Tag: Viral News

Viral News

  • Female Vampire: এ কি অদ্ভুত কাণ্ড! পোল্যান্ডের গ্রাম থেকে উদ্ধার মহিলা ‘ভ্যাম্পায়ার’-এর কঙ্কাল!

    Female Vampire: এ কি অদ্ভুত কাণ্ড! পোল্যান্ডের গ্রাম থেকে উদ্ধার মহিলা ‘ভ্যাম্পায়ার’-এর কঙ্কাল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রক্ত চোষা ভ্যাম্পায়ার (Vampire) সম্পর্কে আপনারা নিশ্চয়ই অনেক গল্প শুনেছেন, পড়েছেন বা সিনেমায় দেখেছেন। অনেকে আবার বিশ্বাস করেন যে, ভ্যাম্পায়ার বলে আদতে কিছুই নেই। কিন্ত এই ধারণাকে ভুল প্রমাণিত করল কিছু গবেষক। কারণ এবারে একটি মহিলা ভ্যাম্পায়ারের কঙ্কাল পাওয়া গেল পোল্যান্ডের একটি গ্রামে। নিকোলাস কোপার্নিকাস ইউনিভার্সিটির একটি স্টাডি টিম এই কঙ্কাল খুঁজে পায়।

    জানা গিয়েছে, পোল্যান্ডের দক্ষিণ-পূর্বে পিয়েন নামে একটি গ্রামে ১৭ শতকের কবরস্থানে গবেষণার সূত্রে খোঁড়াখুড়ির কাজ চালাচ্ছিল একটি টিম। তখনই তাঁরা এই রহস্যময় কঙ্কাল উদ্ধার করে ও এই দৃশ্য দেখে তাদের চোখ কপালে ওঠে। এই কঙ্কাল দেখেই তারা বুঝতে পেরেছিল যে, এটি কোন সাধারণ মানুষের কঙ্কাল নয়। কারণ দেখা গেছে, কঙ্কালটির ঠিক গলার উপর গাঁথা ছিল একটি কাস্তে। পায়ে পড়ানো ছিল হাতকড়া। এছাড়াও তার মাথায় একটি সিল্কের টুপির অবশিষ্টাংশ লক্ষ্য করা হয়েছে। যা দেখে অনুমান করা হয়েছে, পোলান্ডের কোনও উচ্চ বংশের ওই মহিলা। তবে এই মহিলাটির দাঁতগুলো বেশ বড় ছিল ও অক্ষত অবস্থায় ছিল। অনেকে এই দাঁতগুলোর সঙ্গে ভ্যাম্পায়ারের দাঁতের মিল খুঁজে পেয়েছে।

    আরও পড়ুন: মৎস্যজীবীর জালে বিরল নীল গলদা চিংড়ি, মুহূর্তে ভাইরাল ছবি

    তবে তাকে এইভাবে মাটিতে পুঁতে ফেলার পেছনে কী কারণ ও রহস্য রয়েছে, তা জানতে অনেকে অনুমান করেছেন, এই মৃত মহিলা যাতে আবারও বেঁচে না ওঠেন তার জন্যই এতসব প্রস্তুতি। এছাড়াও ওই মৃত মহিলা মাটি ছেড়ে উঠে আসতে চাইলেই ধারালো অস্ত্রে তার গলা কাটা পড়ে যাবে, এমনটা ভেবেই এইভাবে কবর দেওয়া হয়েছিল।

    দ্য ফার্স্ট নিউজ অনুসারে, ১৭ শতকের জনসাধারণ এই মহিলাটিকে একটি বিশিষ্ট ধরণের দাঁতের কারণে মহিলাটিকে রক্ত ​​খাওয়া ভ্যাম্পায়ার ভেবে ভুল করে থাকতে পারে। এবং এই অবশিষ্টাংশগুলি ১৭ শতকের কবরস্থানে একটি সমাধির নীচে পাওয়া গিয়েছিল, কিন্তু এই জায়গাটিকে গবেষণা দলটি ভ্যাম্পায়ার বিরোধী সমাধি হিসাবে চিহ্নিত করেছে।

    এই খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেনদের চক্ষু ছানাবড়া। তাদের এক একজনের এক এক রকমের মতামত। তবে তাঁরা সবাই বিস্ময়ে রয়েছেন। অন্যদিকে এই অদ্ভুত আবিষ্কার রীতিমতো আলোড়ন ফেলে দিয়েছে গবেষকমহলেও।

  • Viral Video: জাগুয়ার ও কুমিরের ভয়ঙ্কর লড়াই! জিতল কে?

    Viral Video: জাগুয়ার ও কুমিরের ভয়ঙ্কর লড়াই! জিতল কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ! ডাঙায় হিংস্র প্রাণীদের মধ্যে, সিংহ, বাঘ, চিতাকে ভয়ঙ্কর শিকারী হিসাবে বিবেচনা করা হয়, যারা মুহূর্তের মধ্যে অন্যান্য প্রাণীকে তাদের শিকারে পরিণত করে। আবার, জলে বসবাসকারী প্রাণীদের মধ্যে কুমিরকে হিংস্র শিকারী হিসাবে ধরা হয়। কুমির, জল এবং তার বাইরে উভয় জায়গাতেই শিকার করতে পারে। কিন্তু, বাঘ আর কুমিরের মধ্যে লড়াই হলে? সম্প্রতি একটি জাগুয়ার ও কুমিরের ভিডিও ক্রমশ ভাইরাল হচ্ছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, জঙ্গলের দুই হিংস্র শিকারী কীভাবে সংঘর্ষ করে চলেছে। তবে জিতল কে ? 

    ভিডিও-তে দেখা গিয়েছে, গভীর অরণ্যের মাঝে শান্ত এক নদী, রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়া। আর নদীতেই রয়েছে একটি কুমির। অন্যদিকে এক জাগুয়ার তার শিকার করার জন্য সময়ের অপেক্ষা করছিল এবং সময় বুঝেই হঠাৎ নদীর ভিতরে কুমিরটিকে আক্রমণ করে ফেলে। তারপরই দেখা গেল মরা-বাঁচার লড়াই। 

    কথায় আছে না, ‘জোড় যার, মুলুক তার’। একথারই বাস্তব উদাহরণ হল এই ঘটনাটি। আসলে গায়ে জোড় থাকলে যে খাদকও শিকার হয়ে যেতে পারে, সেই ঘটনারই সাক্ষী হল গোটা বিশ্ব। ঝোপঝােড়ে লুকিয়ে থাকা জাগুয়ারটি ধীরে ধীরে কুমিরটিকে লক্ষ করে এগিয়ে যাচ্ছে। এরপর হঠাৎ একটা বিশাল লাফ দিয়ে কুমিরের ঘাড়ে দিল এক কামড়। নিজেকে বাঁচানোর খুব একটা সুযোগই পেল না কুমিরটি। এই ভিডিওর শেষে আপনি দেখতে পাবেন এই রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে কে জিতেছে। এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় আতঙ্ক তৈরি করছে এবং এই ভিডিওটি দেখে মানুষ বেশ অবাক হয়েছে। এর পাশাপাশি মানুষ নানা ধরনের প্রতিক্রিয়াও দিয়েছেন।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ৪২ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দুটি হিংস্র বন্য প্রাণীকে বেঁচে থাকার জন্য ভয়ানক যুদ্ধ করতে দেখা যায়। সোমবার ফিগেন নামে একজন সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিওটি শেয়ার করেছেন। তবে ভিডিওটি মূলত দুই বছর আগে ভাসি হায়াতলার নামে অন্য একজন ইউজার টুইটারে পোস্ট করেছিলেন, তবে এখন এটি ভাইরাল হচ্ছে। ভিডিওটি শেয়ার করার পর থেকে ২.৬ মিলিয়ন ভিউ এবং ২৭০০০- এর বেশি লাইক পেয়েছে। প্রায় ৪৮০০ ব্যবহারকারী টুইটারে ভিডিওটি শেয়ার করেছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • IT Raid Maharashtra: ‘বরযাত্রী’ সেজে হানা আয়কর দফতরের, উদ্ধার ৫৮ কোটি নগদ, ৩২ কেজি সোনা!

    IT Raid Maharashtra: ‘বরযাত্রী’ সেজে হানা আয়কর দফতরের, উদ্ধার ৫৮ কোটি নগদ, ৩২ কেজি সোনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন একেবারে সিনেমা। বরযাত্রীর গাড়ি এসে নিয়ে গেল কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি! হ্যাঁ এমনটাই ঘটেছে। ঠিক যেমন সিনেমায় দেখা যায়। পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) পর এবার মহারাষ্ট্র (Maharashtra)। মহারাষ্ট্রের জালনা থেকে উদ্ধার হল কোটি কোটি টাকা।

    দেশের কালো টাকা উদ্ধারে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) পর এবার বড় জয় পেল আয়কর দফতর (Income Tax Department)। গত ৩ অগাস্ট মহারাষ্ট্রের জালনা শহরে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালায় আয়কর দফতর। সেখানে থেকেই উদ্ধার হয় ৫৮ কোটি নগদ টাকা।

    তবে শুধু টাকাই নয়, তার সঙ্গে বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১৪ কোটি মূল্যের ৩২ কেজি সোনা সহ ৩৯০ কোটি টাকার বেআইনি সম্পদ। আয়কর দফতরকে প্রায়ই এমন অভিযান চালিয়ে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করতে দেখা যায়, তবে এবারের ঘটনাটি একেবারেই আলাদা। কারণ এবারে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা বরযাত্রী সেজে এই অভিযান চালায়।

    আরও পড়ুন: অতুলনীয় ভালোবাসা! চোখের জলে ‘রাজকীয়’ বিদায় প্রিয় পোষ্য কুকুর অঞ্জলির, ভিডিও ভাইরাল

    আইটি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, তাঁরা প্রায় এক সপ্তাহ জুড়ে মুম্বই এবং মারাঠাওয়াড়া অঞ্চলের তিনটি শহরে ৩০ টিরও বেশি স্থানে অভিযান চালায়। কারণ তার বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে, তার উপর ভিত্তি করেই ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালায় ২৫০ জন আয়কর দফরের আধিকারিক। আর এই অভিযান চলাকলীন তাঁরা অনেক বেআইনি নথিও বাজেয়াপ্ত করেছে।

    কর্মকর্তারা আরও জানান, ওই ব্যবসায়ীর রয়েছে ইস্পাতের ব্যবসা। তাঁর বাড়ি এবং সংস্থায় অভিযান চালিয়ে আয়কর দফতর নগদ টাকা, সোনা এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছে। অন্য এক কর্মকর্তা জানান, তাঁরা বেশ কিছুদিন ধরেই একটি গাড়িকে ফুল দিয়ে সাজিয়ে, ‘দুলহন হাম লে জায়েঙ্গে’ স্টিকার সেঁটে নিয়ে বিয়ের গাড়িতে বরযাত্রীর ছদ্মবেশে অভিযান চালাচ্ছেন। গাড়ির উপরে আবার লেখা ছিল, ‘Rahul Weds Anjali’। এমনকি এতে স্থানীয় পুলিশদেরও কোনও খবর দেওয়া হয়নি। যাতে কেউ বিষয়টি জানতে না পারে।

    সূত্রের খবর, বেশিরভাগ টাকা জালনার ফার্ম হাইজ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই টাকা গুনতে আয়কর কর্মকর্তাদের প্রায় ১২ ঘণ্টা লেগেছে। সেখান থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের কাঁচামাল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আয়কর বিভাগ সূত্রে খবর, এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে কলকাতা ভিত্তিক সংস্থারও যোগ রয়েছে। আবার তল্লাশি চালানোর সময় বিভিন্ন লকারেরও সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, সেই লকার থেকেও বিপুল পরিমাণ সোনা, অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

  • Viral News: ১৩টি বিয়ে করলেন অন্ধ্রপ্রদেশের যুবক! এরপর যা হল…

    Viral News: ১৩টি বিয়ে করলেন অন্ধ্রপ্রদেশের যুবক! এরপর যা হল…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একজন মানুষ তাঁর জীবদ্দশায় কতবার বিয়ে করেন? সাধারণত, একবারই। কোনও কোনও মানুষ ২ বাও বিয়ে করে থাকেন। তবে এবারে এক ব্যক্তি দু-তিনটে নয়, একেবারে ১৩ জন মহিলাকে বিয়ে করে ফেললেন। এমনই এক বিরল ঘটনা দেখা গেল ভারতে। ঘটনাটি ঘটেছে হায়দ্রাবাদের সাইবারবাদ (Cyberabad) এলাকায়। ব্যক্তির নাম অদপ শিবশঙ্কর বাবু (Adapa Shivshankar Babu)। তিনি বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে।

    অন্ধ্রপ্রদেশের গুন্টুর জেলার বাসিন্দা তিনি। তার বয়স ৩৫ বছর। অভিযুক্ত সাধারণত ডিভোর্সি মহিলা বা যাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে এমন মহিলাদের টার্গেট করতেন। তিনি বিবাহের সাইটগুলোতে তাঁদের খুঁজতেন। বিবাহবিচ্ছেদ মহিলা যাঁরা বিবাহের সাইটে বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজতেন তেমন নারীদের তাঁর জালে ফাঁসিয়ে তাঁদের বিয়ে করতেন। এরপর ভুয়ো কাগজ তৈরি করে তাঁদের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ করতেন।

    আরও পড়ুন: অ্যানাকোন্ডা বনাম অ্যালিগেটরের লড়াই! ভাইরাল ভিডিও, কে জিতল?

    যাঁদের সঙ্গে ওই ব্যক্তি প্রতারণা করেছেন তাঁদের মধ্যে এক মহিলা রামচন্দ্রপুরম থানায় (Ramachandrapuram police station) তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শিবশঙ্কর ওই মহিলার থেকে ২৫ লক্ষ টাকা ও ৭ লক্ষ টাকার গহনা নিয়ে নেন। সেগুলো অনেক চাওয়ার পরেও কিছুতেই তিনি ফেরত না দিলে মহিলা অভিযোগ দায়ের করেন। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ ধারার অধীনে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    সেই মহিলা জানান, ২০২১ সালে এক ম্যাট্রিমনিয়াল সাইট থেকে তাঁর পরিচয় হয় শিবশঙ্করের সঙ্গে। অভিযুক্ত তাঁকে বলেন, তাঁর বাবা-মা অনেকদিন আগেই মারা গেছেন। তিনি নামী এক কোম্পানিতে চাকরি করেন ও মাসে ২ লক্ষ টাকা বেতন পান। তিনি পেশায় একজন সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। যদিও তিনি তাঁকে জানিয়েছিলেন তার আগের স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে। এরপর মহিলাটির পরিবার অভিযুক্তের কথায় বিশ্বাস করে তাঁর সঙ্গে বিয়ে দেন। তারপর অভিযুক্ত তাঁকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার নাম করে মহিলার পরিবার থাকে ২৫ লক্ষ টাকা নেন। কিন্তু অনেকদিন হয়ে গেলেও তিনি তাঁর স্ত্রীকে বিদেশে নিয়ে যাননি। তখন সন্দেহ হলে তাঁর কাছ থেকে মহিলার পরিবার টাকা চাইতে শুরু করে। এরপরেও টাকা ফেরত না দিলে পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা।

    এরপর তাঁকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ স্টেশনে ডাকলে অন্য এক মহিলা এসে তাঁর জামিন করান। আর জানতে পারেন তিনি অন্য জায়গায় আবার বিয়ে করেছেন। এরপরেই আরও এক মহিলা শিবশঙ্করের খোঁজ করলে আসল ঘটনা জানতে পারলে পুলিশকে জানান ও পুলিশ শিবশঙ্করকে গ্রেফতার করে। যদিও সে এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। এভাবেই তিনি ১৩ জন মহিলাকে ঠকিয়ে তাঁদের থেকে টাকা আত্মসাৎ করেছে। এখানেই শেষ না, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী হায়দ্রাবাদের এক মহিলার থেকেও ৩৫ লক্ষ টাকা নেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। 

  • IAS Officer: মাধ্যমিকে টেনেটুনে পাশ, সেই ছেলেই এখন আইএএস অফিসার!

    IAS Officer: মাধ্যমিকে টেনেটুনে পাশ, সেই ছেলেই এখন আইএএস অফিসার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমরা সাধারণত ছাত্রছাত্রীদের মার্কশিট দেখেই তারা জীবনে সাফল্য অর্জন করতে পারবে কিনা তা নিয়ে মতামত দিয়ে থাকি। কিন্তু মার্কশিট যে জীবনে উত্তরণের ক্ষেত্রে সবকিছু নয়,  সেটি অনেকে মনে করতেই চায়না। তাই জীবনের সাফল্যের পথে রেজাল্টের ভুমিকা যে ঠিক কতখানি তা নিয়ে তর্ক বিতর্ক চলতেই থাকে। কিন্তু আবার অনেকেই মনে করেন কোন ছাত্রের মার্কশিট তার জীবনের ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা নির্ধারণ করতে পারে না। আর এমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকল গোটা ভারতবর্ষের মানুষ।

    নম্বর বেশি না পেয়েও যে জীবনে সাফল্য অর্জন করা যায় সেই অনুপ্রেরণাই দিয়েছেন ভারতের এই তরুণ আইএএস অফিসার। এই তরুণ আইএএস অফিসারের নাম অবনিশ শরণ (Awanish Sharan)। তিনি সম্প্রতি তার ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে তাঁর দশম শ্রেণীর মার্কশিট শেয়ার করেছেন। আর শেয়ার করতেই ব্যাপকভাবে ভাইরাল হতে শুরু হয়েছে। এই রেজাল্ট শেয়ার করার মাধ্যমে দেশের তরুণ প্রজন্মকে এক অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    তিনি ২০০৯ ব্যাচের IAS। ছত্তিশগড় ক্যাডারের অফিসার তিনি। ১৯৯৬ সালে তিনি দশম শ্রেণিতে পাশ করেছিলেন। বিহার স্কুল এক্সামিনেশন বোর্ডের (Bihar School Examination Board) পরীক্ষার সেই রেজাল্ট শেয়ার করেছেন তিনি। টেনেটুনে পাশ করেছেন তিনি। সেখানে দেখা যাচ্ছে ৭০০র মধ্যে ৩১৪ পেয়েছেন তিনি। অর্থাৎ তিনি সেই সময় ৪৪.৮৫ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন। তিনি দশম শ্রেণিতে অঙ্কে পেয়েছিলেন ১০০তে ৩১, ইতিহাসে পঞ্চাশে ২৪, ভূগোলে ৫০এর মধ্যে পেয়েছিলেন ১৯, ইংরাজিতে ৩৫, এবং বিজ্ঞানে ৩৮। কিন্তু সেই ছাত্রই এখন আইএএস।  এই রেজাল্ট ট্যুইটারে শেয়ার করার পরেই কিছুসময়ের মধ্যেই ৩১ হাজারের বেশি লাইক এসেছে।

    নেটিজেনদের কেউ বলেছেন, “স্যার আপনি বিশ্বাস করবেন না যে আপনি আমাকে কতটা অনুপ্রাণিত করেছেন, কাকতালীয়ভাবে, আমিও আমার দশম শ্রেণীর পরীক্ষায় ৩১৪ পেয়ে এবং ৩য় বিভাগে পাশ করি কিন্তু আমি এই ভেবে পড়াশুনা ছেড়ে দিয়েছিলাম যে আমি হয়ত জীবনে সেভাবে কিছুই করতে পারব না, আজ আপনি আমার ধারণা বদলে দিলেন”। অন্য একজন লিখেছেন, “এটি সেই সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি দুর্দান্ত অনুপ্রেরণা যারা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে”।

    এর আগেও একজন অন্য আইএএস অফিসার তুষার সুমেরার (Tushar Sumera) মার্কশিট শেয়ার করে অবনিশ শরণ লিখেছিলেন, ইংরাজিতে ৩৫, অঙ্কে ৩৬ ও বিজ্ঞানে ৩৮ পেয়েছিলেন তিনি। সবাই বলতেন তিনি জীবনে কিছুই করতে পারবেন না, কিন্তু তিনিই আজ আইএএস অফিসার।

  • Student Toilet Child Birth: পেটে ব্যথা নিয়ে শৌচালয় গেলেন ছাত্রী, বেরোলেন সদ্যোজাত কোলে নিয়ে!

    Student Toilet Child Birth: পেটে ব্যথা নিয়ে শৌচালয় গেলেন ছাত্রী, বেরোলেন সদ্যোজাত কোলে নিয়ে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ এক অদ্ভুত ঘটনা। হঠাৎ পেটে ব্যথা হওয়ায় শৌচালয়ে (Toilet) গিয়ে সন্তানের জন্ম (Give Birth) দিলেন যুক্তরাজ্যের (United Kingdom) এক তরুণী। সন্তান জন্মের পরের দিনই ২০ বছরে পদার্পণ করলেন এই তরুণী মা। 

    পরদিনই রাতে বেড়াতে যাওয়ার কথা। আগের রাতে পেটে ব্যথার কারণে শৌচালয়ে যান সাউথঅ্যামটন বিশ্ববিদ্যালয়ে  ইতিহাস ও রাজনীতির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী জেস ডেভিস ( Jess Davis)। আর সবাইকে হতবাক করে জন্ম দেন সন্তানের। এমনকি সন্তান যে ধীরে ধীরে তাঁর গর্ভে বেড়ে উঠেছে এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র ধারণা ছিল না ডেভিসেরও। ঘটনায় হতবাক এলাকাবাসীরাও। জেস ডেভিস নামের ওই ছাত্রী ব্রিস্টলের বাসিন্দা। তাঁর দাবি, তিনি যে অন্তঃসত্ত্বা তা বুঝতেই পারেননি। কয়েকদিন ধরে পেটে যে ব্যথা অনুভব করছিলেন, তিনি ভেবেছিলেন ঋতুস্রাবের কারণেই হয়তো ব্যথা। 

    সন্তানসম্ভবনা হওয়ার কোনও উপসর্গও দেখা যায়নি ডেভিসের শরীরে। এমনকি ‘বেবি বাম্প’ – এর চিহ্ন মাত্র ছিল না। তাঁর ঋতুস্রাবও অনিমিয়ত হওয়ায় ঋতুস্রাব যে বন্ধ হয়েছে তাও জানাননি কাউকে। ১১ জুন মাত্র ২০ বছর বয়সেই পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন তিনি।  

    আরও পড়ুন: কলম্বোর রাস্তা কার্যত গাড়ি শূন্য! জ্বালানি সংকটে শ্রীলঙ্কা 

    বাচ্চাটি জন্মানোর পরেই ডেভিস এবং শিশুকে প্রিন্সেস অ্যান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শিশুটিকে একটি ইনকিউবেটরে রাখেন ডাক্তাররা। তাঁদের দাবি ৩৫ সপ্তাহেই জন্ম নিয়েছে ডেভিসের শিশু। মা ও শিশু এখন ভালো আছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    আরও পড়ুন: পুতিনের হাতে মাত্র দুবছর! দাবি ইউক্রেনের গোয়েন্দা প্রধানের   

    শিশুর ওজন ৩ কেজি। শৌচালয়ে গিয়ে এভাবে সন্তানের জন্ম দিয়ে নিজেও হতবাক ডেভিস। প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি যে, তাঁর পেট থেকে সন্তানের জন্ম হচ্ছে। কাঁদতে দেখার পর ভ্রম ভাঙে তাঁর। ওই দিন আচমকাই সকাল থেকে প্রবল পেটে ব্যথা শুরু হয়েছিল তাঁর। শুতে পারছিলেন না তিনি, ফলে বার বার শৌচালয়ে যাচ্ছিলেন। 

    পরদিন ছিল ডেভিসের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে বাড়িতেই সারা রাত পার্টির আয়োজন হয়েছিল। সেই রাতেই সন্তানের জন্ম দেন তিনি। ওই পরিস্থিতির পর প্রিয় বন্ধু লিভ কিংকে ফোন করেন ডেভিস। তিনি এসে অ্যাম্বুল্যান্সে হাসপাতালে নিয়ে যান মা এবং সদ্যজাতকে। সন্তানকে আপাতত প্রিন্সেস অ্যান হাসপাতালের ইনকিউবেটরে রাখা হয়েছে। মা ও সন্তান দুজনেই সুস্থ রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।     

     

  • Pilot Monica Khanna: ১৮৫ বিমানযাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়ে এখন ‘হিরো’, কে এই ক্যাপ্টেন মণিকা?

    Pilot Monica Khanna: ১৮৫ বিমানযাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়ে এখন ‘হিরো’, কে এই ক্যাপ্টেন মণিকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শতাধিক যাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়ে বাস্তবের ‘হিরো’ হয়ে উঠলেন স্পাইসজেটের (SpiceJet) মহিলা ক্যাপ্টেন মণিকা খান্না (Monica Khanna)। রবিবার স্পাইসজেটের একটি বিমানে আচমকাই আগুন লেগে যায়। এই বিমানে ১৮৫ জন যাত্রী ছিলেন। সেইসময় মণিকা মাথা ঠান্ডা রেখে তৎক্ষণাৎ বিমানটিকে নিরাপদে অবতরণ করান। এই পরিস্থিতিতেও অসীম ধৈর্য ও সাহসিকতার পরিচয় দেন তিনি। অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখান তিনি।

    আরও পড়ুন: অনন্য নজির! ভারতীয় সেনার প্রথম মহিলা কমব্যাট অ্যাভিয়েটর অভিলাশা বারাক

    রবিবার স্পাইসজেটের বিমানটি পাটনা থেকে দিল্লি যাচ্ছিল। টেক-অফের পরেই বিমানের বাঁদিকের ইঞ্জিনে আগুন লেগে যায়। খবরসূত্রে জানা যায়, একটি পাখি সরাসরি বিমানের ইঞ্জিনে ধাক্কা মারার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাখার তিনটি ব্লেড। সেখান থেকেই বেরতে থাকে ধোঁয়া ও আগুন।

    বিষয়টি দেখতে পেয়েই কেবিন ক্রুর-র এক সদস্য পাইলট (Pilot) মণিকা খান্নাকে জানান। তখন তিনি যাত্রীদের শান্ত থাকার পরামর্শ দেন। এর পাশাপাশি প্রথম অফিসার বলপ্রীত সিং ভাটিয়ার (Balpreet Singh Bhatia) সঙ্গে কথা বলে ক্ষতিগ্রস্ত ইঞ্জিনটি বন্ধ করে তৎক্ষণাৎ বিমান নীচে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেন। 

    এখানেই বিষয়টি শেষ হয়নি। বুদ্ধি প্রয়োগ করে পাটনা অসামরিক বিমানবন্দরে না ফিরে বিমানটিকে নিকটবর্তী পাটনার বিহতা বায়ুসেনা ঘাঁটিতে (Bihta Airforce Station) অবতরণ করান মণিকা। তুলনামূলক ছোট রানওয়ে ও গাছ এড়িয়ে অত্যন্ত সন্তর্পণে অবতরণ করাতে হয় বিমানটিকে। অত্যন্ত সাহসিকতা ও ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়ে ১৮৫ বিমানযাত্রীর প্রাণ নিশ্চিত করেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: ফের বিপত্তি স্পাইসজেটের বিমানে, যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে চেন্নাই-অন্ডাল উড়ান

    এই অসাধ্য সাধন করে কুর্নিশ আদায় করে নিয়েছেন স্পাইসজেট বিমানের ক্যাপ্টেন মনিকা। এই কঠিন পরিস্থিতিতে তাঁর তৎপরতা দেখে প্রশংসা করেছেন পুরো নেটদুনিয়া। স্পাইসজেট সংস্থার চিফ অব ফ্লাইট অপারেশন গুরুচরণ অরোরা জানান, দু’জনেই এই পরিস্থিতিতে  শান্ত থেকে খুব ভালোভাবে বিমানটিকে নিরাপদে নামিয়ে এনেছেন। এর জন্য তাঁরা খুব গর্বিত। ইতিমধ্যেই আগুন লাগার ভিডিও নেটমাধ্যমে শেয়ার করা হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

  • Viral News: ইনি ৬ লাখের গাড়ি কিনলেন ১০ টাকার কয়েনে! কারণ জানলে চমকে উঠবেন

    Viral News: ইনি ৬ লাখের গাড়ি কিনলেন ১০ টাকার কয়েনে! কারণ জানলে চমকে উঠবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ টাকার কয়েন জমা করেই কিনে ফেললেন ৬ লাখ টাকার গাড়ি। ঘটনাটি তামিলনাড়ুর (Tamilnadu)। তামিলনাড়ুর আরুর(Arur) নামক জায়গার এক ব্যক্তি ভেট্রিভেল(Vetrivel) প্রায় অনেকদিন ধরেই ১০ টাকার কয়েন জমা করে গাড়িটি কিনেছেন। তবে তাঁকে বাধ্য হয়েই ১০ টাকার কয়েন জমা করতে হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই ব্যক্তির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে শুরু হয়েছে।

    সম্প্রতি ১০ টাকার খুচরো কয়েন নিয়ে অনেক দিন ধরেই সমস্যা দেখা দিয়েছে। বাজারে ১০ টাকার ছোটো-বড় কয়েন কোনোটিই কেউ নিতে চায় না। যদিও কেন্দ্রের তরফে সব ধরনের ১০ টাকার কয়েন লেনদেন, বৈধ বলেই ঘোষণা করা হয়েছে। তারপরও দেশের বেশ কিছু ক্রেতা বিক্রেতারা ১০ টাকার কয়েন নিতে অস্বীকার করে।

    আরও পড়ুন: অদ্ভুত কাণ্ড! ৫ লাখ টাকার গয়না চুরি করল ইঁদুর!

    তামিলনাড়ুর এই ব্যক্তি এক-গাড়ি খুচরো ১০ টাকার কয়েন নিয়ে পৌঁছে যায় একটি অটোমোবাইলের দোকানে। শুধু তাই নয়,  ১০ টাকার খুচরো কয়েন দিয়ে মোট ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে নতুন গাড়িও কিনে ফেললেন। ভেট্রিভেল জানিয়েছেন, তাঁর মায়ের একটি ছোট মুদিখানার দোকান রয়েছে। ওই দোকান থেকেই তাঁদের এত বিপুল পরিমাণ ১০ টাকার কয়েন জমা হয়েছে। দোকানে আসা ক্রেতাদের ১০ টাকার কয়েন দেওয়া হলে তা তাঁরা নিতে চাইতেন না। আর এই নিয়েই সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে। তিনি আরও জানান যে, তাঁর আশেপাশের অনেক শিশুকেও ১০ ​​টাকার কয়েন নিয়ে খেলতে দেখেছেন কারণ এগুলো কোনো কাজে লাগে না। তারপর তিনি এই ১০ টাকার কয়েন দিয়ে গাড়ি কিনেই সবার তাক লাগিয়ে দিলেন ও এখনও যে ১০ টাকার কয়েনের মূল্য রয়েছে তা বুঝিয়ে দিলন। ভেট্রিভেল প্রায় ১ মাস ধরে এই ১০ টাকার কয়েন জমা করেন। যদিও শোরুমের মালিক প্রথমে অস্বীকার করে ১০ টাকার কয়েন নিতে কিন্তু পরে তিনি রাজি হয়ে যান।

    আরও পড়ুন:জানেন কি ইউটিউবের প্রথম ভিডিও কোনটি? কী বা আছে তাতে?

    তিনি আরও জানিয়েছেন যে, তিনি কয়েন নিয়ে ব্যাঙ্কে গেলেও ব্যাঙ্ক অস্বীকার করে এই বলে যে, তাদের কয়েন গোনার জন্য কর্মী নেই। ১০ টাকার কয়েন যে গ্রহণযোগ্য নয় এমন কথা RBI-এর তরফে কখনো ঘোষণা করা হয়নি। তবে কেন ব্যাঙ্ক কয়েনগুলো নিচ্ছে না বলে প্রশ্ন করেছেন তিনি।

    কিন্তু অবশেষে গাড়ির দোকানের মালিক ভেট্রিভেলের দৃঢ় সংকল্প দেখেই এই কয়েনগুলো এর বদলে ৬ লাখ টাকার গাড়ি দিতে রাজি হন।

  • Viral News: অদ্ভুত কাণ্ড! ৫ লাখ টাকার গয়না চুরি করল ইঁদুর!

    Viral News: অদ্ভুত কাণ্ড! ৫ লাখ টাকার গয়না চুরি করল ইঁদুর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ লাখ টাকার সোনা ‘চুরি’ করল ইঁদুরের দল! এমনটাও সম্ভব! হ্যাঁ এমনটাই ঘটেছে গোরেগাঁওয়ের (Goregaon) গোকুলধাম কলোনির (Gokuldham Colony) কাছে।

    পুলিশ সূত্রে খবর, ব্যাগে করে গয়না নিয়ে ব্যাংকে জমা করতে যাচ্ছিলেন ৪৫ বছর বয়সি সুন্দরী প্লানিবেল (Sundari Planibel)। তিনি একটি বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করেন। তাঁর হাতে ছিল গয়নার ব্যাগ এবং সেই ব্যাগেই তিনি বড়া পাও (Vada Pav)-এর প্যাকেটটি রেখে দেন। ব্যাংকে যাওয়ার পথে দু’‌জন শিশুকে দেখে বড়া পাও সমেত গয়নার ব্যাগটি দিয়ে দেন তিনি। তারপর তিনি ব্যাংকে পৌঁছনোর পর বুঝতে পারেন যে গয়না সমেত ব্যাগটি তিনি তাদের দিয়ে দিয়েছেন। এরপর তিনি দিশেহারা হয়ে সেই শিশুদের খুঁজতে শুরু করেন ও পরে তাদের খুঁজতে ব্যর্থ হলে দিনদোশী থানায় গিয়ে পুলিশের (Dindoshi police) দ্বারস্থ হন।

    আরও পড়ুন: খরার ফলে জেগে উঠল ৩৪০০ বছরের পুরনো শহর

    দিনদোশী থানার সাব ইন্সপেক্টর চন্দ্রকান্ত ঘর্জ (Chandrakant Gharge) জানান, তারা ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে শিশুদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন। এরপরেই পুরো ঘটনাটি স্পষ্ট হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ওই শিশুদের মা ব্যাগটি জঞ্জালের বাক্সে ফেলে দেন। তারা বড়া পাও না খেয়েই সেটি ফেলে দিয়ে সেখান থেকে চলে যান। এরপরেই পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজের দৃশ্য দেখে হতবাক। তাঁরা দেখেন যে, সেই ব্যাগটি এক দল ইঁদুর মুখে করে নিয়ে যাচ্ছে এক নর্দমায়। তারপর পুলিশ সেই নর্দমা থেকেই উদ্ধার করল সেই সোনার গয়না।

    আরও পড়ুন: জানেন কি ইউটিউবের প্রথম ভিডিও কোনটি? কী বা আছে তাতে?

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৪ ঘণ্টা ধরে তারা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেছিলেন এবং পরে গয়না উদ্ধার করতে পারেন। এগুলো খুঁজতে গিয়ে তাঁরা নর্দমা পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিলেন। তারপর সেই নর্দমা থেকেই গয়না উদ্ধার করে সুন্দরী প্লানিবেলকে ফিরিয়ে দেয় পুলিশ। এই উপকারের জন্য প্লানিবেল  পুলিশদের ধন্যবাদও জানিয়েছেন। 

     

  • Iraq: খরার ফলে জেগে উঠল ৩৪০০ বছরের পুরনো শহর

    Iraq: খরার ফলে জেগে উঠল ৩৪০০ বছরের পুরনো শহর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদীর জল শুকিয়ে গিয়ে প্রায় ৩৪০০ বছরের পুরনো  প্রাচীন বসতির ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হল ইরাক থেকে। ঘটনাটি ইরাকের কুর্দিস্তানের (Kurdistan ) কেমুন(Kemune)নামক শহরের। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে গ্লোবাল ওয়ার্মিং বেড়েছে ,ফলে দেখা দিয়েছে তীব্র খরা। এতে ইরাকের সবচেয়ে বড় নদী টাইগ্রিসের (Tigris River) জল কমে হঠাৎ জেগে উঠতে শুরু করেছে প্রাচীন এই শহর।

    আরও পড়ুন: কুঁজো, ট্যারা শুনতে শুনতেই আত্মহত্যার চেষ্টা, এখন তিনিই ভারতের সর্বকনিষ্ঠ সিইও

    প্রাচীন বসতির ধ্বংসাবশেষগুলি ব্রোঞ্জ যুগের বলেই ধারণা করা হয়েছে। টাইগ্রিস নদীর জল খরায় শুকিয়ে যাওয়ার ফলে ব্রোঞ্জ যুগের প্রায় অনেক ধ্বংসাবশেষই এখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। জার্মান (German) ও কুর্দি (Kurdish) প্রত্নতাত্ত্বিকদের (archaeologist) একটি দল সেখানে খনন কাজ করেছে। গবেষকদের ধারণা, এটি মিত্তানি সাম্রাজ্যের  (Mittani Empire) আমলের ১৫৫০ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। জার্মানির (Germany) ফ্রেইবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের  (University of Freiburg) প্রত্নতাত্ত্বিকরা ও অধ্যাপক ইভানা পুলজিজ (Dr Ivana Puljiz) একটি সাংবাদিক সম্মেলনে জানান যে, শহরটি সরাসরি টাইগ্রিসের উপর অবস্থিত হওয়ায়, মিত্তানি সাম্রাজ্যের মূল অংশ বর্তমান উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার সঙ্গে এর পূর্বাঞ্চলের সংযোগস্থল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।

    এর আগেও এই অঞ্চলের খননকার্য শুরু হলেও জলাশয়ের জল বেড়ে যাওয়ায় প্রত্নতাত্ত্বিকরা সেটি তখন সম্পূর্ণ করতে পারেনি। কিন্তু এবারে জলাধারের জলের স্তর অনেকটাই নেমে যায়, তারপরেই গবেষকরা এই হারিয়ে যাওয়া শহরের সন্ধান পান। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জানায়, প্রাচীন শহরটির সংরক্ষণের জন্য প্রত্নতাত্ত্বিকরা ধ্বংসাবশেষটিকে প্লাস্টিকের আবরণ দিয়ে ঢেকে দিয়েছিলেন এবং স্থানটিকে নুড়ি দিয়ে পূর্ণ করে দিয়েছিলেন যাতে কাদামাটির দেওয়াল রক্ষা করা যায়। তবে বর্তমানে জলের স্তর ধীরে ধীরে বাড়ছে এবং শহরটি এখন আবার ডুবে গেছে। আবার কবে এই হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস জেগে উঠবে, তা এখন সময়ের ওপর নির্ভর করছে বলে জানাচ্ছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা।

    আরও পড়ুন: আল-কায়দার হুমকির জের, দেশজুড়ে হাই অ্যালার্ট জারি গোয়েন্দা সংস্থার

LinkedIn
Share