Tag: viral infection

viral infection

  • Dengue: শীতেও দাপট কমেনি ডেঙ্গির! কাদের ঝুঁকি বেশি? কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট?

    Dengue: শীতেও দাপট কমেনি ডেঙ্গির! কাদের ঝুঁকি বেশি? কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষায় প্রকোপ বাড়ে। কিন্তু তাপমাত্রার পারদ নামলে শক্তি ক্ষয় হয়, দাপটও কমে। এমনটাই গত কয়েক বছর হয়ে এসেছে। কিন্তু এই বছরের ছবি বেশ ব্যতিক্রম। রাজ্যে শীত জাঁকিয়ে বসছে। কিন্তু তারপরেও কমছে না ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ। বরং ডেঙ্গি সংক্রমণের পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট?

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত তিন সপ্তাহে শুধু কলকাতাতেই প্রায় ৩৫০ জনের ডেঙ্গি রিপোর্ট পজিটিভ হয়েছে। নদীয়া, মুর্শিদাবাদের মতো জেলার পরিস্থিতি আরও ভয়ানক। চলতি বছরে রাজ্যের সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গি আক্রান্ত জেলা মুর্শিদাবাদ। ওই জেলার সর্বশেষ রিপোর্ট উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহে শুধু মুর্শিদাবাদ জেলাতেই প্রায় পাঁচশোর বেশি মানুষ ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত হয়েছেন। চলতি বছরে মুর্শিদাবাদ জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে পাঁচ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। নদীয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলির পরিস্থিতিও যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট মহল। সূত্রের খবর, শীতেও রাজ্যের সর্বত্র ডেঙ্গির মারাত্মক প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। চলতি বছরে রাজ্যে কয়েক লাখ মানুষ ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। চলছে মৃত্যু মিছিল। অন্যান্য বছরে শীতে ডেঙ্গির দাপট কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু চলতি বছরে ডেঙ্গির দাপট অব্যাহত।

    কাদের ঝুঁকি বাড়ছে? (Dengue)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই ডেঙ্গি আক্রান্ত উপসর্গহীন হচ্ছেন‌। আর তার ফলেই বিপদ বাড়ছে। প্রথম থেকেই জ্বর কিংবা গায়ে-হাতে-পায়ে ব্যথা বা বমির মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে না। সামান্য সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। কিন্তু তারপরেই হঠাৎ বমি বা রক্তক্ষরণের মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। তাই পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। প্রাণ সংশয়ের ঝুঁকিও বাড়ছে। বিশেষত শিশুদের জন্য এই ধরনের উপসর্গহীন ডেঙ্গি আরও ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কীভাবে সতর্ক থাকবেন?

    শীতেও (Winter) মশার দাপট চলছে। তাই ডেঙ্গির প্রকোপ অব্যাহত। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মশা নিধনে সক্রিয়তা না থাকলে ডেঙ্গির প্রকোপ কমানো যাবে না। তাই দরকার সচেতনতা।‌ পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখাই ডেঙ্গি (Dengue) মোকাবিলার প্রথম ও প্রধান অস্ত্র। নিজের বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা জরুরি। জমা জল একেবারেই রাখা চলবে না। আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। এলাকার বাগান কিংবা পার্ক থাকলে, সেগুলো পরিষ্কারে বাড়তি নজর দিতে হবে‌। পাশপাশি স্কুল কিংবা অফিস চত্বর পরিষ্কার রাখার দিকেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সক্রিয় হতে হবে। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত মশা নিধন স্প্রে দেওয়া জরুরি। নিকাশি ব্যবস্থাও পরিষ্কার থাকা দরকার। মশা বাহিত রোগ মোকাবিলার জন্য দরকার সতর্কতা। তবে সাধারণ সর্দিকাশির উপসর্গের আড়ালেও হানা দিচ্ছে ডেঙ্গি। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা দ্রুত করা দরকার বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ রোগ প্রথমেই চিহ্নিত করতে পারলে বড় বিপদ আটকানো সহজ হবে। পাশপাশি সংক্রমণ রুখতেও সুবিধা হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গি আক্রান্তে ফের শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা! প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাবে বাড়ছে উদ্বেগ

    Dengue: ডেঙ্গি আক্রান্তে ফের শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা! প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাবে বাড়ছে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটানা বৃষ্টি! তার পরে কয়েক দিনের রোদ! এই আবহাওয়া এখন উদ্বেগজনক। কিন্তু চলতি সপ্তাহে এমনই আবহাওয়ার জেরে রাজ্যে ডেঙ্গির (Dengue) দাপট আরও বাড়তে পারে বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, আক্রান্তের সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। চলতি বছরে ডেঙ্গি বঙ্গবাসীর ভোগান্তি আরও বাড়াবে বলেই আশঙ্কা করছে প্রশাসনের একাংশ। কিন্তু সেই তুলনায় প্রশাসনের তেমন তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না বলেই বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। মানুষের তিক্ত অভিজ্ঞতা হল, সরকারের বিভিন্ন দফতরের মধ্যে এই মারণ রোগ মোকাবিলায় কোনও সমন্বয়ই নেই। তাতে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে চলে যাচ্ছে।

    উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কোন জেলা? (Dengue)

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি দফতরের বৈঠকে প্রশাসনের কর্তারা জানিয়েছেন, এবারে আক্রান্তের নিরিখে দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনা। ইতিমধ্যেই ওই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়েছে। শুধুমাত্র জুলাই মাসের শেষ দুই সপ্তাহে উত্তর ২৪ পরগনায় নতুন করে ৫০০ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। উত্তর ২৪ পরগনার পরেই নদিয়া। স্বাস্থ্যকর্তারা জানাচ্ছেন, নদিয়া জেলায় গত মাসে ৪০০-র বেশি মানুষ নতুন করে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া কলকাতা ও হাওড়ার পরিস্থিতিও নজরে রাখা হয়েছে বলে প্রশাসনিক (State Administration) সূত্রে দাবি করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ভবনের কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছে, গত বছরের মতোই চলতি বছরেও জুন মাস থেকেই কলকাতা ও হাওড়ায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। কলকাতায় ডেঙ্গির (Dengue) পাশপাশি ম্যালেরিয়ার দাপটও যথেষ্ট। মশার এই জোড়া আক্রমণে নাজেহাল কলকাতা তথা বঙ্গবাসী।

    কী পরিকল্পনা করছেন স্বাস্থ্যকর্তারা?

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকা পরিদর্শনের পাশপাশি স্কুল, কলেজ, হাসপাতালেও পরিদর্শন জরুরি। এমনই নির্দেশ জারি করেছে স্বাস্থ্য প্রশাসন। কর্তারা জানাচ্ছেন, একটানা বৃষ্টির জেরে স্কুল, কলেজ ক্যাম্পাসের ভিতরে বহু জায়গায় জল জমে আগাছা জন্মাচ্ছে। তৈরি হচ্ছে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ। আর তার জেরেই মশার বাড়বাড়ন্ত। তাই স্কুল, কলেজ ক্যাম্পাস পরিদর্শন জরুরি। পাশপাশি হাসপাতাল চত্বরে যাতে জল না জমে, সে নিয়েও নজরদারি জরুরি। এক স্বাস্থ্যকর্তার (State Administration) কথায়, “ইতিমধ্যেই শিক্ষা দফতরের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের ব্যাপারে নজর দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্তাদেরও এই বিষয়ে জানানো হয়েছে।” 
    তবে, স্বাস্থ্য দফতরের একাংশ জানাচ্ছে, গতানুগতিক ভাবে শুধু পরিকল্পনা যথেষ্ট নয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি (Dengue) রুখতে প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। অনেক সময়েই তা নিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। ডেঙ্গি যে ভাবে বাড়ছে, সেপ্টেম্বরে পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হতে পারে বলেই আশঙ্কা করছে স্বাস্থ্য কর্তাদেরই একাংশ।‌ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue Fever: বর্ষার মরশুমে ডেঙ্গি‌ বাড়াচ্ছে উদ্বেগ! কোন জেলার পরিস্থিতি বিপজ্জনক?

    Dengue Fever: বর্ষার মরশুমে ডেঙ্গি‌ বাড়াচ্ছে উদ্বেগ! কোন জেলার পরিস্থিতি বিপজ্জনক?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুমে এ বছরেও চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি। ইতিমধ্যেই কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় ডেঙ্গি (Dengue Fever) সংক্রমণ উদ্বেগজনক। যদিও কলকাতা পুরসভার তরফে বারবার বলা হচ্ছে ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট জানাচ্ছে, গত বছরের মতোই এবছরেও রাজ্যবাসীর ভোগান্তির কারণ হবে ডেঙ্গি। পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য কর্তারা।

    কোন জেলা চিন্তা বাড়াচ্ছে? (Dengue Fever)

    স্বাস্থ্য ভবনের কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছে, চলতি বছরে ডেঙ্গি নিয়ে সব চেয়ে বেশি চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতা। তাঁরা জানাচ্ছেন, বছরভর কলকাতায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হচ্ছিল। কিন্তু জুন মাস থেকে সংক্রমণ কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। কলকাতায় চলতি মাসে শতাধিক মানুষ নতুন করে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতার পাশপাশি উত্তর চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং হুগলি নিয়েও যথেষ্ট উদ্বিগ্ন রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রশাসন। ২০২৩ সালে নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় ডেঙ্গি পরিস্থিতি ছিল ভয়ানক। এই দুই জেলার প্রায় পনেরো হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছিলেন। চলতি বছরেও সংক্রমণ যথেষ্ট ছিল। তবে গত দেড় মাসে এই দুই জেলায় সংক্রমণের হার উদ্বেগজনক‌ভাবে‌ বেড়েছে।

    বাড়তি দুশ্চিন্তা ম্যালেরিয়া?

    স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, ডেঙ্গি (Dengue Fever) নিয়ে নাজেহাল রাজ্য প্রশাসন। প্রত্যেক বছরেই সংক্রমণ, আগের সব রেকর্ড ছাপিয়ে যায়। এবছরে তার সঙ্গে বাড়তি দুশ্চিন্তার কারণ ম্যালেরিয়া। কারণ, বর্ষার মরশুম (Rainy Season) শুরু হওয়ার আগেই কলকাতা ও তার আশপাশের জেলায় ম্যালেরিয়ার দাপট জারি ছিল। প্রত্যেক মাসে শতাধিক মানুষ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্ষার মরশুমে সেই সংক্রমণ কয়েক গুণ বেড়েছে। 
    একদিকে ডেঙ্গি, আরেক দিকে ম্যালেরিয়া, মশাবাহিত এই দুই জোড়া সংক্রমণ রুখতে আরও সক্রিয়তা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য প্রশাসনের কর্তাদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রত্যেক এলাকা পরিষ্কারের দিকে এই সময়ে বাড়তি নজর দিতে হবে। স্কুল, কলেজ, পার্ক এই সব জায়গায় যাতে জল জমে না থাকে, আগাছা না জন্মায় সেটা দেখা জরুরি। বাড়িতে গিয়ে পরিদর্শন আরও বাড়াতে হবে। মশার আঁতুরঘর ভাঙতে পারলেই রাজ্যবাসীর ভোগান্তি কমবে। তবে সাধারণ মানুষকেও‌ সচেতন হতে হবে। প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তারা।

    পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করবেন? (Dengue Fever)

    স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্যের সমস্ত বিভাগের মধ্যে সমন্বয় না বাড়ালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। পুরসভা, পঞ্চায়েত, পুর্ত দফতর সবাইকেই একযোগে কাজ করতে হবে। এক স্বাস্থ্য কর্তার কথায়, “ডেঙ্গি কিংবা ম্যালেরিয়া কীভাবে নিয়ন্ত্রত করতে হয়, এটা এখন সকলেই জানেন। শুধু সক্রিয়তা বাড়াতে হবে। পুরসভা আর পঞ্চায়েতকে আরও সক্রিয় হতে হবে। আর স্বাস্থ্য দফতরেও ঠিকমতো রিপোর্ট পাঠাতে হবে। নিজেদের মতো যা খুশি করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ মুশকিল (Rainy Season)।”

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: লক্ষাধিক ডেঙ্গি আক্রান্ত পশ্চিমবঙ্গে, নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙছে রাজ্য! 

    Dengue: লক্ষাধিক ডেঙ্গি আক্রান্ত পশ্চিমবঙ্গে, নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙছে রাজ্য! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙছে! গত কয়েক বছর ধরেই ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের নিরিখে দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে থাকে পশ্চিমবঙ্গ। কিন্ত এবছর পশ্চিমবঙ্গ নিজের সমস্ত রেকর্ড ভেঙেছে। ডেঙ্গি আক্রান্তের নিরিখে দেশের প্রথম স্থানে পশ্চিমবঙ্গ। তবে, আক্রান্তের সংখ্যা সর্বকালের সবচেয়ে বেশি। যা দেশে রাজ্যবাসীর স্বাস্থ্যের হাল নিয়ে দুশ্চিন্তায় বিশেষজ্ঞ মহল। 

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য? (Dengue) 

    স্বাস্থ্য ‌দফতরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ‌ ছাড়িয়ে গিয়েছে। শুধুমাত্র দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতেই ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৭৩ হাজারের বেশি।‌ স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর চব্বিশ পরগনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ হাজারের কাছাকাছি। এরপরেই আক্রান্তের নিরিখে রয়েছে কলকাতা। প্রায় ১২ হাজার মানুষ চলতি বছরে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়। এরপরে রয়েছে মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং হুগলি এবং হাওড়া জেলা। 
    ন্যাশনাল ভেক্টর বোর্ন ডিজিজের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের আশপাশে আর কোনও রাজ্য নেই।‌ ডেঙ্গি আক্রান্তের নিরিখে আর কোনও রাজ্যই পশ্চিমবঙ্গের কাছে নেই।‌ কেরল, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটকের মতো রাজ্য দ্বিতীয়, তৃতীয় স্থানে থাকলেও তাদের চলতি বছরে আক্রান্তের (Dengue) সংখ্যা দশ হাজারও‌ ছাড়ায়নি। 

    কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল? (Dengue) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া হিসাবের বাইরে সংখ্যা‌ আরও বেশি। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহেই রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে গিয়েছিল।‌ ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেও শহরের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গি রোগীদের লম্বা ‌লাইন। কলকাতার একাধিক‌ বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, অক্টোবরের শেষে সাধারণত ডেঙ্গি রোগীর সংখ্যা কমে। কিন্ত এ বছরের ছবি অন্যরকম। এই বছর এখনও লাগাতার ডেঙ্গি আক্রান্ত হাসপাতালে‌ ভর্তি হচ্ছেন।‌ এ বছরের শীতেও ডেঙ্গি নিয়ে ভোগান্তি চলবে‌ বলেই আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, সরকারের ডেঙ্গি প্রতিরোধ কর্মসূচি যে মুখ থুবড়ে পড়েছে, তা স্পষ্ট। একেবারেই এ নিয়ে সক্রিয়তা নেই।‌ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রথম থেকেই ডেঙ্গি নিয়ে ধামাচাপা চলে। এখনও রাজ্য সরকারের তরফে স্বাস্থ্য মন্ত্রকে নিয়মিত তথ্য পাঠানো‌ হচ্ছে না।‌ আর এই ধামাচাপা দেওয়ার প্রবণতা রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতি সঙ্কটজনক‌ করে‌ তুলছে। চলতি বছরের শেষে পরিস্থিতি (Dengue) আরও ভয়ানক হতে পারে বলেই আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞ মহল। 

    কী বলছেন স্বাস্থ্যকর্তারা? (Dengue) 

    স্বাস্থ্যকর্তারা অবশ্য জানাচ্ছেন, রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ডেঙ্গি পরীক্ষা বেশি হচ্ছে। সে কারণেই এ বছরের আক্রান্ত সংখ্যা বেশি।‌ রাজ্যের এক স্বাস্থ্যকর্তা জানান, সরকারের তরফে সব রকম কাজ করা হচ্ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষকেও ডেঙ্গি (Dengue) নিয়ে সচেতন হতে হবে। নিজের বাড়ি ও এলাকা পরিষ্কারে সক্রিয় এবং ইতিবাচক ভূমিকা নিতে হবে। কিন্তু কোনও কোনও জায়গায় সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাব রয়েছে। তাই কাজ কঠিন হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলেই জানাচ্ছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য ভবনের কর্তারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share