Tag: weapons

weapons

  • Amit Shah: ‘‘কলকাতাকে বস্তি বানিয়েছেন মমতা! অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল গড়েছে তৃণমূল’’, তোপ অমিত শাহের

    Amit Shah: ‘‘কলকাতাকে বস্তি বানিয়েছেন মমতা! অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল গড়েছে তৃণমূল’’, তোপ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রচার চলাকালীন কলকাতার বর্তমান অবস্থা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মহানগররের পরিকাঠামোগত অবনতি এবং বস্তি এলাকার সমস্যা তুলে ধরে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করেন। সেই সঙ্গে দিলেন বিজেপি সরকার হলেই ১ লক্ষ বেকারের চাকরি নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি।

    গত ১৫ বছরে তৃণমূলের মা মাটি সরকার নারী সুরক্ষা থেকে শিক্ষক দুর্নীতির একাধিক ইস্যুতে জনগণের চরম বিক্ষোভের মধ্যে পড়েছে। নির্বাচন আবহে বিজেপির মমতা সরকারের একাধিক অনুন্নয়ন, দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, বালি-কয়লা-মাটি-পাথর পাচার, রেশন দুর্নীতি, মিডডে মিল দুর্নীতি, আম্ফানে দুর্নীতি, আবাস-একাশদিনের কাজে দুর্নীতি-সহ একাধিক ঘটনা ব্যাপক ভাবে শাসকদলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। একই ভাবে ২৬ হাজার শিক্ষকদের চাকরি বাতিল, কাটমানি, সিন্ডিকেট, আরজিকর ধর্ষণকাণ্ড, সন্দেশখালিতে শাহজাহানের নারী নির্যাতনের বিষয় জনমানুষের মনে ক্ষোভ চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। তাই রাজনৈতিক ভাবে এই সব বিষয়কে হাতিয়ার করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট যুদ্ধে নেমেছে বিজেপি। রাজ্যে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেছেন প্রবীণ বিজেপি নেতা অমিত শাহ।

    পরিকল্পনার অভাবে শহরটি ক্রমশ শ্রীহীন কলকাতা (Amit Shah)

    জনসভায় ভাষণ (West Bengal Elections 2026) দেওয়ার সময় অমিত শাহ (Amit Shah) মন্তব্য করেন যে, এক সময়ের ‘প্রাসাদ নগরী’ বা ‘সিটি অফ প্যালেসেস’ হিসেবে পরিচিত কলকাতা বর্তমান শাসনামলে অবহেলার শিকার। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে তোপ দেগে বলেন, “সঠিক পরিকল্পনার অভাবে শহরটি ক্রমশ শ্রীহীন হয়ে পড়ছে, দীর্ঘ বাম শাসন এবং বর্তমানে তৃণমূলের রাজত্বে কলকাতা ‘বস্তির শহর’-এ পরিণত হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভোটব্যাঙ্ক সুরক্ষিত রাখতে এই বস্তিগুলিতেই অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছেন।”

    হারানো গৌরবকে পুনরুদ্ধারের লড়াই

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, গত দেড় দশকে কলকাতায় নতুন কোনও উল্লেখযোগ্য পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। বরং ক্রমবর্ধমান বস্তি এলাকা এবং নাগরিক পরিষেবার অভাব শহরবাসীকে চরম দুর্ভোগে ফেলেছে। নাগরিক জীবন যাপনের বেহাল দশা নিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “এই ভোট শুধু বিধায়ক বানানোর ভোট নয়, এটি কলকাতার হারানো গৌরবকে পুনরুদ্ধারের লড়াই। বিজেপি প্রার্থীদের জেতাতে বা বিজেপি সরকার গড়তে আপনাদের ভোট দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনারা ভোট দিন (West Bengal Elections 2026) পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য। ভোট দিন কলকাতাকে আবার শ্রেষ্ঠ শহর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য।”

    তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতার স্মারক

    নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) আবহে কলকাতার এই পরিস্থিতিকে তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতার স্মারক হিসেবে তুলে ধরেন  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বস্তিগুলিতে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দিয়ে নিজের ভোটব্যাঙ্ক তৈরি করতে চান। তিনি চান না সাধারণ মানুষ উন্নত জীবনযাপন করুক। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলো সঠিক ভাবে রূপায়ণ না হওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে আর তাঁর আগে কমিউনিস্টদের আমলে গোটা শহরটা বস্তির শহর হয়ে রয়ে গিয়েছে। দেশের অন্যান্য রাজ্যে এমন অনেক শহর আছে যেগুলি আজ বস্তিমুক্ত হয়ে উঠেছে। কিন্তু দিদি তার প্রয়োজন মনে করেন না।”

    চারটে বড় শিল্পশহর বানাব

    এদিনের সভায় অমিত শাহ (Amit Shah) রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের ডাক দিয়ে একাধিক প্রতিশ্রুতির কথাও বলেছেন। ভোটাররা যাতে সম্পূর্ণ ভাবে নিজেদের ভোট গ্রহণ করতে পারেন তাই মানুষের আত্ম বিশ্বাস অর্জনে জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, “বিজেপির সরকার গঠিত হওয়ার পরে চারটে বড় শিল্পশহর বানাবো। যে সব প্রতিষ্ঠান মমতার সিন্ডিকেটের জন্য বাইরে চলে গিয়েছে, সেই সব প্রতিষ্ঠানকে আবার পশ্চিমবঙ্গে চালু করবে বিজেপি সরকার।”

    ১ লক্ষ চাকরি দেওয়া হবে

    তিনি নির্বাচনী প্রচারে (West Bengal Elections 2026) আরও বলেন, “তরুণদের প্রতি বছর ১ লক্ষ চাকরি দেওয়া হবে। বাড়ি বসে নিয়োগপত্র পাবেন, এমন ভাবে কাজ করবে বিজেপি।বিজেপি যেখানে যেখানে ক্ষমতায় এসেছে মহিলাদের সুরক্ষার কথা ভেবেছে। আপনারা বিজেপির সরকার গড়ে দিন, প্রত্যেক দিদির অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা পাঠাবো আমরা। ৪ মে সকালেই সব স্পষ্ট হয়ে যাবে। ৮টায় ব্যালট বক্স খোলা হবে, ৯টায় প্রথম রাউন্ডের ফল আসবে, ১০টায় দ্বিতীয় রাউন্ড এবং ১টার মধ্যেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তারপরই হবে-দিদি টাটা, গুড বাই!”

    বিজেপির প্রতিশ্রুতি

    অমিত শাহ (Amit Shah) প্রতিশ্রুতি দেন যে, রাজ্যে ক্ষমতার (West Bengal Elections 2026) পরিবর্তন হলে কলকাতাকে পুনরায় আধুনিক ও বিশ্বমানের মেগাসিটিতে রূপান্তর করা হবে। নির্বাচনের তপ্ত আবহে কলকাতার নগরায়ন এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধাকে হাতিয়ার করে রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন অমিত শাহ। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে শহরের মান অবনমন এবং বেকারত্ব প্রসঙ্গে সাধারণ জনতার মন জয় করেছেন বলে মনে করছেন রাজনীতির এক শ্রেণির বিশেষজ্ঞরা। এখন ভোটের বাক্সে কতটা প্রতিফলিত হয় তাই দেখার।

  • Chhattisgarh: মাওদমনে ফের সাফল্য ছত্তিশগড় পুলিশের, কুখ্যাত কমান্ডার দর্সু সোরির আত্মসমর্পণ, মাথার দাম ছিল ৮ লক্ষ

    Chhattisgarh: মাওদমনে ফের সাফল্য ছত্তিশগড় পুলিশের, কুখ্যাত কমান্ডার দর্সু সোরির আত্মসমর্পণ, মাথার দাম ছিল ৮ লক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) নকশাল দমন অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল রাজ্যের নিরাপত্তা বাহিনী। রাজ্য পুলিশের কাছে অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করলেন ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ মাওবাদী কমান্ডার দর্সু সোরি। দর্সুর (Maoist Commander Darsu Sori) মাথার ওপর ৮ লক্ষ টাকার পুরস্কার মূল্য ঘোষণা করা ছিল। সরকারের ‘পুনর্বাসন নীতি’ এবং মাওবাদী আদর্শের অন্তঃসারশূন্যতায় বীতশ্রদ্ধ হয়েই তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার (Chhattisgarh)

    দীর্ঘদিন ধরে দণ্ডকারণ্য ও সংলগ্ন এলাকায় মাওবাদী কার্যকলাপের অন্যতম নিয়ন্ত্রক ছিলেন এই দর্সু সোরি। বুধবার তিনি পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের উপস্থিতিতে নিজের অস্ত্র ও বেশ কিছু বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম নিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁর আত্মসমর্পণকে মাওবাদী শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছে প্রশাসন। আত্মসমর্পণের সময় দর্সু সোরি একটি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক সরঞ্জামও পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ সূত্রে খবর, এই গ্যাজেটগুলো থেকে মাওবাদীদের গোপন যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

    একাধিক হত্যা, অপহরণ এবং নাশকতামূলকের কর্ণধার

    দর্সু সোরি (Maoist Commander Darsu Sori) মাওবাদীদের এরিয়া কমিটির সদস্য এবং সামরিক শাখার কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব সামলাতেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা, অপহরণ এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। আত্মসমর্পণ করে দর্সু বলেন, মাওবাদী সংগঠনের ভেতরের বৈষম্য এবং উন্নয়নবিরোধী মানসিকতার কারণে তিনি তিতিবিরক্ত হয়ে উঠেছিলেন। এছাড়া ছত্তিশগড় (Chhattisgarh) সরকারের বিশেষ পুনর্বাসন প্যাকেজ আমাকে মূলস্রোতে ফিরতে উৎসাহিত করেছে।

    আত্মসমর্পণ অত্যন্ত কার্যকর

    বক্সার এবং দান্তেওয়াড়া রেঞ্জের পুলিশ আধিকারিকরা এই কুখ্যাত মাওবাদীর পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। পুলিশ বিবৃতি দিয়ে জানায়, মাওবাদীদের সম্পূর্ণ প্রভাব হ্রাস করতে এই ধরনের আত্মসমর্পণ অত্যন্ত কার্যকর। দর্সু সোরিকে (Maoist Commander Darsu Sori) সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা এবং পুনর্বাসনের সমস্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে। গত কয়েক মাসে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বাস্তার ও দান্তেওয়াড়া অঞ্চলে একের পর এক মাওবাদী নেতার আত্মসমর্পণ ও গ্রেফতারি প্রমাণ করছে যে, সশস্ত্র আন্দোলনের ভিত্তি ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। প্রশাসনের আশা, দর্সুর পথ অনুসরণ করে আরও অনেক বিভ্রান্ত যুবক অস্ত্র ছেড়ে শান্তির পথে ফিরে আসবে।

  • Bangladesh Military: চিনের ওপর গোঁসা, তাই কি ভারতকে তিস্তা প্রকল্পের ভার দিলেন হাসিনা?

    Bangladesh Military: চিনের ওপর গোঁসা, তাই কি ভারতকে তিস্তা প্রকল্পের ভার দিলেন হাসিনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার চিন-প্রীতির খেসারত দিতে হচ্ছে বাংলাদেশের সেনাকে! অভিযোগ, চিন (China) থেকে বাংলাদেশ (Bangladesh Military) যেসব অস্ত্র আমদানি করেছে, তার সিংহভাগই নিম্নমানের। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই কারণে চিন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকার। জানিয়েছেন, তিস্তা প্রকল্পের কাজ করুক ভারতই।

    চিন সফরে হাসিনা (Bangladesh Military)

    সম্প্রতি চিন সফরে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামি লিগ নেত্রী শেখ হাসিনা। চিনের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই মাখো মাখো সম্পর্কটা ভালো চোখে দেখেনি ভারত। প্রকাশ্যে অবশ্য এনিয়ে কোনও অভিমতও ব্যক্ত করেনি নয়াদিল্লি। চিন থেকে ফিরেই হাসিনা জানিয়েছেন, তিস্তা প্রকল্প করুক ভারত। যদিও এই প্রকল্প গড়তে দীর্ঘদিন ধরে আগ্রহ দেখাচ্ছে ড্রাগনের দেশ। তিস্তার উৎপত্তি ভারতে হলেও, বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে গিয়েছে সেটি। এই নদীর জল ভারত এবং বাংলাদেশ – দুই দেশের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। তিস্তায় জলাধার নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার (Bangladesh Military)। সেই প্রকল্পই গড়তে দড়ি টানাটানি চলছিল চিন ও ভারতের মধ্যে। শেষমেশ প্রকল্পটি গড়তে ভারতের ওপরই ভরসা করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

    নিম্নমানের সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ!

    কারণ কী? জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই চিন থেকে সামরিক সরঞ্জাম কিনে আসছে বাংলাদেশ। অভিযোগ, সেই সব সরঞ্জামেই রয়েছে ‘গলতি’। বিষয়টি বেজিংকে জানানো হয়েছে বাংলাদেশের তরফেও। কেবল বাংলাদেশ নয়, চিনা সামরিক হার্ডওয়্যার কেনে মায়ানমারও। তারাও সম্মুখীন হয়েছে সামরিক সরঞ্জামের গলতির। চিনা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম যারা তৈরি করে, তাদের বক্তব্য, হাইলি সোফিসটিকেটেড মিলিটারি হার্ডওয়্যার তৈরি করার মতো দক্ষতা বেজিংয়ের নেই। তাই বেচতে হচ্ছে গলতি সামরিক সরঞ্জামই। অভিজ্ঞ মহলের মতে, চিনের এই ‘প্রতারণা’টাই মেনে নিতে পারছে না বাংলাদেশ। তাই বেজিংয়ের ওপর বেজায় খাপ্পা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। নিম্নমানের সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে কমিউনিস্ট-শাসিত দেশটি তাঁদের ঠকিয়েছে বলে মনে করেন হাসিনা। সেই কারণেই তিস্তা প্রকল্পের ভার চিনকে না দিয়ে ভারতকে দিতে চেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: “অসমে দ্রুত বাড়ছে মুসলমান, জীবন-মরণের সমস্যা”, বললেন হিমন্ত

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমের দেশগুলির তুলনায় সস্তায় মেলে চিনা সামরিক সরঞ্জাম। তাই উন্নয়নশীল দেশগুলির অনেকেই কেনে সস্তার চিনা সরঞ্জাম। তবে সেই সস্তার জিনিসেই যে এত গলদ থাকবে, তা বোধহয় প্রথমে বুঝতে পারেনি হাসিনা সরকার। যখন বুঝল, তখন অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হাসিনা বেশ (China) বুঝেছেন নরেন্দ্র মোদির ভারতই বাংলাদেশের (Bangladesh Military) সব চেয়ে বেশি ভরসার জায়গা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: দেবী দুর্গার দশ হাতে দশ অস্ত্রের মাহাত্ম্য কী? জেনে নিন বিস্তারিত

    Durga Puja 2023: দেবী দুর্গার দশ হাতে দশ অস্ত্রের মাহাত্ম্য কী? জেনে নিন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেবী দশভূজা দুর্গা মায়ের পুজো (Durga Puja 2023) আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। মৃৎশিল্পীদের কাজের ব্যস্ততা তুঙ্গে। আকাশে বাতাসে বইতে শুরু করেছে আগমনীর বার্তা। কিন্তু মা দশভূজার দশ হাতে অসুর বধের জন্য যে অস্ত্র দেওয়া হয়, তার তাৎপর্য কী? অস্ত্রের বাহ্যিক এবং অন্তর্নিহিত মাহাত্ম্য কী? অশুভ শক্তিকে জয় করে, শুভ শক্তির জাগরণে এই অস্ত্রের গুরুত্ব কেমন? আসুন জানি এই অস্ত্রের উৎস এবং গুরুত্ব।

    ১. ত্রিশূল

    পুরাণে কথিত রয়েছে যে মহাদেব নিজে ত্রিশূল দিয়েছিলেন। এই ত্রিশূলের তিন মাথায় তিন রকম গুণ রয়েছে। সত্ত্ব, রজঃ এবং তমঃ। দেবী দুর্গা এই ত্রিশূল দিয়ে মহিষাসুরকে বধ করেন।

    ২. সুদর্শন চক্র

    দেবী দুর্গার (Durga Puja 2023) হাতে আরেক অস্ত্র হল সুদর্শন চক্র। ভগবান বিষ্ণু ত্রিকালজয়ী মহিষাসুরকে বিনাশ করার জন্য এই চক্র প্রদান করেন। জগতের সকল সৃষ্টি এবং বিনাশের ভার অর্পিত থাকে এই সুদর্শন চক্রের উপর।

    ৩. পদ্ম ফুল

    সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা স্বয়ং নিজে দেবী দুর্গার হাতে পদ্ম ফুল তুলে দেন। এই পদ্ম ফুল হল মহাজ্ঞান বা প্রজ্ঞার প্রতীক। পদ্ম মনের আধ্যাত্মিক ভাব জাগরণে বিশেষ ক্রিয়াশীল থাকে।

    ৪. তীর-ধনুক

    তীর-ধনুক শক্তির গতিময়তাকে বিশেষ গতি দান করে। দেবী দুর্গাকে (Durga Puja 2023) পবনদেব এবং সূর্যদেব উভয়ে মিলে এই অস্ত্র প্রদান করেন। মহাজগতে সকল শক্তির আধার হল দেবী দুর্গা। তাই এই অস্ত্র বিশেষ ভাবে শক্তির আধার।

    ৫. তলোয়ার

    তলোয়ার হল বুদ্ধির প্রতীক। যুদ্ধের ক্ষেত্রে বুদ্ধির তীক্ষ্ণতা অনেক বেশি প্রয়োজন থাকে। দেবী দুর্গাকে এই অস্ত্র দান করেন গণেশ। এই অস্ত্র দিয়ে বিনাশ বা অশুভ শক্তিকে ধ্বংস করা হয়। অসুরদের বিনাশ করে জগত জননী কল্যাণ সাধন করে থাকেন এই অস্ত্রের মাধ্যমে।

    ৬. বজ্র

    দেবরাজ ইন্দ্র স্বয়ং দেবী দুর্গাকে (Durga Puja 2023) এই অস্ত্র প্রদান করেন। মেঘ থেকে বজ্র ঘর্ষণ হলে যেমন শক্তি অর্জন হয়, সেই রকম ভাবে অশুভকে জয় করতে শক্তির উদ্ভব করে বজ্র। মহিষাসুরকে বধ করতে দেবী দুর্গা যখন নানান অস্ত্রে সজ্জিত হচ্ছিলেন, সেই সময় দেবী বজ্র অস্ত্রে সজ্জিত হন। এই বজ্র হল দৃঢ়তা এবং সংহতির প্রতীক। জীবন লক্ষ্যকে অবিচল রাখার জন্য এই অস্ত্রের ব্যবহার করা হয়।

    ৭. বর্শা

    আগ্নিদেব নিজে দেবী দুর্গার হাতে বর্শা প্রদান করেন। সত্য-মিথ্যা নির্ধারণের জন্য বর্শা অস্ত্র কাজ করে থাকে। এই বর্শা প্রজ্বলিত শক্তিকে লক্ষ্যের দিকে নিয়ে যেতে ব্যাপক ক্রিয়াশীল থাকে।

    ৮. সর্প

    নাগ দেবতা শেষনাগ নিজে অসুরকে দমন করতে নাগপাশ দিয়েছেন। মনের ভাবকে শুদ্ধ করতে চেতনার প্রয়োজন হয়, তাই হল সাপ অস্ত্রের প্রতীক। এই চেতনা সর্প দেবতার গুণে সাধকের নিজের সাধনা নিম্নস্তর থেকে উচ্চস্তরের দিকে এগিয়ে যায়।

    ৯. কুঠার

    সমাজের জন্য যা হিতকর নয়, তাকে ধ্বংস করতে কুঠার অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। বিশ্বকর্মা স্বয়ং এই অস্ত্র প্রদান করেন। সকল ভয় ভীতিকে দূর করতে কুঠার অস্ত্রের প্রয়োজন।

    ১০. গদা

    যমরাজ নিজে দেবী দুর্গাকে গদা দান করছেন। এই গদা হল অস্ত্রের প্রতি আনুগত্য এবং রক্ষার প্রতীক। এই গদা হল কালদণ্ডের প্রতীক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • NIA Raid: দেশব্যাপী এনআইএ হানায় প্রকাশ্যে এল দেশী গ্যাংস্টার-পাক জঙ্গি আঁতাত

    NIA Raid: দেশব্যাপী এনআইএ হানায় প্রকাশ্যে এল দেশী গ্যাংস্টার-পাক জঙ্গি আঁতাত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গ্যাংস্টারদের বিরুদ্ধে তল্লাশি অভিযান করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসল। এছাড়াও কিছু অবৈধ অস্ত্র, বেআইনি নথি উদ্ধার করা হয়েছে। গতকালই গ্যাংস্টারদের বিরুদ্ধে বড়সড় তল্লাশি অভিযানে নামে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, চণ্ডীগড় এবং দিল্লি-এনসিআরের ৫০ টিরও বেশি জায়গায় অভিযান চালানোর পর এইসব উদ্ধার করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, গ্যাংস্টার ও সন্ত্রাসবাদীদের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে, এবিষয়েও বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।

    সূত্রে খবর অনুযায়ী, সংস্থাটি পাঞ্জাব এবং হরিয়ানায় ইতিমধ্যেই দুটি এফআইআর করেছে। গ্যাংস্টারদের দৌরাত্ম ও গ্যাংস্টার-সন্ত্রাসী সম্পর্ক ভাঙতে গত আট মাস ধরে  এনআইএ সহ আন্যান্য সরকারি তদন্তকারি সংস্থাগুলি তৎপর হয়ে উঠেছে। স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে এনআইএ-র যৌথ অভিযানে বিপুল অস্ত্র, নথি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্যাংস্টার বীরেন্দ্র প্রতাপ সিং ওরফে কালা রানার যমুনানগরের বাড়ি থেকে ছয়টি অবৈধ অস্ত্র, ৯০টি কার্তুজ এবং ১০টি মোবাইল ফোন সেট উদ্ধার করা হয়েছে। সিধু মুসেওয়ালা (Sidhu Moosewala) হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী গোল্ডি ব্রারের মুক্তসারের বাড়িতেও প্রায় তিন ঘণ্টা তল্লাশি চালানো হয়। এনআইএ দল তার বাড়ি থেকে একটি মোবাইল সিম কার্ড উদ্ধার করেছে। এনআইএ গৌরব পাতিয়াল ওরফে লাকির বাড়ি থেকে কিছু নথিও নিজেদের দখলে নিয়েছে। একইভাবে, কারাগারে থাকা জগ্গু ভগবানপুরিয়ার বাটালার গুরুদাসপুরের বাড়ি থেকে দুটি মোবাইল ফোন সেট এবং কিছু নথি উদ্ধার করা হয়েছে। জেল বন্দী লরেন্স বিষ্ণোইয়ের দুতারনওয়ালী ও আবোহারের বাড়িতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়ে একটি মোবাইল সেট এবং দুটি মোবাইল সিমকার্ড উদ্ধার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। এমনকি এইসব গ্যাংস্টারদের বাড়ি থেকে সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভিআরও নিয়ে গিয়েছে এনআইএ আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন: গ্যাংস্টারদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ, দিল্লি-সহ দেশের ৫০টি জায়গায় তল্লাশি এনআইএ-র

    এই অস্ত্র, নথি ও মোবাইল সেট ছাড়াও এনআইএ-এর আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন যে, পাকিস্তানের আইএসআই গোষ্ঠী পাঞ্জাবে সন্ত্রাসবাদ পুনরুজ্জীবিত করার জন্য গ্যাংস্টার-সন্ত্রাসী সম্পর্ককে কাজে লাগাচ্ছে। তদন্তে আরও জানা গেছে যে পাকিস্তান-ভিত্তিক খালিস্তানি সন্ত্রাসবাদী এবং গ্যাংস্টাররা এখানেই থেমে থাকেনি। তারা অল্প পরিমাণ অর্থের প্রস্তাব দিয়ে বেকার যুবকদের লোভ দেখিয়ে জঙ্গিদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করানোর চেষ্টা করছিল।

    সূত্র অনুযায়ী, গ্যাংস্টার-সন্ত্রাসী, হরবিন্দর সিং রিন্দা, যে বর্তমানে পাকিস্তানে আছে, সে দেশের কিছু গ্যাংস্টার সহ এক হাজারেরও বেশি অপরাধীর সাথে যোগাযোগ করেছে বলে মনে করা হয়। যে গ্যাংস্টাররা তার সংস্পর্শে আছে বলে মনে করা হয় তাদের মধ্যে রয়েছে হরজিন্দর সিং আকাশ, প্রদীপ চানা, জয়পাল ভুল্লর এবং দিলপ্রীত দাহা।

    এদিকে, জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি আসন্ন উৎসবগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে এমন খবর এসেছে, ফলে ভারত-পাক সীমান্ত সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা শাখাও গ্যাংস্টার-সন্ত্রাসী সংযোগের বিষয়ে আলাদাভাবে তদন্ত করছে। পাঞ্জাবের ডিজিপি গৌরব যাদব বলেছেন, “আমরা এই অপরাধীদের কার্যকলাপের উপর নজর রাখছি এবং জেলা পুলিশ প্রধানদের সেই অনুযায়ী নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

     
  • Terror Drones: পাকিস্তানে পাঠানো হচ্ছে ফাঁকা ড্রোন, ভারতে ফিরছে আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক বয়ে!

    Terror Drones: পাকিস্তানে পাঠানো হচ্ছে ফাঁকা ড্রোন, ভারতে ফিরছে আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক বয়ে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (pakistan) পাঠানো হচ্ছে ড্রোন। ফিরছে কখনও মাদক (drug), কখনও বা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ড্রোন (drone) আটক করেছে বিএসএফ (bsf) এবং পাঞ্জাব পুলিশ। ড্রোন থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই নিরাপত্তা বাহিনী জেনেছে, ভারত থেকে পাকিস্তানে ড্রোন পাঠিয়ে কাজ হাসিল করছে দুষ্কৃতীরা।

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সম্প্রতি পাঞ্জাব পুলিশ (punjab police) বেশ কয়েকটি ড্রোন বাজেয়াপ্ত করে। প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে তারা জেনেছে, এই ড্রোনগুলিকেই ব্যবহার করা হয় মাদক কিংবা আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের মাধ্যম হিসেবে। এও জানা গিয়েছে, অধিকাংশ ড্রোনই ওড়ানো হত অমৃতসর এবং তরণ তারণ জেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে।

    অমরনাথ যাত্রায় নাশকতার ছক? অস্ত্রবোঝাই ড্রোন ধ্বংস পুলিশরে

    জানা গিয়েছে, ভারত থেকে পাঠানো ড্রোনে পিস্তল, মাদক এবং গোলাবারুদে ভর্তি করে পাকিস্তানের কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি সেগুলি ভারতে ফেরত পাঠিয়ে দিচ্ছে। ঘটনাটি নজরে পড়ায় পাঞ্জাব পুলিশকে নিয়ে বিএসএফ ওই ড্রোনগুলি বাজেয়াপ্ত করে। তখনই ফাঁস হয় অবৈধ পাচারচক্র। গত মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক বৈঠকে উঠেওছিল বিষয়টি।      

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বিএসএফ একটি ড্রোনকে গুলি করে নামায়। ড্রোনটি পাকিস্তান থেকে উড়ে এসে পাঞ্জাবের অমৃতসরে আসছিল। সেই ড্রোন থেকে মেলে ১০ কেজিরও বেশি হেরোইন। যার বাজারদর প্রায় ৭০ কোটি টাকা। পাঞ্জাব পুলিশের এক আধিকারিক জানান, বাজেয়াপ্ত করা ড্রোনের যাতায়াতের পথ বিশ্লেষণ এবং তদন্ত করে জানা গিয়েছে, সেটি পাঠানো হয়েছিল ভারত থেকে। সেখানেই ড্রোনটিতে ভরা হয়েছিল ১০ কেজি হেরোইন। পরে সেটিকে ফের ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    প্রায় একই রকম একটি ঘটনা ঘটেছিল মার্চের প্রথম সপ্তাহে। ভারত-পাক সীমান্ত লাগোয়া একটি ফার্মের কাছে গুলি করে ড্রোনটি নামায় বিএসএফ এবং পাঞ্জাব পুলিশ। এই ড্রোনটিও ভারত থেকে পাকিস্তানে পাঠানো হয়েছিল। গোলাবারুদ এবং মাদক নিয়ে ভারতে ফিরছিল সেটি।

    আরও পড়ুন : প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান!

    পরপর এই ঘটনার জেরে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ সতর্ক করে দেয় পাঞ্জাব পুলিশকে। পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় কিছু লোক পাকিস্তানের সঙ্গে তলায় তলায় যোগসাজশ রেখে চলছে। তারাই চালাচ্ছে এই চক্র। এর পেছনে বেশ কিছু গ্যাংস্টার এবং পাকিস্তানের মাটিতে ঘাঁটি গেড়ে থাকা সন্ত্রাসবাদী এবং অপরাধীরা রয়েছে। ঘটনায় যোগ রয়েছে দুই দেশেরই স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতীরও। ড্রোনের এই অপব্যবহার ঠেকাতে সক্রিয় বিএসএফও। সীমান্তে অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম (Anti-Drone system) মোতায়েন করা হয়েছে বলে বিএসএফ সূত্রে খবর। এর পাশাপাশি সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর নিরাপত্তারক্ষী। বাড়ানো হয়েছে টহলদারি, বসানো হয়েছে নানা নজরদারি সরঞ্জামও।

    বরাবরই ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে সক্রিয় পাকিস্তান (Pakistan)। অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হওয়ার পথে দেশ। নড়বড়ে প্রশাসন। হাজারো সমস্যা থেকে দেশবাসীর নজর ঘোরাতে ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টির নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে শেহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) দেশ।

     

LinkedIn
Share