Tag: Water Crisis

Water Crisis

  • Siliguri: বিষ জল ইস্যুতে বিজেপির আন্দোলনে ধুন্ধুমার, মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলার হুমকি শঙ্করের

    Siliguri: বিষ জল ইস্যুতে বিজেপির আন্দোলনে ধুন্ধুমার, মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলার হুমকি শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২০ দিন ধরে বিষ জল পান করানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল পরিচালিত শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার বিরুদ্ধে। এরই প্রতিবাদে শুক্রবার আন্দোলনে নামে বিজেপি। সেই আন্দোলন আটকে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। আর তা নিয়ে চরম উত্তেজনা দেখা দেয় এলাকায়।

    বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি (Siliguri)

    পুরসভার জল কেলেঙ্কারিতে বৃহস্পতিবার থেকে শিলিগুড়িতে (Siliguri) পানীয় জলের হাহাকার। এর প্রতিবাদ জানাতে শুক্রবার পুরসভা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিল বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা কমিটি। পুরসভার বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি কাউন্সিলর অমিত জৈনের নেতৃত্বে বিশাল মিছিল পুরসভার গেটের সামনে হাজির হয়। ঘটনাস্থলে থাকা বিশাল পুলিশ বাহিনী মিছিল আটকানোর চেষ্টা করে। অভিযোগ, পুলিশ বলপূর্বক এই মিছিল আটকাতে গেলে বিজেপির কাউন্সিলর, নেতা, কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

    আরও পড়ুন: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

    কেন পুরসভা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিল বিজেপি?

    গত বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে শিলিগুড়ির (Siliguri) মেয়র গৌতম দেব ঘোষণা করেন, দুই সপ্তাহ ধরে শিলিগুড়ি শহরে পুরসভা থেকে যে পানীয় জল সরবরাহ করা হয়েছে তা ভয়ঙ্কর মাত্রায় দূষিত। সেই জল যেন আর কেউ পান না করেন। মেয়রের মুখ থেকে একথা শোনার পর শহরবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সেই সঙ্গে দেখা দেয় পানীয় জলের হাহাকার। পুরসভার এই দায়িত্ব জ্ঞানহীন কাজ এবং  মানুষকে বিপদে ফেলে দেওয়ায় প্রতিবাদ জানাতে এদিন পুরসভা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিল বিজেপি।

    মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলার হুমকি

    পরিস্থিতি সামাল দিতে শিলিগুড়ি (Siliguri) জুড়ে যে জল দেওয়া হচ্ছে তার শুদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলেন, মেয়র গৌতম দেবকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। তৃণমূলের মেয়র মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন। জল মানে জীবন। তিনি মানুষকে দূষিত জল পান করিয়েছেন। এটা ভয়ঙ্কর অপরাধ। এখন পাউচে, পুরসভার ট্যাঙ্কে যে জল দেওয়া হচ্ছে তার শুদ্ধতা নিয়েও আমাদের সন্দেহ রয়েছে। কেননা নোংরা জলের ট্যাঙ্কে জল দেওয়া হচ্ছে। নোংরা ফেলার গাড়ি করে জলের পাউচ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মেয়রকে এই অধিকার কে দিয়েছে? আমাদের প্রশ্ন, মহানন্দার জল ব্যবহার করার আগেই কেন নমুনা পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হয়নি। তিনি দূষিত জল মানুষকে খাওয়ানোর পর নমুনা পরীক্ষা করতে পাঠান। এটা ক্ষমাহীন অপরাধ। গৌতম দেবের আর মেয়রের চেয়ারে বসার অধিকার নেই। অবিলম্বে তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে। এখন সত্যের মুখোমুখি হতে তিনি ভয় পাচ্ছেন। মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ঘোষণার পরও মেলেনি পাউচ, এক লিটার জলের দাম ৮০ টাকা! মেয়রকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    Siliguri: ঘোষণার পরও মেলেনি পাউচ, এক লিটার জলের দাম ৮০ টাকা! মেয়রকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল হতেই শিলিগুড়িরবাসী হাতে বালতি, জ্যারিকেন, বোতল নিয়ে রাস্তায় জনে জনে জিজ্ঞেস করছেন, কোথায় জল পায়? অবাক জলপান নয়, এ আতঙ্কের জলপান! বৃহস্পতিবার দিনভর এই দৃশ্য দেখা গিয়েছে শহর শিলিগুড়িতে। পানীয় জলের জন্য হাহাকার করছে শহর শিলিগুড়ি (Siliguri)। আর এই জলকষ্টের জন্য এদিন পুরসভায় চরম বিক্ষোভের মুখে পড়লেন মেয়র গৌতম দেব ও ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার। নিজের গাড়ি ছেড়ে এক মেয়র পারিষদ সদস্যের গাড়িতে এক প্রকার পালিয়ে যান মেয়র। শুনলেন চোর চোর স্লোগানও।

     হঠাৎ কেন জলের হাহাকার?(Siliguri)

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভা এলাকায় সরবরাহ হওয়া পানীয় জলে ভয়ঙ্কর মাত্রায় দূষণ রয়েছে। গত দু’সপ্তাহ ধরে শহরবাসী দূষিত জল পান করেছেন। বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনে সেকথা কবুল করেন মেয়র তথা তৃণমূল নেতা গৌতম দেব। শহরবাসীকে পুরসভার নলবাহিত জল পান না করার তিনি আবেদনও জানান। মেয়রের এই ঘোষণায় শহরবাসী একদিকে যেমন আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন, সেরকম পানীয় জলের চরম সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফের ইডির জেরার মুখে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা, এবার তলব রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে

    ঘোষণার পরও মেলেনি জলের পাউচ, এক লিটার জলের দাম ৮০ টাকা!

    বুধবার মেয়র ঘোষণা করেছিলেন, পাড়ায় পাড়ায় পর্যাপ্ত জলের পাউচ দেওয়া হবে। থাকবে পুরসভার জলের ট্যাঙ্কও। কিন্তু, এদিন সকালে কোথাও জলের পাউচ বিতরণ করা হয়নি। সকাল ১০ টা নাগাদ কিছু জায়গায় জলের ট্যাঙ্ক দেওয়া হয়। কিন্তু, সেখানেও লম্বা লাইন। কাজ ফেলে অফিস টাইমে এভাবে লাইন দিয়ে জল নেওয়ার ঘটনায় সকলেই ক্ষুব্ধ। এই সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি দামে জল বিক্রি করছেন।  অভিযোগ, লিটার পিছু জলের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা। সেই জল বিক্রি হচ্ছে ৭০থেকে ৮০ টাকায়। তাও সবখানে জল মিলছে না।

    এ যে আতঙ্কের জলপান!

    পুরসভার (Siliguri) ট্যাঙ্কের জলে অধিকাংশ মানুষ আর ভরসা করতে পারছেন না। সকলেরই প্রশ্ন, কোথা থেকে আনা হচ্ছে এই জল। আদৌ কি নিরাপদ এই জল? দোকান থেকে কেনা বোতল, জ্যারিকেন বন্দি জল নিয়েও মানুষের মনে একই প্রশ্ন। শহরে জলের হাহাকার দেখা দেওয়ায়, মুনাফা করতে দূষিত জল ভরে বিক্রি করার আশঙ্কাও রয়েছে শহরবাসীর। তাই,কষ্টে জল জোগার করলেও সেটাও আতঙ্কের জলপান বলে মনে করেন সকলে।

     মেয়রকে ঘিরে উঠল চোর-চোর স্লোগান

    এই জল কেলেঙ্কারিতে গোটা শহর (Siliguri) ক্ষোভে ফুঁসছে। মেয়রের সমালোচনায় সরব গোটা শহর। বৃহস্পতিবার প্রাক্তন মেয়র অশোক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে পুরসভায় বিক্ষোভ দেখায় সিপিএম। তাতে সাধারণ মানুষও শামিল হন। মেয়র, ডেপুটি মেয়র পুরসভায় গেলে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁদের উদ্দেশ্য করে চোর চোর স্লোগান ওঠে। কোনও মতে এক মেয়র পারিষদ সদস্যের গাড়ি করে এলাকা ছেড়ে কার্যত পালিয়ে যান মেয়র গৌতম দেব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: গরমে  ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শিলিগুড়ি! দুর্ভোগে পুরবাসী, তৃণমূলকে দায়ী করল বিজেপি

    Siliguri: গরমে ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শিলিগুড়ি! দুর্ভোগে পুরবাসী, তৃণমূলকে দায়ী করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র গরমের মধ্যে শুক্রবার থেকে আগামী ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শহর শিলিগুড়ি (Siliguri)। পুরসভার তরফে বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে সে কথা জানানো হয়েছে। ফলে, চরম দুর্ভোগের আশঙ্কা শহরবাসীর। পুর কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছেন পুরবাসী।

    কেন জল সঙ্কট? (Siliguri)

    তিস্তা মহানন্দা ক্যানেল থেকে শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জল নেওয়া হয়। গত পুজোর আগে সিকিমের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে গজলডোবার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। শুক্রবার থেকে সেই বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু হবে। বাঁধ মেরামত করার জন্য গজলডোবা ব্যারেজের সব স্লুইস গেট খুলে জলস্তর নামানো হয়েছে। এই তাই বাঁধ মেরামত চলাকালীন তিস্তা থেকে আর জল পাওয়া যাবে না।

      মেয়র কী সাফাই দিলেন?

    মেয়র গৌতম দেব বলেন, গজলডোবায় তিস্তা ব্যারেজে বাঁধ মেরামতির কাজ করতেই হবে।  না হলে এই বর্ষায়  বিস্তীর্ণ এলাকা ভেসে যাবে। প্রচুর মানুষ  ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে। সেই বিপর্যয় এড়ানোর জন্যই এই বাঁধ মেরামত করা হচ্ছে। তবে, মানুষ যাতে নির্জলা না থাকে তারজন্য শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার বিভিন্ন এলাকায় ২১ টি জলের ট্যাঙ্ক রাখা থাকবে। পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের তরফে ১ লক্ষ জলের পাউচ বিলি করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতি দেখা দিত না। বামেরা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার সময় শিলিগুড়ির পানীয় জল প্রকল্পের বিকল্প জলাধার তৈরি করেনি। বিকল্প জলাধার থাকলে এধরনের পরিস্থিতির জন্য আগাম জল ধরে রেখে তা দিয়ে সমস্যার সমাধান করা যেত।

    আরও পড়ুন: “নৈহাটিতে সব থেকে বেশি ভোটে হারবে তৃণমূল,” ঘোষণা অর্জুনের

    জল সঙ্কটের জন্য দায়ী তৃণমূল, বলছে  বিজেপি

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার বিরোধী দলনেতা বিজেপি কাউন্সিলর অমিত জৈন এই পরিস্থিতির জন্য মেয়রের অযোগ্যতাকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, গত একমাস ধরে শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জলের সঙ্কট চলছে। ভোট নিয়ে ব্যস্ত থাকার জন্য মেয়র ও তাঁর কাউন্সিলররা কাজ করেননি। সেই ব্যর্থতাকে আড়াল করতে তিস্তা বাঁধ মেরামতকে অজুহাত করা হচ্ছে। ছ’মাস আগে কেন বাঁধ মেরামত করা হল না? কেন্দ্রীয় সরকার অম্রুত-২ প্রকল্পে শিলিগুড়ি পুরসভার জল প্রকল্পের জন্য টাকা অনুমোদন করেছে। সেই টাকা পেয়েও মেয়র কাজ শুরু করতে পারেনি। একাধিকবার টেন্ডার ডেকেও বিডার পাওয়া যায়নি। ২০১১ সাল থেকে রাজ্যে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় রয়েছে।  গৌতম বাবু ১০ বছর মন্ত্রী ছিলেন। তাহলে তিনি নিজের শহরের জন্য পানীয় জল প্রকল্পের ব্যাপারে উদ্যোগ নেননি কেন? আসলে রাজনীতি, দলবাজি করার করতে গিয়ে তিনি  শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জল সমস্যাকে জটিল করেছেন। তার জেরে এখন তীব্র গরমে শহরবাসীকে জলকষ্টে থাকতে হচ্ছে।  তিনদিনের মধ্যে যদি শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জল সরবরাহ স্বাভাবিক না হয়, তাহলে আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাস্তায় নামব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ghatal: পানীয় জলের যন্ত্রণায় ভুগছে ঘাটাল! ভোটের মুখে দেবের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঘাটালের ৩০ পরিবারের

    Ghatal: পানীয় জলের যন্ত্রণায় ভুগছে ঘাটাল! ভোটের মুখে দেবের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঘাটালের ৩০ পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সূর্যের তেজে পুড়ছে গোটা বাংলা। তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে জল সংকটে ভুগছে ঘাটাল। তাপমাত্রার পারদ যখন প্রায় ৪০ ডিগ্রি পার করেছে তখন পানীয় জলের সংকটে (Ghatal Water Crisis) নাজেহাল হচ্ছে ঘাটালের (Ghatal) গ্রামবাসী। প্রবল দাবদহের মধ্যে তীব্র পানীয় জলের সঙ্কটে ঘাটালের বীরসিংহ গ্রাম পঞ্চায়েতের দন্দিপুর বক্সী পাড়া এলাকার ৩০ পরিবার। 

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বিদায়ী সাংসদ দেবকে বিষয়টি একাধিকবার জানানো হলেও কোনও কাজ হয়নি। তাতেই গ্রামে (Ghatal) বিক্ষোভের আঁচ। এলাকার লোকজনের দাবি, আজ নয়, দীর্ঘ ছয় মাসের বেশি সময় ধরে একই অবস্থা এলাকার। কিছুদিন আগেই এলাকায় প্রচারে এসেছেন ঘাটালের দুবারের সাংসদ তথা এবারের তৃণমূল প্রার্থী দেব। তাঁর কাছে জলের সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন এলাকার মহিলারা। কিন্তু তারপরেও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করছেন তাঁরা। 

    দেবের প্রতিশ্রুতি (Dev) 

    এ প্রসঙ্গে এলাকার (Ghatal) বাসিন্দা অনিমা বক্সি বলেছেন, “কার্তিক মাস থেকে জল নেই। সবাইকে বলেছি। কেউ কিছু শোনেনি। দেবও কদিন আগে এসেছিল। ওকেও বলেছিলাম আমরা। এখন তো এদিক ওদিক থেকে জল এনে কোনওরকমে কাজ চালাচ্ছি।” আর এক মহিলা বলেন, “৬ মাস ধরে জল নেই। বাধ্য হয়ে পুকুরের জল ব্যবহার করছি।” যদিও দেব (Dev) 
    প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইলেকশনের পর কাজ হয়ে যাবে।   

    আরও পড়ুন: ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেটেও ব্যাপক দুর্নীতি! পরীক্ষার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন বিচারপতি মান্থার

    জল সংকটে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী (Ghatal) 

    জানা গেছে পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে গ্রামে হয়েছিল সজল ধারার কাজ। তবে সূত্রের খবর, বিদ্যুতের বিল সময় মতো না দেওয়ায় সেই সংযোগও বিচ্ছিন হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই আবার এলাকায় পিএইচইর পাইপ লাইনের ট্যাপ কল বসেছে। কিন্তু, জল এখনও আসেনি তাতে। ফলে সমস্যার (Ghatal Water Crisis)সমাধান কিছুতেই হচ্ছে না। এদিকে জল সংকটে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকার বাসিন্দাদের ক্ষোভ বেড়ে চলেছে স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপর। 
    বিষয়টি নিয়ে বীরসিংহ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রশান্ত রায়ের কাছে প্রশ্ন করা হলে তিনি আবার বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে দুষছেন। তবে তাঁর আশ্বাস সমস্যার সমাধান দ্রুত হবে। জল পাবে এলাকার মানুষ। কিন্তু, এলাকার (Ghatal) মানুষের দাবি, প্রতিশ্রুতি অনেক পেয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Groundwater: ভূগর্ভস্থ জলস্তর ঠিক রাখতে বিশেষ প্রকল্প কেন্দ্রের, রূপায়ণের নির্দেশ রাজ্যকে

    Groundwater: ভূগর্ভস্থ জলস্তর ঠিক রাখতে বিশেষ প্রকল্প কেন্দ্রের, রূপায়ণের নির্দেশ রাজ্যকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূগর্ভস্থ জলস্তর (Groundwater) যাতে ঠিক জায়গায় থাকে, তার জন্য অভিনব উদ্যোগ কেন্দ্রের। বৃষ্টির জল বিশেষ মাধ্যমে পুনরায় মাটির নিচে পাঠানোর পরিকল্পনা ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকারের আরবান ও পলিউশন কন্ট্রোল বিভাগ। মূলত শহরাঞ্চলে এই প্রকল্পের কাজ করা হবে। রাজ্য জুড়ে বেশ কিছু জেলার পাশাপাশি মালদা জেলাতেও গরমের সময় জলের তীব্র সংকট দেখা যায়। পুরসভার বেশিরভাগ ওয়ার্ডে জল সেভাবে মেলে না। যার জন্য শহর থেকে দূরে গিয়ে পুরসভা এলাকার নাগরিকদের জল আনতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে ভূগর্ভস্থ জলের স্তর বৃদ্ধি করতে এবার বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে রাজ্য সরকারকেও এই মর্মে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে নির্দেশ রাজ্য সরকার প্রতিটি পুরসভাকে পাঠিয়ে দিয়েছে।

    কী পদক্ষেপ নেবে পুরসভা (Groundwater)?

    কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে বলা হয়েছে, বড় বড় ভবন, আবাসন ও বিভিন্ন বাড়িতে বৃষ্টির যে জল জমা হয়, তা বিশেষ পদ্ধতিতে পাইপের মাধ্যমে মাটির নিচে (Groundwater) পাঠাতে হবে। এমনকী শহরের ড্রেনের জলকেও একটি চৌবাচ্চায় ধরে পাইপের মাধ্যমে মাটির নিচে পাঠাতে হবে। মালদার ইংরেজবাজার পুরসভার কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে এই নির্দেশিকা পেয়েছে। পুরসভার পক্ষ থেকে খুব শীঘ্রই এই কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী।

    কী বলছেন বিরোধীরা?

    গরমের সময় ইংরেজবাজার শহর তথা মালদা জেলা জুড়ে জলের তীব্র সংকট দেখা যায়। সেই ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের এই যে প্রকল্প এবং যে পদ্ধতিতে এই কাজ করা হচ্ছে, তাতে ভূগর্ভস্থ জলের স্তরে (Groundwater) আর কোনও ঘাটতি হবে না। এই পদ্ধতি ইংরেজবাজার পুরসভাকেও সঠিক ভাবে রূপায়ণ করতে হবে। তাহলেই জলের সংকট থেকে মুক্তি পাবে সাধারণ মানুষ, এমনটাই জানাচ্ছেন ইংরেজবাজার পুরসভার বিরোধী কাউন্সিলার অম্লান ভাদুড়ি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking water: জেলায় সেরার তকমা পেয়েছে পঞ্চায়েত, সেখানেই আদিবাসী গ্রাম ভুগছে তীব্র জলকষ্টে!

    Drinking water: জেলায় সেরার তকমা পেয়েছে পঞ্চায়েত, সেখানেই আদিবাসী গ্রাম ভুগছে তীব্র জলকষ্টে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোলের সালানপুর ব্লকের অধিকাংশ গ্রাম তীব্র জলকষ্টে ভুগছে। গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহ, আর সেই সঙ্গেই শুরু হয়েছে জলের জন্য হাহাকার। বাসিন্দারা বলছেন, জেলায় এই সমস্যা শুধু এই বছরের নয়, প্রত্যেক বছরের। পানীয় জলের (Drinking water) সংকটের এমন ভয়াবহ দৃশ্যই উঠে এসেছে সালানপুর ব্লকের অন্তর্গত কল্যা পঞ্চায়েতের আদিবাসী পাড়ায়। যদিও কল্যা পঞ্চায়েতকে কাজের নিরীখে পশ্চিম বর্ধমান জেলার সেরা পঞ্চায়েত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর সেই পঞ্চায়েতের আদিবাসী গ্রামেই রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে জলের সমস্যা। অনেকের প্রশ্ন, কীভাবে জেলার সেরা পঞ্চায়েত হিসেবে চিহ্নিত হল ওই পঞ্চায়েত, যেখানে একটি গ্রাম এমন তীব্র জলকষ্টে ভুগছে! তাছাড়া এই এলাকায় সেরকম কোনও উন্নয়নও হয়নি বলে অভিযোগ।

    কী অভিযোগ গ্রামবাসীদের?

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রায় দেড় বছর আগে পিএইচই দফতর থেকে পানীয় জলের (Drinking water) ট্যাপকল বসানো হয়েছে। কিন্তু তাতে নেই জল। এমনকী গ্রামে থাকা একটি নলকূপও দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। জলের এই সমস্যা সমাধানে প্রশাসনকে বারবার জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি বলেই অভিযোগ আদিবাসীপাড়ার বাসিন্দাদের। তাঁরা জানান, মাঝে মধ্যে কোনও কোনও দিন একটি ট্যাংকারে করে জল দিয়ে যায়। তাতে কি জলের সমস্যা মিটবে? পর্যাপ্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা করার দাবি জানান গ্রামের মহিলারা। দ্রুততার সঙ্গে সমস্যা সমাধানের আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।

    সর্বত্র জানিয়েও সমাধান অধরা

    গ্রামের এক গৃহবধূ বলেন, “পঞ্চায়েত, প্রশাসনিক অফিস সব জায়গায় এই জলকষ্টের (Drinking water) কথা জানানো হয়েছে। কারও দিক থেকে কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। নেতাদেরও দেখা মেলে শুধুই ভোটের সময়। আর মেলে প্রতিশ্রুতি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না। সামনেই পঞ্চায়েত ভোট আসছে। এবার নেতাদের দেখা মিলবে। তবে জল পাব কিনা, তার কোনও ঠিক নেই। এই গ্রামেরই এক মহিলা বললেন, এমনই শোচনীয় অবস্থা যে বলার নয়, পুকুরেও জল নেই। কোথাও জানাতে বাকি নেই। কিন্তু কেউই ফিরে তাকাচ্ছে না।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water Crisis: কল আছে, জল নেই! অসহ্য কষ্টের মুখে গ্রামের গৃহবধূরা চলে যাচ্ছেন বাপেরবাড়ি!

    Drinking Water Crisis: কল আছে, জল নেই! অসহ্য কষ্টের মুখে গ্রামের গৃহবধূরা চলে যাচ্ছেন বাপেরবাড়ি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপমাত্রার পারদ চড়ছে। বেলা বাড়লেই গনগনে রোদে অস্থির অবস্থা। এর মধ্যে যদি জল না মেলে? এমনই পরিস্থিতির শিকার হরিশ্চন্দ্রপুরের মানুষ। কল আছে, জল নেই! পানীয় জলের তীব্র কষ্টে (Drinking Water Crisis) ভুগছেন বাসিন্দারা। কষ্ট সহ্য করতে না পেরে বাপের বাড়ি চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন বাড়ির স্ত্রী ও পুত্রবধূরা। ফলে দূরদূরান্ত থেকে জল আনতে বাধ্য হচ্ছেন গ্রামের পুরুষ মানুষরা। পানীয় জলের সংকটের এক ভয়াবহ দৃশ্য ফুটে উঠেছে মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর-১ নং ব্লকের রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের মুড়াগাছি গ্রামে। জানা গেছে, গ্রীষ্মের শুরু থেকেই পানীয় জলের সংকটে ভুগছে ওই গ্রামের প্রায় ৪০০ টি পরিবার। নলকূপ থেকে জল উঠছে না। জলের জন্য হাহাকার করছে গোটা গ্রাম। পুকুরের নোংরা জল দিয়ে চলছে বাসন মাজা ও স্নান। কেউ কেউ আবার পুকুরের জল দিয়েই করছে ভাত রান্না। গ্ৰাম থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে মাঠে সেচের কাজে ব্যবহৃত সাবমার্শিবল থেকে জল নিয়ে আসছেন গ্রামের পুরুষরা। সেই জল পান করছেন পরিবারের সকলে।

    কী অভিযোগ গ্রামবাসীদের?

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এই গ্রামে বছর চারেক আগে সরকার থেকে দুটো সাবমার্শিবল বসানো হলেও মাসখানেক যেতে না যেতেই সেগুলো বিকল হয়ে পড়েছে। সেই সুযোগে দুষ্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে মোটর দুটি চুরি করে নিয়ে গেছে। এমনকি গ্রামে থাকা একটি সরকারি নলকূপ দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। প্রশাসনকে বারবার অভিযোগ করা সত্ত্বেও কোনও কাজ হচ্ছে না (Drinking Water Crisis)। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য মাস খানেক আগে একটি সাবমার্শিবল বসালেও তার জল পান করতে দিচ্ছেন না জমির মালিক বাবুল আক্তার বলে অভিযোগ। অপরদিকে পঞ্চায়েত সদস্য মজিবুর রহমান নিজের বাড়িতে সরকারি সাবমার্শিবল বসিয়ে একাই ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসীরা। 

    ভিত্তিহীন অভিযোগ বলে দাবি

    যদিও তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ একেবারে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ওই দুজনই। জমির মালিক বাবুল আক্তার বলেন, তাঁর জমিতে সাবমার্শিবলটি বসানো হলেও পাড়ার সবাই জল পান করছে। জল পান করতে কাউকে তিনি কখনও বাধা দেননি। তাঁর বিরুদ্ধে ভুয়ো অভিযোগ তুলছেন বাসিন্দারা। অপরদিকে পঞ্চায়েত সদস্য মজিবুর রহমান জানান, তিনি নিজের টাকায় বাড়িতে সাবমার্শিবল বসিয়েছেন। না জেনেই তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ (Drinking Water Crisis) করা হচ্ছে।

    কী বলছেন পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ?

    হরিশ্চন্দ্রপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ কেরামুদ্দিন আহমেদ জানান, প্রায় দু মাস জল সংকটে (Drinking Water Crisis) ভুগছে মুড়াগাছি গ্রামের মানুষ। জলের অভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে রান্না পর্যন্ত হয় না। তিনি হরিশ্চন্দ্রপুর-১ নং ব্লকের বিডিও অনির্বাণ বসুকে গ্ৰামের জলের সমস্যাটি লিখিত আকারে জানিয়েছেন। শীঘ্রই প্রশাসনের পক্ষ থেকে পানীয় জলের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bengaluru: বেঙ্গালুরুতে জলের হাহাকার, অপচয় রুখতে নিষেধাজ্ঞা জারি প্রশাসনের

    Bengaluru: বেঙ্গালুরুতে জলের হাহাকার, অপচয় রুখতে নিষেধাজ্ঞা জারি প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীত বিদায় নিয়ে বসন্ত এসেছে। ইতি মধ্যেই জলের জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে বেঙ্গালুরুতে। যার জেরে জলের অপচয় রুখতে কোমর কষে নেমে পড়েছে বেঙ্গালুরু (Bengaluru) প্রশাসন। গাড়ি ধোয়ার কাজে জল ব্যবহার করা যাবে না বলে জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। নির্মাণ কাজ, বিনোদন সংক্রান্ত কোনও কাজেও জল ব্যবহার করা যাবে না। বাগান পরিচর্যা, সিনেমা হলের কাজেও ব্যবহার করা যাবে না জল।

    কর্নাটকে তীব্র জলসঙ্কট (Bengaluru) 

    কর্নাটকে জলসঙ্কট তীব্র আকার ধারণ করেছে। সব চেয়ে শোচনীয় অবস্থা বেঙ্গালুরুর। পানীয় জল তো বটেই, নিত্য ব্যবহারযোগ্য জলের সঙ্কটেও জেরবার বেঙ্গালুরুবাসী। এক বালতি জল কিনতে খসাতে হচ্ছে হাজার থেকে দু’ হাজার টাকা পর্যন্ত। সঙ্কটের মোকাবিলায় জলের অপচয় রোখায় জোর দিয়েছে বেঙ্গালুরু (Bengaluru) প্রশাসন। নিষেধাজ্ঞা না মেনে জলের অপচয় করলে ৫ হাজার টাকা জরিমানাও ধার্য করেছে কর্নাটক ওয়াটার সাপ্লাই বোর্ড। একাধিকবার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে গুণাগার দিতে হবে বাড়তি ৫০০ করে টাকা।

    বেঙ্গালুরুতে হাহাকার  

    বেঙ্গালুরু শহরের জনসংখ্যা প্রায় এক কোটি ৩০ লক্ষ। সেখানে দৈনিক জলের চাহিদা ২৬০ কোটি থেকে ২৮০ কোটি লিটার। বর্তমানে শহরে অন্তত ১৫০ কোটি লিটার জলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। জলের হাহাকার দেখা দিয়েছে উত্তর কন্নড়, তুমাকুরু জেলার বিভিন্ন এলাকায়ও। রাজ্যের ২৩৬টি তালুকে খরা ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারের তরফে জল রিসাইকেল ও পরিশোধন করে পুনর্ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে। ট্যাঙ্কারে করে যে জল সরবরাহ করা হচ্ছে, সেখানেও জুলুমবাজির অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতির মোকাবিলায় হেল্পলাইন ও কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে প্রশাসনের তরফে।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যসভায় সাংসদ মনোনীত সুধা মূর্তি, নারী দিবসে খুশির খবর দিলেন মোদি

    জানা গিয়েছে, বেঙ্গালুরুর জনসংখ্যার ৬০ শতাংশ মানুষ ট্যাঙ্কের জলের ওপর নির্ভর করেন। তাঁদের অভিযোগ, জলের আকালের সুযোগ নিচ্ছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। চড়া দরে বিক্রি করছেন জল। স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, শহরের বেশিরভাগ এলাকায় নলকূপ শুকিয়ে কাঠ। অন্তত তিন হাজার জলের ট্যাঙ্কার শুকিয়ে গিয়েছে। বেসরকারি ট্যাঙ্কারের মালিকদের জলের দাম কমানোর নির্দেশ দিয়েছে সরকার। শহরবাসীর দাবি, গত তিন মাস ধরে চলছে জলসঙ্কট। তবে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে দিন কয়েক আগে থেকে (Bengaluru)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Gangarampur: ট্যাপকলের কাদামাখা জলেই স্নান, বাসনমাজা! ক্ষোভের পারদ চড়ছে আদিবাসী গ্রামে

    Gangarampur: ট্যাপকলের কাদামাখা জলেই স্নান, বাসনমাজা! ক্ষোভের পারদ চড়ছে আদিবাসী গ্রামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসী গ্রামে জলের জন্য হাহাকার। এ দৃশ্য গঙ্গারামপুরের (Gangarampur) রামচণ্ডীপুরের। ফুটো পাইপ থেকে কাদাগোলা জল বেরচ্ছে। সেই জল সংগ্রহের জন্যও হুড়োহুড়ি গ্রামের মা-কাকিমাদের। সঙ্গে রয়েছে খুদেরাও। তবে এই জল পান করেন না অনেকেই। গেরস্থালির কাজে ব্যবহার করে থাকেন। পানীয় জলের ট্যাপকলের পাইপের ফুটো দিয়ে নোংরা, কাদা মিশছে। তবে বাধ্য হয়ে এই অস্বাস্থ্যকর জল পান করেই অসুস্থ হচ্ছেন কেউ কেউ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তীব্র সঙ্কটে দমদমা পঞ্চায়েতের রামচন্দ্রপুরের ৬০-৭০টি আদিবাসী পরিবারের দিকে নজর নেই কোনও কর্তার।

    মূল সমস্যা কী?

    দীর্ঘদিন ধরে রামচণ্ডীপুর এলাকায় (Gangarampur) চার-চারটি নলকূপ অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। টাইমকল রয়েছে। তবে সেই কলের পাইপ ফুটো হয়ে গিয়েছে। ফলে ফুটো পাইপ দিয়ে নোংরা ও মাটি ঢুকে কলের জলে মিশছে। অথচ অপরিশ্রুত ওই জল দিয়েই দৈনন্দিন কাজকর্ম চালাতে হচ্ছে গ্রামের বাসিন্দাদের। নোংরা জল পান করার ফলে অনেকে অসুস্থও হয়ে পড়ছেন। এমন অবস্থায় প্রশাসনের কাছে পানীয় জলের সঙ্কট দূর করতে সরকারি নলকূপ সংস্কারের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কালদিঘি রামচন্দ্রপুরের একাংশে জলকষ্ট এমন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে, স্থানীয় বাসিন্দারা টাইমকলের পাইপের ফুটো অংশ থেকে নির্গত হওয়া কাদামাখা জলই নিরুপায় হয়ে সংগ্রহ করছেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, টাইমকলে প্রতিদিন ঠিকমতো জল আসে না। যদিও বা জল পাওয়া যায়, তাও এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে পর্যাপ্ত নয়। তীব্র গরমের মধ্যে জল নিতে হুড়োহুড়ি পড়ছে। এই কাদা জলে চলছে স্নান করা, বাসন মাজার মতো দৈনন্দিন কাজকর্ম। তাই সঙ্কট বেশ তীব্র এলাকায়।

    স্থানীয় মানুষের অভিযোগ

    স্থানীয় এক গৃহবধূর বক্তব্য, রামচন্দ্রপুর এলাকায় (Gangarampur) চারটি নলকূপ দীর্ঘদিন ধরে খারাপ হয়ে পড়ে আছে। প্রশাসন, গ্রাম পঞ্চায়েতে বিষয়টি জানালেও নলকূপ সংস্কারের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। টাইমকলের উপর নির্ভর করেই আমাদের চলতে হচ্ছে। কিন্তু সেখানেও নিয়মিত জল আসে না। চরম দুর্বিসহ অবস্থায় দিন কাটছে আমাদের। আমরা এই পানীয় জলের সমস্যা থেকে মুক্তি চাই। স্থানীয় গৃহবধূ পূর্ণিমা দেবনাথের বক্তব্য, ‘নলকূপ দীর্ঘদিন ধরে খারাপ রয়েছে। আমাদের এলাকার অধিকাংশ মানুষের নলকূপ বসানোর মতো সামর্থ্য নেই। এলাকা থেকে বহু দূরে টাইমকল অবস্থিত হওয়ায় জল আনতে খুব সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাতেও ঠিকমতো জল পাওয়া যায় না। তাই বাধ্য হয়ে ট্যাপকলের কাদামাখা জল আমাদের সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এই কাদামাখা জলে স্নান, বাসন মাজা সহ অন্যান্য দৈনন্দিন কাজ করছি। আশপাশে কোনও জলাশয় না থাকায় সঙ্কট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। এবিষয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতকে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি। স্থানীয় মানুষ বলেন, ভোটের সময় সকলে আসেন। তারপর আর সঙ্কটের সময় কাউকে দেখা যায় না।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    এবিষয়ে গঙ্গারামপুরের (Gangarampur) বিডিও দাওয়া শেরপা জানান, ভূগর্ভস্থ জলস্তর নীচে নেমে যাওয়ার কারণে বিভিন্ন জায়গায় জলের সমস্যা হচ্ছে। তবে সরকারি নলকূপ সংস্কারের জন্য লোক যাচ্ছে। আশা করছি, খুব দ্রুত ওই এলাকায় নলকূপ সংস্কার করে সমস্যার সমাধান করা হবে। প্রশাসনের আশ্বাস মিললেও কবে সমস্যার সমাধান হবে, তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: নলকূপ চাপতে গিয়ে হাতল ছিটকে কারও দাঁত উড়ে যাচ্ছে, কারও ফাটছে কপাল!

    Drinking Water: নলকূপ চাপতে গিয়ে হাতল ছিটকে কারও দাঁত উড়ে যাচ্ছে, কারও ফাটছে কপাল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলের জন্য কারও উড়ে গেছে দাঁত, আবার কারও ফেটে গেছে কপাল, নাক ও ঠোঁট। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। কেন এই অবস্থা? চলুন জেনে নেওয়া যাক আসল ঘটনা কী। ভরা গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহের মধ্যে জলকষ্টে ভুগছেন হরিশ্চন্দ্রপুর থানার তুলসীহাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের কিসমত বড়োল গ্ৰামের মানুষজন। প্রায় তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে গ্রামের নলকূপগুলিতে জল উঠছে না। তীব্র পানীয় জলের (Drinking Water) সংকট দেখা দিয়েছে ওই গ্রামে। বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে মাঠের মিনি পাম্প থেকে পানীয় জল বয়ে নিয়ে আসতে হচ্ছে গ্রামের বধূদের। পুকুরের ঘোলাটে জলে স্নান, কাপড় কাচা ও বাসন ধোয়ার কাজ করে থাকেন তাঁরা। বাড়ির নলকূপ চাপতে গিয়ে হাতল ছিটকে ঘটছে দুর্ঘটনা। নলকূপের হাতলের আঘাতে গ্ৰামের অনেক মহিলার দাঁত ভেঙে গেছে, আবার কেউ কপাল, নাক ও ঠোঁট ফেটে জখম হয়েছেন।

    কী বলছেন গ্রামবাসীরা?

    এই গ্রামেরই বাসিন্দা বন্দনা প্রামাণিক বললেন, তিনমাস হল কল থেকে জল মিলছে না। আধ মাইল দূর থেকে জল (Drinking Water) আনতে হচ্ছে। সবাইকেই জানানো হয়েছে। নলকূপ থেকে জল নিতে গিয়ে দাঁত ভেঙে গেছে, খেতে পারছি না। খুবই সমস্যার মধ্যে দিয়ে দিন কাটছে। আরেক মহিলা পুতুল দাস বললেন, নলকূপ থেকে জল নিতে গেলেই হাতল ছিটকে আসছে। অনেক দূর থেকে জল আনতে হচ্ছে। বাসিন্দা কল্যাণ দাস বললেন, আমাদের আটটা পাড়ার কোথাও জল ওঠে না। প্রতি গ্রামে পাইপলাইন বসছে, এখানে কেন হবে না? সবাইকে জানিয়েছি। তা সত্ত্বেও জল পাচ্ছি না। আমাদের দাবি, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হোক। 

    বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ, স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য থেকে শুরু করে প্রশাসনিক দফতরের কাছে বারবার লিখিত আবেদন জানিয়েও সমস্যার সমাধান হয়নি। তাই ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা গ্রামবাসী। মূলত নলকূপের উপরেই ভরসা এখানকার মানুষের। কিন্তু এই গ্রীষ্মে জলস্তর মাটির অনেকটা নিচে নেমে যাওয়ায় নলকূপ থেকে জল (Drinking Water) বেরোচ্ছে না। তাই গ্রামবাসীরা এলাকায় সাবমার্সিবল বসানোর দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু এই সমস্যা কবে দূর হবে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন গ্রামবাসীরা। শীঘ্রই সমস্যা দূর না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share