Tag: WBBPE

WBBPE

  • Calcutta High Court: মামলার জটে প্রাথমিকে যোগ্যদের চাকরি না হওয়ায় বিরক্ত হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: মামলার জটে প্রাথমিকে যোগ্যদের চাকরি না হওয়ায় বিরক্ত হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর এক মামলার জেরে প্রাথমিকে প্রকৃত যোগ্যদের চাকরি না হওয়াতে চরম বিরক্তি প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বুধবারই ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষায় উর্দু ভাষার প্রশ্নের ভুল সংক্রান্ত একটি মামলা ছিল। মামলাটি ওঠে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের এজলাসে। সেখানেই বিচারপতি রাজ্য সরকারকে একটি রিপোর্ট জমা দিতে বলেন। আগামী ১৭ এপ্রিলের মধ্যে রাজ্য সরকারকে একটি রিপোর্ট দিতে হবে।  ওই রিপোর্টে জানাতে হবে প্রাথমিক স্কুলগুলিতে রাজ্যে বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষকের সংখ্যা কত?

    বিচারপতি মান্থারের পর্যবেক্ষণ

    আদালত এদিন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, মূলত মামলার কারণে যে সমস্ত যোগ্য প্রার্থী নিয়োগ আটকে রয়েছে, তাঁদের নিয়োগ কোনওভাবে আটকে রাখা যাবে না। এদিনই প্রাথমিকের ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার মামলা শুনানিতে বিচারপতি মান্থার পর্যবেক্ষণ (Calcutta High Court) করে বলেন, ‘‘দিনের পর দিন মামলা চলছে। আর এই মামলার মধ্যে প্রকৃত যোগ্যরা নিয়োগ পাচ্ছেন না। তাঁদের নিয়োগ আটকে রাখা হচ্ছে। চাকরিতে প্রকৃত যোগ্যরা বঞ্চিত থেকে যাচ্ছেন এবং এই মামলার কারণে তাঁদের বয়স চলে যাচ্ছে।’’ প্রসহ্গত নিয়োগ দুর্নীতিতে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য বর্তমানে জেলেও রয়েছেন। চাকরি প্রার্থীরা আন্দোলনও করছেন রাজপথে। এমন আবহে আদালতের এদিনের পর্যবেক্ষণ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুুন: বঙ্গে রামের দলের নয়া মুখপাত্র রাধিকা, চেনেন তাঁকে?

    আদালতের আরও পর্যবেক্ষণ

    আদালতের (Calcutta High Court) আরও পর্যবেক্ষণ, পর্ষদ এই নিয়োগ নিয়ে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করুক। তাদের অসহযোগিতাতেই নতুন নিয়োগ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে বলে মনে করে হাইকোর্ট। আদালত এদিন জানিয়েছে, কোনও সুপার নিউমেরারি পোস্টের হিসাব এই তালিকায় আনা যাবে না। বোর্ডের ওই রিপোর্ট পাওয়ার পরেই আদালত তার পরবর্তী নির্দেশ দেবে, তা জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ৯ বছর ধরে বন্ধ প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, হাইকোর্টে জানাল পর্ষদ

    Calcutta High Court: ৯ বছর ধরে বন্ধ প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, হাইকোর্টে জানাল পর্ষদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৯ বছর ধরেই রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বন্ধ রয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে ঠিক এমনটাই জানালো প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। মঙ্গলবার এই রিপোর্টের পাল্টা হলফনামা চেয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Calcutta High Court)। অন্যদিকে জানা গিয়েছে মামলার পরবর্তী শুনানি ৪ সেপ্টেম্বর।

    প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারি আদালতে (Calcutta High Court) কী জানালেন?

    মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারি জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে শেষবারের মতো বিএড ডিগ্রিধারী যাঁরা, তাঁরা প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করতে ঢুকেছিলেন। তাঁদের শেষবারের মতো ব্রিজ কোর্স করানো হয়েছে। তারপর থেকে এই কোর্স আর করানো হয়নি। কিন্তু এনসিআরটি-র গাইডলাইন অনুযায়ী প্রশিক্ষণ ছাড়া পড়াতে পারবেন না প্রাথমিক শিক্ষক বা হাই স্কুলের শিক্ষকরা। প্রাথমিকের জন্য ডিএড ও ডিএলএড কোর্স করতে হবে। এনসিআরটি-র নিয়মে বিএড-এর যাঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁরা প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরি পেতে পারেন। কিন্তু চাকরি পাওয়ার এক বছরের মধ্যে তাঁদের ব্রিজ কোর্স সম্পূর্ণ করতে হবে (Calcutta High Court)।

    উচ্চ প্রাথমিকের শূন্যপদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন

    অন্যদিকে, মঙ্গলবারই উচ্চ প্রাথমিকের শূন্যপদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। প্রসঙ্গত, এর আগেই কমিশন জানিয়েছিল খুব তাড়াতাড়ি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে। এবার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হল। গত ২৩ অগাস্ট ১৩,০০০ চাকরি প্রার্থীর প্যানেল প্রকাশ করেছিল এসএসসি। প্রসঙ্গত, উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগের পরীক্ষা হয়েছিল ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে। সে পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছিল ২০১৬ সালে। কিন্তু তারপরে ৯ বছর ধরে আটকে রয়েছে নিয়োগ। নিয়োগের দাবিতে পথে নেমে আন্দোলন করছেন চাকরিপ্রার্থীরা। স্কুল সার্ভিস কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.westbengalssc.com/-এ সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য মিলবে।

    আরও পড়ুন: জানেন কোন ২১ জন বিধায়ক পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিলেন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Teacher Recruitment Case: নিয়োগ প্যানেল নিয়ে বিচারপতি সিনহার নির্দেশের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে প্রাথমিক পর্ষদ!

    Teacher Recruitment Case: নিয়োগ প্যানেল নিয়ে বিচারপতি সিনহার নির্দেশের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে প্রাথমিক পর্ষদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে (Teacher Recruitment Case) চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গেল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ১২ ডিসেম্বর জেলা ভিত্তিক নিয়োগের প্যানেল আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেন বিচারপতি সিনহা। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি উদয় কুমারের বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে শুনানি হতে পারে এই মামলার।

    সিঙ্গল বেঞ্চের রায়

    ২০১৪ সালের পর রাজ্যে টেট পরীক্ষা হয় দু বার। একবার ২০১৬ সালে। আর দ্বিতীয়বার ২০২০ সালে। নিয়োগ হওয়ার কথা ছিল ৪২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক। এই দুই নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্যানেল প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। পর্ষদকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিল বিচারপতি সিনহার সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই সময় পর্ষদ আদালতে জানিয়েছিল, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে ইতিমধ্যেই একটি প্যানেল প্রকাশ করা হয়েছে। তবে নিয়োগের রীতি মেনে ২০১৬ সালের প্যানেল প্রকাশের নিয়ম নেই।

    বিচারপতি সিনহার মন্তব্য

    যদিও আদলত চেয়েছিল দুটি নিয়োগ প্রক্রিয়ারই সম্পূর্ণ প্যানেল দেখাতে। বিচারপতি সিনহার মন্তব্য ছিল, “আমি প্রাথমিকের প্যানেল (Teacher Recruitment Case) দেখতে চাই। মেয়াদ শেষের আগে একটা প্যানেল প্রস্তুত হয়। সেটি দেখতে চাই। নিয়োগের প্যানেল খতিয়ে দেখার অধিকার রয়েছে আদালতের।” তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, “নিয়োগের প্যানেল প্রকাশ না করে কি পর্ষদ কাউকে আড়াল করতে চাইছে? এই প্যানেল বাড়িতে গচ্ছিত রাখার সম্পত্তি নয়। প্যানেল প্রকাশ হলে অসুবিধা কোথায়?” বিচারপতি সিনহার সেই প্যানেল প্রকাশের নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।

    আরও পড়ুুন: “ভিখারি হয়ে গিয়েছে রাজ্য, মোদির পা ধরতেই মমতা দিল্লিতে”, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    এই মামলায়ই বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছেন এমন ৯৪জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। পর্ষদের তরফে আদালতে জানানো হয়েছিল, যে দুটি প্যানেল প্রকাশ করা হয়েছে, তা ঠিক নয়। প্যানেলের জন্য আরও সময় প্রয়োজন। তখনই বিচারপতি সিনহার মন্তব্য ছিল, “আর কতদিন অপেক্ষায় থাকবেন বঞ্চিতেরা? তাঁদের (Teacher Recruitment Case) কাছে প্রতিটি দিনের মূল্য রয়েছে। চাকরি প্রার্থীদের বয়স পেরিয়ে যাচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “তৈলমর্দন করলেই মিলবে পছন্দের পোস্টিং?” শিক্ষক নিয়োগ মামলায় প্রশ্ন বিচারপতির

    Calcutta High Court: “তৈলমর্দন করলেই মিলবে পছন্দের পোস্টিং?” শিক্ষক নিয়োগ মামলায় প্রশ্ন বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যাঁরা আপনাদের হাতে তৈলমর্দন করবেন, তাঁদের পছন্দমতো স্কুলে পোস্টিং দেবেন?” মঙ্গলবার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদকে এই প্রশ্নই করলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ মামলায় এই প্রশ্ন করেন বিচারপতি মান্থা।

    বান্ধবীর বাড়ির কাছে পোস্টিং

    তাঁর মন্তব্য, “যাঁরা তৈলমর্দন করেন তাঁদেরই কি পছন্দমতো স্কুলে পোস্টিং দেন? মামলাকারী অনেক কিছুই চাইতে পারেন। মামলাকারী বলতে পারেন যে তাঁকে তাঁর বান্ধবীর বাড়ির কাছে পোস্টিং দেওয়া হোক। কিন্তু পোস্টিংয়ের নির্দিষ্ট বিধি কোথায়?” বিচারপতির আরও প্রশ্ন, “হাওড়া, বাঁকুড়া, উত্তর ২৪ পরগনায় কাউন্সেলিং হলে, পূর্ব মেদিনীপুরে কেন নয়?” বিচারপতি মান্থা বলেন, “বারবার জিজ্ঞাসা করা হলেও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ বা রাজ্য সরকার কেউই নির্দিষ্ট কোনও বিধি দেখাতে পারেনি।” আদালতের নির্দেশ, “যদি এখনও কোনও শূন্যপদ থাকে, তাহলে সেখানে নিয়োগ করা যাবে না।” রাজ্য ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের হলফনামাও তলব করেছে আদালত (Calcutta High Court)।

    প্যানেল তৈরি হওয়ার পর কাউন্সেলিংই হয়নি

    মামলাকারীর দাবি, প্রধান শিক্ষকের প্যানেল তৈরি হওয়ার পর কাউন্সেলিংই হয়নি। তৃণমূলের শিক্ষক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষকদের বাড়ির কাছে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তি এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত বলেও অভিযোগ করেছেন মামলাকারী। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালতের দ্বারস্থ হন পূর্ব মেদিনীপুরের দুটি সার্কেলের সাতজন শিক্ষক। তাঁদের মতে, পোস্টিং দেওয়ার ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হয়েছে রাজনৈতিক প্রভাব। বিচারপতি মান্থার মন্তব্য, “২০১৬ সালের বিধির মধ্যে কোথাও কাউন্সেলিং বা পোস্টিংয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা নেই। তাই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদগুলি পোস্টিংয়ের ক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা পেয়ে যাচ্ছে।” এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৮ ডিসেম্বর।

    আরও পড়ুুন: মমতা-নীতীশদের অনুপস্থিতির জের! শরিক-ঘোঁটে ভেস্তে গেল ইন্ডি-জোটের বৈঠক?

    প্রসঙ্গত, তৃণমূল জমানায় শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। কখনও নিয়োগের ক্ষেত্রে, কখনও আবার পোস্টিং দেওয়ার ক্ষেত্রে কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠছে। মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে অনেকে চাকরি ‘কিনেছেন’ বলেও অভিযোগ। আবার বেছে বেছে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের চাকরি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসব নিয়েও দায়ের হয়েছে মামলা। এবার সেই তৃণমূলের বিরুদ্ধেই অভিযোগ উঠল রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পোস্টিং দেওয়ার (Calcutta High Court)।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

       

  • Primary Recruitment: হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য! নিয়োগ না মেলায় ফের আদালতে ৬২ জন চাকরিপ্রার্থী

    Primary Recruitment: হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য! নিয়োগ না মেলায় ফের আদালতে ৬২ জন চাকরিপ্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের  (Calcutta High Court) নির্দেশ সত্ত্বেও চাকরি দেওয়া হয়নি। এই অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ৬২ জন চাকরিপ্রার্থী। তাঁদের বক্তব্য, হাইকোর্ট চার মাস আগে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পার হয়ে গেলেও এখনও কাউকে চাকরি দেয়নি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর একক বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ওই চাকরিপ্রার্থীরা। দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা। চলতি সপ্তাহেই এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    চাকরিপ্রার্থীদের বক্তব্য

    এনসিটিই-র নির্দেশিকা অনুযায়ী, স্নাতক স্তরে উপযুক্ত নম্বর থাকা সত্ত্বেও প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে দেয়নি পর্ষদ। এই অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন মোট ৭৪ জন চাকরিপ্রার্থী। এনসিটিই-র গাইডলাই অনুযায়ী ৪৫ শতাংশ নম্বর দরকার স্নাতর স্তরে। ওই আবেদনকারীদেরও ৪৫ শতাংশ নম্বর ছিল। কিন্তু অভিযোগ, পর্ষদ বলেছিল স্নাতক স্তরে ৫০ শতাংশ দরকার। এনসিটিই-র সেই গাইডলাইন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ মানেনি বলে অভিযোগ উঠেছিল। এই মামলার শুনানিতে গত ১০ এপ্রিল তাঁদের চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি বসু। তাঁর নির্দেশ ছিল, মামলাকারীদের তথ্য যাচাই করে জুন মাসের মধ্যে চাকরি দিতে হবে। কিন্তু সেই জুন পেরিয়ে জুলাইও শেষ হয়ে গেল। অথচ, ওই ৬২ জনের এখনও চাকরি মেলেনি বলে অভিযোগ মামলাকারীদের। এমন অবস্থায় তাই এবার বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে এনেছেন ওই বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীরা।

    আরও পড়ুন: ৪ ‘অযোগ্য’ শিক্ষকের থেকে কত টাকা নিয়েছিলেন তাপস-কুন্তলরা? বিরাট দাবি সিবিআইয়ের

    গত ২৭ জুলাই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, তথ্য যাচাই করে মামলাকারী ৭৪ জনের মধ্যে ৬২ জনকে প্রাথমিকের শিক্ষক পদে চাকরির জন্য বিবেচনা করা হয়েছে। শিক্ষা দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির কাছে শূন্যপদের তালিকাও চাওয়া হয়েছে। তালিকা এলেই তাঁদের শীঘ্রই নিয়োগের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানায় পর্ষদ। তার মধ্যেই ফের আদালতের দ্বারস্থ হলেন চাকরিপ্রার্থীরা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WBBPE: ২০২২ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    WBBPE: ২০২২ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২২ সালের প্রাথমিক নিয়োগ (WBBPE) প্রক্রিয়া স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার এই অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ দিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিমা কুহেলি, বিচারপতি রাজেশ বিন্দলের বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের এদিনের নির্দেশের ফলে প্রায় ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আপাতত বিশ বাঁও জলে। 

    ১২ হাজারের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছিল

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণদের (WBBPE) মধ্যে প্রায় ১২ হাজারের নিয়োগ প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছিল। অন্যদিকে ২০২০-২২ শিক্ষাবর্ষে ডিএলএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরাও কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এই নিয়োগ প্রক্রিয়াতে অংশ নেওয়ার আর্জি নিয়ে। তাঁদের বক্তব্য, প্রশিক্ষণের (WBBPE) কোর্স যে শেষ হয়নি, তার দায় পর্ষদের। তাঁরা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে চান। এই মর্মে আগেই  কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, ২০২২ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তাঁদের অংশ নিতে দিতে হবে। এরপরেই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ২০২০-২২ সালের টেট উত্তীর্ণদের যাবতীয় তথ্য জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিল।

    মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এই রায়েকে চ্যালেঞ্জ জানায় ২০২০ সালের আগের প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা। নির্ধারিত কোর্স শেষ না করে কেন এই প্রার্থীদের পরীক্ষায় বসার অনুমতি দিয়েছে বোর্ড (WBBPE)? এই নিয়ে প্রশ্ন তুলে ২০২০ সালের আগের প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। মামলাটি ওঠে কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চে। এই মর্মে ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল কোর্স শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিয়োগ প্রক্রিয়াতে অংশ নেওয়া যাবে না। পরবর্তীতে ডিভিশন বেঞ্চের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যান চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ যাঁদের বেশিরভাগই ২০২০-২২ সালের প্রশিক্ষণ (WBBPE) নিয়েছিলেন। এই মর্মে শুক্রবার উল্লেখযোগ্য নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণ, আগে এই ২০২০-২২ সালের প্রশিক্ষণরতরা নিয়োগ প্রক্রিয়াতে অংশ নিতে পারবেন কিনা সেই বিষয়ে নির্দেশ দেবে আদালত। তারপর নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। তার আগে পর্যন্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Primary TET: ৫০% নয়, ৪৫% নম্বর থাকলেই বসা যাবে প্রাইমারি টেটে, নয়া ঘোষণা পর্ষদের

    Primary TET: ৫০% নয়, ৪৫% নম্বর থাকলেই বসা যাবে প্রাইমারি টেটে, নয়া ঘোষণা পর্ষদের

    মাধ্যমি নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক টেটে বসার যোগ্যতায় ফের বদল আনল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (West Bengal Board of Primary Education)। ২০১০ সালে ২৩ অগাস্টের আগে স্নাতক এবং বিএড করা প্রার্থীদের টেটে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে যোগ্যতায় বিশেষ ছাড় ঘোষণা করা হয়েছে। নয়া বিজ্ঞপ্তিতে পর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টেটে বসার জন্য এই পরীক্ষার্থীদের স্নাতকে ৪৫% নম্বর থাকলেই হবে। এর আগে টেটে বসার নুন্যতম যোগ্যতা ছিল স্নাতকে ৫০% নম্বর। 

    বুধবার পর্ষদের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১০ সালের ২৩ অগাস্টের আগে যেসব জেনারেল প্রার্থীরা ব্যাচেলর ইন এডুকেশন (BEd) এবং স্নাতক ডিগ্রী পাশ করেছেন তারা ৪৫ শতাংশ নম্বর পেলে এবং সংরক্ষিত ক্যাটাগরির প্রার্থীরা ৪০ শতাংশ নম্বর পেলেই ২০২২ সালের টেটে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। অবশ্যই এর সঙ্গে টেটে অংশগ্রহণের অন্যান্য যোগ্যতাগুলি পূরণ করতে হবে  সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে।এই নিয়ে তৃতীয়বার টেট পরীক্ষার্থীদের যোগ্যতামানে পরিবর্তন করা হল।

    আরও পড়ুন: সিআরপিএফের ইনস্পেক্টর জেনারেল পদে প্রথম দুই মহিলা, গড়লেন নতুন ইতিহাস

    বৃহস্পতিবারই ২০২২ প্রাথমিক টেটের ফর্ম ফিলআপের শেষ দিন। তার আগের দিন পর্ষদের এই নতুন সিদ্ধান্তে আরও অনেক প্রার্থী পরীক্ষায় বসার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছেন। এদিন রাত ১২টার মধ্যে তাদের ফর্ম ফিলআপ করতে হবে। ১১ ডিসেম্বর দুপুর ১২টায় আয়োজিত হবে প্রাথমিক টেট। ১১ হাজার শূন্যপদের জন্য প্রার্থী নির্বাচন করা হবে এই পরীক্ষার মাধ্যমে। ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিটের মধ্যে দিতে হবে ১৫০ নম্বরের পরীক্ষা।

    আগের বিজ্ঞপ্তিতেই পর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টেট (TET) উত্তীর্ণ হওয়া মানেই চাকরির অধিকার অর্জন করা নয়। সেই সম্পর্কে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে গাইডলাইনে। বলা হয়েছে, টেটে উত্তীর্ণ হলেই কোনও প্রার্থীর নিয়োগ পাওয়ার অধিকার জন্মাবে না। এটা নিয়োগের যোগ্যতামানদণ্ডগুলির মধ্যে একটি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

        

LinkedIn
Share