Tag: Vishnu Deo Sai

Vishnu Deo Sai

  • Maoists in Chhattisgarh: জিরো টলারেন্স নীতি মোদি সরকারের, ৮০ দিনে ছত্তিশগড়ে খতম ১১৩ মাওবাদী

    Maoists in Chhattisgarh: জিরো টলারেন্স নীতি মোদি সরকারের, ৮০ দিনে ছত্তিশগড়ে খতম ১১৩ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাওবাদী দমন অভিযানে ফের বড়সড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। বৃহস্পতিবার ছত্তিশগড়ের (Maoists in Chhattisgarh) বস্তার রিজিয়নে দু’টি পৃথক এনকাউন্টারে নিহত হয়েছে ৩০ জন সন্দেহভাজন মাওবাদী। গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছে ‘ডিস্ট্রিক্ট রিজ়ার্ভ গার্ড’ (ডিআরজি)–এর এক জওয়ানের। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত বস্তার এবং গারিয়াবন্দে কমপক্ষে ১১৩ জন মাওবাদী নিহত হয়েছে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিজাপুরেই নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ হারায় ৩১ জন মাওবাদী, শহিদ হন দুই জওয়ান।

    মাও-দমনে বড় অভিযান

    বস্তারের আইজি পি সুন্দররাজ জানান, বস্তারের গঙ্গালুর এলাকায় মাওবাদী উপস্থিতির খবর পেয়ে অভিযানে গিয়েছিল বিজাপুর ও সুকমার ডিআরজি, কোবরা এবং সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকাল সাতটা নাগাদ শুরু হয় গুলিযুদ্ধ, চলে দুপুর পর্যন্ত। গুলিযুদ্ধে ২৬ জন মাওবাদীর (Maoists in Chhattisgarh) প্রাণ গিয়েছে বলে বাহিনীসূত্রে খবর। উদ্ধার হয়েছে স্বয়ংক্রিয়, সেমি–অটোমেটিক একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক। অন্যদিকে, কাঙ্কের ও নারায়ণপুর জেলার সীমানা লাগোয়া জঙ্গলেও নর্থ বস্তার মার ডিভিশনে মাওবাদীদের উপস্থিতির খবর মিলেছিল। ডিআরজি এবং বিএসএফের যৌথ বাহিনী সেখানে তল্লাশি অভিযানে যায়। কাঙ্কেরের জঙ্গলে গুলির লড়াইয়ে চার জনের প্রাণ গিয়েছে বলে খবর। সেখান থেকেও উদ্ধার হয়েছে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিপুল বিস্ফোরক।

    মাওবাদী কমান্ডার ডিডমার-এর খোঁজ

    বিজাপুর এবং দান্তেওয়াড়ায় রাত পর্যন্ত তল্লাশি অভিযান চলার খবর মিলেছে। কিন্তু এখনও মাওবাদী কমান্ডার ডিডমার হদিস মেলেনি। তাঁরই খোঁজে তিন রাজ্য জুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে বাহিনী। জানা গিয়েছে, মাওবাদী নেতা ডিডমার খোঁজে ছত্তিশগড়, ওড়িশা এবং অন্ধ্রপ্রদেশের সীমানায় ১২৫টি গ্রামে তন্ন তন্ন করে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ড্রোন দিয়ে তল্লাশির পাশাপাশি অত্যাধুনিক প্রযুক্তিরও সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। এই তিন রাজ্যের কোনও একটি সীমানা এলাকায় ডিডমা আত্মগোপন করে আছেন বলে মনে করছে পুলিশ। কারণ এই তিন রাজ্যের সীমানা এলাকায় মাওবাদীরা অত্যন্ত সক্রিয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

    সক্রিয় ছত্তিশগড় সরকার

    ২০২৩ সালে ছত্তিশগড়ে (Maoists in Chhattisgarh) বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসে। মুখ্যমন্ত্রী হন বিষ্ণু দেও সাই। তিনি রাজ্যের দায়িত্ব নেওয়ার পরই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে বাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন। ফলে গত এক বছরের মধ্যে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযানের গতি আরও জোরালো হয়েছে রাজ্যে। ২০২৪ সালে ২১৯ জন মাওবাদী নিহত হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রের দাবি। গত কয়েক মাস ধরে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে বাহিনীর অভিযান আরও জোরদার হয়েছে। রাজ্য প্রশাসনের একটি সূত্রের দাবি, গত ১৩ মাসে ছত্তিশগড়ে বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৩৫৮ জন মাওবাদী নিহত হয়েছে। গ্রেফতার হয়েছেন ১১৭৭ জন। আত্মসমর্পণ করেছে ৯৮৫ মাওবাদী। আর এটাকেই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে বড় সাফল্য বলে মনে করছে রাজ্য প্রশাসন। তবে অভিযান জারি রাখা হয়েছে। বরং আরও বেশি ধারালো করা হচ্ছে। মাওবাদীদের নিশ্চিহ্ন করতে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাতে চাইছে বাহিনী।

    সমাজের মূল স্রোতে ফেরার আহ্বান

    হিংসা ছেড়ে মাওবাদীদের (Maoists in Chhattisgarh) সমাজের মূল স্রোতে ফেরারও আহ্বান জানিয়েছেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই (Vishnu Deo Sai)। রাজ্য সরকার তাদের সমস্যার সমাধান এবং দাবি নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য সরকারের ‘আহ্বানে’ সাড়া দিয়ে আত্মসমর্পণও করেছে বহু মাওবাদী। বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা বাহিনীর সাফল্যকে স্যালুট জানিয়েছেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাঁই–ও। তাঁর বক্তব্য, ‘২০২৬–এর মধ্যে বস্তার ভয়মুক্ত হয়ে বাঁচবে, আমি নিশ্চিত। ছত্তিশগড়ে মাওবাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই প্রবল পরাক্রমে এগোচ্ছে। তবে ডিআরজি জওয়ানের শহিদ হওয়ার খবর পেয়ে আমি মর্মাহত। তাঁর আত্মত্যাগ বিফলে যাবে না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজি দেশ তথা ছত্তিশগড় থেকে ২০২৬ মার্চের মধ্যে মাওবাদ মুছে ফেলার যে চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন, নিরাপত্তা বাহিনী তাতে একের পর এক সাফল্য অর্জন করছে। জওয়ানদের সাফল্য প্রশংসনীয়। তাঁদের সাহসিকতাকে স্যালুট জানাই।’

    মাওবাদী মুক্ত দেশের স্বপ্ন

    ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে ভারতকে ‘মাওবাদীমুক্ত’ করার আশ্বাস দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সেই লক্ষ্যে দেশ আরও কয়েক ধাপ এগোল বলে বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা বাহিনীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শাহ। এ দিন মাওবাদী দমন অভিযানে সাফল্যের খবর মিলতেই এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর বক্তব্য, ‘আজ আমাদের জওয়ানরা ‘নকশাল মুক্ত ভারত অভিযান’–এর (Maoists in Chhattisgarh) লক্ষ্যে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে। নরেন্দ্র মোদির সরকার মাওবাদীদের বিরুদ্ধে আপসহীন পদক্ষেপ করছে। আত্মসমর্পণ এবং মূলস্রোতে ফেরানোর একাধিক সুযোগ দেওয়ার পরও যে সব মাওবাদী সারেন্ডার করেনি তাদের ক্ষেত্রে মোদি সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়ার পক্ষপাতী। আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশ মাওবাদীমুক্ত হয়ে যাবে।’

  • Chhattisgarh: ১১ মাসে ২১০ জনের বেশি মাওবাদী নিকেশ, বাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিষ্ণু দেও সাই

    Chhattisgarh: ১১ মাসে ২১০ জনের বেশি মাওবাদী নিকেশ, বাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিষ্ণু দেও সাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১১ মাসে ২১০ জনের বেশি মাওবাদী নিকেশ, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই (Vishnu Deo Sai)। দেশের মধ্যে গড়ে ওঠা দেশ-বিরোধী শক্তিকে কড়া হাতে দমন করতে সেনাকর্মীদের সাহসিকতাকে বিশেষ ভাবে জোর দিয়েছেন তিনি। নিরাপত্তা এবং সুরক্ষাকে দৃঢ় করে নাগরিক জীবনকে নিরাপদ করাই যে রাজ্যের বিজেপি সরকারের প্রধান লক্ষ্য, সেই কথাও এদিন নিজের ভাষণে উল্লেখ করলেন এই মুখ্যমন্ত্রী।

    ‘বাহিনীর ক্যাম্পে সময় কাটিয়েছি আমি’ (Chhattisgarh)

    গত ২৪ নভেম্বর, রবিবার ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) মাওবাদী দমনে সেনা জওয়ান এবং স্থানীয় প্রশাসনের কৃতিত্বকে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু (Vishnu Deo Sai)। নাগরিক সমাজের কাছে ভয়ের বাতাবরণকে মুক্ত করার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, “রাজ্যে সরকার গঠনের পর থেকেই নিরাপত্তা বাহিনী মাওবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভাবে লড়াই করে যাচ্ছেন। মাওবাদী এবং নকশালদের নির্মূল করাই আমাদের প্রধান এবং একমাত্র লক্ষ্য। আমি নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে সময় কাটাতে চেয়েছিলাম। তাঁরা ঠিক কোন পরিস্থিতি এবং কতটা ঝুঁকির মধ্যে অপারেশন করেন, সেই দিকে নজর রাখতে চেয়েছিলাম। এরপর আমি একটি বাহিনীর ক্যাম্পে সময় কাটিয়েছি। সেখানে আমি একটি বৃক্ষের চারা গাছও রোপণ করেছিলাম। আমার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত অভিনব ছিল। আমি তাঁদের স্যালুট জানাই, গত ১১ মাসে ২১০ জনের বেশি মাওবাদীকে খতম করেছে বাহিনী।”

    আরও পড়ুনঃ ‘‘মতাদর্শ আলাদা হতে পারে, দেশের স্বার্থ সবার ঊর্ধ্বে’’, বললেন লোকসভার অধ্যক্ষ

    মাওবাদী দমনে জিরো টলারেন্স নীতি

    উল্লেখ্য গত ২২ নভেম্বর শুক্রবার, সুকমা (Chhattisgarh) জেলায় একটি সেনা অভিযানে কমপক্ষে ১০ জন মাওবাদীকে নির্মূল করা হয়েছে। সেনা কর্মীদের এই কাজেও ব্যাপক ভাবে প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই (Vishnu Deo Sai)। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বলেন, “নিরাপত্তা বাহিনীর কাজ অত্যন্ত প্রশংসারযোগ্য। রাজ্য সরকার মাওবাদী দমনে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। বস্তার অঞ্চলের উন্নয়ন, শান্তি এবং সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা আমাদের সরকারের অগ্রাধিকার।” উল্লেখ্য আবার গত ২০ নভেম্বর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মাওবাদী দমনের অগ্রগতির পর্যালোচনা করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তিনি তারপর আশা প্রকাশ করে বলেন, “আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে রাজ্যজুড়ে চলা লাল সন্ত্রাস মুক্ত হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: বিজেপির ৩ মুখ্যমন্ত্রীই আরএসএস-এর স্বয়ংসেবক

    RSS: বিজেপির ৩ মুখ্যমন্ত্রীই আরএসএস-এর স্বয়ংসেবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার রাজ্যে বিধানসভার ফল ঘোষণা হয়েছে গত ৩ ডিসেম্বর। রাজস্থান, ছত্তিসগড়, মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর একটি সাধারণ মিল। তা হল, প্রত্যেকেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের স্বয়ংসেবক। ১৯২৫ সাল থেকে যাত্রা শুরু হয় আরএসএস-এর। সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক এই সংগঠন ব্যক্তি নির্মাণের মাধ্যমে রাষ্ট্রনির্মাণ নীতিতে বিশ্বাস রাখে। ১৯৫১ সালে জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠার পরে বা ১৯৮০ সালে বিজেপির প্রতিষ্ঠা হওয়ার পরে বহু আরএসএস প্রচারক বসেছেন মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও আরএসএস-এর প্রচারক। তিনিও ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেন। এছাড়া হরিয়ানার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টরও সঙ্ঘের প্রচারক হিসেবে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন। এবার ৩ রাজ্যে বসলেন আরএসএস-এর ৩ কর্মী।

    রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত আরএসএস-এর সঙ্গে

    রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলা ভজনলাল শর্মা দীর্ঘদিন ধরেই করেছেন আরএসএস-এর কাজ (RSS)। তিনি ছাত্র সংগঠন এবিভিপির বিভিন্ন দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯৯০ সালে কাশ্মীর থেকে পণ্ডিতদের বিতাড়নের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলে এবিভিপি। সক্রিয় ছিলেন ভজনলাল। কাশ্মীর আন্দোলনে সামনের সারিতেই দেখা যায় তাঁকে। ১৯৯২ সালের রামজন্মভূমি আন্দোলনেও তিনি ছিলেন।

    মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রীও আরএসএস-এর কর্মী

    মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) আদর্শে বড় হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে তিনি ছিলেন সে রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী। অন্যদিকে ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই-এর নাম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা হতেই তিনি হাজির হন ছত্তিসগড় রাজ্যের আরএসএস-এর সদর কার্যালয়ে। জানা যায়, বিষ্ণু দেও সাই-এর পুরো পরিবারই আরএসএস ঘনিষ্ঠ। তাঁর বাবাও ছিলেন দীর্ঘদিন ভারতীয় জনসঙ্ঘের বিধায়ক। আবার ১৯৭৭ সালে তাঁর বাবা জনতা পার্টির টিকিটে সাংসদও হন। আদিবাসী সমাজের অন্যতম মুখ তথা এই আরএসএস-এর স্বয়ংসেবককে এবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেয় বিজেপি।

    আরও পড়ুন: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে সাতসকালেই ইডি-র হানা

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh CM: জল্পনার অবসান, ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী পদে আদিবাসী মুখ বিষ্ণু দেও সাই

    Chhattisgarh CM: জল্পনার অবসান, ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী পদে আদিবাসী মুখ বিষ্ণু দেও সাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভায় বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর এতদিন কে হবেন ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী, তা নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। সেই জল্পনায় এবার ইতি পড়ল। রবিবার সামনে এল ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রীর নাম। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই হবেন ছত্তিসগড়ের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। এ নিয়ে রায়পুরে নির্বাচিত বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই বৈঠকেই বিষ্ণু দেও সাই-কে মুখ্যমন্ত্রী করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

    আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্যতম মুখ

    ছত্তিসগড়ে আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্যতম মুখ হলেন বিষ্ণু। এখানকার বিজেপির অন্যতম পুরনো নেতা তিনি। ২০১৪ সালে রাইগড় কেন্দ্র থেকে তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার তিনি দাঁড়িয়েছিলেন কুনকুড়ি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে। তাঁর জয়ের মার্জিন ছিল ৮৭ হাজার ৬০৪। বিজেপির তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী রমন সিং এবারও ওই পদের জন্য নির্বাচিত হন কিনা তা নিয়ে সবার মধ্যেই জল্পনা ছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল বিজেপি ওই পদে বিষ্ণু দেও সাইকেই মনোনীত করেছে।

    আদিবাসী ভোট ব্যাঙ্ককেই গুরুত্ব

    বিজেপির এই সিদ্ধান্ত থেকে একটা বিষয় পরিষ্কার, বিষ্ণু দেওকে মুখ্যমন্ত্রী করার মধ্য দিয়ে তারা আদিবাসী ভোট ব্যাঙ্ককেই গুরুত্ব দিল। উল্লেখ্য ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তফশিলি জাতি এবং জনজাতিদের ভোটের বেশিরভাগটাই গিয়েছিল কংগ্রেসের দখলে। এবারের ভোটে সেই চিত্রটা পুরোপুরি পাল্টে গিয়েছে। ওই সব ভোট এসেছে বিজেপির ঝুলিতে। তাই এদের গুরুত্ব এবং মর্যাদা দিতেই বিজেপির এই সিদ্ধান্ত বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর দাবিদার হিসেবে রমন সিং-এর নাম বারবার আলোচিত হলেও বয়সজনিত কারণ তাঁকে নির্বাচিত না করার পিছনে অন্যতম কারণ বলে অনেকে মনে করছেন।

    কী বললেন তিনি?

    মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর বিষ্ণু দেও সাই বলেন, ‘মোদি কি গ্যারান্টি’র অধীনে বিজেপি এই রাজ্যের মানুষের কাছে যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেগুলি তিনি পূরণ করার চেষ্টা করবেন। একই সঙ্গে তাঁর সরকারের প্রথম কাজ হবে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অধীনে ১৮ লক্ষ উপভোক্তার জন্য বাড়ির ব্যবস্থা করা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share