Tag: Volodymyr Zelenskyy

Volodymyr Zelenskyy

  • PM Modi: ‘পুতিনকে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার থেকে বিরত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন মোদি’, দাবি পোল্যান্ডের মন্ত্রীর

    PM Modi: ‘পুতিনকে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার থেকে বিরত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন মোদি’, দাবি পোল্যান্ডের মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের শুরু থেকেই কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে সওয়াল করে আসছে ভারত (PM Modi)। এবার সেই অবস্থানকে আরও একবার সামনে এনে পোল্যান্ডের উপ-বিদেশমন্ত্রী ভ্লাদিস্লাভ তেওফিল বারতোশেভস্কি দাবি করেছেন, ২০২২ সালের শেষ দিকে (Nuclear Strike) রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ইউক্রেনে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার থেকে বিরত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার নয়াদিল্লিতে ভারত-পোল্যান্ড যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলনে বারতোশেভস্কি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আন্তর্জাতিক অঙ্গনের অত্যন্ত সম্মানিত নেতা। সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় থেকে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে। সেই কারণেই প্রেসিডেন্ট পুতিন প্রধানমন্ত্রী মোদির পরামর্শ গুরুত্ব দিয়ে শোনেন।

    বারতোশেভস্কির মুখে মোদি-স্তুতি (PM Modi)

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্বের এমন কয়েকজন নেতার অন্যতম, যাঁদের কথা প্রেসিডেন্ট পুতিন গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেন। ২০২২ সালের শেষ দিকে ইউক্রেনে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার থেকে পুতিনকে বিরত রাখতে প্রধানমন্ত্রী মোদি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট পুতিনের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারেন এমন নেতাদের মধ্যে মোদি অন্যতম। এই সংঘাত থামাতে ভারত ইতিবাচক ভূমিকা নিতে পারে।” এই মন্তব্যের জেরে ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে ভারতের কূটনৈতিক তৎপরতা আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে উজবেকিস্তানে এসসিও (সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে পুতিনকে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন, “আজকের যুগ যুদ্ধের নয়।” এরপর থেকেই ভারত ধারাবাহিকভাবে আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। একই সঙ্গে পশ্চিমি দেশগুলির রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় যোগ না দিয়ে নিজস্ব কূটনৈতিক অবস্থানও বজায় রেখেছে।

    ভারত-প্রশস্তি শোনা গিয়েছে পুতিনের গলায়ও

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী মোদি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি—উভয়ের সঙ্গেই নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। ২০২৪ সালে তিনি কিয়েভ সফর করেন এবং বিভিন্ন বহুপাক্ষিক বৈঠকেও জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পশ্চিমি দেশগুলির চাপ সত্ত্বেও, ভারত রাশিয়া থেকে (Nuclear Strike) বিশেষ ছাড়ে অপরিশোধিত খনিজ তেল কেনা অব্যাহত রেখেছে। ভারতের বক্তব্য, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, গত মাসে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ভারতকে ‘মহান দেশ বলে উল্লেখ করেছিলেন, প্রশংসা করেছিলেন ভারতের স্বাধীন বিদেশনীতির।

    ‘ভারত গুরুত্বপূর্ণ দেশ’

    ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রসঙ্গেও ভারতের অবস্থানের প্রশংসা করেন বারতোশেভস্কি। তিনি জানান, ভারত যেমন (PM Modi) সংযম, আলোচনা এবং কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে, পোল্যান্ডও একই পথ অনুসরণ করছে। তাঁর কথায়, “আপনারা একটি বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ দেশ। উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল ও গ্যাসের ওপর ভারতের নির্ভরতা অনেক বেশি। পোল্যান্ডও ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছে। আমরা তাদের জানিয়েছি, আমাদের পছন্দ কূটনৈতিক সমাধান। প্রধানমন্ত্রী মোদিও একই কাজ করছেন। আমরা যুক্তির কথা বলার চেষ্টা করছি, যদিও তার ফল সীমিত।” রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য ভারতের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতিও যে (Nuclear Strike) পোল্যান্ডের সমর্থন রয়েছে, এদিন তা-ও আরও (PM Modi) একবার জানিয়ে দেন বারতোশেভস্কি।

     

  • Trump: ফের মুখ ফসকে ভুল! প্রতিপক্ষকে কটাক্ষ করতে গিয়ে এবার নিজেই বিদ্রুপের নিশানায় ট্রাম্প

    Trump: ফের মুখ ফসকে ভুল! প্রতিপক্ষকে কটাক্ষ করতে গিয়ে এবার নিজেই বিদ্রুপের নিশানায় ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ভুলত্রুটি তুলে ধরে জনসমর্থন আদায় করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump)। প্রতিপক্ষের সামান্য ভুল বা বিতর্কিত মন্তব্যকেও তিনি রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছেন বহুবার (Leon Musk)। অবশ্য সম্প্রতি উল্টে গিয়েছে পাশা! একের পর এক বক্তব্যে ট্রাম্প নিজেই একাধিক তথ্যগত বিভ্রান্তি ও মুখ ফসকে ভুল মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তাঁর এই ধারাবাহিক ভুলই এখন রাজনৈতিক মহলে জন্ম দিয়েছে নয়া বিতর্কের।

    ভুল নিয়ে বিরোধীদের করতেন কটাক্ষ (Trump)

    নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ট্রাম্প জো বাইডেনের বিভিন্ন ভুলের একটি সংকলিত ভিডিও পর্যন্ত দেখিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে বাইডেন একবার ট্রাম্প ও কমলা হ্যারিসের নাম গুলিয়ে ফেললে ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, “দারুণ কাজ, জো!” আবার ওবামা একবার ভুল করে বলেছিলেন তিনি ৫৭টি অঙ্গরাজ্য সফর করেছেন। সেই সময় ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, “আমি যদি এমন কথা বলতাম, সেটাই বছরের সবচেয়ে বড় খবর হয়ে যেত।”

    একাধিক ভুলের জন্য খবরে ট্রাম্প

    এবার সেই একই ধরনের একাধিক ভুলের জন্য আলোচনায় উঠে এসেছেন ট্রাম্প নিজেই। সম্প্রতি ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পাশে বসে মাত্র দশ মিনিটের মধ্যেই তিনি তিনটি উল্লেখযোগ্য ভুল করেন। ইরানের প্রসঙ্গ তুলতে গিয়ে দেশটিকে “জাপানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র” বলে উল্লেখ করেন। এরপর ইরানের পরমাণু চুক্তির সংক্ষিপ্ত রূপও ভুল উচ্চারণ করেন। সবশেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, “প্রেসিডেন্ট পুতিনের জন্য কোনও প্রশ্ন আছে?” অথচ তাঁর পাশেই বসে ছিলেন জেলেনস্কি। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৪ সালের ন্যাটো সম্মেলনে বাইডেনও জেলেনস্কি এবং পুতিনের নাম গুলিয়ে ফেলেছিলেন। সেই ঘটনায় তখন সব চেয়ে বেশি সমালোচনা করেছিলেন ট্রাম্পই।

    ট্রাম্পের ভুল

    এর আগেও একাধিক অনুষ্ঠানে একই ধরনের ভুল করতে দেখা গিয়েছে ট্রাম্পকে। জুনে সংস্কার হওয়া রাষ্ট্রপতির বিশেষ বিমান পরিদর্শনের সময় শিল্পপতি ইলন মাস্ককে ভুল করে “লিয়ন” বলে ফেলেছিলেন ট্রাম্প। যদিও কিছুক্ষণ পরেই ভুল শুধরে নেন। ন্যাটো সম্মেলনের কয়েক দিন আগে হোয়াইট হাউসের এক অনুষ্ঠানে তিনি ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রশাসনের প্রধান কেলি লফলারকে পরিচয় করাতে গিয়ে দু’বার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নিকি মিনাজের নাম উচ্চারণ করেন। একবার ভুলবশত এবং পরে আবার যেন ইচ্ছাকৃতভাবেই সেই নাম ব্যবহার করেন। মে মাসে ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দলের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জানতে চান দলের প্রধান প্রশিক্ষক কার্ট সিগনেটি কোথায়। অথচ সিগনেটি তখন তাঁর একেবারে পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন (Trump)। ওই মাসে আফগানিস্তান থেকে ২০২১ সালে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং কাবুল বিমানবন্দরে ১৩ জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর জন্য তিনি প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে দায়ী করেন। যদিও ওবামা সরে গিয়েছিলেন ২০১৭ সালেই, সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছিল বাইডেনের আমলে (Leon Musk)।

    ভুল, আরও ভুল

    মে মাসেই তাইওয়ানকে ঘিরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মন্তব্য সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প সেটিকে ইরান সংক্রান্ত প্রশ্ন ভেবে উত্তর দেন এবং “তাদের (হরমুজ) প্রণালী” নিয়ে মন্তব্য করেন। এপ্রিলে এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “ইউক্রেন সামরিকভাবে পরাজিত।” কিন্তু পরে বক্তব্যের প্রেক্ষাপট থেকে স্পষ্ট হয়, তিনি আসলে ইরানের নৌবাহিনী ও যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা নিয়ে কিছু বলতে চেয়েছিলেন (Trump)। ওই মাসেই নারী ইতিহাস মাস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিটকে পরিচয় করাতে গিয়ে তাঁর পরিবর্তে কেলিয়ান কনওয়ের নাম বলেছিলেন ট্রাম্প। জানুয়ারিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের দাভোস বৈঠকে ট্রাম্প বারবার গ্রিনল্যান্ডের পরিবর্তে আইসল্যান্ডের নাম উচ্চারণ করেন। অথচ গ্রিনল্যান্ড নিয়েই তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজের ভূ-রাজনৈতিক পরিকল্পনার কথা বলে আসছেন। গত নভেম্বরে মায়ামিতে এক ভাষণে ট্রাম্প শহরটিকে “দক্ষিণ আফ্রিকা” থেকে পালিয়ে আসা মানুষের আশ্রয়স্থল বলে উল্লেখ করেছিলেন। পরে অবশ্য নিজেকে শুধরে নিয়ে “দক্ষিণ আমেরিকা” বললেও, আবারও ফিরে যান “দক্ষিণ আফ্রিকা” প্রসঙ্গে।

    প্রতিপক্ষকেই অস্ত্র তুলে দিচ্ছেন ট্রাম্প!

    গত বছরই দু’বার ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, আজারবাইজান ও আলবেনিয়ার মধ্যে সংঘাত মেটানোর কৃতিত্ব তাঁর। যদিও ওই দুই দেশের মধ্যে এমন কোনও যুদ্ধই হয়নি। বাস্তবে তিনি যে সংঘাতের কথা বলতে চেয়েছিলেন, সেটি হয়েছিল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে (Trump)। এদিকে, এই অগাস্টেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের আগে ট্রাম্প দু’বার প্রকাশ্যে বলেন, তিনি রাশিয়ায় যাচ্ছেন। যদিও বৈঠকটি হওয়ার কথা আলাস্কায়, যা উনিশ শতকের ছয়ের দশক থেকে আর রাশিয়ার অংশ নয় (Leon Musk)। ট্রাম্প অতীতে প্রতিপক্ষদের একই ধরনের ভুল নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেও, সাম্প্রতিক ধারাবাহিক এই বিভ্রান্তিকর মন্তব্য ও নাম গুলিয়ে ফেলার ঘটনাগুলি এখন নতুন নতুন অস্ত্র তুলে দিচ্ছে তাঁর রাজনৈতিক সমালোচকদের হাতেই (Trump)।

     

  • Russia Ukraine War: কিভে আছড়ে পড়ল রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল, তীব্র আলোর ঝলকানিতে চোখ ধাঁধালো ইউক্রেনবাসীর

    Russia Ukraine War: কিভে আছড়ে পড়ল রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল, তীব্র আলোর ঝলকানিতে চোখ ধাঁধালো ইউক্রেনবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতভর আলোর ঝলকানিতে রাতের ঘুম উড়ে গেল ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভবাসীর। তীব্র রুশ হামলায় কেঁপে উঠল গোটা শহর। রাশিয়া-অধিকৃত পূর্ব ইউক্রেনে হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দেওয়ার পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে কিয়েভে ব্যাপক বোমাবর্ষণ (Russia Ukraine War) করা হয়।

    রাতের আকাশে তীব্র আলোর ঝলকানি (Russia Ukraine War)

    অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র মধ্য কিয়েভে আঘাত হানে (Russian Hypersonic Missile)। ফুটেজে আঘাতের মুহূর্তে তীব্র আলোর ঝলকানি দেখা গিয়েছে। এরপরেই ঘটে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ। ইউক্রেনের আধিকারিকরা জানান, হামলায় প্রায় ৬০০টি ড্রোন এবং ৯০টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। সংবাদ মাধ্যমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকগুলি ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে পারলেও, সবগুলি আটকানো যায়নি। জানা গিয়েছে, রাশিয়ার এই হামলায় লুকিয়ানিভস্কা মেট্রো স্টেশনের কাছের একটি ব্যবসা কেন্দ্র এবং পাশের বাজার সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলির মধ্যে একটি ছোট ক্যাফেও ছিল। আগের রুশ হামলার পর এটি ছ’বার পুনর্নির্মাণ ও ফের চালু করা হয়েছিল।

    রাশিয়ার কড়া সমালোচনা

    এই হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন। জখম হয়েছেন বহু মানুষ। রাজধানী-সহ বিভিন্ন অঞ্চলে বাড়িঘর, স্কুল, বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাতভর কিয়েভজুড়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় বাসিন্দারা আশ্রয় নেন মেট্রো স্টেশন ও ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে। এক্স হ্যান্ডেলে ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা রাশিয়ার কড়া সমালোচনা করে বলেন, “এই হামলা মিলিটারি টার্গেটে নয়, বরং সাধারণ মানুষের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে চালানো হয়েছে। তিনি লেখেন, “রাশিয়া কিয়েভ-সহ চেরকাসি, খারকিভ, ক্রোপিভনিতস্কি, ওডেসা, পোলতাভা, সুমি এবং ঝিতোমির অঞ্চলেও অন্যতম বৃহৎ রাতের হামলা চালিয়েছে।”

    জেলেনস্কির বক্তব্য

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, রাশিয়া ‘ওরেশনিক’ নামের একটি শক্তিশালী হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যবহার করেছে। ওরেশনিক এমন একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা শব্দের গতির চেয়ে দশগুণ বেশি বেগে চলতে পারে এবং তিন, চার বা তারও বেশি তলা নীচে থাকা ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার ধ্বংস করার জন্য তৈরি। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে রাশিয়া প্রথম ইউক্রেনের দ্নিপ্রো শহরে বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ওরেশনিক ব্যবহার করেছিল (Russia Ukraine War)। চলতি বছরের জানুয়ারিতে পশ্চিমাঞ্চলীয় লভিভ এলাকায় দ্বিতীয়বার এটি ব্যবহার করা হয়। হামলার তীব্র নিন্দা করে জেলেনস্কি বলেন, “এটি সাধারণ নাগরিক ও অসামরিক পরিকাঠামো—যেমন বাজার, স্কুল এবং জল সরবরাহ কেন্দ্র—লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে (Russian Hypersonic Missile)।” রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রক রবিবার জানিয়েছে, তারা ওরেশনিক-সহ অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার করে ইউক্রেনের ‘সামরিক কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র’, বিমানঘাঁটি এবং সামরিক-শিল্প পরিকাঠামোয় হামলা চালিয়েছে। যদিও তারা নির্দিষ্ট কোনও জায়গার নাম বলেনি। রাশিয়ার দাবি, এই হামলা ছিল রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ইউক্রেনের হামলার প্রতিক্রিয়া (Russia Ukraine War)।

     

  • Ukraine Russia War: ক্রিমিয়া স্বীকৃতি, পূর্ব ইউক্রেনের স্বায়ত্তশাসন! যুদ্ধ-বন্ধের জন্য ট্রাম্পের কাছে কী কী শর্ত রাখলেন পুতিন?

    Ukraine Russia War: ক্রিমিয়া স্বীকৃতি, পূর্ব ইউক্রেনের স্বায়ত্তশাসন! যুদ্ধ-বন্ধের জন্য ট্রাম্পের কাছে কী কী শর্ত রাখলেন পুতিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত দিলেন রাশিয়ার Ukraine Russia War ) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। একাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ বন্ধে শর্ত সাপেক্ষে — কিয়েভকে বড় অংশের ভূখণ্ড ছেড়ে দিতে হবে এবং ক্রিমিয়ার উপর মস্কোর অধিকার স্বীকার করতে হবে। সম্প্রতি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলাস্কায় বৈঠকে বসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানেই তাঁকে এই প্রস্তাব দেন পুতিন। ২০২২ সাল থেকে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা করছেন ট্রাম্প। একাধিকবার ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। পুতিনের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেছেন। তার মাঝে শুক্রবার আলাস্কায় ট্রাম্প এবং পুতিনের মুখোমুখি সাক্ষাৎ হয়— দীর্ঘ পাঁচ বছর পর। বৈঠক শেষে একসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকও করেন দুই রাষ্ট্রনেতা। উভয়েরই দাবি, বৈঠক ফলপ্রসূ এবং ইতিবাচক হয়েছে।

    ভূখণ্ডের বিনিময়ে শান্তি ও ক্রিমিয়া স্বীকৃতি চায় রাশিয়া

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টা জোরকদমে চলছে। সম্প্রতি আলাস্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকের পর এবার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সোমবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প এবং জেলেনস্কির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী ইউক্রেনকে পুরোপুরি ডোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল থেকে সরে যেতে হবে। অন্যদিকে, রাশিয়া খেরসন ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে অগ্রগতি বন্ধ রাখবে। পাশাপাশি রাশিয়া ক্ষুদ্র কিছু দখলকৃত এলাকা — যেমন সুমি ও খারকিভ অঞ্চলের প্রায় ৪৪০ বর্গকিমি জমি — ফেরত দিতে পারে।

    রাশিয়ার প্রধান দাবিগুলো হলো

    ইউক্রেনকে ডোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল থেকে সম্পূর্ণভাবে সরে যেতে হবে

    রাশিয়া এই দুই অঞ্চল নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখবে

    সুমি ও খারকিভ অঞ্চলের কিছু অংশ ইউক্রেনকে ফেরত দেওয়া হবে

    ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে

    একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি হবে না

    রাশিয়ার উপর আরোপিত কিছু ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে

    ইউক্রেনের কিছু অঞ্চলে রুশ ভাষাকে সরকারিভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে

    ইউক্রেনে রুশ অর্থোডক্স চার্চ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে

    ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগদানের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে হবে; তবে ‘আর্টিকেল ৫’-এর মতো নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনা চলতে পারে

    নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ট্রাম্প ইউরোপীয় নেতাদের বলেছেন যে, পুতিন ইউক্রেনকে “ডনবাস পুরোপুরি ছাড়তে” বলেছেন — এটি রাশিয়ার বহু পুরনো অবস্থান।

    ইউরোপের উদ্বেগ ও জেলেনস্কির প্রতিক্রিয়া

    ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে এই চুক্তির প্রস্তাব নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সুইডেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কার্ল বিল্ডট একে “পুতিনের স্পষ্ট জয় এবং ট্রাম্পের পরাজয়” বলে মন্তব্য করেন। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক ফিওনা হিল বলেন, “ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি আদায় করতে পারেননি — যেটি ছিল তাঁর প্রধান লক্ষ্য।” ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইউক্রেনের সংবিধান অনুযায়ী দেশের কোনো অংশ ছাড় দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, ডনবাস রাশিয়ার ভবিষ্যৎ আগ্রাসনের ক্ষেত্র হতে পারে। যদিও তিনি ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের (ট্রাম্প-পুতিন-জেলেনস্কি) সম্ভাবনা উন্মুক্ত রেখেছেন।

    ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন জেলেনস্কি

    আপাতত ইউক্রেনের এক-পঞ্চমাংশ আছে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। আর ডোনেৎস্ক প্রদেশের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ অংশ আছে রাশিয়ার দখলে। সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধের জন্য ডোনেৎস্ক এবং লুহানস্ক চেয়েছে। লুহানস্কের প্রায় পুরো জায়গাই আপাতত রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে আছে। যদিও সেই দাবি খারিজ করে দিয়েছে, ইউক্রেন। পুতিনের সঙ্গে আলাস্কায় প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেন ট্রাম্প। বৈঠকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কোনও সমাধানসূত্র বেরোয়নি। তবে বৈঠকের পর আমেরিকার সংবাদমাধ্যম ‘ফক্স নিউজ’কে ট্রাম্প জানিয়েছেন, এর পর বাকিটা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির উপর নির্ভর করছে। তাঁকেই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে হবে। সোমবার ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন জেলেনস্কি। তার পরে কী হয়, আপাতত সে দিকেই চোখ সারা বিশ্বের।

    থাকছেন ইউরোপের অন্য নেতারাও

    শুধু ট্রাম্প-জেলেনস্কি নন, এই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা একাধিক ইউরোপীয় নেতার। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ, ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব এবং ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেইন আলোচনায় অংশ নেবেন। ট্রাম্প-জেলেনস্কির এই বৈঠক সোমবার দুপুর ১টায় (মার্কিন সময়) অনুষ্ঠিত হবে হোয়াইট হাউসে। ভারতীয় সময় অনুসারে, বৈঠকটি শুরু হবে রাত ৯টা ৩০ মিনিটে।

  • Volodymyr Zelenskyy: হোয়াইট হাউসের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ, জেলেনস্কির মুখে এখন শান্তির বার্তা

    Volodymyr Zelenskyy: হোয়াইট হাউসের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ, জেলেনস্কির মুখে এখন শান্তির বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করে নিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভালোদিমির জেলেনস্কি (Volodymyr Zelenskyy)! হোয়াইট হাউসকাণ্ডের জেরে ইউক্রেনকে সব রকম সামরিক সহায়তা দেওয়া (Ukraine Peace) বন্ধ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের দুঃখ প্রকাশ (Volodymyr Zelenskyy)

    তিনি বলেন, “শুক্রবার ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে আমাদের বৈঠকটি যেমন হওয়া উচিত ছিল, তেমন হয়নি। এটা দুঃখজনক যে এটা এভাবে ঘটেছে। এখন সময় এসেছে সব কিছু ঠিক করার। আমরা চাই, ভবিষ্যতের সহযোগিতা ও যোগাযোগ গঠনমূলক হোক।” মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বিবৃতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট (Volodymyr Zelenskyy) বলেন, “আমি শান্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমার দেশ স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আলোচনায় বসতে চায়।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমি ও আমার দল সর্বদা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দৃঢ় নেতৃত্বে কাজ করতে প্রস্তুত।” জেলেনস্কি বলেন, “কেউই এই যুদ্ধ চায় না।”

    যুদ্ধ শেষ করতে রাজি

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা যুদ্ধ শেষ করার জন্য দ্রুত কাজ করতে প্রস্তুত এবং এর প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে বন্দিদের মুক্তি এবং আকাশ ও সমুদ্রে যুদ্ধবিরতি; যদি রাশিয়াও একই কাজ করে। এর আওতায় ক্ষেপণাস্ত্র, দূরপাল্লার ড্রোন, জ্বালানি ও অন্যান্য অসামরিক পরিকাঠামোর ওপর বোমা-হামলা নিষিদ্ধ করা উচিত। আমরা পরবর্তী সব পদক্ষেপ খুব দ্রুত সম্পন্ন করতে চাই। এবং একটি শক্তিশালী চূড়ান্ত চুক্তিতে সম্মত হওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করতে চাই। ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা বজায় রাখার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে পরিমাণ সাহায্য করেছে, আমরা তা সত্যিই মূল্যবান বলে মনে করি। আর আমরা সেই মুহূর্তটির কথা মনে করি, যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইউক্রেনকে জ্যাভেলিন সরবরাহ করেছিলেন, তখন পরিস্থিতি বদলে গিয়েছিল। এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ।”

    জেলেনস্কি বলেন, “ইউক্রেন যে কোনও সময় এবং যে কোনও সুবিধাজনক বিন্যাসে খনিজ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত। আমরা এই চুক্তিকে বৃহত্তর নিরাপত্তা ও দৃঢ় নিরাপত্তা নিশ্চয়তার জন্য একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছি (Ukraine Peace)। আমি সত্যিই আশা করি, এটি কার্যকরভাবে কাজ করবে (Volodymyr Zelenskyy)।”

  • Donald Trump: আপাতত ইউক্রেনকে সামরিক সাহায্য নয়, ঘোষণা ট্রাম্পের, এখন কী করবেন জেলেনস্কি?

    Donald Trump: আপাতত ইউক্রেনকে সামরিক সাহায্য নয়, ঘোষণা ট্রাম্পের, এখন কী করবেন জেলেনস্কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপাতত ইউক্রেনকে সামরিক সাহায্য নয়, এমন সিদ্ধান্ত নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। জেলেনস্কি উদ্বিগ্ন ছিলেন মার্কিন সমর্থন ছাড়া ইউক্রেনের যুদ্ধেটিকে থাকার সম্ভাবনা কম। এবার সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। এবার কী করবেন তিনি? ইউরোপ কি তাঁকে বাঁচাতে পারবে? এমন প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে আন্তর্জাতিক মহলে। কোনও কোনও মহলের মতে, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করতে ইউক্রেনকে চাপে রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত নিল ট্রাম্প প্রশাসন। চাপে পড়ে অবশ্য জেলেনস্কির (Ukraine) সুর নরম। এখন বিপদ বুঝে মুখে সমঝোতার বার্তাও দিয়েছেন নিজের সমাজমাধ্যমের পোস্টে। এক্স মাধ্যমে জেলেনস্কির বার্তা, ‘‘শান্তি প্রতিষ্ঠা খুব শীঘ্রই দরকার। আমেরিকা ও ইউরোপের বন্ধুরা সেই পথ প্রশস্ত করবে বলে আশা রাখি।’’ জানা গিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়া থেকে ইউক্রেনকে এখনও পর্যন্ত ৬ হাজার ৬০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে আমেরিকা। যা দেওয়া বাকি ছিল, এখন তার ওপর স্থগিতাদেশ জারি হয়েছে।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন সফরে গিয়েছিলেন জেলেনস্কি

    দিন কয়েক আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন (Donald Trump) সফরে গিয়েছিলেন ইউক্রেনের রাষ্ট্রপ্রধান। সেসময় ট্রাম্পের সঙ্গে জেলেনস্কির যৌথ বিবৃতি ভেস্তে যায়। ওই সময়ে ট্রাম্প এবং মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের সঙ্গে বৈঠক হয় ইউক্রেনের রাষ্ট্রপ্রধানের। পরে দু’দেশের যৌথ সাংবাদিক বিবৃতির সময়ে জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্প এবং ভান্সের তপ্ত বাক্যবিনিময় চলে কিছু ক্ষণ, যা সাম্প্রতিক অতীতে কখনও দেখা যায়নি। এর জেরেই ভেস্তে যায় আমেরিকা-ইউক্রেন খনিজ চুক্তি। এরপরেই শোনা যায়, হোয়াইট হাউস থেকে মধ্যাহ্নভোজ না সেরেই বেরিয়ে যান জেলেনস্কি। এই আবহে ইউক্রেনকে সামরিক সাহায্য পাঠানো আপাতত বন্ধ করে দিল ট্রাম্প প্রশাসন।

    হোয়াইট হাউসের শীর্ষ আধিকারিক কী বললেন সংবাদমাধ্যমকে

    হোয়াইট হাউসের এক শীর্ষ আধিকারিক সংবাদ সংস্থা এএফপি-কে বলেন, “শান্তি ফেরানোর লক্ষ্যে স্থির রয়েছেন ট্রাম্প (Donald Trump)। আমরা চাই আমাদের বন্ধুরাও সেই একই লক্ষ্যে স্থির থাকুক। আমরা তাই আপাতত সাহায্য (ইউক্রেনকে সামরিক সাহায্য) বন্ধ রেখে তা পর্যালোচনা করছি, যাতে এর মাধ্যমে কোনও সমাধানের পথ বেরোয়।” বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, ইউক্রেনকে সামরিক সাহায্য আপাতত বন্ধ রেখে শান্তিচুক্তির জন্য চাপ তৈরি করতে চাইছে আমেরিকা। আসলে ট্রাম্প চাইছেন রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি বন্ধ করতে উদ্যোগী হোন জেলেনস্কি।

  • Trump-Zelenskyy Meet: হল না খনিজ চুক্তি! ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে তুমুল বচসা, বাতিল যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন

    Trump-Zelenskyy Meet: হল না খনিজ চুক্তি! ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে তুমুল বচসা, বাতিল যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নজিরবিহীন! বিশ্ব রাজনীতির অলিন্দে কান পাতলে এমন ঘটনা খুব কমই শোনা যায়। রুদ্ধদ্বার বৈঠক বেরিয়ে এল ঘরের বাইরে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার হোয়াইট হাউসে বৈঠকে বসেছিলেন (Trump-Zelenskyy Meet)। কিন্তু মাঝপথে রেগেমেগে বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট। ফলে দু’জনের মধ্যে পূর্ব ঘোষণা মতো চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। বাতিল হয় যৌথ সাংবাদিক বৈঠকও। এই ঘটনার জন্য ট্রাম্প এবং জেলেনস্কি পরস্পরকে দায়ী করেছেন।

    আপস করতে হবে ইউক্রেনকে

    ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই ইউক্রেন প্রেসিডেন্টকে আক্রমণ করছিলেন। বরফ গলে ইউক্রেনের (Trump-Zelenskyy Meet) খনিজ সম্পদের উপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরে জেলেনস্কি রাজি হওয়ার পর। শুক্রবার দুই প্রেসিডেন্ট বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকে একদিকে যেমন রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি আলোচনা নিয়ে কথা হয়েছে, তেমনই ইউক্রেন-আমেরিকার খনিজ চুক্তি নিয়েও আলোচনা হয়। ট্রাম্প জেলেনস্কিকে জানিয়েছেন, তিনি নিরপেক্ষ থেকে দুদেশের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে চান। রাশিয়া বা ইউক্রেন কারও দিকেই তিনি ঝুঁকে নেই। তবে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করতে হলে খানিকটা আপস করতে হবে ইউক্রেনকে। ট্রাম্পের বক্তব্য, ইউক্রেন-রাশিয়ার মধ্যে শান্তি ফেরানোর উদ্যোগে এগিয়ে আসতে হবে ন্যাটোকেও। ক্রমে বাক্যালাপ গড়ায় উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে।

    উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়

    ট্রাম্প রাশিয়া-ইউক্রেন (Trump-Zelenskyy Meet) যুদ্ধের জন্য জেলেনস্কিকে দায়ী করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘‘আপনি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ চাপিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু জেনে যান এই যুদ্ধ আপনি হেরে গিয়েছেন। আপনার সৈন্য কমে গিয়েছে। অস্ত্র কমে গিয়েছে। আপনি কিছুতেই জিততে পারেন না। কারণ আমরা আপনার পাশে নেই। আপনার উচিত কৃতজ্ঞ থাকা। আমরা অনেক কিছুই দিয়েছি আপনাদের।’’ পাল্টা জবাব দেন জেলেনস্কি। তাঁর কথায়, ‘‘আমেরিকার ভুল নীতির জন্য পুতিনের মতো খুনি মান্যতা পেয়ে যাচ্ছে। রাশিয়াই ইউক্রেন আক্রমণ করেছে। যেখানে তাঁদের দেশে মানুষ মারা যাচ্ছেন, আগুনে জ্বলছে শহরগুলি, সেখানে আপসের কথা আসছে কোথা থেকে।’’ জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘‘কিন্তু আপনাদের তো এই মুহূর্তে কিছুই করার নেই।’’ ইউক্রেনকে বাস্তববাদী হওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি। শেষপর্যন্ত জেলেনস্কির সঙ্গে কথা কাটাকাটি হতে থাকে ট্রাম্পের। বর্ষীয়ান রিপাবলিকান নেতার স্পষ্ট দাবি, জেলেনস্কির জায়গায় তিনি থাকলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতেই দিতেন না। এহেন পরিস্থিতিতে হোয়ইট হাউজ থেকে বেরিয়ে আসেন জেলেনস্কি। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ইউক্রেনের মানুষের জীবন নিয়ে জুয়া খেলছেন বলেও তোপ দাগেন ট্রাম্প। দেন একাই লড়ার হুঁশিয়ারি।

    কেন বাদানুবাদ

    ঠিক কী নিয়ে দু’জনের আলোচনা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে তা জানা যায়নি। কূটনৈতিক মহলের অনুমান, খনিজ চুক্তি নিয়ে শেষ মুহূর্তে ইউক্রেনের উপর কিছু শর্ত চাপাতে চান ট্রাম্প (Trump-Zelenskyy Meet)। তাতেই বেঁকে বসেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ড। অতীতে আমেরিকার জো বাইডেনের সরকার ইউক্রেনের পাশে ছিল। জেলেনস্কির দেশকে অর্থ ও অস্ত্র সহায়তা করেছে আমেরিকা। রাশিয়ার বিরুদ্ধে সেই সব অস্ত্র ব্যবহার করেছে ইউক্রেন। ট্রাম্প এসেই সেই সব সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছেন। মার্কিন সহায়তা চালু রাখতেই ট্রাম্পের চাপের কাছে নতিস্বীকার করে ইউক্রেনের খনিজ পদার্থ নিয়ে চুক্তি করতে এবং হোয়াইট হাউস সফরে রাজি হন জেলেনস্কি।

    ক্ষমা চাইবেন না জেলেনস্কি

    হোয়াইট হাউস (White House Meeting) সূত্রে খবর, ট্রাম্প কোনও চুক্তির সম্ভাবনাকে এখনও উড়িয়ে দিচ্ছেন না। তবে তাঁর শর্ত হল ইউক্রেনকে গঠনমূলক কথাবার্তা চালাতে হবে। অন্যথায় খনিজ চুক্তি হওয়া সম্ভব নয়। বল এখন ইউক্রেনের কোর্টে। ওভাল অফিসে (Oval Office) যা হয়েছে, তা যে দুই দেশের সম্পর্কের পক্ষে ভাল নয়, মেনে নিয়েছেন জেলেনস্কিও (Trump-Zelenskyy Meet)। তাঁর কথায়, ‘‘এই ধরনের বাদানুবাদ উভয় পক্ষের জন্যই খারাপ। ট্রাম্প যদি ইউক্রেনকে সাহায্য না-করেন, তবে রাশিয়ার আক্রমণ ঠেকানো আমাদের পক্ষে মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে। তবে আমি নিশ্চিত, এই সম্পর্ক মেরামত করা সম্ভব। কারণ, এটা শুধু দুই প্রেসিডেন্টের মধ্যে সম্পর্কের বিষয় নয়। এটা দুই দেশের মধ্যেকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক। আমি সবসময় আমাদের দেশের মানুষের পক্ষ থেকে আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। তবে এই ঘটনার জন্য ক্ষমা চাওয়ার কোনও প্রশ্ন উঠছে না।’’

    জেলেনস্কির পাশে ইউরোপ

    এই বৈঠকের পর ইউরোপের একাধিক দেশের রাষ্ট্রনেতা মুখ খুলেছেন। তাঁরা জেলেনস্কি এবং ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দিয়েছেন। আমেরিকার সঙ্গে ইউরোপের যে সমস্ত দেশের বন্ধুত্ব রয়েছে, মূলত তাঁরাই জেলেনস্কিকে সমর্থন করেছেন। ট্রাম্প আমেরিকার কুর্সিতে বসার পর থেকে এই মিত্র দেশগুলি আতঙ্কিত। তাদের ধারণা, জেলেনস্কিকে চাপে রেখে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকেই জয়ী ঘোষণা করার পরিকল্পনা রয়েছে ট্রাম্পের। তাই একযোগে ইউরোপের রাষ্ট্রনেতারা মুখ খুলেছেন। জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ স্কলজ বলেন, ‘‘ইউক্রেনের মানুষ শান্তি চান।’’ ফান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ বলেন, ‘‘রাশিয়া আগ্রাসী, ইউক্রেনের মানুষ সেই আগ্রাসনের শিকার। আমরা ইউক্রেনের পাশে রয়েছি।’’ ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বলেন, ‘‘ভেদাভেদ নয়, একজোট হতে হবে।’’

  • Donald Trump: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নয়া উদ্যোগ, পুতিন ও জেলেনস্কিকে ফোন ট্রাম্পের

    Donald Trump: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নয়া উদ্যোগ, পুতিন ও জেলেনস্কিকে ফোন ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আলোচনয়া রাজি দুই রাষ্ট্রপ্রধান। সমাজমাধ্যমে একথা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। গত তিন বছর ধরে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে চলা যুদ্ধ বন্ধ করতে উদ্যোগী ট্রাম্প। বুধবার তিনি এই বিষয়ে কথা বলেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে। তারপরই ট্রাম্প জানান, প্রথমে তিনি কথা বলেন পুতিনের সঙ্গে। এরপর আলোচনার বিষয়বস্তু জানিয়ে ট্রাম্প ফোন করেন জেলেনস্কিকে।

    ট্রাম্প-পুতিন ফোনালাপ

    মস্কোর তরফে ট্রাম্প-পুতিন ফোন কথোপকথনের বিষয়টি স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, প্রায় দেড় ঘণ্টা ট্রাম্প এবং পুতিনের মধ্যে কথা হয়। পুতিন ট্রাম্পকে রাশিয়ায় (Russia Ukraine War) যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান। ট্রাম্পও পুতিনকে আমেরিকায় যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান। পুতিনের সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের বিষয়ে ট্রাম্প (Donald Trump) বলেন, “প্রেসিডেন্ট পুতিনের চিন্তাভাবনা কী তা মানুষ সত্যিই জানত না। তবে আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, তিনি এই যুদ্ধের শেষ দেখতে চান ৷ তাই এটি ভালো দিক এবং আমরা এই যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব কাজ করতে চলেছি ।” ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনার নির্যাস জানিয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। তিনি জানান, শান্তিরক্ষার বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর অর্থবহ আলোচনা হয়েছে।

    শান্তির পক্ষে সওয়াল

    প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের পূর্বসূরি জো বাইডেন পুতিনের সঙ্গে প্রায় তিন বছর কোনও আলাপ-আলোচনা করেননি। বরং রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য অর্থ, অস্ত্র এবং রসদ জুগিয়েছিলেন ইউক্রেনকে। ট্রাম্প অবশ্য অতীতেও পুতিনের প্রশংসা করেছেন। দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় এসে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia Ukraine War) বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। বুধবার ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধ করার বিষয়ে আলোচনা শুরুর জন্য আমেরিকার বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ওয়াল্টজকে নির্দেশ দিয়েছেন। যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়া ইউক্রেন দুই তরফে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে, এমনটাই দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৷ তবে বৈঠক কবে এবং কোথায় হবে, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি৷ ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, “আমি মনে করি প্রেসিডেন্ট পুতিন শান্তি চান এবং প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিও শান্তি চান এবং আমিও শান্তি চাই। আমি চাই, মানুষ হত্যা বন্ধ হোক।”

  • PM Modi: মার্কিন মুলুকে ফের বৈঠকে মোদি-জেলেনস্কি, এবার কী নিয়ে কথা হল?

    PM Modi: মার্কিন মুলুকে ফের বৈঠকে মোদি-জেলেনস্কি, এবার কী নিয়ে কথা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মানবতার সাফল্য লুকিয়ে রয়েছে আমাদের সমবেত শক্তির ওপর। তা কখনওই যুদ্ধক্ষেত্রে নয়।” সোমবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের ‘সামিট অফ দ্য ফিউচার’ শীর্ষক আলোচনায়  যোগ দিয়ে এমনই মন্তব্য করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর কথা যে নিছক কথার কথা নয়, তিনি যে প্রকৃতই বিশ্বশান্তির পক্ষে, এক মাসে দ্বিতীয়বার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির (Volodymyr Zelenskyy) সঙ্গে বৈঠক করে তা বুঝিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে শান্তি ফেরাতে ভারত পূর্ণ সহযোগিতা করবে বলেও বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতিতে দুই দেশের তরফেই জানিয়ে দেওয়া হল, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে একযোগে কাজ করবে ভারত ও ইউক্রেন।

    মোদি-জেলেনস্কি বৈঠক (PM Modi)

    দু’বছর ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে মোদি বলেছিলেন, “এটা যুদ্ধের সময় নয়।” একবার নয়, একাধিকবার পুতিনের কানে এই মন্ত্র দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেও বন্ধ হয়নি রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ। মাসখানেক আগে ইউক্রেন সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেও তিনি জানিয়েছিলেন, “যুদ্ধ কোনও সমাধান নয়।” তিন দিনের সফরে আমেরিকা গিয়েছিলেন মোদি। সেখানে বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে পার্শ্ববৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, জেলেনস্কি যে মোদির সঙ্গে পার্শ্ববৈঠকে আগ্রহী, তা জানিয়েছিল ইউক্রেন। সেই মতো হয় পার্শ্ববৈঠক।

    কী বললেন মোদি?

    বৈঠক প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি জানান, এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জেলেনস্কিকে বার্তা দিয়েছেন আলোচনার মাধ্যমে শান্তির পথে এগিয়ে যাওয়ার। শান্তি ও স্থিতাবস্থা না থাকলে উন্নয়ন সম্ভব নয়। যুদ্ধ শেষ হবে কিনা, তা বলবে সময়। তবে যুদ্ধ যাতে শেষ হয়, সেদিকেই মনোনিবেশ করা উচিত প্রত্যেকের। বৈঠক শেষে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “নিউইয়র্কে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ হল। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে গত মাসে ইউক্রেন সফরে আমাদের আলোচনায় যে বিষয়গুলি উঠে এসেছিল, তা বাস্তবায়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অস্ত্র ছেড়ে আলোচনার মাধ্যমে (Volodymyr Zelenskyy) দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য ভারত সব ধরনের সাহায্য করতে প্রস্তুত (PM Modi)।”

    আরও পড়ুন: মোদি-ট্রাম্প বৈঠক হল না, মার্কিন সফর সেরে ভারতে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

  • Doval meets Putin: মোদির তৈরি রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি ফর্মুলা নিয়ে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক ডোভালের

    Doval meets Putin: মোদির তৈরি রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি ফর্মুলা নিয়ে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক ডোভালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের হাতে ইউক্রেনে শান্তি ফেরানোর ‘নীল নকশা’ তুলে দিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। ব্রিকস গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের বৈঠক চলছে রাশিয়ায়। বৃহস্পতিবার, তারই ফাঁকে রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করলেন ডোভাল। সূত্রের খবর, ডোভালের এই রুশ সফরের লক্ষ্যই হল রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্ব নিরসন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শান্তি ফর্মুলা নিয়েই তিনি প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।

    মোদির অপেক্ষায় পুতিন

    ভারতে অবস্থিত রুশ দূতাবাসের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় পুতিন ও ডোভালের বৈঠকের ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। ঠিক কী কী কথা হয়েছে তাঁদের মধ্যে তা বিশদে জানা না গেলেও সূত্রের খবর, পুতিন জানিয়েছেন যে, তিনি এবছরের শেষে কাজানে হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। বৈঠকের ফাঁকেই দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার আশা ব্যক্ত করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদির মস্কো সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সেগুলির বাস্তবায়নের কাজ কতদূর এগলো তা খতিয়ে দেখা  এবং ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি করা হবে অক্টোবরের ওই বৈঠকে। এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস। পুতিনকে উদ্ধৃত করে রুশ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, “আমরা আমাদের ভালো বন্ধু নরেন্দ্র মোদির জন্য অপেক্ষা করছি এবং তাঁকে স্বাগত জানাচ্ছি।” শুধু পুতিনের সঙ্গেই নয়, গত বুধবার সেন্ট পিটার্সবার্গে রুশ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সার্গেই শোইগুর সঙ্গে বৈঠক করেন অজিত ডোভাল। ‘পারস্পরিক স্বার্থের’ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে দুজনে আলোচনা করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    ভারতের কূটনৈতিক জয়

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইউক্রেন সফরের আড়াই সপ্তাহ পর রাশিয়া সফরে গিয়েছেন অজিত ডোভাল। ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায়, প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন, চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইউক্রেন এবং রাশিয়া দুই দেশকে একসঙ্গে বসতে হবে। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, ভারত এই অঞ্চলে শান্তি ফেরাতে সক্রিয় ভূমিকা নিতে প্রস্তুত। বিশ্লেষকদের মতে, মোদির পরামর্শে যদি আলোচনায় বসে ইউক্রেন ও রাশিয়া তাহলে তা বিরাট কূটনৈতিক জয় হবে ভারতের। কারণ পুতিনের সঙ্গে মোদির সখ্যের কথা কারও অজানা নয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share