Tag: West Bengal Budget 2026

  • West Bengal Budget 2026: শ্যামাপ্রসাদের জন্মবার্ষিকীতে সরকারি ছুটি, কলকাতার কাছে আরও একটি বিমানবন্দর, পালবদলের বাজেটে বড় ঘোষণা

    West Bengal Budget 2026: শ্যামাপ্রসাদের জন্মবার্ষিকীতে সরকারি ছুটি, কলকাতার কাছে আরও একটি বিমানবন্দর, পালবদলের বাজেটে বড় ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ঘাড়ে বিপুল ঋণের বোঝা, বাজেট পেশ করে মমতার সরকারকে নিশানা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সোমবার বাংলায় পালাবদলের প্রথম বাজেট পেশ করলেন স্বপন। রাজ্য সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে আশাকর্মী- প্রত্যেকেই সুখবর শুনিয়েছে নতুন সরকার। উত্তরবঙ্গ থেকে সুন্দরবন প্রত্যেক অঞ্চলের জন্যই রয়েছে বিশেষ ঘোষণা। শিক্ষা-স্বাস্থ্য থেকে ক্রীড়া-শিল্প সবক্ষেত্রেই ভরসা জুগিয়েছে নয়া সরকারের বাজেট (West Bengal Budget 2026)।

    শ্যামাপ্রসাদের জন্মবার্ষিকীতে সরকারি ছুটি

    পশ্চিমবঙ্গের রূপকার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। পাশাপাশি তাঁর বাড়ি সংরক্ষণেও বিশেষ বরাদ্দ শুভেন্দু সরকারের। মোট ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা ব্লককে একটি মডেল ব্লক হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে, এই ব্লকের প্রাইমারি হেলথ সেন্টারকে ১০০ শয্যার গ্রামীণ হাসপাতালে উন্নীত করা হবে।

    মদের দোকান নিয়ে কড়াকড়ি

    অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন, এখন থেকে কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ধর্মীয় স্থানের এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনও মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়া হবে না। কলকাতা পুরসভার ক্ষেত্রে এই লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে ন্যূনতম দূরত্ব হবে ৫০০ মিটার। ব্যবসাকে সিন্ডিকেট চার্জ এবং অন্য বেআইনি অর্থ আদায় থেকে রক্ষা করার আইন আনা হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। স্বপন জানান, হস্তক্ষেপ এবং চাঁদাবাজির ফলে ব্যবসার ক্ষতি হচ্ছে। এই কারণে আগামী দিনে একটি আইন আনা হবে।

    দুর্গাপুজোকে ঘিরে পর্যটন ব্র্যান্ডিং অভিযান

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “দুর্গাপুজো হল বাংলার সাংস্কৃতিক আত্মা। দুর্গাপুজো বিশ্বজনীন উৎসব, বাংলার চিরন্তন আবেগ— এই মূল প্রতিপাদ্যকে কেন্দ্র করে আমরা একটি লক্ষ্যভিত্তিক পর্যটন ব্র্যান্ডিং অভিযান শুরু করব।” রাজ্যে শক্তিপীঠ সার্কিট গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কালীঘাট, তারাপীঠ থেকে ফুল্লরা, বক্রেশ্বরকে নিয়ে সার্কিট তৈরি হবে। ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে হেরিটেজ কমিশন গঠন করা হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

    রাজ্যে নতুন পাঁচ জেলা!

    রাজ্যে মোট পাঁচটি নতুন জেলা গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বাজেটে। এই পাঁচটি প্রস্তাবিত জেলা হল— কলকাতা, বসিরহাট, সুন্দরবন, জঙ্গিপুর এবং আরামবাগ। পাশাপাশি কাঁথিতে একটি নতুন পুলিশ জেলা গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। গোপীবল্লভপুরে তৈরি হবে নতুন মহকুমা। পাশাপাশি শিবমন্দির, গাজোল, চাঁচল, বেলদা, বাগনান, জয়গাঁ, কোলাঘাট, কামারপুকুর এবং টুঙ্গিদিঘিতে নতুন পুরসভা গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    নতুন বিমানবন্দর!

    রাজ্য সরকারের নতুন বাজেটে জোর দেওয়া হল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নেও। কলকাতার কাছে আরও একটি বিমানবন্দর তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বাজেটে। কল্যাণীর কাছে একটি ‘গ্রিনফিল্ড’ বিমানবন্দর তৈরি করতে ১০০০-১৫০০ একর জমি চিহ্নিত করবে সরকার। পাশাপাশি কেন্দ্রের উড়ান প্রকল্পের আওতায় পুরুলিয়া, বালুরঘাট এবং মালদহেও বিমানবন্দর তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

    খেলার উন্নতিতে বরাদ্দ

    উত্তরবঙ্গে একটি আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম এবং একটি ইনডোর স্টেডিয়াম তৈরি হবে। ক্রীড়া সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে রাজ্যে খেলো ইন্ডিয়া কার্যক্রম শুরু হবে। রাজ্যে প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম তৈরি হবে।

    মিড ডে মিলের উপকরণে ১০ টাকা

    প্রাথমিক স্কুলে মিড ডে মিলের উপকরণের খরচ ১০ টাকা করা হবে। ইসকনের সহযোগিতায় কলকাতা পুরসভা এলাকায় স্কুলে পুষ্টিকর রান্না করে মিড ডে মিল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।আশাকর্মীদের কাজকে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁদের মাসিক সাম্মানিক ৫০০০ টাকা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন। স্টেট ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনে চুক্তিভিত্তিক কন্ডাক্টরদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধি করে মাসে ১৬ হাজার টাকা করা হবে। সিভিক ভলান্টিয়ার, ভিলেজ পুলিশ ও গ্রিন পুলিশদের পারিশ্রমিক ২০০০ টাকা করে বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। হোমগার্ডদেরও পারিশ্রমিক বৃদ্ধি পাচ্ছে ২০০০ টাকা।

    শিল্প নিয়ে ঘোষণা

    উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে বিনিয়োগ টানতে বিশেষ প্রকল্প
    উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাটারিচালিত গাড়ির কারখানা তৈরি হবে।
    শিলিগুড়িতে ইন্টিগ্রেটেড লজিস্টিক হাব তৈরি হবে
    শিলিগুড়িতে আইটি পার্ক গড়ে তোলা হবে
    দুর্গাপুরে তৈরি হবে সেমি কন্ডাক্টর ইউনিট
    দক্ষিণ দিনাজপুরে টেক্সটাইল হাব তৈরি হবে

    স্বাস্থ্যের জন্য ঘোষণা

    উত্তরবঙ্গে এইমস ও ক্যান্সার হাসপাতাল
    ৫টি নতুন মেডিক্যাল হাব তৈরির ঘোষণা
    ভেলোর, মুম্বইয়ে রোগীর পরিবারের জন্য থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে
    সুন্দরবনে মোটর বোট অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা
    দক্ষিণ দিনাজপুর ও কালিম্পঙে নতুন মেডিক্যাল কলেজ
    আলিপুরদুয়ার ও পশ্চিম বর্ধমানে মেডিক্যাল কলেজ
    হাসপাতালে রোগী পিছু খাবারে ১১০ টাকা বরাদ্দ

  • West Bengal Budget 2026: সুন্দরবনের জন্য ১,২৮০ কোটি, উত্তরবঙ্গ উন্নয়নে বরাদ্দ ১,৮২১ কোটি! ৪ লক্ষ কোটির রাজ্য বাজেট ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

    West Bengal Budget 2026: সুন্দরবনের জন্য ১,২৮০ কোটি, উত্তরবঙ্গ উন্নয়নে বরাদ্দ ১,৮২১ কোটি! ৪ লক্ষ কোটির রাজ্য বাজেট ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের জন্য মোট ৪ লক্ষ ৩৮ হাজার ৭৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বাজেটে (West Bengal Budget 2026)। এর মধ্যে কৃষিতে ৮,৫৬৫.৮৪ কোটি টাকা, কৃষি বিপণনে ৩৬৮.৯৯ কোটি টাকা, প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে ১,৪০৪.৪২ কোটি টাকা, অনগ্রসর শ্রেণি উন্নয়নে ২,৫৪৪.৪৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সুন্দরবন বিষয়ক কাজের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১,২৮০.০৭ কোটি টাকা। উত্তরবঙ্গ উন্নয়নে বরাদ্দ হয়েছে ১,৮২১.৫২ কোটি টাকা। সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষায় বরাদ্দ হয়েছে ২,১৬৫.৪২ কোটি টাকা। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নে ৫১,৮৩৬.৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। শিল্প বাণিজ্য এবং শিল্পোদ্যোগে বরাদ্দ হয়েছে ৩,২৬৬.৫৯ কোটি টাকা।

    কোন খাতে কত বরাদ্দ

    জরুরি পরিষেবার জন্য প্রতিটি থানায় একটি করে গাড়ি চালু করা হবে। তাতে বরাদ্দ হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আরও স্বচ্ছ ও সহজ করতে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বন্যা প্রতিরোধ এবং পুনর্বাসনের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনায় বরাদ্দ ৩৬ হাজার কোটি টাকা। উচ্চশিক্ষায় ছাত্রীদের স্কুলছুটের হার কমাতে নতুন প্রকল্প চালু হবে। সরকারি ও সরকারপোষিত কলেজে অবিবাহিত ছাত্রীদের এককালীন ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এর জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১০০০ কোটি টাকা। প্রসূতিদের উন্নত পুষ্টির জন্য প্রধানমন্ত্রী মাত্রুবন্দনা যোজনার সাহায্য-সহ ২১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ। মহিলাদের বিনামূল্যে বাস পরিষেবার জন্য ৫৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ। ঝাড়গ্রামে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয় গড়া হবে। তার জন্য চলতি অর্থবর্ষে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ১২৫ দিনের কাজের জন্য রাজ্য সরকারের ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ। আবাস যোজনা (গ্রামীণ)-এর জন্য ১৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।

    আদর্শ বিদ্যালয় তৈরির জন্য ২১০০ কোটি টাকা

    হুগলি-ভাগীরথী নদীর উপর জেটি উন্নয়ন, জেটি ও গ্রামীণ বাজারের যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ। সুন্দরবনে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। বিদ্যুৎ পরিষেবা আরও উন্নত করতে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সরকারি অফিসগুলিতে সৌরশক্তির গ্রিড বসানো হবে। তার জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। মুড়িগঙ্গায় সেতু নির্মাণের জন্য ১০০ কোটি বরাদ্দ। আদর্শ স্কুল গঠনের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২১০০ কোটি টাকা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বিনাখরচের কোচিং সেন্টার চালু হবে। রাজ্যের প্রতিটি জেলায় তৈরি হবে বিনামূল্যের কোচিং সেন্টার। রাজ্যে আদর্শ বিদ্যালয় তৈরির জন্য ২১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে। সংস্কৃত কলেজ ও সংস্কৃত ভাষার প্রসারের জন্য বরাদ্দ করা হচ্ছে ৫০ কোটি টাকা। ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়ায় দু’টি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হবে।

  • West Bengal Budget 2026: ২০ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা, পাটের ফাইল নিয়ে, পুজো দিয়ে বাজেট পেশ অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তর

    West Bengal Budget 2026: ২০ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা, পাটের ফাইল নিয়ে, পুজো দিয়ে বাজেট পেশ অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিজেপির সরকার প্রথম বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। রাজ্যে মোট ঋণ রয়েছে ৮ লক্ষ ১৫ হাজার ৮৯১ কোটি টাকার ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন। স্বপন বলেন, “দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনিক কাঠামো গঠন করা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির মূল স্তম্ভ। রাজ্যের জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে হবে আমাদের। রাজ্য সরকার নাগরিকদের কাছে পৌঁছোতে ‘আপনার সরকার, আপনার পাশে’ নামে একটি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে।”

    ২০ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা

    সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০ শতাংশ মহার্ঘভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এটি কার্যকর হবে বলে জানান তিনি। ওই সময় থেকে সব মিলিয়ে ৩৮ শতাংশ ডিএ কার্যকর হবে। মহিলাদের বিনামূল্যে বাস পরিষেবার জন্য বরাদ্দ করা হচ্ছে ৫৫০ কোটি টাকা। এই উদ্দেশ্যে শীঘ্রই পিঙ্ক কার্ড চালু করা হবে বলে ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী। ঝাড়গ্রামে আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে। ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী।

    সব সামাজিক প্রকল্প চালু

    বিধায়ক তহবিল ৭০ লক্ষ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ১ কোটি টাকা করা হচ্ছে। বাজেটে এমনই ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। জানালেন ঋণ যাই থাক ডবল ইঞ্জিন সরকার তা সামলানোর চেষ্টা করবে। রাজ্যে চালু থাকা সকল সামাজিক সুরক্ষাপ্রকল্প অব্যাহত থাকবে। ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সমাজের সবচেয়ে দুর্বল শ্রেণির কাছে পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। এই প্রকল্পগুলির প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ঘটাতে হবে।”

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের

    এক লক্ষ শূন‍্যপদ নিয়োগ করা হবে। তাতে ৩৩ শতাংশ মহিলা নিয়োগ করা হবে। তার মধ্যে ২০ হাজার পুলিশ বিভাগ, ৫০ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হবে। যেখানে প্রযোজ্য, সেখানে ১০ শতাংশ অগ্নিবীরদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। সরকারি পদে নিয়োগে ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ইতিমধ্যে ৫ বছর ছাড় দেওয়া হবে। এই সুবিধা পরবর্তী ২ বছরের জন্য বহাল থাকবে।

    পাটের ফাইল নিয়ে, পুজো দিয়ে বাজেট পেশ

    এদিন রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের বাজেট পেশের আগে পুজো দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তও। পাটের তৈরি বাজেট ফাইল নিয়ে বিধানসভায় আসেন অর্থমন্ত্রী। বাজেট পেশের আগে সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের একটি ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। লোক ভবনে তোলা ওই ছবিটির সঙ্গে স্বপন লিখেছেন, “বাজেটের আগে তাঁর আশীর্বাদ।”

  • State Budget: বাজেটের আগে দিল্লিতে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, বাড়ছে ‘চমক’ জল্পনা!

    State Budget: বাজেটের আগে দিল্লিতে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, বাড়ছে ‘চমক’ জল্পনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এই প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বিজেপি সরকার। ছাব্বিশে বিধানসভা নির্বাচন থাকায় ‘ভোট অন অ্যাকাউন্ট’ পেশ (State Budget) করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের সরকার। এই নির্বাচনে ধরাশায়ী হয়ে রণে ভঙ্গ দিয়েছেন ‘মেলা-খেলা’র মুখ্যমন্ত্রী মমতা। বিপুল পরিমাণ জনমত নিয়ে নবান্নের কুর্সিতে বসে ‘জায়ান্ট কিলার’ শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার (Swapan Dasgupta)।

    পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবে শুভেন্দু সরকার (State Budget)

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবে এই সরকারই। বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে ১৮ জুন, বৃহস্পতিবার থেকে। ২২ জুন বিধানসভায় বাজেট পেশ করবেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। তার আগে বুধবার সকালে আচমকাই দিল্লি উড়ে গেলেন অর্থমন্ত্রী। তাঁর এই ঝটিকা দিল্লি সফরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

    গুরুত্বপূর্ণ দুই বৈঠক

    সূত্রের খবর, দিল্লিতে অর্থমন্ত্রী দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। প্রথমে তিনি নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান তথা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ীর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, কেন্দ্রীয় অনুদান এবং আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর। পরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের সঙ্গেও বৈঠক করেন স্বপন। রাজ্যের আর্থিক পুনর্গঠন, কেন্দ্রীয় করের বকেয়া অংশ, উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অতিরিক্ত আর্থিক সাহায্য এবং নয়া সরকারের জনকল্যাণমূলক পরিকল্পনা নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, নয়া সরকারের প্রথম বাজেটে একাধিক বড় চমক থাকবে। সেই মন্তব্যের পর বাজেট ঘোষণার মাত্র কয়েকদিন আগে অর্থমন্ত্রীর দিল্লি উড়ে যাওয়া উসকে দিয়েছে জল্পনার আগুন।

    রাজ্যের হাঁড়ির হাল

    চৌত্রিশ বছরের বাম রাজত্ব এবং তার পরের টানা পনেরো বছর তৃণমূল শাসনে রাজ্যের হাঁড়ির হাল হয়েছে বলেই দাবি বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের। তৃণমূল জমানায় পাহাড়-প্রমাণ দুর্নীতি এবং রাজ্যের প্রাক্তন প্রশাসনিক প্রধান মমতার খয়রাতির রাজনীতির জেরে আক্ষরিক অর্থেই মাজা ভেঙে গিয়েছে বঙ্গের অর্থনীতির। একের পর এক নির্বাচনে ভোট ‘কিনতে’ও বিস্তর খরচ হয়েছে বলেও অভিযোগ। আরও অভিযোগ, হরির লুটের বাতাসার মতো করে ‘করে-কম্মে’ খেয়েছেন রাজ্যের তৎকালীন শাসক দলের ছোট-বড়-মাঝারি নেতারা। বস্তুত, তৃণমূলের আমলে রাজ্যের আহামরি কোনও উন্নতি হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই সরকারের ওপর রাজ্যবাসী ছিলেন অসন্তুষ্ট। সেই অসন্তোষের আগুনে ধামা চাপা দিতেই প্রথম দিকে মেলা-খেলায় মেতে যায় সরকার।

    তৃণমূল সরকারের সস্তার রাজনীতি!

    রাজ্যে বড় কোনও শিল্প না হওয়ায়, হাজার হাজার মানুষ ‘জন’ খাটতে পাড়ি দিয়েছিলেন দেশের বিভিন্ন রাজ্যে। শাসক দলের মেলা-খেলার রাজনীতির বিরুদ্ধে বিরোধীরা সোচ্চার হতেই, বন্ধ হয়ে যায় সেই ‘কালচার’। শুরু হয় খয়রাতির রাজনীতি। নানা রকম ‘শ্রী’-যুক্ত প্রকল্প চালু করে রাজ্যবাসীর দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয় কর্মসংস্থানের হা-পিত্যেশ দশার দিক থেকে। তাতেও বিশেষ চিড়ে না ভেজায়, শুরু হয় তোষণের রাজনীতি। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দেওয়া হতে থাকে হাত উপুড় করে। পায়ের নীচের মাটি আরও আলগা হয়ে যাচ্ছে (State Budget) টের পেয়ে মমতার সরকার চালু করে ক্লাবগুলিকে পুজো উপলক্ষে অনুদান দেওয়ার নয়া প্রথা। তার পরেও অবশ্য শেষ রক্ষে হয়নি। পদ্ম-ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে মমতার সাধের দল তৃণমূল। ওই ঝড়েই উড়ে গিয়ে দলনেত্রী স্বয়ং পড়েছেন কালীঘাটে, আদি গঙ্গার পাড়ে।

    জনমুখী বাজেট উপস্থাপনের প্রস্তুতি!

    এমতাবস্থায় রাজ্য শাসনের গুরু দায়িত্ব বঙ্গবাসী তুলে দেন বিজেপির হাতে। প্রত্যাশিতভাবেই বিরাট বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রাজ্যের আর্থিক (Swapan Dasgupta) অবস্থা। বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা সামলেও, জনমুখী বাজেট উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে পদ্ম সরকার। তাই বাজেটের আগে কেন্দ্রের শীর্ষ অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা। এদিকে, বুধবার ফলতার এক জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “২২ তারিখ বাজেট আছে। সেখানেও বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য নানা কর্মসূচি নেওয়া হবে। আরও কিছু নতুন উদ্যোগ ঘোষণা করা হবে।” যদিও এখনই খোলসা করে কিছু জানাতে চাননি (State Budget) তিনি।

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের বাজেট অধিবেশন চলবে ২৫ জুন পর্যন্ত। পরে ৬ জুলাই সকাল ১১টায় ফের বিধানসভা বসবে। সেটা বাদল অধিবেশন। তাই জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত রাজ্যের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড আরও গতি পাবে বলেই আশা। তাই ২২ জুন, বাজেট ঘোষণার দিন বিজেপির ‘রাম-বাক্স’ থেকে বেরনো (Swapan Dasgupta) সান্টাক্লজ দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া রাজ্যবাসীর জন্য কোন কোন উপহার আনেন, এখন তাই দেখার (State Budget)!

     

  • Jan Kalyan Shibir: উপচে পড়া ভিড়, আরও একদিন বাড়ানো হল জনকল্যাণ শিবিরের মেয়াদ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Jan Kalyan Shibir: উপচে পড়া ভিড়, আরও একদিন বাড়ানো হল জনকল্যাণ শিবিরের মেয়াদ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন জনকল্যাণ শিবিরে (Jan Kalyan Shibir) সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তাই শিবিরের মেয়াদ আরও একদিন বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার ফলতা থেকে তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এদিনই শিবিরের শেষ দিন ছিল। তবে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতির কথা মাথায় রেখে বৃহস্পতিবারও রাজ্যজুড়ে জনকল্যাণ শিবির চালু থাকবে।

    মেয়াদ বাড়ল জনকল্যাণ শিবিরের (Jan Kalyan Shibir)

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই শিবিরের মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা এক জায়গা থেকেই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।” তাঁর দাবি, সরকারের লক্ষ্য হল সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পদ্ধতিতে প্রকৃত উপভোক্তাদের হাতে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। তিনি জানান, ১৫ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু অনেক জায়গায় সময়ের অভাবে পর্যাপ্ত শিবির করা সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘ লাইন পড়ছে এবং প্রচুর মানুষ পরিষেবা নিতে শিবিরে ভিড় করছেন। সেই কারণেই শিবিরের মেয়াদ একদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    শিবিরে ৫৪টি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা

    মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, জনকল্যাণ শিবিরে মোট ৫৪টি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প। তিনি জানান, রাজ্যের প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার তথা সাড়ে ৬ কোটি মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় এসে দেশের যে কোনও সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার সুবিধা পাবেন। প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি (Suvendu Adhikari) জানান, গ্রামীণ এলাকার স্বল্প আয়ের পরিবারগুলি এই প্রকল্পের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ সংযোগের জন্য ১০০ ইউনিটে ৩০ হাজার টাকা, ২০০ ইউনিটে ৬০ হাজার টাকা এবং ৩০০ ইউনিটে ৭৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি পাবেন। এজন্য জনকল্যাণ শিবিরে নাম নথিভুক্ত করতে হবে।

    লক্ষ্মীর ভান্ডার পেয়েছে অ-লক্ষ্মীরাও!

    অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও বিস্তারিত তথ্য দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ব্লকে প্রায় সাড়ে চার হাজার পুরুষ এবং নদিয়ার কৃষ্ণনগর-২ ব্লকে ১৭৩ জন পুরুষ বেআইনিভাবে ওই প্রকল্পের টাকা তুলেছেন। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ এবং সিআইডি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, গত ৩ জুন অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় ২৮ লাখ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা করে পাঠানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ৫ লাখ মহিলা এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করেছেন। তাঁদের তথ্য যাচাই করে পোর্টালে আপলোডও করা হয়েছে (Jan Kalyan Shibir)। আগামী ২২ জুন প্রথম রাজ্য বিধানসভায় বাজেট পেশ করবে পদ্ম সরকার। সে প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “যুবসমাজ, সরকারি কর্মী, শিক্ষিত চাকরিপ্রার্থী এবং কৃষকদের জন্য একাধিক নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”

    ফলতার জন্য বিশেষ ঘোষণা

    এদিকে, ফলতায় একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথাও ঘোষণা করেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ফলতাকে আদর্শ বিধানসভা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এখানে এসইজেডে শিল্পতালুক গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলতা গ্রামীণ হাসপাতালকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করা হবে। মহিলা কলেজ, দমকল কেন্দ্র তৈরির অনুমোদন, ফলতা থানাকে আরও শক্তিশালী করা এবং মহিলাদের জন্য (Suvendu Adhikari) পৃথক হেল্পডেস্ক চালুর পাশাপাশি অতিরিক্ত মহিলা পুলিশকর্মী নিয়োগের কথাও ঘোষণা করেন (Jan Kalyan Shibir) পদ্ম সরকারের প্রধান শুভেন্দু অধিকারী।

     

LinkedIn
Share