Tag: Wasim Akram

Wasim Akram

  • Gautam Gambhir: ভারতের হারে উচ্ছ্বাস! পাকিস্তান সমর্থকদের তুলোধনা গম্ভীরের

    Gautam Gambhir: ভারতের হারে উচ্ছ্বাস! পাকিস্তান সমর্থকদের তুলোধনা গম্ভীরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য সমাপ্ত একদিনের বিশ্বকাপ (ICC World Cup 2023) ক্রিকেটের আসরে পুরো টুর্নামেন্ট অপরাজেয় থেকেও ফাইনালে হেরে গিয়েছে ভারত। রোহিতদের এই পরাজয়ে উচ্ছ্বসিত বহু পাকিস্তানি সমর্থক। সোশ্যাল সাইটে তারা ভারতের এই পরাজয় উদযাপন করেছেন। এই মনোভাবের সমালোচনা করলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir)। একই সঙ্গে তিনি ভারতের কোচ রাহুল দ্রাবিড় ও অধিনায়ক রোহিত শর্মার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তবে রোহিতের একটি মন্তব্য মেনে নিতে পারেননি গম্ভীর। 

    খেলোয়াড়োচিত মানসিকতা কাম্য

    ভারতের পরাজয়ে পাকিস্তানের সমর্থকরা সোশ্যাল সাইটে যেভাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, তার সমালোচনা করেন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন ওপেনার গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir)। তিনি বলেন,”নিজের দলকে সমর্থন করা ভাল। তাদের জয়-পরাজয়ের গঠনমূলক আলোচনা করুক সমর্থকেরা। কিন্তু নিজের দল সাফল্য না পেলে অন্য দলের পরাজয় কামনা করা ঠিক নয়। এই ধরনের আচরণ বৈরিতা বাড়ায়।” অনুরাগীদের এই আচরণের সমালোচনা করেছেন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক ওয়াসিম আক্রামও। তাঁর কথায়, “এটা আসলে একটা খেলা। এখানে হার-জিত রয়েছে। হতাশা এলেও সমর্থকেরা যেন বিদ্বেষী না হন।”

    আরও পড়ুন: পাকিস্তান থেকে সরছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি! জানেন আয়োজনের নয়া দাবিদার কারা?

    রোহিত-দ্রাবিড় প্রসঙ্গ

    বিশ্বকাপ (ICC World Cup 2023) ফাইনালের আগে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা জানিয়ে ছিলেন যে এবারের বিশ্বকাপটা তিনি রাহুল দ্রাবিড়ের জন্য জিততে চান। রোহিতের সেই বক্তব্য মেনে নিতে পারছেন না গম্ভীর (Gautam Gambhir)। তিনি বলেন, “দেশের জন্য বিশ্বকাপ জয়ের কথা ভাবা উচিত। বিশেষ কোনও ব্যক্তির জন্য নয়। রাহুল দ্রাবিড় বিশ্বকাপ জেতার বিষয়ে অবশ্যই যোগ্যতম ব্যক্তি। কিন্তু তাই বলে বিশেষ একজনের জন্য বিশ্বকাপ জিততে হবে এটা ভেবে নেওয়া এবং দলের অধিনায়ককে সাংবাদিকদের সামনে সেই কথা বলার কোনও মানে হয় না।” বিশ্বকাপের পর ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচ হিসেবে ইতিমধ্যেই দ্রাবিড়ের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে গম্ভীরের কথায়, রাহুল দ্রাবিড় যদি নিজে চান, তাহলে তাঁর চুক্তির মেয়াদ অবশ্যই বাড়ানো যেতে পারে। গম্ভীর বলেন, “গোটা একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপে টিম ইন্ডিয়া যে পারফরম্যান্স করেছে, সেটা অবশ্যই প্রশংসনীয়। যদি আমরা একটা ম্যাচ দিয়েই কোন কোচকে বিচার করতে যাই, তাহলে সেটা অবশ্যই ভুল হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICC World Cup 2023: শেষ চারে উঠতে পাকিস্তানের ভরসা টাইম্ড আউট! এ কী বললেন আক্রাম?

    ICC World Cup 2023: শেষ চারে উঠতে পাকিস্তানের ভরসা টাইম্ড আউট! এ কী বললেন আক্রাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডেন দেখতে চেয়েছিল ভারত বনাম পাকিস্তানের সেমিফাইনাল। তা হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। বাবরদের থেকে রানরেটের বিচারে বহুগুণে এগিয়ে নিউজিল্যান্ড। এরই মধ্যে বাবরদের শেষ চারে ওঠার আশ্চর্য পথ বাতলে দিলেন কিংবদন্তি পাক পেসার ওয়াসিম আক্রাম। আজ ইডেনে বাবরদের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচে অবিশ্বাস্য কিছু না হলে মুম্বইয়ে চলতি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড।

    আক্রামের পরামর্শ

    কিংবদন্তি পাক ক্রিকেটার আক্রমের মতে পাকিস্তানের সেমিফাইনালে উঠতে হলে লাগবে বাংলাদেশের অধিনায়ক শাকিব আল হাসানের দুষ্টু বুদ্ধি। আক্রম বলেন, ‘পাকিস্তানের আগে ব্যাটিং করা উচিত। একটা বড়সড় স্কোর খাড়া করা উচিত। আর তারপর? ইংল্যান্ড টিমকে ওদের ড্রেসিংরুমে তালাবন্ধ করে রাখুক। ক্রিকেটের নিয়মে টাইমড আউট হয়ে যাবে ওরা।’ আক্রমের এমন যুক্তি শুনে ক্রিকেট মহল অবাক। সত্যি বলতে কী, এমন আজব পথ ছাড়া পাকিস্তানের পক্ষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা কার্যত অসম্ভব। আক্রমের এই প্রস্তাব শুনে মিসবা উল হক বলেন, “তার থেকে টস জিতলে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়ে দিক। আর ওরা ব্যাট করতে নামার আগেই সাজঘরে আটকে দিক। তাহলেই ঝামেলা শেষ।”

    আরও পড়ুন: রাচিনের মুখে জয় শ্রী রাম! নাতির জন্য প্রার্থনা ঠাকুমার

    কী বলছে অঙ্ক

    ইডেনে শনিবার সবার আগে বাবর আজমকে টসে জিতে ব্যাটিং নিতে হবে। পরে ব্যাট করলে পাকিস্তানের কাছে অঙ্ক আরও কঠিন হয়ে যাবে। আগে ব্যাট করলেও কাজ সহজ নয়। পাকিস্তান আগে ব্যাট করলে অন্তত ২৮৭ রানে জিততে হবে তাদের। অর্থাৎ পাকিস্তান যদি আগে ব্যাট করে ৩০০ রান তোলে, তা হলে ইংল্যান্ডকে আটকে রাখতে হবে ১৩ রানে। একই ভাবে ৩৫০ তুললে ইংল্যান্ডকে বেঁধে রাখতে হবে ৬৩ রানে। পাকিস্তান যদি ৪০০, ৪৫০ বা ৫০০ রান তোলে, তা হলে ইংল্যান্ডকে আটকে রাখতে হবে যথাক্রমে ১১২, ১৬২ এবং ২১১ রানে। কোনও ভাবেই ইংল্যান্ডের সঙ্গে পাকিস্তানের রানের ব্যবধান ২৮৭-র কম হওয়া চলবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Wasim Akram: কোকেন আসক্তি থেকে রিহ্যাবের ভয়াবহতা, আত্মজীবনীতে ‘খুল্লমখুল্লা’ আক্রম

    Wasim Akram: কোকেন আসক্তি থেকে রিহ্যাবের ভয়াবহতা, আত্মজীবনীতে ‘খুল্লমখুল্লা’ আক্রম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  সদ্য প্রকাশিত হয়েছে পাক ক্রিকেট তারকা ওয়াসিম আক্রমের (Wasim Akram) আত্মজীবনী ‘সুলতান: আ মেমোয়ার’। নিজের জীবনের স্বর্নালী মুহূর্ত থেকে কালো অধ্যায়। সবটাই খুল্লম খুল্লা পাঠকদের সামনে রেখেছেন পাক ক্রিকেট অন্যতম বিতর্কহীন, নম্র স্বভাবের এই প্রাক্তন ক্রিকেটার। বাইশ গজে তাঁর আগ্রাসন গোটা বিশ্ব দেখলেও, তার বাইরে তাঁকে আগ্রাসী হতে দেখেননি কেউ। তাঁর জীবন ছিল বিতর্কহীন। কিন্তু আত্মজীবনী তিনি তুলে ধরলেন নিজের আসক্তির কথা। জানালেন, তাঁর ইচ্ছের বিরুদ্ধে তাঁকে রাখা হয়েছিল নেশামুক্তি কেন্দ্রে।

    আক্রম জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের পর মাদকের প্রতি আকর্ষণ শুরু হয় তাঁর (Wasim Akram)। প্রায় ছ’বছর ধরে নিয়মিত মাদক সেবন করেছেন তিনি। এমন কী আকৃষ্ট হয়ে পড়েছিলেন কোকেনের প্রতি।

    কীভাবে এই পাক ক্রিকেটার পৌঁছলেন নেশামুক্তি কেন্দ্রে? 

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর যখন তিনি ইংল্যান্ডে ছিলেন তখন কোকেনের প্রতি আসক্তি তৈরি হয় তাঁর (Wasim Akram)। আক্রম জানান, “ক্রিকেট ছাড়ার পর কোনও কিছুতে নিজেকে ডুবিয়ে দিতে চেয়েছিলাম। দক্ষিণ এশিয়ার মানুষরা কোনও নেশা এবং দুর্নীতিতে ডুবে থাকতে ভালোবাসে। এক রাতে তারা দশটা পার্টিতে যায়। আমারও সেই কাজ করতে গিয়ে অবস্থা খারাপ হয়ে  গিয়েছিল।”

    আক্রম আরও জানান, “সবচেয়ে খারাপ হয়, যখন কোকেনের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ি। ইংল্যান্ডে একটা পার্টিতে গিয়ে আমার প্রথম কোকেনের সঙ্গে পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে অভ্যাস বেড়ে যেতে থাকে। একটা সময় মনে হত, শারীরিক কাজকর্ম করতে হল কোকেন নিতেই হবে।”

    আক্রমের (Wasim Akram) প্রথম স্ত্রী হুমা তাঁর আসক্তি সম্পর্কে জানতে পারলে তাঁদের সম্পর্কও প্রভাবিত হয়। এমনকি বিচ্ছেদের দিকেও এগোয় সম্পর্ক। এমনটাও জানান আক্রম। এরপর হুমাই তাঁকে নেশামুক্তি কেন্দ্রে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পাকিস্তানে ফিরে নেশামুক্তি কেন্দ্রেও যান আক্রম। 

    তিনি (Wasim Akram) বলেন, “আমি এক মাসের জন্য রিহ্যাবে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু ওরা আমাকে অনুমতি ছাড়াই আড়াই মাস সেখানে রেখে দিয়েছিল। বিশ্বে এটাকে বেআইনি মনে করা হলেও, পাকিস্তানে এ রকম কিছু নেই।”

    এরপরেই নেশামুক্তি কেন্দ্রে থাকার ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতা পাঠকদের সঙ্গে ভাগ করে নেন আক্রম (Wasim Akram)। প্রাক্তন পেসারের ভাষায়, “পাশ্চাত্যের মুভিতে, এমন কী অস্ট্রেলিয়াতেও আপনি দেখতে পাবেন যে, রিহ্যাব কেন্দ্রগুলিতে সুন্দর বড় লন আছে, লোকেরা বক্তৃতা দেয়, আপনি জিমে যান। কিন্তু আমি একটি করিডোর এবং আটটি কক্ষ সহ এমন একটি জায়গায় (পাকিস্তানে) গিয়েছিলাম, যেখানে থাকা খুব কঠিন ছিল। এটি একটি ভয়ঙ্কর সময় ছিল।”

    আরও পড়ুন: কোটি টাকার প্রতারণার শিকার আদর পুনাওয়ালার সিরাম সংস্থা, গ্রেফতার ৭

    শেষ পর্যন্ত স্ত্রী হুমা প্রয়াত হওয়ার পরে তাঁর জীবন বদলে যায়। আক্রম (Wasim Akram) জানান, “তার পর একটি ট্র্যাজেডি ঘটে, আমার স্ত্রী মারা যায়। আমি জানতাম, আমি ভুল পথে ছিলাম, আমি এটি থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছিলাম। আমার দুটি ছোট ছেলে ছিল। তাদের দায়িত্ব নিতে হয়। আমাকে ওদের বন্ধু হয়ে উঠতে হয়েছিল।”

    এরপর কোকেন আসক্তি থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে পেরেছিলেন আক্রম (Wasim Akram)। নতুন প্রজন্মকে পরামর্শ দিয়ে তিনি লেখেন, “তরুণ প্রজন্মের প্রতি আমার পরামর্শ হল, বন্ধুদের সাবধানে বেছে নিতে হবে। বন্ধুরা যদি এমন হয়, তা হলে আপনি ভুল পথে যেতে বাধ্য। এবং খুব কম লোকই সেই পথ থেকে বেরিয়ে আসতে পারে। তাই বন্ধুত্ব করার আগে তাদের বুঝে নিতে হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

     

LinkedIn
Share