Tag: Vitamin C

Vitamin C

  • UTI in Children: স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে বাড়ছে ইউটিআই! কোন খাবারে বাড়ছে ঝুঁকি, কোন ৪ ঘরোয়া উপায়ে মিলবে সুরক্ষা?

    UTI in Children: স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে বাড়ছে ইউটিআই! কোন খাবারে বাড়ছে ঝুঁকি, কোন ৪ ঘরোয়া উপায়ে মিলবে সুরক্ষা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে প্রত্যেক বছর কয়েক কোটি মানুষ ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনে (সংক্ষেপে ইউটিআই)  আক্রান্ত হন। মূত্রনালীর সংক্রমণের জেরে ভোগান্তি বাড়ে। অনেকেই বছর একাধিকবার এই সংক্রমণে আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে সাম্প্রতিক তথ্য জানাচ্ছে, কম বয়সি স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও এই ভোগান্তি বাড়ছে। শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায়, উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, একজন ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনে আক্রান্ত হলে ছ’মাস অন্তর আবার সেই সংক্রমণ ফিরে আসার আশঙ্কা থাকছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বারবার সংক্রমণ ফিরে আসছে। ফলে ভোগান্তি আরও বাড়ছে।

    কেন পড়ুয়াদের মধ্যে বাড়ছে এই ভোগান্তি?

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, কয়েকটি কারণে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের মতো সমস্যা বাড়তে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, কম বয়সি স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও এখন নরম পানীয় খাওয়ার প্রবণতা বেশি। অতিরিক্ত পরিমাণে নরম পানীয় খেলে এই ধরণের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। পাশপাশি, অতিরিক্ত মশলাদার এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত অতিরিক্ত পরিমাণ মশলাদার খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত খাবারে এই ধরনের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তবে সবচেয়ে বিপদ বাড়ায় চিনি এবং চকলেট। এমনটাই মত চিকিৎসকদের। তাঁরা জানাচ্ছেন, চিনি শরীরের একাধিক ক্ষতি করে। নিয়মিত অতিরিক্ত পরিমাণ চিনি এবং চকলেট খেলে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ভারতীয় শিশুদের অতিরিক্ত পরিমাণ মিষ্টি খাওয়ায় প্রবণতা রয়েছে। আর সেই অভ্যাস ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

    রোগ রুখতে কোন ঘরোয়া উপাদানে ভরসা বিশেষজ্ঞদের?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতে কয়েকটি ঘরোয়া উপাদানে ভরসা করা যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, কয়েকটি অভ্যাসে নজর দেওয়া এবং কিছু খাবার নিয়মিত খেলে এই ধরণের সংক্রমণের ঝুঁকি কমতে পারে।

    নিয়মিত পর্যাপ্ত জল খাওয়ার অভ্যাস!

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোটো থেকেই শিশুর জল খাওয়ার দিকে নজর দেওয়া জরুরি।‌ শিশুর জন্মের ছ’মাস পর থেকেই সে নিয়মিত পর্যাপ্ত জল খাচ্ছে কিনা, সেই পরিমাপ সম্পর্কে সতর্ক থাকা দরকার। শরীরে জলের ঘাটতি হলেই একাধিক সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তার মধ্যে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন অন্যতম। তাই এই রোগের ভোগান্তি কমাতে নিয়মিত পর্যাপ্ত জল খেতে হবে। একজন স্কুল পড়ুয়ার নিয়মিত ৪ থেকে ৬ লিটার জল খাওয়া প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞেরা।

    ভাতের পাতে টক দই জরুরি!

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন কমাতে টক দই জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, টক দইয়ে প্রচুর পরিমাণে উপকারি ব্যাকটেরিয়া থাকে। যা অন্ত্র, মূত্রনালী ও একাধিক অঙ্গের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নষ্ট করে। রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তোলে। ফলে, ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের ঝুঁকিও কমে। তাই তাঁদের পরামর্শ, স্কুল থেকে ফিরে খাওয়ার শেষ পাতে নিয়মিত টক দই দেওয়া জরুরি। সন্তান নিয়মিত টক দই খেলে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের ঝুঁকি কমবে।

    ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল!

    কমলালেবু, পেয়ারা, আমলকি কিংবা কিউই যেকোনো একটি ফল নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরে ভিটামিন সি ঘাটতি হলে চলবে না। নিয়মিত তাই যেকোনো একটা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খেতে হবে। ছোটো থেকেই ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হবে। ফলে, সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমবে।

    পরিচ্ছন্নতায় বিশেষ নজর!

    স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতে ছোটো থেকেই পরিচ্ছন্নতায় বিশেষ নজর দিতে হবে। বিশেষত মেয়েদের স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে বিশেষ পাঠ দেওয়া জরুরি। কারণ মহিলারাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনে ভোগেন। তাই শৌচালয়ের পরিচ্ছন্নতার দিকে যেমন নজর দিতে হবে, তেমনি ভিজে কাপড়ে দীর্ঘ সময় থাকা যাবে না।‌ সুতির পরিচ্ছন্ন অন্তর্বাস পরার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। ঋতুস্রাবের সময় অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতার পাঠ জানা জরুরি।‌তাছাড়া, মল ও মূত্র ত্যাগের পরে পর্যাপ্ত জল দিয়ে ঠিকমতো পরিষ্কার করার অভ্যাস থাকাও জরুরি। তবেই একাধিক সংক্রমণ আটকানো সহজ হবে।

  • Beet juice: বিটের রসেই হবে বাজিমাত! কোন কোন রোগের মোকাবিলা করবে এই সবজি?

    Beet juice: বিটের রসেই হবে বাজিমাত! কোন কোন রোগের মোকাবিলা করবে এই সবজি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শীতের রঙিন সবজি বিট। মরশুমের হলেও এখন সারা বছর বিট পাওয়া যায়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত বিট খেলে বিশেষত বিটের রস খেলে শরীরে একাধিক উপকার পাওয়া যায়। আটকানো যাবে একাধিক সমস্যা। চিকিৎসকদের একাংশ বলছেন, দিনের নির্দিষ্ট সময় বিটের রস (Beet juice) খেলে বাড়তি‌ উপকার পাওয়া যায়। দেখে নেওয়া যাক, কোন কোন রোগের মোকাবিলা করবে বিট?

    আয়রনের ঘাটতি কমায় (Beet juice)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, বিটের পুষ্টিগুণ প্রচুর।‌এই সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। তাই নিয়মিত বিট খেলে বিশেষত বিটের রস খেলে শরীরে রক্তের ঘাটতি কমবে। বিশেষত যাঁরা আয়রনের অভাবে ভুগছেন, তাঁদের জন্য বিট খুবই উপকারী। গর্ভবতীদের জন্য বিট বাড়তি উপকার দেয়।

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াবে

    বিট রোগ প্রতিরোধে বিশেষ সাহায্য করে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, বিটে (Beet juice) প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। তাই বিট খেলে দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। যে কোনও সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করা সহজ হয়।

    উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করবে

    বিট উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন বিটে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ সহ একাধিক খনিজ পদার্থ। যা শরীরে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত বিটের রস খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ (Diseases) থাকে। যাঁরা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের জন্য বিট বাড়তি উপকার দেয়।

    ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্যও বাড়তি উপকারী (Beet juice)

    রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে বিটের উপকার অপরিসীম। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা রুখতেও বিট খুব সক্রিয়। খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ এই খাবার তাই ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য বাড়তি উপকারী বলেই মত পুষ্টিবিদদের একাংশের।

    অকাল বার্ধক্য ঠেকাতে সাহায্য করবে

    বলিরেখা রুখতে এবং বার্ধক্য ঠেকাতে বিটের গুরুত্ব অপরিসীম। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ত্বক টানটান রাখতে এবং বার্ধক্য রুখতে বিট খুবই উপকারী। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিটে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি নাইট্রেট থাকে। যা শরীরে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে নাইট্রিক অক্সাইডে পরিণত হয়। আর এই নাইট্রিক অক্সাইড শরীরে রক্তপ্রবাহে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এর ফলে অকাল বার্ধক্য আটকানো যায়।

    স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করবে (Beet juice)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখতেও বিট খুবই কার্যকরী। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিট থেকে শরীর প্রচুর নাইট্রিক অক্সাইড পায়। শরীরের বিভিন্ন অংশে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন তাই সহজেই পৌঁছে যায়। এর ফলে মস্তিষ্ক আরও সক্রিয় থাকে। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতেও বিট খুবই উপকারী।

    ত্বকের জন্য বাড়তি উপকারী

    ঠোঁট, গাল বা দেহের বিভিন্ন অংশে কালো ছোপ দূর করতে, ব্রণের সমস্যা মোকাবিলায় বিটের (Beet juice) উপকার অনেক। এমনটাই জানাচ্ছেন ত্বক রোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত বিট খেলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। এর ফলে একাধিক ত্বকের সমস্যা কমে। বিশেষত ব্রণর মতো সমস্যা মোকাবিলায় এটা খুবই কার্যকরী। তাছাড়া বিটে থাকে একাধিক ভিটামিন এবং আয়রন। এর ফলে ত্বকের স্বাভাবিক ময়েশ্চারাইজার পাওয়া যায়। ত্বকের শুষ্কতা কমে। ত্বক উজ্জ্বল থাকে। তাই নিয়মিত বিটের তরকারি বা বিটের রস খেলে ত্বক ভালো‌ থাকবে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Indian gooseberry: খাওয়ার পরেই একটা আমলকি!  এই ফলে কোন কোন রোগের মোকাবিলা সহজ হবে? 

    Indian gooseberry: খাওয়ার পরেই একটা আমলকি! এই ফলে কোন কোন রোগের মোকাবিলা সহজ হবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আমলকি! ভারতীয় এই ফলের চাহিদা বিশ্ব বাজারে তর তর করে বাড়ছে! বিশেষজ্ঞ মহল এই ফলের নাম দিয়েছে ‘সুপার ফুড’ (Indian gooseberry)! ভাত খাওয়ার পরে কিংবা বিকেলে, দিনের যে কোনও সময় এক টুকরো মুখে পুরলেই দেখা দেবে ম্যাজিক! একাধিক রোগ মোকাবিলার বাড়তি শক্তি পাওয়া যাবে এতে।  এমনকী বিভিন্ন রোগের উপশম করে এই ফল। তাই এই ফলকে ‘সুপার ফুড’ও বলা হয়।

    কাদের জন্য উপকারী এই ফল?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশু থেকে বয়স্ক, সকলেই এই ফল নিয়মিত খেতে পারে। সবার জন্য এই ফল বিশেষ উপকারী। তবে শিশুকে তিন বছরের আগে আমলকি দেওয়া উচিত নয়। কারণ, কাঁচা আমলকি যথেষ্ট শক্ত হয়। ফলে গলায় আটকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে তিন বছরের উর্ধ্বে শিশুদের এই ফল ছোট টুকরো করে দেওয়া যেতে পারে। বয়স্করা নিয়মিত আমলকি খেতে পারেন। প্রবীণদের জন্য আমলকি বিশেষ উপকারী হয়।

    কী কী উপকার পাওয়া যায়? (Indian gooseberry)

    আমলকিতে থাকে ভিটামিন সি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এর ফলে সর্দি-কাশি মোকাবিলায় এই ফল বিশেষ করে উপকারী। প্রবীণ এবং শিশুদের সর্দি-কাশির সমস্যা বেশি হয়। বিশেষত ঋতু পরিবর্তনের সময়ে বারবার অনেকেই সর্দি-কাশিতে নাজেহাল হন। তাই নিয়মিত আমলকি খেলে বাড়তি উপকার পাওয়া যায়। 
    মাথাব্যথায় আমলকি বিশেষ উপকার করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই বমি এবং মাথাব্যথার সমস্যায় ভোগেন। বিশেষত মাইগ্রেনের সমস্যায় আক্রান্তদের ভোগান্তি আরও বাড়ে। আমলকি (Indian gooseberry) নিয়মিত খেলে বমি ভাব দূর হয়। মাথাব্যথাও কমে। 
    আমলকিতে থাকে আয়রন।  তাই নিয়মিত আমলকি খেলে রক্তাল্পতা কমে। শরীরে আয়রনের জোগান ঠিকমতো পাওয়া যায়। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, বয়ঃসন্ধিকাল থেকে মেয়েরা নিয়মিত আমলকি খেলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি অনেকটাই কমবে। 
    আমলকিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই উপাদান শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে দেয়। ফলে নিয়মিত আমলকি খেলে ক্যান্সারের মতো রোগকেও মোকাবিলা করা সহজ হয়। 
    স্থূলতা কমাতে আমলকি (Indian gooseberry) বিশেষ সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আমলকি সহজেই দেহের ক্ষতিকারক মেদ ঝরাতে সাহায্য করে‌। তাই স্থূলতা রুখতে আমলকি খুবই উপকারী। 
    আমলকি হজমে সাহায্য করে। পাশপাশি বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আমলকির রস পেপটিক আলসার রুখতে বিশেষ সাহায্য করে। 
    উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও আমলকি বিশেষ সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শুকনো আমলকির (Amlaki) গুঁড়ো মধুর সঙ্গে মিশিয়ে নিয়মিত খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cold and Cough: সন্তানের সর্দি-কাশিতে নাজেহাল? কোন ঘরোয়া উপাদান করবে মুশকিল আসান?

    Cold and Cough: সন্তানের সর্দি-কাশিতে নাজেহাল? কোন ঘরোয়া উপাদান করবে মুশকিল আসান?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুম হাজির হতেই শুরু ভোগান্তি। কখনও ভ্যাপসা গরম, আবার কখনও লাগাতার বৃষ্টি। আবহাওয়ার এই রকমফেরের জেরে নানান অসুখ বাড়ছে। বিশেষ করে ভাইরাস ঘটিত রোগের দাপট বাড়ছে। সর্দি-কাশি, গলাব্যথায় কাবু অধিকাংশ স্কুলপড়ুয়া‌। ঋতু পরিবর্তনের সময় লাগাতার সন্তানের সর্দি-কাশির জেরে নাজেহাল বাবা-মায়েরাও। বিশেষজ্ঞদের একাংশ অবশ্য জানাচ্ছেন, কিছু ঘরোয়া উপাদানের (Domestic Ingredients) ব্যবহারেই হবে মুশকিল আসান। সামান্য কয়েকটি বিষয়ে সচেতনতা আর কিছু নিয়মিত অভ্যাসের বদল কমাবে ভোগান্তি। এবার একনজরে দেখে নিন, কোন ঘরোয়া উপাদান সমস্যা কমাবে?

    মেথি কমাবে শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি (Cold and Cough)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সর্দি-কাশির ভোগান্তি রুখতে মেথি খুবই সাহায্য করে। শ্বাসনালীতে ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণের জেরে সর্দি-কাশি থেকে নিউমোনিয়ার মতো জটিল সমস্যাও তৈরি হয়। পাশপাশি ফুসফুসের কার্যকারিতাও সমস্যায় পড়ে। ফলে হাঁপানির মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে। মেথির মতো মশলা রান্নায় নিয়মিত ব্যবহার করলে শ্বাসনালী ভালো থাকে। সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। তাই বর্ষায় সন্তানকে সুস্থ রাখতে রান্নায় মেথির ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।

    নিয়মিত রান্নায় থাকুক আদা আর রসুন

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আদা আর রসুন-এই দুই উপাদান সর্দি-কাশি (Cold and Cough) মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত যে কোনও একটি তরকারি রান্নার সময় এই দুই উপাদান ব্যবহার করলে সর্দি-কাশি মোকাবিলা সহজ হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, রসুনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই রসুন রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তোলে। বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হয়। বর্ষার মরশুমে সর্দি-কাশির এই সমস্যা মূলত বিভিন্ন ভাইরাস ঘটিত হয়। তাই দেহে পর্যাপ্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকলে, তা প্রতিরোধ সহজ হবে। পাশপাশি, আদা শ্বাসনালীর সংক্রমণ রুখতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই বর্ষার আবহাওয়ায় নিয়মিত আদা খেলে গলাব্যথা আর কাশির মতো সমস্যা কমবে।

    এক চামচ মধু-লেবুর সিরাপ কমাবে সর্দির ঝুঁকি (Cold and Cough)

    মধু শরীরের জন্য খুবই উপকারী। মধু যেমন দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে, তেমনি রোগ প্রতিরোধ শক্তিও‌ বাড়ায়। সর্দি-কাশির মতো সমস্যা কমাতে মধু বিশেষ সাহায্য করে। আবার লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি। যে কোনও রকম লেবু নিয়মিত খেলে দেহে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি পৌঁছয়। এর জেরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। সর্দি-কাশির ভোগান্তিও কমে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে বাড়িতেই এক ধরনের সিরাপ তৈরি থাক। নিয়মিত লেবুর রস আর মধু (Domestic Ingredients) মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশির ভোগান্তি কম হবে। এতে শরীর সুস্থ থাকবে।

    কোন অভ্যাস ছাড়লে কমবে রোগের ঝুঁকি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বর্ষার আবহাওয়ায় তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। কিন্তু অনেকেই এখনও সারারাত এসি চালিয়ে ঘুমোচ্ছেন। বিশেষত শিশুরা এই আবহাওয়ায় কোনও রকম চাদর গায়ে ঢাকা না দিয়ে, সারা রাত এসি ঘরে ঘুমোলে সর্দি-কাশির (Cold and Cough) ঝুঁকি বেড়ে যাবে। এসির ব্যবহারে তাই লাগাম টানতে হবে। ঠান্ডা পানীয় বা আইসক্রিম খাওয়ার ক্ষেত্রেও রাশ টানা জরুরি। খুব ঠান্ডা জাতীয় খাবার খেয়েই আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক ইনফেকশন হয়। আর তার থেকেই সর্দি-কাশির ভোগান্তিও বাড়ে। তাই আইসক্রিম বা ঠান্ডা পানীয় খাবারে রাশ জরুরি। ফ্রিজে রাখ ঠান্ডা জল এই আবহাওয়ায় একেবারেই খাওয়া উচিত নয় বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vitamin C: রোজ ভিটামিন সি গ্রহণ করছেন? সাবধান! অতিরিক্ত ভিটামিন সি ডেকে আনতে পারে বিপদ

    Vitamin C: রোজ ভিটামিন সি গ্রহণ করছেন? সাবধান! অতিরিক্ত ভিটামিন সি ডেকে আনতে পারে বিপদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিটামিন সি Vitamin C) আমাদের শরীরের জন্য অতি প্রয়োজনীয় একটি ভিটামিন। পুষ্টির অভাব, ভুল খাদ্যাভ্যাস, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনসহ নানা কারণে শরীরে ভিটামিন সি এর অভাব দেখা দিতে পারে। ফলে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার ডায়েটে রাখা উচিত। কারণ ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এবং দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ত্বক ও চুলের যত্নেও এর জুড়ি নেই। ভিটামিন সি এর অভাবে শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    অনেকে আবার করোনা (Corona) আবহের থেকে ভিটামিন সি-এর ট্যাবলেট খেতে শুরু করেছেন ও রোজই খাচ্ছেন। ফলে এক্ষেত্রে দেখা দিতে পারে কিছু সমস্যা। কারণ মনে রাখতে হবে যে কোনও ভিটামিনই অতিরিক্ত খাওয়া শরীরে খারাপ প্রভাব ফেলে। তাই এটা কখনওই ঠিক নয় যে ভিটামিন যত খাবেন তত ভালো। ফলে ভিটামিন সি খাওয়ার যেমন উপকারিতা রয়েছে, তেমন আছে ক্ষতিকর প্রভাবও।

    ভিটামিন সি-এর উপকারিতা-

    অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৃদ্ধি

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন সি একটি কার্যকর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের ফ্রি র‌্যাডিক্যাল নামক ক্ষতিকারক কণাগুলিকে দূর করে। এটি আঘাত বা সংক্রমণের পর দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহের কারণে সৃষ্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়।

    ইমিউন সিস্টেমকে সাহায্য করে

    ভিটামিন সি রোগ সংক্রমন থেকে দূরে রাখতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে, রোগ কমাতে সাহায্য করে।

    আরও পড়ুন: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চান? জানুন কী কী খাবেন

    ক্যান্সার প্রতিরোধ

    ভিটামিন সি-এর অভাবজনিত লোকেদের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে৷ ভিটামিন সি ক্যান্সার রোগীদের জন্যও সহায়ক। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন সি অগ্ন্যাশয়, খাদ্যনালী এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    ভিটামিন সি অতিরিক্ত খেলে কী কী হতে পারে?

    কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়

    ভিটামিন সি-তে অক্সালেটস রয়েছে। তা থেকে কিডনি স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই প্রতিদিন ভিটামিন সি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় না।

    পাকস্থলীর সমস্যা

    দীর্ঘদিন ধরে বেশি মাত্রায় ভিটামিন সি খেলে শরীরে  তা জমা হতে পারে এবং পেটে ব্যথা, বমি, অম্বল এবং ডায়রিয়ার মতো সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে৷

LinkedIn
Share