Tag: west bengal economy

west bengal economy

  • Larsen & Toubro: বাংলায় ৪,৫০০ কোটির বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা এলঅ্যান্ডটির, আসছে ডেটা সেন্টার, সফটওয়্যার পার্কে ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

    Larsen & Toubro: বাংলায় ৪,৫০০ কোটির বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা এলঅ্যান্ডটির, আসছে ডেটা সেন্টার, সফটওয়্যার পার্কে ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে আগামী কয়েক বছরে ৪,৫০০ কোটিরও বেশি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে ইঞ্জিনিয়ারিং ও পরিকাঠামো সংস্থা লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)। সংস্থার (Larsen Toubro) চেয়ারম্যান তথা ম্যানেজিং ডিরেক্টর এসএন সুব্রহ্মণ্যম জুলাইয়ের তৃতীয় সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে (West Bengal Data Centres) বৈঠক করে একাধিক বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে পারেন বলে জানিয়েছেন এলঅ্যান্ডটির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা তথা প্রাক্তন বোর্ড সদস্য দীপ কিশোর সেন। কলকাতায় বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিআই) এক অনুষ্ঠানে এই খবর জানান তিনি।

    এলঅ্যান্ডটির লগ্নির পরিকল্পনা (Larsen Toubro)

    সেন বলেন, “আগে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ নিয়ে কথা হয়েছে। তবে চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে আনুষ্ঠানিক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৈঠকে একাধিক বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।” বর্তমানে নিউ টাউনের সিলিকন ভ্যালিতে এলটিআই মাইন্ডট্রির সফটওয়্যার পার্কের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষের পথে। পর্যায়ক্রমে আরও দু’টি ধাপে কাজ হবে। পুরো প্রকল্পে মোট প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা লগ্নি করা হবে, কর্মসংস্থান হবে হাজার পঁচিশেক মানুষের। সেন বলেন, “প্রকল্পে মোট বিনিয়োগ হবে প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। প্রথম পর্যায়ের কাজ প্রায় শেষ। খুব শীঘ্রই এর উদ্বোধন হওয়ার কথা।” কলকাতায় একটি টিয়ার-৩ ডেটা সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনাও করেছে এলঅ্যান্ডটি। এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে ৫ থেকে ১০ একর জমি চাওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত ৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডেটা সেন্টারে প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। সেন বলেন, “আমরা ৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি টিয়ার-৩ ডেটা সেন্টার গড়ে তুলতে আগ্রহী। এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে ৫ থেকে ১০ একর জমি চেয়েছি।”

    বিনিয়োগ করবে এরাও…

    তিনি আরও জানান, অতীতে এলঅ্যান্ডটি পশ্চিমবঙ্গে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টার এবং এজেসি বোস রোড ফ্লাইওভারের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এবার রাজ্যে নিজেদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে চায় সংস্থাটি (Larsen Toubro)। অন্যদিকে, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সিইও নবনীত নারায়ণ জানান, সংস্থার ৬,০০০ কোটি টাকার ফেনল-অ্যাসিটোন প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। দুর্গাপুজোর আগেই এই প্রকল্প চালু করার কথা (West Bengal Data Centres)। তিনি বলেন, “রাজ্যে বর্তমান পরিবেশ আমাদের আরও বিনিয়োগে উৎসাহিত করেছে। আমরা পুজোর আগেই প্রকল্পটি চালু করে দেশ তথা বাংলাকে উৎসর্গ করতে চাই।” এদিকে, রাজ্যের নয়া শিল্পনীতি ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে বার্জার পেইন্টস। সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর তথা সিইও অভিজিৎ রায় জানান, পানাগড়ে তাঁদের গ্রিনফিল্ড প্রকল্পে বিনিয়োগের পরিমাণ পূর্বঘোষিত ৩৫০-৪০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ কোটিরও বেশি করা হতে পারে। তিনি বলেন, “রাজ্য সরকারের শিল্পনীতি ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছি। এটি ঘোষণা হলেই আমরা বিনিয়োগের পরিমাণ আরও বাড়াতে চাই।” পিয়ারলেস গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয়ন্ত রায় জানান, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও রিয়েল এস্টেট খাতে পশ্চিমবঙ্গে মোট ১,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে (Larsen Toubro)। এর মধ্যে রয়েছে পিয়ারলেস হাসপাতালে নতুন অনকোলজি সেন্টার, বারাসাত হাসপাতালের সম্প্রসারণ এবং নিউ টাউনে রিয়েল এস্টেট প্রকল্প (West Bengal Data Centres)।

     

  • Bengal Re-industrialisation Roadmap: বাংলার হৃত গৌরব ফেরাতে পুনঃশিল্পায়নের নীল নকশা করছে ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    Bengal Re-industrialisation Roadmap: বাংলার হৃত গৌরব ফেরাতে পুনঃশিল্পায়নের নীল নকশা করছে ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে বিপুল ভোটে জিতে তৃণমূল সরকারকে টান মেরে কুর্সি থেকে ফেলে দিয়েছে বিজেপি।  সপ্তাহখানেকের কিছু বেশি সময় ধরে বাংলায় রাজও করতে শুরু করেছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পদ্ম-দল। ঝমাঝম (Bengal Re-industrialisation Roadmap) শব্দ করে এগিয়ে চলেছে রাজ্যের ডাবল ইঞ্জিন সরকার। পালাবদলের সরকার যখন দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে নানা ক্ষেত্রে, ঠিক তখনই নয়াদিল্লি নীরবে (Jobs Investment) এমন এক দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক পুনর্গঠন পরিকল্পনার কাজ শুরু করেছে, যা পূর্ব- ভারতের সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী উদ্যোগগুলির একটি হতে পারে।

    দীর্ঘমেয়াদি নকশা তৈরির নির্দেশ

    আধিকারিকদের মতে, কেন্দ্রীয় বিভিন্ন মন্ত্রক এবং নীতি আয়োগকে পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি নকশা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (Bengal Re-industrialisation Roadmap)। স্বাধীনতার আগে যে রাজ্যটি উপমহাদেশের বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল, সাতের দশকের পর থেকে ধীরে ধীরে কমে যায় তার শিল্পক্ষেত্রে গুরুত্ব। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ তথা অর্থমন্ত্রকের প্রাক্তন শীর্ষ আধিকারিক অশোক লাহিড়ী, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হননি। অথচ ২০২১ সালে বালুরঘাট থেকে তিনি জয়ী হয়েছিলেন বিরাট ব্যবধানে। এই অশোকই নিতে চলেছেন নীতি আয়োগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। আধিকারিকরা জানান, উৎপাদন শিল্পের পুনরুজ্জীবন, লজিস্টিক ব্যবস্থা, নগর পরিকাঠামো, নদীপথ বাণিজ্য এবং কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দিয়ে ‘পুনঃশিল্পায়ন রোডম্যাপে’র প্রাথমিক আলোচনা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কী বলছে বিজেপি?

    শিল্পপতি তথা বিজেপির প্রবীণ নেতা শিশির বাজোরিয়া বলেন, “একটা ভুল ধারণা আছে যে বাংলার মানুষ শুধুই চাকরির পেছনে ছোটে। কিন্তু অনেকে ভুলে যান, এটাই স্যার আরএন মুখার্জির মার্টিন অ্যান্ড বার্ন, স্যার পিসি রায়ের বেঙ্গল কেমিক্যালস এবং ঘনশ্যাম দাস বিড়লার মতো উদ্যোক্তাদের ভূমি। আমরা সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে চাই। কলকাতা আমাদের ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতির স্বাভাবিক কেন্দ্র এবং দক্ষিণ-পূর্ব এবং পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার।” স্বাধীনতার সময় (Bengal Re-industrialisation Roadmap) জিডিপির নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ ছিল দেশের দ্বিতীয় ধনী রাজ্য। বর্তমানে তা নেমে এসেছে ষষ্ঠ স্থানে, যার অর্থনীতি ২২১ বিলিয়ন মার্কিন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি। একসময় কলকাতা ছিল ভারতের বাণিজ্যিক পুঁজিবাদের সদর দফতর—পাটকল, ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থা, চা নিলাম কেন্দ্র, ব্যস্ত নদীবন্দর এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পূর্ব-ভারতকে বৈশ্বিক বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত করত।

    ধসে পড়ে শিল্পের ভিত্তি

    কিন্তু পরবর্তী কালে অতিবামপন্থী নকশালপন্থী আন্দোলন, কড়া শ্রমিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বাংলা থেকে পুঁজি সরে যেতে শুরু করে অন্যত্র। যার জেরে ধসে পড়ে ক্রমক্ষীয়মান শিল্পের ভিত্তি। অবনতি দেখা দেয় সামগ্রিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে। বাজোরিয়া বলেন, “অর্থনৈতিক উদারীকরণের পরে যখন পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন রাজ্য দ্রুত শিল্প বিনিয়োগ আকর্ষণ করছিল, তখন বাংলা বড় মাপের উৎপাদন শিল্পে লগ্নি টানতে ব্যর্থ হয়। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনের মতো ঘটনা বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দেয়। পরবর্তী সব সরকারই শিল্প সম্প্রসারণের বদলে কল্যাণমূলক রাজনীতির দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে (Jobs Investment), অবশ্য দু’টি ক্ষেত্র তুলনামূলকভাবে উজ্জ্বল ছিল (Bengal Re-industrialisation Roadmap)। প্রথমত, তথ্যপ্রযুক্তি ও পরিষেবা খাত—সল্টলেক ও নিউটাউনের আইটি হাবে বহু নতুন সংস্থা আসে। পর্যাপ্ত প্রযুক্তিগত দক্ষতা, কম ভাড়া এবং উন্নত সামাজিক পরিবেশের কারণে কলকাতা আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। দ্বিতীয়ত, কৃষি ও কৃষিভিত্তিক শিল্পখাত।

    বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য

    ভারতীয় বিদেশ বাণিজ্য সংস্থার (IIFT) প্রাক্তন ডাব্লুটিও (WTO) চেয়ার অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ধর বলেন, “এই ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার ৮-১০ শতাংশ। এর উন্নয়ন হলে কৃষকদের আয় বাড়বে এবং বাংলার বাইরে কাজের জন্য মানুষের যাতায়াত কমবে। উদ্যানপালন, নতুন ধরনের চা, ব্যান্ডেলের প্রসেসড চিজের মতো পণ্য রফতানি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।” এই পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত শীর্ষ আধিকারিকদের মতে, প্রস্তাবিত নকশা কয়েকটি প্রধান খাতে জোর দেবে। প্রথমত, লজিস্টিক ও সংযোগ ব্যবস্থা। বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সংযোগকারী পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক অবস্থানকে এখনও পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়নি বলে অনুমান। কলকাতা এবং হলদিয়াকে কেন্দ্র করে বন্দর-সংযুক্ত পরিকাঠামো, মালবাহী করিডর এবং বহুমুখী পরিবহণ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে।দ্বিতীয়ত, উৎপাদন শিল্পের ক্লাস্টার গড়ে তোলা। ইঞ্জিনিয়ারিং, রাসায়নিক শিল্প, ফাউন্ড্রি, বস্ত্রশিল্প এবং ইলেকট্রনিক্স অ্যাসেম্বলি পুনরুজ্জীবনের জন্য বিশেষ শিল্পাঞ্চল এবং কর-ভিত্তিক উৎসাহ দানের কথা ভাবা হচ্ছে (Jobs Investment)। কিছু নীতিনির্ধারক পূর্ব-ভারতের খনিজ সম্পদ অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেকট্রনিক্স করিডরের পক্ষেও সওয়াল করছেন (Bengal Re-industrialisation Roadmap)। তৃতীয়ত, শক্তি ও ভারী শিল্প। কয়লা ও লৌহ আকরিক সমৃদ্ধ অঞ্চলের নিকটবর্তী হওয়া, বন্দরের সুবিধা এবং বঙ্গোপসাগরীয় জ্বালানি রুটের কাছে অবস্থান—এসবকে শক্তিনির্ভর শিল্প ও ডাউনস্ট্রিম শিল্পের জন্য বড় সুবিধা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সর্বোপরি, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর জোর দেওয়া হবে, বিশেষ করে সেই তরুণ বাঙালিদের জন্য যারা কাজের খোঁজে দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতে চলে যাচ্ছেন।

    অর্থনীতিবিদদের সতর্কবার্তা

    অর্থনীতিবিদরা অবশ্য সতর্ক করে দিচ্ছেন এই বলে যে, পশ্চিমবঙ্গে এখনও জমি অধিগ্রহণ নিয়ে সংবেদনশীলতা, পুরনো শিল্প পরিকাঠামো, দুর্বল পুর-অর্থনীতি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রয়েছে। নির্বাচনী ফলের পর বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা বাড়লেও, তা অনেকটাই নির্ভর করবে নীতিগত স্পষ্টতা এবং প্রশাসনিক কার্যকারিতার ওপর (Bengal Re-industrialisation Roadmap)। অধ্যাপক ধর বলেন, “একবিংশ শতাব্দীতে পুনঃশিল্পায়ন মানে শুধু কারখানা খুলে দেওয়া নয়। এজন্য বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া, প্রযুক্তিগত অভিযোজন, আর্থিক গভীরতা এবং নিয়ন্ত্রক বিশ্বাসযোগ্যতাও প্রয়োজন। এক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গকে গুজরাট, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু এবং কর্নাটকের মতো প্রতিষ্ঠিত শিল্প-রাজ্যগুলির সঙ্গে (Jobs Investment) প্রতিযোগিতা করতে হবে।”

     

LinkedIn
Share