকেই ভক্তপুরে তাঁদের নিজ নিজ বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে এমন ধারায় মামলা দায়ের হতে পারে, যেখানে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। গ্রেফতার হওয়ার পরপরই বছর চুয়াত্তরের ওলিকে ভর্তি করা হয় কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে। সেখানে তাঁর একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। উল্লেখ্য, এর আগে ওলি দু’বার কিডনি প্রতিস্থাপন করিয়েছেন।

    ‘জেন জি বিপ্লব’

    ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এক বিশাল যুব-নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলনের জেরে কেঁপে উঠেছিল নেপাল। এই আন্দোলন ‘জেন জি বিপ্লব’ নামে পরিচিত। ওলির শাসনকালে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, দুর্নীতি, বেকারত্ব ও রাজনৈতিক অস্থিরতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ থেকেই এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে এটি ডিজিটাল স্বাধীনতার দাবিতে শুরু হলেও, পরে তা বিস্তৃত সরকারবিরোধী বিদ্রোহে রূপ নেয়, যার জবাবে সরকার কঠোর দমননীতি গ্রহণ করে। এই হিংসায় অন্তত ৭৬ জন নিহত হন। জখম হয়েছিলেন ২,০০০-এর বেশি মানুষ (KP Oli)।

    আটক প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও

    দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীন ঘটা হিংসার তদন্তের জন্য গঠিত নেপালের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিশন চারবারের প্রধানমন্ত্রী এবং নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ওলির বিরুদ্ধে মামলা চালানোর সুপারিশ করার পরেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দিনের বিক্ষোভে কয়েক ঘণ্টার গুলিবর্ষণে অন্তত ১৯ জন জেন জি বিক্ষোভকারী নিহত হলেও, তা থামাতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওলিই দায়ী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “কার্যনির্বাহী প্রধান হিসেবে ভালো বা খারাপ—যে কোনও ঘটনার দায় নিতে হবে ওলিকে।” ওলি ও তাঁর মন্ত্রিসভার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকের পাশাপাশি, প্যানেল তৎকালীন পুলিশ প্রধান চন্দ্র কুবের খাপুং এবং আরও কয়েক ডজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে (Nepal)।

    রাজনৈতিক প্রতিহিংসা!

    যদিও ওলি এই প্রতিবেদন পত্রপাঠ প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, “এই প্রতিবেদন অত্যন্ত অবহেলাপূর্ণ। এটি চরিত্রহননের শামিল এবং ঘৃণার রাজনীতির প্রতিফলন। এটি দুঃখজনক (KP Oli)।” এদিকে, সিপিএন-ইউএমএল পার্টি ওলির গ্রেফতারিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে উল্লেখ করেছে। পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করতে জরুরি বৈঠকও ডাকা হয়েছে। দলের সব শীর্ষ নেতাকে সদর দফতরে ডাকা হয়েছে। বৈঠকের আগে উপ-মহাসচিব যোগেশ ভট্টরাই বলেন, “এটি রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের প্রতিফলন।” প্রবীণ নেতা তথা প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী প্রদীপ গিয়াওয়ালি এই পদক্ষেপকে অযৌক্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, বিস্তারিত আলোচনার পর পার্টি তাদের পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। প্রসঙ্গত, কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী যদি মামলা চলতে থাকে এবং আদালতে তাঁরা দোষী সাব্যস্ত হন, তবে সংশ্লিষ্ট তিনজনই সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন। গত ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত (Nepal) সাধারণ নির্বাচনে ঝাপা-৫ আসনে, যা দীর্ঘদিন ধরে কমিউনিস্ট পার্টির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, সেখানে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির (RSP) নেতা বলেন্দ্র শাহের কাছে ওলি বড় ব্যবধানে পরাজিত হন (KP Oli)।

  • Bangladesh: হাসিনা-পরবর্তী জমানায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটেছে প্রায় ৩১০০টি হিংসার ঘটনা!

    Bangladesh: হাসিনা-পরবর্তী জমানায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটেছে প্রায় ৩১০০টি হিংসার ঘটনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু ও অন্য সংখ্যালঘুদের ওপর প্রায় ৩,১০০টি হিংসার (Violence) ঘটনা ঘটেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলির কাছ থেকেই এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    কী বললেন ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী (Bangladesh)

    বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্ঘেরিটা  জানান, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাগুলি, যার মধ্যে তাদের বাড়িঘর, সম্পত্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং উপাসনালয়ে হামলাও রয়েছে, ভারত সরকার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে। তিনি বলেন, “মানবাধিকার সংগঠনগুলির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশজুড়ে হিন্দু ও অন্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে প্রায় ৩,১০০টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে।” তিনি জানান, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি ভারত সরকার সবসময়ই বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে, এমনকি সর্বোচ্চ স্তরেও উত্থাপন করেছে।

    জরুরি হেল্পলাইন নম্বর চালু

    এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে সে দেশের কূটনৈতিক মহলের সঙ্গেও। মন্ত্রী বলেন, “ভারত সরকারের আশা যে, বাংলাদেশ সরকার এসব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবে এবং সংখ্যালঘুদের হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও হিংসায় জড়িত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনবে।” তিনি এও বলেন, “সংখ্যালঘু-সহ বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জীবন ও স্বাধীনতা রক্ষার প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারেরই। বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের কোনও সমস্যা হলে যাতে দ্রুত সাহায্য করা যায়, সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করে বাংলাদেশে ভারতের মিশন ও বিভিন্ন পোস্ট।” মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ২৪ ঘণ্টা চালু একটি জরুরি হেল্পলাইন নম্বরও রয়েছে (Bangladesh)।

    ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় মিশনে ভারতীয় নাগরিকদের অভিযোগ (Violence) ও উদ্বেগ মোকাবিলার জন্য একজন বিশেষ কনস্যুলার আধিকারিক রয়েছেন। এই মিশনটি নিয়মিত বাংলাদেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্যই এই মিশন। মন্ত্রী জানান, ভারতীয় নাগরিকদের জন্য নিয়মিত ‘ওপেন হাউস’ কর্মসূচির আয়োজনও করা হয় (Bangladesh)।

     

  • Violence: অশান্ত মেক্সিকোয় বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপদে থাকার পরামর্শ বিদেশমন্ত্রকের

    Violence: অশান্ত মেক্সিকোয় বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপদে থাকার পরামর্শ বিদেশমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে, অপ্রয়োজনীয় চলাফেরা কমাতে এবং ভিড় এড়িয়ে চলার অনুরোধ করেছে মেক্সিকোয় থাকা ভারতীয় দূতাবাস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত এক সামরিক অভিযানে মেক্সিকোর মাদক সম্রাট নেমেসিও ওসেগেরা, যিনি ‘এল মেনচো’ নামে পরিচিত, নিহত হওয়ার পর মেক্সিকোর একাধিক প্রদেশে হিংসা (Violence) ছড়িয়ে পড়েছে। তার প্রেক্ষিতেই এই সতর্কতা জারি করা হয়।

    এল মেনচোর মৃত্যু (Violence)

    এল মেনচোর মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার (EL Manchos Death) সমর্থক সন্দেহভাজন কার্টেল সদস্য ও সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা সারা দেশে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। রবিবার তারা যানবাহন ও দোকানদানিতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশিত বার্তায় ভারতীয় দূতাবাস জালিস্কো প্রদেশের (পুয়ের্তো ভালার্তা, চাপালা ও গুয়াদালাহারা এলাকা), তামাউলিপাস প্রদেশের (রেইনোসা ও অন্যান্য পৌর এলাকা), মিচোয়াকান, গুয়েরেরো এবং নুয়েভো লেওন প্রদেশে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা অভিযান, অপরাধমূলক তৎপরতা এবং সড়ক অবরোধের কারণে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। দূতাবাস তাদের হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করেছে। আপডেটেড তথ্যের জন্য স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অনুসরণ করতে ও জরুরি পরিস্থিতিতে ৯১১ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

    মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বিশ্বের অন্যতম মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী এল মেনচো জালিস্কোতে মার্কিন সমর্থিত সামরিক অভিযানের সময় গুরুতর জখম হন এবং পরে মেক্সিকো সিটিতে বিমানে করে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার (Violence)। এল মেনচোর বিরুদ্ধে অভিযানটি চালানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বাড়তে থাকা চাপের প্রেক্ষাপটে, যেখানে মেক্সিকোকে মাদক পাচার দমনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছিল। ওয়াশিংটন সরাসরি হস্তক্ষেপের সম্ভাবনাও উত্থাপন করেছিল। ওসেগেরার অপরাধ সাম্রাজ্য—জালিস্কো নিউ জেনারেশন কার্টেল (সিজেএনজি)—গত এক দশকে মেক্সিকোর সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠিত অপরাধ চক্রে পরিণত হয়েছে এবং আমেরিকায় কোকেন, মেথঅ্যামফেটামিন ও ফেন্টানিলসহ অবৈধ মাদকের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে।

    একাধিক প্রদেশে আছড়ে পড়ে হিংসার ঢেউ

    এল মেনচোর মৃত্যুর পর একাধিক প্রদেশে আছড়ে পড়ে হিংসার ঢেউ। কার্টেল সদস্যরা নিরাপত্তা বাহিনী ও জনপরিকাঠামোর ওপর পাল্টা হামলা চালায়। সিজেএনজির এক সদস্য সংবাদমাধ্যমকে জানান, ওসেগুয়েরার হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে এই হিংসা চালানো হয়েছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলি কার্টেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে এগিয়ে আসায় আরও রক্তপাতের আশঙ্কা রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যক্তি বলেন, “নেতার মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে প্রথমে সরকারের বিরুদ্ধে ও অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে হামলা চালানো হয়। কিন্তু পরে কার্টেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষও শুরু হবে।” জালিস্কোতে বন্দুকধারীরা ন্যাশনাল গার্ডের একটি সামরিক পুলিশ ঘাঁটিতে হামলা চালায়। কর্তৃপক্ষ বাসিন্দা ও পর্যটকদের হোটেলের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেন। কিছু এলাকায় গণপরিবহণ বন্ধ করে দেওয়া হয় (EL Manchos Death)।

    মেক্সিকো–পুয়েবলা জাতীয় সড়ক

    অবরোধের জেরে কার্যত অচল হয়ে পড়ে মেক্সিকো–পুয়েবলা জাতীয় সড়ক। কোলিমা প্রদেশে সশস্ত্র কার্টেল সদস্যরা পিক-আপ ট্রাক নিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেয়। গুয়ানাহুয়াতো—যা সিজেএনজির শক্ত ঘাঁটি—সেখানে ২৩টি পুরসভা এলাকায় ৫৫টি হিংসার ঘটনার খবর আসে। ১৮ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সন্ধ্যার মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে খবর। জালিস্কোর রাজধানী গুয়াদালাহারায় জ্বলন্ত গাড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করা হয়। বাসিন্দারা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সতর্কবার্তা ছড়িয়ে বাড়িতে থাকার আহ্বান জানান। পুয়ের্তো ভালার্তার মতো পর্যটনকেন্দ্রে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আকাশে পাক খেয়ে উড়ছে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। আতঙ্কিত যাত্রীরা বিমানবন্দরে দৌড়ঝাঁপ করছেন (Violence)।

    হিংসার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ

    ট্রাকচালকদের জাতীয় সড়ক এড়িয়ে চলতে বা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ডিপোয় ফিরে যেতে বলা হয়। ট্রাকিং শিল্পের এক সংগঠন হিংসার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং চালকদের নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেওয়ার অনুরোধ জানায় (EL Manchos Death)। জালিস্কোর গভর্নর পাবলো লেমুস নাভারো বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার আহ্বান জানান যতক্ষণ না শৃঙ্খলা ফিরছে। প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম এক্স হ্যান্ডেলে জানান, ‘ফেডারেল সরকার রাজ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয় বজায় রাখছে (Violence)।’

     

  • Bangladesh: গাজায় সরব, বাংলাদেশে নীরব! হিন্দু-হত্যায় কেন মুখে কুলুপ বিশ্ব মানবাধিকার সংগঠনগুলির?

    Bangladesh: গাজায় সরব, বাংলাদেশে নীরব! হিন্দু-হত্যায় কেন মুখে কুলুপ বিশ্ব মানবাধিকার সংগঠনগুলির?

    মাধ্যম নউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) শরিয়তপুরে খোকন চন্দ্র দাসের ওপর বর্বর হামলা এবং ময়মনসিংহে দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে খুন, এই দু’টি ঘটনা কোনও হঠাৎ উত্তেজনা (Hindus Killed) বা দুর্ঘটনাজনিত জনরোষের পরিণতি নয়। উভয় ক্ষেত্রেই ঘটনার ধারাবাহিকতা ছিল ভয়াবহভাবে স্পষ্ট। প্রথমে ভিড় জমে, তারপর নিয়ন্ত্রণ ভেঙে পড়ে, এবং শেষ পর্যন্ত চালানো হয় চরম নৃশংসতা।

    গণপিটুনি দিয়ে হত্যা (Bangladesh)

    ময়মনসিংহে দীপুকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়। আর শরিয়তপুরে খোকনকে প্রথমে মারধর করা হয়, পরে ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়, পরে তাঁর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করার পর মৃত্যু হয় তাঁর। খোকনের ওপর হামলা বা দীপুর হত্যাকাণ্ড কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় সংখ্যালঘু হিন্দুদের লক্ষ্য করে একাধিক গণহিংসার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। রাজবাড়িতে অমৃত মণ্ডল নামে এক হিন্দু যুবককে গুজব ছড়িয়ে হত্যা করা হয়। ময়মনসিংহে দীপুকে ‘ধর্ম অবমাননা’র অভিযোগ তুলে পিটিয়ে মারে জনতা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই ঘটনাগুলি আলাদা নয়। গত দেড় বছরে বাংলাদেশে একের পর এক ঘটনায় হিন্দুদের হত্যা, গণপিটুনি, ছুরিকাঘাত, ভয় দেখানো এবং কোথাও কোথাও পুরো হিন্দু গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। কিন্তু প্রতিবারই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার হয় এগুলিকে বিচ্ছিন্ন ছোটখাটো অপরাধ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছে, নয়তো দাবি করেছে, এগুলি আসলে আওয়ামি লিগ সমর্থকদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ (Bangladesh)।

    অমানবিক অত্যাচার

    এই সব ঘটনার মধ্যে কোনও একটি নির্দিষ্ট অভিযোগ নয়, বরং একটি অভিন্ন হিংসার কাঠামো স্পষ্ট হয়ে উঠছে। দ্রুত ভিড় জমে, সামাজিক সংযম (Hindus Killed) ভেঙে পড়ে, এবং অমানবিক অত্যাচার চালানো হয়। বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়, পরিবারগুলি এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়, এবং পুরো হিন্দু সমাজ দীর্ঘদিন আতঙ্কের মধ্যে থাকে, ভিড় সরে যাওয়ার পরেও। এরপর প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখা যায় সেই চেনা ছবি, কয়েকটি প্রতীকী গ্রেফতার, প্রশাসনের আশ্বাস, এবং তারপর দীর্ঘ নীরবতা (Bangladesh)। প্রশ্ন উঠছে, এই ধারাবাহিক হিংসা কি আদৌ থামবে? নাকি প্রতিবারই বিচ্ছিন্ন ঘটনার তকমা দিয়ে দায় এড়িয়ে যাওয়া হবে? বাংলাদেশে সাম্প্রতিক হিংসার ঘটনায় অসম প্রতিক্রিয়া মিলেছে। প্রথমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন সরকার। ভারত প্রকাশ্যে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং দোষীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ঢাকাকে আহ্বান জানিয়েছে। ব্রিটেনও একাধিক বিবৃতিতে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করে ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের (পড়ুন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের) সুরক্ষার ওপর জোর দেয়। এগুলি হল আনুষ্ঠানিক ও নথিভুক্ত প্রতিক্রিয়া, যেখানে অপরাধের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে স্বীকার করা হয়েছে (Hindus Killed)।

    বাংলাদেশের স্থানীয় মানবাধিকারকর্মী

    তবে সবচেয়ে সরব ভূমিকা নেয় বাংলাদেশের স্থানীয় মানবাধিকারকর্মী, হিন্দু সংগঠন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বিষয়টি যেন জনচেতনার আড়ালে চলে না যায়, তাই তাঁরা বিক্ষোভ দেখান, পুলিশকে তথ্য দেন, নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করেন এবং একের পর এক ঘটনা নথিভুক্তকরণ করেন (Bangladesh)। এই প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে চোখে পড়েছে বড় বড় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলির নীরবতা। বিশেষ করে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে। গাজা সংঘাতের মতো ঘটনায়ও যেখানে এই দুই সংস্থা দ্রুত বিবৃতি দিয়েছিল, বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল, জরুরি আবেদন এবং ধারাবাহিক মিডিয়া ব্রিফিং করে চলেছিল, সেখানে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনায় তেমন কোনও সক্রিয়তাই দেখা যায়নি।

    প্রশ্ন একাধিক

    এই বৈপরীত্য শুধু প্রাতিষ্ঠানিক স্তরেই নয়, বিশ্বজুড়ে পরিচিত বহু মানবাধিকারকর্মী ও প্রভাবশালী কণ্ঠের ক্ষেত্রেও স্পষ্ট। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হিংসা কি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মহলের কাছে (Bangladesh) যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে? পরিবেশ আন্দোলন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক ইস্যু, ভারতের কৃষক আন্দোলন কিংবা গাজা পরিস্থিতি নিয়ে যিনি বরাবরই সরব, সেই গ্রেটা থুনবার্গের মতো কোনও প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক (Hindus Killed) অ্যাক্টিভিস্টও এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রকাশ্যে একটি শব্দও খরচ করেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় নেই একটি টুইট পর্যন্তও।

    আন্তর্জাতিক সংগঠনের মুখে কুলুপ

    শুধু গ্রেটা নন, বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সঙ্কটে নিয়মিত মন্তব্য করা আরও বহু আন্তর্জাতিক অ্যাক্টিভিস্ট এবং সংগঠনও একই ধরনের নীরবতা পালন করছে। বাংলাদেশে হিন্দু হত্যার ঘটনায় আলাদা করে কোনও আন্তর্জাতিক তদন্ত শুরু হয়নি, হয়নি জরুরি বৈশ্বিক প্রচারাভিযান বা ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক ব্রিফিংও। কোথাও বাংলাদেশ প্রসঙ্গ উঠলেও তা এসেছে বৃহত্তর আলোচনার অংশ হিসেবে, স্বতন্ত্র মানবাধিকার সঙ্কট হিসেবে নয় (Bangladesh)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই বৈপরীত্য উপেক্ষা করা কঠিন। একদিকে স্থানীয় সরকার ও দেশীয় নাগরিক সমাজ যখন বিষয়টি নিয়ে কথা বলছে, তখন বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলির সংযত বা প্রায় নীরব প্রতিক্রিয়া এক অস্বস্তিকর যদিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলে, কারা অগ্রাধিকার পায়? কোন ভুক্তভোগীর জন্য আন্তর্জাতিক আন্দোলন হয়, আর কারাই বা থেকে যায় উপেক্ষিত (Hindus Killed)?

    প্রকাশ্যে দ্বিচারিতা

    প্রসঙ্গত, নীরবতার প্রকৃত রূপ কী? এখানে নীরবতা মানে একেবারে কিছু না বলা নয়। এটি আরও সূক্ষ্ম, কিন্তু অনেক বেশি প্রভাবশালী। এই নীরবতা প্রকাশ পায় লক্ষ্যভিত্তিক মনোযোগের অনুপস্থিতিতে। বাংলাদেশে হিন্দু ভুক্তভোগীদের দুর্দশা নিয়ে কোনও আলাদা তদন্তমূলক রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। আন্তর্জাতিক সমর্থকদের সক্রিয় করে তুলতে জরুরি ‘অ্যাকশন অ্যালার্ট’ও জারি করা হয়নি। আন্তর্জাতিক এনজিওগুলির তরফে এমন কোনও ধারাবাহিক মিডিয়া ব্রিফিংও হয়নি, যা বিষয়টিকে চর্চার বিষয় করে তোলে (Bangladesh)। অন্য দেশে গোষ্ঠীগত হিংসা বা সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠনগুলি যেভাবে দ্রুত প্রাথমিক মূল্যায়ন প্রকাশ করে, মুখপাত্র নিয়োগ করে, ধারাবাহিক আপডেট দেয় এবং রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতার প্রশ্ন তোলে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তার কোনওটিই দেখা যায়নি।

    ফলে যা হয়েছে, তা হল, ঘটনাগুলি কিছুদিন আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচিত হয়ে ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক আলোচনার বাইরে চলে গিয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী প্রচার না থাকলে কূটনৈতিক চাপ দুর্বল হয়, জনস্মৃতি ঝাপসা হয়ে যায় (Hindus Killed), আর একটি মানুষের মৃত্যু ন্যায়ের দাবির প্রতীক না হয়ে, পরিণত হয় ইতিহাসের পাদটীকায় (Bangladesh)।

  • Karachi Violence: করাচিতে জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ, স্বাধীন সিন্ধুদেশের দাবিতে উত্তাল পাকিস্তান

    Karachi Violence: করাচিতে জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ, স্বাধীন সিন্ধুদেশের দাবিতে উত্তাল পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিস্তার নেই পাকিস্তানের। বালুচদের পর এবার দাবি স্বাধীন সিন্ধুদেশের (Sindhudesh Demand)। পাকিস্তানেরই করাচি শহরের বুকে শোনা গেল ‘পাকিস্তান মুর্দাবাদ’ স্লোগানও (Karachi Violence)। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখালেন কয়েক হাজার স্বাধীনতাকামী মানুষ। যার জেরে ছড়াল হিংসা। ঘটনার সূত্রপাত রবিবার। এদিন ‘সিন্ধি কালচার ডে’ উপলক্ষে রাস্তায় নেমেছিলেন বিক্ষোভকারীরা। তার পরেই শুরু হয় অশান্তি। পাথর ছোড়ার পাশাপাশি এলাকায় চলে ভাঙচুর। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষও বেঁধে যায় আন্দোলনকারীদের। জিয়ে সিন্ধ মুতাহিদা মহাজ (JSSM)-এর ব্যানারে বিপুলসংখ্যক সিন্ধি বিক্ষোভকারী ‘আজাদি’ এবং ‘পাকিস্তান মুর্দাবাদ’ স্লোগান দেন। তাঁরা সিন্ধের মুক্তির দাবি জানান, যা সিন্ধি জাতীয়তাবাদী দলগুলির দীর্ঘদিনের আবেগকে উসকে দেয়। সিন্ধু নদের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলই হল সিন্ধ প্রদেশ। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পরে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয় এই প্রদেশ। মহাভারতে সিন্ধুদেশের উল্লেখ রয়েছে। এটিই ছিল বর্তমান সিন্ধ এলাকার প্রাচীন জনপদের নাম। বর্তমানে এটি পাকিস্তানের তৃতীয় বৃহত্তম প্রদেশ।

    উত্তপ্ত পরিস্থিতি (Karachi Violence)

    রবিবার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন প্রশাসন আন্দোলনকারীদের মিছিলের পথ বদলে দেয়। এতেই বিক্ষোভকারীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। সিন্ধদের সংগঠন জেএসএসএমের ব্যানারে বিক্ষোভ শুরু হয়। করাচির জনবহুল রাস্তায় পাক সরকার ও প্রশাসনের মুণ্ডুপাত করা হয়। দাবি ওঠে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের পদত্যাগেরও। এর পরেই আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ ও সেনা। প্রতিরোধ গড়ে তোলেন আন্দোলনকারীরাও। তাঁদের একাংশ নিরাপত্তাকর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে। শুরু হয় ভাঙচুর। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে পুলিশ।

    জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ

    স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে অন্তত ৪৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সংঘর্ষে পাঁচজন পুলিশ কর্মী জখম হয়েছেন। যারা সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি ও পুলিশ এবং যানবাহন ভাঙচুরে জড়িত, অবিলম্বে তাদের শনাক্ত করে পুলিশকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সিন্ধ প্রদেশের দাবিটি ফের জোরালো হয়ে উঠেছে, কারণ সিন্ধ ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। গত সপ্তাহে এক পাক নিউজ চ্যানেলে সম্প্রচারিত আলোচনায় এক সাংবাদিক ও বিশেষজ্ঞ দাবি করেন, মুতাহিদা কওমি মুভমেন্ট (এমকিউএম) প্রধান আলতাফ হুসেইন এক সময় সিন্ধের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলফিকার মিরজাকে বলেছিলেন যে ১৮তম সংশোধনী পাস হওয়ার পর সিন্ধুদেশ কার্ড এখন আমাদের হাতে এসেছে (Karachi Violence)।

    রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্য

    ভারতেও বিষয়টি আলোচনায় আসে, যখন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, “একদিন সিন্ধ প্রদেশ আবারও ভারতের সঙ্গে যুক্ত হবে। গত মাসে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত সিন্ধি সমাজ সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজনাথ বলেছিলেন, আমার প্রজন্মের বহু সিন্ধি হিন্দু ১৯৪৭ সালের সেই সিদ্ধান্তকে কখনওই সম্পূর্ণভাবে মেনে নিতে পারেননি। তা সত্ত্বেও সিন্ধ পাকিস্তানের অংশ হয়ে গিয়েছিল।” তিনি বলেন, “সিন্ধ বরাবরই সাংস্কৃতিকভাবে ভারতের সঙ্গে যুক্ত। আজ সিন্ধ ভারতের অংশ না হলেও, সভ্যতার দৃষ্টিতে সিন্ধ (Sindhudesh Demand) সর্বদা ভারতের অংশ হয়েই থাকবে। জমির ব্যাপারে বলতে গেলে, সীমান্ত বদলাতে পারে। কে জানে, ভবিষ্যতে হয়তো সিন্ধ আবারও ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।”

    পাক বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রের প্রতিক্রিয়া

    রাজনাথের এহেন মন্তব্যে বিরক্ত হয় পাকিস্তান। পাক বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মন্তব্যটিকে গভীর উদ্বেগজনক আখ্যা দিয়ে ভারতকে এমন উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায়। তবে সিন্ধ প্রদেশের ভেতরে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে তেমন কোনও রাজনৈতিক আন্দোলন নেই। এসব সংগঠনের দাবি মূলত পাকিস্তানের ভেতরেই স্বায়ত্তশাসন, অথবা একটি স্বাধীন ‘সিন্ধুদেশ’ গঠনের (Karachi Violence)। ঔপনিবেশিক আমলে সিন্ধ প্রদেশ ব্রিটিশ ভারতের একটি পৃথক প্রশাসনিক অঞ্চল ছিল। পরে তাকে যুক্ত করা হয়। দেশভাগের পর এটি পাকিস্তানের অংশ হয়ে যায়।

    পৃথক সিন্ধুদেশের প্রথম দাবি

    পৃথক সিন্ধুদেশের প্রথম দাবি ওঠে ১৯৬৭ সালে জিএম সঈদ, যিনি দেশভাগেরও প্রথমদিকের সমর্থকদের একজন এবং পীর আলি মহম্মদ রাশদির নেতৃত্বে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পর এই দাবি আরও গতি পায়। বাংলা ভাষা আন্দোলন থেকে সেই সম্প্রদায় অনুপ্রাণিত হয়েছিল এবং সিন্ধুর স্বতন্ত্র জাতিগত, ভাষাগত ও ঐতিহাসিক পরিচয়, যা সিন্ধু উপত্যকা সভ্যতার সঙ্গে যুক্ত, তাকে গুরুত্ব দিয়েছিল (Sindhudesh Demand)। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বালুচিস্তান প্রদেশে এমনিতেই বিদ্রোহের আগুন জ্বলছে। পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে পৃথক দেশ গড়তে চেয়ে আন্দোলন করছেন সেখানকার সাধারণ মানুষ। তার মধ্যেই সিন্ধ প্রদেশ নিয়েও বাড়ছে অশান্তি। তাই বেশ চাপে পড়ে গিয়েছে শাহবাজ শরিফের সরকার (Karachi Violence)।

    এখন দেখার, কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেয় পাক সরকার।

     

  • Bihar Assembly Election 2025: রক্তপাতহীন নির্বাচন দেখল বিহার, এনডিএ জমানায় শেষ ‘জঙ্গলরাজ’!

    Bihar Assembly Election 2025: রক্তপাতহীন নির্বাচন দেখল বিহার, এনডিএ জমানায় শেষ ‘জঙ্গলরাজ’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীতীশ কুমারের জমানায় জঙ্গলরাজের অবসান বিহারে (Bihar Assembly Election 2025)। এ রাজ্যে শেষ কবে গোলাগুলি, বুথদখল ছাড়া নির্বাচন হয়েছে, তা মনে করতে পারছেন না বিহারের প্রবীণ বাসিন্দারাও। তবে এবার হল (Violence)। ২০২৫ সালের নির্বাচন রাজ্যের নির্বাচনী ইতিহাসে স্থাপন করল নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত। দু’দফায় ভোট হয়েছে রাজ্যে, তবে হিংসার কোনও ঘটনা ঘটেনি, হয়নি পুনর্নিবাচনও। কয়েক দশক ধরে চলে আসা রক্তাক্ত নির্বাচনের বিপ্রতীপ ছবিই দেখা গেল এবারের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে।

    কংগ্রেস জমানায় রক্তারক্তিকাণ্ড (Bihar Assembly Election 2025)

    স্মৃতির সরণি বেয়ে ফিরে যাওয়া যাক আটের দশকে। ১৯৮৫ সালে রাজ্যে  নির্বাচনের সময় মৃত্যু হয়েছিল ৬৩ জনের। পুনর্নির্বাচন হয়েছিল ১৫৬টি বুথে। সেই সময় বিহারের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কংগ্রেসের চন্দ্রশেখর সিং। ওই নির্বাচনের পর রাজ্যের হাল ধরেন কংগ্রেসেরই বিন্দেশ্বরী দুবে। এর ঠিক পাঁচ বছর পরে ১৯৯০ সালে যে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল, সেই ভোটে রক্ত ঝরেছিল আরও অনেক বেশি। সেবার নির্বাচনী হিংসার বলি হয়েছিলেন ৮৭ জন। সেবারই পালাবদল ঘটেছিল বিহারে। কংগ্রেসের জগন্নাথ মিশ্রর হাত থেকে বিহারের রাজপাটের রশি যায় আরজেডির লালু প্রসাদ যাদবের হাতে।

    নজিরবিহীন হিংসা

    পরের বিধানসভা নির্বাচনের ছবিটা আরও করুণ। ১৯৯৫ সালে তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার টিএন শেষন নজিরবিহীন হিংসা ও নির্বাচনী জালিয়াতির অভিযোগে চার-চার বার স্থগিত করে দিয়েছিলেন বিহারের নির্বাচন। পরে দু’বছরের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর মসনদে বসেন লালু (Bihar Assembly Election 2025)। তাঁর পরে ওই আসনে বসেন তাঁর স্ত্রী রাবড়ি দেবী। তিনি মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত। ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটেছিল ২০০৫ সালেও। সেবার হিংসা ও বিশৃঙ্খলার কারণে পুনর্নির্বাচন হয় ৬৬০টি বুথে। ক্ষমতায় আসেন জেডিইউয়ের নীতীশ কুমার।

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালে বিহার বিধানসভা নির্বাচন হয় দু’দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হয় ৬ নভেম্বর, তার পরের দফার ভোট হয় ১১ তারিখে। এই দু’দফার ভোটেই মেলেনি (Violence) কোনও হিংসার খবর, প্রয়োজন হয়নি পুনর্নির্বাচনেরও (Bihar Assembly Election 2025)।

LinkedIn
Share