Tag: WBBSE

WBBSE

  • Madhyamik 2025: দিন বদল! আরও এগিয়ে এল আগামী বছরের মাধ্যমিক, কবে থেকে শুরু?

    Madhyamik 2025: দিন বদল! আরও এগিয়ে এল আগামী বছরের মাধ্যমিক, কবে থেকে শুরু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পর্ষদ থেকে আগে জানানো হয়েছিল, ২০২৫ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে, তা চলবে ২৪ ফেব্রুয়ারি (Madhyamik 2025) পর্যন্ত। কিন্তু রবিবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছে, আগামী বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা এগিয়ে আনা হয়েছে। কবে থেকে পরীক্ষা শুরু হবে, বিজ্ঞপ্তি জারি করে তা জানিয়েও দেওয়া হল।

    কবে থেকে পরীক্ষা শুরু?

    পর্ষদ জানিয়েছে, আগামী বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik 2025) শুরু হবে ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে। চলবে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে মাধ্যমিকের পূর্ণাঙ্গ সূচি এখনও প্রকাশ করেনি পর্ষদ। সাধারণভাবে মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশের দিনই পরের বছরের পরীক্ষার রুটিন ঘোষণা করা হয়। কবে থেকে মাধ্যমিক শুরু হবে, কবে কী পরীক্ষা হবে, কতদিন পরীক্ষা চলবে, তা ঘোষণা করে পর্ষদ।  কিন্তু এবার আগেভাগেই পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা করল পর্ষদ। এনিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষক মহলের একাংশ। তবে পূর্ণাঙ্গ রুটিন মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের দিনই পর্ষদ ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কেন পরীক্ষার দিন এগিয়ে আনা হল?

    আগামী বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার (Madhyamik 2025) শুরুর দিনটি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। কারণ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার জন্মদিন। এ ছাড়া ওই দিনে পড়েছে শবে বরাতও। এই দু’দিনে স্কুলে ছুটি থাকে। পর্ষদের সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই কী করে ওই দিন পরীক্ষা নেওয়া যায়, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন শিক্ষকদের একাংশ।

    কী বলছেন শিক্ষকরা?

    শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারীর ভাষায়, ‘‘শবে বরাত এবং পঞ্চানন বর্মার জন্মবার্ষিকীতে প্রতি বছর ছুটি থাকা সত্ত্বেও আগামী বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হবে বলে ঘোষণা করায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (Madhyamik 2025)। শেষ পর্যন্ত ১৪ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হবে বলে ঘোষণা করল পর্ষদ। এটা কাঙ্ক্ষিত ছিল। শিক্ষা দফতরের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী যে ঘোষণা করেছিলেন, তা একেবারেই কাঙ্খিত নয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik 2024: মাধ্যমিকের অ্যাডমিট রেজিস্ট্রেশনের বর্ধিত সময় ১০ জানুয়ারি, প্রশ্নফাঁস রুখতে নয়া উদ্যোগ

    Madhyamik 2024: মাধ্যমিকের অ্যাডমিট রেজিস্ট্রেশনের বর্ধিত সময় ১০ জানুয়ারি, প্রশ্নফাঁস রুখতে নয়া উদ্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik 2024) শুরু হচ্ছে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে। এ বছর পরীক্ষা দেবেন প্রায় ১২ লক্ষ পরীক্ষার্থী। আর ২৫ দিন বাকি থাকতেই পর্ষদের তরফে এনিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হল। এবং সেখানে জানানো হয়েছে অ্যাডমিট কার্ড রেজিস্ট্রেশন করার শেষ দিন ছিল ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ এই সময়সীমার মধ্যে যারা অ্যাডমিট কার্ড রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে পারেনি, তাদের জন্য বর্ধিত সময়সীমা দেওয়া হয়েছে আগামী ১০ জানুয়ারি।

    কী বলছেন পর্ষদ সভাপতি

    এদিন পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘উদাসীনতা ও গাফিলতির কারণে সময়সীমার মধ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেনি স্কুলগুলি। পড়ুয়াদের কথা ভেবে আমরা আরও একটি সুযোগ দিলাম। ওই সময়সীমার মধ্যে সম্পূর্ণ না হলে আর পরীক্ষায় বসতে পারবে না সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীরা।’’

    শিশু কোলে পরীক্ষা দেওয়া যাবে না

    এর পাশাপাশি এদিন আরও জানানো হয়েছে, শিশু কোলে কোনওভাবেই মাধ্যমিক (Madhyamik 2024) পরীক্ষা দেওয়া যাবে না এবং পরীক্ষা চলাকালীন তিন ঘন্টা ধরে শিশুকে মাতৃ স্তন পানও করানো যাবে না।  মানবিকতার কারণে শিশু কোলে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হতো। কিন্তু বিগত বছরে বেশ কিছু কেন্দ্রে দেখা গিয়েছে শিশুর কাপড়ের মধ্যেই নকল থাকছে।

    প্রশ্ন ফাঁস রুখতে নয়া উদ্যোগ

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিগত বছরগুলিতে দেখা গিয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik 2024) শুরু হতেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। এবং তা সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সে ক্ষেত্রে প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে এবার বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পর্ষদ সভাপতি জানিয়েছেন, প্রতিটি প্রশ্নপত্রেই আলাদা কোড থাকবে এবং সেটা দেখেই কোন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে তা জানা যাবে।

    ২৪ জানুয়ারি থেকে অ্যাডমিট বিলি করবে স্কুলগুলি

    অন্যদিকে, ২২ জানুয়ারি থেকে পর্ষদের ক্যাম্প অফিস থেকে সকাল ১১ টা থেকে অ্যাডমিট কার্ড তুলতে পারবে স্কুলগুলি। এবং ২৪ জানুয়ারি থেকে স্কুল গুলি থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা অ্যাডমিট কার্ড (Madhyamik 2024) সংগ্রহ করতে পারবে। কোথাও কোনও অ্যাডমিট কার্ডে ভুল থাকলে ২৯ জানুয়ারির মধ্যে তা সংশোধন করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Teacher: শিক্ষকদের স্কুলে ঢুকতে হবে আরও আগে, নয়া নির্দেশিকা জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    Teacher: শিক্ষকদের স্কুলে ঢুকতে হবে আরও আগে, নয়া নির্দেশিকা জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষকদের স্কুলে ঢোকার সময় এবার বেশ খানিকটা এগিয়ে আসছে। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হচ্ছে জানুয়ারিতেই। তখন সকাল ১০ টা ৫০ নয়, সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটের মধ্য়েই স্কুলে চলে আসতে হবে শিক্ষকদের (Teacher)। নন-টিচিং স্টাফদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন বা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তা ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে। সমস্ত ধরনের স্কুলের ক্ষেত্রেই এই নয়া নিয়মবিধি কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। জুনিয়র হাইস্কুল, সেকেন্ডারি স্কুল (সরকার ও সরকার পোষিত)-সহ বোর্ডের আওতাধীন সমস্ত স্কুলের ক্ষেত্রেই এই নির্দেশ কার্যকর হবে।

    ১০ টা ৪০-এর পর যদি কেউ আসেন, তাঁর জন্য ‘লেট’ মার্ক হবে

    নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানের প্রধান থেকে শুরু করে স্কুলের সমস্ত স্টাফকে (টিচিং, নন-টিচিং) প্রার্থনায় থাকতে হবে। ১০ টা ৪০ থেকে ১০ টা ৫০ পর্যন্ত প্রার্থনার জন্য সময় বরাদ্দ থাকছে। ১০ টা ৪০-এর পর যদি কেউ আসেন, তাঁর জন্য ‘লেট’ মার্ক হবে। শুধু তাই নয়, ১১ টা ১৫ মিনিটের পর যদি কোনও শিক্ষক বা শিক্ষিকা (Teacher) স্কুলে আসেন, তাহলে তাঁকে সেদিনের জন্য ‘অনুপস্থিত’ হিসাবে গণ্য করা হবে।

    সাড়ে ৪টে অবধি স্কুলে থাকতেই হবে

    নতুন শিক্ষাবর্ষে (Teacher) সাড়ে ৪টে অবধি স্কুলে থাকতেই হবে প্রতিটি শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের। ক্লাসের ভিতর মোবাইল ফোনের অযথা ব্যবহার অথবা ব্লু টুথ ডিভাইস ব্যবহার করে গান শোনা কোনওভাবেই চলবে না। ‘টিচিং এইড’ হিসাবে যদি মোবাইল বা স্মার্ট ফোন ক্লাসে ব্যবহার করতে হয়, সে ক্ষেত্রে লিখিত অনুমতি নিতে হবে আগে থেকে। নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, শিক্ষকেরা কে কতক্ষণ ক্লাস নিচ্ছেন, কতগুলো ক্লাস নিচ্ছেন, তা নিজেরাই ডায়েরিতে লিখে রাখবেন। প্রধান শিক্ষকের নজরেও থাকবে বিষয়টি। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সারা সপ্তাহের জন্য শিক্ষকদের রুটিন তৈরি করবেন। ওই রুটিন পাঠানো হবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কাছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Results 2023: মাধ্যমিকে একে পরীক্ষার্থী কমেছে ৪ লক্ষ, তার ওপর ফেল ১.১ লক্ষ!

    Madhyamik Results 2023: মাধ্যমিকে একে পরীক্ষার্থী কমেছে ৪ লক্ষ, তার ওপর ফেল ১.১ লক্ষ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল মাধ্যমিক (Madhyamik Results 2023) পরীক্ষার ফল। এদিন সকাল দশটায় পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রকাশ করেন মেধা তালিকা। তাতে দেখা যাচ্ছে চলতি বছরের মাধ্যমিকে ফেল করেছে ১.১ লক্ষ ছাত্রছাত্রী। মাধ্যমিক শুরু হওয়ার সময়ই জানা গিয়েছিল এ বছরের পরীক্ষার্থী সংখ্যাও ব্যাপক কমেছে গতবারের তুলনায়। প্রায় ৪ লক্ষ কমেছে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা। ২০২২ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর (Madhyamik Results 2023) সংখ্যা ছিল ১০ লক্ষ ৯৮ হাজার ৭৭৫ এবারে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লক্ষ ৯৮ হাজার ৯২৮। একে পরীক্ষার্থী কমেছে ৪ লক্ষ, তার ওপর ফেল ১.১ লক্ষ! বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন শিক্ষাবিদদের একাংশ।

    বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রীর ফেল করার কারণ নিয়ে কী বলছেন পর্ষদ সভাপতি?

    পরিসংখ্যান বলছে, শেষবারের মতো মাধ্যমিকের পাশের হার কমেছিল ছয় বছর আগে ২০১৭ সালে। ২০২২ সালের মাধ্যমিকের পাশের হার ছিল ৮৬.৬০ শতাংশ, এ বছরে তা কমেছে ০.৪৫ শতাংশ। দেখা যাচ্ছে মোট ৬ লক্ষ ৮২ হাজার ৩২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছেন ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার ৪২৮ জন। অকৃতকার্য হওয়া ছাত্র ছাত্রীদের নতুন করে পড়াশোনা করতে বলেছেন পর্ষদ সভাপতি কিন্তু এই বিপুল সংখ্যায় ফেল করার কারণ তিনি স্পষ্ট ভাষায় ব্যাখ্যা করতে পারেননি। তাঁর মতে, ‘‘হয়তো পরীক্ষার দিন সেই পরীক্ষার্থীর কোন সমস্যা হয়েছে! বিষয়টি এক এক পরীক্ষার্থীর ক্ষেত্রে এক এক রকম! এটিকে এমন ভাবে বিশ্লেষণ করা যায় না।’’ বিশেষজ্ঞ মহল অবশ্য এ বিষয়ে রাজ্যের সরকারি শিক্ষার ব্যবস্থার বেহাল দশাকেই দায়ী করছেন। 

    রাজ্যের স্কুল শিক্ষা থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন অভিভাবকরা!

    সাধারণ ভাবে প্রতি বছরের পরীক্ষার্থী সংখ্যার হেরফের খুব একটা হয়না। তবে চলতি বছরের মাধ্যমিকে (Madhyamik Results 2023) গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ৪ লক্ষ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ‘‘রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি আস্থা হারাচ্ছেন অভিভাবকরা। তাই বিপুল সংখ্যায় পরীক্ষার্থী কমতে দেখা যাচ্ছে।’’ তাঁদের আশঙ্কা, আগামী বছরগুলিতে এই সংখ্যা আরও কমবে। অভিভাবক মহলের একাংশের মতে, ‘‘রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার মান যথেষ্ট পড়ে গেছে। তাই বেশিরভাগ জনেরই এখন পছন্দ কেন্দ্রীয় বোর্ডগুলি। ভিড় দেখা যাচ্ছে সিবিএসই, আইসিএসই বোর্ডগুলোতে।’’ এবিষয়ে অভিভাবকদের একাংশের মতামতেই পরোক্ষভাবে সিলমোহর দিতে দেখা গিয়েছে রাজ্য সরকারকে। মাস কয়েক আগে রাজ্য সরকার প্রকাশিত এক রিপোর্টে দেখা গেছিল রাজ্যে বন্ধ হতে চলেছে ৮ হাজারেরও বেশি স্কুল। যারমধ্যে প্রাথমিক স্কুলের সংখ্যাই সর্বাধিক ছিল। তবে হাইস্কুলও ছিল ওই তালিকায়। মূলত ছাত্রের অভাবকেই তখন এর মূল কারণ বলেছিল রাজ্য সরকার। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, ‘‘কেন রাজ্য সরকারের শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে অভিভাবকরা মুখ ফেরাচ্ছেন তার কারণ অনুসন্ধান করা দরকার।’’ নিয়োগ দুর্নীতিও এর একটা বড় কারণ বলে মনে করছেন  অভিজ্ঞ মহলের একাংশ। যেভাবে অযোগ্য শিক্ষকরা স্কুলে চাকরিতে ঢুকছেন তাদের হাতে ছাত্রদের দিতে চাইছেন না অনেক অভিভাবক, এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের। অন্যদিকে, জেলাভিত্তিক পাশের হারে দেখা যাচ্ছে সব থেকে এগিয়ে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর যেখানে ৯৬.৮১ শতাংশ পাশ করেছে, সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে জলপাইগুড়ি যেখানে পাশ করেছে ৬৭.৭৩ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Result 2023: ১৯ মে প্রকাশিত হবে মাধ্যমিকের ফল, ঘোষণা পর্ষদের

    Madhyamik Result 2023: ১৯ মে প্রকাশিত হবে মাধ্যমিকের ফল, ঘোষণা পর্ষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯ মে প্রকাশিত হতে চলেছে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল (Madhyamik Result 2023)। এমনটাই জানালেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। ১৯ মে সকাল ১০ টা থেকে ফল ঘোষণা শুরু হবে। প্রথমে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সাংবাদিক বৈঠক করবে, সেখানে ঘোষণা করা হবে মেধাতালিকার প্রথম ১০ স্থানাধিকারীর নাম। তারপরেই ফলাফল ঘোষণা শুরু হবে স্কুলগুলিতে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষা(Madhyamik Result 2023) শুরু হয়েছিল ২৩ ফেব্রুয়ারি এবং শেষ হয়েছিল ৪ মার্চ। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ আগেই জানিয়েছিল যে মে মাসে ফল প্রকাশ করা হবে সেইমতো ১৯ মে এই ফল প্রকাশিত হতে চলেছে। শোনা যাচ্ছে, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে মে মাসের শেষের দিকেই প্রকাশিত হতে পারে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলও।

    চলতি বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে

    চলতি বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে ৬ লক্ষ ৯৮ হাজার ৬২৮ জন, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবারে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৪ লক্ষ কম। এই বিপুল পরিমাণে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় অনেকে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান বেহাল অবস্থাকেই দায়ী করছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বেশিরভাগ অভিভাবকই রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলি থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন এবং তাঁদের সন্তানদের যেকোনও কেন্দ্রীয় বোর্ডের স্কুলে ভর্তি করাতে চাইছেন। প্রশ্ন ফাঁসের দিক থেকেও এ বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা বিতর্কের মধ্যে থেকেছে। মাধ্যমিকের দ্বিতীয় দিনে ইংরেজি পরীক্ষা শুরুর পর, প্রশ্নপত্রের তিনটি পাতার ছবি সঙ্গে সঙ্গে ট্যুইট করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাটের সাংসদ তখন দাবি করেন, যে প্রশ্নপত্র এভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। অঙ্ক পরীক্ষার দিনে গ্রাফ পরীক্ষার্থীদের গ্রাফ করতে হয়। কিন্তু মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্রে থাকা সত্ত্বেও কোন গ্রাফ পেপারই পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ করে পরীক্ষার্থীরা। এর ফলে পর্ষদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে পর্ষদ বলে যে পরীক্ষার খাতাতেই ছক এঁকে করতে হবে গ্রাফ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্টে ক্ষমা চাইলেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সচিব, কেন জানেন?

    Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্টে ক্ষমা চাইলেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সচিব, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতে ভুল তথ্য দিয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সচিব সুব্রত ঘোষ। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) হাজিরা দেন তিনি। ভুল তথ্য দেওয়ার জন্য দায়ী করেন দফতরের চার কর্মীকে। পর্ষদকে ভুল শুধরে দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশও দেয় আদালত।

    পর্ষদকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ

    বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নির্দেশ, ২২ জানুয়ারির মধ্যে কার্যকর করতে হবে আদালতের নির্দেশ। কোথায় গাফিলতি ছিল, তা রিপোর্ট দিয়ে জানাতে হবে পর্ষদকে। গাফিলতির প্রেক্ষিতে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, জানাতে হবে তাও। রাজ্য শিক্ষা দফতর, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও এসএসসিকে শূন্যপদ নিয়ে বৈঠকে বসার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি বসু। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাঁকুড়া শালতোড়া গার্লস স্কুলে চাকরির সুপারিশ পান জনৈক উমা প্রামাণিক। অভিযোগ, দু’বছর (Calcutta High Court) পরেও তাঁকে চাকরি দেয়নি মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

    কীভাবে ঘুরল মামলার মোড়?

    হাইকোর্টে মামলা দায়ের হলে পর্ষদ জানায়, সুপারিশপত্র দেয়নি এসএসসি। তাই চাকরি দেওয়া যায়নি। পরে এসএসসি উমাকে সুপারিশপত্র দিয়েছে, এমন প্রমাণ তুলে ধরতেই ঘুরে যায় মামলার মোড়। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, পর্ষদ অসত্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। পর্ষদের গাফিলতির জেরেই দু’বছর পরেও চাকরি পাননি মামলাকারী। এর পরেই পর্ষদের ভূমিকায় ক্ষোভপ্রকাশ করে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সচিবকে তলব করেন বিচারপতি। আদালত কেন তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে না, তার কারণ দর্শানোর নির্দেশও দেন বিচারপতি।

    আরও পড়ুুন: ‘অকাল দীপাবলি’ পালনের আবেদন জানালেন শুভেন্দু

    এদিন আদালতে হাজিরা দিয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে সুব্রত বলেন, “ভুল ছিল পর্ষদেরই। দফতরের চার কর্মীর উদাসীনতার কারণেই ওই ভুল হয়েছে। এঁরা হলেন, পর্ষদের সহকারী সচিব, পর্ষদ সভাপতির পিএ এবং চুক্তিভিক্তিক দুই গ্রুপ সি কর্মী।” বিচারপতি বসু জানান, একজন যোগ্য প্রার্থীকে এতদিন চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এর জন্য যাঁরাই দায়ী, তাঁদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। ওই চারজনের বিরুদ্ধে পর্ষদ সচিব কী পদক্ষেপ করেছেন, পরবর্তী শুনানিতে তা জানাতে হবে আদালতে (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Recruitment Scam Case: ইডির তালিকায় রয়েছেন, নেই পর্ষদের তথ্যে! দুই প্রাথমিক শিক্ষক কোথায়? অবাক আদালত

    Recruitment Scam Case: ইডির তালিকায় রয়েছেন, নেই পর্ষদের তথ্যে! দুই প্রাথমিক শিক্ষক কোথায়? অবাক আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির তালিকায় তাঁদের নাম রয়েছে। কিন্তু পর্ষদের খতিয়ানে তাঁরা উধাও। এমন ঘটনায় বিস্মিত বিচারপতিও। দুই প্রাথমিক শিক্ষক (Recruitment Scam Case) কোথায় গেলেন? তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। আসলে, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং ইডি’কে দুর্নীতিগ্রস্ত শিক্ষকদের তালিকা আদলতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই মতো তালিকা জমা দিয়েছে ইডি। যেখানে দুই শিক্ষকের নাম রয়েছে, যাঁদের পদবী ‘রজক ও ‘শেখ’। এই দুই অভিযুক্ত শিক্ষক ২০২০ সালে বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছিলেন বলে দাবি ইডির। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের দেওয়া হলফনামায় ওই দুই শিক্ষকের কোনও উল্লেখই নেই। 

    জেনে বুঝেই নামগুলি বাদ!

    অবৈধভাবে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করেছে ইডি এবং সিবিআই। যা পরে আদালতের নির্দেশে পর্ষদকে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। তার ভিত্তিতেই আদালতে হলফনামা জমা দিয়েছে পর্ষদ। এখন প্রশ্ন উঠছে, ইডির তালিকায় ‘রজক’ ও ‘শেখ’ পদবীধারী দুই শিক্ষককে ভুয়ো হিসেবে চিহ্নত করা হলেও, তা পর্ষদের হলফনামায় উল্লেখ নেই কেন? তাহলে কি জেনে বুঝেই নামগুলি বাদ দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। 

    ইডির তালিকা নিয়ে পর্ষদের জবাব

    ইডির তালিকায় বেআইনিভাবে চাকরি পাওয়া প্রায় ২২০৭ জনের নাম রয়েছে। তার মধ্যে ২০১৬-১৭’তে নিয়োগপত্র পেয়েছিলেন ১৮০৪ জন। আর ২৫০ জনের চাকরি হয়েছিল ২০২০ সালে। শুধু তাই নয়, আরও ৬৩ জনের নাম পাওয়া গিয়েছে, যা ২০২৬-১৭ সালেই বিশেষ প্যানেল গঠন করে নেওয়া হয়েছিল। যা ইডির পক্ষ থেকে অবগত করা হয়েছিল পর্ষদকেও। তবে মজার ব্যাপার হল, পর্ষদ দাবি করছে ২০২০ সালে নিযুক্ত ২৫০জন শিক্ষকের মধ্যে দু’জন ছাড়া ২৪৮ জনের নিয়োগ বৈধ। এমনকী পর্ষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১৮৯৪ ও ৬৩ জন টেট পাশ করেছিল। 

    সিবিআই-এর তালিকায় ধাক্কা

    সূত্রের খবর, ইডির তালিকা নিয়ে প্রত্যুত্তর দিলেও সিবিআইয়ের দেওয়া তালিকায় এসে কিছুটা হোঁচট খেয়েছে পর্ষদ। সিবিআই তাদের তালিকায় টেট পাশ না করা ৯৬ জন এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ (ডিইএলএড) ডিগ্রি না থাকা ৪৬ জনের নাম দিয়েছিল। ৯৬ জনের মধ্যে ৪ জন এমন আছেন যাঁরা সরাসরি টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন বলে অভিযোগ। পৃথক ভাবে ২৫ জনের নাম দেওয়া হয়েছে যাঁদের সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত তাপস মণ্ডল কিংবা কুন্তল ঘোষের দু’জন দালালের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। পর্ষদ জানিয়েছে, ওই ৯৬ জনকে তাঁদের নথি যাচাইয়ের জন্য তলব করা হয়েছে। অন্য ৪৬ জনকেও একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘কে একটা ভাইপো আছে তাঁর চারতলা বাড়ি’’! কোভিড মামলায় মন্তব্য বিচারপতির

    এই হলফনামার পরিপ্রেক্ষিতে মামলাকারী চাকরিপ্রার্থী সৌমেন নন্দীর আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের বক্তব্য, ‘‘নিয়োগের অনিয়ম নিয়ে বার বার বলা হয়েছে। এত দিন পুরোপুরি অস্বীকার করলেও এ বার অন্তত নথি যাচাইয়ে ডাকতে বাধ্য হয়েছে পর্ষদ। পুরো তদন্ত হলে আরও অনেক কিছুই বেরোতে পারে।’’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Results 2023: প্রকাশিত মাধ্যমিকের ফল! পাশের হার ৮৬ শতাংশ, প্রথম কাটোয়ার দেবদত্তা মাঝি

    Madhyamik Results 2023: প্রকাশিত মাধ্যমিকের ফল! পাশের হার ৮৬ শতাংশ, প্রথম কাটোয়ার দেবদত্তা মাঝি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল ২০২৩ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল (Madhyamik Results 2023)। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৭৫ দিনের মাথায় ফল প্রকাশ করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। এবার মাধ্যমিকে পাশের হার ৮৬ শতাংশ। 

    মাধ্যমিকে প্রথম কাটোয়ার দেবদত্তা

    এদিন সকাল ১০টায় সাংবাদিক সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা (Madhyamik Results 2023) করে পর্ষদ। সেখানে বলা হয়েছে— এবার মাধ্যমিকে প্রথম দেবদত্তা মাঝি। দেবদত্তা কাটোয়া দুর্গাদাসী চৌধুরানী হাই স্কুলের ছাত্রী। সে পেয়েছে ৬৯৭ নম্বর। যুগ্ম দ্বিতীয় বর্ধমানের শুভম পাল এবং মালদার রিফাত হাসান সরকার। ১৬ জেলা থেকে প্রথম দশে রয়েছেন ১১৮ জন। মালদা থেকে সব থেকে বেশি সংখ্যক পড়ুয়া মেধাতালিকায় আছেন। জেলাভিত্তিক পাশের হারের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর। দ্বিতীয় স্থানে কালিম্পং। তৃতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। পশ্চিম মেদিনীপুর রয়েছে চতুর্থ স্থানে। অন্যদিকে, এ বছরের  মাধ্যমিকে ফেল করেছে ১ লক্ষের বেশি পরীক্ষার্থী।

    এবছর ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ থেকে ৪ মার্চ ২০২৩ পর্যন্ত মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৬ লক্ষ ৯৮ হাজার ৬২৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছিল। এর মধ্যে ২ লক্ষ ৯০ হাজার ১৭২ জন ছেলে ও ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার ২১ জন মেয়ে পরীক্ষার্থী। মোট ২ হাজার ৮৬৭টি সেন্টারে পরীক্ষা নেওয়া হয়। পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে, আজ দুপুর ১২টা থেকে ওয়েবসাইটে মাধ্যমিক পরীক্ষার রেজাল্ট (Madhyamik Results 2023) দেখতে পারবে পরীক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে আজ দুপুর থেকেই পর্ষদের ক্যাম্প অফিস থেকে স্কুলগুলিকে মাধ্যমিকের মার্কশিট ও সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: আইসিএসইতে দেশে প্রথম স্থানাধিকারী ৯ জনের মধ্যে বাংলার সম্বিত মুখোপাধ্যায়

    কী করে ওয়েবসাইটে ফল জানতে পারবে পরীক্ষার্থীরা

    পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট wbbse.wb.gov.in এবং wbresults.nic.in থেকে মাধ্যমিকের ফলাফল (Madhyamik Results 2023) দেখা যাবে। পর্ষদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট wbbse.wb.gov.in বা wbresults.nic.in-এ গিয়ে ‘West Bengal Board of Secondary Exam Results 2023’ লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে পড়ুয়াদের। এরপর একটি নতুন পেজ খুলে যাবে। সেখানে যথা স্থানে রোল নম্বর, জন্মতারিখ এবং ক্যাপচা দিয়ে ‘সাবমিট’ করতে হবে। এরপরই মাধ্যমিক পরীক্ষার রেজাল্ট ফুটে উঠবে স্ক্রিনে।

    এদিনই, আগামী বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে দেয় পর্ষদ। জানানো হয়েছে, আগামী বছর ২ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষা চলবে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১১টা ৪৫ থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। ২০২৪ মাধ্যমিকের সূচি এইরকম— ২ ফেব্রুয়ারি প্রথম ভাষা, ৩ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ভাষা, ৫ ফেব্রুয়ারি ইতিহাস, ৬ ফেব্রুয়ারি ভূগোল, ৮ ফেব্রুয়ারি গণিত, ৯ ফেব্রুয়ারি জীবনবিজ্ঞান, ১০ ফেব্রুয়ারি ভৌতবিজ্ঞান, ১২ ফেব্রুয়ারি ঐচ্ছিক বিষয়। ফিজিকাল এডুকেশন অ্যান্ড সোশ্যাল সার্ভিস ও ওয়ার্ক এডুকেশনের পরীক্ষার দিন পরে ঘোষণা করবে পর্ষদ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Result: মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ আগামী সপ্তাহেই? ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর

    Madhyamik Result: মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ আগামী সপ্তাহেই? ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ (Madhyamik Result) কবে হবে তা জানিয়ে দিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। মঙ্গলবার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে রবীন্দ্রজয়ন্তী অনুষ্ঠানের ফাঁকে তিনি জানান, আগামী দশ দিনের মধ্যেই ফলপ্রকাশ হবে। পর্ষদ সূত্রে খবর, ফলপ্রকাশের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

    ২ মাসের একটু বেশি সময় পরই ফলপ্রকাশ

    সব কিছু ঠিকঠাক চললে আগামী সপ্তাহেই ফল প্রকাশিত (Madhyamik Result) হবে বলে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সূত্রে দাবি। দু’এক দিনের মধ্যেই পর্ষদ এই সংক্রান্ত নির্দেশিকাও প্রকাশ করে দেবে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সূত্রে খবর, ফল প্রকাশের শেষ মুহূর্তের কিছু কাজ চলছে।  দু-একদিনের মধ্যেই ফলের দিনক্ষণের বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছিল এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা। শেষ হয়েছিল ৪ মার্চ। এবারের পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজে যুক্ত রয়েছেন ১১৫৩ জন প্রধান পরীক্ষক এবং প্রায় ৪১ হাজার পরীক্ষক। পর্ষদ সূত্রে যে খবর পাওয়া যাচ্ছে, পরীক্ষা শেষের আড়াই মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ হতে চলেছে। এর আগে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, মে মাসেই মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ হবে। 

    আরও পড়ুন: “মমতা কি আইএস-এর প্রতি সহানুভূতিশীল?”, ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছিল, মাধ্যমিক পরীক্ষার পর উত্তরপত্র মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় খাতা দেখা, নম্বর দেওয়া থেকে শুরু করে যাচাই পদ্ধতি অর্থাৎ ফলপ্রকাশের (Madhyamik Result) আগে পর্যন্ত মোট ৫টি ধাপ পেরোতে হয় পর্ষদকে। ভুল-ভ্রান্তি এড়াতে ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে শেষের দুই ধাপ এবার অনলাইনে করা হয়েছে। যার ফলে এবারের পরীক্ষার ফল অন্যান্য বারের তুলনায় অন্তত দু’সপ্তাহ আগে প্রকাশ হতে চলেছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে যদি ফলপ্রকাশ হয়, সেক্ষেত্রে ২ মাসের একটু বেশি সময় পরই এই ফল বের হতে চলেছে। মনে করা হচ্ছে, মে মাসের শেষের দিকেই উচ্চ মাধ্যমিকেরও ফলপ্রকাশ হতে চলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নিজেদের হাইকোর্ট ভাবে!  তোপ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    SSC Scam: মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নিজেদের হাইকোর্ট ভাবে! তোপ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নিজেদেরকে হাইকোর্ট মনে করে না কি? নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় প্রশ্ন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন তিনি। পর্ষদের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে পর্ষদ সভাপতি রামানুজ বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলবও করেন বিচারপতি। যদিও পরে সেই নির্দেশ প্রত্যাহার করেন তিনি।

    কী হয়েছিল

    বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায় আগেই নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, ২৮ অক্টোবরের মধ্যে প্রিয়াঙ্কা সাউ, নামে আদালতে আবেদনকারী এক চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগপত্র দিতে হবে। কিন্তু তা হয়নি। তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয় ১৪ নভেম্বর। মঙ্গলবার বিচারপতিকে সেকথা জানান প্রিয়াঙ্কার আইনজীবী। এর পরই মধ্যশিক্ষা পর্ষদের উদ্দেশে তীব্র ভর্ৎসনা করে বিচারপতি বলেন, কেন ২৮ অক্টোবরের মধ্যে প্রিয়াঙ্কাকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি? এদিন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কাছে তা জানতে চান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায়। তিনি বলেন, ‘যদি সময়ে চাকরি না দিতে পারে, তা হলে আদালতে এসে জানানো উচিত ছিল। কেন পর্ষদ নিয়োগপত্র দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন করেনি আদালতে?’ এ প্রসঙ্গে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতিকে এজলাসে তলবও করেন তিনি। পরে পর্ষদের তরফে জানানো হয় যে, ২৮ অক্টোবর এসএসসি নিযোগ সুপারিশপত্রের হার্ড কপি হাতে পায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। তাই ২৮ অক্টোবর প্রিয়াঙ্কা সাউকে নিয়োগপত্র দেওয়া যায়নি। একথা জানার পর মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতির হাজিরার নির্দেশ প্রত্যাহার করে নেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: জামিন হল না পার্থ-সুবীরেশ সহ ধৃত ৭ জনের! এসএসসি কাণ্ডে ফের জেল হেফাজতের নির্দেশ

    প্রিয়াঙ্কার অভিযোগ

    প্রিয়াঙ্কা সাউয়ের অভিযোগ ছিল, তার থেকে কম নম্বর প্রাপ্তরা নিয়োগ পেলেও তিনি পাননি। পর্ষদের দফতরে অভিযোগ জানাতে গেলে কর্ণপাত করেননি কোনও আধিকারিক। তাই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন প্রিয়াঙ্কা। আদালতের তরফে এদিন বিচারপতি পর্ষদের কাজে উষ্মা প্রকাশ করে বলেন, ‘রাজ্যের একাধিক শিক্ষা সংক্রান্ত অফিসার জেলে। তারপরেও এই বোর্ডের দৃষ্টিভঙ্গি, আচরণ পরীক্ষার্থী বিরোধী। বোর্ডের বহু কর্তা ছাত্রবিরোধী কাজ করছেন। যা কখনওই কাম্য নয়’।

    সিটের প্রধানকে তলব

    নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের সিটের প্রধানকেও তলব করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আজ দুপুর ২টোয় সিটের প্রধানকে তলব করেছেন তিনি। ‘ভুয়ো নিয়োগের প্রকৃত সংখ্যা কত?’ সিবিআইয়ের কাছে জানতে চাইলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share