Tag: Vitamin

Vitamin

  • Tiredness: ‘লাঞ্চ ব্রেক’-এর পরেই কাজে অনীহা! কোন খাবারে দূর হবে দিনভর ক্লান্তি?

    Tiredness: ‘লাঞ্চ ব্রেক’-এর পরেই কাজে অনীহা! কোন খাবারে দূর হবে দিনভর ক্লান্তি?

    মাধ্যম ডেস্ক: সকাল থেকে একনাগাড়ে কাজ! এনার্জিও ভরপুর। কিন্তু দুপুরের সাময়িক বিরতি সব কিছু বিগড়ে দেয়।‌ লাঞ্চ ব্রেকের পরেই কাজের গতি কমে যায়। অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে ঝিমিয়ে থাকতে হয়। কথা বলা বা কাজ করার এনার্জি পাওয়া যায় না। তরুণ প্রজন্মের অনেকেই এই সমস্যায় ভোগেন। যার ফলে তাদের কাজের জায়গায় যথেষ্ট ভোগান্তির শিকার হতে হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এর অন্যতম কারণ ক্লান্তি! শরীরের পেশি, স্নায়ু এবং মস্তিষ্ক ক্লান্ত (Tiredness) হয়ে যায়। আর তার জন্যই কাজের প্রতি অনীহা তৈরি হয়। মনোযোগ নষ্ট হয় এবং কাজের গতিও শ্লথ হয়ে যায়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবারের (Food) তালিকায় সামান্য রদবদল পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে।‌ দূর করতে পারে দিনভর ক্লান্তি। কিন্তু কী রদবদলের পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা (Tiredness)?

    সঙ্গে থাকুক কয়েকটা খেজুর

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবার খাওয়ার মাঝে অনেকটা সময় বিরতি থাকলে শরীর বাড়তি ক্লান্ত (Tiredness) হয়ে যায়। সকালের জলখাবার এবং দুপুরে অফিসের লাঞ্চ ব্রেকের মাঝে অনেকটা বিরতি থাকে। এর ফলে অনেকের শরীর বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তারপরে অনেকটা বেশি‌ পরিমাণ খাবার একসঙ্গে খেয়ে ফেললে কাজের গতি কমে যায়। তাই পুষ্টিবিদদের একাংশ বলেন, নিয়মিত সঙ্গে থাকুক কয়েকটা খেজুর। খেজুর সহজেই খাওয়া যায়, তাই কাজের ফাঁকে একটা খেজুর খেতে বেশি সময় নষ্ট হয় না। লাঞ্চ ব্রেকের আগেই তাই সহজেই খেজুর খাওয়া যায়। আর খেজুরে (Food) থাকে আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো নানান রকমের খনিজ পদার্থ। এর ফলে এই খাবার মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে‌ বিশেষ সাহায্য করে। তাই ক্লান্তি বোধ দূর হয়।

    সপ্তাহে দুদিন এক চামচ ঘিয়ের তৈরি খাবার

    শরীর ক্লান্ত (Tiredness) হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি ১২-র অভাব। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন। পেশির নানান সমস্যাও বাড়ছে। আর তার ফলেই কাজের প্রতি মনোযোগ কমছে। মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ছে। তাই পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, সপ্তাহ অন্তত দু’দিন এক চামচ ঘি-য়ে তৈরি সবজি লাঞ্চের মেনুতে থাকুক। তাঁরা বলেন, শরীরে ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি ১২ সবচেয়ে সহজে পূরণ করে ঘি। তাই অন্তত দুদিন এক চামচ ঘি (Food) শরীরে পৌঁছলে ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হবে। এর ফলে ক্লান্তি দূর হবে।

    কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিনের ব্যালান্স ডায়েট জরুরি

    তরুণ প্রজন্মের রোগা হওয়ার চাহিদা এবং তার জন্য অপরিকল্পিত ডায়েট ক্লান্তি বোধ (Tiredness) আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে তরুণ প্রজন্মের অনেকেই সারাদিন সম্পূর্ণ কার্বোহাইড্রেট মুক্ত খাবার খাচ্ছেন। এর ফলে শরীরে এনার্জির জোগান‌ হচ্ছে না। তার ফলেই ক্লান্তি বোধ বাড়ছে। মস্তিষ্কও সক্রিয় থাকছে না। তাঁদের পরামর্শ, লাঞ্চে কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিনের ব্যালান্স ডায়েট জরুরি। রুটি, ডাল, সবজি জাতীয় খাবার (Food), তার সঙ্গে সামান্য ফল থাকলে শরীর এনার্জি সহজেই পাবে। এতে ক্লান্তি বোধ কমবে।

    পর্যাপ্ত জল জরুরি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে ক্লান্তি বোধ গ্রাস করে জলের ঘাটতি হলে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই বাইরে থাকলে খুব কম পরিমাণে জল খান (Food)। এর ফলে খাবার খাওয়ার পরেই শরীরের বিভিন্ন পেশির সক্রিয়তা আরও কমে যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেলে শরীরের সমস্ত পেশি সক্রিয় থাকে। তখন ক্লান্তি (Tiredness) বোধ কম হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Summer Fruits: আম, জাম আর কাঁঠাল শরীরের জন্য কতখানি উপকারী? জেনে নিন খাওয়ার আগে

    Summer Fruits: আম, জাম আর কাঁঠাল শরীরের জন্য কতখানি উপকারী? জেনে নিন খাওয়ার আগে

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমের দাপট আর কমছে না। তাপমাত্রার পারদ চড়ছেই।‌ তার সঙ্গে অস্বস্তিকর আবহাওয়া। তবে গরম মানেই বাঙালির আম, জাম আর কাঁঠাল খাওয়ার সময়। এই সময়ে বাঙালির পছন্দের এই তিন ফল (Summer Fruits) বাজারে দেদার পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই তিন ফল শরীরে গভীর প্রভাব ফেলে। তাই খাওয়ার আগে জেনে নেওয়া দরকার, কতখানি খাওয়া যেতে পারে।

    জাম খেলে কী উপকার পাওয়া যায়? (Summer Fruits)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, জাম খুবই উপকারী একটা ফল। বিশেষ করে গরমে জাম খাওয়া আরও ভালো। তাঁরা জানাচ্ছেন, জামে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় নানান রোগের প্রকোপ বাড়ে। তাই নিয়মিত জাম খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। জামে রয়েছে একাধিক ভালো ব্যাকটেরিয়া। এই সব ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের জন্য বিশেষ উপকারী। গরমে অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। কিন্তু জাম খেলে অন্ত্র ভালো থাকে। গরমে অধিকাংশের ত্বকের একাধিক সমস্যা হয়। অনেকেই লাল দাগ, চুলকানি, সান বার্নের মতো নানান ত্বকের সমস্যায় জেরবার হন। জাম ত্বকের জন্য খুব উপকারী। জামে রয়েছে ভিটামিন। এছাড়াও রয়েছে নানান খনিজ পদার্থ। যেগুলো ত্বকের জন্য ভালো। গরমে ত্বকের সমস্যা কমায় জাম। 
    তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জাম (Summer Fruits) রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য তাই জাম খুব উপকারী। এতে রক্তের শর্করা প্রাকৃতিকভাবেই নিয়ন্ত্রিত হয়। কিন্তু যাদের শর্করা হঠাৎ করেই কমে যায়, তাদের অতিরিক্ত জাম খাওয়া উচিত নয়। পরিমিত জাম খেলে কোনও বিপদ হবে না।‌ বরং শরীর সুস্থ থাকবে।

    আমে কি বাড়বে ডায়াবেটিস?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, আম খাওয়া নিয়ে নানান ভ্রান্ত ধারণা আছে। কিন্তু গরমে আম খাওয়া ভালো। তাঁরা জানাচ্ছেন, আম হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। এই আবহাওয়ায় শরীরের উত্তাপ বাড়ছে। আবার অতিরিক্ত ঘামে শরীরে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই আমের মতো রসালো ফল (Summer Fruits) খেলে শরীর সুস্থ থাকবে। এছাড়াও আম কোলেস্টেরল কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, আমে রয়েছে সাইট্রিক অ্যাসিড, টারটারিক অ্যাসিড। এগুলো‌ শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। চোখের জন্য আম বিশেষ উপকারী। আমে রয়েছে একাধিক ভিটামিন। এই ভিটামিন চোখের সমস্যা, শুষ্ক চোখের মতো রোগ মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আমে ২৫ ধরনের ক্যারোটিন রয়েছে। এগুলো শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তুলতে সাহায্য করে। 
    ডায়াবেটিস রোগী মানেই আম খাওয়া যাবে না, এমনটা একেবারেই ভ্রান্ত ধারণা জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, দিনে একটা বা দুটো আম খেলে কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু প্রত্যেক দিন একাধিক আম খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। তাছাড়া অতিরিক্ত আম খেলে স্থূলতার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    কাঁঠাল খেলে কি পেটের সমস্যা হবে? (Summer Fruits)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরমে কাঁঠাল খাওয়া যেতেই পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, কাঁঠালে রয়েছে পটাশিয়াম, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই তিন উপাদান হৃদপিণ্ডের জন্য খুবই উপকারী। এই তিন উপাদান হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। কাঁঠালে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন এবং ভিটামিন এ। এই দুই উপাদান চোখের জন্য খুবই উপকারী। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কাঁঠাল খেলে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা কমবে। কাঁঠালে রয়েছে ফাইটো নিউট্রিয়েন্স। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই উপাদান থাকার জন্য কাঁঠাল খেলে আলসার, কোলন ক্যান্সারের মতো রোগের ঝুঁকি কমে। 
    তবে, কাঁঠাল হজমের গোলমালের ঝুঁকি বাড়ায়। কাঁঠাল সহজপাচ্য নয়। তাই অনেক সময় অতিরিক্ত কাঁঠাল খেলে হজমের সমস্যা হয়। অনেকের আবার পেটের গোলমাল হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন,‌ কাঁঠালে পটাশিয়ামের পরিমাণ অতিরিক্ত থাকে। তাই কিডনির সমস্যায় আক্রান্তদের কাঁঠাল (Summer Fruits) এড়িয়ে চলাই ভালো।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anemia: কত ধরনের রক্তাল্পতা হতে পারে? মুক্তিরই বা দিশা কী?

    Anemia: কত ধরনের রক্তাল্পতা হতে পারে? মুক্তিরই বা দিশা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রক্তাল্পতার সমস্যা অনেকেরই আছে। তবে এর প্রবণতা মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখতে পাওয়া যায়। এই রক্তাল্পতা অ্যানিমিয়া (Anemia) নামে পরিচিত। এটা কোনও রোগ নয়, একে একটি সমস্যা বলা চলে। সাধারণত রক্তে লোহিত রক্ত কণিকা বা আরবিসি-র পরিমাণ কমলেই অ্যানিমিয়ার সৃষ্টি হয়। ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভের তরফ থেকে করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, আমাদের দেশে প্রায় অর্ধেকের বেশি মহিলা এই রক্তাল্পতার সমস্যায় ভুগছেন। আর ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন-এর তরফ থেকে জানা গিয়েছে, পৃথিবীর প্রায় দুই বিলিয়ন মানুষ এই সমস্যায় ভুগছেন।

    বিভিন্ন ধরনের রক্তাল্পতা (Anemia) এবং তার কারণগুলি কী কী?

    ১) লোহা বা আয়রনের অভাব জনিত রক্তাল্পতা: এটি অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতার একটি সাধারণ কারণ। মানব শরীরে আয়রন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান, যেটি রক্তে উপস্থিত থাকে। শরীরে এই আয়রনের ঘাটতি হলেই লোহিত রক্ত কণিকা গঠনে ব্যাঘাত ঘটে। আর অ্যানিমিয়ার সৃষ্টি হয়।  
    ২) সিকেল সেল রক্তাল্পতা: এটি এক ধরনের বংশগত রক্তাল্পতার (Anemia) সমস্যা। এই ধরনের রক্তাল্পতায় শরীরে লোহিত কণিকার উৎপাদন অস্থিমজ্জায় উপস্থিত লাল রক্ত কণিকার গঠনের থেকে বেড়ে যায়। এর ফলেও রক্তাল্পতার মতো সমস্যা সৃষ্টি হয়।
    ৩) ভিটামিন এ-র অভাব জনিত রক্তাল্পতা: মানব শরীরে ভিটামিনের অভাব ঘটলে এই ধরনের ভিটামিন জনিত রক্তাল্পতা সৃষ্টি হয়। মানব শরীরে রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য ফোলেট এবং ভিটামিন বি-12 এর দরকার। এগুলির ঘাটতি হলেই সৃষ্টি হয় অ্যানিমিয়া।
    ৪) অ্যাপ্লাস্টিক রক্তাল্পতা: এটি একটি খুব অস্বাভাবিক রক্তাল্পতার উদাহরণ। মানুষের শরীর যখন পর্যাপ্ত পরিমাণ লোহিত কণিকা উৎপাদন করতে পারে না, তখন এই ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়। আবার কোনও সংক্রমণ, এইডস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, কিডনি রোগ, অটোইমিউন ডিসঅর্ডার থেকেও এই সমস্যার সৃষ্টি হয়।

    সমস্যা (Anemia) থেকে কীভাবে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে?

    প্রথমত, যাদের শরীরে লোহা বা আয়রনের ঘাটতি আছে, তাদের লোহা এবং ভিটামিন সি সম্পূরক খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। যেমন এর মধ্যে পালং শাক ও মুসুর ডাল, মটরশুঁটি, লোহা সমৃদ্ধ দানাশস্য ও বিনস, খাসির মাংস খুবই উপকারী।
    মেয়েদের ঋতুস্রাব ছাড়াও অন্যান্য কোনও কারণে যদি রক্ত ক্ষরিত হয়, তার উৎস খুঁজে সেটিকে বন্ধ করা দরকার। তার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
    যাদের ভিটামিনের অভাবে রক্তাল্পতা আছে, তাদের ভিটামিন B12 এবং ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ  খাবার খেতে হবে। 
    চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যাদের এই সমস্যা গুরুতর অবস্থায় চলে গিয়েছে, তাদের অন্য ব্যক্তি দ্বারা রক্ত গ্রহণ ও কিডনি থেকে উৎপাদিত এরিথ্রোপয়েটিন হরমোন ইঞ্জেকশন দিলে লোহিত কণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি পায় ও দুর্বলতা কমে। 
    সিকেল সেল রক্তাল্পতার (Anemia) ক্ষেত্রে ডাক্তাররা ফলিক অ্যাসিড সম্পূরক এবং অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাছাড়া ক্যান্সার রোগে ব্যবহৃত হাইড্রোক্সিউরিয়া নামক এক ওষুধ এই সিকেল সেল রক্তাল্পতা নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। যদিও সেটি ডাক্তারের পরামর্শ মেনেই খাওয়া উচিত।
    টক জাতীয় ফল যেমন টমেটো, স্ট্রবেরি, তাছাড়া তরমুজ এবং গোলমরিচ-এর মধ্যে ভিটামিন C এর পরিমাণ বেশি থাকে, যা হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তাই এগুলির খাওয়া বাড়াতে হবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Brain Health: মানসিক উদ্বেগ কমাতে গ্রহন করুন এই খাবারগুলি

    Brain Health: মানসিক উদ্বেগ কমাতে গ্রহন করুন এই খাবারগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন হোক বা কর্মক্ষেত্রের কোনও জটিলতায় মানসিক উদ্বেগের শিকার কমবেশি সকলেই। বিশেষ করে এই কোভিড পরিস্থিতিতে অবসাদ যেন আষ্টেপৃষ্ঠে ধরছে সকলকে। উদ্বেগের মেঘ কাটাতে কেউ চুমুক দেন মদের গ্লাসে আবার কেউ ভরসা রাখেন ধূমপানে। সাময়িক ভাবে এগুলি কাজে এলেও পরবর্তীতে অনেক সমস্যার সৃষ্টি করে।মানসিক উদ্বেগ কমায় আবার একই সঙ্গে শরীরেরও যত্ন নেয়, রইল এমন কিছু সুস্বাদু খাবারের সন্ধান।

    অ্যাভোকাডো(Avocado)

    বাজারে অ্যাভোকাডোর বিভিন্ন জুস পাওয়া যায়। তবে মুখ কুঁচকে যদি এই দামী ফলটি খাওয়ার অভ্যাস রাখতে পারেন, তাহলে টেনশন নিয়ে ‘টেনশন’ দূরে চলে যাবে। এতে থাকে ওমেগা থ্রি ও ফ্যাটি অ্যাসিড। ফলে তা শরীরের পক্ষে খুবই ভাল।

    মদ নয়, পান করুন চা (Green Tea)

    চাপ বা চিন্তা থেকে দূরে থাকতে চায়ের কার্যকারিতার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।গ্রিন টি, ল্যাভেন্ডার বা ক্যামোমাইল ইত্যাদি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ চা স্নায়ুকে শান্ত রাখে। এ ছাড়াও চা পানের অভ্যাস শরীরের দূষিত পদার্থ বাইরে বার করে দেয়।

    ডার্ক চকোলেট (Dark Chocolate)

    ডার্ক চকোলেট স্ট্রেস কমানোর জন্য অন্যতম সেরা খাবার। অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর এই খাবার স্ট্রেস হরমোনকে নামিয়ে দেয়।

    বাদাম (Nut)

    কাঠবাদাম, আখরোট, চিনেবাদামে রয়েছে ভরপুর প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, এবং সবচেয়ে উপকারী উপাদান ম্যাগনেশিয়াম, যা মস্তিষ্কের কার্যকারিতাকে সচল রাখতে সাহায্য করে।

    বেরি জাতীয় ফল (Berry)

    ব্লুবেরি, ব্ল্যাকবেরি, স্ট্রবেরি ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর ফলগুলি মস্তিষ্কের কোষগুলিকে সচল ও সজীব রাখে।

    ভিটামিন সি (Vitamin C)

    কমলালেবু, আঙুর, গাজর, পালংশাক, বাঁধাকপি, লেটুস পাতার মতোকিছু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার স্নায়ুকে শান্ত রাখতে এবং উদ্বেগ কমাতে অত্যন্ত সহায়ক।

    আর নিউট্রিশিয়ানরা বলছেন, মাছ খেলে স্ট্রেস কমে। হার্ভাড হেল্থ ব্লগের তথ্য অনুযায়ী, ওমেগা থ্রি সম্পন্ন ‘ফ্যাটি ফিশ’ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share