Tag: Weight loss tips

Weight loss tips

  • Weight Loss Tips: এই পাঁচ খাদ্যাভ্যাসে আপনার ওজন কমবে, শরীর ফিট থাকবে

    Weight Loss Tips: এই পাঁচ খাদ্যাভ্যাসে আপনার ওজন কমবে, শরীর ফিট থাকবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতিকায় শরীর হল বিভিন্ন রোগ টেনে আনার অন্যতম কারণ। ইংরেজিতে একে বলে ওবেসিটি (obesity)। শুধু কি তাই! অতিরিক্ত মোটা বা রোগা এই দুধরনের শরীরই ব্যক্তিত্বে প্রভাব ফেলে। টিন-এজ থেকে পৌঢ় প্রত্যেকেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নানা রকমের উপায় (Weight Loss Tips) খুঁজতে থাকে। সবথেকে জনপ্রিয়তা এক্ষেত্রে জিমের রয়েছে। ওয়েটলিফটিং হোক বা ফ্রি-হ্যান্ড, কার্ডিও হোক বা ক্যালিসথেনিক্স— এসব নিয়ে কসরত করতে দেখা যায় সব বয়সের মানুষদেরই। জমজমাট থাকে জিম। ছোট শহর থেকে মেট্রো সিটি— সর্বত্রই এমন ছবি আমাদের চোখে পড়ে। এছাড়াও ভোরে উঠে ছোটা, হাঁটা, সাইক্লিং কোনও কিছুই বাকি থাকে না মেদহীন, পেশীবহুল দৈহিক গঠন পেতে।

    কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব কিছুই বৃথা হয়ে যাবে, মেদবহুল শরীর কমানোর ক্ষেত্রে, যদি সঠিক খাদ্যাভ্যাস (Food Habit) অনুসরণ না করা হয়। সঠিক খাদ্যাভ্যাস মানে এটাও নয় যে দৈনন্দিন খাবার সবকিছু বদলে ফেলা বা আপনার প্রিয় খাবারগুলিকে একেবারে ত্যাগ করা। স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস (Weight Loss Tips), শরীরকে ফিট রাখা বা মেদ কমানো খুব কঠিন বা তপস্যার বিষয় নয়। রয়েছে একেবারেই আপনার হাতের মুঠোয়। 

    পাঁচ ধরনের এই খাদ্যাভ্যাস আমরা এবার জেনে নিই।

    ১) ওজন কমাতে খাওয়া দাওয়া না ছেড়ে,নির্দিষ্ট সময় অন্তর বেশি বার খান

    অনেকেরই ধারণা থাকে, ওজন কমাতে নাকি খাওয়া-দাওয়া কমিয়ে দিতে হয়। এ ধারণা একেবারেই ভুল বরং উল্টো ফল হতে পারে যদি আপনি ব্রেকফাস্ট না করেন তাহলে আপনার ওজন বেড়ে যেতে পারে। এমনটাই মত রয়েছে অভিজ্ঞ ডায়েটিশিয়ানদের। তাঁরা বলছেন, একবারে বেশি করে না খেয়ে, (Weight Loss Tips) বেশি বার খেতে হবে, ধারাবাহিকভাবে। এতেই ওজন কমবে। আপনি পাবেন ফিট, ঝরঝরে শরীর।

    ২) ফাস্টফুড নয়, বাড়ির খাবারে সন্তুষ্ট থাকুন

    রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়াই আজকের দিনে বেশি অগ্রাধিকার পায় ভোজনরসিকদের। ডিনার হোক বা লাঞ্চ, রেস্টুরেন্টেই রসনা তৃপ্তি হয়। তবে ওজন কমাতে চাইলে (Weight Loss Tips) এই অভ্যাস যে আজ থেকেই ছাড়তে হবে আপনাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাড়ির তৈরি খাবারই হল সবচেয়ে স্বাস্থ্যসম্মত আহার। এতে আপনার পকেট যেমন বাঁচে তেমনি আপনি বুঝতে পারেন কী ধরনের খাবার আপনি খাচ্ছেন।

    ৩) ফাইবার যুক্ত খাবার বেশি করে খেতে থাকুন

    গবেষণায় এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, ফাইবার-যুক্ত খাবার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় ওজন কমাতে (Weight Loss Tips)। বিভিন্ন শাকসবজি, ফলমূলে ভরপুর ফাইবার থাকে। শাকসবজি দেখে তাই নাক সিঁটকানো বন্ধ করুন। শরীর ফিট রাখতে এর জুড়ি নেই।

    ৪) বার্গার, স্ন্যাকস এর মতো আল্ট্রা প্রসেসড ফুড বর্জন করুন

    এই জাতীয় খাবারগুলি অবিলম্বে বর্জন করুন, যদি একটি ঝরঝরে শরীর পেতে চান (Weight Loss Tips)। ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ, বেশিমাত্রায় তেল জাতীয় উপাদান থাকে এই আল্ট্রা প্রসেসড ফুডগুলিতে। যা ক্রনিক রোগ ডেকে আনতে পারে এবং শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে।

    ৫) বেশি করে উদ্ভিদ প্রোটিন খেতে থাকুন

    ওজন কমাতে (Weight Loss Tips) এবং সুস্থ শরীর পেতে উদ্ভিজ প্রোটিনের বিকল্প নেই। উদ্ভিজ প্রোটিনের মধ্যে আছে বিভিন্ন ধরনের ডাল, ছোলা, কিনওয়া, সোয়া, বিনস, নানা ধরনের বাদাম ইত্যাদি।

     

  • Weight Loss Tips: ওজন কমাতে চান? ভুল করেও এই ৫টি কাজ কখনই করবেন না

    Weight Loss Tips: ওজন কমাতে চান? ভুল করেও এই ৫টি কাজ কখনই করবেন না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দর রোগা-পাতলা চর্বিহীন শরীর কে না চায়! কিন্তু বর্তমান যুগের ওজন বেড়ে যাওয়া এক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। আবার এখন তো চিকিৎসকরাও সুস্থ থাকার জন্য রোগা হতে বলেন। কিন্তু রোগা হওয়ার চক্করে অনেকেই ভুল পদ্ধতিতে ডায়েট করে থাকেন। অনেকে রোগা হতে এতটাই মরিয়া হয়ে ওঠে যে তারা না খেয়ে, উপোস করে বা খাওয়ার স্কিপ করে স্লিম আর ফিট হতে চায়। আর এখানেই আপনারা করে বসেন সবচেয়ে বড় ভুল। এ ভাবে অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে গিয়ে অনেকেই নিজেদের শরীরের চূড়ান্ত ক্ষতি করে ফেলেন। ফলে অনেক সময় ওজন কমার বদলে বাড়তে শুরু করে। আপনার বয়স যদি ৩০ বছরের বেশি হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে আরও বেশি সতর্ক থাকা উচিত। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক,  ওজন কমাতে যে ৫টি কাজ কখনোই করবেন না।

    ওজন কমানো শুধুমাত্র লক্ষ্য করা উচিত নয়

    ওজন কমানো মানেই শুধু কিলো কমানো নয়। অনেকে চিকিৎসকদের পরামর্শ না মেনেই ডায়েট চার্ট তৈরি করেন যার ফলে হিতে বিপরীত হয়। এমনকি খাবার না খেয়ে অনেকেই জল খেয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে শরীরে জলের জন্যও বেড়ে যায় শরীরের ফোলা ভাব।

    প্রয়োজন মত ক্যালোরি না খাওয়া

    ওজন কমানো মানে না খেয়ে থাকা নয়। পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেয়ে এরপর শরীরচর্চা করে ক্যালোরি কমানো উচিত। কম ক্যালোরি যুক্ত খাবার খাওয়া উচিত।

    আরও পড়ুন: প্রাণঘাতী রোগ থেকে মুক্তি পেতে চান? প্রতিদিনের ডায়েটে রাখুন দানা শস্য বা হোল গ্রেন

    ব্যায়াম না করা

    ব্যায়াম সবসময় ওজন কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। পেশীর পাশাপাশি চর্বি কমানোর জন্য প্রতিদিন ব্যায়াম করা ভাল। এটি আপনাকে আপনার বিপাক এবং হজমকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।

    কম ফ্যাটযুক্ত খাবার খাওয়া

    ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কম চর্বিযুক্ত খাবার খেলে কখনোই রোগা হওয়া সম্ভব নয়। তারা কখনই আপনাকে ওজন কমাতে সাহায্য করবে না, বিশেষ করে যখন আপনার বয়স যদি ৩০-এর ওপরে থাকে। সবধরণের খাবারই খাওয়া উচিত কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে।

    প্রোটিন জাতীয় খাবার না খাওয়া

    আপনার প্রতিদিনের খাবারে পুষ্টি পাওয়ার জন্য সমস্ত রকম খাবারের ভারসাম্য থাকা উচিত। পর্যাপ্ত প্রোটিন না খাওয়া কখনই ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে না। প্রোটিন ক্ষিদে কমাতে সাহায্য করে, আপনাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য পূর্ণ বোধ করে, পেশী ভর রক্ষা করে এবং এমনকি বিপাকীয় হার বাড়ায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Weight Loss Tips: পুজোর আগে ওজন কমাতে চান? খাবারের সঙ্গে রাখুন এই ড্রিঙ্কসগুলো

    Weight Loss Tips: পুজোর আগে ওজন কমাতে চান? খাবারের সঙ্গে রাখুন এই ড্রিঙ্কসগুলো

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: ওজন কমানোর জন্য বর্তমানে সবাই ব্যস্ত। আর সামনেই পুজো আসছে যার জন্য ছোট থেকে বড় সবাই ওজন কমাতে মরিয়া। ফলে ওজন কমানোর জন্য অনেকেই না খেয়ে থাকেন, বা দিনের একবেলার খাবার স্কিপ করে দেন। আর সবথেকে বড় ভুল করে বসে সবাই। পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, দিনের তিন বেলার খাবারের সঙ্গে কিছু ড্রিঙ্কস খাওয়া উচিত যেগুলো পুষ্টিকর তো বটেই, তবে খাবার হজমে এমনকি ওজন কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা করে থাকে।

    সকালের খাবার (ডিম ও ব্ল্যাক কফি)- ওজন কমাতে ব্ল্যাক কফির জুড়ি মেলা ভার। ডিম প্রোটিন যুক্ত খাবার ও স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী, অন্যদিকে ব্ল্যাক কফি মেটাবলিজম ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ওজন কমাতেও কফি বেশ সাহায্য করে। তবে দুধ, চিনি দেওয়া কফি নয় ওজন কমে ব্ল্যাক কফিতে। এছাড়াও আমাদের শরীরের শক্তির জোগান দেয় কফি।

    আরও পড়ুন: বর্ষায় বদহজম! জানেন এই মরসুমে সুস্থ থাকতে কী খাবেন

    দুপুরের খাবার (মাছ ও গ্রিন টি)- ওজন কমানোর ক্ষেত্রে মাছ ও গ্রিন টি-এর এই জুটি বিশেষ উপকারী। ডিমের মত মাছও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার ও মেটাবলিজম ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এর সঙ্গে ড্রিঙ্কস হিসেবে খান গ্রিন টি। গ্রিন টি র মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই নিয়মিত গ্রিন টি খেলে হজম ভালো হয় সেই সঙ্গে ওজনও কমে।

    রাতের খাবার (বাদাম, বীজ, কালো মটরশুটি, এবং ছোলা দিয়ে স্যালাড ও আদা দিয়ে চা)- প্রোটিনে ভরপুর এই স্যালাডের সঙ্গে আদা চা, ওজন কমানোর ক্ষেত্রে খুবই উপকারী। এই স্যালাড খুব দ্রুত বিপাকের ক্রিয়াকলাপ বাড়ায় এবং আমাদের শরীরে শক্তির জোগান দেয়। ফলে খিদেও কমায়। পুষ্টিবিদদের মতে, এই স্যালাডের সঙ্গে আদা চা জুটি হিসেবে উপযুক্ত। আদাও মেটাবলিজম বাড়ায় ও খিদে কমায়।

    স্ন্যাকস (প্লেইন গ্রীক দইয়ের সঙ্গে বেরি ও জল)- গ্রীক দই প্রোটিনে ভরপুর ও অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো, আর ওজন কমাতেও সাহায্য করে।। অন্যদিকে বেরিও স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। ফলে এই খাবারের সঙ্গে জল খেলে ওজন কমার ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য হয়। জলে কিছু ফ্লেভার অ্যাড করতে শশা বা পুদিনা পাতা দিতে পারেন।

     

  • Weight Loss: ভাত খেয়েও ওজন কমাতে চান? জেনে নিন এই পাঁচটি টিপস

    Weight Loss: ভাত খেয়েও ওজন কমাতে চান? জেনে নিন এই পাঁচটি টিপস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাত (Rice) খেয়েও আবার ওজন (Weight) কমানো যায় না-কি! তাই অনেকেই ওজন কমাতে ভাত খাদ্যকতালিকায়(Diet) রাখেন না। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, ভাতে অনেক পুষ্টিগুণ আছে। ভাত খেলে ওজন বেড়ে যায় একথা অনেকে বললেও বিষয়টি একেবারেই সত্যি নয়। কারণ ভাত খেয়েও ওজন কমানো যায়। সেক্ষেত্রে পরিমিত ভাত ও এর সঙ্গে কী খাচ্ছেন, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখতে হবে।

    আরও পড়ুন: এই ৫ ভারতীয় সুপারফুড, যা আপনাকে করতে পারে রোগমুক্ত

    সবারই জানা দরকার, ভাত ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার ও এতে খুব কম পরিমাণে ফ্যাট থাকে। এটি একটি সহজপাচ্য কার্বোহাইড্রেটও(Carbohydrate), যা সহজেই হজম হয়ে যায়। তাছাড়াও  মানুষের ক্যালোরির বেশী শতাংশই শর্করাজাতীয় খাবার থেকেই আসে। যা পূরণ করে ভাত। এছাড়া ভাত খেলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। পুষ্টিবিদরা ওজন কমানোর জন্য সাধারণত ভাত মেপে খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ভাত খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিলেই ওজন বাড়ার সমস্যাও অনেকটা কমে যায়। কীভাবে ভাত খেয়েও ওজন কমাবেন, তার জন্য এই পাঁচটি টিপস মেনে চলুন..

    আরও পড়ুন: জেনে নিন অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা

    ১)আপনাকে আপনার খাদ্যতালিকায় ভাতের পরিমাণ কমিয়ে সবজির পরিমাণ বাড়ানো উচিত। ভাতের পরিমাণ কমিয়ে তার জায়গায় স্যালাড ও বেশ কিছু তরকারি পাতে রাখুন। তাতে আপনার পেটও ভরা থাকবে সঙ্গে আপনার শরীরে ফাইবারের পরিমাণও ঠিক থাকবে।

    ২)আপনি সরাসরি ভাত না খেয়ে খিচুড়ি করেও খেতে পারেন। ফলে আপনার শরীরে প্রোটিনের পরিমাণও ঠিক থাকবে এবং এতে নয় প্রকারের অ্যামিনো অ্যাসিড (Amino Acid) থাকে যা আপনার শরীরকে ফিট রাখতে সাহায্য করে।

    ৩)আপনি আপনার ডায়েটে বাসমতি চালের ভাত রাখতে পারেন। তবে সেটির পরিমাণ অল্প হতে হবে।

    ৪)ভাত খেতে চাইলে সেটি অবশ্যই একটি ছোট বাটির পরিমাপ মত খাওয়া উচিত।

    ৫)ভাতের সঙ্গে যদি বেশি পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন, তা হলে ওজন কমানো আরও সহজ হবে।

    আরও পড়ুন: হঠাতই ওজন কমছে বা বাড়ছে! হতে পারে আপনি অজানা রোগে আক্রান্ত

LinkedIn
Share