Tag: Weather Forecast

Weather Forecast

  • Weather Update: কনকনে কলকাতা! পৌষের শেষে ঝোড়ো ব্যাটিং শীতের, কত নামবে তাপমাত্রা?

    Weather Update: কনকনে কলকাতা! পৌষের শেষে ঝোড়ো ব্যাটিং শীতের, কত নামবে তাপমাত্রা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৌষের একেবারে শেষে শীতের কামড়। একদিনে ৩ ডিগ্রি পারদপতন কলকাতায়। শুক্রবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। কনকনে শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। সকালে কুয়াশায় ঢাকা ছিল ময়দান চত্বর। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কিছুটা কমেছে। কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়ে ঘুম ভেঙেছে রাজধানী দিল্লিরও। তার উপরে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা। তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ৩ ডিগ্রিতে।

    সংক্রান্তির আগে পারদ পতন

    আগামী সোমবার, পৌষ সংক্রান্তি। গঙ্গাসাগরের পুণ্যস্নানের সময় কনকনে হাওয়া কাঁপন ধরাচ্ছে। কলকাতায় এক ধাক্কায় তিন ডিগ্রি কমে গিয়েছে তাপমাত্রা। সোয়েটার, চাদর, মাফলারে মুড়েছে শহর। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সকালে ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। কলকাতায় শুক্রবার আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। 

    পশ্চিমাঞ্চলেও কাঁপন

    অন্যদিকে ৮-৯ ডিগ্রির ঘরে নেমেছে পশ্চিমাঞ্চলের পারদ। শনিবার তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমেছে ৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শ্রীনিকেতনের তাপমাত্রা ৯.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঠান্ডায় রীতিমতো জবুথবু জেলা। একদিকে কনকনে ঠান্ডা, অন্যদিকে উত্তুরে বাতাসের জোড়া ফলায় আজ সকাল থেকে রাস্তাঘাটে মানুষ অনেকটাই কম। বিনা বাধায় উত্তুরে হাওয়া প্রবেশ করতে শুরু করেছে বঙ্গে। আপাতত পাঁচ দিন তাপমাত্রা কম থাকবে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালি থেকে শিক্ষা! মাথায় হেলমেট, হাতে ঢাল নিয়ে দমকলমন্ত্রীর বাড়িতে ইডি

    দিল্লিতে ঠান্ডা

    মরশুমের শীতলতম দিন দেখল রাজধানী। চলতি শীতের মরশুমে এই প্রথম তাপমাত্রা নামল ৩ ডিগ্রিতে। তার সঙ্গে ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমানতা এতোটাই কম যে ২৩টি দিল্লিগামী ট্রেন ৬-৭ ঘণ্টা দেরিতে চলছে। গোটা উত্তরভারত জুড়েই শৈত্য প্রবাহ চলছে। দৃশ্যমানতা কম থাকায় বিমান পরিষেবাও ব্যহত হয়েছে দিল্লিতে। সকালের প্রতিটি বিমান ৪ ঘণ্টা দেরিতে চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বঙ্গোপসাগরে ফের ঘনাল নিম্নচাপ, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা?

    Weather Update: বঙ্গোপসাগরে ফের ঘনাল নিম্নচাপ, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার আবহাওয়ায় রদবদল। বুধবার থেকে রাজ্যের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। আগামী ১২ ঘণ্টায় বঙ্গোপসাগরে দানা বাঁধতে চলেছে নিম্নচাপ। সেকারণেই বৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গল-বুধবার থেকে শীতের আমেজ কমে উষ্ণতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সপ্তাহের শেষের দিকে শীতের আমেজ অনুভূত হতে পারে।

    কোন অবস্থায় নিম্নচাপ

    আবহাওয়া দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী,  দক্ষিণ আন্দামান সাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত। এই ঘূর্ণাবর্ত থেকে সোমবার বঙ্গোপসাগরে তৈরি হবে নিম্নচাপ। দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন আন্দামান সাগর এলাকাতে এই নিম্নচাপ দানা বাঁধবে। ২৯ নভেম্বরের মধ্যে এই নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে। প্রাথমিকভাবে এর অভিমুখ পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিক অর্থাৎ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল।‌ এর প্রভাবে মঙ্গলবার থেকেই আংশিক মেঘলা থাকবে আকাশ। সামান্য বাড়বে রাতের তাপমাত্রাও। বাড়বে জলীয় বাষ্প এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতা।

    শীতের আমেজ

    ইতিমধ্যে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলা এবং উত্তরবঙ্গে ভালোই ঠান্ডা পড়েছে। সকাল ও রাতের তাপমাত্রার পারদ ১৮ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। তবে মেঘলা আকাশের জেরে আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। খানে শীতের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই পুরুলিয়া বাঁকুড়া-সহ পশ্চিমের বেশ কিছু জেলায় তাপমাত্রা ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর ঘরে নেমেছে। উত্তরবঙ্গে আপাতত মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশ। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে নভেম্বরের শেষ ৩ দিন দার্জিলিং, কালিম্পং-এ হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস। বাকি জেলায় আপাতত বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। শীতের আমেজ বহাল থাকবে। 

    আরও পড়ুন: রাজনীতির ময়দানে শাকিব, ফিরদৌস! হাসিনার দলের টিকিটে লড়বেন ভোটে

    কলকাতার আবহাওয়া

    আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, এদিন ও মঙ্গলবার গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলির আবহাওয়া পরিষ্কার ও শুকনো থাকবে। পাশাপাশি গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতেও রাতের তাপমাত্রার আপাতত কোনও পরিবর্তন হবে না। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। রবিবার যা ছিল ১৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আপেক্ষিক আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ৯৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৪৮ শতাংশ। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: দুয়ারে শীত! কলকাতায় ১৮-র ঘরে পারদ, ডিসেম্বরের শুরুতে ফের ঘূর্ণিঝড়

    Weather Update: দুয়ারে শীত! কলকাতায় ১৮-র ঘরে পারদ, ডিসেম্বরের শুরুতে ফের ঘূর্ণিঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর থেকে দক্ষিণ, শহর থেকে জেলা সর্বত্র ঠান্ডার মেজাজ। সপ্তাহান্তে আরও নামবে পারদ। বিশেষ করে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ঠান্ডার দাপট থাকবে। এরই মধ্য়ে ডিসেম্বরের শুরুতে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা করছেন আবহবিদরা। আন্দামান সাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত। 

    ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা

    আলিপুর হাওয়া দফতর সূত্রে খবর, ২৬-২৭ নভেম্বর দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান সাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সেই ঘূর্ণাবর্ত অচিরেই পরিণত হতে পারে নিম্নচাপে। এর পর যদি সেই নিম্নচাপ আরও শক্তি বৃদ্ধি করে, তা হলে তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে অচিরেই পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়েও। ঘূর্ণাবর্ত শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে ডিসেম্বরের গোড়ার দিকে তা বঙ্গোপসাগর উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন আবহবিদরা। এই গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে তার নাম হবে মিগজাউম( ‘Michaung’ pronunciation – Migjaum)। মায়ানমারের দেওয়া এই নাম। ঘূর্ণিঝড় হলে চলতি বছরে বঙ্গোপসাগরে এটি চতুর্থ ঘূর্ণিঝড় হবে।

    দক্ষিণবঙ্গের জেলায় ঠান্ডার আমেজ

    উত্তর ও দক্ষিণ দুই বঙ্গেই শীতের আমেজ বহাল রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঠান্ডার আমেজ আরও বেড়েছে। আগামী কয়েকদিনে পশ্চিমের জেলাগুলিতে ঠান্ডার আমেজ আরও তীব্র হতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ১৪ থেকে ১৬ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে তাপমাত্রা। আগামী কয়েকদিন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূমে শীতের দাপট থাকবে বেশি। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও আপাতত তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হবে না।

    আরও পড়ুন: আদালত অবমাননা! হাইকোর্টে হাজিরা দিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা

    কলকাতায় ঠান্ডার ব্যাটিং 

    এক ধাক্কায় কলকাতায় ১৮-র ঘরে নেমেছে পারদ। ধীরে ধীরে কমছে রাতের তাপমাত্রা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার কলকাতার বেশ কিছু এলাকার তাপমাত্রা ছিল এই মরশুমে সবচেয়ে কম। বৃহস্পতিবার প্রথম কলকাতার তাপমাত্রার পারদ নেমেছে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে। শুক্রবারও তা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচেই রয়েছে। শুক্রবার দমদম এবং আলিপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৯ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে কম। এ ছাড়া বর্ধমান এবং বাঁকুড়াতে তাপমাত্রা নেমেছে ১৫ ডিগ্রির নীচে। নদিয়া-মুর্শিদাবাদেও ২০ ডিগ্রির নীচে ছিল তাপমাত্রা।

    উত্তরে ঠান্ডার দাপট

    দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে থাকা শীত শীত ভাব নভেম্বরের বাকি দিনগুলিতেও থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছে হাওয়া অফিস।  আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আর দু’তিন দিনের মধ্যেই উত্তুরে হিমেল হাওয়া দক্ষিণবঙ্গে ঢুকতে শুরু করবে। ফলে আরও কমবে তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গে আপাতত মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশ। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। আগামী তিন চার দিনে উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকলেও শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। আগামী সপ্তাহের শুরুতে হালকা বৃষ্টি হতে পারে পার্বত্য এলাকায়। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: অতি গভীর নিম্নচাপ! কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা

    Weather Update: অতি গভীর নিম্নচাপ! কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই শহরের আকাশে কালো মেঘ। এক ধাক্কায় কমেছে দিনের তাপমাত্রা। ইডেনের আকাশে ক্রমেই গাঢ় হচ্ছে নিম্নচাপের মেঘ। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, বৃহস্পতিবার দিনভর বিক্ষিপ্ত এবং হালকা বৃষ্টি চলতে পারে কলকাতায়। কারণ বঙ্গোপসাগরে যে নিম্নচাপ ঘনিয়েছিল, তা ইতিমধ্যেই পরিণত হয়েছে গভীর নিম্নচাপে। আজ, ইডেনে রয়েছে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। বৃষ্টির ফলে ব্যহত হতে পারে সেই ম্যাচ।

    কী বলছে হাওয়া অফিস

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, এদিন বেলা যত বাড়বে বৃষ্টির (Rain) সম্ভাবনা ততই বাড়বে। দফায় দফায় হালকা মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শুধু তাই নয়, উপকূলের জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। শনিবার পর্যন্ত উপকূলের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভানা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এরপর তা গতি পরিবর্তন করে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে এগোবে। আগামীকাল অর্থাৎ ১৭ নভেম্বর সকালে এটি ভুবনেশ্বরের কাছাকাছি ওড়িশা উপকূলে অবস্থান করবে। এরপর উপকূল বরাবর বাংলাদেশের দিকে এগোবে। শনিবার বিকেল অথবা সন্ধ্যের দিকে এটি বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকার পাথরঘাটা মাথাবেড়িয়া দিয়ে বরিশালের অভিমুখে যাবে। এর প্রভাবে ১৬ থেকে ১৮ নভেম্বর মৎস্যজীবীদের উত্তর বঙ্গোপসাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: নতুন বছরের শুরুতে পাঁচটি স্টেশনকে ঢেলে সংস্কারের উদ্যোগ, তালিকায় কাদের নাম রয়েছে জানেন?

    শহরে বৃষ্টির সতর্কতা

    বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিম মেদিনীপুর উত্তর ২৪ পরগনা কলকাতা হাওড়া হুগলি পূর্ব বর্ধমান এবং নদিয়াতে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর,শুক্রবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে। পূর্ব মেদিনীপুর ও হাওড়া জেলার কিছু অংশে রয়েছে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, কলকাতা, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং নদিয়া, মুর্শিদাবাদে হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। শনিবার বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে। শুক্রবারও মেঘলা আকাশ ও দু এক পশলা হালকা মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতায় আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি বেশি। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিক। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৪৬ থেকে ৯০ শতাংশ। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: নিম্নচাপের কালো মেঘ! বৃষ্টি নামল, দশমীতে ভাসবে কলকাতা?

    Weather Update: নিম্নচাপের কালো মেঘ! বৃষ্টি নামল, দশমীতে ভাসবে কলকাতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবমীর সকাল থেকেই আকাশের মেঘের আনোগোনা। চলছিল সুয্যিমামার লুকোচুরি খেলা। বেলা গড়াতেই শুরু হল বৃষ্টি। বৃষ্টি নামল দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন এলাকায়। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে গড়িয়াহাট, যোধপুর পার্ক, রাসবিহারী, গোলপার্ক সহ দক্ষিণ কলকাতার বেশ কিছু এলাকায়। কলকাতার (Weather Update) পাশাপাশি উপকূল সংলগ্ন জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। 

    কেন অসময়ে বৃষ্টি

    পুজোর শেষ দিকে চিন্তা বাড়াচ্ছে বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ। আজ মধ্য বঙ্গোপসাগরে এসে রিকার্ভ করবে গভীর নিম্নচাপ। উপকূল বরাবর এটি উত্তর বঙ্গোপসাগরের দিকে এগিয়ে আসার সম্ভাবনা। এর অভিমুখ থাকবে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন এলাকা। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি ইতিমধ্যে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। তা ধীরে ধীরে স্থলভাগের দিকে এগোচ্ছে। এই নিম্নচাপ থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নয়া এই ঘূর্নিঝড়ের নাম হামুন। তবে বিরাট কোনও দুর্যোগের আশঙ্কা নেই। ২৫ অক্টোবর, একাদশীর বিকেলে, চট্টগ্রাম লাগোয়া বাংলাদেশ উপকূলে ঘূর্ণিঝড়টি  ল্যান্ডফল হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তার প্রভাবেই কলকাতা-সহ কিছু কিছু এলাকায় নবমী থেকে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহবিদেরা।

    সকাল থেকেই বৃষ্টি

    আজ, পুজোর শেষ দিন। কাল বিদায়ের পালা। নবমীর সকাল থেকে বৃষ্টির মধ্যেই ঠাকুর দেখার ভিড় মণ্ডপে মণ্ডপে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস মেনে অনেকেই ছাতা সঙ্গে নিয়েই বেরিয়েছেন ঠাকুর দেখতে। তাঁদের অনেককেই দেখা গেল, ছাতা মাথায় মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে পড়তে। আজ, বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের কয়েকটি এলাকায়। সোমবার বেলা ১২টা নাগাদ আবহাওয়ার বুলেটিনে এ কথা জানিয়েছে আলিপুরের হাওয়া অফিস। এই সময়ের মধ্যে মানুষকে নিরাপদে থাকার পরামর্শও দিয়েছেন আবহবিদেরা।

    আরও পড়ুন: ক্রিকেট উৎসবে সামিল সকলে! ধর্মশালার গ্যালারিতে পাশাপাশি কারা?

    নিম্নচাপের প্রভাব

    এই নিম্নচাপের প্রভাবে  রাজ্যের উপকূলে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। সঙ্গে উপকূলের জেলায় হালকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে। দশমী থেকে দ্বাদশী পর্যন্ত দুর্যোগ বাড়তে পারে। দশমী ও একাদশীতে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যারা সমুদ্রে আছেন তাদের নবমীর রাতে ফিরে আসতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ,দশমীর দিন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে মেঘলা আকাশ। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • IMD: এবার দেশের প্রতিটি পিন কোডে মিলবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস, জানুন নয়া উদ্যোগ সম্পর্কে

    IMD: এবার দেশের প্রতিটি পিন কোডে মিলবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস, জানুন নয়া উদ্যোগ সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির বাইরে বেরতে গেলে অনেকেই আকাশের দিকে তাকিয়ে তারপর বের হন। উদ্দেশ্য, আকাশ পরিষ্কার না মেঘলা, তা জানা। কৃষকরা আবার আকাশের দিতে তাকিয়ে থাকেন বৃষ্টি কিংবা রোদের আশায়। এতদিন এঁদের অনেকেই দিল্লির মৌসম (IMD) ভবনের পূর্বাভাসের ওপর নির্ভর করে ঠিক করতেন, কবে বীজ বপন করবেন, কবেই বা ফসল কাটবেন। তবে মৌসম ভবনের সেই পূর্বাভাস সব ক্ষেত্রে মিলত না বলেই অভিযোগ।

    ‘হর হর মৌসম, ঘর ঘর মৌসম’

    এমতাবস্থায় আবহাওয়ার পূর্বাভাস আরও নির্ভুলভাবে দিতে ‘হর হর মৌসম, ঘর ঘর মৌসম’ চালু করছে দিল্লির মৌসম ভবন। ‘হর হর মৌসম, ঘর ঘর মৌসমে’র মাধ্যমে দেশের প্রতিটি পিন কোড ধরে ধরে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেবে মৌসম ভবন। ইন্ডিয়ান মেটেরিওলজিক্যাল ডিপার্টমেন্টের (IMD) ডিরেক্টর মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বলেন, “দেশের যে কোনও প্রান্তে থাকা ব্যক্তি যখনই আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানতে চাইবেন, তিনি যেন ততক্ষণাৎ তা পেয়ে যান, এটাই আমাদের লক্ষ্য।”

    মিলবে নির্ভুল পূর্বাভাস 

    তিনি বলেন, “ভারত অনেক বড় দেশ। ফলে প্রতিটি গ্রামে একটি করে আবহাওয়া দফতর থাকা সম্ভব নয়। কিন্তু বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রান্তিক এলাকায়ও আমরা আবহাওয়ার প্রায় নির্ভুল পূর্বাভাস দিতে সক্ষম। বর্তমানে পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে টেকনোলজি ও কম্পিউটারের ব্যবহার সেই কাজ আরও সহজ করেছে। এবার আমাদের পরিকল্পনা পিন কোড ধরে ধরে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া। আমাদের ওয়েবসাইটে ক্লিক করলেই সেই তথ্য মিলবে।”

    আরও পড়ুুন: প্রযুক্তি সংস্থাগুলিকে ৫০ শতাংশ আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা মোদির

    মৃত্যুঞ্জয় বলেন, “পূর্বাভাসের জন্য আমরা কমন অ্যালার্ট প্রোটোকল তৈরি করেছি। এটা জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলার একটি প্রজেক্ট। কিন্তু ইন্ডিয়ান মেটেরিওলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট এই প্রজেক্টে যৌথভাবে কাজ করছে। প্রতিটি রাজ্য প্রশাসনের টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের মদতে আমরা ঘূর্ণিঝড়ের সময় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারি।” তিনি (IMD) বলেন, “এপিআই পদ্ধতির সাহায্যে প্রতিটি রাজ্যে আমাদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস স্থানীয় ও আঞ্চলিক ভাষায় জনগণের মোবাইলে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এসএমএসের পাশাপাশি ভয়েস মেসেজ এবং ভিডিও বার্তায় পৌঁছচ্ছে ওয়েদার ফোরকাস্ট। এছাড়াও রয়েছে আমদের মোবাইল অ্যাপ মেঘদূত, দামিনী। যেখানে প্রতিটি রাজ্যের আঞ্চলিক ভাষায়ও আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া সম্ভব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Forecast: উত্তরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, কেমন থাকবে দক্ষিণের আকাশ?

    Weather Forecast: উত্তরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, কেমন থাকবে দক্ষিণের আকাশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মুখভার (Weather Forecast) দক্ষিণবঙ্গের আকাশের। ভোর থেকে কোথাও কোথাও ঝিরঝিরে বৃষ্টি (Rain) হয়েছে। এদিন দিনভর বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়ই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। জেলার কোথাও কোথাও হালকা, কোথাও কোথাও আবার মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে হতে পারে ভারী বৃষ্টি। তবে এদিন বিকেল থেকে কমতে পারে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ।

    বৃষ্টির প্রকোপ

    দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমলে কী হবে, বৃষ্টির প্রকোপ বাড়বে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলায়ই। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে। ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। এই জেলাগুলিতে জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। উত্তরের জেলাগুলিতে বৃষ্টি চলবে রবিবার পর্যন্ত। প্রবল বর্ষণের (Weather Forecast) জেরে জলস্তর বেড়ে গিয়েছে তিস্তা, তোর্সা, জলঢাকা ও সংকোষ নদীর।

    ধসের আশঙ্কা

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় নিম্নচাপ অবস্থান করছে ছত্তিশগড়ের কাছে। তা ক্রমশ এগোচ্ছে মধ্যপ্রদেশের দিকে। তার জেরেই বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়বে উত্তরবঙ্গে। উত্তরের তিন জেলা কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে এদিন বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত। প্রবল বর্ষণের জেরে ধস নামতে পারে পাহাড়ে। নিচু এলাকাগুলি প্লাবিত হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস। তবে শুক্রবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমবে। অবশ্য ভারী বৃষ্টি হতে পারে আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে।

    আরও পড়ুুন: ইডির নোটিস মেলার পর থেকেই ‘ভ্যানিশ’ সায়নী! শুক্রবার হাজিরা দেবেন কি?

    শনিবার থেকে ফের ধারা বর্ষণ হতে পারে উত্তরবঙ্গে। আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টি হতে পারে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত। জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে বৃষ্টি হতে পারে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত। পয়লা জুলাই থেকে ফের বাড়বে দক্ষিণবঙ্গের (Weather Forecast) তাপমাত্রা। জলীয় বাষ্প থাকায় বাড়বে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও। বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৯২ থেকে ৯৭ শতাংশ। বৃষ্টি হয়েছে ১৫.২ মিলিমিটার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Weather Forecast: প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত দেশ, হিমাচল প্রদেশে মৃত ৯, রাজস্থানে ৪

    Weather Forecast: প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত দেশ, হিমাচল প্রদেশে মৃত ৯, রাজস্থানে ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেরিতে এসেও দাপট দেখাচ্ছে বর্ষা (Weather Forecast)। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হয়েছে প্রবল বর্ষণ (Heavy Rain)। তামিলনাড়ু, কেরল, কর্নাটক, দিল্লি, ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থান এবং অসম সহ উত্তর পূর্বের বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হয়েছে ধারাপাত। প্রবল বর্ষণের জেরে ধস নামতে শুরু করেছে হিমাচল প্রদেশের বিভিন্ন জায়গায়। জায়গায় জায়গায় খবর মিলেছে হড়পা বানের। আরও কয়েক দিন প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস দিল মৌসম ভবন। উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, রাজস্থান, হিমাচল প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, গোয়া এবং গুজরাট সহ বিভিন্ন রাজ্যে হবে প্রবল বর্ষণ। অসম, মেঘালয় এবং অরুণাচল প্রদেশে ব্যাপক বৃষ্টি হবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। আজ, বুধবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কেরলে। ৩০ জুন পর্যন্ত ধারাবর্ষণ হবে গুজরাট, কর্নাটক এবং মধ্য মহারাষ্ট্রে।   

    বজ্রপাতে মৃত্যু

    রাজস্থানে বজ্রপাতের (Weather Forecast) পৃথক ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে চারজনের। এর মধ্যে এক নাবালিকাও রয়েছে। আগেই বানভাসি হয়েছিল অসম। রবিবার বৃষ্টির পরিমাণ খানিক কমলে নামতে শুরু করে জলস্তর। তবে এখনও রাজ্যের বহু গ্রামে বুক সমান জল। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বারপেটা, বক্সা, ডারাং, ধুবড়ি, গোয়ালপাড়া, কামরূপ, লখিমপুর, উড়ালগুড়ি এবং নলবাড়ি জেলা। বিভিন্ন এলাকায় নেমেছে ধস। বন্যার কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাজ্যের বহু এলাকা।

    বিপাকে পর্যটকরা

    ভারী বৃষ্টির কারণে হিমাচল প্রদেশে বন্ধ রয়েছে ৩০১টি রাস্তা। মান্ডি জেলার বিভিন্ন এলাকায় ধস নেমেছে। প্রবল বর্ষণের জেরে মান্ডিতে বিপাশা নদীর জল বাড়ছে। জোরালো বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মন্থলা পঞ্চায়েতের কমিউনিটি হল। বেড়াতে গিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পর্যটকরা। 

    আরও পড়ুুন: ‘ভোট এলেই কেন পায়ে আঘাত মুখ্যমন্ত্রীর?’ প্রশ্ন সুকান্তর

    ভারী বৃষ্টির (Weather Forecast) সতর্কতা জারি করা হয়েছে উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফে। হড়পা বান, ভূমিধসের জেরে বিপর্যস্ত রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা। উদ্ধারকাজে নামানো হয়েছে এনডিআরএফ, এসডিআরএফ বাহিনী। অমরনাথের পথেও মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত এনডিআরএফ, এসডিআরএফ বাহিনী। দেরাদুন সহ সমগ্র উত্তরাখণ্ডের জন্য জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। গত ২৪ ঘণ্টায় হিমাচলে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। প্রবল বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছে গোয়ার পানাজির বেশিরভাগ এলাকা।

    প্রবল বৃষ্টির জেরে মহারাষ্ট্রের (Weather Forecast) থানেতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছে প্রয়াত অভিনেত্রী নূতনের বাংলোর একটি অংশ। বাংলোটি খালি থাকায় হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। হাওয়া অফিসের তরফে মুম্বইয়ে জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Report: উত্তরে বন্যা সতর্কতা, অসহ্য গরমে পুড়ছে দক্ষিণবঙ্গ! কবে আসবে বৃষ্টি?

    Weather Report: উত্তরে বন্যা সতর্কতা, অসহ্য গরমে পুড়ছে দক্ষিণবঙ্গ! কবে আসবে বৃষ্টি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা কলকাতা সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে (West Bengal Weather)। বর্ষা রাজ্যে ঢুকে গেলেও এদিকে বৃষ্টির কোনও দেখা নেই। এখনও একাধিক জেলায় জারি তাপপ্রবাহের সতর্কতা। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে (Weather Report), চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে আরও নাকি দু’দিন! অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। রয়েছে বন্যার সতর্কতাও! সব মিলিয়ে প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় জর্জরিত রাজ্যবাসী।

    গরমে নাজেহাল কলকাতাবাসী

    শহর কলকাতায় গত কয়েকদিন ধরেই ভ্যাপসা গরম। সকাল ৭টায় রোদের যা তেজ, মনে হচ্ছে যেন ১১টা বেজে গিয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও বাড়ছে গরমের প্রকোপ। সেই সঙ্গে বাড়ছে অস্বস্তি। কলকাতা শহরে আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৩ ডিগ্রি, বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৫৫ থেকে ৯০ শতাংশ (Weather Report)।

    তাপপ্রবাহের সতর্কতা দক্ষিণে

    প্রায় একই অবস্থা গোটা দক্ষিণবঙ্গেই। পশ্চিমের কয়েকটি জেলায় এখনও জারি রয়েছে তাপপ্রবাহের সতর্কতা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর (West Bengal Weather) সূত্রে খবর, রবিবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহ চলবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায়। বাকি জেলাতেও চরম অস্বস্তিকর আবহাওয়া গরম বাড়বে। শনি ও রবিবার অস্বস্তি আরও চরমে উঠবে।

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Report) সূত্রে খবর, শুক্র ও শনিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির বেশি সম্ভাবনা মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং বীরভূম, পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতে। বাকি জেলাতেও হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা। তবে, একইসঙ্গে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বৃষ্টি হলেও অস্বস্তি পিছু ছাড়বে না। আগামী কয়েকদিন স্বাভাবিকের তুলনায় চার-পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি দিন ও রাতের তাপমাত্রা, সঙ্গে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে।

    আরও পড়ুন: রাতভর গুজরাটে তাণ্ডব চালিয়ে এবার রাজস্থানে

    কোথায় আটকে বর্ষা?

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে এমন গলদঘর্ম দশা চলবে আরও কয়েকদিন। শুক্র-শনিতেও অস্বস্তিকর গরম বজায় থাকবে। কয়েকটি জেলায় তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। রবিবার পর্যন্ত আবহাওয়ার তেমন বদল ঘটবে না (Weather Report)। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, মালদহের উপর থমকে দাঁড়িয়ে রয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু। রবিবার থেকে বুধবারের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে ঢুকবে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু। অর্থাৎ, বর্ষার দেখা পেতে পেতে সেই সোমবার। ততদিন পর্যন্ত এই ঘর্মাক্ত ভ্যাপসা গরম সহ্য করতে হবে দক্ষিণবঙ্গবাসীকে। আগামী ১৯ থেকে ২১ জুনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বর্ষা ঢুকে যাবে বলে ধারণা আবহবিদদের।

    উলটপূরাণ উত্তরে

    এদিকে, দক্ষিণের একেবারে বিপরীত ছবি উত্তরবঙ্গে। দক্ষিণে যেখানে হাঁসফাঁস পরিস্থিতি, সেখানে উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Report) রয়েছে। এমনকি, জারি হয়েছে বন্যা-ধসের সতর্কতাও। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গে আরও চার-পাঁচ দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। শনিবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা উত্তরবঙ্গের সব জেলাতে। 

    ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ির কিছু অংশে। পার্বত্য এলাকার দুই জেলা দার্জিলিং ও কালিম্পঙে টানা বৃষ্টির জেরে ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে। একটানা ভারী বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের নিচু এলাকাগুলিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে (West Bengal Weather)। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Weather Update: উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশ! শনি ও রবিবার বৃষ্টির পূর্বাভাস শহরে

    Weather Update: উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশ! শনি ও রবিবার বৃষ্টির পূর্বাভাস শহরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। চলছে মেঘ-রোদের লুকোচুরি। শুক্রবার স্বস্তির বৃষ্টি নেমেছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। তার জেরে তাপমাত্রাও কমেছে অনেকটা। শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হবে,গরমও একটু কম থাকবে,জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। 

    শহরে গরম থেকে সাময়িক স্বস্তি

    উপকূলবর্তী জেলাগুলির জন্যে কিছুটা হলেও স্বস্তির বার্তা দিয়েছে হাওয়া অফিস। পূর্বাভাস অনুযায়ী (Weather Update), উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত ভাবে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ঝাড়গ্রাম, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও থাকবে। সোমবার বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে শহরে। কলকাতা শহরে আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৪ ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৫৩ থেকে ৯৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১৯ মিলিমিটার।

    পশ্চিমে তাপপ্রবাহ চলবে

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update), দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমে তাপপ্রবাহ চলবে।  মঙ্গলবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহ চলবে পুরুলিয়া বাঁকুড়া বীরভূম ঝাড়গ্রাম পশ্চিম মেদিনীপুর পশ্চিম বর্ধমানে। আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি ওই জেলাগুলিতে বৃষ্টি নামতে পারে।

    আরও পড়ুন: স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজল কলকাতা, গরমের গেরো কাটবে কবে?

    উত্তরবঙ্গে বর্ষা

    উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলাতে ভারী বৃষ্টির পরিমান বাড়বে বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে বিশেষ করে ওপরের পাঁচ জেলা অর্থাৎ দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে ৯ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত টানা বৃষ্টি চলবে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু যায়গায় ভারী ও কিছু জায়গায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে। । প্রায় ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহার আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলার বেশ কিছু এলাকায়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share