Tag: Weather in Bengal

Weather in Bengal

  • Weather Update: গরমে নাজেহাল! সময়ের আগেই বর্ষা ঢুকছে দেশে, বাংলায় কবে? দিনক্ষণ জানাল হাওয়া অফিস

    Weather Update: গরমে নাজেহাল! সময়ের আগেই বর্ষা ঢুকছে দেশে, বাংলায় কবে? দিনক্ষণ জানাল হাওয়া অফিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যাচপ্যেচে গরমে (Weather Update) নাজেহাল বাঙালি। শহরে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি চরমে উঠেছে। তবে শুধু বাংলা নয়, সূর্যের তাপে মোটামুটি পুড়ছে ভারতের একটা বড় অংশ। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) রাজধানীতে বারবার তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করছে। একইভাবে রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং হিমাচল প্রদেশও তীব্র গরমে পুড়ছে। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা শুষ্ক ও গরম বাতাস এই পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। এই সময়ই সুখবর দিল হাওয়া অফিস। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, চলতি বছর সময়ের আগেই প্রবেশ করছে বর্ষা (Monsoon Forecast 2026)। ভারতের মূল ভূখণ্ড কেরলে ২৬ মে ঢুকে যেতে পারে বর্ষা।

    দেশে কবে বর্ষার প্রবেশ

    এবছর ১৬ মে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ঢুকেছিল বর্ষা ৷ আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে মৌসুমী বায়ু দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগরের কিছু অংশে ঢুকে পড়বে। অগ্রগতি হতে পারে কোমোরিন এলাকাতে। দক্ষিণপূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের বাকি এলাকা এবং পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরের এলাকাতে ঢুকবে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু, যা দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ বার্ষিক বৃষ্টিপাত নিয়ে আসে, তা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় এক সপ্তাহ আগেই প্রবেশ করছে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, ২৬ মে নাগাদ কেরল উপকূলে পৌঁছাতে পারে বর্ষা। আর মৌসমি বায়ু দেশে প্রবেশের স্বাভাবিক সময় হল ১ জুন।

    বাংলায় কবে আসছেন বর্ষারানি

    কেরলে বর্ষার আগাম আগমন মানেই যে সারা দেশে দ্রুত বা বেশি বৃষ্টি হবে, এমনটা বলা যায় না। পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা সাধারণত উত্তর-পূর্ব ভারতের দিক দিয়ে প্রবেশ করে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গে বর্ষা ঢুকতে ৫ জুনের কাছাকাছি সময় লাগে এবং দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রথম বৃষ্টি পৌঁছাতে প্রায় ১০ জুন পর্যন্ত সময় গড়ায়। বাংলায় বর্ষা প্রবেশ না করলেও উত্তরবঙ্গে প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই। ভারী বৃষ্টির আরও একটা স্পেল চলবে আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু করে আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার পর্যন্ত।

    এল নিনোর প্রভাব দেশে

    দেশে সময়ের আগে বর্ষা প্রবেশ করলেও আইএমডি-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বর্ষায় স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ বছরের বৃষ্টিপাত দীর্ঘমেয়াদি গড়ের প্রায় ৯২ শতাংশ হতে পারে। আইএমডি জানিয়েছে, ধীরে ধীরে এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। প্রশান্ত মহাসাগরের জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। আর এই পরিস্থিতি ভারতের মৌসুমী বায়ুকে দুর্বল করে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, জুলাই-অগাস্টে মৌসুমি বায়ু এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে এল নিনোর প্রভাব আরও স্পষ্ট হতে পারে। ইতিমধ্যেই জৈষ্ঠ্যে চাঁদিফাটা রোদে জ্বলছে বঙ্গবাসী। সকাল থেকেই অস্বস্তিকর গরমে হাঁসফাঁস করছে কলকাতা সহ- দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal Heatwave) একাধিক জেলা। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হতে পারে। এই আবহে বর্ষাতেও যদি কম বৃষ্টি হয়, তাহলে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যহত হবে।

     

  • Weather Update: রাজ্যে শুরু ‘সুপার এল নিনো’-র দাপট! ৪২ পেরিয়ে গেল পশ্চিমাঞ্চলের তাপমাত্রা

    Weather Update: রাজ্যে শুরু ‘সুপার এল নিনো’-র দাপট! ৪২ পেরিয়ে গেল পশ্চিমাঞ্চলের তাপমাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের উত্তাপের সঙ্গেই শহর কলকাতায় পাল্লা দিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রার (Weather Update) পারদ। ভ্যাপসা গরমে নাকাল শহরবাসী। বেলা বাড়লেই বইছে গরম হাওয়া। ভোটের মুখে তাপপ্রবাহের (Heat Wave) আঁচ বাংলা। অন্তত প্রথম দফার ভোটে রীতিমতো ঘর্মাক্ত অবস্থা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বৃষ্টির পরশ পেতে পারে দক্ষিণবঙ্গ। তার আগে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও অস্বস্তি কমার কোনও আশা নেই। আগামী ২৬ এপ্রিল দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

    কলকাতার তাপমাত্রা হতে পারে ৫০ ডিগ্রি

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update) বলছে, পশ্চিমাঞ্চলে পারদ ক্রমশ চড়ছে। ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি পেরিয়ে গিয়েছে। আসানসোলের পারদ পৌঁছেছে ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। মঙ্গলবার ও বুধবার পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান সহ পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছে। এই বছরের দ্বিতীয়ভাগে আসছে ‘সুপার এল নিনো’ (Super El Nino Alert)। এর প্রভাবে প্রচণ্ড গরম পড়তে চলেছে। তাপপ্রবাহ হবে। কমে যাবে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ। কলকাতায় যেখানে চড়া গ্রীষ্মে তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪৫ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছয়, এবার তা রেকর্ড ভেঙে ৫০ ডিগ্রিও হতে পারে, এমনটাই সতর্ক করছেন আবহাওয়াবিদরা।

    কবে আসবে বৃষ্টি

    আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। এরপর পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। গরমের পাশাপাশি আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও বাড়বে। ২১ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত এই অস্বস্তি চলবে বলে পূর্বাভাস (Weather in Bengal)। ইতিমধ্যেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় এই কারণে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলায় ঝেঁপে বৃষ্টি (Rain Forecast) চলবে। সঙ্গে থাকবে বজ্রবিদ্যুৎও। দক্ষিণে আবহাওয়া ঘুরতে আরও দিন পাঁচেক সময় লাগবে। আগামী রবিবার দক্ষিণের ৭ জেলায় কালবৈশাখীর হলুদ সতর্কতা জারি থাকছে।

  • Weather Update: জগদ্ধাত্রী পুজোতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি শহরে! শীত আসতে অপেক্ষা করতে হবে কয়েকদিন

    Weather Update: জগদ্ধাত্রী পুজোতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি শহরে! শীত আসতে অপেক্ষা করতে হবে কয়েকদিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর পর জগদ্ধাত্রী পুজোতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে। ঘূর্ণিঝড় মন্থা (Cyclone Mantha) শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে বাংলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আবহাওয়া অফিস বলছে, সংশ্লিষ্ট নিম্নচাপটি উত্তর ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগোবে। অর্থাৎ ছত্তিশগড়ের দিকে এগিয়ে যাবে। আর তার জন্যই বৃষ্টি হবে বাংলায়। আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। কমপক্ষে আগামী তিন দিন বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া জারি থাকবে পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) বহু জেলায়। কলকাতাতেও (Kolkata) জারি হয়েছে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা।

    ঘণ্টায় ৩০–৪০ কিমি গতির দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Office) জানিয়েছে, প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্থা’র প্রভাবেই দক্ষিণবঙ্গে আগামী কয়েক দিন ঝড়-বৃষ্টি চলবে। বৃহস্পতিবারই জগদ্ধাত্রী পুজোর নবমী। অর্থাৎ বলা যায়, পুজোর দিন কলকাতায় বৃষ্টি হতে পারে। মূলত কয়েকটি জেলায় তুমুল বৃষ্টি হবে। সেই জেলাগুলি হল পুরুলিয়া,পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছে কলকাতা ও শহরতলিগুলিতে। আর আগামিকাল অর্থাৎ ৩১ অক্টোবর শুক্রবার বৃষ্টি হবে সব জেলাতেই। বইতে পারে দমকা ঝোড়ো বাতাস। ঘণ্টায় ৩০–৪০ কিমি গতির দমকা হাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। একই রকমভাবে শনিবার দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় হালকা বৃষ্টি। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া ও পূর্ব মেদিনীপুরে বজ্রঝড় ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা। রবিবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হবে।

    উত্তর ও দক্ষিণ দুই বঙ্গেই বৃষ্টি

    দক্ষিণবঙ্গের মতো উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পার্বত্য জেলাগুলিতে অতি ভারী বর্ষণ, অন্যান্য জায়গায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শুক্রবারও আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের কয়েকটি অঞ্চলে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার থেকে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হবে বলে অনুমান। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উপকূলের কাছে সাগরে ঘণ্টায় ৩৫–৪৫ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। সমুদ্র উত্তাল থাকবে, তাই ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

    কলকাতায় কবে শীত

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, আগামী কয়েক দিন কলকাতার আকাশ মেঘলা থাকবে, বৃষ্টিও হতে পারে। ফলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে থাকবে। যদিও এই পারদ পতনকে শীতের আগমন বার্তা বলা যাবে না , এমনই অভিমত হাওয়া অফিসের। জগদ্ধাত্রী পুজো হয়ে গেলেও এখনও নভেম্বর মাস পড়েনি। শহরে শীত আসতে বেশ কিছুদিন দেরি। নিম্নচাপ কাটলেই পারদ ফের চড়বে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গে উত্তুরে হাওয়া প্রবেশের অনুকূল পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি। ফলে এখনই রাজ্যে জাঁকিয়ে শীতের সম্ভাবনা নেই। হালকা শীতের আমেজ রয়েছে ভোরের দিকে। জেলায় জেলায় শীত আসার ইঙ্গিত মিললেও শীত পড়তে পড়তে নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

LinkedIn
Share