Tag: vladimir putin

vladimir putin

  • SCO Summit 2022: মোদির মুখোমুখি শি, শেহবাজ! এবারের এসসিও সম্মেলনে ভারতের গুরুত্ব কতটা?

    SCO Summit 2022: মোদির মুখোমুখি শি, শেহবাজ! এবারের এসসিও সম্মেলনে ভারতের গুরুত্ব কতটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হল ২২তম সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন সামিট, সংক্ষেপে এসসিও (SCO)। দু দিনের এই সম্মেলন শুরু হয়েছে উজবেকিস্তানের সমরখন্দে। ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), চিনের (China) প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping), রাশিয়ার (Russia) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin), পাকিস্তানের (Pakistan) প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) যোগ দিয়েছেন এই সম্মেলনে। এই প্রথম বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরা মুখোমুখি হবে এই সম্মেলনে। কারণ অতিমারির কারণে এর আগে দুবার এসসিও সামিট হয়েছিল ভার্চুয়ালি।এক মঞ্চে জিনপিং এবং পুতিনের আগমনে যেমন নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত পাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহল, তেমন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিও নজর কাড়ছে বিশ্ববাসীর।

    আঞ্চলিক নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, মাদক পাচার, সন্ত্রাসবাদ বিরোধী ইস্যু সহ নানা বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করে ভারত। এসসিও ভারতকে বহুপাক্ষিক ও আঞ্চলিক বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে। যদিও ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলি ভারতে সামাজিক ক্ষত তৈরি করতে যুবসমাজকে টার্গেট করছে বলে অভিযোগ। ভারত যখন থেকে এসসিওর সদস্য হয়েছে, তখন থেকেই শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ইউরেশিয়ান অঞ্চলে স্থায়িত্বের ওপর জোর দিচ্ছে। এসসিও নয়াদিল্লির কাছে একটা প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করছে। যার মাধ্যমে পাকিস্তানকে সেন্ট্রাল এশিয়া এবং সাউথ এশিয়া সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে বাধ্য করে। ভারত এই সম্মেলনে ছাবাহার বন্দর প্রোজেক্ট এবং ইন্টারন্যাশনাল নর্থ সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডর নিয়েও আলোচনা করতে পারে। ভারত, ইরান এবং উজবেকিস্তান এই তিন দেশ ছাবাহার বন্দর ও অন্যান্য কানেক্টিভিটি প্রজেক্ট নিয়ে আলোচনা করেছিল ২০২০ সালে।এই সামিটের মাধ্যমে ভারত রাশিয়া, ইরান এবং সেন্ট্রাল এশিয়ান রিপাবলিক্সের সঙ্গে তার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ঝালিয়ে নেওয়ার একটা সুযোগ পেল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আরও পড়ুন : শুক্রবার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মোদি-পুতিন, কী নিয়ে আলোচনা হতে পারে?

    এদিকে, এই সম্মলেনর ফাঁকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলাদা করে বৈঠকে বসতে পারেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে মোদির আলাদা করে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ভারত রাশিয়া থেকে জ্বালানি কিনেছে। তাই এই বৈঠকের দিকে শ্যেনদৃষ্টি রয়েছে আমেরিকারও। এদিকে, এবারের সমরখন্দ সামিটে যোগ দেওয়ার কথা শি জিনপিংয়ের। ২০২০ সালের পর অতিমারির কারণে তিনি দেশের বাইরে পা রাখেননি। তাই তিনি এই সামিটে যোগ দেওয়ায় শুরু হয়েছে নয়া গুঞ্জন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Putin on India: ভারত নিজের অধিকারেই বিশ্বে সম্মানিত, স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বার্তায় পুতিন

    Putin on India: ভারত নিজের অধিকারেই বিশ্বে সম্মানিত, স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বার্তায় পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের (Independence Day) শুভেচ্ছা বার্তায় ভারতের ভূয়সী প্রশংসা করলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। স্বাধীনতা দিবসে ভারতীয় নেতৃত্ব ও জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, “অনুগ্রহ করে ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ তম বার্ষিকী উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন গ্রহণ করুন। কয়েক দশক ধরে ভারত অর্থনৈতিক, সামাজিক, বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সর্বজন স্বীকৃত সাফল্য অর্জন করেছে। বিশ্ব মঞ্চে নিজের অধিকারেই ভারত যথাযথভাবে মর্যাদা উপভোগ করে এবং বিশ্বের সমস্যা সমাধানে গঠনমূলক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”  

    আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কার সঙ্কটের জন্যে রাশিয়াকেই দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র, কেন?

    পুতিন লেখেন, “আমি নিশ্চিত যে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করার স্বার্থে যৌথভাবে আমরা আমাদের জনগণের সুবিধার জন্য আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ককে আরও উন্নত করে তুলব।”  

    পুতিন বলেন, “রুশ-ভারত (Russia) সম্পর্ক আরও বিকশিত হচ্ছে। মস্কো এবং নয়াদিল্লি সফলভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথভাবে সহযোগিতা করছে।” একই সঙ্গে জাতিসংঘ, ব্রিকস, এসসিওসহ অন্যান্য বহুপাক্ষিক বৈঠকে দু দেশের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন পুতিন। দু দেশের জনগণের সম্পর্ক আরও মজবুত করার কথাও এদিন বলেন পুতিন। 

    আরও পড়ুন: ইউক্রেনের পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা! শান্তি রক্ষায় এগিয়ে আসুক দুপক্ষ, আর্জি ভারতের

    পুতিন বলেছেন, “রাশিয়া এবং ভারতের একে অপরকে সহযোগীতায় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও অর্থনীতি, শান্তিপূর্ণ পরমাণু ও মহাকাশ অনুসন্ধান, শিক্ষা ও সংস্কৃতি আত্মবিশ্বাসের সাথে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আমাদের ভারতীয় বন্ধুদেরকে তাঁদের জাতীয় ছুটির দিনে অভিনন্দন জানাই। আমরা আপনাদের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং নতুন সাফল্য কামনা করি!” রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu) ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) সুস্বাস্থ্য এবং সাফল্যও কামনা করেছেন রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন।     

  • Vladimir Putin: মিত্র দেশগুলিকে অত্যাধুনিক অস্ত্র দিতে প্রস্তুত রাশিয়া, জানালেন পুতিন

    Vladimir Putin: মিত্র দেশগুলিকে অত্যাধুনিক অস্ত্র দিতে প্রস্তুত রাশিয়া, জানালেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিত্র দেশগুলিকে অত্যাধুনিক অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করবে রাশিয়া। মস্কোয় বার্ষিক অস্ত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে এভাবেই মিত্র দেশগুলিকে বন্ধুত্বের বার্তা দিলেন রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। তাঁর কথায়, রাশিয়া সবসময় সার্বভৌম ও স্বাধীন উন্নয়নের পথ বেছে নিয়েছে। এরপরই তিনি জানান, কামান, যুদ্ধবিমান, ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা সহ সকল অত্যাধুনিক অস্ত্রকে (Advanced Weapons) মিত্র দেশ ও অংশিদারীদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে প্রস্তুত রাশিয়া। পাশাপাশি, প্রেসিডেন্ট পুতিন দাবি করেছেন, রাশিয়া (Russia) বিশ্বব্যাপী আধুনিক অস্ত্র রফতানিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আর ক্রমশ এই প্রভাব আরও বাড়ছে। সোমবার পিয়ংইয়ংয়ের মুক্তি দিবস উপলক্ষে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনকে চিঠি লিখে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করার কথাও বলেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

    আরও পড়ুন: ভারত নিজের অধিকারেই বিশ্বে সম্মানিত, স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বার্তায় পুতিন   

    গত ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন- রাশিয়া যুদ্ধ অব্যহত। এই যুদ্ধে পাশে থাকার জন্যে বন্ধু দেশগুলিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পুতিন। একই সঙ্গে ঘোষণা করেন, মিত্র দেশগুলিকে সব রকম সামরিক সহযোগিতা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রাশিয়া।  

    সোমবার ছিল রাশিয়ার বার্ষিক অস্ত্র প্রদর্শনীর অনুষ্ঠান। রাজধানী মস্কোয় সেই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় পুতিন জানান, বিশ্বজুড়ে অস্ত্র রফতানি ক্ষেত্রে ক্রমশ রাশিয়ার প্রভাব বাড়ছে। এর পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে নিজের দেশের সামরিক পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন। মিত্র দেশগুলির উদ্দেশ্যে বলেন, “আমাদের সমর্থনের জন্য মিত্র দেশগুলিকে ধন্যবাদ।” যদিও রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের প্রেক্ষিতে পশ্চিমের দেশগুলির ব্যাপক রোষানলের মুখে পড়ে রাশিয়া। কিন্তু তারপরেও যুদ্ধ চালিয়ে যায় তারা।

    আরও পড়ুন: পুতিনের হাতে মাত্র দুবছর! দাবি ইউক্রেনের গোয়েন্দা প্রধানের     

    এ নিয়ে পুতিন বলেন,  “আমাদের অনেক প্রতিবেশী এবং মিত্র দেশ রয়েছে। তারা আমাদের নিয়ে চিন্তাভাবনা করে। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই।” তিনি আরও বলেন, “মস্কো একটি সার্বভৌম এবং স্বাধীন উন্নয়নের পথ বেছে নিয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন মেনে আঞ্চলিক সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ করে এসেছে।”    

  • Sri Lanka Crisis: শ্রীলঙ্কার সঙ্কটের জন্যে রাশিয়াকেই দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র, কেন? 

    Sri Lanka Crisis: শ্রীলঙ্কার সঙ্কটের জন্যে রাশিয়াকেই দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র, কেন? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার সংকটের মূলে রাশিয়া (Russia)। এমনটাই দাবি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (United States) বিদেশমন্ত্রী (Foreign Minister) অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের (Antony Blinken)। তিনি মনে করেন, রাশিয়ার খাদ্য অবরোধই শ্রীলঙ্কার সমস্যার (Sri Lanka Crisis) মূল কারণ। ইউক্রেনের শস্য রফতানির ওপর রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা শ্রীলঙ্কার অশান্তির আগুনে ঘি ঢেলেছে। এই খাদ্য অবরোধে অন্যান্য সংকট সৃষ্টি হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কা ছেড়ে পালালেন রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া, নতুন ঠিকানা মালদ্বীপ

    অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন রোববার ব্যাংককে এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “আমরা এই রুশ আগ্রাসনের প্রভাব সর্বত্রই দেখতে পাচ্ছি। শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতির জন্য রুশ আগ্রাসন অনেকাংশেই দায়ী। আমরা সারাবিশ্বে এর প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন। রাশিয়াকে আরও অনুভূতিশীল হতে হবে।”

    তিনি বলেন, “বিশ্বে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রুশ আগ্রাসন সেই সমস্যার পালে আরও হাওয়া দিয়েছে। থাইল্যান্ডেও এর প্রভাব পড়ছে। এখানে রাশিয়ার আগ্রাসনের কারণে সারের দাম এখন আকাশচুম্বি।” 

    আরও পড়ুন: ভারত-শ্রীলঙ্কা সামুদ্রিক সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে তৎপর উপকূল রক্ষী বাহিনী 

    ব্লিঙ্কেন আরও বলেন, “সার বিশেষ করে থাইল্যান্ডের মতো একটি প্রাণবন্ত কৃষিকাজের দেশে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ সার সংকটের অর্থ হল পরের বছর ফলন কমে যাবে এবং নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে যাবে। একইভাবে বিশ্বব্যাপী কৃষি উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে রাশিয়ার আগ্রাসন। এতে বিশ্ববাসী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।” 

    খাদ্য ও জ্বালানির তীব্র ঘাটতির কারণে ভয়ঙ্কর সংকটের মুখে ভারতের প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কা। ভেঙে পড়েছে অর্থনীতি। গত শনিবার প্রতিবাদে রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া রাজাপক্ষের (Gotabaya Rajapaksa) বাড়ির দখল নিয়েছেন দেশের জনতা। পদত্যাগ পত্রে সাক্ষর করেই প্রাণ ভয়ে দেশ ছেড়ে মালদ্বীপে পালিয়েছেন রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া। দেশজুড়ে চরম অস্থিরতা। শ্রীলঙ্কার এই দুর্দশার জন্যে রাশিয়াকেই দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র।  

    দেশের এই ভয়ঙ্কর সংকটের মধ্যেই কিছুদিন আগেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Vladimir Putin) সঙ্গে কথা বলেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি হয়নি। এরইমধ্যে গণবিক্ষোভের জেরে প্রেসিডেন্টের পালিয়ে যাওয়ার পর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে। পরিস্থিতি খারাপ জেনেও দুমাস আগেই প্রধানমন্ত্রী পদের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি।  

     

  • Vladimir Putin: পুতিনের হাতে মাত্র দুবছর! দাবি ইউক্রেনের গোয়েন্দা প্রধানের

    Vladimir Putin: পুতিনের হাতে মাত্র দুবছর! দাবি ইউক্রেনের গোয়েন্দা প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুতর অসুস্থ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। আগামী দুই বছরের মধ্যে তিনি মারা যাবেন। এমন দাবি করলেন ইউক্রেনের (Ukrainian) গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল কিরিলো বুদানোভ (Kyrylo Budanov)। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বুদানোভ দাবি করেছেন,পুতিনের জীবনে আর বেশি দিন নেই। যদিও বুদানোভ এই দাবির পক্ষে কোনও প্রমাণ দেননি। ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই পুতিনের অসুস্থতার খবর নিয়ে জল্পনা বাড়তে থাকে। তবে রুশ প্রেসিডেন্টের (Russian President) দফতর ক্রেমলিন বরাবরই জোর দিয়ে বলে আসছে,পুতিন সুস্থ আছেন।  এমনকি ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের পর এই প্রথম বার বিদেশ সফরে যাচ্ছেন ভ্লাদিমির পুতিন। মঙ্গলবার তাজিকিস্তান (Tajikistan) যাচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। সেখান থেকে যাবেন তুর্কমেনিস্তানে (Turkmenistan)।

    রুশ প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র জানিয়েছেন, কাস্পিয়ান সাগর দেশগুলির সঙ্গে এক সম্মেলনে যোগ দেবেন পুতিন। তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইমোমালি রহমানের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের। এর আগে শেষ বার চলতি বছরে ফেব্রুয়ারির শুরুতে বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন পুতিন। সে সময় চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করতে বেজিং গিয়েছিলেন তিনি। অন্য দিকে, নভেম্বর মাসে ইন্দোনেশিয়ায় জি-২০ শীর্ষক সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করেছেন পুতিন। তবে তিনি সশরীরে সেখানে হাজির হবেন না কি অনলাইনে যোগ দেবেন,তা স্পষ্ট নয়।

    আরও পড়ুন: ২০৩৬ অলিম্পিক্সের বিডিং, আয়োজনে ভারতকে সাহায্য করতে প্রস্তুত, জানাল রাশিয়া

    এর আগে এই মাসের শুরুতে ইউক্রেনের গোয়েন্দা বিভাগের এক আধিকারিক দাবি করেন, গত এপ্রিল মাসে ক্যানসারের চিকিৎসা নিয়েছিলেন পুতিন। মে মাসে বুদানভ দাবি করেন,পুতিন ক্যান্সার ও অন্যান্য রোগে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। এবার তিনি জানান,রুশ প্রেসিডেন্টের মানসিক ও শারীরিক অবস্থা খুবই বাজে । তিনি খুব অসুস্থ। 

    এর আগেও পুতিনের শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে নানা খবর প্রকাশিত হয়েছে। প্রাক্তন ব্রিটিশ গুপ্তচর ক্রিস্টোফার স্টেলি জানান, পুতিন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত। তা নিরাময় যোগ্য কিনা সে সম্পর্কেও কিছু নিশ্চিত করে বলেননি স্টেলি। ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান দাবি করেছিলেন, পুতিন ক্যানসারে আক্রান্ত। তিনি যেখানেই যাচ্ছেন, তাঁর সঙ্গে তিনজন করে চিকিৎসক থাকছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন একজন ক্যানসার স্পেশালিস্টও। পুতিনের শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা নিয়ে মুখ খোলেন রাশিয়ার এক ধনকুবেরও। তবে ক্রেমলিন কখনওই রুশ নেতা পুতিনের অসুস্থতা নিয়ে কোনও খবর প্রকাশ্যে আনেনি।

  • India Russia at BRICS: রাশিয়ায় খুলবে ভারতীয় সুপারমার্কেট চেন! ইঙ্গিত পুতিনের

    India Russia at BRICS: রাশিয়ায় খুলবে ভারতীয় সুপারমার্কেট চেন! ইঙ্গিত পুতিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ভারতের (India) সঙ্গে রাশিয়ার (Russia) বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হতে চলেছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি (President) ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin) জানিয়েছেন, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসের মধ্যে রাশিয়ান ফেডারেশনের (Russian Federation) সঙ্গে ব্রিকস (BRICS) দেশগুলোর বাণিজ্য ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে ও ৪৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গিয়েছে। ব্রিকস দেশগুলির সঙ্গে রাশিয়ার বাণিজ্য এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে। উদাহরণস্বরূপ, রাশিয়ায় ভারতীয় সুপারমার্কেট চেন খোলার আলোচনা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও রাশিয়ার বাজারে চিনা গাড়ি, সরঞ্জাম এবং হার্ডওয়্যারের শেয়ার বাড়ানোর জন্য আলোচনা চলছে। এর ফলে  ব্রিকস দেশগুলোতে রাশিয়ার উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে। 

    আরও পড়ুন:দামে ছাড়! রাশিয়ার তেলের সবথেকে বড় ক্রেতা ভারত

    উল্লেখ্য, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia-Ukraine War) ফলে অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হতে থাকলে রাশিয়া ব্রিকস দেশগুলোর সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলার দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে। এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের পর চিন (China) ও ভারতে জ্বালানি তেলের রফতানিও বাড়িয়েছে রাশিয়া। এজন্য দামেও ছাড় দিয়েছে পুতিনের দেশ। চলতি মাসের মে মাসে রাশিয়া থেকে রেকর্ড পরিমাণ তেল আমদানি করেছে চিন ও ভারত। অন্যদিকে রাশিয়া থেকে যথেষ্ট পরিমাণে সার (Fertilisers) ব্রিকস দেশগুলিতে রফতানি করা হয়েছে। পুতিন জানিয়েছেন যে, রুশ আইটি কোম্পানিগুলিও ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকায় (South Africa) ধীরে ধীরে প্রসারিত করার চেষ্টা করছে।

    আরও পড়ুন:ডলার নয়, “রুপি-রুবল” বিনিময়ে হবে ভারত-রুশ বাণিজ্য! কীভাবে লেনদেন?

    পুতিন আরও জানিয়েছেন, ব্রিকস দেশগুলির সঙ্গে এক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার দিকে এএকটি গোচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার বাণিজ্যিক সিস্টেমটি ব্রিকসের পাঁচটি দেশের ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য তৈরি হয়ে গিয়েছে। ব্রিকস অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করার জন্যে অভিন্ন মুদ্রাভাণ্ডার তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে রাশিয়া। এই পরিকল্পনা সফল হলে  খুব সহজেই বাণিজ্যিক লেনদেন করতে পারবে পুতিনের রাশিয়া এবং মোদির (Modi) ভারত সহ ব্রিকস গোষ্ঠীর অন্যান্য দেশগুলি।

  • Putin-Modi Phone Call: ফোনালাপ, পুতিনকে আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেন সমস্যা মেটানোর পরামর্শ মোদির

    Putin-Modi Phone Call: ফোনালাপ, পুতিনকে আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেন সমস্যা মেটানোর পরামর্শ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  পেরিয়ে গিয়েছে চার মাস। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অব্যহত। রাশিয়ার বিরুদ্ধে গিয়েছে বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশ। ভারত কেন এখনও রাশিয়ার প্রতি নরম, সে নিয়ে বার বার প্রশ্ন তুলেছে ইউরোপের দেশগুলি। এবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের  (Vladimir Putin) সঙ্গে ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে ফোনে কথা বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। পুতিনকে আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেন সমস্যা সমাধান করতে অনুরোধ জানিয়েছেন মোদি। গণতন্ত্র রক্ষার ক্ষেত্রে ভারতের দীর্ঘদিনের অবস্থানের প্রসঙ্গও এদিন আলোচনায় তুলে ধরেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও পুতিনের ডিসেম্বরের ভারত সফরের সময় বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেগুলি কার্যকর করার বিষয়েও শুক্রবার কথা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে।   

    আরও পড়ুন: শতবর্ষে এই প্রথম, বৈদেশিক ঋণ শোধে ব্যর্থ রাশিয়া

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia-Ukraine War) শুরু হওয়ার পরে বেশ কয়েকবার ফোনে পুতিনের সঙ্গে কথা বলেছেন মোদি। ইউক্রেনে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধার করার সময়ে ভারতীয়দের ওপর কোনও হামলা হবে না বলেও ভারতকে আশ্বস্থ করেছিল রাশিয়া। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে একটি বিবৃতি জারি করে পুতিনের সঙ্গে মোদির ফোনালাপের বিষয়টি জানানো হয়।  

    আরও পড়ুন: পুতিনের হাতে মাত্র দুবছর! দাবি ইউক্রেনের গোয়েন্দা প্রধানের

    এর আগেও ইউক্রেন সমস্যা নিয়ে জেলেনস্কির সঙ্গে পুতিনকে সরাসরি কথা বলার পরামর্শ দিয়েছিলেন মোদি। যদিও সেই আলোচনার পরেও ইউক্রেন-সঙ্কট সমাধানের কোনও সূত্র মেলেনি। আন্তর্জাতিক শক্তি ও খাদ্য সামগ্রীর আন্তর্জাতিক বাজার নিয়েও এদিন দুই দেশের প্রধানের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নানা ইস্যুতেও ভাব বিনিময় হয়েছে দুপক্ষের মধ্যে।  

    গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন আক্রমণ করে রাশিয়া। অপেক্ষাকৃত দুর্বল দেশের ওপর রাশিয়ার এই আচমকা আঘাতে রাশিয়ার সঙ্গ ছাড়ে বিশ্বের বহু শক্তিশালী দেশ। রাশিয়ার থেকে তেল কেনাও বন্ধ করে তারা। তবে ভারত তেল কেনা বন্ধ করেনি। কম টাকায় ভারতকে তেল সরবরাহ করতে থাকে রাশিয়া। মোদি জানান, দেশের স্বার্থই সবার আগে বিবেচ্য। ভারতের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচিতও হয়। ভারত যেমন সরাসরি রাশিয়ার সমালোচনা করেনি, তেমনি প্রত্যক্ষভাবে ইউক্রেনের পাশেও দাঁড়ায়নি। সবসময়ই ভারত ভারসাম্যের নীতি নিয়ে চলেছে।    

     

  • Russia Population: ১০ সন্তানের জন্ম দিয়ে বাঁচিয়ে রাখলেই ১৩ লক্ষ টাকা, জনসংখ্যা বাড়াতে মরিয়া পুতিন

    Russia Population: ১০ সন্তানের জন্ম দিয়ে বাঁচিয়ে রাখলেই ১৩ লক্ষ টাকা, জনসংখ্যা বাড়াতে মরিয়া পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেই করোনার প্রকোপ, তার ওপর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, দেশবাসী হারিয়েছে রাশিয়া (Russia)। জনসংখ্যার সংকটে (Crisis) পড়তে চলেছে পুতিনের দেশ। আর এই সমস্যার সমাধানে প্রস্তাব দিলেন রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। দেশে জনসংখ্যার (Population) সংকটের মোকাবিলা করতে ১০ বা তার বেশি সন্তান নেওয়ার জন্য মহিলাদের আর্থিক সাহায্য়ের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। ১০টি শিশুর জন্ম দেওয়া এবং বাঁচিয়ে রাখার জন্য ১ মিলিয়ন রুবেল আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন পুতিন। যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা। কিন্তু এর জন্যে বেঁধে দেওয়া হয়েছে একটি শর্ত।

    আরও পড়ুন: শীঘ্রই আসছে রাশিয়ার প্রতিনিধি দল! সুখোই নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় জোর

    কোনও মহিলার দশ নম্বর সন্তানের যখন প্রথম জন্মদিন হবে এবং সে সময় যদি বাকি নয় সন্তান জীবিত থাকে, তবেই সরকারের তরফ থেকে এই টাকা পাওয়া যাবে। জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে জোর দিতে ‘মাদার হিরোইন’ নামে এই বিশেষ প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ‘টাইমস রেডিও’তে এই প্রকল্প সম্পর্কে বিশদে জানিয়েছেন রাশিয়ার রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ জেনি ম্যাথার্স।

    জেনি বলেছেন, ‘‘দশ বা তার বেশি সন্তান হলে মহিলাদের জন্য এই পুরষ্কারের চল সোভিয়েত যুগের। একে মাদার হিরোইন বলা হয়। রাশিয়ার জনসংখ্যা সঙ্কট দূর করতেই এই প্রয়াস। বর্তমানে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে এই সঙ্কট আরও প্রবল হয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: অজিত ডোভালের আকস্মিক রাশিয়া সফর, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে শান্তির বার্তা?

    এই বছরের মার্চ মাস থেকে রাশিয়ায় ফের মাথা চাড়া দিয়েছে করোনা। এর পাশাপাশি ইউক্রেনে ৫০ হাজার জন সৈন্য মারা গিয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দেশকে জনবহুল করতে তাই মরিয়া হয়ে উঠেছেন পুতিন।

    এ বিষয়ে ডাঃ ম্যাথার্স বলেন, পুতিন বলে আসছেন যে যাঁদের বড় পরিবার আছে, তাঁরা বেশি দেশপ্রেমিক।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যাপক হারে জনসংখ্যা কমে যাওয়ায় ১৯৪৪ সালে এই বিশেষ আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেছিলেন সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্ট্যালিন। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এটি বন্ধ হয়ে যায় সেই পুরষ্কার। জনসংখ্যা বাড়াতে গত ১৬ অগস্ট আবার এই আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেছেন পুতিন।

    জানা গিয়েছে, গত কয়েক দশকে রাশিয়ার জনসংখ্যা কমেছে। চলতি বছরের শুরুতে রাশিয়ার জনসংখ্যা ছিল ১৪ কোটি ৬০ লক্ষ।

    এখন অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন যে, এই তেরো লক্ষ টাকাতে কী ১০টি সন্তান এই যুগে মানুষ করা  সম্ভব? তাই কতটা কার্যকর হবে রুশ রাষ্ট্রপতির এই পরিকল্পনা তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। 

     

  • Vladimir Putin: অস্ত্রোপচার পুতিনের! কেমন আছেন রুশ নেতা?

    Vladimir Putin: অস্ত্রোপচার পুতিনের! কেমন আছেন রুশ নেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর অসুস্থতা নিয়ে জল্পনা চলছিলই,  এবার এল অস্ত্রোপচারের খবর। সম্প্রতি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট (Russian President) ভ্লাদিমির পুতিনের(Vladimir Putin) তলপেটে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। কোনওরকম জটিলতা ছাড়াই পুতিনের তলপেটে অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে, বলে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমের খবর। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুতিনের তলপেটে অস্ত্রোপচার করে ফ্লুইড বের করা হয়। অস্ত্রোপচারটি হয় ১২ ও ১৩ মে’র রাতে। তবে এর সঙ্গে ক্যান্সারের কোনও সম্পর্ক নেই।

    রাশিয়ার ফরেন ইনটেলিজেন্স (Foreign Intelligence Service) সার্ভিসের সঙ্গে টেলিগ্রাম চ্যানেল ‘জেনারেল এসভিআর’র কথোপকথন থেকেই এই খবর জানা যায়। এই অস্ত্রোপচারের জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি বিশেষ বৈঠকেও অংশ নিতে পারেননি রুশ নেতা। নেতাদের উদ্দেশে পুতিনের বক্তব্য আগে থেকে রেকর্ড করা ছিল। তাই বৈঠকে দেখানো হয়।

    ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমের তরফে  টেলিগ্রাম বার্তারও কিছু অংশ প্রকাশ করা হয়। যেখানে রুশ আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, পুতিনের যে অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা ছিল তা এখনও হয়নি। এটা চিকিৎসার একটি ধাপ। মার্কিন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত অন্য এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিনের অস্ত্রোপচার এবং তার সাময়িকভাবে সুস্থ হওয়ার প্রক্রিয়াটি, পরের দিন ‘ডিপফেইক’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে দেখানো হয়। যদিও এই প্রতিবেদনের সত্যতা যাচাই করা যায়নি।  

    আরও পড়ুন: পুতিনের অবস্থা সঙ্কটজনক, কতদিন সময় তাঁর হাতে?

    এর আগেও পুতিনের শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে নানা খবর প্রকাশিত হয়েছে। প্রাক্তন ব্রিটিশ গুপ্তচর ক্রিস্টোফার স্টেলি জানান, পুতিন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত। তা নিরাময় যোগ্য কিনা সে সম্পর্কেও কিছু নিশ্চিত করে বলেননি স্টেলি। ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান দাবি করেছিলেন, পুতিন ক্যানসারে আক্রান্ত। তিনি যেখানেই যাচ্ছেন, তাঁর সঙ্গে তিনজন করে চিকিৎসক থাকছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন একজন ক্যানসার স্পেশালিস্টও। পুতিনের শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা নিয়ে মুখ খোলেন রাশিয়ার এক ধনকুবেরও। তবে ক্রেমলিন কখনওই রুশ নেতা পুতিনের অসুস্থতা নিয়ে কিছু খবর প্রকাশ্যে আনেনি।  

  • Vladimir Putin: পুতিনের  অবস্থা সঙ্কটজনক, কতদিন সময় তাঁর হাতে?

    Vladimir Putin: পুতিনের  অবস্থা সঙ্কটজনক, কতদিন সময় তাঁর হাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজে হালকা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটা, কম্বলে, মোটা জ্যাকেটে নিজেকে মুড়ে রাখা, কখনও বা ঘনঘন কাশি, নানা ভিডিওয় এইসব চিত্র ধরা পড়ছিল। জল্পনাও চলছিল যে, পুতিন (Putin) কি গুরতর অসুস্থ? এবার এক বিদেশি সংবাদমাধ্যমের তরফে জানানো হয়েছে, রুশ প্রেসিডেন্ট (Russian President) ভ্লাদিমির পুতিনের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক। প্রাক্তন ব্রিটিশ গুপ্তচর ক্রিস্টোফার স্টেলি (Christopher Steele) ওই সংবাদমাধ্যমকে জানান, পুতিনের শরীর ভাল নেই। তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। 

    এর আগেও পুতিনের শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে নানা খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে ক্রেমলিন (Kremlin) এসব দাবির বিষয়ে কিছু জানায়নি। আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Former US President Donald Trump) নিয়ে বই লিখেছিলেন স্টেলি। ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। এবার পুতিনের স্বাস্থ্যের বিষয়ে খবর প্রকাশ করে স্টেলি বলেন, “রাশিয়া ও অন্যান্য সূত্র থেকে যা জানতে পারছি, পুতিন ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এই রোগ নিরাময়যোগ্য কিনা, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।” তবে ইউক্রেনে (Ukraine) সামরিক অভিযান পুতিনেরই মস্তিষ্ক -প্রসূত বলে জানান স্টেলি।

    [tw]


    [/tw]

    ইউক্রেনে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ বাহিনীর সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই পুতিনের ভগ্নস্বাস্থ্য নিয়ে জল্পনা চলছে।  ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই মৃত্যু পথযাত্রী পুতিন। সম্প্রতি প্রেসিডেন্টের শারীরিক অবস্থা নিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করেছেন সেই দেশেরই এক ধনকুবের। 

    এক রুশ ধনকুবেরের সঙ্গে কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ডিং প্রকাশ করেছে একটি ব্রিটিশ ম্যাগাজিন। যেখানে রাশিয়ার অর্থনৈতিক অবস্থা এবং পুতিনের শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা নিয়ে মুখ খোলেন ওই ধনকুবের। তবে তাঁর কথা যে রেকর্ড করা হচ্ছে, সেটি সম্পর্কে তিনি জানতেন না। ১১ মিনিটের সেই কথোপকথনের রেকর্ডিং সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে। নাম না প্রকাশের শর্তে ওই ধনকুবের জানান, “রাশিয়ার অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছেন পুতিন। শুধু রাশিয়াই (Russia) নয়, ইউক্রেন-সহ আরও একাধিক দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছেন তিনি। আসলে ওঁর মস্তিষ্কের বিকৃতিই গোটা পৃথিবী উল্টে দিতে পারে।” এখানেই শেষ নয়। তিনি আরও বলেন, “আমরা চাইছি, পুতিনের মৃত্যু হোক। ওঁর ক্যানসার ওঁকে খেয়ে নিক। নইলে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ওঁকে ক্ষমতা থেকে সরানো হোক।”

    আরও পড়ুন: ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন পুতিন, জল্পনা বিভিন্ন মহলে

    তবে ওই ধনকুবের একা নন, এর আগে ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান দাবি করেছেন, পুতিন ক্যানসারে আক্রান্ত। তাঁর দেওয়া তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, পুতিন যেখানেই যাচ্ছেন, তাঁর সঙ্গে তিনজন করে চিকিৎসক থাকছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন একজন ক্যানসার স্পেশালিস্টও। 

LinkedIn
Share