Tag: weight loss

weight loss

  • Dieting: রোগা থাকার জন্য ভাত-আলু একেবারেই বাদ? কোন বিপদ ডেকে আনছেন জানেন?

    Dieting: রোগা থাকার জন্য ভাত-আলু একেবারেই বাদ? কোন বিপদ ডেকে আনছেন জানেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ওজন থাকুক নিয়ন্ত্রণে! কিন্তু অনেকেই আবার নিয়ন্ত্রণ বলতে একেবারেই রোগা থাকতে চাইছেন। জিরো সাইজে পৌঁছনোর জন্য নিজেই ঠিক করছেন কী খাবেন, কখন‌ খাবেন। অনেক ক্ষেত্রেই সেই রোগা হওয়ার চাহিদায় বাদ দিচ্ছেন খাবার। দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে সামান্য খাবার খাওয়ার (Dieting) জেরে হচ্ছে একাধিক শারীরিক সমস্যাও। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, নিয়ম মেনে শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ীই হোক ডায়েট। চলতি সপ্তাহ ইটিং ডিস‌অর্ডার উইক। খাওয়া নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে নানান কর্মশালার আয়োজন করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সচেতন ও সতর্কভাবে খাবারের অভ্যাস না থাকার জেরেই আধুনিক জীবনে নানা রোগের ভোগান্তি বাড়ছে।

    কী ধরনের সমস্যা হতে পারে? (Dieting)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত ওজন কমানোর ইচ্ছের জেরে অনেকেই খুব কম পরিমাণে খাবার খাচ্ছেন। এর ফলে শরীর দূর্বল হয়ে পড়ছে। সব সময়েই ক্লান্তি ভাব দেখা দিচ্ছে। শরীরে মারাত্মক এনার্জি ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এর জেরে ভুক্তভোগীরা কোনও কাজ ঠিক মতো করতে পারছেন না। অধিকাংশ সময়েই ভাত, আলু, রুটির মতো কার্বোহাইড্রেট খাবার মেনু থেকে বাদ পড়ছে। এর জেরে শরীরে এনার্জির জোগান পাওয়া যাচ্ছে না। 
    পাশপাশি এর জেরে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমছে। এনার্জির ঘাটতি হলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে। তাই ভুক্তভোগীরা যে কোনও রোগে সহজেই কাবু হয়ে পড়ছেন। আবহাওয়ার পরিবর্তনে সাধারণ ভাইরাসঘটিত অসুখ কিংবা কোনও সংক্রামক রোগ, যে কোনও সময়েই তাদের ভোগান্তি বাড়ছে। 
    দীর্ঘ সময়ের খাবারের ব্যবধান ও অতিরিক্ত কম পরিমাণ খাওয়ার জেরে হজমের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অন্ত্রের একাধিক রোগ দেখা দেওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। 
    অনেকেই প্রোটিন খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রোটিন না খেলে (Dieting) পেশি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। কিন্তু ওজন কমাতে অনেকেই একেবারেই প্রোটিন খাওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে। ফলে শরীরে মারাত্মক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। 
    তবে শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্যেও এর প্রভাব পড়ে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, একেবারেই কম খাবার খাওয়ার জেরে এবং অতিরিক্ত ওজন কমানোর তাগিদ এক ধরনের অবসাদ তৈরি করে। মানসিক চাপ তৈরি হয়। এর ফলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে। সামাজিক সম্পর্কেও সমস্যা তৈরি হয়। তাছাড়া, যে কোনও কাজে মনঃসংযোগ করা যায় না। এর ফলে একাধিক সমস্যা দেখা দেয়।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল? (Dieting)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ওজন কতখানি ঠিক, এই মাপকাঠি সম্পর্কে সচেতন থাকা সবচেয়ে বেশি জরুরি। নিজের উচ্চতা, বয়স সবকিছুর বিচারে ঠিক ওজন নির্ধারিত হয়। প্রত্যেকের জন্য ‘পারফেক্ট’ ওজনের মাপকাঠি আলাদা। তাই ওজন কমানোর প্রয়োজন আছে কিনা, তা নিজে নয়, বরং চিকিৎসকের পরামর্শ মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া দরকার। তবে পরিমাণ মতো খাওয়া জরুরি। ভাত, রুটি, আলুর মতো কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার একেবারে এড়িয়ে চলা অস্বাস্থ্যকর ডায়েট। নিয়মিত এই ধরনের কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাওয়া জরুরি। কারণ কার্বোহাইড্রেট শরীরে এনার্জি জোগান দেয়। শরীরের প্রয়োজন মতো প্রোটিনও জরুরি।‌ কারণ, প্রোটিন পেশিকে শক্তিশালী করে। হাড় মজবুত করে। তাছাড়া নানা রকমের ফল, বাদাম, খেজুর কিসমিসের মতো ড্রাই ফ্রুটস নিয়মিত খাওয়া দরকার। এতে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। আবার শরীরে খনিজ পদার্থ, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম সহ একাধিক চাহিদা পূরণ করে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ প্রিজারভেটিভ খাবার এবং অতিরিক্ত তেল খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। তবে ডায়েট তৈরি করার জন্য দরকার পুষ্টিবিদদের পরামর্শ। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, অনভিজ্ঞ ডায়েট মেনে চললে (Dieting) উপকারের পরিবর্তে বিপদ বাড়বে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Yogurt: হাড়ের ক্ষয় থেকে ডায়ারিয়া, ওজন ঝরানো, কোন‌ কোন রোগে উপকার দেয় টক দই?

    Yogurt: হাড়ের ক্ষয় থেকে ডায়ারিয়া, ওজন ঝরানো, কোন‌ কোন রোগে উপকার দেয় টক দই?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ব্যস্ত জীবনে বাড়ছে রোগের ভোগান্তি। অনিয়মিত খাওয়া, কম ঘুম কিংবা অতিরিক্ত কাজের চাপ স্বাস্থ্যের একাধিক সমস্যা তৈরি করছে। উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস থেকে স্থূলতা নানান জীবনযাপন সংক্রান্ত রোগে ভুগছেন‌ বাঙালি। তার উপরে অধিকাংশ বাঙালি মহিলা হাড়ের সমস্যায় ভোগেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত টক দই (Yogurt) এই সব সমস্যার দাওয়াই। প্রত্যেক দিন একবার মেনুতে টক দই রাখলে, একাধিক সমস্যা কমবে।

    কোন কোন রোগের মোকাবিলা করবে টক দই? (Yogurt) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, টক দইতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। তাই হাড়ের সমস্যা রুখতে খুব সাহায্য করে টক দই। বিশেষত মহিলাদের হাড়ের সমস্যা বাড়ছে। হাড় ক্ষয় রোগের দাপট চল্লিশোর্ধ মহিলাদের মধ্যে বাড়ছে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, নিয়মিত মহিলারা টক দই খেলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মিটবে। ফলে হাড়ের সমস্যাও কমবে‌। 
    টক দইতে থাকে ল্যাকটিক অ্যাসিড।‌ তাই টক দই পরিপাকতন্ত্রের জন্য বিশেষ উপকারী। এমনই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ল্যাকটিক অ্যাসিড ডায়ারিয়া রুখতে সাহায্য করে। আবার কোষ্ঠকাঠিন্যও মোকাবিলা করে। তাই পেটের সমস্যায় বিশেষভাবে সাহায্য করে টক দই। 
    তাছাড়া, স্থূলতা কমাতে টক দই খুব উপকারী। তাই যাদের ওজন‌ দ্রুত বাড়ছে, মেদ কমানো জরুরি, তাদের নিয়মিত টক দই (Yogurt) খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, টক দইতে এমন একাধিক উপাদান রয়েছে, যা শরীরে মেদ জমতে দেয় না। 
    পাশপাশি, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ মোকাবিলায় টক দই খুব সাহায্য করে। নিয়মিত টক দই খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে, হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 
    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, টক দইয়ের মধ্যে থাকে উপকারী ব্যাকটেরিয়া। যা পাকস্থলী সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। 
    নিয়মিত টক দই খেলে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। এর ফলে একাধিক রোগ মোকাবিলা সহজ হয়। 
    তাই চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত টক দই খাওয়া জরুরি।

    কতখানি টক দই খাওয়া প্রয়োজন? (Yogurt) 

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, টক দই খুবই উপকারী। কিন্তু এটা প্রয়োজন মাফিক খেতে হবে। তবেই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। অতিরিক্ত টক দই খেলে আবার অন্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই পুষ্টিবিদদের মতে, দেহের ওজনের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে টক দই খেতে হবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে খুব বেশি হলে ৩০০ গ্রাম টক দই খেতে পারেন। তার বেশি পরিমাণে টক দই কখনই খাওয়া যাবে না। কারণ, টক দইতে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে। দেহে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম আবার নানান জটিলতা তৈরি করতে পারে। তাছাড়া, ফুসফুসের সংক্রমণ থাকলে অতিরিক্ত টক দই সমস্যা তৈরি করে। কারণ, টক দই ঠান্ডা খাবার। তাই বেশি টক‌ দই খেলে কাশির সমস্যা তৈরি হয়। তাই হাঁপানি বা ফুসফুসের কোনো বড় সমস্যা থাকলে টক দই খাওয়ার সময় পরিমাণের দিকে বাড়তি নজরদারি জরুরি। তাছাড়া, টক দই দ্রুত ওজন‌ কমাতে সাহায্য করে। তাই অতিরিক্ত পরিমাণ টক দই খেলে দ্রুত ওজন কমে যায়। যা শরীরকে দুর্বল করে দেয়। তাই টক দই (Yogurt) খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণে নজরদারি জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Body Weight: পুজোর আগে তড়িঘড়ি ওজন কমানো? খাবার বাদ দিলে বিপদ হবে না তো?

    Body Weight: পুজোর আগে তড়িঘড়ি ওজন কমানো? খাবার বাদ দিলে বিপদ হবে না তো?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব শুরু হয়ে গিয়েছে। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। এরপরে আনুষ্ঠানিক ভাবেই ঢাকে কাঠি পড়বে। কেতাদুরস্ত জামাকাপড় পরতে, আর নিজেকে সুন্দরভাবে সাজাতে অনেকেই দ্রুত ওজন কমিয়ে একেবারে ফিট (Body Weight) হতে চাইছেন। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যে ওজন কমানোর ইচ্ছে অন্য বিপদ বাড়াচ্ছে না তো?

    দ্রুত ওজন হ্রাস অন্য রোগের ঝুঁকি বাড়ায়? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, খুব দ্রুত ওজন (Body Weight) কমলে তা অন্যান্য শারীরিক সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই দ্রুত রোগা হওয়ার ইচ্ছে যথেষ্ট বিপজ্জনক। তাঁরা জানাচ্ছেন, দ্রুত রোগা হওয়ার জন্য অনেকেই খাবারে কাটছাঁট করেন। ভাত, রুটি খাওয়া একেবারেই বন্ধ করে দেন। প্রয়োজনীয় প্রোটিন খান না। আর এই সবের জেরেই শরীরে এনার্জির ঘাটতি দেখা যায়। ফলে, রক্তচাপ কমে যায়। শরীর দুর্বল হয়ে যায়। এর ফলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে যায়। যে কোনো বড় শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। 
    এছাড়া দ্রুত ওজন কমলে ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। কারণ, দ্রুত ওজন কমালে শরীরে একাধিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। যার প্রভাব পড়ে ত্বক ও চুলের উপরে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 
    পাশপাশি এক ধরনের মানসিক চাপ তৈরি হয়। ওজন সামান্য বেড়ে গেলেও তখন এক ধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়। যা মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক।

    কীভাবে নিয়ম মেনে ওজন কমবে? (Body Weight)

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, খুব দ্রুত ওজন কমানোর পরিকল্পনা করা উচিত নয়। তবে, পুজোর আগে কয়েকটি জিনিস মেনে চললেই শরীর সুস্থ থাকবে। ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। 
    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভাত-রুটির মতো কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাবারের তালিকা থেকে সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া চলবে না। কিন্তু খুবই অল্প পরিমাণে খেতে হবে। পেট ভরে খাবার খাওয়া জরুরি। তাই প্রচুর সবুজ সব্জি যেমন বাঁধাকপি, পালং শাক, গাজর, পেপে, লাউ খেতে হবে। এগুলো ভিটামিন, ফাইবার সমৃদ্ধ। ফলে, শরীরের নানান চাহিদা পূরণ করে। 
    প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি। মটন একেবারেই চলবে না। কারণ মটনে থাকে অতিরিক্ত ফ্যাট। যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেয় না। ডিম, সোয়াবিন, মাছ, চিকেন খাওয়া যেতে পারে। এতে শরীরে প্রোটিনের চাহিদা মিটবে। 
    তবে, নিয়মিত ফল খেতে হবে। পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, মাল্টা, কিউই, সবুজ আপেল, কলা, নাশপাতির মতো ফল খাওয়া দরকার। এতে শরীরে রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকায় রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে ওঠে। প্রয়োজনীয় ভিটামিনের চাহিদা মেটায়। আর ওজন (Body Weight) বাড়তে দেয় না। 
    তবে, খাওয়ার দিকে নজর দেওয়ার পাশপাশি জরুরি নিয়মিত যোগাভ্যাস। কারণ শারীরিক কসরত নিয়মিত করলে তবেই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। শরীর সুস্থ থাকবে। তাই ওজন কমাতে তাড়াহুড়ো নয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, পরিকল্পনা মাফিক নিয়মমাফিক জীবন যাপন ওজনে রাশ টানতে সাহায্য করবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weight Loss: দ্রুত ওজন কমছে! শরীরে বাসা বাঁধছে কোন রোগ? সতর্ক হবেন কীভাবে? 

    Weight Loss: দ্রুত ওজন কমছে! শরীরে বাসা বাঁধছে কোন রোগ? সতর্ক হবেন কীভাবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    খাদ্যাভ্যাসে বিশেষ পরিবর্তন হয়নি। জিমে গিয়ে শরীর চর্চাও করা হয়ে ওঠে না। তা সত্ত্বেও কমছে ওজন (Weight Loss)! এরকম হলে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। বিশেষত যদি ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে শরীরের ওজন ৫ শতাংশের বেশি কমে, তাহলে সতর্ক হওয়া জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ, দ্রুত এই ওজন কমার পিছনে থাকতে পারে নানা জটিল রোগ!

    কোন কোন রোগের জেরে দ্রুত ওজন কমে (Weight Loss)? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শরীরে নানা রোগের কারণ যেমন স্থূলতা, তেমনি বিভিন্ন রোগের জেরে দ্রুত ওজন কমতেও পারে। আর তার জন্য নানা শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়। তাই ওজনের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ডায়বেটিস থাকলেও ওজন কমতে পারে। তাই দ্রুত ওজন কমলে ডায়বেটিসের পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া জরুরি। থাইরয়েডের সমস্যা থাকলেও ওজন কমে। থাইরয়েডের অন্যতম লক্ষণ দ্রুত ওজন কমা (Weight Loss) এবং ত্বকের শুষ্কতা বেড়ে যাওয়া। তাই ওজন দ্রুত হ্রাস হলে অবশ্যই সতর্ক হওয়া দরকার। আবার এইচআইভি সংক্রমণের জেরেও দ্রুত ওজন কমতে পারে বলে জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। 
    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গেও ওজনের সম্পর্ক রয়েছে। অবসাদ, মানসিক চাপের জেরে যেমন অনেক সময় স্থূলতার সমস্যা দেখা যায়, তেমনি ওজন হ্রাসের ঘটনাও ঘটে।্যেহেতু মানসিক স্বাস্থ্য সুস্থ না থাকলে ঠিকমতো খাওয়া হয় না। অনেক সময় অবসাদের জেরে রোগী অতিরিক্ত খাবার খান, অতিরিক্ত তেলমশলা যুক্ত খাবার খান। ফলে, স্থূলতার সমস্যা তৈরি হয়। আবার অনেক সময় মানসিক অবসাদগ্রস্ত রোগী খাওয়া ছেড়ে দেন। ফলে, ওজন কমতে থাকে। 
    তাছাড়া, দ্রুত ওজন কমার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন মদ্যপানের কথা। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত মদ্যপান করলে দেহের ওজন দ্রুত কমে। কারণ, মদ জিরো ক্যালোরি। আর মদ খেলে খাবার খাওয়ার ইচ্ছে কমে যায়। ফলে, নিয়মিত অতিরিক্ত মদ্যপান করলে দেহে প্রয়োজনীয় খাবার যায় না। ফলে, দ্রুত ওজন কমতে থাকে।

    দ্রুত ওজন কমলে (Weight Loss) কোন কোন ঝুঁকি বাড়ে? 

    স্থূলতা যেমন উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ সহ একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়ায়, তেমনি দ্রুত ওজন হ্রাস (Weight Loss) একাধিক শারীরিক ও মানসিক সঙ্কট তৈরি করে। 
    চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দ্রুত ওজন হ্রাস দেহে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে, যে কোনও সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই দ্রুত ওজন হ্রাস শরীরের জন্য বিপজ্জনক বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। 
    অতিরিক্ত ক্লান্ত বোধ শরীরকে গ্রাস করে। ফলে, যে কোনও কাজ ঠিকমতো হয় না। জড়তা তৈরি হয়। 
    তাছাড়া, থাইরয়েড, ডায়বেটিসের মতো রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। তাই সতর্ক হওয়া জরুরি বলেই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 
    অতিরিক্ত ওজন হ্রাস হলে দেহের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। ফলে, নানা শারীরিক জটিলতা তৈরির আশঙ্কা থাকে। 
    মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতেও অসুবিধা হতে পারে। দ্রুত ওজন হ্রাসের ফলে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। যার জেরে চিন্তা করার শক্তি কমে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে। ফলে, মানসিক স্থিতাবস্থা নষ্ট হতে পারে।

    কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সতর্ক হলেই এই সমস্যার মোকাবিলা করা সম্ভব। ওজন দ্রুত কমলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, চিকিৎসকের পরামর্শ মতো প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা ও অন্যান্য শারীরিক পরীক্ষা করে, ওজন কমার Weight Loss কারণ সম্পর্কে জানা জরুরি। 
    তাছাড়া, খাদ্যাভ্যাসের প্রতি বাড়তি নজর জরুরি। প্রয়োজনীয় প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন যুক্ত খাবার নিয়মিত খাওয়া দরকার। বিশেষত ডিম, দুধ, সবজি নিয়মিত খাদ্যতালিকায় থাকা জরুরি। তবেই সুস্থ জীবন যাপন সম্ভব।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weight Loss: ওজন কমাতে চান? ৭টি টোটকা অনুসরণ করুন, ফল পাবেনই

    Weight Loss: ওজন কমাতে চান? ৭টি টোটকা অনুসরণ করুন, ফল পাবেনই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের পর দিন ভারত তথা বিশ্বের অন্যান্য দেশে বাড়তি ওজন একটি বড় সমস্যার আকার ধারন করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এই বাড়তি ওজন টেনে আনে বিভিন্ন ধরনের রোগ, যেমন হাইপারটেনশন থেকে ডায়াবেটিস এগুলোর প্রবণতা বাড়িয়ে দেয় ওবেসিটি। বাড়তি ওজন বা ওবেসিটি নানা কারণে হতে পারে। শুধুমাত্র বেশি খাবার খেলেই যে ওজন বৃদ্ধি পাবে এমন নয়। জীবন যাপনের পদ্ধতি, স্ট্রেস, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সেবনের কারনেও ওবেসিটি হয়। বাড়তি ওজন কম করতে (Weight Loss) অনেকে খাবার এড়িয়ে চলেন কিন্তু খাবার এড়িয়ে চললে ওজন কমে (Weight Loss) যাবে এমনটা নয়, ওজন কমানোর (Weight Loss) জন্য সকালে হাঁটাচলা, জগিং, জিম সবকিছুই করতে দেখা যায় ভুক্তভোগীদের। বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনের পরামর্শ দেন বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা তবে আজকে আমরা আলোচনা করব ৬টি টিপস নিয়ে যেগুলি ওজন কমানোর (Weight Loss) জন্য আপনাদের কাছে মহৌষধ হতে পারে।

    ১) খাবার ধীরে ধীরে খান

    ব্যস্ততার জীবনে আমাদের অনেককেই অফিস টাইমে বা স্কুল টাইমে গোগ্রাসে খেতে হয়, সময়ে গন্তব্যে যাওয়ার জন্য অথবা বাস, ট্রেন ধরার জন্য। চলতি ভাষায় আমরা বলি নাকেমুখে গুঁজে অফিস যাওয়া। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন এরকম করলে হবেনা এবং খাওয়ার সময় খাবারটাকে ধীরে ধীরে খেতে হবে, চিবিয়ে চিবিয়ে খেতে হবে।

    ২) ডায়েটে প্রোটিনের পরিমাণ বাড়ান

    ওজন বাড়ানোতে একটা বড় ভূমিকা থাকে কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাটের। তাই যতটা পারবেন ডায়েটে প্রোটিনের পরিমাণটাকে বেশি রাখার চেষ্টা করুন কারণ শরীরে প্রোটিন যত বেশি যাবে তত মনে হবে যে পেট ভর্তি আছে এবং খিদে কম পাবে। মাছ, টক দই, চিকেন এগুলো প্রোটিনের ভালো উৎস। এগুলো খাদ্য তালিকায় রাখুন।

    ৩) বেশি করে জল পান করুন

    অত্যধিক পরিমাণে জল পান করলে শরীর যেমন তরতাজা থাকে ত্বক যেমন উজ্জ্বল হয় তেমনি শরীরে ক্যালরিও খরচ হয়, এমনটাই নাকি মত রয়েছে বিশেষজ্ঞদের। ক্যালরি খরচ হলে, সেটি ওজন কমাতে (Weight Loss) সাহায্য করে। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন যেকোনও খাবার গ্রহণের ৩০ মিনিট আগে জল পান করুন।

    ৪) ভালো ঘুম

    সারাদিনের ব্যস্ততার জীবন যাপনের পর রাত্রে একটি ভাল ঘুম আপনাকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে আবার শক্তি দিতে সাহায্য করবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম ক্রনিক রোগ যেমন ডায়াবেটিস এই সমস্ত কিছুকে প্রতিহত করে তার সঙ্গে ওজন কমাতেও (Weight Loss) উপযোগী।

    ৫) খাবার কখনও এড়িয়ে যাবেন না

    ব্যস্ততার জীবনে মানুষ ভুলে গেছে যে ব্রেকফাস্ট কী? এবং অনেকে আবার ভাবে যে খাবার এড়িয়ে গেলেই হয়তো ওজন কমানো (Weight Loss) সম্ভব কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন এটা একেবারেই ভুল ধারণা। তাই সঠিক সময়ে খাবার গ্রহণ করতে বলছেন চিকিৎসকরা।

    ৬) শরীরে কখনও জলের ঘাটতি হতে দেবেন না

    চিকিৎসকরা বলছেন যে শরীরে জলের ঘাটতি অনেক রকমের ক্রনিক রোগকে ডেকে আনতে পারে। তাই খাবার আগে দু গ্লাস জল অবশ্যই পান করতে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। এর অন্য আরেকটা দিক হল, এর ফলে পেট ভর্তি থাকবে এবং খাবার কম খেতে ইচ্ছা করবে।

    ৭) শারীরিক অনুশীলন করুন নিয়মিত

    নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন করলে বাড়তি ওজন কমে। এক্ষেত্রে সিট আপ একটি ভালো ব্যায়াম।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Diet for Flat Stomach: ওজন কমাতে চান? মেনে চলুন এই নির্দেশগুলি

    Diet for Flat Stomach: ওজন কমাতে চান? মেনে চলুন এই নির্দেশগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিনের প্রচেষ্টায় কিন্তু মোটেও ওজন কমানো যায় না। ওজন কমানোর জন্য প্রয়োজন সময় এবং ধৈর্য্যের। সেই সঙ্গে জীবনযাত্রাতেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি সঠিক সময়ে পরিমিত  খাওয়া দাওয়া করা উচিত। প্রায় সকলের কাছেই শোনা যায় যে তিনি ডায়েট করছেন। কিন্তু সঠিক ডায়েট করার জন্য পুষ্টিবিদদের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন ও তা কঠোর ভাবে মেনে চলাও প্রয়োজন।

    তবে নিম্নে কিছু প্রাথমিক টিপস দেওয়া হল তা মেনে চললে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা কিছুটা হলেও সম্ভব।

    ফ্যাট ডায়েট (Fat Diet)-

    কম ফ্যাট যুক্ত খাবার এবং পানীয়গুলো বেছে নেওয়ার কারণেও কিন্তু ওজন কমাতে সমস্যা হতে পারে।একটি গবেষণায় জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট যুক্ত খাবার যেমন- বাদাম, বীজ, জলপাইয়ের তেল, মাছের মতো অসম্পৃক্ত উপাদানগুলি ওজন হ্রাসের সঙ্গে যুক্ত। এই নিয়মটি মেনে চলা প্রয়োজন।

    উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাদ্য(High fiber food)-

    ফাইবার হলো ফল, সবজি ও শস্যের এমন অংশ যা আমাদের পাকস্থলী হজম করতে পারে না। খাবারের এই অংশগুলো ক্যালরি, ভিটামিন অথবা মিনারেল বহন না করলেও, খাদ্য পরিপাক প্রক্রিয়ায় খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অতিরিক্ত ওজন, কোষ্ঠকাঠিন্য, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও পাইলস এর মতো সমস্যা প্রতিরোধেও ফাইবারের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। যব বা ওটস ও বার্লি উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার। ওজন নিয়ন্ত্রণে যব মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

    সামুদ্রিক খাবার (Sea Food)-

    অনেকেই জানি সামুদ্রিক খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো তবে অনেকেই জানি না। সামুদ্রিক মাছ প্রোটিনের বিশেষ উৎস পাশাপাশি সামুদ্রিক মাছে রয়েছে omega-3 ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন “এ” এবং ভিটামিন ‘ই’। ওজন কমানো ছাড়াও সামুদ্রিক খাবারে থাকা ওমেগা থ্রি বার্ধক্য লক্ষণ দূর করে।ত্বকের বলি রেখা, ব্রণ, পিগমেন্টেশ্যান, ত্বকের শুষ্ক ভাব দূর করে।
    এছাড়াও সামুদ্রিক খাবার চোখের জন্য উপকারী। ভিটামিন এ এবং ওমেগা-৩, যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে।

    কাঠবাদাম (Almond)-

    কাঠবাদামে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি উপকারী উপাদান থাকে। কাঠবাদামের উপকারী ফ্যাট শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে থাকা ভিটামিন-ই হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং ম্যাগনেসিয়াম হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি অ্যার্টারিকে ক্ষতিকর প্রদাহের হাত থেকে সুরক্ষা দেয়।

    ব্ল্যাক কফি(Black Coffee)- কফির মত পানীয়তে একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। যদি আপনি চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি পান করেন তাহলে সেটা আরও উপকারী। এতে কোনও রকম ক্যালোরি জমবে না শরীরে। তবে বেশি পরিমাণে কফি পান করা উচিত নয়। তা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। মনে রাখবেন, কোনও জিনিসই অতিরিক্ত ভাল নয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Weight loss: ওজন কমাতে চান? ডায়েটে অবশ্যই রাখুন এই সাতটি খাবার

    Weight loss: ওজন কমাতে চান? ডায়েটে অবশ্যই রাখুন এই সাতটি খাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরীরে বাড়তি মেদ কিংবা ওজন কমানোর জন্য বেশীরভাগ মানুষ চিন্তিত থাকেন। কি খেলে ওজন কমবে বা কোন কোন খাবার খাওয়া উচিত নয় তা নিয়ে চলে বিস্তর ভাবনাচিন্তা। তাই শরীর ফিট রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা করলেও ওজন কমানোর জন্য পুষ্টিবিদের কাছে পরামর্শ নিয়ে উপযুক্ত ডায়েট চার্ট মেনে চলা উচিত। পারফেক্ট ডায়েট চার্ট শরীরে ওজন ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে সাহায্য করে। অনেকেই মনে করেন ডায়েট মানেই না খেয়ে থাকা। কিন্তু বাস্তবে ডায়েট পরিমিত সুষম আহার গ্রহণ করতে হয়। প্রতিটি মানুষের শরীরে ভিন্ন ভিন্ন উপাদানের ঘাটতি হয়। তাই পুষ্টিবিদরা ব্যক্তি বিশেষে বয়স, ওজন, উচ্চতা ও নানা বিষয়ের উপর নির্ভর করে ভিন্ন ভিন্ন ডায়েট চার্ট তৈরী করেন।

    পুষ্টিবিদ ওজন নিয়ন্ত্রণে যে ডায়েট চার্টটি তৈরী করে দেন, প্রাথমিক ভাবে তার কিছু অংশ তুলে ধরা হল :-

    বেরি ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি এবং রাম্পবেরিতে উচ্চ প্রোটন রয়েছে এবং গ্লাইসেমিক কম থাকায় এটিতে পাওয়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি শরীরের খতিকারক রোগ থেকে রক্ষা করে।

    গ্রিন টি গ্রিন টি ওজন কমাতে খুবই সহায়ক একটি পানীয়। গ্রিন টি তে ক্যাটেচিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্যাট বার্ণ করে। শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। গ্রিন টি একদিনে প্রায় ৭০ ক্যালরি পর্যন্ত বার্ণ করে।

    শসা শসাতে ১০০গ্রাম শশার ভেতরে ১৫ ক্যালরি থাকে। শশাতে প্রচুর পরিমাণ জলের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ পদার্থে ভরপুর। শসাতে থাকা অ্যান্টিবডি শরীরে ক্ষতিকারক রোগ থেকে রক্ষা করে।

    ব্রোকলি ব্রোকলিতে প্রোটিন, ফাইবার এবং প্রচর পরিমাণে মিনারেলস রয়েছে। ক্যালরি কম থাকায় ব্রোকলিতে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কম থাকে। ব্রোকলি অনেকক্ষন ধরে পেটে থাকায় বারবার করে ক্ষিধা পায় না সেই কারণে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

    টমেটো শসার মতো টমেটোর পুষ্টিগুন অনেক। পটাসিয়াম, ভিটামিন সি ও পুষ্টিকর ফাইবার যুক্ত সুস্বাদু এই ফলটি  একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে যা ত্বককে ক্ষতিকর UV রশ্মি থেকে রক্ষা করে।

    অলিভ অয়েল দৈনন্দিন গ্রহণ করা খাদ্যের সাথে অলিভ অয়েল যোগ করেও কমাতে পারেন অতিরিক্ত ওজন। এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল শরীরের জন্য উপকারী। এতে আছে এক প্রকার মনস্যাচুরেটেড ফ্যাট (monounsaturated fat) যা ক্যালোরি বার্ণ করতে খুবই উপকারী। প্রতিদিন স্যালাডের সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে আপনি যেমন সালাদের গুণকে বাড়িয়ে নিতে পারেন কয়েক গুণ, তেমনি ওজনটাও রাখতে পারেন নিয়ন্ত্রণে।

    গাজর ১০০ গ্রাম গাজরে মোটামুটি ৪১ ক্যালোরি থাকে। উপরন্তু, গাজরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কম থাকায় গাজরের স্যাচুরেটেড ফ্যাট শরীরের উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রন করে। মোকাবিলা করেন। গাজর এতে পটাসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন কে এর মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

  • Anant Ambani:  ১৮ মাসে ১০৮ কেজি ওজন ঝরিয়ে ফের আগের চেহারায় মুকেশ-পুত্র, রহস্যটা কী ?

    Anant Ambani: ১৮ মাসে ১০৮ কেজি ওজন ঝরিয়ে ফের আগের চেহারায় মুকেশ-পুত্র, রহস্যটা কী ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাঁকজমক করে বিয়ের অনুষ্ঠান তো হল। আর তার কত ছবিও প্রকাশ্যে এল। কিন্তু সেইসব ছবি আর ভিডিও দেখে অনেকেরই একটা বিষয়ে ঘোর যেন কাটতে চাইছে না। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানির কনিষ্ঠপুত্র অনন্ত আম্বানির চেহারা তো এমন ছিল না। হ্যাঁ, এমন চেহারাই তার ছিল, তবে তা ২০১৬ সালের আগে পর্যন্ত। তারপর তো শোনা গিয়েছিল তার ওজন কমেছে এক লপ্তে ১০৮ কেজি। প্রকাশ্যেও দেখা গিয়েছিল, সেই বিশালাকার চেহারা হয়ে উঠেছে একেবারে ছিমছাম। তাহলে এরপরে কী এমন হল, যাতে তার ওজন ফের বেড়ে গেল?

    ১০৮ কেজি ওজন কমল কীভাবে?

    প্রথমে দেখা যাক,  অনন্ত আম্বানির ১০৮ কেজি ওজন মাত্র দেড় বছরে, অর্থাত ১৮ মাাসে কমেছিল কিভাবে। জানা গিএছে, এর মধ্যে প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম চলত পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা। দীর্ঘ কয়েক কিলোমিটার হাঁটা, ট্রেনিং, কার্ডিও ইত্যাদি নানা রকমের নিয়মকানুন তাকে মেনে চলতে হত। সঙ্গে ছিল যোগ ব্যায়ামও। আর বলার অপেক্ষা রাখে ন্‌ খাবার ছিল এরকম-জিরো সুগার, লো ফ্যাট, লো কার্ব এবং হাই প্রোটিন। জাঙ্ক ফুডের মায়া পুরোপুরি ছেড়ে দিতে হয়েছিল। পরিবর্তে ফলমূল এবং প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি ছিল মূল ডায়েট। দৈনিক শরীরে ক্যালরি যেত ১২০০ থেকে ১৪০০। এসব করে যখন সে একেবারে ছিমছাম হয়ে গেল, তখন তার ছবি ইন্টারনেট দুনিয়ায় ঝড় তুলে দিয়েছিল। তখন সে যেন অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা। অনেকেই আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিল এই ভেবে যে, এটাও সম্ভব।

    ফের ওজন বেড়ে গেল কেন?

    এই রহস্যের কিছুটা সমাধান হয়েছিল নিতা আম্বানির একটি বক্তব্যে। ২০১৭ সালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, ছেলে প্রচণ্ডভাবে অ্যাজমায় ভোগে। তাই তাকে নিয়মিত স্টেরয়েড নিতে হয়। এটাই হয়তো তার আচমকা ফের ওজন বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weight Loss: বাড়তি ওজন কমাতে চান? তাহলে আজ থেকেই এই ৬টি সূত্র মেনে চলুন

    Weight Loss: বাড়তি ওজন কমাতে চান? তাহলে আজ থেকেই এই ৬টি সূত্র মেনে চলুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়তি ওজন আজ অনেকের কাছেই ভয়ঙ্কর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতিকায় শরীর নিয়ে কোনও সুখ নেই! স্লিম হওয়ার জন্য তাই নানা রকমের উপায় অবলম্বনের চেষ্টা করেন প্রত্যেকেই। ছোটা, হাঁটা, ঘাম ঝড়ানো, সাইক্লিং, সাঁতার কাটা এসব তো আছেই। তার সঙ্গে চলে খাবার এড়িয়ে যাওয়া। পুষ্টিবিদরা বলছেন, খাবার এড়িয়ে গিয়ে বাড়তি ওজন কমানো (Weight Loss) সম্ভব নয়। এতে হিতে বীপরীত হতে পারে। বাড়তি ওজনের কতগুলো কারণ নিয়ে আমরা আজ আমরা আলোচনা করব। এবং ওজন কমাতে কী কী করবেন তাও বলব। 

    ওজন কমাতে (Weight Loss)  চাইলে কী করবেন এবং কী করবেন না

    ১. প্রাতঃরাশ এড়িয়ে যাওয়া

    প্রাতঃরাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিবিদরা বলছেন এটা এড়িয়ে যাওয়া কখনও উচিত নয়। শরীরে শক্তি, প্রোটিন এবং ক্যালসিয়ামের মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে প্রাতঃরাশ।

    ২. প্রক্রিয়াজাত খাবার থেকে দূরে থাকুন

    পুষ্টিবিদরা প্রক্রিয়াজাত খাবারের ফাঁদে না পড়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। তাঁদের মতে  রাসায়নিক পদ্ধতি ব্যবহার করার ফলে এই ধরনের খাবারের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়।

    ৩. ফল খান

    তাজা ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে ফল খেতে বলছেন তাঁরা।

    ৪. প্রচুর জল পান করুন

    ওজন কমাতে (Weight Loss)  চাইলে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই শরীরে যেন কখনও জলর মাত্রা কম না হয়।

    ৫. কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার এড়িয়ে চলুন

    ওজন কমাতে (Weight Loss)  চাইলে কার্বোহাইড্রেড জাতীয় খাবার একটু কম খেতে পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা।

    ৬. নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন করুন

    শরীর সুস্থ রাখার জন্য নিয়মিত শারীরিকভাবে অনুশীলন ভীষণ দরকার। শরীরের বাড়তি মেদ ঝড়াতেও এর বিকল্প নেই।

     

    DISCLAIMER: এই লেখাটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Weight Loss Tips: মাত্র ২ সপ্তাহে কীভাবে কমাবেন ওজন? জেনে নিন ১০টি ঘরোয়া টোটকা

    Weight Loss Tips: মাত্র ২ সপ্তাহে কীভাবে কমাবেন ওজন? জেনে নিন ১০টি ঘরোয়া টোটকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়তি ওজন আজ এক বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ থেকে নিস্তার পেতে অনেকেই অনেক রকম উপায় অবলম্বন করেন। শারীরিকভাবে অনুশীলন হোক অথবা স্বাস্থ্যসম্মত ডায়েট মেনে চলা এগুলিই করতে দেখা যায় সাধারণত ওজন কমাতে। আজকে আমরা ১০টি সাধারণ টোটকার (Weight Loss Tips) বিষয়ে বলবো, এর মাধ্যমে মাত্র দু সপ্তাহতেই ওজন কমানো সম্ভব। সঠিকভাবে এই টোটকা অনুশীলন করলেই মিলবে ফলাফল, এমনটাই দাবি গবেষকদের।
     

    জানুন ১০টি টোটকা (Weight Loss Tips)…….

     

    ১) সব থেকে প্রথমে যেটা আপনাকে মেনে চলতে হবে সেটা হচ্ছে চিনি একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ যে কোন চিনি জাতীয় খাদ্য এবং পানীয় ওজন বাড়াতে সবথেকে বড় ভূমিকা নেয় এটা গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে।

    ২) গ্রিন টি পান করুন। গ্রিন টি ফ্যাট কমাতে (Weight Loss Tips) খুবই উপকারী এবং এটি আন্টি-অক্সিডেন্টও বটে।

    ৩) ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন ফাস্ট ফুড বা বেশি তৈলাক্ত জাতীয় খাবার ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।

    ৪) প্রতিদিন নিয়মিত ভাবে ১০ থেকে ১৫ মিনিট যদি হাসতে পারেন, গবেষকরা বলছেন তাহলে ১০ থেকে ৪০ ক্যালরি খরচ হয় যা ওজন কমাতে (Weight Loss Tips) একটা বড় ভূমিকা নেয় এবং এটি মর্নিং ওয়ার্ক বা জগিং এর সমতুল্য।

    ৫) নিয়মিতভাবে দেড় লিটার জল পান করুন গবেষকরা বলছেন এতে মেটাবলিজম বৃদ্ধি হয় এবং ফ্যাট কমে (Weight Loss Tips)।

    ৬) নিয়মিতভাবে শরীরচর্চা করার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা, যদি আপনি ওজন কমাতে (Weight Loss Tips) চান তাহলে নিয়মিতভাবে আপনাকে শারীরিক অনুশীলন করতেই হবে।

    ৭) স্বাস্থ্যসম্মত ভারী খাবার অল্প পরিমাণে খান। কিন্তু খাবার কখনও এড়িয়ে চলবেন না। ওজন কমাতে (Weight Loss Tips) অনেকে খাবার এড়িয়ে চলেন এটা ঠিক নয়, বলছেন গবেষকরা।

    ৮) দিনে ঘুম একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে এবং রাত জাগাও বন্ধ করতে হবে। কারণ গবেষকরা বলছেন যে দিনে জেগে রাত্রিতে কাজ করলে ফ্যাট কমানো (Weight Loss Tips) কঠিন হয়ে যায়।

    ৯) গবেষকরা বলছেন যে মানুষ যখন চাপের মধ্যে থাকে তখন তার মেটাবলিজম কমে যায়, তেল, শর্করা, লবণ জাতীয় খাদ্যগুলি শরীরে শোষিত হতে থাকে যার ফলে ওজন বেড়ে যায়।

    ১০) গবেষকরা বলছেন দিনে ৮ ঘন্টা ঘুম খুবই জরুরী। ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে বিছানায় শুয়ে পড়া এবং সকাল ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে বিছানা ছেড়ে ওঠা। ওজন কমাতে (Weight Loss Tips) এবং স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন করতে এর বিকল্প নেই।

     

LinkedIn
Share