Tag: voters

voters

  • Bengal Assembly Polls: ১ মার্চ রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ, বাংলায় ভোট কবে?

    Bengal Assembly Polls: ১ মার্চ রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ, বাংলায় ভোট কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি, এমনই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর তারপরেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly elections 2026) দামামা বেজে যাবে। আগামী ১ মার্চ দু’দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে আসছে নির্বাচন কমিশন অব ইন্ডিয়া (ইসিআই)-র পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার (Bengal Assembly Polls) তালিকা প্রকাশের পরদিনই এই সফর অনুষ্ঠিত হবে। নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও), পশ্চিমবঙ্গ মনোজ কুমার আগরওয়ালের সঙ্গে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের বৈঠকে এই সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়।

    মার্চের প্রথম সপ্তাহেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা

    সিইও দফতরের এক সূত্র জানিয়েছে, কলকাতায় পৌঁছে কমিশনের (Election Commission Of India) সদস্যরা সিইও-র পাশাপাশি অতিরিক্ত সিইও, যুগ্ম সিইও, ডেপুটি সিইও এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসআইআর-পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখাই হবে এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য। এর পরপরই রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে বলে সূত্রের খবর। সিইও দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “নয়াদিল্লির বৈঠকে কমিশন ইঙ্গিত দিয়েছে যে মার্চের প্রথম সপ্তাহেই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে।”

    কত দফায় ভোটগ্রহণ রাজ্যে

    বৈঠকে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কত দফায় ভোটগ্রহণ (Bengal Assembly Polls) হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সূত্রের খবর, সিইও একদফায় নির্বাচন করার পক্ষে জোর সওয়াল করেছেন এবং জানিয়েছেন যে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সিএপিএফ) মোতায়েন করা গেলে রাজ্য প্রশাসন একদফা ভোটের জন্য প্রস্তুত। যদিও কমিশন এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি, তবে তিন দফার বেশি ভোট হবে না বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে শেষ একদফা বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল ২০০১ সালে। এরপর লোকসভা ও বিধানসভা—উভয় ক্ষেত্রেই ছয় থেকে আট দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছে। সিইও দফতরের মতে, একদফা ভোটের ক্ষেত্রে যেমন কিছু সুবিধা রয়েছে, তেমনই রয়েছে চ্যালেঞ্জও। একদফা ভোট হলে বিভিন্ন এলাকা থেকে সমর্থক জড়ো করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ কমতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলি তাদের সমর্থকদের এক পকেট থেকে অন্য পকেট পর্যন্ত একত্রিত করতে পারবে না এবং এর ফলে ভোটের দিন বা তার আগের দিন বহিরাগতদের একত্রিত করতে পারবে না। তবে একই দিনে গোটা রাজ্যে ভোট করতে গেলে বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে। কমিশন সেই ব্যবস্থা করতে পারলে একদফা নির্বাচন বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলেই মত প্রশাসনিক সূত্রের।

  • SIR in Bengal: রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ শুনানি

    SIR in Bengal: রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ শুনানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-পর্বের (SIR in Bengal) চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। মঙ্গলবার এসআইআরের নতুন সূচি প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল দিল্লির নির্বাচন সদনে গিয়ে বৈঠক করার পরেই ওই নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়। নতুন সূচি অনুযায়ী, “লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি” বা যৌক্তিক অসঙ্গতি এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে কোনওভাবে সংযুক্ত না থাকার অভিযোগে যাঁদের ডাকা হয়েছে, তাঁদের শুনানি ও মামলার নিষ্পত্তি ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করতে হবে। জমা দেওয়া নথির যাচাই প্রক্রিয়া চলবে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আগে শুনানির শেষ দিন ছিল ৭ ফেব্রুয়ারি এবং চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি।

    কীভাবে হচ্ছে নথি যাচাই

    ইসি (Election Commission Of India) সূত্রে জানা গিয়েছে, যাচাইয়ের আওতায় থাকা ১.৫১ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১.৪০ কোটির শুনানি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ১০-১২ লক্ষ ভোটার, যাঁরা চার থেকে পাঁচটি জেলায় ছড়িয়ে রয়েছেন, তাঁদের শুনানি আগামী দু’দিনের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক আধিকারিক জানান, “শুনানি শেষ হলেই ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মামলার নিষ্পত্তির কাজে জোর দেওয়া যাবে।” সূত্রের খবর, শুনানিতে অংশ নেওয়া প্রায় ১ কোটি ভোটারের নথি ইতিমধ্যেই আপলোড করা হয়েছে। তবে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) ও সহকারী ইআরও-রা নথি আপলোড না করলে জেলা নির্বাচন আধিকারিকরা তা যাচাই করতে পারবেন না। সাধারণত এই যাচাই প্রক্রিয়ায় চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগে। যাচাই শেষে নথি ফেরত পাঠানো হবে ইআরওদের কাছে, যাতে তারা মামলার নিষ্পত্তি করতে পারেন। ইতিমধ্যে যাচাই হওয়া মামলাগুলিতে ইলেক্টোরাল রোল অবজারভাররা তাঁদের মন্তব্য নথিভুক্ত করেছেন, যা বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরওরা।

    একাধিক স্তরে ‘সুপারচেকিং’

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের (SIR in Bengal) সময়সীমা বেড়েছে। স্ক্রুটিনির জন্য সাত দিন সময়সীমা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে শীর্ষ আদালত। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে, ইআরও-রা এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। সুপ্রিম কোর্টের ওই নির্দেশের জেরেই এই সিদ্ধান্ত। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে একাধিক স্তরে ‘সুপারচেকিং’ হবে বলেও জানানো হয়েছে। ইলেক্টোরাল রোল অবজারভার ও বিশেষ রোল অবজারভারদের পর্যবেক্ষণের পর মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) তালিকা খতিয়ে দেখবেন। এরপর তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে নির্বাচন সদনে। সেখানেও আরও এক দফা সুপারচেকিংয়ের পর ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।

    নির্ভুল তালিকা প্রকাশে বিশেষ সতর্কতা

    ইসি (Election Commission Of India) জানিয়েছে, ভুয়ো ভোটার অন্তর্ভুক্তির অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্ভুল তালিকা প্রকাশে তারা বিশেষভাবে সতর্ক। এক আধিকারিকের কথায়, “একাধিক দফায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। কমিশন সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট না হলে তালিকা প্রকাশ করা হবে না।” এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্য সরকার যে ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম ইসিকে পাঠিয়েছে, তাঁদের বিস্তারিত তথ্যও চেয়েছে কমিশন। অভিযোগ উঠেছিল, তালিকাভুক্তদের মধ্যে অনেকে গ্রুপ-সি কর্মী বা অবসরপ্রাপ্ত। এই আধিকারিকদের এসআইআর ডিউটিতে নিয়োগ করা হবে। ইসি সূত্রে জানানো হয়েছে, “শুধুমাত্র গ্রুপ-বি কর্মীরাই যাতে এই দায়িত্ব পান, তা নিশ্চিত করতেই বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।”

  • Assam Election Commission: অসমে বিশেষ সংশোধনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের

    Assam Election Commission: অসমে বিশেষ সংশোধনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি অসমে বিশেষ সংশোধন (SR) ২০২৬-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। এই তালিকায় রাজ্যের ১২৬টি বিধানসভা কেন্দ্রই অন্তর্ভুক্ত। সংশোধিত তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে অসমে মোট ২ কোটি ৪৯ লাখ ৫৮ হাজার ১৩৯ জন ভোটার রয়েছেন।

    চূড়ান্ত তালিকায় ভোটারের সংখ্যা কমেছে (Assam Election Commission)

    নির্বাচন দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, খসড়া ভোটার তালিকার তুলনায় চূড়ান্ত তালিকায় ভোটারের সংখ্যা কমেছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৮৫ জন। খসড়া তালিকায় যেখানে মোট ভোটার ছিল ২ কোটি ৫২ লাখ ১ হাজার ৬২৪ জন, সেখানে ঝাড়াই-বাছাই শেষে এই সংখ্যা কমেছে। অসমের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Chief Electoral Officer) জানান, সংশোধন প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত দাবি ও আপত্তিগুলির নিষ্পত্তি এবং বিস্তারিত যাচাইয়ের পরই এই চূড়ান্ত পরিসংখ্যান নির্ধারিত হয়েছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকার লিঙ্গভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভোটারদের মধ্যে প্রায় সমতা বজায় রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ২৪ লাখ ৮২ হাজার ২১৩ জন এবং মহিলা ভোটার ১ কোটি ২৪ লাখ ৭৫ হাজার ৫৮৩ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ৩৪৩।

    খসড়া ভোটার তালিকা

    বিশেষ সংশোধন ২০২৬-এর জন্য সমন্বিত খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫। তার আগে, ২২ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত অসমজুড়ে ব্যাপক বাড়ি-বাড়ি যাচাই অভিযান (house-to-house verification) চালানো হয়। এই সময় বুথ লেভেল অফিসাররা (BLOs) বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের তথ্য যাচাই করেন এবং সংশোধন ও সংযোজনের প্রয়োজনীয়তা চিহ্নিত করেন।খসড়া তালিকা প্রকাশের পর, নাগরিকদের ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত দাবি ও আপত্তি জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়। নির্বাচন আধিকারিকরা জানান, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে সমস্ত আবেদন সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করা হয়েছে। এদিকে, নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ার সময়সূচিতেও পরিবর্তন এনেছে। সেখানে ভোটার তালিকার চূড়ান্ত প্রকাশের তারিখ বাড়িয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ করা হয়েছে। বৃহৎ পরিসরে তথ্য সংগ্রহ এবং ভোটকেন্দ্রগুলির যথাযথ যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখেই এই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন আবার নাগরিকদের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। কমিশনের মতে, নির্ভুল ও আপডেটেড ভোটার তালিকা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য অপরিহার্য।

     

  • Bengal SIR: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার, অথচ পাসপোর্ট বাংলাদেশের!

    Bengal SIR: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার, অথচ পাসপোর্ট বাংলাদেশের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর (Bengal SIR) চলছে। তাতেই উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যের সিইওর দফতর সূত্রে খবর, অন্তত ১৪ জন ব্যক্তি একই সঙ্গে ভারতীয় ভোটার পরিচয়পত্র (Indian Epic Cards) এবং বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করছে। অনুমান, ওই ১৪ জনই আদতে বাংলাদেশের নাগরিক। এই তথ্যের ভিত্তিতেই রাজ্যের সিইও দফতর কলকাতার ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে।

    বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট (Bengal SIR)

    সম্প্রতি এফআরআরও, কলকাতা সিইও দফতরকে লিখিতভাবে জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট ১৪ জনের প্রত্যেকের কাছেই বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট রয়েছে। তারা সকলেই বৈধ ভিসায় পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল। কিন্তু ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর আর বাংলাদেশে ফিরে যায়নি।পরবর্তীকালে তারা বেআইনিভাবে বিভিন্ন ভারতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে, যার মধ্যে অন্যতম হল ভোটার পরিচয়পত্র। সিইও দফতরের এক সূত্রের খবর, এই ১৪ জনের নাম ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিতব্য চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ

    ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার পাশাপাশি, আইন অনুযায়ী এই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেবে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, এই ১৪ জনকে রাজ্যের তিনটি জেলায় চিহ্নিত করা হয়েছে। এই জেলাগুলি হল উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া এবং পূর্ব মেদিনীপুর। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলা বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া। যার জেরে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। ঘটনাটি সামনে আসার পর নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নজরদারি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে (Bengal SIR)।

    জাল ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরির কারবার

    গত এক বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে ভুয়ো পাসপোর্ট ও জাল ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরির একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং ইডি। তদন্তকারীদের দাবি, এই চক্রের মূল লক্ষ্য ছিল অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভারতীয় নাগরিকত্বের নকল নথি তৈরি করে দেওয়া (Indian Epic Cards)। তদন্তে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এই চক্রটি সক্রিয়ভাবে কাজ করছিল এবং অত্যন্ত পরিকল্পিত চার ধাপের মাধ্যমে ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরি করা হচ্ছিল (Bengal SIR)। প্রথম ধাপে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার পর অনুপ্রবেশকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া বিভিন্ন গ্রামে। স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে তাদের গোপনে রাখা হত।

    কীভাবে চলত কারবার?

    দ্বিতীয় ধাপে স্থানীয় প্রশাসনের একাংশের সঙ্গে যোগসাজশে এই অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র এবং রেশন কার্ড বানানো হত। তৃতীয় ধাপে ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র ও রেশন কার্ডের ভিত্তিতে তৈরি করা হত আধার কার্ড ও প্যান কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় পরিচয়পত্র (Bengal SIR)। চতুর্থ তথা শেষ ধাপে এই সব নকল নথির ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ভুয়ো ভারতীয় পাসপোর্ট জোগাড় করে দেওয়া হত, যার মাধ্যমে তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবাধে যাতায়াত করতে পারত বা বিদেশেও যাওয়ার চেষ্টা করত (Indian Epic Cards)। তদন্তকারী আধিকারিকদের মতে, এই ধরনের চক্র দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের চক্র সক্রিয় থাকাটা উদ্বেগজনক বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (Bengal SIR)। ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন দালাল ও নথি জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে এবং আগামী দিনে আরও বড়সড় নাম সামনে আসতে পারে বলে ইডি ও রাজ্য পুলিশ সূত্রে খবর (Indian Epic Cards)।

  • EC: এসআইআর-এর শুনানি পর্বে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বাড়তি নজর কমিশনের! কেন জানেন?

    EC: এসআইআর-এর শুনানি পর্বে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বাড়তি নজর কমিশনের! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার পর যে প্রাথমিক পর্বের খসড়া তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে বাদ পড়েছে ৫৮ লাখের কাছাকাছি ভোটারের নাম (Suspicious Voters)। এবার শুরু হবে শুনানি প্রক্রিয়া (EC)। এই প্রক্রিয়া শুরু হলে প্রাথমিকভাবে ডাক পেতে পারেন এনিউমারেশন ফর্মে কোনও ম্যাপিং না দেখানো কমবেশি ৩০ লাখ ভোটার। এর বাইরেও শুনানিতে ডাকা হবে বিভিন্ন জেলার সন্দেহজনক তালিকায় থাকা ভোটারদের। বাবা-মা, দাদু-দিদা, ঠাকুর্দা-ঠার্কুমার সঙ্গে যাঁদের বয়সের ফারাক অনেক বেশি কিংবা একই ব্যক্তিকে অনেকে বাবা-মা-দাদু-দিদা হিসেবে দেখিয়েছেন, এমন সন্দেহজনক ভোটারের তালিকা আপাতত ঝাড়াই-বাছাই করছে কমিশন। প্রথমে এই সংখ্যাটা ১ কোটি ৬৭ লাখের মতো থাকলেও, আপাতত তা খানিক কমে হয়েছে ১ কোটি ৩৭ লাখ। তার মধ্যে থেকেই ডাক পাবেন সন্দেহজনক ম্যাপিং করা ভোটাররা।

    ঝাড়াই-বাছাই পর্ব (EC)

    এই তালিকা ঝাড়াই-বাছাই পর্বে কমিশন বাড়তি নজর দিচ্ছে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে। সূত্রের খবর, দাদু-দিদা অথবা ঠাকুর্দা-ঠাকুর্মার নাম ব্যবহার করে প্রোজেনি ম্যাপিংয়ের ক্ষেত্রে সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন শুধু মুর্শিদাবাদেই ৪ লাখ ৭ হাজার ৬৫ ভোটার। রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে এই জেলা। এর পরেই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। এই দক্ষিণ পরগনারই ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে প্রায় ৭ লাখ ভোটে জিতে সাংসদ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই জেলায় সন্দেহজনক প্রোজেনি ম্যাপিংয়ের তালিকায় রয়েছেন ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৯১০ জন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এখানে সন্দেহজনক প্রোজেনি ম্যাপিংয়ের তালিকায় রয়েছেন ২ লাখেরও বেশি ভোটার।

    খসড়া ভোটার

    কমিশনের তালিকা অনুযায়ী (EC), খসড়া ভোটার তালিকায় সব চেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে (Suspicious Voters) দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। এখানে বাদ পড়েছে ৮ লাখ ১৮ হাজার ৪৩২ জন ভোটার। উত্তর ২৪ পরগনায় বাদ পড়েছে ৭ লাখ ৯২ হাজার ১৩৩ জন ভোটার। কমিশন সূত্রে খবর, শুধু দুই ২৪ পরগনায়ই এখনও পর্যন্ত হদিশ মিলেছে ছ’লাখেরও বেশি মৃত ভোটারের। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ। উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়া, বারাকপুর, দমদম উত্তর, খড়দা, রাজারহাট, গোপালপুর, বিধাননগর এবং দক্ষিণ পরগনার যাদবপুর ও কসবা কেন্দ্রের অনেকের নামও বাদ পড়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, এর মধ্যে শুনানির জন্য ডাক পেতে পারেন ১ কোটির মতো ভোটার।

    সন্দেহজনক ভোটারের তালিকায় কারা?

    সন্দেহজনক ভোটারের তালিকায় রয়েছেন কারা? কমিশন জানিয়েছে, এনুমারেশন ফর্ম খতিয়ে দেখা গিয়েছে বহু ভোটারের সঙ্গে তাঁর বাবা-মায়ের বয়সের ফারাক ১৫ বছর বা তারও কম। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এই সংখ্যাটা ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০২ জন। এর পরেই রয়েছে আর এক ২৪ পরগনা। কমিশনের মতে, কিছু ক্ষেত্রে তথ্য ও প্রযুক্তিগত ভুল (Suspicious Voters) হয়ে থাকতে পারে। তবে একটা বড় অংশের ক্ষেত্রে অবশ্যই জালিয়াতি হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। খসড়া তালিকা ঝাড়াই-বাছাই হলে এসবই ধরা পড়বে ছাঁকনিতে (EC)।

  • Caste Politics: জাতপাতের রাজনীতি নয়, বিহারে জয় এনডিএর সুশাসনেরই ফল

    Caste Politics: জাতপাতের রাজনীতি নয়, বিহারে জয় এনডিএর সুশাসনেরই ফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন জাতপাতের রাজনীতির ঘূর্ণাবর্তেই ঘুরপাক খাচ্ছিল বিহারের রাজনীতি (Caste Politics)। তবে সেই এঁদো গলির সেই রাজনীতিকে ছাপিয়ে গিয়ে সদ্য সমাপ্ত বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল বুঝিয়ে দিল, রাজ্যের উন্নয়ন করতে হলে প্রয়োজন সুশাসন (Good Governance), যে সুশাসন দিয়েছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। এই সুশাসনের ঝড়েই কার্যত খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে আরজেডি-কংগ্রেস-বামেদের মহাগঠবন্ধন।

    রাহুলের অস্ত্র ভোঁতা (Caste Politics)

    তার পরেই কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছে বিজেপি বিরোধী জোটের অন্দরে। হারের দায় কংগ্রেস নেতা তথা সাংসদ রাহুল গান্ধীর ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছেন ‘ইন্ডি’ (বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট) জোটের নেতারা। রাজনীতির ময়দানে রাহুলকে প্রায় দেখাই যায় না বলে বিরোধীদের দাবি। বিহারে ভোট প্রচারে বেরিয়ে তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগে সরব হয়েছিলেন। তারপর আর তাঁর পাত্তা পাওয়া যায়নি। সংবাদমাধ্যমের খবর, লাতিন আমেরিকার কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের কাছে তিনি সেই সময় ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার সমালোচনা করেছিলেন।

    সোনার কাঠি-রুপোর কাঠি

    কংগ্রেসের এই নেতা যখন বিদেশে দেশের গায়ে কালিমা লাগাতে ব্যস্ত (Caste Politics), তখন সপ্তাহের সাতদিনই চব্বিশ ঘণ্টা করে খেটে চলেছিলেন এনডিএর নেতা-কর্মীরা। এটি যদি বিহার ভোটে এনডিএর বিপুল জয়ের রুপোর কাঠি হয়, তবে সোনার কাঠিটি অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তুঙ্গ জনপ্রিয়তা এবং সুশাসন। বিহারে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বক্তৃতা দিয়েছিলেন ১৪টি জায়গায়। তিনি তাঁর প্রচার শুরু করেছিলেন জননায়ক কর্পূরী ঠাকুরের পৈতৃক গ্রাম সমস্তিপুর জেলা থেকে। বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কর্পূরীকে ভারতরত্নে ভূষিত করা হয়েছিল। এই জেলা থেকেই নির্বাচনী প্রচার শুরু করে এনডিএর তরফে প্রধানমন্ত্রী বিহারবাসীকে এই বার্তা দেন যে, এনডিএ একটি পরিষ্কার, সৎ এবং প্রান্তিক মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল সরকার উপহার দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এই গুণগুলি কর্পূরী ঠাকুরের সঙ্গে বেশ মেলে। তারই সুফল মিলেছে সদ্য সমাপ্ত বিহার বিধানসভা নির্বাচনে। পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, সমস্তিপুর-সহ প্রধানমন্ত্রী যেসব জায়গায় প্রচার করেছেন, সেই সব জায়গায় ভোটদানের হার ছিল চোখ ধাঁধানো।

    এক্স ফ্যাক্টর!

    বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর এই বিপুল জয়ে কাজ (Caste Politics) করেছে আরও একটি ফ্যাক্টর। সেটি হল, বিজেপি সঠিক নির্বাচনী ইস্যুগুলিকে চিহ্নিত করে তুলে ধরেছে জনগণের দরবারে (Good Governance)। গত দশকে কেন্দ্রীয় সরকারের যেসব কল্যাণমূলক কর্মসূচি, যেগুলি নারী, প্রবীণ এবং সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সহায় হয়ে উঠেছিল, সেগুলি মোদির প্রতি জনগণের ভরসা আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বিহারের জঙ্গলরাজের সঙ্গে সুশাসনের (এনডিএ জমানায়) তুলনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এটাই ব্যাপক প্রভাব ফেলে ইভিএমে। বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের জমানা দেখা ভোটাররা তো বটেই, এনডিএর সুশাসন দেখা নতুন ভোটাররাও ভরসা করেছেন মোদির ওপর। তার জেরেই বিহারে জয়জয়কার বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএর।

    সুশাসনের ফিরিস্তি

    বস্তুত (Caste Politics), নির্বাচনী ময়দানে বিজেপি নেতাদের এই শানিত এবং দূরদর্শী আক্রমণের সামনে বিরোধীদের কার্যত অসহায় দেখিয়েছে। প্রচারে বেরিয়ে মহাগঠবন্ধনের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী লালু-পুত্র তেজস্বী যাদব জনতা জনার্দনের এই আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন যে, জঙ্গলরাজ নয়, নয়া মহাগঠবন্ধনের সরকার রাজ্যবাসীকে উপহার দেবে সুশাসন (Good Governance)। বস্তুত, আরজেডি যে সুশাসন দিতে পারে, তা আদৌ বিশ্বাস করেননি ভোটাররা। আর তা-ই প্রতিফলিত হয়েছে বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফলে। বিজেপির একাধিক মুখ্যমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যখন প্রচারে বেরিয়ে এনডিএ জমানার সুশাসনের ফিরিস্তি দিয়েছেন, তখন জঙ্গলরাজের স্মৃতি ফিকে করে সুশাসনের আশ্বাস দিতে ব্যর্থ হয়েছেন মহাগঠবন্ধনের নেতারা। তেজস্বী নন, বিহারবাসী আস্থা রেখেছেন মোদির সুশাসনের ওপরই (Caste Politics)।

    সাংগঠনিক শক্তি

    সাংগঠনিক শক্তিও বিজেপির বিপুল জয়ের অন্যতম একটি স্তম্ভ। ভোটের আগে আগেও যখন বিরোধী শিবিরে ছন্নছাড়া দশা, তার ঢের আগেই প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়ে মহগঠবন্ধনকে মাত দিয়ে দেয় এনডিএ। ঘর গুছোতে গিয়ে অনেকটা সময় নষ্ট করে ফেলেছিলেন বিরোধীরা। সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়ে এনডিএ বিহারবাসীর মনে এই বার্তা গেঁথে দিতে সক্ষম হয়েছিল যে, ‘হামারা সব এক হ্যায়’। নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞ (Good Governance) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে রাজ্যে ঘাঁটি গেড়ে বসেছিলেন। দক্ষ হাতে পরিচালনা করেছিলেন নির্বাচনের যাবতীয় কর্মকাণ্ড। তৃণমূলস্তরে প্রচার পরিচালনার জন্য দেশজুড়ে ৯০০ জনেরও বেশি প্রবীণ নেতাকে মোতায়েন করা হয়েছিল মাস দুয়েক ধরে। স্থানীয় নেতাদের নিয়ে তাঁরা পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রতিটি ভোটারের  দুয়ারে। এসবের পাশাপাশি সংঘের প্রচ্ছন্ন সমর্থনের ফসলও কুড়িয়েছে বিজেপি।

    নির্বাচনী ফলের বার্তা

    বিহারের এই নির্বাচনী ফল থেকে এটা স্পষ্ট যে বিহারে অবসান হয়েছে জাতপাতের রাজনীতির যুগ। যার জেরে আরজেডির গড় বলে খ্যাত রাঘোপুর আসনে জিততে নাকানিচোবানি খেতে হয় যাদবকুলোদ্ভূত তেজস্বীকে (Caste Politics)। এই যাদব বংশেরই তেজস্বীর দাদা তেজপ্রতাপও আরজেডি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নিজে দল গড়েও ডুবেছেন স্বখাত সলিলে। এসবের একটাই অর্থ, জাতপাতের রাজনীতির পাঁকে আর না জড়িয়ে বিহারবাসী বেছে নিয়েছেন সুশাসন এবং উন্নয়নের রাজনীতি (Good Governance)।

    এই রাজনীতির জেরেই বিহারের প্রত্যন্ত এলাকায়ও ফুটবে উন্নয়নের পদ্মফুল (Caste Politics)।

  • Demographic Reconstruction Research: পশ্চিমবঙ্গে রয়েছেন ১.০৪ কোটিরও বেশি অতিরিক্ত ভোটার, বলছে সমীক্ষা

    Demographic Reconstruction Research: পশ্চিমবঙ্গে রয়েছেন ১.০৪ কোটিরও বেশি অতিরিক্ত ভোটার, বলছে সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে পশ্চিমবঙ্গে যত ভোটার ছিলেন, এবার ভোটার লিস্টে নাম রয়েছে তার চেয়েও ১.৪ কোটিরও বেশি ভোটারের। সাম্প্রতিক এক ডেমোগ্রাফিক রিকনস্ট্রাকশন রিসার্চেই উঠে এসেছে এই তথ্য। এটি মোট ভোটারের সংখ্যার তুলনায় ১৩.৬৯ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি। এই অতিরিক্ত নামগুলিকে জন্ম, মৃত্যু বা অভিবাসন দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না ঠিকই, তবুও সেগুলি তালিকায় রয়েই গিয়েছে (Demographic Reconstruction Research)।

    ভোটার তালিকার যথার্থতা (Demographic Reconstruction Research)

    একটি গণতন্ত্র সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য নির্বাচনের বৈধতা সর্বাগ্রে নির্ভর করে ভোটার তালিকার যথার্থতার ওপর। যদি ভোটাধিকারপ্রাপ্তদের তালিকা (West Bengal) এমন সব নাম দিয়ে ফুলে ওঠে যেগুলি আর প্রকৃত যোগ্য বাসিন্দাদের প্রতিনিধিত্ব করে না, তবে নির্বাচনী সততার মৌলিক ভিত্তিটাই পড়ে বিপদের মুখে। দুর্ভাগ্যবশত, পশ্চিমবঙ্গের ভোটার বাস্তবতা এই মানদণ্ডে খাপ খায় না। সমীক্ষকদের গবেষণা- “পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার ফুলে ওঠা: বৈধ ভোটার গণনার জনমিতি পুনর্গঠন (২০২৪)” – যা সম্পূর্ণ সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে এবং কঠোর জনমিতিক হিসাবপদ্ধতিতে পশ্চিমবঙ্গের বৈধ ভোটার সংখ্যা পুনর্গঠন করে দেখায় যে পশ্চিমবঙ্গে অতিরিক্ত ভোটার রয়েছেন ১.০৪ কোটি।

    বিস্তর ফারাক

    এই পরিসংখ্যান উঠে এসেছে শুধুমাত্র সরকারি তথ্যভাণ্ডারের ওপর নির্ভরশীল এক পুনর্গঠন প্রক্রিয়া থেকে। এর মধ্যে রয়েছে পূর্ববর্তী ভোটার তালিকা, জনগণনা থেকে প্রাপ্ত বয়স্কভিত্তিক প্রোফাইল, বেঁচে থাকার হার, জন্ম এবং নিট অভিবাসন সংক্রান্ত তথ্য। সমীক্ষকরা একটি যাচাইকৃত প্রাথমিক ভোটার তালিকা থেকে শুরু করে, জন্ম, মৃত্যু ও অভিবাসনের হার অনুযায়ী কীভাবে তা দু’দশকে বদলানো উচিত, তার হিসেব করেন এবং সেটি নির্বাচন কমিশনের বর্তমান তালিকার সঙ্গে তুলনা করেন।তাতেই চোখে পড়ে এই বিস্তর ফারাক। দেখা যায়, গড়ে প্রায় প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে ৩৫ হাজারেরও বেশি যাচাইহীন নাম যুক্ত হচ্ছে। বহু নির্বাচনে এই ব্যবধানই নির্বাচনের ফল বদলে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। এই প্রভাব নিয়ে আলোচনা করার আগে গবেষণায় ব্যবহৃত জনমিতি পুনর্গঠন প্রক্রিয়া ও পদ্ধতিটি বোঝা জরুরি। সমীক্ষদের সূচনাবিন্দু হল ২০০৪ সালের নির্বাচনী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ৪.৭৪ কোটি নিবন্ধিত ভোটার। এঁরা ২০০৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে ভোট দিয়েছিলেন। এই ভোটার তালিকাটি বেছে নেওয়ার কারণ এটি ২০০২ সালে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের পর উপলব্ধ সরকারি ভোটার সংখ্যা। তাই এটি একটি নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

    প্রথম ধাপ

    প্রথম ধাপে সমীক্ষকরা ২০০৪ সালের ভোটারদের বয়সভিত্তিক দলে ভাগ করেছিল। ২০০১ সালের জনগণনার বয়সবণ্টন ব্যবহার করে প্রতিটি বয়সগোষ্ঠীকে তিন বছর এগিয়ে নিয়ে গিয়ে ২০০৪ সালের সঙ্গে সামঞ্জস্য করেছিলেন। পরে প্রতিটি গোষ্ঠীতে মৃত্যুহার বিবেচনা করতে স্যাম্পল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম জীবন-সারণী থেকে প্রাপ্ত সরকারি বেঁচে থাকার সম্ভাবনা প্রয়োগ করা হয়েছিল। ২০০৪ সালের নির্বাচনী তালিকার বয়সভিত্তিক বিভাজনের তথ্য পাওয়ার পর সেগুলিকে আরও ২০ বছর এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন সমীক্ষকরা। এভাবে জানতে চেয়েছিলেন ২০০৪ সালের ভোটারদের মধ্যে কতজন ২০২৪ সালেও জীবিত থাকবেন (Demographic Reconstruction Research)।

    প্রথম ধাপ

    দ্বিতীয় ধাপে ২০০৪ সালের পর যাঁরা ১৮ বছরে পা দিয়ে ভোটদানের যোগ্য হয়েছেন, তাঁদের হিসেব নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছেন ১৯৮৬ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া নাগরিকরা, যাঁরা ২০০৪ সালের সাধারণ নির্বাচন থেকে ২০২৪ সালে ভোট দেওয়ার যোগ্য হয়েছেন। এই সময়সীমার প্রতিটি জন্মবর্ষের জন্য বার্ষিক জন্মসংক্রান্ত অনুমান নেওয়া হয়েছে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ হেলথ ইন্টেলিজেন্স থেকে। এরপর এই জন্ম-গোষ্ঠীগুলির ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে নমুনা নিবন্ধন পদ্ধতির জীবন-সারণি অনুযায়ী বয়সভিত্তিক টিকে থাকার সম্ভাবনা, যাতে ২০২৪ সালে প্রতিটি গোষ্ঠীর কতজনের জীবিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, তা অনুমান করা যায়।

    চূড়ান্ত ধাপ

    চূড়ান্ত ধাপটি করা হয়েছে স্থায়ী অভিবাসনের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে। পশ্চিমবঙ্গ বহু দশক ধরে ধারাবাহিকভাবে একটি নিট বহিঃঅভিবাসন রাজ্য, যেখানে প্রাপ্তবয়স্করা চাকরি ও শিক্ষার জন্য অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছেন। সমীক্ষকরা ২০০১ ও ২০১১ সালের জনগণনা অভিবাসন তথ্য ব্যবহার করেছেন (West Bengal), যেখানে নথিভুক্ত আছে সেই ব্যক্তিদের তথ্য, যাঁদের শেষ স্থায়ী বাসস্থান ছিল বর্তমানে তাঁরা রাজ্যের বাইরে রয়েছেন এক বছরেরও বেশি সময় ধরে। এটি একটি স্থায়ী অভিবাসনের জন্য প্রচলিত মানদণ্ড। তাঁরা বহিঃঅভিবাসন ও অন্তঃঅভিবাসন প্রবাহ উভয়ের যৌগিক বার্ষিক বৃদ্ধির হার (CAGR) গণনা করেছেন। তারপরেই তা ২০২৪ সালের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়েছে (Demographic Reconstruction Research)।

    পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা গত দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে বাড়ি- বাড়ি গিয়ে যাচাই করা হয়নি। এর ফলে এমন একটি তালিকা তৈরি হয়েছে যা প্রকৃত জনসংখ্যাগত বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। যার ফলে ভোটদানের হার, প্রতিনিধিত্ব ও বৈধতার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত মোট সংখ্যাটি কৃত্রিমভাবে (West Bengal) ফুলে উঠেছে। যার জেরে রমরমা শাসক দলের (Demographic Reconstruction Research)।

  • Phantom Voters: ভুতুড়ে ভোটার ধরতে জেলাশাসকদের নির্দেশ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের

    Phantom Voters: ভুতুড়ে ভোটার ধরতে জেলাশাসকদের নির্দেশ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুতুড়ে ভোটারদের (Phantom Voters) চিহ্নিত করতে জেলাশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Bengal CEO) মনোজ আগরওয়াল। সোমবার তিনি ওই নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসকদের। গত এক বছরে রাজ্যের ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে তাঁদের। জেলাশাসকরা একই সঙ্গে জেলার নির্বাচনী আধিকারিক (DEO) হিসেবেও কাজ করেন। তাই ১৪ অগাস্টের মধ্যে তাঁদের এই রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

    নির্বাচনী আধিকারিকদের নির্দেশ (Phantom Voters)

    জেলার নির্বাচনী আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁরা প্রবীণ আধিকারিকদের নিয়ে দল গঠন করে ফর্ম-৬ (যা ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য ব্যবহার করা হয়) নিষ্পত্তির একটি নমুনা সমীক্ষা পরিচালনা করবেন। এই আধিকারিকরাই খতিয়ে দেখবেন এবং রিপোর্ট করবেন যে নির্বাচনী নথিভুক্তি আধিকারিকেরা (ERO) কীভাবে ফর্ম-৬-এর আবেদনের নিষ্পত্তি করছেন। জেলার নির্বাচনী আধিকারিকদের উদ্দেশে পাঠানো চিঠিতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বলেছেন, “অনেক নির্বাচনী কর্মী ১৯৬০ সালের ভোটার নথিভুক্তি আইনের বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করছেন না।” সিইও-র চিঠিটি এমন একটা সময়ে প্রকাশ্যে এল, যখন নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গে ২০০২ সালের বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে ১০৯টি বিধানসভা কেন্দ্রজুড়ে ১১টি জেলার ভোটারদের যাবতীয় তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

    সিইওর নজরে ২

    সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই সিইওর নজরে রয়েছেন ময়না ও বারুইপুরের দু’জন ইআরও। কারণ ভোটার তালিকায় অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তাঁরা ঠিকঠাক উত্তর দিতে পারেননি (Phantom Voters)। সিইওর (Bengal CEO) চিঠিতে বলা হয়েছে, “ক্রমাগত আপডেটের সময় ইআরওরা যে ফর্ম ৬ জমা দিয়েছেন, তার এক শতাংশেরও কম নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে যে দু’জন ইআরও ভুতুড়ে ভোটারদের জন্য উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফর্ম ৬ নিয়েছেন।” চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, “এই সব ক্ষেত্রে কোনও জরুরি প্রয়োজন বা বাস্তব প্রয়োজন ছাড়াই বিএলওদের যাচাই করা তথ্য বাদ দেওয়া হয়েছিল। একই ধরনের নথি বহু সংখ্যক আবেদনপত্র ও তাদের ভেরিফিকেশন রিপোর্টের জন্য নেওয়া হয়েছে।”

    অনিয়মের কথা কবুল!

    ওই চিঠি থেকেই জানা গিয়েছে, দুই ইআরও স্বীকার করেছেন যে, তাঁরা অন্যান্য আধিকারিক মায় ডেটা এন্ট্রি অপারেটরদেরও ইউজার অ্যাক্সেস দিয়েছিলেন। তাঁরা পরে ফর্ম ৬-এর আবেদনগুলি নিষ্পত্তি করে দেন। সূত্রের খবর, সিইও ওই দুই ইআরও-সহ আরও যে সব আধিকারিক এই ধরনের অনিয়মে জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছেন। নির্বাচন কমিশনের (Bengal CEO) এক আধিকারিক বলেন, “যদি কোনও (Phantom Voters) ইআরও, সহকারী ইআরও বা অন্য কেউ ভোটার তালিকা প্রস্তুতি, সংশোধন বা কোনও অন্তর্ভুক্তি বা বাদ দেওয়ার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কর্তব্যে গাফিলতি বা দুর্নীতি করেন, তাহলে তাঁদের ন্যূনতম তিন মাসের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ দু’বছরের জেল ও জরিমানা হতে পারে।”

    নতুন ভোটার নয়, উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বয়স্ক ভোটারদের নাম

    নির্বাচন কমিশনের নজরে এসেছে, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার, মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলার সীমান্ত অঞ্চলে ২৫-৪০ বছর বয়সিদের ভোটার তালিকায় নাম লেখানোর হার বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। অথচ এই হার বেশি থাকার কথা ১৮-২১ বছর বয়সি নতুন ভোটারদেরই। ওই চিঠিতেই বলা হয়েছে, মাত্র এক শতাংশ ফর্ম পরীক্ষা করেই বিস্তর অনিয়ম ধরা পড়েছে। এ ক্ষেত্রে ইআরওকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। তাঁরা ভুয়ো আবেদনপত্র জমা নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, বিএলওরা কোনও রকম যাচাই না করেই তার অনুমোদনও দিয়েছেন বলে চিঠিতে জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Phantom Voters)।

    কী বলেছিল কমিশন?

    প্রসঙ্গত, ভোটার (Bengal CEO) তালিকা থেকে ভুয়ো ভোটারদের বাদ দিতে আগেই কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার ডেটাবেস এবার যুক্ত করা হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে। ফলে যখনই কারও জন্ম বা মৃত্যু রেজিস্ট্রেশন করা হবে, তখন কমিশনের সিস্টেমেও সেই তথ্য নথিভুক্ত হয়ে যাবে। ভোটার তালিকায় কখনও কখনও মৃত ব্যক্তির নামও থাকে, বাদ যান যিনি জীবিত, তাঁর নাম। কমিশন সূত্রে খবর, এহেন বিভ্রান্তি এড়াতেই চালু হচ্ছে এই নয়া ব্যবস্থা। কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্যের ভিত্তিতেই ভোটার তালিকায় মৃত ভোটারের নাম দ্রুত ও সহজ পদ্ধতিতে বাদ দেওয়া যাবে। এজন্য একটি বিশেষ সফটওয়্যার বা সিস্টেমের সঙ্গে ইতিমধ্যেই ইআরও এবং বিএলওদের যুক্ত করা হয়েছে। ফলে এবার থেকে জন্ম বা মৃত্যুর রেজিস্ট্রেশন হলেই সেই তথ্য একেবারেই পৌঁছে যাবে ভোটার তালিকা তৈরির কাজে যুক্ত কর্মীদের কাছে। কমিশনের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, ডুপ্লিকেট এপিক (EPIC) নম্বর বরাদ্দের সময় কিছু ভুলের কারণে বিভিন্ন রাজ্যে একাধিক ব্যক্তিকে একই নম্বর দেওয়া হয়েছে। এবার প্রযুক্তিগত (Bengal CEO) দল ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিটি ভোটারকে একক এপিক নম্বর দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে (Phantom Voters)।

  • ECI: বিহারে ৭.২৪ কোটিরও বেশি ভোটার স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন, জানাল নির্বাচন কমিশন

    ECI: বিহারে ৭.২৪ কোটিরও বেশি ভোটার স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন, জানাল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারে (Bihar) মোট ৭.৮৯ কোটি নথিভুক্ত ভোটারের মধ্যে ৭.২৪ কোটিরও বেশি মানুষ স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে তাঁদের গণনার ফর্ম জমা দিয়েছেন। ২৪ জুন থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলেছে। এতে ৯১.৬৯ শতাংশ ভোটার অংশগ্রহণ করেছেন। রবিবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI) তরফে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

    এসআইআর প্রক্রিয়া (ECI)

    কমিশন এই এসআইআর প্রক্রিয়াকে একটি ব্যাপক ও সফল নাগরিক অংশগ্রহণের প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। এর লক্ষ্য হল, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকাগুলির যথার্থতা বাড়ানো। জাতীয় নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই গণনা প্রক্রিয়া বিহারের ৩৮টি জেলায়ই ভোটার রেকর্ড যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, এসআইআরের প্রধান লক্ষ্য ছিল সমস্ত ভোটার ও রাজনৈতিক দলগুলির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। তারা আরও জানিয়েছে, বুথ লেভেল অফিসার, বুথ লেভেল এজেন্ট, স্বেচ্ছাসেবক ও রাজনৈতিক কর্মীদের ভূমিকাও এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বুথ লেভেল এজেন্টদের সংখ্যা ১৬ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। িসিপএেমর ১০৮৩ শতাংশ, কংগ্রেসের ১০৫ শতাংশ এবং সিপিআইয়ের ৫৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিজেপির সংখ্যা বেড়েছে ৩ শতাংশ। আর আরজেডি এবং জেডিইউয়ের বুথ লেভেল এজেন্টের সংখ্যা সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

    তিন দফায় ফর্ম বিলি

    বুথস্তরের (Bihar) অফিসাররা প্রতিটি নথিভুক্ত ভোটারের বাড়িতে গিয়ে অন্তত তিন দফায় ফর্ম বিলি ও সংগ্রহ করেন (ECI)। শহরাঞ্চলের ভোটার, প্রথমবারের তরুণ ভোটার এবং বিহার থেকে অস্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত ভোটারদের কথা মাথায় রেখে অতিরিক্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রবাসী ভোটারদের কাছে পৌঁছতে ২৪৬টি পত্রিকায় একটি পুরো পাতাজুড়ে হিন্দিতে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। বিহারের প্রধান নির্বাচনী অফিসার সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে চিঠি লেখেন, যাতে তারা বিহার থেকে আগত অভিবাসীদের গণনায় অংশগ্রহণের জন্য সাহায্য করে (Bihar)। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রায় ২৯ লক্ষ ফর্ম অনলাইনে পূরণ বা ডাউনলোড করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৬ লক্ষেরও বেশি ফর্ম জমা দেওয়া হয়েছে (ECI) ডিজিটাল মাধ্যমে।

  • Untraceable Voters: ১১ হাজার ভোটারের অস্তিত্বই নেই! বিহারে মিলল চমকপ্রদ তথ্য

    Untraceable Voters: ১১ হাজার ভোটারের অস্তিত্বই নেই! বিহারে মিলল চমকপ্রদ তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকা সংশোধনের লক্ষ্যে বিহারে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) অভিযান চালাচ্ছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। সেখানেই মিলল অভিনব তথ্য (Untraceable Voters)। জানা গিয়েছে, প্রায় ১১ হাজার ভোটারকে চিহ্নিতই করা যাচ্ছে না। তাঁদের দেওয়া ঠিকানায় কোনও বাড়ি নেই, তাঁদের (Infiltration) সম্পর্কে কিছু জানেন না প্রতিবেশীরাও। ঘটনার প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের এক কর্তা জানান, এই ১১ হাজার ভোটার সম্ভবত বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী, যারা বিহারে ভুয়ো ভোটার কার্ড তৈরি করেছে। যদিও বিহার নয়, তারা বসবাস করছিল আশপাশের রাজ্যগুলিতে। বিশেষ নিবিড় সংশোধন অভিযানের এই বিস্ফোরক তথ্য রাজ্যের রাজনীতিতে বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ রিপোর্ট অনুযায়ী, তারা জাল ভোট দিয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়া বিঘ্নিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

    ভোটার তালিকা ‘শুদ্ধিকরণ’ (Untraceable Voters)

    নির্বাচন কমিশনের মতে, এই অনিয়মগুলির পেছনে আগের পর্যালোচনার সময় অবহেলা বা দুর্নীতি দায়ী, যার ফলে অননুমোদিত ব্যক্তিরা ভোটার তালিকায় ঢুকে পড়েছে। কিছু ক্ষেত্রে দেওয়া ঠিকানায় কোনও ঘরই ছিল না, এমনকি প্রতিবেশীরাও এই ব্যক্তিদের চেনেন না। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল বিহারের ভোটার তালিকা সম্পূর্ণরূপে ত্রুটিমুক্ত করা এবং নিশ্চিত করা যে শুধুমাত্র যোগ্য ভারতীয় নাগরিকরাই নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। বুথ স্তরের আধিকারিকরা তিনবার করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাই করেছেন। ৭.৯০ কোটির মধ্যে ৯৫.৯২% ভোটারের যাচাই প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। তবে রাজ্যের ৪১.৬৪ লক্ষ ভোটারকে তাদের দেওয়া ঠিকানায় গিয়ে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

    ভোটার লিস্টে নাম রয়েছে মৃতদেরও!

    এসবের মধ্যে ১৪.২৯ লাখ ভোটারকে সম্ভবত মৃত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৯.৭৪ লাখ ব্যক্তি স্থায়ীভাবে অন্যত্র চলে গিয়েছেন এবং ৭.৫০ লক্ষ ব্যক্তির নাম একাধিক জায়গায় পাওয়া গিয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, প্রায় ১১ হাজার ভোটারকে ‘আনট্রেসেবল’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে (Untraceable Voters)। এদিকে, এখনও পর্যন্ত প্রচারের ফলে সব মিলিয়ে মোট ৭.১৫ কোটি ফর্ম জমা পড়েছে। এর মধ্যে ৬.৯৬ কোটি ফর্ম ডিজিটালাইজ করা হয়েছে। ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৫ জুলাই। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ১ অগাস্ট। এই ১ অগাস্ট থেকে ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত আপত্তি এবং দাবি গ্রহণ করা হবে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ৩০ সেপ্টেম্বর। নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, ভুলক্রমে অন্তর্ভুক্ত বা বাদ পড়া নামগুলি ৩০ অগাস্টের মধ্যে সংশোধন করা যাবে (Infiltration)।

    রাজনৈতিক বিতর্ক

    জানা গিয়েছে, পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালনার জন্য ১ লাখ ব্লক স্তরের অফিসার, ৪ লাখ স্বেচ্ছাসেবক এবং ১.৫ লাখ বুথ স্তরের এজেন্ট নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। নির্বাচন কমিশনের দাবি, যেন কোনও যোগ্য ভোটার বাদ না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে সমস্ত সম্ভাব্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে এই প্রচার রাজনৈতিক বিতর্কও সৃষ্টি করেছে। বিরোধী জোট ইন্ডি ব্লকের তরফে একে “ভোট নিষেধাজ্ঞা” বলে অভিহিত করা হয়েছে। তারা একে এনডিএ-র একটি ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছে। যদিও বর্তমানে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি পর্যালোচনা করছে। নির্বাচন কমিশনকে আধার কার্ড, রেশন কার্ড এবং ভোটার আইডি সহ যাবতীয় নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছে (Untraceable Voters)।

    অনুপ্রবেশকারী আটক

    অন্যদিকে, বিশেষ নিবিড় সংশোধন অভিযানের মাধ্যমে আর একটি চমকপ্রদ তথ্যও সামনে এসেছে। বুথ লেভেল অফিসাররা নেপাল, বাংলাদেশ এবং মায়ানমার থেকে আসা বেশ কিছু বিদেশিকে আটক করেছেন। এদের কাছে মিলেছে ভারতীয় নথিপত্র যেমন আধার কার্ড, রেশন কার্ড ও বসবাসের জন্য শংসাপত্র। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরেই শুরু হয়েছে তদন্ত। বিদেশিরা কীভাবে এসব সরকারি নথি জোগাড় করল তা জানতেই শুরু হয়েছে তদন্ত (Untraceable Voters)।

    বিশেষ অভিযান চালানোর ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    প্রসঙ্গত, জাতীয় নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে যে ১ অগাস্ট থেকে ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত একটি বিশেষ অভিযান চালানো হবে। ওই অভিযানে যেসব ব্যক্তিকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে শনাক্ত করা হবে, তাদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। বিহার রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন হওয়ার কথা চলতি (Infiltration) বছরের অক্টোবর-নভেম্বর মাসে। তার আগে ‘শুদ্ধিকরণ’ করতে গিয়ে উঠে এল বিস্তর গরমিলের কথা। স্বাভাবিকভাবেই এই মুহূর্তে দেশবাসীর নজর বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফলের দিকে। কারণ এতদিন এই ভুয়ো ভোটাররাই ছিল অন্যতম নির্ণায়ক শক্তি। তাদের ভোট পেয়ে রাজ করেছে কারা, সেই রহস্যেরই পর্দা ফাঁস হবে এবার (Untraceable Voters)।

LinkedIn
Share