Tag: Weather Alert

Weather Alert

  • Weather Update: দিনে অসহ্য তাপপ্রবাহ ও সন্ধ্যায় স্বস্তির বৃষ্টি! কেমন কাটল বুধবার?

    Weather Update: দিনে অসহ্য তাপপ্রবাহ ও সন্ধ্যায় স্বস্তির বৃষ্টি! কেমন কাটল বুধবার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপপ্রবাহে (Heat Wave) জেরবার শহরবাসী। সকাল ৭টা থেকেই গনগনে রোদ। বৃহস্পতিবারেও অস্বস্তিকর (Weather Updat) গরম অব্যাহত। বুধবার রাজ্যের ১৩টি জায়গায় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হয়েছে। সেই তালিকায় আছে কলকাতাও। বুধবার কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আর সম্ভাবনা নেই। তবে বেলা বাড়লে শুষ্ক গরমের মুখোমুখি হতে হবে। 

    তাপপ্রবাহ জেলায় জেলায়

    বুধবারও তাপমাত্রায় (Weather Updat) রাজ্যের বাকি সব এলাকাকে টেক্কা দিয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডা। সেখানেসর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজ্যে সেটিই সর্বোচ্চ। এ ছাড়া অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হয়েছে মালদহ, বালুরঘাট, উলুবেড়িয়া, ডায়মন্ড হারবার, মেদিনীপুর, ক্যানিং, হলদিয়া, মগরা, পানাগড়, আসানসোল এবং ঝাড়গ্রামে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার কৃষ্ণনগর, বাঁকুড়া, শ্রীনিকেতন, বহরমপুর, সল্টলেক, কাঁথি, বর্ধমান, ব্যারাকপুর, বসিরহাট এবং দমদমে তাপপ্রবাহ হয়েছে।

    কোথায় কত তাপমাত্রা

    বুধবার রাজ্যের ২৪টি জায়গায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির বেশি ছিল। দমদমে পারদ উঠেছিল ৪১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ ছাড়া, বসিরহাটে ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, উলুবেড়িয়ায় ৪১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ডায়মন্ড হারবারে ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মেদিনীপুরে ৪৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাঁকুড়ায় ৪৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কৃষ্ণনগরে ৪২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনিকেতনে ৪১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বহরমপুরে ৪২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সল্টলেক ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ক্যানিংয়ে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কাঁথিতে ৪০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, হলদিয়ায় ৪১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মগরায় ডিগ্রি সেলসিয়াস, বর্ধমানে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পানাগড়ে ৪৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আসানসোল ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পুরুলিয়ায় ৪৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ব্যারাকপুরে ৪৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ঝাড়গ্রামে ৪৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল।

    আরও পড়ুুন: গোদরেজ পরিবারে ভাঙন, বাঁটোয়ারা হল সম্পত্তি, কার ভাগে কী?

    কবে থেকে বৃষ্টি

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Updat) অনুসারে সোমবার দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে শনিবারই উপকূলবর্তী কয়েকটি জেলায় মিলতে পারে কালবৈশাখীর স্বস্তি। বুধবার কালবৈশাখীর বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়েছিল ওড়িশা উপকূলে। ক্রমশ তা পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে দিঘা, মন্দারমণি, হলদিয়া, নামখানা হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এর প্রভাবে দিঘা ও নামখানায় সন্ধ্যের দিকে স্বস্তির বৃষ্টি নামে। কলকাতার আাকাশেও মেঘের ঝলকানি চোখে পড়ে। গায়ে পড়ে দু-এক ফোঁটা বৃষ্টি। যদিও তাতে গা ভেজেনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Heat Wave: তাপপ্রবাহের সতর্কতা কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলায়, বিশেষ বুলেটিন হাওয়া অফিসের

    Heat Wave: তাপপ্রবাহের সতর্কতা কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলায়, বিশেষ বুলেটিন হাওয়া অফিসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশাখের প্রথম সপ্তাহে ঝলসে যাচ্ছে শহরবাসী। এরই মধ্যে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহের (Heat Wave) কমলা  সতর্কতা জারি করল আবহাওয়া দফতর। শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে শুরু হবে তাপপ্রবাহ। সপ্তাহান্তে ৩ দিন কলকাতাতেও রয়েছে তাপপ্রবাহের সতর্কতা। ৪০-৪১ ডিগ্রিতে থাকতে পারে আলিপুর-দমদমের তাপমাত্রা। সামনেই লোকসভা ভোট। রাজ্যে প্রথম দফায় ১৯ এপ্রিল ভোট হবে উত্তরবঙ্গে। যখন ভোট উত্তাপে গরম হচ্ছে উত্তরের আবহাওয়া তখনই দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে উপরে থাকার ইঙ্গিত দিল হাওয়া অফিস। 

    হাওয়া অফিসের সতর্ক বার্তা

    বৃহস্পতিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় তাপমাত্রা (Heat Wave) স্বাভাবিকের থেকে অনেকটা বাড়বে। এর মধ্যে আটটি জেলায় শুক্রবার থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ চলবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর। কয়েকটি জায়গায় শুক্রবারই রাজ্যের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৬ ডিগ্রিও ছুঁয়ে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা। এই মর্মে কলকাতা-সহ দক্ষিণের ১৫টি জেলায় বিশেষ সতর্কতা জারি করেছেন আবহবিদেরা। সেই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বুধবার থেকে রাজ্যের ছ’টি জেলায় তাপপ্রবাহ চলবে। এই ছয় জেলার মধ্যে রয়েছে দুই মেদিনীপুর, হুগলি, বাঁকুড়া এবং দুই বর্ধমান। শুক্রবার থেকে তাপপ্রবাহ চলবে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে। এর মধ্যে আটটি জেলা— পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং বীরভূমে ‘সিভিয়ার হিটওয়েভ’ বা অতি তীব্র তাপপ্রবাহ চলতে পারে।  

    নবান্নে বিশেষ বৈঠক

    পরিস্থিতি বুঝে নবান্নে বিশেষ বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। ভার্চুয়াল বৈঠকে ছিলেন জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের সচিব, জেলাশাসকরাও। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের পানীয় জলের যে পাউচ প্যাকেট আছে সেগুলি পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রাখার কথা বলা হয়েছে। প্রতিটি জেলার কন্ট্রোল রুমকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রশাসনকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেলা ১২টার পর থেকে বিকাল চারটে পর্যন্ত রাস্তায় প্রয়োজন ছাড়া না বেরনোরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সাধারণত স্বাভাবিকের থেকে তাপমাত্রা সাড়ে চার ডিগ্রি বেশি হলে তাপপ্রবাহ (Heat Wave) পরিস্থিতি তৈরি হয়। আর স্বাভাবিকের থেকে সাড়ে ৬ ডিগ্রি বেশি হলে তৈরি হয় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ (Severe Heat Wave) পরিস্থিতি। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী দু’দিন দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ২-৫ ডিগ্রি বেশি থাকবে। তার পরের তিন দিনের পারদ থাকবে স্বাভাবিকের থেকে ৪-৭ ডিগ্রি বেশি।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যায় জন-জোয়ার! রাম নবমী উপলক্ষে রামলালার মন্দিরে শুরু পূজা-অর্চনা

    উত্তরে শিলাবৃষ্টি

    দহন জ্বালায় (Heat Wave) জ্বলছে দক্ষিণবঙ্গবাসী। প্রায় ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা কোথাও তেতাল্লিশ ডিগ্রির পথে, আবার কোথাও তা বিয়াল্লিশ ডিগ্রি। সেই সময় একদম উল্টো চিত্র উত্তরের। মঙ্গলবার মাঝ রাতে জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন জায়গায় কালবৈশাখী ঝড়-সহ প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। সেইসঙ্গে চলে শিলাবৃষ্টি। শিলাবৃষ্টির দাপটে জমিতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Cyclone Sitrang: একদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’, অন্যদিকে অমাবস্যার ভরা কোটাল! উপকূলে জারি বিশেষ সতর্কতা

    Cyclone Sitrang: একদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’, অন্যদিকে অমাবস্যার ভরা কোটাল! উপকূলে জারি বিশেষ সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং (Cyclone Sitrang), অন্যদিকে অমাবস্যার ভরাকোটাল আর চন্দ্রগ্রহণ। তিন দশায় সমুদ্র আরও উত্তাল হবে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আবহাওয়াবিদরা। ফলে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে সুন্দরবন উপকূলে। এদিন দিঘা উপকূলেও আগাম সতর্কবার্তা জারি করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবরেই আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড়। আর তার ফলে রাজ্যের একাধিক জায়গায় ভারী থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ঘূর্ণিঝড় ও ভরা কোটালের ফলে জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর এর ফলে যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে, তার জন্য উপকূলবর্তী অঞ্চল জুড়ে সতর্ক করছে পুলিশ-প্রশাসন। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে মাইকিং। মৎস্যজীবীদের সতর্ক করা হচ্ছে অবিলম্বে সমুদ্র থেকে ফিরে আসার জন্য। আগামী ২২ অক্টোবর অর্থাৎ শনিবার থেকে ২৪ অক্টোবর, সোমবার পর্যন্ত দিঘায় পর্যটকদের সমুদ্রে নামার ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার থেকেই এব্যাপারে প্রশাসনের তরফে দিঘা সৈকতে মাইকিং শুরু করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কালীপুজোর দিনই আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’? কী হবে এর গতিপ্রকৃতি? জানুন

    আবার বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে সুন্দরবন উপকূলেও। নামখানা, সাগরদ্বীপে তাণ্ডব চালাতে পারে সিত্রাং সেকারণে সকাল থেকেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মাইকে করে সুন্দরবনের উপকূলবর্তী এলাকায় প্রচার করা হচ্ছে। এছাড়াও কাকদ্বীপ মহকুমায় মাইকিং শুরু হয়েছে। কাকদ্বীপ মহকুমায় পাঁচটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। মূল কন্ট্রোল রুমটি খোলা হয়েছে কাকদ্বীপ মহকুমা শাসকের অফিসে। বাকি চারটি খোলা হয়েছে কাকদ্বীপ, সাগর, নামখানা ও পাথরপ্রতিমা ব্লকে। ফ্লাড শেল্টারগুলিকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। এছাড়াও কাকদ্বীপ মহকুমায় ৬৪টি মাল্টিপারপাস সাইক্লোন শেল্টার এবং ১১৭টি স্কুলবাড়িকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। ফ্লাড শেল্টারগুলিতে বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা ঠিকঠাক রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কাকদ্বীপ এবং সাগরদ্বীপে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।

    আবহাওয়া দফতর অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে চোখ রাঙাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং (Cyclone Sitrang)। তীব্র গতিতে ধেয়ে আসছে সে। প্রতিমুহূর্তে নজর রাখা হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথের দিকে। প্রাথমিক ভাবে জানানো হয়েছে বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের দিকে এগোচ্ছে সিত্রাং। সূত্র অনুযায়ী, ঘণ্টায় প্রায় ২০০ কিলোমিটার বেগে উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে সিত্রাং।

    নবান্নের তরফে ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে সবরকম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ত্রাণের বন্দোবস্ত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্লক অফিস ও পঞ্চায়েত অফিসে ত্রিপল ও শুকনো খাবার মজুত রাখা হচ্ছে। এসডিআরএফ ও এনডিআরএফের দলকেও উপকূল এলাকায় মোতায়েন রাখা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

LinkedIn
Share