Tag: Weather Report

Weather Report

  • Weather Update: ১০.২ ডিগ্রি! জানুয়ারিতে কলকাতায় শীতের সর্বকালীন রেকর্ড, নেপথ্যে নিম্নচাপ?

    Weather Update: ১০.২ ডিগ্রি! জানুয়ারিতে কলকাতায় শীতের সর্বকালীন রেকর্ড, নেপথ্যে নিম্নচাপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জানুয়ারিতে সর্বকালীন রেকর্ড! ১০-এর ঘরে নামল কলকাতার পারদ (Weather Update)। মঙ্গলবার সকালে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, দমদমে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ৯ ডিগ্রির ঘরে। আলিপুর এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকাতে এক ধাক্কায় পারদ নেমেছিল ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। রাত থেকেই হাড় কাঁপানো ঠান্ডা টের পেয়েছে কলকাতা। আর ভোরবেলা রীতিমতো তীব্র হয় শীতের কামড়। সকলেরই চোখ মোবাইলে তাপমাত্রার আপডেটের দিকে। গরম চা-য়ে চুমুক দিয়েই দিনের শুরু, তবু যেন লেপ-কম্বল ছাড়তে ইচ্ছে করছে না শহরবাসীর।

    কলকাতায় আরও পারদ-পতনের সম্ভাবনা

    মঙ্গলবার কলকাতা (Winter in Bengal) সাক্ষী থেকেছে প্রায় দেড় দশকের সবচেয়ে শীতলতম দিনের। ভেঙে দিয়েছে প্রায় সব রেকর্ড। জানুয়ারি মাসে এটিই কলকাতায় শীতের সর্বকালীন রেকর্ড। এর আগে গত ১৫ বছরে জানুয়ারি মাসে এক বারই ১১ ডিগ্রির নীচে নেমেছিল কলকাতার পারদ। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ১০.৯ ডিগ্রিতে। এ বার তা-ও ছাপিয়ে গিয়েছে। এর আগে ২০১২ সালে এক বার ডিসেম্বর মাসে ১০ ডিগ্রিতে নেমেছিল কলকাতার পারদ। তা ছাড়া ১৯৬৫ সালের ডিসেম্বরেও এক বার ৭.২ ডিগ্রিতে নেমে গিয়েছিল। চলতি সপ্তাহে কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আরও কয়েক ডিগ্রি পারদপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৩.৭ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৮.৪ ডিগ্রি। সেটিও স্বাভাবিকের থেকে ৬.৭ ডিগ্রি কম। আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, সোমবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের বুকে জন্ম নিয়েছে নতুন নিম্নচাপ। সেই সূত্র ধরেই ধীরে ধীরে আরও পারদ পড়ছে বাংলার। মঙ্গলবার কলকাতা সাক্ষী থেকেছে প্রায় দেড় দশকের সবচেয়ে শীতলতম দিনের। ভেঙে দিয়েছে প্রায় সব রেকর্ড। আবহবিদরা বলছেন, এই নিম্নচাপ বাংলা থেকেই অনেকটাই দূরে রয়েছে। তাই আপাতত বৃষ্টির বিন্দুমাত্র সম্ভবনা নেই। বাংলাজুড়ে এখন দাপট বজায় রাখবে উত্তুরে হাওয়ার।

    জেলায় জেলায় শীত-ঘুম

    কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। মঙ্গলবার ভোরের দিকে কলকাতায় হালকা কুয়াশার চাদরও দেখা গিয়েছে। তবে সংলগ্ন জেলাগুলি সোমবার বেশি রাতের দিক থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকতে শুরু করে। মঙ্গলবার ভোরের দিকেও কুয়াশায় ঢেকে ছিল শহরতলি এবং সংলগ্ন এলাকায়। বুধবার এবং বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গে রাতের তাপমাত্রা আরও ২ ডিগ্রি কমতে পারে। তার পরের ৪-৫ দিন তাপমাত্রার বিশেষ হেরফর হবে না। এই সময়ে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের চেয়ে ৩-৫ ডিগ্রি কম থাকবে।মঙ্গলবার দুই বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ার কিছু জায়গায় ‘শীতল দিন’ (দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে যাওয়া)-এর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বুধবারও বাঁকুড়া বাদে বাকি জেলাগুলিতে থাকতে পারে ‘শীতল দিন’-এর পরিস্থিতি। মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় ঘন কুয়াশারও সতর্কতা রয়েছে।

    দার্জিলিংয়ে তুষারপাতের সম্ভাবনা

    শীতে কাঁপছে উত্তরবঙ্গ। সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন জায়গা কুয়াশাচ্ছন্ন। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলা দার্জিলিং সহ তিন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে । বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং , কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ি জেলাতে। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য উঁচু এলাকায় তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সান্দাকফু, ঘুম, ধোত্রে, চটকপুরের মত উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বা রাতের তাপমাত্রার সঙ্গে সঙ্গে দিনের তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের নিচেই থাকবে এখন। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তিন থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচে থাকতে পারে।

  • Weather Update: ১৮ বছরে শীতলতম বর্ষবরণ শহর কলকাতার! ভিড় চিড়িয়াখানা থেকে ইকো পার্কে

    Weather Update: ১৮ বছরে শীতলতম বর্ষবরণ শহর কলকাতার! ভিড় চিড়িয়াখানা থেকে ইকো পার্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরেও জাঁকিয়ে শীত (Weather Update)। বৃহস্পতিবার ভোরে কলকাতার (Winter in Kolkata) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ২.৬ ডিগ্রি কম। গত ১৮ বছরে ১ জানুয়ারিতে কখনও এতটা পারদ পতন হয়নি কলকাতায়। ২০০৮ সালে বছরের প্রথম দিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৪। তার পর ২০২৬-এমন হাড়কাঁপানো ঠান্ডার সাক্ষী থাকল শহরবাসী। গত বছরের শেষ দিনে শহর কলকাতার তারপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি। জাঁকিয়ে শীতকে সঙ্গে নিয়ে এবার ভরা পৌষে চলছে কল্পতরু উৎসবও। বছরের প্রথম দিনে উৎসবের মেজাজে মানুষ ভিড় জমিয়েছেন চিড়িয়াখানা, ইকো পার্ক, ভিক্টোরিয়ায়। কল্পতরু উপলক্ষে ভিড় দক্ষিণেশ্বর, জয়রামবাটী-কামারপুকুরে।

    ফের পারদ পতনের সম্ভাবনা

    বুধবার মরসুমের শীতলতম দিন কাটিয়ে ফেলেছে কলকাতা। বুধবার ভোরে কলকাতার (Winter in Kolkata) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার ভোরে তা সামান্য বেড়ে ১১.৬ ডিগ্রি হয়েছে। আজ শহর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘুরপাক খেতে পারে। গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল, যা স্বাভাবিকের থেকে ৫.৩ ডিগ্রি কম ছিল। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী তিন দিন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমবে। তার পরের চার দিন তাপমাত্রায় হেরফের হওয়ার তেমন সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ, আগামী সাত দিন শীতের কনকনানি থেকে খানিক রেহাই মিলতে পারে। তার পর ফের পারদ পতনের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় বিশেষ পরিবর্তন হবে না। তবে এর পরের চার দিন ধীরে ধীরে কমতে পারে শীত।

    জেলায় জেলায় কুয়াশার দাপট

    নদিয়া, সিউড়ি, শ্রীনিকেতন, আসানসোলের তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ৯ থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে তাপমাত্রা। কোথাও তা ১২ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে। উপকূলের জেলাতে ১৩ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা রয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৩ দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা একটু বাড়তে পারে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী চার-পাঁচ দিনই কুয়াশা থাকবে। বৃহস্পতিবার ঘন কুয়াশার সতর্কতা রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম বর্ধমানে। শুক্রবারও দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় সকালের দিকে ঘন কুয়াশা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্রই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এর ফলে দৃশ্যমানতা ৯৯৯ মিটার থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত নামতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও সকালের দিকে কুয়াশার দাপট থাকবে। বৃহস্পতি এবং শুক্রবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কালিম্পং জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে দার্জিলিঙের পার্বত্য এলাকায় তুষারপাতও হতে পারে। থাকবে কুয়াশাও।

  • Winter in Bengal: বছরের শেষ দিনই শীতলতম! নতুন বছরের শুরুতেও কনকনে ঠান্ডার পূর্বাভাস

    Winter in Bengal: বছরের শেষ দিনই শীতলতম! নতুন বছরের শুরুতেও কনকনে ঠান্ডার পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং চলছে বাংলায়। নেটিজেনদের ভাষায় কলকাতাও হয়ে গিয়েছে ‘কোল্ডকাতা’। বুধবার ভোরে কলকাতায় এক ধাক্কায় পারদ নেমে গেল ১১ ডিগ্রিতে! এখনও পর্যন্ত শহরে এটাই এই মরসুমের শীতলতম দিন (Winter in Bengal)। এর আগে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা হয়েছিল মঙ্গলবার। তবে বুধবার তার চেয়েও অনেকটা পারদপতন হয়েছে। পুরু কুয়াশার চাদরে মুড়ে আছে শহরতলির পথঘাট। তার ফলে যান চলাচলে সমস্যা হচ্ছে।

    কনকনে কলকাতা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার এক ধাক্কায় তা হয়েছে ১১ ডিগ্রি। অর্থাৎ, এক দিনে পতন প্রায় ১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়েও তা ২.৮ ডিগ্রি কম। এ ছাড়া মঙ্গলবারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ১৯.৬ ডিগ্রির উপরে ওঠেনি, স্বাভাবিকের চেয়ে যা ৫.৮ ডিগ্রি কম। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বুধবার সকাল থেকে বেলা পর্যন্ত শহরে কমবেশি কুয়াশা থাকবে। দুপুরের পর থেকে আকাশ পরিষ্কার এবং মেঘমুক্ত হবে। গত কয়েক দিনে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে শহরে। অনেকেই মনে করতে পারছেন না, শেষ কবে এমন হাড় কাঁপানো ঠান্ডা পড়েছিল। গত বছরের সঙ্গেও চলতি মরসুমের শীতের তুলনা টানা যাচ্ছে না।

    বাংলায় শীতের সুনামি

    শীতের (Winter in Bengal) প্রবল স্রোত বয়ে যাচ্ছে গোটা বাংলা জুড়ে। কলকাতা থেকে শুরু করে জেলা, সর্বত্রই মারকাটারি ঠান্ডায় কাঁপছে বঙ্গবাসী। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, উত্তুরে হাওয়ার পথে এই মুহূর্তে কোনও বাধা নেই। ফলে রাজ্য জু়ড়ে অবাধে তা প্রবেশ করছে। তার প্রভাবেই শীত বাড়ছে। অর্থাৎ নতুন বছরের শুরুর দিকেও জেলায় জেলায় বইবে শীতের সুনামি। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলি, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বীরভূমে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে। এই সব জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। অন্যদিকে উপকূলবর্তী জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।

    কুয়াশায় ঢাকা উত্তরবঙ্গ

    উত্তরবঙ্গে কুয়াশার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। কোচবিহার, জলপাইগুড়ির মতো জায়গায় বিকেলের দিকে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা প্রায় শূন্যে নেমে যাচ্ছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় বুধবার সকালে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দৃশ্যমানতা থাকবে ১৯৯ মিটার থেকে ৫০ মিটার পর্যন্ত। আপাতত আগামী ৪৮ ঘণ্টা রাজ্যজুড়ে এই শীতের পরিস্থিতি বজায় থাকবে। তবে আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন দিন পর থেকে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তুরে হাওয়ার গতিও কিছুটা কমতে পারে।

  • Winter Weather Update: মরসুমের শীতলতম দিন! কলকাতার তাপমাত্রা এক রাতেই নামল আড়াই ডিগ্রি, আরও পড়বে পারদ?

    Winter Weather Update: মরসুমের শীতলতম দিন! কলকাতার তাপমাত্রা এক রাতেই নামল আড়াই ডিগ্রি, আরও পড়বে পারদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিসেম্বরের শুরুতেই জাঁকিয়ে শীত বঙ্গে। প্রথমবার ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামল কলকাতার পারদ। আজ, শনিবার মরসুমের শীতলতম দিন৷ কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে পারদ নামল ১৪ ডিগ্রির ঘরে৷ আলিপুর আবহাওয়া দফতরের হিসেব অনুযায়ী সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ যা স্বাভাবিকের থেকে ২.১ ডিগ্রি কম। শুক্রবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে, এক রাতেই তাপমাত্রা কমল আড়াই ডিগ্রি! আলিপুরের পূর্বাভাস, এখন সবে শুরু! আরও নামবে পারদ।

    কী বলছে আবহাওয়া দফতর?

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের উপর এই মুহূর্তে আর তেমন কোনও নিম্নচাপ অঞ্চল নেই। আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী সাত দিন শুষ্কই থাকবে আবহাওয়া৷ বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। ফলে উত্তুরে হাওয়ার পথেও কেউ বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে না। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী কয়েক দিনে শীত আরও বাড়বে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী দু’দিনে দক্ষিণবঙ্গে আরও অন্তত দু’ডিগ্রি কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা। সেই সঙ্গে কনকনে শীতের অনুভূতি বজায় থাকবে জেলায় জেলায়।

    দক্ষিণবঙ্গের পূর্বাভাস

    দক্ষিণবঙ্গ জুড়েই শীতের আমেজ। দক্ষিণবঙ্গে পুরুলিয়ায় জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়েছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০-১১ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে। সপ্তাহান্তে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা অনেকটা কমছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, বীরভূমের মতো জেলাগুলিতে একধাক্কায় তাপমাত্রা পতন হয়েছে। শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গে শীতলতম স্থান ছিল শ্রীনিকেতন৷ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনি ও রবিবার রাতের দিকে তাপমাত্রা আরও ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে বলে মনে করছে আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই কুয়াশা থাকবে ভোরের দিকে।

    উত্তরবঙ্গের পূর্বাভাস

    অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে প্রধানত শুষ্ক আবহাওয়াই থাকছে। পাহাড়েও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। সপ্তাহান্তে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে তাপমাত্রা অনেকটাই নেমে যাবে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার সহ উত্তরের প্রায় সব জেলাতেই কুয়াশার দাপট থাকবে। ফলে দৃশ্যমানতার অভাব থাকবে। কুয়াশার প্রভাবে সতর্কতা জারি রয়েছে উত্তরে। শুক্রবার উত্তরবঙ্গের সমতল অঞ্চলে শীতলতম স্থান ছিল আলিপুরদুয়ার৷ তাপমাত্রা ছিল ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মালদায় তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রির আশেপাশে। ওপরের পাঁচটি জেলার মধ্যে দার্জিলিংয়ে পারদ নেমেছে ৪.৫ পাঁচ ডিগ্রিতে৷ আগামী সাত দিনে উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রার বিশেষ পরিবর্তন নেই৷

  • Weather Report: ধেয়ে আসছে অতি গভীর নিম্নচাপ, অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা দক্ষিণবঙ্গে

    Weather Report: ধেয়ে আসছে অতি গভীর নিম্নচাপ, অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা দক্ষিণবঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশমীতেই দুর্যোগের মেঘ কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে। দুর্গাপুজোর শেষ দিকে যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, আগেই তা জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তা সত্য প্রমাণিত করে যার জেরে বুধবার, নবমীর রাত থেকে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতরের রিপোর্টে আরও বলা হয়েছিল, দশমীর দিন ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সেই মতো বৃহস্পতিবার কলকাতায় জারি করা হল কমলা সতর্কতা।

    নিম্নচাপের অবস্থান…

    পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে যে নিম্নচাপটি ছিল, তা ইতিমধ্যেই উত্তর-উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়েছে এবং আরও শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আপাতত গভীর নিম্নচাপ অবস্থান করছে পশ্চিম-মধ্য এবং সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দশমীর বিকেলে-সন্ধ্যায় আরও শক্তিশালী হয়ে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। একাদশীর সকালে অতি গভীর নিম্নচাপ রূপেই এই সিস্টেম ওড়িশার গোপালপুর এবং পারাদ্বীপের মধ্যে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। যে কারণে ৪ দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকছে।

    অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

    নিম্নচাপের জেরে বুধবার রাত থেকেই বৃষ্টিতে হয়েছে কলকাতা সহ সংলগ্ন অঞ্চলে। জলমগ্ন হয়ে পড়ে একাধিক এলাকা। নিম্নচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি (৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার) হতে পারে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কমলা সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে কলকাতা ও হাওড়ায়। এ ছাড়া, বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, নদিয়াতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে পুরুলিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হবে। চলবে রবিবার পর্যন্ত।

    বৃষ্টির দোসর দমকা হাওয়া…

    বৃষ্টির পাশাপাশি, আলিপুর সতর্কতা জারি করেছে হাওয়ার দাপট নিয়েও। পূর্বাভাস, এই নিম্নচাপ ঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে ৭০ থেকে ৭৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায়। অতি বৃষ্টির সঙ্গে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড়ো হাওয়া বইবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর উপকূল জেলাতে। দক্ষিণবঙ্গের উপকূল সংলগ্ন জেলা গুলিতেও ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা বাতাস বইতে পারে। নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকবে। সমুদ্রে ঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায়। সে কারণেই শুক্রবার পর্যন্ত বাংলা ও ওড়িশার মৎস্যজীবীদের জন্য নিষেধাজ্ঞা। বাংলা ওড়িশার মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

    ভাসবে উত্তরও…!

    দক্ষিণের পাশাপাশি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা উত্তরবঙ্গেও। আবহাওয়া দফতর বলছে দ্বাদশী থেকে ত্রয়োদশীতে বৃষ্টি বাড়বে উত্তরবঙ্গ-সিকিমে। প্রবল বৃষ্টিতে বিপাকে পড়তে পারেন উত্তরের পর্যটকরা। দশমীতে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা থাকছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে মালদা ও দুই দিনাজপুরে। বৃষ্টির সঙ্গে দ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো বাতাসও বইতে পারে।

  • Puja Weather Update: মহাষ্টমীর দুপুরে বৃষ্টি শুরু কলকাতায়, নিম্নচাপের জেরে ভাসতে পারে নবমী-দশমী!

    Puja Weather Update: মহাষ্টমীর দুপুরে বৃষ্টি শুরু কলকাতায়, নিম্নচাপের জেরে ভাসতে পারে নবমী-দশমী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠী-সপ্তমীতে বিরতি দিয়ে অষ্টমীতে ফের শুরু হল বৃষ্টির ইনিংস।

    মহাষ্টমীর দুপুরে বৃষ্টি

    মহাষ্টমীর (Maha Ashtami) সকাল শুরু হয়েছিল শরতের রোদ ঝলমলে আকাশে। সকাল থেকে মণ্ডপে মণ্ডপে চলছিল পুষ্পাঞ্জলী। তবে, মহাষ্টমীর দুপুরে শহরে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েই রেখেছিল আবহাওয়া দফতর। সেই মতো, বেলা ১২টার কিছুটা পর থেকেই কলকাতায় শুরু হয়েছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২-৩ ঘণ্টা হবে এই বৃষ্টিপাত। একইসঙ্গে, তাদের পূর্বাভাস, দক্ষিণ কলকাতায় বেশি পরিমাণে হবে বর্ষণ। পাশাপাশি, দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলাতেও মাঝারি বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। এই জেলাগুলি হল পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদ এব‌ং পূর্ব মেদিনীপুর। এই জেলাগুলির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    আবহাওয়ার পূর্বাভাস

    এদিকে, হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, বর্তমানে একটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপ রয়েছে খাম্বাত উপসাগরের কাছে। তার সঙ্গে জোড়া অক্ষরেখা দক্ষিণ গুজরাট থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। একইসঙ্গে ৩০ সেপ্টেম্বর আন্দামান সাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেটি ঘনীভূত হয়ে ১ অক্টোবর নাগাদ নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, এই নিম্নচাপটি ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের দিকে আসতে পারে, এমন সম্ভাবনা আছে। ফলে নবমী থেকে দশমী পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গজুড়ে আবহাওয়া পাল্টে যাবে বলে আশঙ্কা।

    ভাসবে নবমী-দশমী?

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, নবমী থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দশমীতে অতি ভারী বৃষ্টিতে ভাসতে পারে দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলা। দশমীর দিন ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে কলকাতা, হাওড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায়। বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি চলবে। ওই দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি (৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার) হতে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি এবং পূর্ব মেদিনীপুরে। ওই চার জেলার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগ!

    দক্ষিণবঙ্গে যখন বৃষ্টিপাত হবে, উত্তরবঙ্গে আবার দুর্যোগের আশঙ্কা। সেখানে দার্জিলিং-সহ পার্বত্য পাঁচ জেলাতে রয়েছে দুর্যোগের আশঙ্কা। ভারী বৃষ্টি দেখা যাবে মালদহ, দুই দিনাজপুরে। এই ভাবে ঝড়-বৃষ্টি-বাদল নিয়ে কাটাতে হবে শুক্রবার পর্যন্ত। চলতি সপ্তাহের শনিবার থেকেই কমবে বৃষ্টিপাত। রবিবার একেবারে হালকা হয়ে যেতে পারে বৃষ্টি।

  • Weather Update: আসছে আগের চেয়ে শক্তিশালী নিম্নচাপ! পুজোর মূল চারদিনও কি ভাসবে কলকাতা?

    Weather Update: আসছে আগের চেয়ে শক্তিশালী নিম্নচাপ! পুজোর মূল চারদিনও কি ভাসবে কলকাতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে নতুন করে তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ। শুক্রবারের মধ্যেই তা ঘনীভূত হওয়ার কথা। উৎসবমুখর (Weather Update) মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন দুর্গাপুজোর আনন্দে কি তাহলে আঘাত হানবে অসুর বৃষ্টি? বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাতেও ফের এক পশলা বৃষ্টিতে (Rain in Kolkata) ভিজেছে শহর। বৃষ্টি মাথায় করেই মণ্ডপমুখী হয়েছে পুজোপ্রেমীরা। শুক্রবারও হালকা বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। পূর্ব বর্ধমান এবং হুগলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। ঝড়বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিম বর্ধমান এবং বাঁকুড়াতেও। এই দুই জেলায় হলুদ সতর্কতা রয়েছে।

    উপকূলঘেঁষা জেলাগুলিতে দুর্যোগের সম্ভাবনা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে উত্তর ও সংলগ্ন মধ্য বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে। তা থেকে নতুন যে নিম্নচাপটি তৈরি হয়েছে, সেটি আগেরটির চেয়েও বেশি শক্তিশালী। শুধু নিম্নচাপ হিসেবে এটি থেমে থাকবে না, আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপের আকার নেবে। তার পর স্থলভাগে প্রবেশ করবে। এর জেরে উপকূলবর্তী এলাকায় চলতে পারে দুর্যোগের তাণ্ডব। তবে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে নয়, এই নিম্নচাপ দক্ষিণ ওড়িশা এবং উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। ফলে দুর্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে ওই দুই রাজ্যে। পশ্চিমবঙ্গের উপকূলঘেঁষা জেলাগুলিতেও দুর্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে। হতে পারে ভারী বর্ষণ। মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    পুজোয় চলবে মেঘ-বৃষ্টির খেলা

    হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ থেকে মেঘপুঞ্জ ঢুকে পড়ে বাংলার আকাশে। আর তাতেই বৃষ্টির সাক্ষী থাকে কলকাতা (Rain in Kolkata)। কলকাতায় জারি কমলা সতর্কতা। সন্ধ্যা ঘনাতেই প্রবল বৃষ্টি দেখা যায় উত্তর ২৪ পরগনা, বসিরহাট, হওড়া অঞ্চলে। ধীরে সেই মেঘপুঞ্জ ভাঙড়, নিউ টাউন, সল্টলেক হয়ে কলকাতার দিকেও অগ্রসর হয়। কলকাতাতেও নানা প্রান্তে ফের প্রবল বর্ষণের ছবি দেখা যায়। ২৬ তারিখ রাত থেকে ২৮ তারিখ সকাল পর্যন্ত নিম্নচাপের সবচেয়ে বেশি প্রভাব দক্ষিণবঙ্গে পড়বে। আকাশ মূলত মেঘাচ্ছন্ন থাকবে। সঙ্গে কিছুটা বৃষ্টি হবে। পূর্বাভাস বলছে, আপাতত সপ্তমী পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরে বিক্ষিপ্ত ভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। তার পর বৃষ্টি কমতে পারে। তাই পুজোর প্রথম দু-একদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে শহরে। শাস্ত্র অনুযায়ী এবার দেবীর আগমন গজে। এটি শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক। গজে আগমন হলে বসুন্ধরা শস্য শ্যামলা হয়ে ওঠে। বৃষ্টিও হয় অল্প-বিস্তর।

  • Weather Report: দুর্গা পুজোতে নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! ষষ্ঠী থেকে দশমী কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    Weather Report: দুর্গা পুজোতে নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! ষষ্ঠী থেকে দশমী কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    মাধ্যম ডেস্ক নিউজ: হাতে গোনা কয়েক ঘণ্টা পরেই মহালয়া। শহর জুড়ে দুর্গা পুজোর (Durga Puja 2025) ব্যস্ততা তুঙ্গে। প্যান্ডেল প্যান্ডেলে সাজসজ্জার কাজ প্রায় শেষের পথ। মৃৎশিল্পীরা মূর্তি গড়ার কাজে শেষ তুলির টান দিচ্ছেন। ঠিক আগেই শনিবার বেলা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বজ্রপাতসহ মুষলধারে বৃষ্টিপাতের ফলে অনেক রাস্তায় জল জমে গিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শনিবার এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল বর্ষণের (Weather Report) সম্ভাবনা রয়েছে। একইভাবে উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ।

    জলীয়বাষ্প স্থলভাগের ঢুকে পড়ছে (Weather Report)

    হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর-পশ্চিমে উত্তরপ্রদেশ থেকে পূর্বে বাংলাদেশ পর্যন্ত বায়ুর বলয়ের উপর একটি নিম্নচাপ (Weather Report) অবস্থান করছে। তার প্রভাবেই উত্তরবঙ্গ জুড়ে লাগাতার বৃষ্টি হচ্ছে। আবার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয়বাষ্প স্থলভাগের ঢুকে পড়েছে। সেই জন্যই বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বীরভূম, মুর্শিদবাদ, নদিয়ায় ব্যাপক পরিমাণে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার মহালয়া থেকে সোমবার, মঙ্গলবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা সহ দক্ষিণ বঙ্গের সব জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে জারি করা রয়েছে হলুদ সতর্কতা।

    পঞ্চমী থেকে দশমী পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের কমবেশি বৃষ্টিপাত

    অপর দিকে উত্তরবঙ্গের ৮টি জেলায়ও ভারী বর্ষণের (Weather Report) ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে ব্যাপক বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রবিবার থেকে কোনও জেলার আবহাওয়া নিয়ে তেমন সতর্কতা নেই। দুর্গা পুজোয় আবহাওয়া কেমন থাকবে তা নিয়েও হাওয়া অফিস বিশেষ বার্তা দিয়েছে। বলা হয়েছে ষষ্ঠীর দুদিন আগে থেকে বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। এটা আরও ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপের সৃষ্টি করবে। পঞ্চমী থেকে দশমী পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের কমবেশি বৃষ্টিপাত হবে। তবে নবমী থেকে দশমী (Durga Puja 2025) পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।এদিন, কলকাতা শহরে শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২.১ ডিগ্রি বেশি। শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • Weather Update: পুজোর আগে ফের বৃষ্টি, শহরের আকাশে মেঘের আনাগোনা! মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের

    Weather Update: পুজোর আগে ফের বৃষ্টি, শহরের আকাশে মেঘের আনাগোনা! মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যালেন্ডারে বর্ষা বিদায় নিয়েছে, এসেছে শরৎ। কিন্তু বৃষ্টি পিছু ছাড়ছে না বঙ্গবাসীর। পুজোর মুখে ফের আকাশের মুখ ভার। সকাল থেকে শহরের আকাশে মেঘের ঘনঘটা। বিক্ষিপ্ত ভাবে চলছে বৃষ্টি। রবিবার মহালয়া। দক্ষিণবঙ্গের অন্তত আটটি জেলায় সে দিনও ঝড়়বৃষ্টি হতে পারে, জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। রাজ্যের নানা প্রান্তেই বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পুজোর আগে শেষ শনি ও রবিবার বৃষ্টির ফলে বানচাল হতে পারে কেনাকাটা। মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের। পুজোর মধ্যেও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।

    উত্তর থেকে দক্ষিণে চলছে বৃষ্টি

    শুক্রবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা সাত জেলাতে (Rain in Kolkata)। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা-মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের বেশিরভাগ এলাকাতে। উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। দার্জিলিং-সহ উপরের পাঁচ জেলাতে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে দমকা ঝোড়ো বাতাস বইবে। আগামিকাল, শনিবার থেকে কমবে বৃষ্টির পরিমাণ। শনিবার থেকে মঙ্গলবার বৃষ্টির সম্ভাবনা কিছুটা কমবে থাকবে। আজ, শুক্রবার ভারী বৃষ্টির‌ হলুদ সতর্কতা। ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলাতে। শনিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ার জেলাতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা-মাঝারি বৃষ্টি হবে সব জেলাতেই। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে দমকা ঝোড়ো বাতাসের সতর্কতা।

    সাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত

    সাগরে কিছু দিন আগেই ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছিল। এখন তা পূর্ব বিহার এবং সংলগ্ন অঞ্চলের উপরে রয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঘূর্ণাবর্তটি এখন দেড় কিলোমিটার উঁচুতে। মূলত এর প্রভাবেই বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে। তার ফলে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজ্য জুড়ে। শুক্রবার কলকাতার (Rain in Kolkata) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের তুলনায় ২.৩ ডিগ্রি বেশি। বৃহস্পতিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে এক ডিগ্রি বেশি। কলকাতায় সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। কোথাও টিপটিপ তো কোথাও এক পশলা। মহালয়ায় কলকাতায় আবহাওয়া সংক্রান্ত কোনও সতর্কতা এখনও পর্যন্ত নেই। দু’-এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে কোথাও কোথাও। তবে তার পরের দিন কলকাতাও ভিজতে পারে। সোমবার দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।

  • Weather Update: সেপ্টেম্বর মাস জুড়েই বৃষ্টি হবে! পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের, মাটি হবে পুজো?

    Weather Update: সেপ্টেম্বর মাস জুড়েই বৃষ্টি হবে! পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের, মাটি হবে পুজো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসের শেষে দুর্গাপুজো। ইতিমধ্যেই, মানুষ বৃষ্টি মাথায় করেই কেনাকাটা শুরু করে দিয়েছেন। পাড়ায় পাড়ায় প্যান্ডেলের কাজও চলছে পুরোদমে। তার মধ্যেই আশঙ্কার কথা শোনাল আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। পূর্বাভাস, গোটা সেপ্টেম্বর মাস জুড়েই বৃষ্টি চলবে। পুজোয় বৃষ্টি হবে। লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস কার্যত দেওয়া হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফ থেকে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের আবহবিদরা জানিয়েছেন, পুজোয় বর্ষা পুরো ছন্দেই থাকছে। এখনই বর্ষা বিদায়ের কোনও সম্ভাবনাই নেই। তাঁদের মতে, অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত রাজ্যে মৌসুমী বায়ু এবং মৌসুমী অক্ষরেখা সক্রিয় থাকতে পারে। তবে পুজোয় কোন দিন কতটা বৃষ্টি তা সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে নির্দিষ্ট করে জানাতে পারবে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    বঙ্গোপসাগরে নতুন নিম্নচাপ

    এদিকে, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেতেও নিম্নচাপের বৃষ্টি অব্যাহত বঙ্গে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে (Weather Update)। বুধবার এটি ক্রমশ ও পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বিকেলের পর সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হবে এবং ওড়িশা উপকূলে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। মঙ্গলবার দিনভর জেলায় জেলায় দফায় দফায় বৃষ্টির পর আজ বুধবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা (Heavy Rain Alert) রয়েছে। বুধবার সকাল থেকেই কলকাতায় আকাশের মুখভার। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েই চলেছে। বৃষ্টির জেরে ফের একবার কলকাতার নিচু এলাকাগুলি নতুন করে জলমগ্ন হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

    দক্ষিণবঙ্গে সতর্কতা

    আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট, নিম্নচাপের প্রভাবে চলতি সপ্তাহজুড়ে দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিরও সতর্কতা রয়েছে (Weather Update)। পূর্বাভাস, আগামী ৪৮-ঘণ্টা ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রামে। বৃহস্পতি ও শুক্রবারে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলা— কলকাতা, হাওড়া, হুগলিতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। শনি ও রবিবার বৃষ্টি কমলেও সোমবার ফের বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে বলে অনুমান।

    উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি

    অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি চলবে। আগামী ২৪-ঘণ্টা ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায়। আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুরের মতো জেলাগুলিতে আজ প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে (Weather Update)। কম-বেশি বৃষ্টি চলতে পারে উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। শুক্রবার ও শনিবারও বৃষ্টির পরিমাণ কম থাকবে। তবে রবিবার থেকে ফের বাড়বে বৃষ্টির পরিমাণ। রবিবার ও সোমবার, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।

LinkedIn
Share