Tag: wb news 2026

  • WB Election Results 2026: পোস্টাল ব্যালটেও বাজিমাত বিজেপির, তৃণমূলকে দাঁড়িয়ে গোল দিয়েছেন পদ্ম-প্রার্থীরা

    WB Election Results 2026: পোস্টাল ব্যালটেও বাজিমাত বিজেপির, তৃণমূলকে দাঁড়িয়ে গোল দিয়েছেন পদ্ম-প্রার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস, বাম কিংবা তৃণমূল – কোনও জমানায়ই এতদিন তেমন গুরুত্ব পেত না পোস্টাল ব্যালট গণনার ফল (WB Election Results 2026)। বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের মতে, শাসক দল এতই ছাপ্পা ভোট দিত যে, পোস্টাল ব্যালট (Postal Ballots) গণনার আগেই শুরু হয়ে যেত অকাল ‘হোলি খেলা’, আবির মাখামাখি। বাংলায় পালাবদলের এই ক্রান্তিকালে অবশ্য পোস্টাল ব্যালটের ভোটাররাও হাত উপুড় করে ভোট দিয়েছেন ঘাসফুল নয়, পদ্মফুল প্রতীকে। তার জেরে বিজেপির বঙ্গ-বিজয় হয়েছে নিছক কেক-ওয়াক।

    ৮০ শতাংশই গিয়েছে তৃণমূলের বিপক্ষে (WB Election Results 2026)

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, পোস্টাল ব্যালটে মোট ভোটের ৮০ শতাংশই গিয়েছে তৃণমূলের বিপক্ষে। বেশিরভাগ আসনেই ধাক্কা খেয়েছে রাজ্যের শাসক দল। কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় সংবাদ মাধ্যমে বলেন, “কর্মচারীরা উজাড় করে পোস্টাল ব্যালটে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। এর মধ্যে কোনও কিন্তু নেই।” ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়ে টানা তিনবার ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে গোহারা হেরে যান স্বয়ং তৃণমূলেশ্বরী। বঙ্গে ২০৭টি আসন পেয়ে নবান্নের কুর্সিতে প্রথমবারের মতো বসেছে পদ্মশিবির। মোট ভোটের প্রায় ৪৬ শতাংশই পেয়েছে গেরুয়া শিবির। সেখানে তৃণমূলকে হুমড়ি খেয়ে পড়তে হয়েছে কমবেশি ৪১ শতাংশ ভোটের চৌকাঠ পার হতে গিয়ে।

    পোস্টাল ব্যালটেও ‘রামধাক্কা’

    নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, বদলের বাংলায় পোস্টাল ব্যালটেও ‘রামধাক্কা’ খেয়েছে তৃণমূল। সেখানেও স্পষ্ট প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার ছাপ। জানা গিয়েছে, পোস্টাল ব্যালটে মোট ভোটের ৮০ শতাংশই গিয়েছে তৃণমূলের বিপক্ষে। বেশিরভাগ আসনেই ধাক্কা খেয়েছে তারা। যদিও, ছাব্বিশের নির্বাচনের ভরকেন্দ্র ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রী তথা সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়েছিলেন ৯টি পোস্টাল ভোটে। প্রাক্তন পেয়েছেন ৪৬৩টি ভোট। নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৪৫৪টি। পরিসংখ্যান বলছে, যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির ঝুলিতে গিয়েছে ৯৭৫টি পোস্টাল ভোট। সেখানে তৃণমূল পেয়েছে ৬৯৬টি এবং সিপিএম পেয়েছে ৬২৫টি পোস্টাল ভোট।
    রাসবিহারী কেন্দ্রে অবশ্য পোস্টাল ব্যালটের একটা বড় অংশই পড়েছে পদ্ম-ঝুলিতে। বিজেপির স্বপন দাশগুপ্ত পেয়েছেন ৭২৫টি ভোট। আর তৃণমূলের দেবাশিস কুমার পেয়েছেন ৫৯২টি ভোট। বিধাননগরে তৃণমূলের প্রার্থী সুজিত বসু পোস্টাল ব্যালটে পেয়েছেন ৫৬৭টি ভোট। বিজেপির শারদ্বত মুখোপাধ্যায় পেয়েছেন ৭৯২টি ভোট (Postal Ballots)। এই তিন কেন্দ্রেই তৃণমূলকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গোল দিয়ে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা।

    বঞ্চনার অভিযোগ

    মলয় বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বারবার বলেছেন আমরা নির্দিষ্ট নিয়মমতো ডিএ দেব, বেতন কমিশন গঠন করব ৪৫ দিনের মধ্যে। তৃণমূল সরকার একটা বেতন কমিশন পেয়েছিল যদিও ৪ বছর পরে আমাদের দিয়েছে ডিএ ছাড়াই। এতটা বঞ্চনা সিপিএম সরকারও করেনি (WB Election Results 2026)।” কমিশনের পরিসংখ্যান থেকেই জানা গিয়েছে, শুধু সরকারি কর্মচারীরাই নন, পোস্টাল ব্যালটে রাজ্যে পালাবদল   চেয়েছেন প্রবীণ ভোটাররাও। নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ১ হাজার ৩৩২টি পোস্টাল ব্যালট ভোট। সেখানে তৃণমূলের পবিত্র কর পেয়েছেন মাত্রই ৮৯৯টি। কামারহাটিতে তৃণমূলের মদন মিত্র পেয়েছেন ৩২৪টি। বিজেপির ঝুলিতে গিয়েছে ৫১০টি পোস্টাল ব্যালট ভোট। ব্যারাকপুরে বিজেপি প্রার্থী কৌস্তুভ বাগচী পেয়েছেন ৯০৭টি পোস্টাল ভোট। এই কেন্দ্রে তৃণমূলের রাজ চক্রবর্তীর ঝুলিতে গিয়েছে ৫৫১টি ভোট। পানিহাটিতে বিজেপির রত্না দেবনাথ পেয়েছেন ৬৯৮টি পোস্টাল ব্যালট ভোট। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের তীর্থঙ্কর ঘোষ পেয়েছেন ৩৬২টি (Postal Ballots)।

    চর্চায় যখন পোস্টাল ব্যালট 

    প্রসঙ্গত, কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেন সার্ভিস ভোটার, নির্বাচনী কাজে নিযুক্ত কর্মী প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষম ভোটার এবং অত্যাবশ্যক পরিষেবা-কর্মীরা। কিছু ক্ষেত্রে ‘হোম ভোটিং’ ব্যবস্থাও চালু রয়েছে। ভোট গণনার পর দেখা গিয়েছে, জেলার বহু বিধানসভা কেন্দ্রে পোস্টাল ব্যালটেও তৃণমূলকে মাত দিয়েছে বিজেপি। বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৮৭২টি ভোট। আর গেরুয়া ঝুলিতে গিয়েছে ১ হাজার ৭৮টি ভোট। সোনারপুর দক্ষিণে বিজেপির রূপা গঙ্গোপাধ্যায় পেয়েছেন ২ হাজার ২টি ভোট, সেখানে তৃণমূল পার্থী লাভলি মৈত্রকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে মাত্রই ৮৩৩টি ভোট পেয়ে (WB Election Results 2026)।
    কোচবিহারের দিনহাটা কেন্দ্রে তৃণমূলের উদয়ন গুহ পেয়েছেন ৯৭৭টি পোস্টাল ব্যালট ভোট, পদ্ম প্রার্থী অজয় রায় পেয়েছেন ১ হাজার ৪৬০টি। আসানসোল দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন ৭৭৩টি, তৃণমূলের তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়ের কপালে জুটেছে মাত্রই ৩৯৬টি ভোট। বহরমপুরে অধীর চৌধুরী পোস্টাল ব্যালটে পেয়েছেন ১ হাজার ১০২ ভোট। তৃণমূলের নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় পেয়েছেন ৪৭০টি। মুর্শিদাবাদের রেজিনগর কেন্দ্রে (Postal Ballots) নবগঠিত এজেইউপি সুপ্রিমো হুমায়ুন কবীর পেয়েছেন ২৭০টি পোস্টাল ব্যালট ভোট (WB Election Results 2026)। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজেপির বাপন ঘোষ। বাপন পেয়েছেন ৫৬৮টি পোস্টাল ব্যালট ভোট।

    কী বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পোস্টাল ব্যালটে যাঁরা পরিবর্তন চেয়ে ভোট দিয়েছেন বিজেপিকে, তাঁরা চেয়েছেন বঙ্গকে তৃণমূলশাসন-মুক্ত করতে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের গায়ে যেসব কলঙ্কের কালি লেগেছে, এবং নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতি হওয়া সত্ত্বেও তিনি যেভাবে ‘ও কিছু নয়’ জাতীয় মন্তব্য করে দায় এড়িয়ে (Postal Ballots) গিয়েছেন এবং সর্বোপরি তুষ্টিকরণ এবং খয়রাতির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি যেভাবে একপেশে হয়ে গিয়েছিলেন, তার সপাট জবাব (WB Election Results 2026)।

     

  • WBSSC 2016: বিজেপি জমানায় নতুন ‘সকাল’, ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ওএমআর শিট প্রকাশ এসএসসি-র

    WBSSC 2016: বিজেপি জমানায় নতুন ‘সকাল’, ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ওএমআর শিট প্রকাশ এসএসসি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ঝুলি থেকে বেরল বেড়াল! তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘নো হোয়্যার’ (মুখ্যমন্ত্রীর পদ খুইয়েছেন এবং বিধায়কও নির্বাচিত হননি) হতেই ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার (WBSSC 2016) ওএমআর শিট প্রকাশ করল এসএসসি। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আদালতের নির্দেশেই ওএমআর শিট প্রকাশ করা (BJP) হচ্ছে। এসএসসির নিজস্ব ওয়েবসাইটেই প্রকাশ করা হয়েছে রেজাল্ট। আন্দোলনকারীদের একাংশের দাবি, রাজ্যে পালাবদলের পরেই পদক্ষেপ করল এসএসসি।

    ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের ‘খেলা’ শুরু (WBSSC 2016)

    শনিবার বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ব্রিগেডে শপথ নিয়েছে বঙ্গের নয়া সরকার। অঙ্গ-কলিঙ্গের পর বিজেপির বঙ্গ বিজয় হওয়ায় প্রত্যাশিতভাবেই খুশি পদ্মশিবির। সেই কারণেই শনিবারের ব্রিগেডে আক্ষরিক অর্থেই বসেছিল চাঁদের হাট। সেই ‘হাটে’ই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু। তার পরেই বঙ্গের উন্নয়নে ঝাঁপিয়ে পড়ে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকার। শপথগ্রহণ পর্ব শেষ হতেই এসএসসি প্রকাশ করে সিবিআইয়ের উদ্ধার করা সেই সব ওএমআর শিট। এসএসসির ‘যোগ্য’ এক চাকরিহারা বলেন, “তৃণমূল চেপে রেখেছিল বলে প্রকাশিত হয়নি। বিজেপি আসতেই প্রকাশিত হল। রি-প্যানেলিং হোক। যোগ্যরা চাকরি পাক।” এহেন (BJP) আবহে একাধিক দাবিতে ১৩ মে এসএসসি ভবনে ডেপুটেশন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন, যাঁরা অযোগ্য বলে চিহ্নিত নন, চাকরিহারাদের সেই অংশ।

    ওএমআর শিট প্রকাশ

    জানা গিয়েছে, নিয়োগ দু্নীতির তদন্তে নেমে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ থেকে সিবিআই যে হার্ডডিস্কটি উদ্ধার করেছিল, সেখানে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের ওএমআর শিট মেলে। এসএসসি তাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সিবিআইয়ের কাছ থেকে পাওয়া ২০১৬ সালের নিয়োগ পরীক্ষার নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির প্রার্থীদের ওএমআরের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। আদালতের রায় এবং নির্দেশ মেনেই ছবিগুলি আপলোড করা হয়েছে (WBSSC 2016)। ২০১৬-র পরীক্ষায় গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি চাকরি প্রার্থীদের স্ক্যান করা ওএমআর শিটও আপলোড করা হবে শীঘ্রই।

    শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। আদালত জানিয়ে দেয়, ‘চাল থেকে কাঁকর বাছতে না পারায়’ বাতিল করা হয় ২৬ হাজার চাকরি। চাকরি ফেরানোর দাবিতে আন্দোলনে নেমে পুলিশের লাঠি থেকে লাথি খেয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষকরা। যাঁরা দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন, তাঁদেরও নতুন করে পরীক্ষায় বসতে হয়। যোগ্য-অযোগ্যদের আলাদা করতে (BJP), বারবার ওএমআর শিটের মিরর ইমেজ প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন চাকরিহারারা। তৃণমূল সরকারের আমলে তা প্রকাশ করা হয়নি। রাজ্যে পালাবদল হতেই প্রকাশ করা হল সেই ইমেজ (WBSSC 2016)।

     

LinkedIn
Share