Tag: weightlifter Achinta Sheuli

weightlifter Achinta Sheuli

  • Achinta Sheuli: মায়ের ছেঁড়া শাড়িতেই নিরাপদ সোনাজয়ীর পদক! জানেন অচিন্ত্যকে কী বললেন মা

    Achinta Sheuli: মায়ের ছেঁড়া শাড়িতেই নিরাপদ সোনাজয়ীর পদক! জানেন অচিন্ত্যকে কী বললেন মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমনওয়েলথ গেমসে (Commonwealth Games) ৭৩ কেজি ভারোত্তলন (Weaight Lifting) বিভাগে সোনার পদক (gold) জিতেছেন বাংলার ভারোত্তোলক অচিন্ত্য শিউলি (Achinta Sheuli)। তাঁকে নিয়ে সারা দেশে চর্চা চলছে। দারিদ্র্যকেদূরে ঠেলে এগিয়ে গিয়েছেন তিনি। আজ প্রচারের লাইমলাইটে হাওড়ার দেউলপুরের ছেলে। ছেলের সাফল্য মায়ের আনন্দ। কিন্তু গ্রামের ভাঙা বাড়িতে ছেলের অর্জিত পদক ও ট্রফি রাখার ভাল জায়গা নেই। তাই নিজের ছেঁড়া শাড়িতেই ছেলের মহামূল্যবান পদক ও ট্রফিগুলি রেখেছেন অচিন্ত্য শিউলির মা পূর্ণিমা শিউলি। বাড়িতে আলমারি নেই, ট্রফি সাজানোর মতো জায়গাও নেই। তাই মা ছেলেকে একটি আলমারি কিনতে বলেছেন। সেখানে তিনি ছেলের পদক ও ট্রফিগুলি রাখবেন। অচিন্ত্যর  বাড়ি কলকাতা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে। অচিন্ত্যর মা জানান, বাড়িতে খাটের নিচে শাড়িতে জড়িয়ে অচিন্ত্যর ট্রফি ও মেডেলগুলি রাখা আছে। সেখানেই ওগুলো সব থেকে বেশি নিরাপদ বলেও জানান তিনি। 

    আরও পড়ুন: ঘরে ফিরলেন সোনার ছেলে! জানেন বাড়ি এসে কী করলেন অচিন্ত্য

    এখনও বাড়িতে ট্রফি রাখার আলাদা জায়গা করতে পারেননি সোনার ছেলে অচিন্ত্য। তবে ভবিষ্যতে নিশ্চয়ই করবেন। কমনওয়েলথ গেমসে (CWG 2022) সোনা জয়ের পর সেনাবাহিনীতেও এবার পদোন্নতির পথে বাংলার ভারোত্তোলক। সম্প্রতি দিল্লিতে সেনাবাহিনীতে কর্মরত পদকজয়ীদের সংবর্ধনা দিয়েছেন সেনাপ্রধান মনোজ পাণ্ডে। বাহিনীতে কর্মরত কমনওয়েলথে পদকজয়ীদের হাতে স্মারক ও নগদ পুরস্কারমূল্য তুলে দেন সেনাপ্রধান। সেখানে ছিলেন অচিন্ত্যও। কমনওয়েলথ গেমসে প্রত্যেকের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন সেনাপ্রধান। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন, সেনাবাহিনীর প্রথা মেনে সকলেরই পদোন্নতি হবে। তাই আপাতত দিনবদলের আশায় বাংলার ভারোত্তোলক। 

    আরও পড়ুন: জরিশিল্পীর কমনওয়েলথ সোনা উৎসর্গ দাদা ও কোচকে

    তবে যতদিন না পর্যন্ত ছেলে নিজের ঘর নতুন করে সাজাতে পারছে ততদিন তাঁর মা পূর্ণিমা শিউলি ছেলের মূল্যবান জিনিসগুলিকে রেখেছেন নিজের জিম্মায়। পূর্ণিমা বলেছেন, “আমি জানতাম অচিন্ত্য যখন আসবে তখন সবাই বাড়িতে ভিড় করবে। সেই জন্য আমি এই মেডেল-ট্রফিগুলো একটা টুলের ওপর সাজিয়ে রাখি, যাতে সবাই বুঝতে পারে আমার ছেলে কতটা প্রতিভাবান। আমি স্বপ্নেও ভাবিনি ও দেশের জন্য  সোনার পদক জিতবে। ও স্বপ্ন পূরণ করেছে।”
LinkedIn
Share