Tag: voter card

voter card

  • Electoral Fraud: ভুয়ো ভোটার নির্মূল করতে আধার-এপিক কার্ড লিংকের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের

    Electoral Fraud: ভুয়ো ভোটার নির্মূল করতে আধার-এপিক কার্ড লিংকের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুতুড়ে ভোটারদের (Electoral Fraud) নির্মূল করতে বড়সড় পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিল (AADHAAR Voter Cards Link) কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকা থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী-সহ অবাঞ্ছিত ভোটারদের ভোট-প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখতে ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড লিংক করানোর সিদ্ধান্ত নিল তারা। ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার (ইউআইডিএআই) বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    ভারতীয় নাগরিকদের ভোটাধিকার (Electoral Fraud)

    এই উদ্যোগ নিতে হলে প্রযুক্তিগত ও আইনি পরিকাঠামো কী হবে তা নিয়ে আলোচনা করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আধিকারিক, ইউআইডিএআই এবং অন্য দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও আরও দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশিম। সেখানে নির্বাচন কমিশনের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সংবিধানের ৩২৬ নম্বর ধারার অধীনে ভারতীয় নাগরিকদের ভোটাধিকার সংরক্ষিত থাকলেও, আধার কার্ড কেবল পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে কাজ করে। এই দুইয়ের সংযোগ সাংবিধানিক বিধান ও আইনি নির্দেশিকা অনুসরণ করবে। এই সিদ্ধান্তের পর শীঘ্রই ইউআইডিএআই এবং কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের বিশেষজ্ঞরা প্রযুক্তিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।

    আধার-ভোটার কার্ড সংযোগ

    জানা গিয়েছে, আধার-ভোটার কার্ডের এই সংযোগ ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ধারা ২৩(৪), ২৩(৫), এবং ২৩(৬)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে এবং ডাব্লুপি (সিভিল) নং ১৭৭/২০২৩-এ সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হবে। ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ধারা ২৩(৬) নিশ্চিত করে যে, কোনও নির্বাচক যদি পর্যাপ্ত কারণ দেখাতে পারেন, তাহলে আধার নম্বর দেওয়া বা শেয়ার করতে না পারার কারণে তাঁকে নির্বাচনী তালিকা থেকে সরানো হবে না। এটি নিশ্চিত করে যে আধার সংযোগ শুধুমাত্র তখনই হবে যখন নির্বাচক স্বেচ্ছায় তাঁর আধার নম্বর জমা দেবেন। যাঁরা আধার বিবরণ প্রদানে বৈধ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারেন, তাঁদের অধিকার রক্ষা করা হবে (AADHAAR Voter Cards Link)।

    স্বেচ্ছাসেবী কর্মসূচি

    নির্বাচন কমিশন ২০২২ সালের ১ অগাস্ট থেকে একটি স্বেচ্ছাসেবী কর্মসূচি চালু করেছে, যার মাধ্যমে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিদ্যমান এবং সম্ভাব্য ভোটারদের থেকে আধার নম্বর সংগ্রহ করা হবে। আধার প্রমাণীকরণের (Electoral Fraud) জন্য সম্মতি ফর্ম ৬বি-র মাধ্যমে নেওয়া হয়, এবং একবার সম্মতি দেওয়া হলে, তা প্রত্যাহারের কোনও ব্যবস্থা নেই।

    নির্বাচনী জালিয়াতি

    এই উদ্যোগটি ভারতের নির্বাচনী জালিয়াতি ও কারচুপি মোকাবিলার প্রচেষ্টায় একটি উল্লেখযোগ্য মোড় হিসাবে চিহ্নিত। আধার সিস্টেমের সুবিধা নিয়ে নির্বাচন কমিশন একটি আরও নির্ভুল এবং বিশ্বস্ত ভোটার ডেটাবেস তৈরি করতে চায়। আধার-ইপিআইসি সংযোগ নকল ভোটারদের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা নিশ্চিত করবে যে শুধুমাত্র যোগ্য ভোটাররাই তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। এভাবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সততা শক্তিশালী হবে।

    ভুতুড়ে ভোটার

    কয়েক বছর আগে কারও মৃত্যু হয়েছে, অথচ ভোটার তালিকায় দিব্যি রয়েছেন তিনি। তাঁর ভোটার কার্ড কিংবা রেশন কার্ড জমা দিয়ে ভোট দিয়ে দিচ্ছেন অন্য কেউ। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর নাম রয়ে যাচ্ছে ভোটার তালিকায়। আবার এমনও অনেকে রয়েছেন, যাঁরা জীবিত থাকলেও, ভোটার তালিকা থেকে নাম কাটা গিয়েছে। অর্থাৎ নির্বাচন কমিশনের খাতায় তিনি মৃত। নানা সময় এ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। কেবল পশ্চিমবঙ্গ নয়, দেশের অন্যান্য রাজ্যের শাসক কিংবা বিরোধীরাও এনিয়ে সরব হয়েছেন। ভুয়ো ভোটার ইস্যুতে মঙ্গলবার একই দিনে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল ও বিজেপি।

    বিজেপির অভিযোগ

    দুপক্ষই নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকায় ভুয়ো ভোটার ঢোকানোর অভিযোগ জানিয়েছিল (Electoral Fraud)। বিজেপির অভিযোগ, বাংলায় ১৩ লাখের বেশি ভুয়ো ভোটার রয়েছে তালিকায়। স্বচ্ছ ভোটার তালিকার দাবিতে সরব হয় পদ্ম শিবির। এনিয়ে উত্তপ্ত হয় সংসদের উভয় কক্ষই। ভুতুড়ে ভোটার নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব খারিজ হতেই বিক্ষোভে শামিল হন দেশের বিভিন্ন দলের সাংসদরা (AADHAAR Voter Cards Link)।

    ভুতুড়ে ভোটারমুক্ত তালিকা

    এর পরেই ভোটার তালিকা ভুতুড়ে ভোটারমুক্ত করতে তৎপর হয় নির্বাচন কমিশন। ডাকা হয় বৈঠক। বর্তমানে ভোটার আইডির সঙ্গে আধার লিংক করা কারও ইচ্ছের ওপর নির্ভর করে এবং নাগরিকদের আইনত আধারের তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে নির্বাচনী প্রক্রিয়া জোরদার করতে ইসিআই রাজনৈতিক দলগুলিকে এর সঙ্গে জুড়ছে। নির্বাচন কমিশন ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সব (AADHAAR Voter Cards Link) জাতীয় ও রাজ্য রাজনৈতিক দলগুলিকে ইআরও, ডিইও এবং সিইওদের কাছে এ সংক্রান্ত অমীমাংসিত সমস্যার কথা জানানোর কথা বলেছে (Electoral Fraud)।

  • Election Commission of India: ‘ভোটার কার্ডে একই এপিক নম্বর মানেই ভুয়ো নয়’, বিজ্ঞপ্তি কমিশনের

    Election Commission of India: ‘ভোটার কার্ডে একই এপিক নম্বর মানেই ভুয়ো নয়’, বিজ্ঞপ্তি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একই এপিক নম্বরে একাধিক ভোটারের নাম থাকা মানেই তাঁরা নকল বা ভুয়ো ভোটার নন। বিবৃতি দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। তাদের দাবি, এপিক নম্বর এক হলেও বিধানসভা কেন্দ্র এবং ভোটকেন্দ্র আলাদা হতে পারে। এপিক নম্বর এক হলেও, একজন ভোটার দুই জায়গায় ভোট দিতে পারেন না। বিভ্রান্তি এড়াতে ইউনিক বা অনন্য এপিক নম্বর চালুর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, দু’টি পৃথক রাজ্য বা কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে একই আলফানিউমেরিক সিরিজ ব্যবহারের জন্য কিছু ক্ষেত্রে একই এপিক নম্বর পাওয়া যাচ্ছে। নিবন্ধিত ভোটারদের অভিন্ন এপিক নম্বর বরাদ্দ করার বিষয়টি কমিশন নিশ্চিত করবে বলেও জানানো হয়।

    মমতার মিথ্যাচার

    বাংলায় বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-পর্যবেক্ষক অমিত মালব্যর দাবি, সচিত্র পরিচয়পত্রের উদাহরণ দিয়ে যে কারচুপির অভিযোগ মমতা করেছিলেন, কমিশন (Election Commission of India) তা খারিজ করে দিয়েছে। বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের যুক্তি, আগামী ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে হারের আশঙ্কায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ভোটার তালিকায় কারচুপির ‘মিথ্যে অভিযোগ’ তুলেছিলেন। যাতে নির্বাচনী ব্যবস্থায় মানুষের আস্থা নড়ে যায়। কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, একই সংখ্যায় একাধিক ভোটার আইডি কার্ড থাকলেও সেখানে ‘ভুয়ো’ ভোটারের প্রশ্ন নেই। ভোটাররা শুধু নিজেদের নির্বাচনী কেন্দ্রেই ভোট দিতে পারবেন।

    কী বলছে কমিশন

    কমিশন (Election Commission of India) জানিয়েছে, কিছু ভোটারের আইডি কার্ডের নম্বর এক হতে পারে। তবে নাম, ধাম, বিধানসভা কেন্দ্র, ভোটগ্রহণ কেন্দ্র আলাদা হবে। ভোটার আইডি কার্ডের নম্বর যা-ই হোক না কেন, ভোটারেরা শুধু নিজের কেন্দ্রে ভোট দিতে পারেন। কমিশনের যুক্তি, ভোটার তালিকা ব্যবস্থাপনার জন্য তারা এখন ‘এরোনেট’ নামের একটি তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা তৈরি করেছে। তার আগে রাজ্যে রাজ্যে আলাদা আলাদা ভাবে, কোনও যান্ত্রিক নিয়ম না মেনে ভোটার আইডি কার্ডের নম্বর দেওয়া হত। ফলে, কিছু রাজ্য একই সিরিজের সংখ্যা ব্যবহার করে থাকতে পারে। তাতে বিভিন্ন জায়গায় একই সংখ্যার ভোটার আইডি কার্ড বিলি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তবে এই বিষয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ভোটারদের আইডি কার্ডে ভিন্ন সংখ্যা থাকবে। প্রতিটি ভোটার কার্ডের সংখ্যা ইউনিক হবে। কোথাও একই নম্বর থাকলে তা সংশোধন করা হবে।

  • Siliguri: জেরক্সের দোকানে সক্রিয় জাল আধার-ভোটার কার্ড চক্র, সিমবক্স উদ্ধারে জঙ্গি যোগ!

    Siliguri: জেরক্সের দোকানে সক্রিয় জাল আধার-ভোটার কার্ড চক্র, সিমবক্স উদ্ধারে জঙ্গি যোগ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে (Siliguri) ফের জাল আধার ও ভোটার কার্ড তৈরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতের নাম সাব্বির আলি। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকার ফুলবাড়ির জোটিয়াকালিতে একটি জেরক্সের দোকানে পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ ও গোয়েন্দা শাখা অভিযান চালায়। সেখান থেকে বেশকিছু জাল আধার ও ভোটার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স  সহ এই নকল নথি তৈরির সামগ্রী উদ্ধার হয়। এই দোকান থেকে তিনটি সিমবক্স পাওয়া গিয়েছে। যা ভাবিয়ে তুলেছে পুলিশকে।

    সিম বক্স উদ্ধারে জঙ্গি যোগ! (Siliguri)

    শিলিগুড়ি (Siliguri) শহর  লাগোয়া ভারত-নেপাল সীমান্ত দিয়ে বারবার অনুপ্রবেশকারীদের গ্রেফতারের ঘটনায় শিলিগুড়িতে জাল আধার ও ভোটার কার্ড তৈরির দিকটি অনেক আগেই সামনে এসেছে। এজন্য গ্রেফতারও হয়েছেন একাধিক ব্যক্তি। তার পরেও যে শিলিগুড়িতে জাল আধার কার্ড ভোটার কার্ড তৈরি চক্র নিষ্ক্রিয় করা যায়নি তা প্রমাণ হল বৃহস্পতিবার ফুলবাড়িতে। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা জানিয়েছে, অপরাধমূলক কাজের জন্য সিম বক্স ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক টেলিফোন করা হয়। সিম বক্সে টেলিফোন করা হলে তা ধরা পড়ে না। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত কাছে থাকায়  গোয়েন্দাদের প্রাথমিক অনুমান জোটিয়াকালি থেকে সিম বক্সে বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হত।  জঙ্গি কার্যকলাপের দিকটিও অস্বীকার করছে না রাজ্য গোয়েন্দা পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে এই সিম বক্সের কারবার চলে আসাটা উদ্বেগজনক বলে মনে করছে গোয়েন্দা পুলিশ।

     কী বলছে পুলিশ?

    পুলিশ জানিয়েছে, দেশের নিরাপত্তার কারণে জানা দরকার, ধৃত  সাব্বির আলি সিম বক্স কেন বসিয়েছিল, কোথা থেকে সে পেয়েছে এবং এর মাধ্যমে কে বা কারা কোথায় কোথায় ফোন করত। আন্তর্জাতিক বিষয়ে এসব জানার জন্য সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো এবং আর্মি-ইন্টেলিজিন্সের সাহায্য প্রয়োজন। তাই তাদেরকে গোটা বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    প্রশ্ন উঠেছে রাজ্য পুলিশ ও গোয়ান্দাদের ভূমিকা নিয়ে

    জাল আধার ও ভোটার কার্ড তৈরি ঘটনার সঙ্গে সিম বক্সের কারবার  সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় রাজ্য পুলিশ ও গোয়েন্দাদের নজরদারি ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, এই সীমান্ত এলাকায় যে ধরনের নজরদারি থাকা প্রয়োজন তা নেই। সেই সুযোগেই দিনের পর দিন জাল আধার, ভোটার কার্ড তৈরির পাশাপাশি সিম বক্স বসিয়ে এই কারবার চলছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: ভোটার কার্ড ছাড়াও এগুলি দেখিয়ে ভোট দিতে পারবেন, জেনে নিন কমিশনের নিয়ম

    Loksabha Election 2024: ভোটার কার্ড ছাড়াও এগুলি দেখিয়ে ভোট দিতে পারবেন, জেনে নিন কমিশনের নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, ভোটার আইডি কার্ড না-থাকলেও ভোট দেওয়া যাবে৷ সেক্ষেত্রে ভোটার তালিকায় নিজের নাম আছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে৷ তালিকায় নাম থাকলে ভোটার কার্ড ছাড়াও ভোট দেওয়া যাবে৷ ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ভোট গ্রহণ। এবারও ভোট হবে সাত দফায়। ১ জুন শেষ দফার ভোট।

    কী কী নিয়ে ভোট দিতে যাবেন

    নির্বাচন কমিশন জানাচ্ছে, ভোট দানের জন্য পরিচিতি প্রমাণের ক্ষেত্রে যে কোনও একটি অনুমোদিত নথি বা পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন। কাছে রাখতে পারেন ভোটারদের সচিত্র পরিচয়পত্র (এপিক), আধার কার্ড, প্যান কার্ড, চাকরির পরিচয়পত্র, শারীরিক প্রতিবন্ধকতাযুক্ত ভোটারদের বিশেষ পরিচয় পত্র (UDID), ফোটো সহ ব্যাঙ্ক বা ডাকঘরের পাসবই, স্বাস্থ্যবিমার স্মার্টকার্ড (শ্রম মন্ত্রক), ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট, এন পি আর-এর অধীনে আর জি আই প্রদত্ত স্মার্টকার্ড, পেনশনের নথি, এম এন আর ই জি এ-জব কার্ড প্রভৃতি। ভোটার তালিকায় নাম থাকলে এই পরিচয় পত্রগুলির মধ্যে যে কোনও একটি সঙ্গে থাকলেই আপনি ভোট দিতে যেতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: বেড়াতে যাবেন, বিয়ের মরশুম! সামনে নির্বাচন জানেন কত নগদ রাখতে পারবেন সঙ্গে?

    ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে

    ভোটার হিসাবে নাম নথিভুক্তিকরণের জন্য যে কোনও ভারতীয় নাগরিককে অনলাইন বা অফলাইনে 6 নম্বর ফর্মটি পূরণ করতে হবে৷ অনলাইনে 6 নম্বর ফর্ম পূরণ-নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব ওয়েবসাইটে (https://voters.eci.gov.in) গিয়ে ৬ নম্বর ফর্ম পাওয়া যাবে৷ এখানে তথ্য ও প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করে ধাপে ধাপে ফর্মটি পূরণ করতে হবে৷ অফলাইনে ৬ নম্বর ফর্মটি ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের কার্যালয়, অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার এবং বুথ লেভেল অফিসারের কাছ থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যাবে৷ এখানেও প্রয়োজনীয় তথ্য লিখে নথি-সহ জমা দিতে হবে ৷ পরে ওই ভোটারের কাছে ডাকযোগে ভোটার আইডি কার্ড পৌঁছে যাবে৷ আবার আধিকারিকদের কার্যালয়ে গিয়েও কার্ডটি মিলতে পারে ৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: রাস্তার পাশে বস্তার মধ্যে গোছা গোছা ভোটার কার্ড, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Nadia: রাস্তার পাশে বস্তার মধ্যে গোছা গোছা ভোটার কার্ড, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝোপের মধ্যে থেকে হাজার হাজার ভোটার কার্ড উদ্ধার। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভোটার কার্ডগুলি উদ্ধার করে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) চাকদা থানার তাতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের মিত্র পুকুর এলাকায়। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    বৃহস্পতিবার রাতে নদিয়ার (Nadia) চাকদার তাতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের মিত্রপুকুর এলাকার রাজ্য সড়কের পাশে ঝোপের মধ্যে দুটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। এরপর বস্তাগুলি খুলতেই হতবাক হয়ে যান সকলে। বস্তার ভেতর হাজার হাজার ভোটার কার্ড রয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে চাকদা থানার পুলিশ। এরপর পুলিশ ওই ভোটার কার্ডগুলিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গা সহ নদিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় একাধিক পরিবারের কাছে আধার কার্ড বাতিলের নোটিশ আছে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে। এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল রাজনীতি করার চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। কারণ, একের পর এক কার্ড সক্রিয় হতে শুরু করেছে। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ঝোপের মধ্যে বস্তা বস্তা ভোটার কার্ড উদ্ধার ঘিরে আবারও নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হল। স্থানীয়দের প্রাথমিক অনুমান, এই ভোটার কার্ডগুলি সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে তৈরি হওয়ার কারণে কেউ ফেলে রেখে গেছে। পাশাপাশি মনে করা হচ্ছে এই ভোটার কার্ড গুলি নির্বাচনের সময় ব্যবহার করা হত।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    এ বিষয়ে ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মৃণাল বিশ্বাস বলেন, আমরা প্রথমে ওই বস্তা গুলো দেখতে পাই। সেখানে এত ভোটার কার্ড দেখে পরবর্তীকালে স্থানীয় থানায় খবর দিই। এরপর পুলিশ এসে ভোটার কার্ড গুলি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। তবে, ভোটার কার্ডগুলো উদ্ধার করার পর সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি এই ভোটার কার্ডগুলি কোথা থেকে এলো কে বা ফেলে গেল তারও তদন্ত শুরু করেছে চাকদা থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বিজেপি করার মাশুল? ভোটার তালিকায় ‘মৃত’ বৃদ্ধ নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতেও ব্যর্থ!

    Balurghat: বিজেপি করার মাশুল? ভোটার তালিকায় ‘মৃত’ বৃদ্ধ নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতেও ব্যর্থ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাতায় কলমে মারা গিয়েছেন। কিন্তু, তাঁরা দিব্যি চলে ফিরে বেড়াচ্ছেন। এমনই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) ব্লকের নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জন্তীগ্রামে। এই এলাকার শম্ভুচন্দ্র দাস, মলিনা সরকাররা প্রশাসনের খাতায় মৃত। নিজেদের জীবিত করতে প্রশাসনের এই দরজা থেকে ওই দরজায় তাঁরা ঘুরছেন। তাঁদের আর্জি, ভোটার তালিকায় যেন আবার তাঁদের নাম তোলা হয়। কারণ, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ায় তাঁদের বন্ধ হয়ে গিয়েছে সরকারি সুযোগ-সুবিধা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।

    বিজেপি করার জন্য ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ! (Balurghat)

    বৃদ্ধ শম্ভু চন্দ্র দাস পেশায় কৃষক। তাঁর বাড়ি বালুরঘাট (Balurghat) ব্লকের নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জন্তীগ্রামে। বছর দেড়েক আগে তার স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ভোটার তালিকা দেখে তিনি হতবাক হয়ে গিয়েছেন। কারণ, তাঁর মৃত স্ত্রীর নাম ভোটার তালিকায় জ্বল জ্বল করলেও তাঁর নাম বাদ গিয়েছে। খাতায় কলমে তিনি মৃত। কেন, কীভাবে বাদ হয়ে গেলেন তা বোঝার আগেই চলে আসে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ওই নির্বাচনে তিনি ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। এরপর থেকে তিনি নিজের নাম ভোটার তালিকায় তুলতে ও স্ত্রীর নাম বাদ দিতে প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু, এখনও তিনি ভোটার তালিকায় তুলতে পারেননি। তিনি বলেন, বিজেপিকে সমর্থন করি বলে হয়তো আমার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। মলিনা সরকার নামে আর এক মহিলা বলেন, আমাকে মৃত বলে আমার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর কারণ আমি কিছুটা বুঝতে পারছি। আমি বিজেপি করি বলে, শাসকদলের মদতেই আমার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই গণতন্ত্রের দেশে এভাবে ভূত হয়ে বেঁচে থাকতে হবে এ কেমন কথা? গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে আমি ভোট দিতে পারিনি। আগামী লোকসভা নির্বাচনেও পারব কি না জানিনা।

    কী বললেন বিজেপি নেতা?

    বিজেপির স্থানীয়  মণ্ডল সভাপতি প্রবীর মণ্ডল বলেন, গ্রামে গ্রামে এমন মানুষের সংখ্যা প্রচুর। শুধুমাত্র বিজেপি করার অপরাধে নানা কায়দাতে এভাবে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এসব অন্যায় চলতে পারে না।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল নেতা বালুরঘাট পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অরূপ সরকার বলেন, বিজেপি মিথ্যা অভিযোগ করছে। যদি ওই বাসিন্দাদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়ে থাকে, তবে নিয়ম মেনে আবেদন করলেই নাম উঠে যাবে। নাম না উঠলে আমরা সাহায্য করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার কার্ড তৈরির নিদান তৃণমূলের জেলা নেত্রীর, বিতর্ক

    North 24 Parganas: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার কার্ড তৈরির নিদান তৃণমূলের জেলা নেত্রীর, বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকায় নাম তুলে লোকসভা নির্বাচনে জেতার ছক কষছে তৃণমূল। এই ধরনের অভিযোগ সাধারণত বিরোধীরা করে থাকে। কিন্তু, লোকসভা ভোটের আগে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের শাসক দল যে গুরুত্ব দিচ্ছে তা উত্তর ২৪ পরগনায় (North 24 Parganas) তৃণমূলের এক নেত্রীর মন্তব্যে তা প্রকাশ্যে এসেছে। তৃণমূল নেত্রীর ওই বক্তব্য যথেষ্ট বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূল এভাবে জালিয়াতি করে ভোটে জিততে চাইছে।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল নেত্রী? (North 24 Parganas)

    শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদারের জন্মদিন পালন অনুষ্ঠানে যোগ দেন হাবড়া পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভানেত্রী তথা বারাসত সাংগঠনিক জেলার চেয়ারপার্সন তৃণমূল নেত্রী রত্না বিশ্বাস, তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে তৃণমূল নেত্রী রত্না বিশ্বাস বলেন, আর বাকি তিন মাস। তিন মাস বাদেই আমাদের লড়াই লড়তে হবে। এখন ভোটার তালিকায় নাম তোলার কাজ চলছে। জাকিরদার নির্বাচনী এলাকায় অনেক বাংলাদেশি লোক বসবাস করেন। জাকিরদা, অভিজিৎদা (স্থানীয় তৃণমূল নেতা) লিঙ্কটা ভালো জানেন। যদি লিঙ্কের কোনও সমস্যা হয়, বাংলাদেশ থেকে যাঁরা এসেছেন ভোটার লিস্টে নাম তোলার ক্ষেত্রে যদি সমস্যায় পড়েন, জাকিরদাকে কাছে গেলে তিনি সব ঠিক করে দেবেন। এই কাজটা অতি দ্রুত করবেন। আমরা চাই না, একটা ভোটও বাদ যাক। স্বাভাবিকভাবেই এই বক্তব্যে অস্বস্তিতে পড়েছেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।

    দলীয় নেত্রীর পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব

    এ প্রসঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল নেতা জাকির হোসেন বলেন, তিনি সেভাবে কিছু বলতে চাননি, রত্নাদি যেটা বলতে চেয়েছেন, সেটা হল ভোটার তালিকা ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে দেওয়ার কথা। সেটা আমরা বরাবর করি। ওঁর বলার ক্ষেত্রে কিছুটা ভুল হয়েছে। আমরা শুধু ফর্মটা পূরণ করে দিই। বাংলাদেশি কথাটা উচ্চারণ না করলেই ভালো হত। গ্রাম্য কথ্যভাষায়, বাংলাদেশি বলতে যেটা উনি বোঝাতে চেয়েছেন, তা হল সাতচল্লিশ সালের আগে যাঁরা এখানে ছিলেন তাঁরা ভারতীয়, আর তাঁদের পরে যাঁরা এসেছেন তাঁরা বাংলাদেশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share