Tag: Vision Loss

Vision Loss

  • Vision Problems: স্কুল পড়ুয়াদের বাড়ছে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা! কোন ঘরোয়া খাবারে মিলতে পারে সমাধান?

    Vision Problems: স্কুল পড়ুয়াদের বাড়ছে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা! কোন ঘরোয়া খাবারে মিলতে পারে সমাধান?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নিয়মিত ল্যাপটপ, মোবাইলের পর্দায় চোখ আটকে রাখে পরিবারের একরত্তি সদস্য। স্কুলের প্রজেক্ট হোক কিংবা অবসরের বিনোদন, সব কিছুর রসদ আছে ওই স্ক্রিনে। আর এর জেরেই বাড়ছে সমস্যা। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কম বয়সীদের মধ্যে বাড়ছে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা (Vision Problems)। এমনকী পাঁচ বছরের আগেই বহু শিশুর দেখার সমস্যা হচ্ছে। যার জেরে নিয়মিত চশমার ব্যবহারও করতে হচ্ছে। শৈশবে চোখের যত্ন ঠিক মতো না নিলে পরবর্তী কালে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কম বয়সীদের মধ্যে বাড়ছে শুষ্ক চোখের সমস্যাও। তার জেরে নানান ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে। তবে, কিছু ঘরোয়া খাবার নিয়মিত খেলে চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। চোখের নানান সমস্যাকেও দূর করা সহজ হয়। এখন দেখে নেওয়া যাক, কী পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল?

    চোখ ভালো রাখতে রান্না হোক অলিভ অয়েলে (Vision Problems)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সুস্থ থাকতে এবং একাধিক রোগ রুখতে তেলের ব্যবহারে সচেতনতা জরুরি। তেলের পরিমাণ নিয়ে যেমন সতর্কতা জরুরি, তেমনি কোন তেলে রান্না করা হচ্ছে, সেদিকেও‌ খেয়াল রাখতে হবে। চোখের জন্য অলিভ অয়েল বিশেষ উপকারী বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অলিভ অয়েলে থাকে‌ ভিটামিন ই। এই উপাদান চোখের জন্য খুবই উপকারী। তাই অলিভ অয়েলে রান্না করা খাবার খেলে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা কমে।

    চিংড়ি, ইলিশের মতো সামুদ্রিক মাছ চোখ ভালো রাখে

    সামুদ্রিক মাছের একাধিক উপকার রয়েছে। শিশুর শরীরে অ্যালার্জির সমস্যা না থাকলে সামুদ্রিক মাছ সপ্তাহে অন্তত একবার দেওয়া উচিত বলেই মনে করছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, চিংড়ি, ইলিশের মতো সামুদ্রিক মাছে রয়েছে ওমেগা থ্রি, ভিটামিন ই-র মতো নানান পুষ্টিগুণ। এগুলো দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখতে (Vision Problems) বিশেষ সাহায্য করে।

    করলা, গাজর, মিষ্টি আলু ভালো রাখবে কর্ণিয়া 

    চোখের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো কর্ণিয়া। তাই কর্ণিয়া যাতে সুস্থ থাকে, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। করলা, গাজর, মিষ্টি আলুর মতো সবজি তাই নিয়মিত শিশুর পাতে দেওয়া জরুরি। এই সবজিতে থাকে বিটা ক্যারোটিন। এই উপাদান চোখের শুষ্কতা রুখতেও বিশেষ সাহায্য করে (Eye Problems)। তাই নিয়মিত এই ধরনের সবজি খেলে একাধিক উপকার পাওয়া যায়।

    পালং শাক কমাবে চোখের একাধিক রোগের ঝুঁকি

    মোবাইল স্ক্রিনে দীর্ঘ সময় তাকিয়ে থাকার ফলে চোখের একাধিক সমস্যা তৈরি হচ্ছে। বিভিন্ন গবেষণায় ইতিমধ্যেই দেখা গিয়েছে, নানান ধরনের আলোর জেরেও চোখের সমস্যা বাড়ছে। আর এই সমস্যা (Vision Problems) কমাতে সাহায্য করবে পালং শাক, এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাকে রয়েছে লুটেইন এবং জেক্সানথিন। অতিরিক্ত নীল আলো চোখে পড়ার জেরে দৃষ্টিশক্তিতে যে সমস্যা তৈরি হয়, এইসব ক্যারোটিনয়েড প্রাকৃতিকভাবেই সেগুলো কমায়। তাই নিয়মিত পালং শাক খেলে চোখে ছানি পড়ার মতো সমস্যাও মোকাবিলা সহজ হয়ে যায়।

    বেরি, অ্যাপ্রিকটের মতো ফল চোখ সুস্থ রাখে (Vision Problems)

    মাছ, সবজির মতোই নিয়মিত কিছু ফল খেলে চোখ সুস্থ (Eye Problems) থাকবে। এমনই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন অ্যাপ্রিকট, বেরির মতো ফল নিয়মিত খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Eye Infection: একরত্তি শিশুও মোবাইলের স্ক্রিনে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে, শৈশবেই কমছে দৃষ্টিশক্তি?

    Eye Infection: একরত্তি শিশুও মোবাইলের স্ক্রিনে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে, শৈশবেই কমছে দৃষ্টিশক্তি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষা হোক বা শীত! যে কোনও ঋতু পরিবর্তনের সময়েই ঠান্ডা লাগা, সর্দি-কাশির মতোই ভোগান্তি বাড়ায় চোখের সংক্রমণ (Eye Infection)! চোখ লাল হয়ে যাওয়া, ফুলে‌ যাওয়া কিংবা চুলকানির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। একরত্তি শিশুদের মধ্যে বাড়ছে চোখের সংক্রমণ। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সব সময় যে কনজাংটিভাইটিস হচ্ছে, এমন নয়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, বছরে একাধিকবার শিশুরা চোখের সংক্রমণে ভুগছে।‌ যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন বারবার চোখে সংক্রমণ হচ্ছে? (Eye Infection)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দূষণের জেরে বাড়ছে সংক্রমণ। ফুসফুস হোক‌ বা চোখ, সংক্রমণ রোগের দাপট বাড়াচ্ছে দূষণ। বিশেষত বায়ু দূষণের জেরে চোখের সংক্রমণে সমস্যা বাড়ছে।‌ চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে গেল যেমন ‌শ্বাস নিতে সমস্যা হয়, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বাড়ে। তেমনি, চোখ জ্বালা করে। তার জেরেই সংক্রমণ হয়। তাই শীতে অনেকের চোখে সংক্রমণের সমস্যা হয়। কারণ, ওই সময়ে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। 
    তাছাড়া, ছোট থেকেই এখন ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইলের পর্দায় চোখ রাখতে অভ্যস্থ অনেকেই।‌ আর এর জেরে সমস্যা আরও বাড়ছে।‌ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বহু শিশুই মোবাইলের স্ক্রিনে দীর্ঘ সময় তাকিয়ে থাকছে।‌ তাই চোখে নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এমনকী চোখ শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে (Eye Infection)। ফলে, এক ধরনের চুলকানি আর ব্যথা অনুভব হয়। যার জেরে শৈশবেই কমছে দৃষ্টিশক্তি।

    কীভাবে এই সমস্যার মোকাবিলা হবে‌?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে খাবারে বিশেষ নজরদারি জরুরি‌‌।‌ শিশুদের নিয়মিত ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাক, ব্রকোলির মতো খাবার খাওয়া জরুরি। এতে ভিটামিন এ, সি থাকে। তাই চোখের পক্ষে উপকারী। পাশপাশি, নিয়মিত ডিম সিদ্ধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। কারণ ডিমে ল্যুটিন থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট‌ চোখের জন্য ভালো। এছাড়া, কাজু, পেস্তা, বাদাম খাওয়া জরুরি। এগলিতে ভিটামিন ই থাকে। যা মায়োপিয়ার ঝুঁকি কমায়। গাজর, বিট নিয়মিত খেলে চোখের রেটিনা সুস্থ থাকে (Eye Infection)। কারণ, এই সব্জিগুলিতে ক্যারোটিন আছে।‌
    খাবারের পাশাপাশি স্ক্রিন টাইমের উপরেও বিশেষ নজরদারি জরুরি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্তমানে পড়াশোনার সঙ্গে ল্যাপটপ, মোবাইল বিশেষ ভাবে জড়িয়ে গিয়েছে। তাই খুব কম বয়স থেকেই শিশুদের ল্যাপটপ, মোবাইলে সময় কাটাতে হয়। অভিভাবকদের নজর দিতে হবে, যাতে বিনোদনের জন্য শিশুরা এই ইলেকট্রনিক গ্যাজেটে নির্ভর হয়ে না‌ পড়ে। কতক্ষণ একজন‌ শিশু স্ক্রিন টাইম কাটাচ্ছে, সেদিকে অভিভাবকদের নজরদারি জরুরি। কারণ, স্ক্রিন টাইম না কমালে, চোখের সমস্যা কমবে না। 
    নিয়মিত যোগাভ্যাসের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, যোগাভ্যাস দেহের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক করে।‌ এর ফলে, প্রত্যেক অঙ্গে ঠিকমতো অক্সিজেন সরবরাহ হয়। শরীর সুস্থ থাকে। চোখও ভালো থাকে। পাশপাশি ধ্যান যোগাভ্যাসের অন্যতম অংশ।‌ এতে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকার পাশপাশি চোখের বিশ্রাম হয়। যা খুব জরুরি। তাই নিয়মিত যোগাভ্যাসের অভ্যাস থাকলে শিশুদের চোখ ভালো থাকবে (Eye Infection)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vitamins: দৃষ্টিশক্তি কমে যাচ্ছে? সাবধান! এই ভিটামিনের অভাব আপনাকে করে তুলতে পারে অন্ধ

    Vitamins: দৃষ্টিশক্তি কমে যাচ্ছে? সাবধান! এই ভিটামিনের অভাব আপনাকে করে তুলতে পারে অন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরীরকে সুস্থ রাখতে নানা ধরনের ভিটামিন (Vitamin) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে সুস্থ থাকতে সব ধরনের ভিটামিন-মিনারেল গ্রহণ করা জরুরি। তবে সব খাবারের মধ্যে তো আর ভিটামিন থাকে না। তাই ভিটামিন মিনারেলযুক্ত খাবারের অভাব হলেই শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি দেখা যায়। আর এই কারণেই শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তবে এই সমস্যা সাময়িক। শরীরে যে কোনও ভিটামিনের ঘাটতি দেখা দিলে খাবার এবং নির্দিষ্ট ওষুধের মাধ্যমে তা পূরণ করা সম্ভব হয়।

    তবে শরীরে যে ভিটামিনের অভাব দেখা গিয়েছে তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। ফলে তার ঠিকমত চিকিৎসাও করাও হয়ে ওঠে না যার ফলে শরীরে আরও বিভিন্ন রোগ বাসা বাঁধতে শুরু করে। তাই আপনার অবশ্যই জেনে রাখা দরকার, শরীরে কোন কোন লক্ষণ ফুটে উঠলে বুঝতে পারবেন আপনার  শরীরে ভিটামিনের অভাব রয়েছে। মানব শরীরে সাধারণত ১৩ রকমের ভিটামিন প্রয়োজন আছে। সারা বিশ্বে প্রায় প্রতি বছর ২৫ লক্ষ শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ভিটামিন এ-র অভাবে ভুগে থাকে। একই ভাবে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতিও দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের কারণ হয়ে ওঠে।

    কীভাবে বুঝবেন শরীরে ভিটামিনের অভাব রয়েছে?

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যদি দৃষ্টিশক্তিতে কোনরকমের পরিবর্তন দেখা যায়, তবে বুঝে নিতে হবে আপনার শরীরে ভিটামিন এ ও বি১২-এর কমতি রয়েছে। এমনকি বি-১২-এর ঘাটতি বেশি মাত্রায় হলে দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন আপনি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এই দুটি ভিটামিনের অভাবে চোখের কর্নিয়া শুষ্ক হতে থাকে ও ধীরে ধীরে কর্নিয়া ও রেটিনা নষ্ট হতে থাকে। ভিটামিন এ -এর অভাব বেশি হলে রাতে দেখার ক্ষেত্রে বা রাতকানার মত সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও চোখের শুষ্কতা বৃদ্ধি পায়, ত্বকে জ্বালা অনুভূত হয়। আবার চোখের সমস্যা ছাড়াও ভিটামিন বি ১২-এর অভাবে ত্বক ফ্যাকাসে, হলদেটে ও শুষ্ক হয়, মাউথ আলসার, ডিমেনসিয়া, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার মতো লক্ষণও দেখা যায়।

    কোন কোন খাবার খেলে ভিটামিন এ ও বি১২-এর ঘাটতি কমবে?

    ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবারগুলো হল চিজ, ডিম, দুধ, দই, তৈলাক্ত মাছ ইত্যাদি। এছাড়াও শাক সবজির মধ্যে হলুদ, লাল, সবুজ সবজি যেমন- গাজর, পালং শাক, মিষ্টি আলু, ফলের মধ্যে আম, পেঁপে ইত্যাদি। আবার ভিটামিন বি১২ সমৃদ্ধ খাবার হল দই, দুধ, ডিম, মাছ, সমুদ্রের মাছ ইত্যাদি।

     

     

LinkedIn
Share