Tag: Weather

Weather

  • Bengal Weather Update: ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে টানা চার দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Bengal Weather Update: ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে টানা চার দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার দুপুর থেকেই আকাশ কালো করে ঝেঁপে বৃষ্টি নামল কলকাতায় (Kolkata)। সকাল থেকে গুমোট গরমে হাঁসফাঁস করছিল শহরবাসী, কিন্তু দুপুরের পরে তুমুল বৃষ্টিতে কাটল সেই অস্বস্তি। হাওয়া অফিস (Bengal Weather Update) সূত্রে খবর, মঙ্গলবার থেকে টানা চারদিন এমনই বৃষ্টি (Rain) হবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে।  হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ওড়িশা উপকূল সংলগ্ন উত্তর পশ্চিম এবং পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় যা নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তার জেরেই আগামী চারদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    কী বলছে হাওয়া অফিস

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Bengal Weather Update) সূত্রে খবর, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। সেই ঘূর্ণাবর্ত ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে। শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণাবর্ত ওড়িশা উপকূলের দিকে এগিয়ে আসার কথা। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এই ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তার জেরেই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি হতে পারে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামের দু’একটি এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে শুক্রবার অবধি। কলকাতা সহ বাকি জেলার দু’একটি এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। ঘূর্ণাবর্তের কারণে বুধবার থেকেই তাপমাত্রা একটু কমবে।

    উত্তরবঙ্গে হালকা বৃষ্টি

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে অল্প। মঙ্গল এবং বুধবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দুই দিনাজপুর, মালদহের কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে। আগামিকাল থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে উত্তরবঙ্গে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টিপাত হতে পারে আগামী কয়েকদিন। সঙ্গে হতে পারে বজ্রপাত। এদিকে উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায় বজ্রপাত সহ হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে আগামী কয়েকদিন। এই সপ্তাহে উত্তরের কোনও জেলাতেই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। 

    আরও পড়ুন: চন্দ্রযান ৩-এর যা খরচ, মমতা তার ৫৭ শতাংশ বিলিয়ে দিচ্ছেন পুজো কমিটিগুলিকে!

    শহরের আবহাওয়া

    মঙ্গলবার বিকেলে দেওয়া দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার (West Bengal Weather) পূর্বাভাস অনুযায়ী, শহরে আগামী কয়েকদিন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হবে। মঙ্গলবার সকালে শহরের আকাশ ছিল রোদ ঝলমলে। দুপুর গড়াতেই মেঘের চাদরে ঢাকল সূর্য। কয়েক পশলা বৃষ্টিতে জলমগ্ন শহরের বেশ কিছু অঞ্চল। আগামিকাল, বুধবার থেকে ফের বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে দক্ষিণবঙ্গে। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় বজ্রপাত সহ মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। এর জেরে গোটা দক্ষিণবঙ্গে জারি থাকবে হলুদ সতর্কতা। 

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kedarnath Yatra: ফুঁসছে মন্দাকিনী ও অলকানন্দা, অতি ভারী বৃষ্টির কারণে বন্ধ কেদারনাথ যাত্রা 

    Kedarnath Yatra: ফুঁসছে মন্দাকিনী ও অলকানন্দা, অতি ভারী বৃষ্টির কারণে বন্ধ কেদারনাথ যাত্রা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনপ্রয়াগ এবং গৌরীকুণ্ডে এক নাগাড়ে বৃষ্টির ফলে বন্ধ করা হল কেদারনাথ যাত্রা (Kedarnath Yatra)। টানা বৃষ্টিতে জেরবার দেবভূমি উত্তরাখণ্ড।  এই পরিস্থিতিতে কেদারনাথ যাত্রা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। বুধবার একথা জানিয়ে দেওয়া হয়। ক্রমাগত খারাপ আবহাওয়া ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই জেলা প্রশাসন সোনপ্রয়াগ ও গৌরীকুন্ডে পুণ্যার্থীদের থামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  ভারী বর্ষণের কারণে মন্দাকিনী ও অলকানন্দা নদীতে বিপদসীমার ওপর দিয়ে জল বইছে।

    ধসের কারণে বন্ধ রাস্তা

    বুধবার সমগ্র উত্তরাখণ্ড এবং উত্তর প্রদেশের পশ্চিমাংশের বিক্ষিপ্ত এলাকায় অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। এর ফলে পুণ্যার্থীদের জন্য কেদারনাথ যাত্রা নিরাপদ নয়। খারাপ আবহাওয়ার কবলে পড়ে যাত্রীদের প্রাণের আশঙ্কাও থাকতে পারে। সেই কারণে কেদারনাথ ধাম যাত্রা (Kedarnath Yatra) বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে জেলা প্রশাসন তাঁদের সোনপ্রয়াগ ও গৌরীকুণ্ডে আটকে দিয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণেই কেদারনাথ যাত্রা ব্যাহত হয়েছে। বেশ কিছু রাস্তা ধসের কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নাগাড়ে বৃষ্টি, বিপর্যস্ত উত্তর ভারত, মৃতের সংখ্যা শতাধিক

    জারি কমলা সতর্কতা

    প্রশাসন সূত্রে খবর, ক্রমাগত ভারী বৃষ্টির কারণে অলকানন্দা এবং মন্দাকিনী নদীর জলস্তর অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। ধসের ফলে চারটি রাজ্য সড়কের পাশাপাশি অন্যান্য দশটি সড়কে যাতায়াত করা দুষ্কর হয়ে উঠেছে। যান চলাচলেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। বুধবার উত্তরাখণ্ডে ভারী বর্ষণের কারণে কমলা সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। খারাপ আবহাওয়ার পূর্বাভাসের পর রাজ্য প্রশাসন যে সমস্ত রকম বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত হয়ে রয়েছে, মঙ্গলবার সেই আশ্বাস দিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। তিনি বলেন, ‘‘প্রতি বছর বর্ষার সময় আমরা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মুখীন হই। ভারী বৃষ্টির কারণে ধস নামে, নদীর জলস্তর ফুলেফেঁপে ওঠে। আমরা সম্পূর্ণ সতর্ক রয়েছি। রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিক থেকে শুরু করে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সকলেই নিজেদের দায়িত্ব পূরণ করছেন। যে কোনও রকমের পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য তাঁরা প্রস্তুত রয়েছেন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: ৪ ডিগ্রি কমল কলকাতার তাপমাত্রা, ভোটের দিন গ্রাম বাংলার আবহাওয়া কেমন?

    Weather Update: ৪ ডিগ্রি কমল কলকাতার তাপমাত্রা, ভোটের দিন গ্রাম বাংলার আবহাওয়া কেমন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই শহরের আকাশে মেঘের আনাগোনা। মাঝে মাঝে সূর্যের দেখা মিললেও তা ক্ষণস্থায়ী। মেঘলা আকাশ থাকায় ৪ ডিগ্রি কমল কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update)। শনিবার পঞ্চায়েত ভোট (WB Panchayat Election)। গোটা বাংলার পাশাপাশি ২২ বছর পর ভোট হবে পাহাড়েও। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Poll) দিন, বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি  হলেও গরম বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। তবে উত্তরবঙ্গ কিন্তু ভাসবে প্রবল বৃষ্টিতে। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে উত্তরে। 

    ভারী বৃষ্টি উত্তরে

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update), ভোটের দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি ভোগাতে পারে। উত্তরবঙ্গে  হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মাঝে বিক্ষিপ্তভাবে দু এক জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টি চলবে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি জেলায়। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে বেশী বৃষ্টির সতর্কতা। বৃষ্টির পরিমাণ কমবে মালদা উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে।

    আরও পড়ুন: “নন্দীগ্রামে আর একটা ১৪ মার্চ ঘটাতে চায় মমতা ব্যানার্জি”, আশঙ্কা শুভেন্দুর

    হালকা বৃষ্টি দক্ষিণে

    বিক্ষিপ্তভাবে দু-এক পশলা বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা-সহ শহরতলির বিভিন্ন অংশে। জলীয় বাষ্প থাকায় অস্বস্তি থাকবে বলে আগেই জানিয়ে রেখেছে আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ কেটে গেল এখনও ঝেঁপে বৃষ্টি থেকে বঞ্চিত কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলা। ফলে গরম জনিত অস্বস্তি থেকে এখনও নিস্তার পায়নি বঙ্গবাসী। কলকাতায় সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৭ ডিগ্রি। বৃহস্পতিবার  সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.৮ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৮৫ থেকে ৯৪ শতাংশ। বৃষ্টি হয়েছে ১১ মিলিমিটার। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, দুই বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কোনও কোনও জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বৃষ্টির সাময়িক বিরতি! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে ৪ ডিগ্রি বাড়তে পারে তাপমাত্রা

    Weather Update: বৃষ্টির সাময়িক বিরতি! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে ৪ ডিগ্রি বাড়তে পারে তাপমাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকালেই ‘সুয্যিমামা’দেখা দিয়েছেন। পরিষ্কার আকাশ। আাপাতত বৃষ্টিবাদলার বিরতি। সপ্তাহান্তে দক্ষিণবঙ্গে ফের বাড়বে তাপমাত্রা, সঙ্গে ঘাম, অস্বস্তি। আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে। তবে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিও চলবে। কলকাতায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। আংশিক মেঘলা আকাশ। আজ সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে যথাক্রমে ৩০ ও ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আপেক্ষিক আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৯২ শতাংশ। ফলে প্যাচপ্যাচে গরম বাড়বে।

    মাঝারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস

    শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের তিনটি জেলায় উত্তর ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় বিক্ষিপ্তভাবে (Weather Update) ভারী বৃষ্টি হবে। বাকি জেলাগুলিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূম বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া দফতর বলছে, আজ, শুক্রবার থেকেই কমছে বৃষ্টির পরিমাণ। বাতাসে আর্দ্রতাও বেড়ে যাবে বেশ খানিকটা। দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনায় আজ অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকলেও, ঠান্ডা ভাব স্থায়ী হবে না।

    আরও পড়ুন: বর্ষায় বাড়ছে ত্বকের সংক্রমণ! কাদের ঝুঁকি বেশি?

    দক্ষিণবঙ্গে বাড়তে পারে তাপমাত্রা

    বৃহস্পতিবার আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানিয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের ওপরে একটি অক্ষরেখা রয়েছে, যার ফলে ২-৩ দিন কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকছে। সেটা সত্যি হলে গরম থেকে সামান্য রেহাই পেতে পারে কলকাতাবাসী। এর পরে আগামী এক সপ্তাহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস আছে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ কমই থাকবে। আবহাওয়া দফতর বলছে, শনিবার থেকে আগামী ২-৩ দিনে চার ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গে অবশ্য হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে সব জেলাতেই। ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে। তবে কাল, শনিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে উত্তরবঙ্গে। ইতিমধ্যেই একাধিক এলাকায় জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Biparjoy: আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’! গুজরাটে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

    Cyclone Biparjoy: আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’! গুজরাটে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমশ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’ (Cyclone Biparjoy)। ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্র ও গুজরাটের উপকূলীয় এলাকাগুলিতে ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আগামী পাঁচদিন গুজরাটের একাধিক জেলার জন্য সতর্কতা জারি করেছে আইএমডি। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ১৫ জুন, বৃহস্পতিবার এই ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ডফল ঘটবে। সেই সময় এই ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৯৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা হতে পারে।

    ল্যান্ডফল ১৫ জুন সন্ধ্যায়

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয় (Cyclone Biparjoy) ১৫ জুন সন্ধ্যার দিকে সৌরাষ্ট্র ও কচ্ছের ওপর দিয়ে যাবে। গুজরাটের জাখাউ বন্দরের ওপর দিয়ে ভূ-ভাগে আছড়ে পড়বে ‘বিপর্যয়’। গুজরাট উপকূলে জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। আজ ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ এই ঘূর্ণিঝড়টি পোরবন্দরের ৩০০ কিমি পশ্চিম দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এদিকে জাখাউ বন্দরের ৩৪০ কিমি দক্ষিণ দক্ষিণ-পশ্চিমে আছে এই ঝড়। দ্বারকার ২৯০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে আছে বিপর্যয়। আজ পোরবন্দর, দ্বারকায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া রাজকোট, জুনাগড়, জামনগর, কচ্ছ জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া গির সোমনাথ এবং মোরবিতে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    ‘বিপর্যয়’ রুখতে প্রস্তুতি

    ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Biparjoy) যে শক্তি রয়েছে, তাতে ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, গুজরাটের কচ্ছ, দ্বারকা এবং জামনগর জেলা সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সরকারের তরফে (Cyclone Biparjoy) আগাম প্রস্তুতি হিসেবে ২১ হাজারের বেশি নৌকাকে তীরে আনা হয়েছে। ঝুঁকির মধ্যে থাকা উপকূলবর্তী গ্রামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। পর্যাপ্ত আশ্রয়স্থল তৈরির দাবি করেছে সরকার। এছাড়া ওষুধ ও জরুরি পরিষেবাও তৈরি রাখা হয়েছে। এসডিআরএফের ১০টি দলকে গুজরাটে পাঠানো হয়েছে। এনডিআরএফের তিনটি দল আগে থেকে গুজরাটে ছিল। আরও ১২টি দলকে সেখানে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও ১৫ টি দলকে জরুরি ভিত্তিতে বিমানে করে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আনা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: আমেরিকায় মোদিকে স্বাগত জানাবে ২১ গান স্যালুট! ভাবনা বাইডেন প্রশাসনের

    ইতিমধ্যেই ৩৫ হাজারের বেশি মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ট্রেন পরিষেবা পুরোপুরি কিংবা আংশিক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। কেন্দ্রের তরফে খাদ্য, রেশন, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য ভিত্তিক জরুরি পরিষেবা তৈরি রাখা হয়েছে। উপকূল এলাকায় কাজ করা শ্রমিকদের সরানো হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Biparjoy) মোকাবিলায় তেলের কূপগুলি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। সেইসব জায়গায় থাকা সব মানুষকে ফিরিয়ে আনতে নির্দেশ দিয়েছে সরকার। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশ! শনি ও রবিবার বৃষ্টির পূর্বাভাস শহরে

    Weather Update: উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশ! শনি ও রবিবার বৃষ্টির পূর্বাভাস শহরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। চলছে মেঘ-রোদের লুকোচুরি। শুক্রবার স্বস্তির বৃষ্টি নেমেছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। তার জেরে তাপমাত্রাও কমেছে অনেকটা। শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হবে,গরমও একটু কম থাকবে,জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। 

    শহরে গরম থেকে সাময়িক স্বস্তি

    উপকূলবর্তী জেলাগুলির জন্যে কিছুটা হলেও স্বস্তির বার্তা দিয়েছে হাওয়া অফিস। পূর্বাভাস অনুযায়ী (Weather Update), উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত ভাবে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ঝাড়গ্রাম, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও থাকবে। সোমবার বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে শহরে। কলকাতা শহরে আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৪ ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৫৩ থেকে ৯৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১৯ মিলিমিটার।

    পশ্চিমে তাপপ্রবাহ চলবে

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update), দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমে তাপপ্রবাহ চলবে।  মঙ্গলবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহ চলবে পুরুলিয়া বাঁকুড়া বীরভূম ঝাড়গ্রাম পশ্চিম মেদিনীপুর পশ্চিম বর্ধমানে। আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি ওই জেলাগুলিতে বৃষ্টি নামতে পারে।

    আরও পড়ুন: স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজল কলকাতা, গরমের গেরো কাটবে কবে?

    উত্তরবঙ্গে বর্ষা

    উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলাতে ভারী বৃষ্টির পরিমান বাড়বে বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে বিশেষ করে ওপরের পাঁচ জেলা অর্থাৎ দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে ৯ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত টানা বৃষ্টি চলবে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু যায়গায় ভারী ও কিছু জায়গায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে। । প্রায় ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহার আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলার বেশ কিছু এলাকায়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone: বাংলাদেশ-মায়ানমার উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ‘মোকা’, শুক্র থেকে রাজ্যে বৃষ্টি?

    Cyclone: বাংলাদেশ-মায়ানমার উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ‘মোকা’, শুক্র থেকে রাজ্যে বৃষ্টি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হল বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সন্ধের মধ্যেই নিম্নচাপ পরিণত হবে গভীর নিম্নচাপে। বুধবার পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ঘূর্ণিঝড়ে (Cyclone)। ১৪ থেকে ১৫ মে-র মধ্যে ওই ঘূর্ণিঝড় ঘণ্টায় ১৫০ কিমি বেগে আছড়ে পড়তে পারে বাংলাদেশ-মায়ানমার উপকূলে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গতকালের নিম্নচাপ আরও একটু ঘনীভূত হয়েছে। ১০ তারিখে সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। বাংলাদেশ ও মায়ানমার উপকূলের দিকে সেটির অভিমুখ হতে পারে।

    ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone) প্রভাব…

    এদিকে, প্রবল গরমে পুড়ছে দক্ষিণবঙ্গ। রাজ্যের কয়েকটি জেলায় জারি হয়েছে তাপপ্রবাহের সতর্কতা। এরই মধ্যে এল বৃষ্টির পূর্বাভাস। আলিপুর আবহাওয়া দফতর মঙ্গলবার জানাল, সপ্তাহান্তের শুরুতেই রাজ্যে বেশ কিছু জেলায় (Cyclone) বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যা চলবে রবিবার পর্যন্ত। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, শুক্রবার থেকে বৃষ্টি শুরু হতে পারে কলকাতা সংলগ্ন এবং রাজ্যের উপকূলবর্তী চার জেলায়। আপাতত উপকূলবর্তী দুই ২৪ পরগনা এবং মেদিনীপুরে তিনদিন বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহবিদরা। আলিপুর হাওয়া অফিসের অধিকর্তা বলেন, ১০ তারিখ তাপমাত্রা বাড়বে। পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতা ছাড়া দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় আগামিকাল তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হবে। তবে আগামী ১২ ও ১৩ মে রাজ্যের উপকূলবর্তী তিন জেলা অর্থাৎ দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    এদিকে, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে ১১ মে মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে উত্তরবঙ্গের দুই জেলা দার্জিলিং ও কালিম্পঙের পাশাপাশি জলপাইগুড়িতে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    আরও পড়ুুন: “স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিকাঠামো না থাকা সরকারের ব্যর্থতা,” রাজ্যকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    আবহবিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ১৪ মে সকাল থেকে ১৫ মে সকালের মধ্যে ঘূর্ণঝড় (Cyclone) মোকা বাংলাদেশ বা মায়ানমার উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। তাঁদের অনুমান সঠিক হলে, মোকার উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করার সম্ভাবনা অনেকটাই কম। মোকা উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ না করলে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে মেঘলা আকাশ, হালকা বৃষ্টি ও সামান্য ঝোড়ো বাতাস ছাড়া আর কোনও প্রভাব সেভাবে পড়বে না বলেই অনুমান আবহবিদদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Cyclone Mocha: ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই পারদ চড়ছে শহরে! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Cyclone Mocha: ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই পারদ চড়ছে শহরে! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’ (Cyclone Mocha)। ইতিমধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। ক্রমশ সময় নিয়ে ঘনীভূত হচ্ছে ‘মোকা’। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ আন্দামান সাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত আজ, সোমবার পরিণত হবে নিম্নচাপে। উত্তর আন্দামান সাগর ও মধ্য বঙ্গোপসাগরে পৌঁছে এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। আবহবিদদের অনুমান, পশ্চিমবঙ্গে এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ার তেমন সম্ভাবনা নেই।

    ঘামছে কলকাতা

    ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’ (Cyclone Mocha) নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই রবিবার থেকেই আবার গরমে ঘামছে কলকাতা। সোমবার সকাল থেকেই চড়া রোদের দাপট শহরে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই অস্বস্তি বাড়বে। আলিপুর সূত্রে খবর, আগামী কয়েক দিন গরম বাড়বে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। আপাতত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি করে বৃদ্ধি পেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরের জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সোম এবং মঙ্গলবার দার্জিলিং, কালিম্পঙে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বাকি জেলাগুলিতে আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। ‘মোকা’র পরোক্ষ প্রভাবে মঙ্গলবার থেকে অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে রাজ্যে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: শুভেন্দুর সভা ফেরত বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা ফের আক্রান্ত, অভিযুক্ত তৃণমূল

    ‘মোকা’ নিয়ে সতর্কতা

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে যে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে, তা সোমবার নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। মঙ্গলবার তা ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার বা তার পর ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে। তারপরই আবহাওয়ায় রদবদল লক্ষ্য করা যাবে। স্বাভাবিকভাবেই ঝড় নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে। ‘মোকা’র প্রভাবে পর্যটকদের জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সমুদ্র ও তার তীরবর্তী সমস্ত বিনোদনমূলক কার্যক্রম বন্ধ রাখতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ওই সময়ে মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কবার্তা এবং পর্যটকদের ভেসেল না চালানোর পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি রয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে তুমুল হাওয়া বইবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। সোমবার সেই ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে বলে অনুমান আবহবিদদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Mocha: আসছে ঘূর্ণিঝড় মোখা! জানেন কোথায় আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা?

    Cyclone Mocha: আসছে ঘূর্ণিঝড় মোখা! জানেন কোথায় আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে চলেছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস মতোই শনিবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হল। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ওই অঞ্চলে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার সকালেই নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে। এই নিম্নচাপই পরবর্তী সময়ে আরও গভীর হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আন্দামান নিকোবরে সতর্কতা

    আইএমডি জানিয়েছে, ৮ মে নাগাদ বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্বে এই ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশায় এর প্রভাব পড়বে, বলে অনুমান আবহবিদদের। এই নিম্নচাপের প্রভাব আন্দামান নিকোবরে পড়তে শুরু করবে আগামীকাল থেকেই। রবিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের সময় উপকূলবর্তী এলাকায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সতর্কতা জারি করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের জন্য। রবিবার বিকেলের মধ্যে মৎস্যজীবীদের উপকূলে ফিরে আসতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভেসেল চলাচল ও সমুদ্রপাড়ে কোনও কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ।

    ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে এটি আরও ঘনীভূত হবে। এর পর এটি প্রায় উত্তর দিকে আরও ঘনীভূত হয়ে মধ্য বঙ্গোপসাগরের দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা। তবে ঘূর্ণিঝড় কোন পথ দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘূর্ণিঝড়টি একেবারে তৈরি হলে তারপরেই এর গতিপথ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা মিলবে।

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ায় শীর্ষে বাংলা! উদ্বেগজনক রিপোর্ট স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

    বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরির পর সামগ্রিক পরিস্থিতির উপর সর্বদা নজর রাখছেন আবহবিদরা। ইতিমধ্যেই ঘূর্ণিঝড় ঘিরে তৎপর হয়েছে রাজ্য প্রশাসন। বিধাননগর এলাকায় গাছ কাটা শুরু হয়েছে। দুর্যোগ সামলাতে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি কলকাতা পুর কর্তৃপক্ষের। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ওড়িশাতেও তৎপরতা শুরু হয়েছে। সে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিকে আগাম প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হলেও বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। উল্টে ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone: ধেয়ে আসছে ‘মোখা’ !  মে মাসেই কি ফের ঘূর্ণিঝড়,  কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Cyclone: ধেয়ে আসছে ‘মোখা’ ! মে মাসেই কি ফের ঘূর্ণিঝড়, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেই বাংলাদেশ সীমান্তে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে। এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে পিএইচডি গবেষক এবং আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ। ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মোখা’। ইয়েমেনের দেওয়া এই নাম।

    আমেরিকার গ্লোবাল ফোরকাস্টের তথ্য অনুসারে, আগামী ১০ মে’র আশপাশে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় মোখা (Cyclone Mocha) তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর সেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবিলা করতে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে রাজ্য সরকার। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য এবার মে মাসেই খোলা হচ্ছে কন্ট্রোল রুম। মঙ্গলবার নবান্ন (Nabanna) সভাঘরে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের (Disaster Management Department) সঙ্গে একটি জরুরি বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। 

    বাংলায় ঘূর্ণিঝড়

    গত কয়েক বছরে মে মাসে একের পর এক ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। ২০২০ সালে ধেয়ে এসেছিল ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’। যার তাণ্ডবে পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। লন্ডভন্ড হয়েছিল কলকাতাও। পরের বছর, ২০২১ সালে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’। ২০২২ সালের মে মাসে তৈরি হয়েছিল ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’। ওই বছরের অক্টোবর মাসে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’। আশঙ্কা সত্যি বলে, আবার মে মাসে আরও একটি ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসতে পারে।

    বাংলার উপর প্রভাব

    এই ঘূর্ণিঝড় মোখা বাংলার উপকূলের উপর কতটা প্রভাব ফেলবে, সেই বিষয়টি অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। ওই ঘূর্ণিঝড়টি ১৪ মে মধ্যরাত থেকে বরিশাল এবং চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় এলাকা দিয়ে সরাসরি স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে। শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসাবে স্থলভাগে আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ১৪০ থেকে ১৭০ কিলোমিটার।

    আরও পড়ুুন: ‘তৃণমূল হার্মাদরা তালিবানের থেকে কোনও অংশে কম নয়’! বিস্ফোরক সুকান্ত

    আগামী ৬ মে, অর্থাৎ, শনিবার দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হতে পারে। তার প্রভাবে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় ওই অঞ্চলে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঘূর্ণাবর্ত ৮ থেকে ৯ মে-এর মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হবে। ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর ও মধ্য বঙ্গোপসাগরে এটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপ থেকে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। ১০ থেকে ১২ মে-এর মধ্যে এই গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। সেই ঘূর্ণিঝড় ১৪ মে থেকে ১৭ মে-এর মধ্যে বাংলাদেশ-এর চট্টগ্রাম থেকে মায়ানমারের রাখাইন কুলের মাঝামাঝি কোথাও স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share