Tag: Vitamin D

Vitamin D

  • Leaf vegetables: ভাতের পাতে শাক চাই-ই চাই! কোন শাকে কী উপকার, জানেন?

    Leaf vegetables: ভাতের পাতে শাক চাই-ই চাই! কোন শাকে কী উপকার, জানেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দুপুরের মেনুতে রকমারি পদ থাকলেও, বাঙালির শাক (Leaf vegetables) ছাড়া ভাত খাওয়া যেন তাকে অসম্পূর্ণ করে দেয়! বিয়েবাড়িতে মাছের মাথা দিয়ে পুঁইশাক হোক কিংবা শীতের সবজি আর বড়ি ভাজা দেওয়া পালংশাক, বাঙালির রসনা তৃপ্তিতে এসব আলাদা স্বাদ জোগায়। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শুধু স্বাদের জন্য নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও এই শাকের গুরুত্ব অপরিসীম। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত শাক খেলে শরীরের একাধিক রোগ প্রতিরোধ সহজ হয়। নানান রোগের ঝুঁকিও সহজেই কমানো যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিভিন্ন শাকে নানান পুষ্টিগুণ রয়েছে। তাই নিয়মিত যে কোনও এক ধরনের শাক মেনুতে রাখলে শরীর ভালো থাকবে! আসুন জেনে নিই কোন শাকের কী কী গুণ?

    পালং শাক কমাবে আয়রনের ঘাটতি (Leaf vegetables)

    পালং শাকে (Vegetable)  প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। অধিকাংশ বাঙালি মেয়েই আয়রনের ঘাটতিতে ভোগেন। যার ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে। গর্ভাবস্থায় নানান ঝুঁকিও তৈরি হয়‌। পালং শাক সহজেই এই আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে।‌ তাই সপ্তাহে অন্তত দুদিন পালং শাক খেলে শরীরের আয়রনের চাহিদা অনেকটাই পূরণ হয়। এছাড়াও পালং শাকে রয়েছে নানান রকমের ভিটামিন। ভিটামিন এ, বি, সি এবং ই। এই ভিটামিনগুলো রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে দেয়। ত্বক ও চোখ ভালো রাখতেও এই ভিটামিন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাই সকলের জন্য পালং শাক বিশেষ উপকারী।

    কলমি শাক ম্যাগনেশিয়ামের জোগান দেবে (Leaf vegetables)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কলমি শাকে (Leaf vegetables)  শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের অভাব দূর হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, এর ফলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। তাছাড়া, কলমি শাকে থাকে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম। এর ফলে স্নায়ু ভালো থাকে। স্নায়ুর কার্যকারিতা বাড়ে। মস্তিষ্কের ক্ষমতাও বাড়ে। এছাড়া, কলমি শাক দেহে জলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, অর্থাৎ, শরীরে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিও কমায়‌।

    হাড়ের ক্ষয় কমাবে সর্ষে শাক

    দেশ জুড়ে হাড়ের ক্ষয় রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষত তিরিশ বছরের বেশি মহিলাদের কোমর ও হাঁটুর সমস্যা বাড়ছে। ক্ষয় রোগ দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হাড়ের সমস্যার কারণ ভিটামিন ডি-র অভাব। আবার পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, সর্ষে শাক (Leaf vegetables) থেকে সহজেই ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। এর ফলে হাড়ের ক্ষয় রোগের ঝুঁকি কমে। তাছাড়া, সর্ষে শাকে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভালো কোলেস্টেরল। যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। তাই সর্ষে শাক খেলে একাধিক উপকার পাওয়া যায়।

    খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ লাল শাক

    লাল শাকে রয়েছে একাধিক খনিজ পদার্থ। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম সহ একাধিক খনিজ পদার্থ রয়েছে লাল শাকে (Leaf vegetables)। তাই তাঁরা জানাচ্ছেন, লাল শাক থেকে শরীর সহজেই নানান খনিজ পদার্থ পায়। এর জেরে পেশি, স্নায়ু সক্রিয় থাকে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। পাশপাশি স্মৃতিশক্তিও বাড়ে। লাল শাক খুবই উপকারী একটি খাবার বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াবে পুঁই শাক

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে পুঁই শাক সাহায্য করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, পুঁইশাক ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার। তাই এই খাবার খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। এছাড়াও পুঁই শাকে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। তাই শরীর সুস্থ রাখতে এই শাক (Leaf vegetables) বিশেষ সাহায্য করে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যমএর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Vitamin D: আমাদের শরীরে কতটা ভিটামিন-ডি প্রয়োজন? এর উৎস কী কী?

    Vitamin D: আমাদের শরীরে কতটা ভিটামিন-ডি প্রয়োজন? এর উৎস কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে ভিটামিন-ডি (Vitamin D) এর অভাবজনিত সমস্যায় অনেক মানুষই ভোগেন। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ভিটামিন-ডি মূলত ক্যালসিয়ামকে শরীরে শোষণ করতে প্রয়োজন হয়। আমরা সবাই জানি, ক্যালসিয়াম হাড়কে শক্ত করে। এ ছাড়া ক্যালসিয়ামের আরও অনেক কাজ মানবদেহে রয়েছে। ভিটামিন-ডি (Vitamin D) এর অভাবে শিশুদের রিকেট রোগ হয়। শিশুদের পা ধনুকের মতো বেঁকে যায় এবং মাথার খুলি বড় হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন এই রোগে ভুগলে দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিও ব্যাহত হয়। এর পাশাপাশি শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমে যায়। দেহে ভিটামিন-ডি এর অভাবে চোয়ালের গঠনও ঠিকঠাক হয় না, অসময়ে দাঁত পড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা যায়। বড়দের অস্টিওম্যালেসিয়া নামের এক প্রকার রোগ হয় ভিটামিন-ডি এর অভাবে। এই রোগে বয়স্কদের হাড় থেকে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস ক্ষয় হয়ে পড়ে। কখনও কখনও কোমরে ও মেরুদণ্ডে বাতের ব্যথার মতো ব্যথা অনুভূত হয়। অনেক ক্ষেত্রে মেরুদণ্ডও বেঁকে যায়।

    চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, দৈনিক ছোট ছোট ভিটামিন-ডি এর ডোজ আপনারা নিতেই পারেন

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ১৯ থেকে ৭০ বছর বয়সি প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিদিন নিয়মিত (Health Tips) করে ১৫ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন-ডি গ্রহণ করা উচিত। বিভিন্ন খাদ্যের মাধ্যমে, পিলের মাধ্যমে ভিটামিন-ডি নেওয়া যেতেই পারে। এর পাশাপাশি রোদেও প্রচুর ভিটামিন-ডি থাকে। তবে ভিটামিন-ডি এর পরিমাণ শরীরে বেড়ে যাওয়াও ঠিক নয়, এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা। কারণ এর প্রভাবে হাইপারক্যালসেমিয়া রোগ হতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, দৈনিক ছোট ছোট ভিটামিন-ডি এর ডোজ আপনারা নিতেই পারেন। ডি-২, ডি-৩ সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যেতেই পারে। কিন্তু অবশ্যই তা যে কোনও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিতে হবে। কারণ এর সঙ্গে অনেক কিছু ফ্যাক্টর কাজ করে, যেমন আপনার শরীরের অবস্থা কেমন, আপনি কোন পরিবেশে থাকেন- এ সমস্ত কিছুই। তবে শরীরে মারাত্মক পরিমাণে ভিটামিন-ডি এর ঘাটতি হলে সাপ্তাহিক বড় ডোজ নেওয়া যেতে পারে।

    উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন-ডি (Vitamin D) নিলে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে

    ২০২৩ সালের একটি গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তিদের মৃত্যুহার কমিয়ে দিয়েছে ভিটামিন-ডি এর বড় পরিমাণের সাপ্তাহিক ডোজ (Health Tips)। অন্যদিকে, সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা যাচ্ছে যে বেশিরভাগ আমেরিকার নাগরিকই ভিটামিন-ডি (Vitamin D) এর অভাবে ভোগেন বা পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-ডি তাঁরা পান না। ২০২২ সালে এই সমীক্ষাটি হয়। যেখানে দেখা যাচ্ছে ৪১ শতাংশ আমেরিকার নাগরিকের শরীরে ভিটামিন-ডি এর অভাব রয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ জনেরই বয়স ২০ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে। ভিটামিন-ডি এর অভাবে ক্লান্তি দেখা যায় শরীরে, কাজে অনীহা থাকে, হাড়ের ব্যথার মতো নানা রকমের উপসর্গও দেখা যায়। তবে কখনও আপনি বুঝতে পারবেন না যে আপনার ভিটামিন-ডি এর অভাবের জন্য শরীরে এইগুলি রোগগুলি হচ্ছে। আপনার শরীরে ভিটামিন-ডি এর অভাব রয়েছে কিনা তা জানতে আপনাকে রক্ত পরীক্ষা করতেই হবে। তবে প্রতিবেদনে শুরুতেই যেমন বলা হয়েছে, শরীরে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন-ডি নিলে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে। এই হাইপারক্যালসেমিয়া রোগে ঘনঘন প্রস্রাব, দুর্বলতা ভাব, বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা যায়।  ভিটামিন-ডি এর অত্যধিক পরিমাণের ফলে কিডনিতে পাথরও হতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। এর পাশাপাশি নানা রকমের কিডনির জটিলতাও হতে পারে।

    ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ অনেক খাবারই রয়েছে

    ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ অনেক খাবারই রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে আপনি নিতে পারেন পনির, ডিমের কুসুম, চর্বিযুক্ত যে কোনও মাছ, যেমন ম্যাকরাল, স্যামন, টুনা ইত্যাদি। এর পাশাপাশি প্রাতঃরাশের টেবিল আপনি রাখতে পারেন দুধ, কমলার রস, মাশরুম ইত্যাদি। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, অ্যাভোকাডো এবং বাদামেও ভরপুর পরিমাণে ভিটামিন-ডি থাকে। অনেক মানুষই সকালে ঘুম থেকে উঠে অথবা রাতে শোবার আগে ভিটামিন-ডি সাপ্লিমেন্ট নিতে বেশি পছন্দ করেন। তবে এর ফলে ভিটামিন-ডি এর কার্যকারিতা বাড়ে নাকি, তা নিয়ে চিকিৎসকরা কিছু বলতে পারছেন না।

    সূর্যালোক থেকে কীভাবে নেবেন ভিটামিন-ডি

    ১) চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, রোদে আপনার ছায়া আপনার তুলনায় যখন ছোট হেব সেসময়ই আপনার ত্বক সবচেয়ে বেশি ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি করতে পারবে। 

    ২) অতিবেগুনি রশ্মি কাচ ভেদ করতে পারে না। তাই গাড়ি বা ঘরের ভেতর জানালা বন্ধ অবস্থায় রোদ এলেও লাভ নেই, পর্যাপ্ত ভিটামিন-ডি মিলবে না।

    ৩) পোশাক ও সানস্ক্রিন ত্বকে সরাসরি ভিটামিন-ডি লাগতে বাধা দেয়। তাই আপাদমস্তক ঢেকে বাইরে বের হয়ে লাভ নেই। অন্তত হাত-পা বা মুখের কিছু অংশ খোলা রাখুন।

    ৪) বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে  ত্বকের ভিটামিন-ডি তৈরি করার ক্ষমতা কমতে থাকে। তাই বয়স্কদের বেশি পরিমাণে ভিটামিন-ডি এর প্রয়োজন হয়। সূর্যালোকে দিনে অন্তত ২০ মিনিট কাটাতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Fish: নিয়মিত ভাতের পাশে মাছ! কোন মাছে শরীরে উপকার, আর কোনটি বাড়াচ্ছে রোগ? 

    Fish: নিয়মিত ভাতের পাশে মাছ! কোন মাছে শরীরে উপকার, আর কোনটি বাড়াচ্ছে রোগ? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    অতিথি আসুক কিংবা কোনও আনন্দ উদযাপন, অথবা রোজদিনের খাবারের মেনু, বাঙালির ভাতের পাশে মাছ না হলে চলে না। বাঙালির প্রিয় খাবারের তালিকায় মাছ থাকবেই। নানান রকমের মাছ বাঙালির হেঁসেলে রান্না হয়। কিন্তু সব মাছের (Fish) পুষ্টিগুণ কি সমান! কোন ধরনের মাছ নিয়মিত খাওয়া উচিত, আর কোন মাছ বিপদ বাড়াচ্ছে, এ নিয়ে স্পষ্ট ধারণা অনেকের নেই। আর তার জেরেই স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ছে‌। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বহু রোগ মোকাবিলায় মাছ সাহায্য করে‌। আবার কিছু রোগ বাড়ায় মাছ! এ নিয়ে সচেতনতা থাকলে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা সহজ হবে‌ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কোন মাছ শরীরের জন্য উপকারী? (Fish)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রুই, কাতলার মতো বড় মাছ শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের মাছে ওমেগা থ্রি ও ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। ফলে একাধিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। বিশেষত হাড়ের জন্য এই মাছ বিশেষ উপকারী। তাছাড়া, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এই মাছ। রেটিনার কার্যক্ষমতা বাড়ায়। ফলে চোখের সমস্যা কমে। 
    পাশপাশি যে কোনও সামুদ্রিক মাছ শরীরে ভিটামিন ডি-র জোগান দেয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ মানুষ ভিটামিন ডি-র অভাবে ভুগছেন। বিশেষত মহিলাদের হাড়ের নানান সমস্যার কারণ শরীরে ভিটামিন ডি-র অভাব। তাই সামুদ্রিক মাছ (Fish) খেলে শরীরে ভিটামিন ডি-র জোগান পাওয়া যাবে। ইলিশ, চিংড়ি, পমফ্লেটের মতো সামুদ্রিক মাছ খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। এই ধরনের মাছে আয়োডিন বেশি থাকে। ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 
    লইট্যা, চিংড়ির মতো মাছে মিনারেল, জিঙ্কের মতো উপাদান আছে। ফলে শরীরে খনিজ পদার্থের চাহিদা সহজেই পূরণ করে এই মাছ। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ক্লান্তি দূর করে পেশিকে শক্তিশালী করতে এই মাছ খুবই উপকারী (Health Benefits of Fish)।

    ক্যান্সার এবং স্নায়ুর রোগেও কার্যকর

    যে কোনও মাছে থাকে সেলেনিয়াম। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। যা শরীরের ক্যান্সার সহ একাধিক জটিল রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে দেয়। স্নায়ুর রোগ কমাতেও মাছ বিশেষ সাহায্য করে। বিশেষত ভেটকি মাছ (Fish) স্নায়ুর রোগ কমাতে বিশেষ সাহায্য করে বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। পুঁটি, কাচকি, মৌরলার মতো ছোট মাছ শরীরে ক্যালসিয়ামের জোগান দেয়। এই মাছে ক্যালসিয়াম, আয়রন পর্যাপ্ত থাকে। তাই নিয়মিত এই ধরনের মাছ খেলে রক্তাল্পতার মতো রোগ প্রতিরোধ সহজ হয়‌। 
    তাছাড়া, রুই, কাতলা, ইংলিশ যে কোনও বড় আকারের মাছে থাকে ফসফরাস। এই উপাদান রক্ত সঞ্চালনে বিশেষ সাহায্য করে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। 

    বিপদ বাড়ায় কোন মাছ? (Fish) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মাছে বিশেষ বিপদ নেই। বিপদ রয়েছে রান্নার পদ্ধতিতেই। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, যেকোনও খাবার অতিরিক্ত খাওয়া বিপজ্জনক। তাই ইলিশ, চিংড়ি বা কাতলা অত্যন্ত বেশি পরিমাণে খেলে তা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। কারণ তখন হজমের সমস্যা দেখা যায়। শরীরে ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের মাত্রাও বেড়ে যায়। ফলে একাধিক রোগ তৈরি হয়। তাছাড়া পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, মাছ (Fish) কখনোই ঠিকমতো সেদ্ধ না করে খাওয়া উচিত নয়। অর্থাৎ, কাঁচা মাছ যেন না থাকে। তাতে পেটে নানান ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধার আশঙ্কা থাকে। ফলে নানান রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। মাছ হালকা ভেজে ভালোভাবে ঝোলে ফুটিয়ে খেলে মাছের পুষ্টিগুণ শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ (Health Benefits of Fish)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Women’s Health: চল্লিশের পরই বাড়ছে রোগ! কোন তিনটি উপাদানের হেরফেরে মহিলাদের এই ভোগান্তি? 

    Women’s Health: চল্লিশের পরই বাড়ছে রোগ! কোন তিনটি উপাদানের হেরফেরে মহিলাদের এই ভোগান্তি? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়সের চৌকাঠের সঙ্গে রোগের মাপকাঠি সব সময় মেলে না। আবার কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, নির্দিষ্ট একটি বয়সের পরেই বাড়ছে নানান শারীরিক ভোগান্তি। চিকিৎসক মহল অবশ্য জানাচ্ছেন, শরীরে একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে হরমোনের নানান পরিবর্তন হয়, আর তার জেরেই অনেক সময় শরীরের বিভিন্ন উপাদানের হেরফের হয়। ফলে অনেক সময়েই নানান রোগের ঝুঁকি বাড়ে। 
    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, চল্লিশের দোড়গোড়ায় পৌঁছে মহিলাদের মধ্যে নানান রোগের (Women’s Health) ঝুঁকি বাড়ছে। ত্বক, চোখের সমস্যার পাশপাশি হাড়ের সমস্যা মারাত্মকভাবে বাড়ছে‌। হাড় ক্ষয়, কোমরের সমস্যা, হাঁটুর যন্ত্রণা বাড়ছে। স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যাহত হচ্ছে। কর্মশক্তি কমছে। এর পাশপাশি উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের সমস্যা বাড়ছে। এর জেরে একাধিক শারীরিক জটিলতা তৈরি হচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মহিলাদের শরীরে চল্লিশ বছরের পরে নানান হরমোনের ভারসাম্য পরিবর্তন হয়। এর জেরেই রোগের দাপট বাড়তে পারে। কিন্তু শরীরে তিনটি উপাদানের জোগান থাকলে বড় রোগের ঝুঁকি এড়ানো যায়। দেখে নিন, কোন তিন উপাদানে নজর দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা?

    ম্যাগনেসিয়ামের জোগান বজায় রাখতে হবে (Women’s Health)

    চল্লিশের পরে অধিকাংশ মহিলা নানান স্নায়ুর সমস্যায় ভোগেন। পাশপাশি পেশিতে টান ও রক্তচাপ ওঠানামার মতো সমস্যাও দেখা যায়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেহে ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি হলে এই ধরনের সমস্যা বাড়ে। হাত ও পায়ের পেশিতে খিঁচুনি, হঠাৎ করেই শক্তি হারিয়ে ফেলার মতো অনুভূতি বেশি হয়। আবার হৃদরোগেরও ঝুঁকি বাড়ায় ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের জোগান ঠিকমতো হচ্ছে কিনা, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। বিশেষত চল্লিশ বছরের উর্ধ্বে মহিলাদের নিয়মিত ৩২০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম শরীরে প্রয়োজন। তাই তাদের কাঠবাদাম, কাজু, পেস্তার মতো বাদাম জাতীয় খাবার রোজ খাওয়া দরকার। এই ধরনের খাবার থেকে সহজে ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায়।

    ক্যালসিয়াম পর্যাপ্ত জরুরি

    মহিলাদের শরীরে নানান রোগের (Women’s Health) অন্যতম কারণ ক্যালসিয়ামের অভাব। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চল্লিশের পরে মহিলাদের মধ্যে হরমোনের পরিবর্তন হয়। আর এর সরাসরি প্রভাব পড়ে হাড়ে। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে সেই হাড় আরও দুর্বল হয়। এর জেরে কোমর, হাঁটু, দাঁত মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হাড় ক্ষয়ের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ বাড়ে। স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যাহত হয়। তাই শরীরে ক্যালসিয়ামের জোগান জরুরি। চিকিৎসকদের পরামর্শ, চল্লিশের চৌকাঠ পেরিয়ে মহিলাদের নিয়মিত টক দই খাওয়া দরকার। এই খাবার একদিকে ক্যালসিয়ামের জোগান দেয়, আবার পাকস্থলী, অন্ত্রও সুস্থ রাখে। টক দই ছাড়াও নিয়মিত দুধ বা দুধ জাতীয় খাবার, ডিম, লেবু খাওয়া দরকার। এই খাবারগুলো থেকে শরীরে সহজেই ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ হয়।

    ভিটামিন ডি-র অভাব যেন না থাকে (Women’s Health)

    মহিলাদের শরীরে নানান জটিল রোগের কারণ হল ভিটামিন ডি-র অভাব। স্নায়ু, পেশি কিংবা হাড়ের একাধিক রোগের কারণ ভিটামিন ডি পর্যাপ্ত না থাকা। তাই ভিটামিন ডি-র জোগানে সজাগ থাকা জরুরি। পালং শাক, সামুদ্রিক মাছ, ডিমের কুসুম নিয়মিত খেলে ভিটামিন ডি-র জোগান পাওয়া যায়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Eggs: সকালের জলখাবারে রোজ কি ডিম খান? ডিমের কোন পদ শরীরে রোগের ঝুঁকি বাড়ায়?

    Eggs: সকালের জলখাবারে রোজ কি ডিম খান? ডিমের কোন পদ শরীরে রোগের ঝুঁকি বাড়ায়?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালের জলখাবারে অনেকেরই পছন্দ ডিম সিদ্ধ! আবার অনেকেই হাফ সিদ্ধ ডিম (Eggs) খেতে ভালোবাসেন! পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডিম স্বাদের পাশপাশি স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখে‌। ডিমের উপকার অনেক। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে ডিম বিপদও বাড়ায়। তাই ডিম খাওয়ার সময় সতর্কতা জরুরি। না হলেই শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    ডিম কীভাবে খাবেন? (Eggs)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডিম শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, একাধিক ভিটামিন এবং প্রোটিন। নিয়মিত ডিম খেলে শরীরে প্রোটিন, ভিটামিন, ক্যালসিয়ামের চাহিদা সহজেই পূরণ হয়। তাছাড়া, ডিম নিয়মিত খেলে হাড়ের ক্ষয় রোগের ঝুঁকি কমে। পেশি মজবুত হয়। এছাড়া রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে‌। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ডিম কীভাবে খাওয়া হচ্ছে, তার উপরেই নির্ভর করছে ডিম শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করতে পারবে কিনা। 
    পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, ডিম সিদ্ধ করে খেলেই এর সবরকম পুষ্টিগুণ শরীরে ঢোকে। ডিমের (Eggs) সাদা অংশ এবং কুসুমে দু’রকমের পুষ্টিগুণ আছে‌। সাদা অংশ ক্যালসিয়াম জোগান দেয়। কুসুমে থাকে প্রোটিন এবং ভিটামিন। তাই সিদ্ধ ডিম খাওয়া সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। ডিম আধসিদ্ধ করে খাওয়া কিংবা অতিরিক্ত কাঁচা সানি সাইড আপের মতো পদ বানিয়ে খাওয়া, একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয় বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। কারণ, এতে ডায়ারিয়ার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিম ঠিকমতো সিদ্ধ না হলে তাতে সালমোনেল্লা নামে এক প্রকার জীবাণু থাকে‌। এতে ডায়ারিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই আধ-সিদ্ধ, ঠিকমতো রান্না না হওয়া ডিম একেবারেই এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ।

    দিনে কতগুলি ডিম খাওয়া যেতে পারে? (Eggs)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডিম উপকারী। কিন্তু সেটাও পরিমাণ মতো খাওয়া দরকার। তা না হলে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, দিনে একটা সিদ্ধ ডিম খাওয়া উচিত। তাঁরা জানাচ্ছেন, তিরিশ বছর পর্যন্ত নিয়মিত কুসুম সহ একটা ডিম খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু তিরিশের পরে একটু সতর্কতা জরুরি। অতিরিক্ত ওজন, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের মতো সমস্যা থাকলে সপ্তাহে চার দিন কুসুম সহ একটা ডিম (Eggs) এবং বাকি তিন দিন ডিমের সাদা অংশ খাওয়া যেতেই পারে। তবে যাঁরা অতিরিক্ত শরীর চর্চা করেন, তাঁদের বাড়তি প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। তাই তাঁরা একাধিক ডিম একদিনে খেতেই পারেন‌। তবে সেক্ষেত্রে পুষ্টিবিদদের পরামর্শ নেওয়া জরুরি বলেই মত বিশেষজ্ঞ মহলের‌। কারণ, তাঁদের শরীরের ওজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    শিশুদের নিয়মিত ডিম দেওয়া যেতে পারে? (Eggs)

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়স আট মাসের পর থেকেই শিশুকে ডিম দেওয়া যেতে পারে। তবে অবশ্যই শিশুকে ভালোভাবে সিদ্ধ করে ডিম দিতে‌ হবে। না হলে একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। পাশপাশি একসঙ্গে গোটা ডিম নয়। বরং অর্ধেক ডিম দেওয়াই ভালো বলে মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। কারণ শিশুদের অতিরিক্ত প্রোটিন জাতীয় খাবার দিলে হজমের অসুবিধা হতে পারে। তবে বছর দেড়েকের শিশুদের নিয়মিত একটা সিদ্ধ ডিম (Eggs) খাওয়া ভালো বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন। কারণ এতে শরীরে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিনের চাহিদা সহজেই‌ পূরণ হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bone Diseases: তিরিশের চৌকাঠেই কোমর আর পায়ে ব্যথা! হাড়ের ক্ষয় হচ্ছে না তো?

    Bone Diseases: তিরিশের চৌকাঠেই কোমর আর পায়ে ব্যথা! হাড়ের ক্ষয় হচ্ছে না তো?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দিনভর ল্যাপটপে কাজ করার পরে কোমর সোজা করে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে যায়। আবার চেয়ারে বসে বেশ কিছুক্ষণ কাজ করার পরেই পায়ে ব্যথা। এমনকী কয়েক পা হাঁটলেও গোড়ালিতে যন্ত্রণা। প্রৌঢ় বয়সে নয়, তিরিশের চৌকাঠ পেরলেই এমন একাধিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আর চল্লিশের পরে সিঁড়ি দিয়ে নামা-ওঠা, প্রয়োজনে মেঝেতে বসা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠছে। হাঁটু, পা আর কোমরের ব্যথায় কাবু তরুণ প্রজন্মের একাংশ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হাড়ের ক্ষয়ের (Bone Diseases) জেরেই বাড়ছে এই ধরনের সমস্যা।

    কেন বাড়ছে হাড়ের ক্ষয়-রোগ? (Bone Diseases)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হাড়ের ক্ষয়-রোগের সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত মহিলাদের মধ্যে এই সমস্যা আরও বেশি। ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি-র অভাবেই এই সমস্যা বেশি হচ্ছে। শিশুদের মধ্যেও হাড়ের শক্তি ঠিকমতো হচ্ছে না। ফলে, ভবিষ্যতে আরও বেশি এই ধরনের সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পুষ্টির ভারসাম্য না থাকার জেরেই এই সমস্যা বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই অতিরিক্ত প্রোটিন জাতীয় খাবার খাচ্ছেন। কিন্তু ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার শরীর পর্যাপ্ত পাচ্ছে না। তার জেরেই স্থূলতা বাড়ছে। দেহের ওজন ধরে রাখতে পারছে না হাঁটু এবং পা‌। ফলে হাড়ের সমস্যা (Bone Diseases) আরও বাড়ছে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক মহল?

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, খাদ্যাভ্যাস এবং শরীরচর্চা, এই দুই অস্ত্রেই কাবু হবে হাড়ের ক্ষয়-রোগ (Bone Diseases)। তাঁদের পরামর্শ, রুটিনমাফিক জীবনযাপন কমিয়ে দেবে হাড়ের রোগের দাপট। বিশেষত কোমর, পায়ের যন্ত্রণা কমাতে নিয়মিত শরীরচর্চার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রত্যেক দিন অন্তত একটানা তিরিশ মিনিট হাঁটলে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি ক্ষয় হবে। এতে স্থূলতার সমস্যা এড়ানো যাবে। পাশপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা করলে কোমর, পিঠ, হাত এবং পায়ের পেশি সচল থাকবে। ফলে, ব্যথা কাবু করতে পারবে না। পাশপাশি, একটানা চেয়ারে বসে থাকা বা ল্যাপটপে কাজ করতে নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁদের পরামর্শ, অন্তত তিরিশ মিনিট অন্তর একটু হাঁটাচলা করা জরুরি। তাতে ব্যথা কমবে। তাছাড়া, তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশ দিনের একটা বড় সময় এয়ারকন্ডিশন ঘরে থাকে। সূর্যের আলোতে বিশেষ সময় কাটানো হয় না। কিন্তু দিনের কিছুটা সময় রোদে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, এতে শরীরে ভিটামিন‌ ডি পাওয়া যায়। ফলে, শরীর সুস্থ থাকে।

    খাবারে বিশেষ নজরদারি (Bone Diseases)

    তবে, হাড়ের ক্ষয়-রোগ রুখতে খাবারে বিশেষ নজরদারি জরুরি। কারণ, এতে দেহে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হবে। পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, হাড়ের ক্ষয় রুখতে নিয়মিত ডিম খেতে হবে। দিনে অন্তত একটা ডিম খাওয়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং ক্যালসিয়াম। তাই নিয়মিত ডিম খেলে হাড়ের শক্তি বাড়ে। এছাড়া, কলা, লেবু জাতীয় ফল, বাদাম এবং গাজর, পালং শাক, ব্রকোলির মতো সব্জি নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। কারণ, এগুলোতে রয়েছে ভিটামিন এবং ক্যালসিয়াম, যা হাড়কে শক্তিশালী (Bone Diseases) করতে সাহায্য করে। পাশপাশি তৈলাক্ত মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। কারণ, এতে থাকে ওমেগা থ্রি। এছাড়াও ভিটামিন ডি। যা শরীরের জন্য উপকারী। নিয়মিত ডাল খাওয়ারও পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, ডালে থাকে প্রোটিন। যা শরীর সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vitamins: ভিটামিন ডি-র অভাব? হতে পারে হাড়ের মারাত্মক ক্ষয় রোগ!

    Vitamins: ভিটামিন ডি-র অভাব? হতে পারে হাড়ের মারাত্মক ক্ষয় রোগ!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    মাত্র তিরিশের চৌকাঠ পেরলেই কমছে হাঁটুর শক্তি। একটানা বসে থাকলে কোমরে ব্যথা হচ্ছে। বিশেষত মহিলাদের এই ধরনের সমস্যা আরও বাড়ছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, হাড়ের শক্তি কমছে। হাড়ের ক্ষয় রোগ বাড়ার জেরেই পা, কোমর, হাঁটুর সমস্যা বাড়ছে। আর পিছনে রয়েছে ভিটামিন ডি-র (vitamins) অভাব!

    ভিটামিন ডি (vitamins) কেন সমস্যা বাড়াচ্ছে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ভিটামিন ডি হাড়ের শক্তি বাড়ায়। ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড়ের ক্ষয় বৃদ্ধি পায়। আর শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি (vitamins) থাকলে, সেই ক্ষয় হয় না। হাড়ের ক্ষয় রুখতে ভিটামিন ডি বিশেষ সাহায্য করে। হাড়ের ক্ষয় রুখতে পারলেই হাঁটু, কোমরের যন্ত্রণা কমবে। পাশপাশি হাঁটা বা বসে থাকতেও কষ্ট হবে না। হাড় মজবুত না হওয়ার জেরেই সমস্যা বাড়ছে। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। 

    তবে, ভিটামিন ডি শুধু হাড় মজবুত করে না। ভিটামিন ডি-র অভাব আরও নানা রকম সমস্যা তৈরি করে। ভিটামিন ডি-র (vitamins) অভাবে দাঁতের সমস্যাও দেখা যায় বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। দাঁতের যন্ত্রণা কিংবা অকালে দাঁত পড়ে যাওয়ার কারণ ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। 

    পাশপাশি শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি না থাকলে চুল পড়ে যায় বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। ত্বকের একাধিক সমস্যা হতে পারে ভিটামিন ডি-র (vitamins) অভাবে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, দেহের যে কোনও জায়গায় ঘা হলে, তা শুকোতে দেরি হয়। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ঝুঁকিও থাকে।

    কোন খাবারে ভিটামিন ডি-র (vitamins) ঘাটতি পূরণ সম্ভব? 

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, খুব কম বয়স থেকেই খাবারে বাড়তি নজরদারি জরুরি। শরীরে যাতে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সচেতনতা দরকার। তাঁদের পরামর্শ, প্রতি দিন অন্তত দশ থেকে পনেরো মিনিট সূর্যের আলোয় কাটাতে হবে। শরীরে নিয়মিত রোদ লাগালে ভিটামিন ডি-র (vitamins) চাহিদা সহজে পূরণ হয়। 
    তবে, এটাই যথেষ্ট নয়, খাবারের ক্ষেত্রে বিশেষ নজরদারি জরুরি। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মহিলাদের ভিটামিন ডি-র অভাব বেশি দেখা যায়। তাই ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়ার পরে অর্থাৎ পোস্ট মেনোপজ পর্বে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। খাবারের তালিকায় নিয়মিত সামুদ্রিক মাছ, ডিমের কুসুম আর দুধ রাখতে হবে। কারণ, এই খাবারগুলো ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ। তাছাড়া, কড লিভার অয়েল যুক্ত যে কোনোও খাবার খেতে হবে। কারণ, এই খাবার ভিটামিন ডি-র চাহিদা পূরণ করে। 
    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার খেলে এবং নিয়মিত ডায়েটে নজরদারি রাখলে দ্রুত ভিটামিন ডি-র ঘাটতি পূরণ করা যায়। তাই প্রথম থেকেই সতর্ক ভাবে জীবন যাপন করলে অনেক সমস্যারই সহজে সমাধান করা সম্ভব।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vitamin D Foods: শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি? এই ৫টি খাবারে দূর হবে বিভিন্ন সমস্যা

    Vitamin D Foods: শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি? এই ৫টি খাবারে দূর হবে বিভিন্ন সমস্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন ভিটামিনের মত ভিটামিন ডিও আমাদের দেহের জন্য অত্যন্ত জরুরী। ভিটামিন ডি এর প্রধান কাজ হল রক্তে ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের পরিমাণ স্বাভাবিক মাত্রায় রাখা, যা সুস্থ হাড় বজায় রাখতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে, গাঁটের ব্যথা, কোমরে ব্যথা, পেশির যন্ত্রণা অর্থাৎ হাড় সংক্রান্ত যেকোনও সমস্যা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে ভিটামিন ডি। ভিটামিন ডি-এর অভাবে আর্থারাইটিস, রিকেটস, অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

    প্রসঙ্গত, প্রায় ৪০শতাংশ ভারতীয়দের পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি এর অভাব রয়েছে। ভিটামিন ডি-এর মূল উৎস হল সূর্য, এটা প্রায় সবারই জানা। তবে সূর্য ছাড়াও কিছু খাবার রয়েছে যা ভিটামিন ডি-এ সমৃদ্ধ। তাই ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ করার জন্য আপনাকে নিয়মিত কোন কোন খাবার খেতে হবে দেখে নিন।

    চিজ- নিরামিষ খাবারের মধ্যে ভিটামিন ডি-এর অন্যতম উৎস হল চিজ। আপনার ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণের সবচেয়ে সহজ এবং সুস্বাদু উপায় হল বেশি করে চিজ খাওয়া। রিকোটা চিজে যেকোনো ধরনের চিজের মধ্যে ভিটামিন ডি-এর সর্বাধিক ঘনত্ব রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ওজন কমাতে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করেন? সাবধান! ডেকে আনছেন না তো বিপদ?

    ডিম- ডিমের কুসুমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি আছে। এটি ভিটামিন ডি-এর একটি অন্যতম ভালো উৎস। শুধু ভিটামিন ডি নয়, এতে আছে একাধিক পুষ্টিকর এবং জরুরি ফ্যাট, প্রোটিন। তাই ডিম খেলে এনার্জি পাওয়া যায়।

    মাশরুম- এমনিতে মাশরুমে ভিটামিন ডি অত থাকে না। কিন্তু অতি বেগুনি রশ্মিতে রাখলে মাশরুম ভিটামিন ডি তৈরি করে। এটি একমাত্র অপ্রাণিজ খাদ্য যেখান থেকে যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন ডি মেলে। ভিটামিন ডি ২ সরবরাহ করে মাশরুম, যা শরীরে ভিটামিন ডি তৈরি করতে সাহায্য করে।

    স্যালমন মাছ- ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ করতে চাইলে আপনার ডায়েটে রাখুন স্যালমন মাছ। এই মাছ খুবই পুষ্টিকর কারণ এতে প্রোটিন এবং ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিডও রয়েছে।

    সয়া মিল্ক- সয়া মিল্কে গরুর দুধের মতো প্রায় একই প্রোটিন উপাদান রয়েছে, তবে এতে উচ্চ মাত্রায় আয়রন, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ডি রয়েছে।

LinkedIn
Share