Tag: West Bengal

West Bengal

  • Assembly Election 2026: ঘনিয়ে আসছে ভোট, চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর

    Assembly Election 2026: ঘনিয়ে আসছে ভোট, চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইভিএম, ভি ভি প্যাটের পর এবার গণনা কেন্দ্রের চূড়ান্ত প্রস্তুতিও সেরে ফেলল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। চলতি বছর রাজ্যে যে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election 2026) হতে চলেছে তার জন্য সম্পূর্ণ তৈরি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর (ECI)। সেই মোতাবেক রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ১৫০টি গণনা কেন্দ্রকে চূড়ান্ত করতে পেরেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের দফতর। বুধবার এই তালিকাই পাঠানো হবে নির্বাচন কমিশনে। কমিশনের তরফে চূড়ান্ত শিলমোহর পড়লেই রাজ্যের এই গণনা কেন্দ্রগুলিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া হবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। কেবলমাত্র গণনা কেন্দ্রই নয়, কোন গণনা কেন্দ্রে কত রাউন্ড গণনা হবে তারও তালিকা তৈরি হয়ে গিয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের পদস্থ আধিকারিকের বক্তব্য (Assembly Election 2026)

    নির্বাচন কমিশনের এক পদস্থ আধিকারিক জানান, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরেই রাজ্যে আসবে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। ফুল বেঞ্চ ঘুরে যাওয়ার পরেই অর্থাৎ মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই নির্বাচন কমিশন আগেভাগেই সব কাজ সেরে রাখছে। ইতিমধ্যেই ইভিএম, ভিভিপ্যাট থেকে শুরু করে বুথের সংখ্যা একপ্রকার চূড়ান্ত করে ফেলেছে নির্বাচন কমিশন। বাকি ছিল কেবলমাত্র গণনা কেন্দ্রের সংখ্যা চূড়ান্ত করার। এবার সেই সংখ্যাও চূড়ান্ত করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর পাঠাতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে। সেখানে শিলমোহর পড়লেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সব রকম পদক্ষেপ করতে শুরু করবে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রায় ৩০ হাজার বুথকে স্পর্শকাতর এবং অতি স্পর্শকাতর বুথ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর এই সংখ্যা বাড়তেও পারে (Assembly Election 2026)। তবে সাম্প্রতিক অতীতে কালীগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে নির্বাচন সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে যে প্যারামিটার ছিল, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সেই প্যারামিটার ভেঙে নয়া মানচিত্র তৈরি হয়ে গিয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে স্পর্শকাতর এবং অতি স্পর্শকাতর বুথের ভেতরে এবার থাকবে দু’টি করে ক্যামেরা, বুথের বাইরে একটি।

    নাকা চেকিংয়ের সংখ্যা

    বাকি বুথগুলিতে ভিতরে ও বাইরে একটি করে ক্যামেরা লাগানো হবে। নাকা চেকিংয়ের সংখ্যা বাড়ানো হবে। সেখানেও থাকবে প্রতি ক্ষেত্রে একটি করে ক্যামেরা, এর সঙ্গে থাকবে মোবাইল ভ্যান যার মাথায় লাগানো থাকবে একটি করে ক্যামেরা, আর এইসব ক্যামেরায় ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে লাইভ ওয়েবকাস্টিং করা হবে। যে পরিকল্পনা নিয়ে নির্বাচন কমিশন এখনও পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে, তাতে এই বিধানসভা নির্বাচন সম্ভবত এক দফায়ই হতে চলেছে। আর সেই কারণেই রাজ্যে ভোটের দামামা বেজে গেলেও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে এখনও প্রায় এক মাসেরও বেশি সময় আছে (ECI)। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বিগত দিনের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি না করে নতুন আর এক ইতিহাস সৃষ্টি করতে চলেছে বলেই নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। কমিশনের এক পদস্থ কর্তা জানান, কমিশনের লক্ষ্য এবার একদিকে যেমন এক দফায় নির্বাচন করা, তেমনি অন্যদিকে রক্তপাতহীন সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করে মানুষকে তার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করার ক্ষমতা দেওয়া।

    স্পর্শকাতর, অতি-স্পর্শকাতর বুথ

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে ইতিমধ্যেই কয়েক দফায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে বিস্তর বৈঠক হয়েছে। এই বৈঠকের মধ্যে দিয়েই উঠে এসেছে স্পর্শকাতর থেকে শুরু করে অতি-স্পর্শকাতর এবং সংবেদনশীল থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত এলাকার বুথের সামগ্রিক চিত্র। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর প্রতি বুথে যেমন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, তেমনই এলাকায়ও টহলদারের কাজে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। মোবাইল ভ্যানের মাধ্যমেও নজরদারির কাজ চালাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীই। অর্থাৎ ২০২১ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবার একদিকে যেমন বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চলেছে, তেমনি অন্যদিকে বিগত দিনের ইতিহাস মুছে ফেলে রাজ্যে নয়া ইতিহাস সৃষ্টি করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। এখন দেখার, আদতে এই স্পর্শকাতর এবং অতি-স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা বেড়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় যেখানে এবার রাজ্যে বুথের সংখ্যা প্রায় এক লাখ ছুঁতে চলেছে (Assembly Election 2026)।

     

  • Swami Suryananda: সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ

    Swami Suryananda: সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মীয় সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ (Swami Suryananda)। রবিবার ঘটনাটি ঘটে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর এলাকায়। গুরুতর জখম হন ওই হিন্দু সাধু (Suvendu Adhikari)। হিন্দু সম্মেলন চলাকালীনই ঘটনাটি ঘটে। ঘটনায় তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও লক্ষ্যভিত্তিক হিংসার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভগবানপুরে আয়োজিত ওই হিন্দু সম্মেলনে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও ভক্তরা শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হয়েছিলেন। তবে সমাবেশস্থলে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যার পরিপ্রেক্ষিতে স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ গুরুতর জখম হন। তাঁকে তড়িঘড়ি ভর্তি করা হয় স্থানীয় একটি হাসপাতালে।

    হিন্দু সন্ন্যাসী আক্রান্ত (Swami Suryananda)

    হাসপাতাল সূত্রে খবর, স্বামীজি একাধিক আঘাত নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। তাঁকে দেখতে যাঁরা হাসপাতালে গিয়েছিলেন, তাঁদের মতে, মহারাজের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হলেও স্থিতিশীল। মহারাজের ওপর হামলার ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত করা হয়নি। ধর্মীয় সমাবেশে কীভাবে হিংসা ছড়াল, সে বিষয়েও রাজ্য পুলিশ-প্রশাসন নীরব। ঘটনার প্রেক্ষিতে এফআইআর দায়ের হয়েছে কি না, অথবা ঘটনাটিকে মারধর, দাঙ্গা নাকি হত্যার চেষ্টার মামলা হিসেবে দেখা হচ্ছে, তা-ও স্পষ্ট নয়। হিন্দু সন্ন্যাসীর আক্রান্ত হওয়ায় খবর পেয়েই মহারাজকে দেখতে হাসপাতালে ছোটেন শুভেন্দু। মহারাজের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনাটির বিশদ বিবরণ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Swami Suryananda)।

    ‘জয় শ্রী রাম’

    শুভেন্দুর দাবি, ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দেওয়ায় সম্মেলনের সময় ওই সাধুর ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, “এটি (জয় শ্রীরাম ধ্বনি) হিন্দু ধর্মীয় পরিচয়ের প্রকাশমাত্র।” তাঁর দাবি, হাসপাতালের বেড থেকেই স্বামীজি তাঁকে ঘটনার ধারাবিবরণী দেন (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, “বুনো জন্তুর মতো তারা তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। স্বামীজির গলায় ফাঁস লাগিয়ে তাঁকে হত্যার চেষ্টাও করেছিল। ঘুষি, লাথি ও বুকে আঘাত করাও হয়েছে। হয়েছে মারধর করাও।” নন্দীগ্রামের বিধায়কের অভিযোগ, হামলাকারীরা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের মধ্যে যাদের তিনি “জেহাদি” বলে উল্লেখ করেন, তারাও ছিল। তাঁর মতে, এটি কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং একটি পরিকল্পিত ও ঠান্ডা মাথার হত্যার চেষ্টা।

    “রাষ্ট্র-পোষিত সন্ত্রাস”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে শুভেন্দু এই ঘটনাকে “রাষ্ট্র-পোষিত সন্ত্রাস” বলে অভিহিত করেন। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসা চালাতে রাজ্য প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে মদত দিচ্ছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এটি নিছক আইনশৃঙ্খলার অবনতি নয় (Suvendu Adhikari)। এটি হিন্দু গর্ব প্রকাশের সাহস দেখানো যে কাউকে লক্ষ্য করে সংগঠিত সন্ত্রাস।” তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের রাজত্বে হিন্দু সাধুদের ওপর হামলা, মন্দির ভাঙচুর এবং ভক্তদের ভয় দেখানো নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজ্য পুলিশকে নীরব দর্শক বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা ও অপরাধীদের রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার একটি পরিচিত ধারারই পুনরাবৃত্তি হয়েছে (Swami Suryananda)।

    সভ্যতার সঙ্কট!

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের আহ্বান জানিয়ে শুভেন্দু জাতপাত ও আঞ্চলিক বিভাজন ভুলে হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন। তাঁর মতে, স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজের ওপর হামলা আসলে সমগ্র হিন্দু বিশ্বাস ও পরিচয়ের ওপর আঘাত। তাঁর প্রশ্ন, “আর কতদিন হিন্দুরা নীরবে অত্যাচার সহ্য করবে?” শুভেন্দুর মতে, ঘটনাটি কোনও বিচ্ছিন্ন হিংসার ঘটনা নয়, এটি একটি বৃহত্তর সভ্যতার সঙ্কট।এদিকে, হাসপাতাল সূত্রে খবর, স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজের শারীরিক অবস্থার ওপর চিকিৎসকেরা কড়া নজর রাখছেন। দোষীদের বিরুদ্ধে (Suvendu Adhikari) কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও ক্রমশ জোরালো হচ্ছে (Swami Suryananda)।

     

  • Saraswati Puja: তৃণমূলের তুষ্টিকরণের রাজনীতি, সরস্বতীপুজো বন্ধ একাধিক জায়গায়

    Saraswati Puja: তৃণমূলের তুষ্টিকরণের রাজনীতি, সরস্বতীপুজো বন্ধ একাধিক জায়গায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের তুষ্টিকরণের রাজনীতির বিষবৃক্ষে ফলতে শুরু করেছে বিষময় ফল! তার জেরে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল-শাসিত (TMC) রাজ্যের একাধিক জায়গায় ব্যাহত হয়েছে বার্ষিক হিন্দু উৎসব সরস্বতী পুজো (Saraswati Puja)। শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি ছিল সরস্বতী পুজো। উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটি শহরে শাসক দল তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে বাধা সৃষ্টি হয় সরস্বতী পুজোয়।

    তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে মন্দিরে তালা (Saraswati Puja)

    সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেলঘরিয়া সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গা চৌক সোসাইটি মন্দিরটিতে তৃণমূলের এক গোষ্ঠী তালা ঝুলিয়ে দেয়। এর ফলে স্থানীয় হিন্দু মহিলারা সরস্বতীর আরাধনা করতে পারেননি। সমস্যার সমাধান করতে পারেননি সংশ্লিষ্ট টিএমসি কাউন্সিলরও। পুলিশ জানিয়েছে, টিএমসির বিবদমান দুই গোষ্ঠী কোনও সমঝোতায় না পৌঁছনো পর্যন্ত তারা তালা ভাঙবে না বা হস্তক্ষেপ করবে না। স্থানীয় এক মহিলা বলেন, “আমরা চাই এই মন্দিরটি সকলের জন্য একটি সাধারণ উপাসনাস্থল হোক। এখানে একটি মাত্র তালা থাকবে, যার দুটি চাবি থাকবে, একটি ওদের কাছে, অন্যটি আমাদের কাছে।” আর এক মহিলা বলেন, “এটি কোনও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এটি সবার।”

    পুজো বন্ধ কলেজ-স্কুলেও

    এদিকে, দক্ষিণ কলকাতার সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত যোগেশচন্দ্র চৌধুরী কলেজের এক ছাত্রী জানান, সরস্বতী পুজোর আয়োজন করার জন্য তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, হুমকি দেওয়া টিএমসি নেতার নাম দাউদ আলম মোল্লা। ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে ওই ছাত্রী বলেন, “দাউদ আলম মোল্লা বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সে আমায় হুমকি দিয়েছে যে সে আমার এলএলএম (LLM) নষ্ট করে দেবে।” উল্লেখ্য, যোগেশচন্দ্র চৌধুরী ল’ কলেজই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা টিএমসি সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী (TMC), কীভাবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ শব্বির আলি সরস্বতী পুজোর আয়োজন করলে ছাত্রছাত্রীদের ধর্ষণ ও খুনের হুমকি দিয়েছিলেন।

    এদিন, কোচবিহার জেলার দিনহাটা কলেজে টিএমসির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে সরস্বতী পূজার মণ্ডপ পরিত্যক্ত হয়ে যায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে তলব করা হয়। খবর পেয়ে দিনহাটা থানার ওসি এবং এসডিপিও কলেজ চত্বরে পৌঁছন (Saraswati Puja)। পুজোয় অংশ নিতে আসা হিন্দু ভক্তদের নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া দৃশ্যে দেখা যায়, শাসক দলের দুষ্কৃতীরা কলেজ ক্যাম্পাসকে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত করেছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসত শহরের আর একটি ঘটনায়, স্কুল চত্বরে সরস্বতী পুজো আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়নি হিন্দু ছাত্রছাত্রীদের। জানা গিয়েছে, ওই স্কুলে ৫০ শতাংশের বেশি মুসলিম ছাত্রছাত্রী থাকায় পুজোর অনুমতি নাকচ করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ আধিকারিকরা ছাত্রছাত্রীদের দেবী সরস্বতীর পুজো করতে বাধা দিচ্ছেন।

    ফুটপাতে পুজোর আয়োজন!

    শেষ পর্যন্ত হিন্দু ছাত্রছাত্রীদের স্কুল প্রাঙ্গণের বাইরে, ফুটপাতে পুজোর আয়োজন করতে বাধ্য করা হয় (Saraswati Puja)। প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি বলেন, “তারা বলেছে, এই স্কুলে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হওয়ায় এখানে পুজো করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গে থাকা হিন্দুদের অবস্থা আর বাংলাদেশের হিন্দুদের অবস্থার মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই (TMC)।” তিনি এও বলেন, “পুলিশ দেবী সরস্বতীকেও স্কুল থেকে বের করে দিয়েছে, ফলে ছাত্রছাত্রীদের রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ফুল দিতে হয়েছে।” এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। টুইট-বার্তায় তাঁর প্রশ্ন, “পশ্চিমবঙ্গ কি এখন বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে?” তিনি এও লেখেন, “এই ঘটনা আমাদের একটি বিষয় শেখায়, যদি হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে যায়, তাহলে তাদের সঙ্গে কেমন আচরণ করা হবে।” উপরোক্ত চারটি ঘটনা স্থানীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে প্রায়ই যেমন দেখা যায়, হিন্দুদের অধিকার সংক্রান্ত বহু খবরই মূলধারার সংবাদমাধ্যমে উপেক্ষিত থেকে যায়। তাই সরস্বতী পুজো ব্যাহত হওয়ার ঘটনার সংখ্যা (TMC) কয়েক ডজন ছাড়িয়ে গেলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকবে না (Saraswati Puja)।

  • TMC: ব্যর্থ মমতা, তৃণমূল রাজ্যের লগ্নি টেনে নিয়ে গেল বিজেপির ওড়িশা

    TMC: ব্যর্থ মমতা, তৃণমূল রাজ্যের লগ্নি টেনে নিয়ে গেল বিজেপির ওড়িশা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ১৫ বছর গদি আঁকড়ে পড়ে থেকে তৃণমূলের (TMC) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা পারেননি, মাত্র দু’দিনের বঙ্গ সফরেই তার চেয়েও ঢের বেশি কাজ করে দেখালেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির মোহন মাঝি। যার জেরে সেই বাম জমানা থেকে তৃণমূলের শাসনকাল (Syndicate Raj) পর্যন্ত ক্রমেই অধঃপাতে চলে যাচ্ছে রাজ্যের দশা। আর ওড়িশার উত্থান হচ্ছে রকেট গতিতে।

    পশ্চিমবঙ্গের অবনতি (TMC)

    পশ্চিমবঙ্গের এই অবনতি কোনও ঐতিহাসিক দুর্ঘটনা নয়। এটি সরাসরি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, প্রশাসনিক অবক্ষয় এবং এমন এক শাসনব্যবস্থার ফল, যেখানে উন্নয়নের চেয়ে নিয়ন্ত্রণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এক সময় ভারতের শিল্পক্ষেত্রের গর্ব হিসেবে পরিচিত বাংলা আজ পরিণত হয়েছে একটি অর্থনৈতিক সতর্কবার্তায়, যা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, কীভাবে মতাদর্শ, তোষণমূলক রাজনীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি মিলিয়ে কয়েক দশকের অগ্রগতিকে ধ্বংস করে দেওয়া যায়। তৃণমূল কংগ্রেস ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে বাংলা যখন ক্রমেই স্থবিরতার অতলে তলিয়ে যাচ্ছে, তখন পাশের রাজ্য ওড়িশায় একেবারেই ভিন্ন চিত্র। এক সময় অর্থনৈতিকভাবে বাংলার থেকে পিছিয়ে থাকা ওড়িশা এখন দ্রুত এগিয়ে চলেছে, বিনিয়োগ টানছে, তৈরি করছে কর্মসংস্থান, এবং তরুণদের সামনে খুলে দিচ্ছে নতুন আশার দিগন্ত। আজ আর পূর্ব ভারতের উন্নয়নের গল্প কলকাতায় লেখা হচ্ছে না, নতুন করে তা লেখা হচ্ছে ওড়িশার রাজধানী ভুবনেশ্বরে।

    পশ্চিমবঙ্গ ছিল শিল্পের সমার্থক নাম

    স্বাধীনতার পর কয়েক দশক ধরে পশ্চিমবঙ্গ ছিল শিল্পের সমার্থক নাম। হাওড়ার ইঞ্জিনিয়ারিং কেন্দ্র থেকে শুরু করে দুর্গাপুরের ইস্পাত কারখানা, কলকাতা বন্দর থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সব মিলিয়ে বাংলা ছিল পূর্ব ভারতের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড। দক্ষ শ্রমশক্তি, শিক্ষাগত উৎকর্ষ, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও উদ্যোক্তা মানসিকতা, সবই ছিল। যে জিনিসটি বাংলার টিকে থাকা নিশ্চিত করতে পারেনি, তা হল শিল্প-বিরোধী শাসনের দীর্ঘ ইতিহাস, যার চূড়ান্ত রূপ দেখা যায় তৃণমূলের রাজত্বে। এখানে মতাদর্শগত কঠোরতার জায়গায় এসেছে আরও বিধ্বংসী এক বাস্তবতা, দৃষ্টিহীন বিশৃঙ্খলা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে বাংলার শিল্পের গতি কেবল মন্থর হয়নি, বরং পরিকল্পিতভাবেই তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে (Syndicate Raj)।

    পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন লগ্নিকারীরা

    ২০১১ সালের পর থেকে ৬,৬৮৮টি সংস্থা তাদের রেজিস্ট্রিকৃত অফিস পশ্চিমবঙ্গের বাইরে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এই একটিমাত্র তথ্যই তৃণমূলের উন্নয়নের দাবির অন্তঃসারশূন্যতা তুলে ধরে। কোনও কারণ ছাড়া কোনও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রাজ্য থেকে পাততাড়ি গুটোয় না। তারা লোটাকম্বল নিয়ে তখনই সরে যায়, যখন নীতিনির্ধারণ অনিশ্চিত, আইনশৃঙ্খলা দুর্বল এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ টিকে থাকার পূর্বশর্ত হয়ে (TMC) দাঁড়ায়। বিনিয়োগকারীরা যেসব পরিচিত কারণের কথা বলেন, সেগুলি হল, ‘দলীয় অনুদানে’র-এর নামে তোলাবাজি, চুক্তি ও পরিবহণে সিন্ডিকেট রাজ, স্থানীয় স্তরে রাজনৈতিক হুমকি, প্রশাসনিক স্বচ্ছতার অভাব, দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত স্থিতিশীলতার ওপর সম্পূর্ণ অনাস্থা, এবং এটি ‘গরিবপন্থী’ শাসন নয়, এটি উন্নয়নবিরোধী শাসন।

    তৃণমূল রাজ

    তৃণমূলের রাজত্বে পশ্চিমবঙ্গে গড়ে উঠেছে এক সমান্তরাল অর্থনীতি, যেখানে কমিশন ছাড়া কিছুই এগোয় না। আর রাজনৈতিক আশীর্বাদ ছাড়া কোনও প্রকল্প টিকে থাকে না। কুখ্যাত ‘কাটমানি’ সংস্কৃতি রাজ্যের শাসনের সমার্থক হয়ে উঠেছে, যা পঞ্চায়েত স্তর থেকে শুরু করে বড় পরিকাঠামো প্রকল্প পর্যন্ত সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে ক্ষয়িষ্ণু করেছে। এখানে উদ্যোক্তাদের উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে নয়, বরং শোষণের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেখা হয়। এমন পরিবেশে উদ্ভাবন বিকশিত হয় না, দমবন্ধ হয়ে মারা যায়। ফলস্বরূপ, একসময় ভারতের বৌদ্ধিক গর্ব হিসেবে পরিচিত বাংলার যুবসমাজ আজ মর্যাদা ও সুযোগের সন্ধানে রাজ্যের বাইরে পাড়ি দিচ্ছে কাজের খোঁজে। যে রাজ্য প্রতিভা রফতানি করে আর ঋণ ছাড়া কিছুই আমদানি করে না, সে রাজ্য এগোচ্ছে না, সে ভেঙে পড়ছে (TMC)।

    তৃণমূল শাসিত রাজ্যের পক্ষে অপমানজনক

    ওড়িশার সঙ্গে তুলনা তৃণমূল শাসিত একটি রাজ্যের পক্ষে আরও অপমানজনক (Syndicate Raj)। সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝি কলকাতায় মাত্র দু’দিনের বৈঠকেই ১.০৩ লক্ষ কোটি টাকার লগ্নির প্রতিশ্রুতি আদায় করে ফিরে গিয়েছেন। এগুলি কোনও প্রতীকী ঘোষণা নয়, বরং সময়সীমা ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা-সহ বাস্তব শিল্প চুক্তি। জানা গিয়েছে, ২৭টি মউয়ের মাধ্যমে ৮১,৮৬৪ কোটি টাকা, ৯০,০০০-এর বেশি যুবকের কর্মসংস্থান, ইস্পাত, আইটি, উৎপাদন ও সবুজ শক্তি খাতে বিনিয়োগ, এবং ২০৩৬ সালের মধ্যে ‘সমৃদ্ধ ওড়িশা’র স্পষ্ট রোডম্যাপ দিয়ে গিয়েছেন। এটাই আত্মবিশ্বাস, স্পষ্টতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার ভিত্তিতে পরিচালিত শাসন ব্যবস্থা। এই তিনটি গুণ আজ পশ্চিমবঙ্গে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। বাংলার নিজস্ব শিল্পপতিরাও এখন গন্তব্য হিসেবে বেছে নিচ্ছেন ওড়িশাকেই।

    সিন্ডিকেট রাজ

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর রাজনৈতিক জীবন গড়ে তুলেছেন আন্দোলন, বাধা ও সংঘাতের রাজনীতির ওপর ভিত্তি করে। তাঁর সরকার ধারাবাহিকভাবে বিকল্প না দিয়ে শিল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের বিরোধিতা করেছে, প্রশাসন ও পুলিশি ব্যবস্থায় রাজনীতিকরণ করেছে, শাসনের বদলে ব্যক্তিকেন্দ্রিক নাটককে প্রাধান্য দিয়েছে। উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন স্থিতিশীলতা। লগ্নিকারীরা চান আশার আলো। বাংলা কোনওটাই দেয় না (TMC)। ভারতের পূর্বাঞ্চলের পুনরুত্থান, ‘পূর্বোদয়ে’র স্বাভাবিক নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পশ্চিমবঙ্গের। অথচ আজ সেই রাজ্যই নিজের অগ্রগতির সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে (Syndicate Raj) দাঁড়িয়েছে। ওড়িশার উত্থান নির্মমভাবে বাংলার ব্যর্থতা উন্মোচন করে দেয়। এটি প্রমাণ করে, ভৌগোলিক অবস্থানই ভাগ্য নয়, আর ইতিহাস কোনও নিশ্চয়তা দেয় না। আসল বিষয় হল যোগ্য নেতৃত্ব।

    বাংলায় শিল্পায়নই ব্যর্থ

    যে রাজ্য একসময় অসংখ্য সুবিধা নিয়ে এগিয়ে ছিল, সে যদি এমন একটি রাজ্যের কাছে পিছিয়ে পড়ে, যাকে সে একসময় ছাপিয়ে গিয়েছিল, তবে লগ্নিকারীদের রায় স্পষ্ট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল শুধু বাংলায় শিল্পায়নেই ব্যর্থ হননি, তাঁরা সক্রিয়ভাবে এর অর্থনৈতিক ভিত্তিও ধ্বংস করে দিয়েছেন। সিন্ডিকেট সংস্কৃতিকে স্বাভাবিক করে, কাটমানিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে এবং বিনিয়োগকারীদের তাড়িয়ে দিয়ে তাঁরা ভারতের অন্যতম (Syndicate Raj) সম্ভাবনাময় রাজ্যকে পরিণত করেছেন শিল্পের কবরস্থানে (TMC)।

  • PM Modi: সিঙ্গুরে কল্পতরু প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস করলেন ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের

    PM Modi: সিঙ্গুরে কল্পতরু প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস করলেন ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ সকালে আমি মা কামাখ্যার মাটিতে ছিলাম। এখন বাবা তারকনাথের মাটিতে আপনাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি।” রবিবার সিঙ্গুরের (Singur Meeting) জনসভায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন অবশ্য তিনি বক্তৃতা শুরু করেন শ্রীরামকৃষ্ণ এবং মা সারদাকে দিয়ে। তার পরেই চলে আসেন মা কামাখ্যা এবং বাবা তারকনাথের অনুষঙ্গে। সিঙ্গুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের। সিঙ্গুরের সরকারি মঞ্চ থেকে হুগলির বলাগড়ে এক্সটেন্ডেড পোর্ট গেট সিস্টেমের শিলান্যাসও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    গত ২৪ ঘণ্টা তাৎপর্যপূর্ণ (PM Modi)

    এদিন সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “রাজ্যের ট্রেন যোগাযোগের ক্ষেত্রে গত ২৪ ঘণ্টা তাৎপর্যপূর্ণ। গত ১০০ বছরে এত কাজ হয়নি।” এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারি মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, কেন্দ্রের দুই মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং শান্তনু ঠাকুর, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এই মঞ্চে বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ আগেই ৬টি অমৃত ভারত ট্রেন পেয়েছে। আজ আরও ৩টি অমৃত ভারত ট্রেন পেল পশ্চিমবঙ্গ।” জয়রামবাটি-বড়গোবিন্দনাথপুর-ময়নাপুর নয়া রেললাইনের উদ্বোধনও করেন প্রধানমন্ত্রী। যাত্রার সূচনা করেন তিনটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের এবং একটি নয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেনের (PM Modi)।

    রাজ্য সরকার পরিবর্তনের আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রত্যাশিতভাবেই এসেছে রাজ্য সরকার পরিবর্তনের আহ্বান। তিনি বলেন, “আমাদের আসল পরিবর্তন চাই। সকলে এই মনোভাব নিয়েই আজ সভায় এসেছেন। সকলেই ১৫ বছরের মহাজঙ্গলরাজকে বদলাতে চাইছেন। বন্দে মাতরম হুগলিতেই লেখা হয়েছিল। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই মাটিতেই লিখেছিলেন।” তিনি বলেন, “বিহারে এনডিএ জঙ্গলরাজ আরও একবার আটকে দিয়েছে। এবার পশ্চিমবঙ্গও টিএমসির মহাজঙ্গলরাজকে বিদায় করতে প্রস্তুত।” রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সুরও এদিন বেঁধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (Singur Meeting)। তিনি বলেন, “পাল্টানোর দরকার, চাই বিজেপি সরকার।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পুরো সংসদ, পুরো দেশ ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছে। হুগলি এবং বন্দেমাতরমের সম্পর্ক তো আরও গুরুত্বপূর্ণ। বলা হয়, এখানেই ঋষি বঙ্কিমজি বন্দেমাতরমকে পূর্ণতা দিয়েছেন।”

    কর্তব্যপথে নেতাজি

    তিনি বলেন, “বিজেপি সরকারই দিল্লিতে কর্তব্যপথে ইন্ডিয়া গেটের সামনে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তি বসিয়েছে। প্রথমবার লালকেল্লা থেকে আজাদ হিন্দ ফৌজের অবদানকে স্মরণ করা হয়েছে (PM Modi)। আন্দামান নিকোবরে নেতাজির নামে দ্বীপের নামকরণ করা হয়েছে। আগে ২৬ জানুয়ারির কর্মসূচি ২৪-২৫ তারিখ থেকে শুরু হত। শেষ হত ৩০ তারিখে। আমরা তা বদলে দিয়েছি। এখন ২৩ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষবাবুর জন্মজয়ন্তী থেকে শুরু করেছি। মহাত্মা গান্ধীর পূণ্যতিথিতে তা পূরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তিনি মনে করিয়ে দেন, পশ্চিমবঙ্গ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে। এর পরেই তৃণমূলকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা নিতে পাচ্ছেন না রাজ্যের মানুষ। এজন্য তৃণমূল সরকার দায়ী। মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেও লাভ হয় না। জেলেদের জন্য কেন্দ্রীয় যোজনায় বাংলার জেলেদের রেজিস্ট্রেশন করতে দেওয়া হচ্ছে না।” তিনি বলেন, “জেলেরা বঞ্চিত (Singur Meeting) হচ্ছেন। যুব সমাজের সঙ্গে ছেলেখেলা করছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার (PM Modi)।”

     

  • Sukanta Majumdar: “মোদি ক্ষণজন্মা, তাঁর কথা শুনুন”, আমন্ত্রণপত্র বিলি করতে গিয়ে বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “মোদি ক্ষণজন্মা, তাঁর কথা শুনুন”, আমন্ত্রণপত্র বিলি করতে গিয়ে বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মোদি (PM Modi) ক্ষণজন্মা, তাঁর কথা শুনুন। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে টাটারা ফিরবেই।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভার আমন্ত্রণপত্র বিলি করতে গিয়ে কথাগুলি বললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ১৮ জানুয়ারি সিঙ্গুরে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার সেই সভাস্থল পরিদর্শন করেন সুকান্ত। সেখান থেকে তিনি যান সাহানাপাড়া গ্রামে। বিলি করেন প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার আমন্ত্রণপত্র। সিঙ্গুর থেকে টাটা বিদায় নেওয়ার পর এই প্রথম সেখানে সভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। সিংহরভেড়ি মৌজায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারের মাঠে হবে সভা।

    তৃণমূলকে নিশানা (Sukanta Majumdar)

    সিঙ্গুরের মাটিতে টাটার শিল্প না হওয়ায় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে দায়ী করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “বিজেপি সরকার আসুক। এখানে টাটারা ফিরবে। আমরা জানি, কীভাবে করতে হয়। আমরা উত্তরপ্রদেশে ডিফেন্স করিডর করছি। ভারতের দুটো বড় করিডরের একটা উত্তরপ্রদেশে, আর একটা হয়েছে তামিলনাড়ুতে।” তৃণমূলের আন্দোলনের জেরে সিঙ্গুর থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে ভিন রাজ্যে চলে গিয়েছেন টাটারা (Sukanta Majumdar)। পরে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর সেখানকার জমি ফিরে পেয়েছেন কৃষকরা। তবে সেই জমি আর আবাদযোগ্য নয়। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্লায় পড়লে নাকও যাবে, নরুনও যাবে। তিনি শুধু নিজের পরিবারের কথা ভাবেন, বাকি কারও জন্য ভাবেন না। প্রধানমন্ত্রীর সভায় আসার জন্য আমরা সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি (PM Modi)।” এর পরেই সুকান্ত বলেন, “তিনি (নরেন্দ্র মোদি) ক্ষণজন্মা। এমন মানুষ কম জন্মান। গোটা ভারতকে তিনি যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তা শ্রদ্ধা জাগায়। তাঁর বক্তব্য শুনতে সবার আসা উচিত। তৃণমূলের লোকেদেরও আসা উচিত। তবে তাদের সৎ বুদ্ধি হবে।”

    মুখ্যমন্ত্রী চান না, শিল্প হোক

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানিয়ে সুকান্ত বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে শিল্প নেই। কারণ মুখ্যমন্ত্রী চান না, শিল্প হোক। তিনি চান, মানুষ গরিব থাকুন, ঘুগনি বিক্রি করুন। তিনি ভাতা দেবেন, আর সেই ভাতার টাকায় ছোলা কিনবেন বউকে বলবেন ঘুগনি বানাতে, আপনি ঘুগনি বিক্রি করবেন আর মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোরা কোটিপতি হবে। ওঁর পরিবার ভালো থাকবে। এই কলঙ্ক সিঙ্গুরের মাথা থেকে ঘোচানোর (PM Modi) কাজ করবে ভারতীয় জনতা পার্টি।  টাটা-সহ অন্য শিল্পপতিদের এখানে নিয়ে এসে শিল্প করে দেখাব (Sukanta Majumdar) আমরা।”

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, চৌত্রিশ বছরে বামেদের দুর্গ নাড়াতে সিঙ্গুরের এই আন্দোলন ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। বামফ্রন্ট সরকার তৎকালীন সময়ে এই সিঙ্গুরে টাটা ন্যানোর কারখানা তৈরি করবে বলে কৃষকদের কাছ থেকে জমি অধিগ্রহণ করে। তবে সেই সময় বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার জেরে শিল্প না করেই সিঙ্গুর থেকে চলে যেতে হয় টাটাদের (Sukanta Majumdar)।

     

  • Suvendu Adhikari: “৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রমাণ দিন, নইলে…” মমতাকে মানহানির চিঠি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রমাণ দিন, নইলে…” মমতাকে মানহানির চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানহানির চিঠি পাঠালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কয়লা কেলেঙ্কারিতে এবার রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নাম জড়িয়েছেন মমতা। শুভেন্দু অধিকারীর পাঠানো নোটিসে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী যে অভিযোগ প্রকাশ্যে করেছেন, তার স্বপক্ষে উপযুক্ত প্রমাণ দিতে হবে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সেই প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে আইনি পথে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। আইনজীবী সূর্যনীল দাসের মাধ্য়মে চিঠি পাঠিয়েছেন শুভেন্দু।

    কী বলা হয়েছে আইনি নোটিসে

    মমতাকে পাঠানো শুভেন্দুর আইনি নোটিসে দাবি করা হয়েছে যে ৮ এবং ৯ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যে এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যার কোনও ভিত্তি নেই। এই সব মন্তব্য অসত্য এবং মানহানির কারণ। তাই এই নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই নোটিসে আরও দাবি করা হয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কয়লা কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নামও তোলেন। এমনকী এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর নামও জড়িয়ে দেন। তিনি দাবি করেন, কয়লা পাচারের টাকা শুভেন্দুর মাধ্যমে অমিত শাহের কাছে যায়। কিন্তু তিনি যে এ সব অভিযোগ করেছেন, তার স্বপক্ষে কোনও তথ্য বা প্রমাণ সামনে আনা হয়নি। তাই মানহানির নোটিস দেওয়া হয়েছে। এই নোটিসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের মন্তব্যের স্বপক্ষে প্রমাণ দেওয়ার জন্য ৭২ ঘণ্টা দিয়েছেন শুভেন্দুর আইনজীবী। নইলে দেওয়ানির পাশাপাশি ফৌজদারি মানহানির মামলাও করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে এই চিঠিতে।

    অশালীন ইঙ্গিত মমতার

    এই নোটিসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কড়া নিন্দা করা হয়। আইনজীবীর পক্ষ থেকে জানান হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ধরনের বক্তব্য শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে করেছেন, সেগুলি অত্যন্ত অশালীন এবং অসম্মানজনক। শুভেন্দু অধিকারীকে যে ‘দত্তক সন্তান’ বলা হয়েছে, এই মন্তব্যেরও কড়া নিন্দা করা হয় এই নোটিসে। এই মন্তব্যের জন্য শুভেন্দুর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে বলে দাবি। পাশাপাশি পারিবারিক সম্মানও কমেছে বলে জানান তাঁর আইনজীবী। আই প্যাক-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ইডি তল্লাশি থেকেই এই ঘটনার সূত্রপাত। বৃহস্পতিবার এক বেনজির দৃশ্যের সাক্ষী থেকেছে বাংলা তথা গোটা দেশ। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশির মাঝে ঢুকে মুখ্যমন্ত্রীকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবারও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিঁধে দাবি করেছিলেন, ইডি-র মাধ্যে তাঁর দলের স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী তালিকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। এই তল্লাশি প্রসঙ্গেই সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে বেলাগাম আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই এবার প্রমাণ চেয়ে চিঠি পাঠালেন শুভেন্দু।

  • Gangasagar Mela: মেলা শুরুর আগেই গঙ্গাসাগরে আগুনে ভস্মীভূত বহু ছাউনি, মহাকুম্ভকে ‘মৃত্যুকুম্ভ’ বলা মমতা কী বলবেন?

    Gangasagar Mela: মেলা শুরুর আগেই গঙ্গাসাগরে আগুনে ভস্মীভূত বহু ছাউনি, মহাকুম্ভকে ‘মৃত্যুকুম্ভ’ বলা মমতা কী বলবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গাসাগর মেলা (Gangasagar Mela) শুরুর আগেই অগ্নিকাণ্ড। এতেই প্রশ্নের মুখে হিন্দু তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা। কাঠগড়ায় মমতা প্রশাসন। বছরও ঘোরেনি, প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এমন মন্তব্যের কারণে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে হিন্দু সাধু-সন্ন্যাসী মহলে। এবার মমতা প্রশাসনের ( Mamata Banerjee) অব্যবস্থাপনায় গঙ্গাসাগরের মেলাতে অগ্নিকাণ্ড দেখল সারাদেশ। এই ঘটনাকে মুখ্যমন্ত্রী এবার কী হিসেবে ব্যাখ্যা করেন সেটাই এখন দেখার।

    বিজেপির কটাক্ষ

    এই ঘটনার জন্য প্রশাসনিক অব্যবস্থাকে দায়ী করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা অরুণাভ দাসের প্রশ্ন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের নেতারা মহাকুম্ভকে ‘মৃত্যু কুম্ভ’ বলেছিলেন। এখন কি তারা গঙ্গাসাগর নিয়ে একই কথা বলবেন? শুক্রবার ভোরে মেলায় কপিলমুনির মন্দির সংলগ্ন ২ নম্বর রাস্তার পাশে তৈরি হওয়া একাধিক অস্থায়ী ছাউনিতে আচমকাই আগুন লাগে। মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। পুলিশ সূত্রের খবর, শুক্রবার ভোরে আগুন লাগার পরে হোগলা দিয়ে তৈরি অস্থায়ী ছাউনিগুলি জ্বলতে শুরু করে। আগুনের লেলিহান শিখায় একের পর এক অস্থায়ী ছাউনি ভস্মীভূত হয়ে যায়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, আগুন লাগার প্রায় ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা পরে দমকল এসে হাজির হয়। তার আগে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন স্থানীয়রাই (Gangasagar Mela)।

    একাধিক অস্থায়ী শিবির ক্ষতিগ্রস্ত

    আগুন লাগার ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে (Gangasagar Mela)। প্রাথমিক খবরে জানা যাচ্ছে, মেলা উপলক্ষে বিভিন্ন দফতরের শিবির ও অস্থায়ী ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হচ্ছিল হোগলা ছাউনির মধ্যেই। সেগুলিতেই আগুন লাগে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পুলিশ, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, সংবাদমাধ্যম এবং বজরং পরিষদের একাধিক অস্থায়ী শিবির। এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর নেই বলে জানা গেলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশ বড় বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কী ভাবে আগুন লাগল, শর্ট সার্কিট না কি অন্য কোনও কারণ—তা খতিয়ে দেখছে দমকল বাহিনী। গঙ্গাসাগর মেলার আগে এই অগ্নিকাণ্ড ঘিরে নিরাপত্তা ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে (Gangasagar Mela) নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কাঠগড়ায় এখন মমতা সরকার।

  • Bengal SIR: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার, অথচ পাসপোর্ট বাংলাদেশের!

    Bengal SIR: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার, অথচ পাসপোর্ট বাংলাদেশের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর (Bengal SIR) চলছে। তাতেই উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যের সিইওর দফতর সূত্রে খবর, অন্তত ১৪ জন ব্যক্তি একই সঙ্গে ভারতীয় ভোটার পরিচয়পত্র (Indian Epic Cards) এবং বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করছে। অনুমান, ওই ১৪ জনই আদতে বাংলাদেশের নাগরিক। এই তথ্যের ভিত্তিতেই রাজ্যের সিইও দফতর কলকাতার ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে।

    বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট (Bengal SIR)

    সম্প্রতি এফআরআরও, কলকাতা সিইও দফতরকে লিখিতভাবে জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট ১৪ জনের প্রত্যেকের কাছেই বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট রয়েছে। তারা সকলেই বৈধ ভিসায় পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল। কিন্তু ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর আর বাংলাদেশে ফিরে যায়নি।পরবর্তীকালে তারা বেআইনিভাবে বিভিন্ন ভারতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে, যার মধ্যে অন্যতম হল ভোটার পরিচয়পত্র। সিইও দফতরের এক সূত্রের খবর, এই ১৪ জনের নাম ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিতব্য চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ

    ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার পাশাপাশি, আইন অনুযায়ী এই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেবে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, এই ১৪ জনকে রাজ্যের তিনটি জেলায় চিহ্নিত করা হয়েছে। এই জেলাগুলি হল উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া এবং পূর্ব মেদিনীপুর। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলা বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া। যার জেরে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। ঘটনাটি সামনে আসার পর নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নজরদারি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে (Bengal SIR)।

    জাল ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরির কারবার

    গত এক বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে ভুয়ো পাসপোর্ট ও জাল ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরির একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং ইডি। তদন্তকারীদের দাবি, এই চক্রের মূল লক্ষ্য ছিল অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভারতীয় নাগরিকত্বের নকল নথি তৈরি করে দেওয়া (Indian Epic Cards)। তদন্তে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এই চক্রটি সক্রিয়ভাবে কাজ করছিল এবং অত্যন্ত পরিকল্পিত চার ধাপের মাধ্যমে ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরি করা হচ্ছিল (Bengal SIR)। প্রথম ধাপে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার পর অনুপ্রবেশকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া বিভিন্ন গ্রামে। স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে তাদের গোপনে রাখা হত।

    কীভাবে চলত কারবার?

    দ্বিতীয় ধাপে স্থানীয় প্রশাসনের একাংশের সঙ্গে যোগসাজশে এই অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র এবং রেশন কার্ড বানানো হত। তৃতীয় ধাপে ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র ও রেশন কার্ডের ভিত্তিতে তৈরি করা হত আধার কার্ড ও প্যান কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় পরিচয়পত্র (Bengal SIR)। চতুর্থ তথা শেষ ধাপে এই সব নকল নথির ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ভুয়ো ভারতীয় পাসপোর্ট জোগাড় করে দেওয়া হত, যার মাধ্যমে তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবাধে যাতায়াত করতে পারত বা বিদেশেও যাওয়ার চেষ্টা করত (Indian Epic Cards)। তদন্তকারী আধিকারিকদের মতে, এই ধরনের চক্র দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের চক্র সক্রিয় থাকাটা উদ্বেগজনক বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (Bengal SIR)। ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন দালাল ও নথি জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে এবং আগামী দিনে আরও বড়সড় নাম সামনে আসতে পারে বলে ইডি ও রাজ্য পুলিশ সূত্রে খবর (Indian Epic Cards)।

  • Malda Flood Relief Scam: মালদা বন্যা ত্রাণে ভয়াবহ দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্টে প্রকাশ প্রায় ১০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি

    Malda Flood Relief Scam: মালদা বন্যা ত্রাণে ভয়াবহ দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্টে প্রকাশ প্রায় ১০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও দুর্নীতির জালে তৃণমূল। ২০১৭ সালের অগাস্ট মাসে মালদায় (Malda Flood Relief Scam) ভয়াবহ বন্যার পর ত্রাণ ও ক্ষতিপূরণের নামে যে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, তার বিস্ফোরক তথ্য উঠে এল প্রায় ৭০০ পাতার কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (CAG) রিপোর্টে। এই রিপোর্ট সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে জমা পড়েছে। রিপোর্টে ইঙ্গিত মিলেছে, বন্যা ত্রাণের নামে প্রায় ১০০ কোটি টাকা লুট হয়েছে। সিএজি-র পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এটি নিছক প্রশাসনিক গাফিলতি নয়, বরং একটি সংগঠিত ও পরিকল্পিত লুটপাটের চিত্র, যেখানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা বঞ্চিত হয়েছেন এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালীরা লাভবান হয়েছেন। এই রিপোর্টে উঠে এসেছে জনসাধারণের অর্থের নির্মম ও পরিকল্পিত লুণ্ঠনের ছবি,যেখানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা চরম দুর্দশায় পড়ে থাকলেও শাসক দলের ঘনিষ্ঠরা ত্রাণের টাকা লুটে নিয়েছে।

    পাকা বাড়ি ভাঙেনি, তবু কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ

    প্রকাশিত প্রাথমিক ক্যাগ প্রতিবেদনে বিপুল পরিমাণ জালিয়াতির ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে, যাতে ৮০-এর বেশি পঞ্চায়েত প্রধান ও কর্মকর্তার নাম জড়িয়ে আছে। এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে ঝড় তুলেছে, বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘ত্রাণ বিতরণ মডেল’-কে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০১৭ সালের বন্যায় মালদার লক্ষ লক্ষ মানুষের বাড়িঘর উজাড় হয়ে যায়। সরকার ১০০০ কোটি টাকারও বেশি ত্রাণ তহবিল বরাদ্দ করে, কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে, এই অর্থের একটি বড় অংশ আসল ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে পৌঁছায়নি। বরং, এই অর্থগুলো কিছু নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সাইফন করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, মালদা জেলায় ১,৬০৯টি পাকা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত দেখিয়ে ৭.৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়। অথচ জেলার তৎকালীন জেলাশাসক (DM) সরকারি নথিতে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বন্যায় একটিও পাকা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

    একই ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে ৪২ বার টাকা!

    সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে ডুপ্লিকেট ও একাধিকবার অর্থপ্রদানের ঘটনায়। একই নাম, একই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও আইএফএসসি কোডে ২ বার থেকে ৪২ বার পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের টাকা জমা হয়েছে। হরিশ্চন্দ্রপুর–২ ব্লকে এক ব্যক্তি একই বাড়ির ক্ষতির জন্য ৪২ বার টাকা পেয়েছেন। শুধুমাত্র এই ধরনের ভুয়ো ও বহুগুণ অর্থপ্রদানের মাধ্যমে ৫.৯০ কোটি টাকা নয়ছয় হয়েছে বলে সিএজি জানিয়েছে। ৬,৯৬৫ জনকে একই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২ থেকে ৪২ বার করে টাকা দেওয়া হয়েছে, বলে অভিযোগ।

    আমরা তো কিছু পাইনি

    প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, হাজার হাজার উপকারীদের একই মোবাইল নম্বর বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে, যা স্পষ্টতই জালিয়াতির ইঙ্গিত। আদালতের একজন বিচারপতি বেঞ্চ বলেছেন, “এটা শুধু অর্থের অপব্যবহার নয়, এটা লোকজনের জীবনের সঙ্গে খেলা। বন্যার ক্ষতিগ্রস্তরা আজও ত্রাণের জন্য অপেক্ষায় আছে, আর অর্থগুলো কোথায় গেল?” পিটিশনে দাবি করা হয়েছে যে, ৮০-এর বেশি পঞ্চায়েত প্রধান এবং স্থানীয় কর্মকর্তা এই র‍্যাকেটে জড়িত। এদের মধ্যে অনেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। একজন স্থানীয় বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত বলছেন, “আমরা বাড়ি গাঁথতে পারিনি, কিন্তু শুনছি আমাদের নামে অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। কোথায় গেল সেই টাকা? আমরা তো কিছু পাইনি।”

    তালিকাভুক্ত নন, আবেদন নেই—তবু টাকা!

    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, প্রায় ৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে এমন ব্যক্তিদের, যাঁদের নাম সরকারি ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় ছিল না, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে কোনও আবেদনই জমা পড়েনি। রাতুয়া–১ ব্লকে এমন অনিয়মে ২.৬০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। গোটা জেলায় ক্ষয়ক্ষতি যাচাই না করেই মোট ৭.২৯ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

    জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মীদের ত্রাণ লুট

    সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ, ১০৮ জন জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মচারী বেআইনিভাবে বিপিএল (Below Poverty Line) ত্রাণের টাকা নিয়েছেন। এর মধ্যে— ৩৬ জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য পেয়েছেন মোট ২৬ লক্ষ টাকা। হরিশ্চন্দ্রপুর–২ ব্লকের ৪ জন সরকারি কর্মী নিয়েছেন ৫.২৮ লক্ষ টাকা। সিএজি স্পষ্ট জানায়, এঁরা কেউই বিপিএল বা বন্যা-আক্রান্ত হওয়ার যোগ্য ছিলেন না।

    নথি “হারিয়ে গিয়েছে”

    নিয়ম অনুযায়ী, চার সদস্যের যাচাই কমিটির অনুমোদন ছাড়া ত্রাণ দেওয়া যায় না। কিন্তু— মানিকচক, ওল্ড মালদা, ইংরেজবাজার, কালিয়াচক–১ ও রাতুয়া–১ ব্লকে এই নিয়ম মানা হয়নি। ওল্ড মালদা ব্লকে (Malda Flood Relief Scam) অডিটের সময় গুরুত্বপূর্ণ নথি “হারিয়ে গিয়েছে” বলে দাবি করা হয়। অথচ নথি হারানোর বিষয়ে কোনও পুলিশি অভিযোগ দায়ের হয়নি।

    নির্বাচনের সময় টাকা তোলা নিয়ে প্রশ্ন

    রিপোর্ট ও আদালতে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলাগুলিতে অভিযোগ, পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় বড় অঙ্কের টাকা তোলা হয়েছিল, যা রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। এই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া তিনটি জনস্বার্থ মামলায় অভিযোগ, মোট লুটের অঙ্ক প্রায় ১০০ কোটি টাকা। আদালতে অন্তত ৩০ জন বিডিও-র নাম উঠে এসেছে, যাঁরা ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে দায়িত্বে ছিলেন।

    দুর্নীতির পুরনো ছক?

    আমফান ঝড়, কোভিড ত্রাণ—একাধিক দুর্নীতির অভিযোগের পর মালদা বন্যা ত্রাণ কেলেঙ্কারি ফের প্রশ্ন তুলছে রাজ্যের দুর্যোগ মোকাবিলা ও ত্রাণ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে “বঞ্চনা”-র কথা বলেন, সিএজি রিপোর্ট সেখানে ইঙ্গিত দিচ্ছে—এই বঞ্চনা রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যেই পরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছিল। প্রশ্ন উঠছে, এটাই টিএমসির ত্রাণ বিতরণের মডেল? আসল ক্ষতিগ্রস্তরা শূন্য পায়, আর অর্থ র‍্যান্ডম অ্যাকাউন্টে চলে যায়!

     

     

     

     

LinkedIn
Share