Tag: West Bengal CM

West Bengal CM

  • Junior Doctors: মুখ্যমন্ত্রীর শর্ত না মেনেই নবান্নের বৈঠকে জুনিয়র ডাক্তাররা, সরকারকে দিলেন হুঙ্কার

    Junior Doctors: মুখ্যমন্ত্রীর শর্ত না মেনেই নবান্নের বৈঠকে জুনিয়র ডাক্তাররা, সরকারকে দিলেন হুঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক রয়েছে জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors)। তার আগে গতকাল রবিবারই ধর্মতলায় হল চিৎকার সমাবেশ। সেখানে অজস্র সাধারণ মানুষকে ভিড় করতে দেখা গেল। জুনিয়র ডাক্তাররা এখান থেকে ফের একবার ‘হুঙ্কার’ দিলেন। তাঁরা বললেন, “নবান্ন (Nabanna) থেকে দাবি ছিনিয়ে আনতে পারবই।” মমতা সরকারের প্রতি বার্তা দিয়ে তাঁরা জানিয়ে দিলেন, মৌখিক আশ্বাসে তাঁরা কোনওভাবেই অনশন তুলবেন না। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী বার্তা দিয়েছিলেন, অনশন তুললে তবেই হবে বৈঠক। তবে সে শর্ত মানছেন না জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁরা অনশন তোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরেই।

    কী বলছেন দেবাশিস হালদার?

    গতকাল চিৎকার সমাবেশ (Junior Doctors) থেকে জুনিয়র ডাক্তার দেবাশিস হালদার বলেন, “ন্যায়বিচারের দাবির চিৎকার যাতে মুখ্যমন্ত্রীর কান পর্যন্ত পৌঁছয়, সেজন্য এই মহাসমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছিল। আমাদের সহযোদ্ধাদের অনশন আর আপনাদের প্রত্যেকের যে সমর্থন, তা সরকারের কানে পৌঁছাতে পারব। আর আমাদের যে ন্যায়বিচারের দাবি, সেটা ছিনিয়ে আনতে পারবই।” তিনি আরও বলেন, “আমরা আপনাদের জোরে চলছি। আমাদের শরীর আর দিচ্ছে না।” সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন জানিয়ে তিনি বলেন, “নবান্নে (Nabanna) যাব। লিখিত নির্দেশ ছিনিয়ে আনব।”

    সোমবার বৈঠক নবান্নে

    সোমবার বিকেলে জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors) সময় দেন মমতা। মুখ্যসচিব এরপরে তাঁদের ইমেলে জানিয়ে দেন, সোমবার বিকেল ৫টায় নবান্নে বৈঠক হবে। এরজন্য ৪৫ মিনিট সময় দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। বিকাল সাড়ে ৪টের মধ্যেই জুনিয়র ডাক্তারদের ১০ জন প্রতিনিধিকে নবান্নে পৌঁছে যেতে হবে। কারা যাবেন, সেই ১০ প্রতিনিধির নাম আগে ইমেল করে জানাতে বলা হয়। মুখ্যসচিবের এই ইমেলে ‘শর্ত’ দেওয়া হয়। বলা হয়, অনশন তুলে নিলে তবেই সোমবার মমতা ডাক্তারদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ইমেলের জবাব দেওয়ার আগে দীর্ঘ বৈঠক করেন ডাক্তাররা। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয়, অনশন তোলার পরে আলোচনা হবে না, বরং নবান্নে বৈঠকের পরেই এবিষয়ে সিদ্ধান্ত (Junior Doctors) নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: নির্ভয়া গণধর্ষণকাণ্ডে ফাঁসি হয়েছিল ৭ বছর পর!  কবে হবে তিলোত্তমার খুনের বিচার?

    RG Kar Incident: নির্ভয়া গণধর্ষণকাণ্ডে ফাঁসি হয়েছিল ৭ বছর পর! কবে হবে তিলোত্তমার খুনের বিচার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্ভয়া গণধর্ষণ কাণ্ডের (Nirbhaya Case) কথা মনে আছে? কলকাতায় সম্প্রতি আরজি করে এক মহিলা চিকিৎসককে নৃশংস খুনের ঘটনার পর ফের উঠে আসছে নির্ভয়া গণধর্ষণ কাণ্ডের কথা। নির্ভয়া গণধর্ষণকাণ্ডের প্রায় ১২ বছর পর কলকাতায় আরজি করে (RG Kar Incident) এই তরুণী চিকিৎসককে নৃশংস খুনের ঘটনায় সরব হয়েছেন সবাই। সবার একটাই প্রশ্ন, দোষীদের শাস্তি হবে কবে?   

    নির্ভয়া গণধর্ষণ কাণ্ড (Nirbhaya Case) 

    ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দক্ষিণ দিল্লির মুনির্কাতে ওই নৃশংস ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। বিক্ষোভ, মিছিল, দোষীদের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছিল সবাই। সেদিন রাতে নির্ভয়া ও তাঁর বন্ধু সিনেমা দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। প্রথমে অটো ধরে মুনির্কা বাসস্ট্যান্ডে আসেন। রাত তখন সাড়ে ৯টা। তাঁদের সামনে একটি বাস এসে দাঁড়ায়। এক নাবালক মুখ বাড়িয়ে জানতে চায়, তাঁরা কোথায় যাবেন। দ্বারকার কথা বলতেই সে জানায়, ওইপথেই বাস যাবে। বাসে উঠেন নির্ভয়া ও তাঁর বন্ধু। বাসে তখন চালক-সহ ৬ জন। নির্ভয়ার কাছ থেকে ২ জনের ভাড়া হিসেবে ২০ টাকা নেয় কন্ডাক্টর। তখনও কিছু সন্দেহ হয়নি তাঁদের। কিন্তু, বাস অন্য রুট ধরতেই নির্ভয়ার বন্ধু চমকে ওঠেন। রুট বদলানোর কারণ জানতে চান। ততক্ষণে নিজেদের আসল মূর্তি ধারণ করেছে ওই ৬ জন। বাসের দরজা বন্ধ করে দেয়। নির্ভয়ার বন্ধুকে মারধর করা হয়। তারপর শুরু হয় সেই নৃশংসতা। নির্ভয়াকে গণধর্ষণের পাশাপাশি তাঁর যৌনাঙ্গে রড ঢোকানো হয়। ৬ জনের মধ্যে সবচেয়ে নৃশংস ছিল এক নাবালক। নৃশংস অত্যাচারের পর নির্ভয়া ও তাঁর বন্ধুকে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে পালায় তারা। এরপর পুলিশ খবর পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে নির্ভয়াকে। কিন্তু চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় তাঁর। এরপর দোষীদের চিহ্নিত করতে ও তাদের সাজা পাওয়াতে কেটে গেছিল অনেকগুলো বছর। বহু ঘাতপ্রতিঘাত পেরিয়ে অবশেষে নির্ভয়া গণধর্ষণ কাণ্ডের প্রায় ৭ বছর ৪ মাস পর ২০২০ সালের ২০ মার্চ মুকেশ সিং, বিনয় শর্মা, অক্ষয় ঠাকুর ও পবন গুপ্তাকে ফাঁসি দেওয়া হয়। তার আগে এক অভিযুক্ত জেলের মধ্যেই আত্মহত্যা করে। আর এক অভিযুক্ত নাবালক হওয়ায় তাকে ৩ বছর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ড। 

    আরও পড়ুন: কলকাতার রাস্তায় শারীরিক হেনস্থার শিকার গায়ক দুর্নিবার, সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মোহরও

    তিলোত্তমার অপরাধীরা কবে শাস্তি পাবে? (RG Kar Incident) 

    নির্ভয়া গণধর্ষণকাণ্ডের (Nirbhaya Case) মতো এবারেও কলকাতায় আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে নৃশংস খুনের ঘটনায় সরব হয়েছেন সবাই। ‘রাত দখল’ করেছেন মহিলারা। নির্ভয়াকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলছেন অনেকে। নির্ভয়াকাণ্ডের মতো আরজি করের নৃশংস ঘটনায় দোষীদের ফাঁসির সাজার দাবি উঠছে। কিন্তু এই দোষীদের কি আদৌ সাজা হবে? কবে আসবে সেই দিন? অপেক্ষায় গোটা দেশ। 
    যদিও ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকি আরও কেউ এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল কিনা সেই বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, হাইকোর্টের নির্দেশে নারকীয় এই ঘটনার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যেতেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে এজেন্সি। আরজি করের (RG Kar Incident) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও জেরা করে চলেছে সিবিআই। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • R G Kar Incident: ‘‘পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ’’, মমতার পদত্যাগ চাইলেন নির্ভয়ার মা

    R G Kar Incident: ‘‘পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ’’, মমতার পদত্যাগ চাইলেন নির্ভয়ার মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডে (R G Kar Incident) বিচার চেয়ে প্রতিবাদে গোটা দেশ। এরই মধ্যে এবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ (CM resignation) দাবি করলেন ২০১২ সালে দিল্লি গণধর্ষণ মামলার নির্যাতিতা নির্ভয়ার মা।  শনিবার এক সংবাদ সংস্থাকে তিনি বলেন, “পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ হয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ করা উচিত।”

    ঠিক কী জানিয়েছেন নির্ভয়ার মা? (R G Kar Incident) 

    আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের মামলায় দোষীর ফাঁসির দাবিতে রাজপথে নামেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। অপরাধীর ফাঁসি চাই স্লোগান তুলে সিবিআই তদন্তের ডেডলাইন বেঁধে দেন। আর এই ঘটনার পরেই নির্ভয়া কাণ্ডে নির্যাতিতার মা আশা দেবী বলেন, ‘‘‌একজন মহিলা হিসেবে তাঁর কড়া পদক্ষেপ করা উচিত ছিল অপরাধীদের বিরুদ্ধে। কারণ তিনিই ওই রাজ্যের প্রধান। তাই এমন পরিস্থিতি সামলাতে না পারার জন্য তাঁর পদত্যাগ (CM resignation) করা উচিত। মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমতা প্রয়োগ করে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে নিজে প্রতিবাদে নেমে জনতার দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা করেছেন।’‌’

    আরও পড়ুন: আরজি কর কাণ্ডের জের! ডাক্তারদের ওপর হামলা হলেই কঠোর সাজা, আইন আনছে কেন্দ্র

    নারীদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন দিল্লির নির্যাতিতার মা

    এদিন তিনি নারীদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর কথায়, ‘‘কলকাতার হাসপাতালেই মেয়েরা সুরক্ষিত নন। দেশে তাঁদের নিরাপত্তা কতটা, তা এখান থেকেই বোঝা যায়।” তাঁর মতে, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার ধর্ষকদের জন্য কঠোর সাজার বন্দোবস্ত না করা পর্যন্ত এই ধরনের বর্বরতা চলতেই থাকবে। প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় (R G Kar Incident) অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ায় অভিযুক্তকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে তুলে দিতে হয়।  
    উল্লেখ্য, আরজিকর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণের পর খুনের ঘটনায় (R G Kar Incident) উত্তপ্ত রাজ্য৷ ইতিমধ্যেই ঘটনার বিচার চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ দাবি করে রাজ্যের সর্বত্র অবস্থান, বিক্ষোভে নেমেছে বিজেপি৷ শিলিগুড়ি, রায়গঞ্জ, দক্ষিণ দিনাজপুর সহ বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিজেপির সংগঠন৷ এই বিক্ষোভে সামিল হয় বিজেপির নেতা-কর্মী-সমর্থকরা৷ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Buddhadeb Bhattacharjee: প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

    Buddhadeb Bhattacharjee: প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (Buddhadeb Bhattacharjee)। পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট (CPM) শাসনের দ্বিতীয় তথা শেষ মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। বৃহস্পতিবার সকালে এই খবর জানান তাঁর সন্তান সুচেতন ভট্টাচার্য। তিনি জানান, প্রাতঃরাশ সেরে সকালে বিশ্রাম নেওয়ার সময়ই অসুস্থ বোধ করেন বুদ্ধদেব। এদিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতেই তিনি প্রয়াত হন। খবর পেয়ে সুচেতন সেখানে পৌঁছেছেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত রাজনৈতিক মহল।

    শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন

    গত কয়েকদিন ধরেই শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। এদিন সকাল থেকে শ্বাসকষ্ট বেড়েছিল। অক্সিজেন দেওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। দীর্ঘ দিন ধরেই গুরুতর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা (সিওপিডি)-তে ভুগছিলেন বুদ্ধদেব (Buddhadeb Bhattacharjee)। অসুস্থতার কারণে শেষ কয়েক বছর কার্যত গৃহবন্দিই ছিলেন। শেষবার দলীয় কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছিল ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। ভগ্ন শরীর নিয়েই কোনওক্রমে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড পর্যন্ত এসেছিলেন। কিন্তু মঞ্চে উঠতে পারেননি। একাধিক বার হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয় তাঁকে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বুদ্ধদেব। সেই সময়েও কয়েক দিন ভেন্টিলেশনে রাখতে হয় তাঁকে। সেখান থেকে বিপন্মুক্ত হয়ে বাড়ি ফেরেন। গত বছরের ৯ অগাস্ট হাসপাতাল থেকে বিপন্মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন বুদ্ধদেব। ২৯ জুলাই আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করানো হয়েছিল দক্ষিণ কলকাতার আলিপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে। বেশ কয়েক দিন তাঁকে ভেন্টিলেশন (ইনভেসিভ) সাপোর্টে রাখেন চিকিৎসকেরা। 

    আরও পড়ুন: ‘‘কুস্তির কাছে আমি হেরে গেলাম’’, ক্ষমা চেয়ে অবসর ঘোষণা বিনেশ ফোগাটের

    রাজনৈতিক জীবন

    ২০০০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা ১১ বছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (Buddhadeb Bhattacharjee) ছিলেন তিনি। ২০০৬ সালে ২৩৫ আসনে জিতে ক্ষমতায় ফেরা মুখ্যমন্ত্রীকে পাঁচ বছর পরই শোচনীয় পরাজয়ের মুখে পড়তে হয়। ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গে অবসান হয় সাড়ে ৩৪ বছরের একটানা বাম শাসনের (CPM) । তাঁর আমলের শেষ পাঁচ বছরে কৃষি থেকে সরে শিল্পায়নকে আঁকড়ে ধরতে গিয়েই বুদ্ধদেবের পায়ের তলার জমি সরে যায়। ২০১১ সালে যাদবপুর কেন্দ্রে হারার পর থেকেই সেভাবে দলের সক্রিয় কোনও কর্মসূচিতে দেখা যায়নি তাঁকে। শারীরিক সমস্যার জন্য ১১ বছর ধরে ঘরবন্দি ছিলেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রয়াণের সঙ্গেই শেষ হল বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি অধ্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share