Tag: West Bengal Education

West Bengal Education

  • Madhyamik Result: এই প্রথম আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ ৪ ছাত্রী!

    Madhyamik Result: এই প্রথম আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ ৪ ছাত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঠে ধান পোঁতার কাজ সেরে পড়াশোনা। এই প্রথম একটি গ্রাম থেকে মাধ্যমিকে (Madhyamik Result) উত্তীর্ণ হল এমনই ৪ ছাত্রী৷ আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত গ্রাম শান্তিনিকেতনের সাহেবডাঙা। বিংশ শতাব্দীতে এসে নারী শিক্ষার অগ্রগতির নজির এই চার ছাত্রীর উত্তীর্ণ হওয়ার খবরে খুশি গ্রামবাসীরা৷

    কীভাবে এল এই সাফল্য (Madhyamik Result)?

    শান্তিনিকেতন থানার অন্তর্গত কংকালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের সাহেবডাঙা আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত একটি গ্রাম। উন্নয়নের আলো সেভাবে পৌঁছায়নি এই গ্রামে। পাশাপাশি শিক্ষার আলো থেকেও এতকাল বঞ্চিত ছিল এই গ্রাম৷ অথচ, শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতির পীঠস্থান হিসাবে পরিচিত শান্তিনিকেতন। কিন্তু, প্রবাদবাক্য আছে ‘প্রদীপের নিচে অন্ধকার’। যদিও, এই প্রবাদবাক্যকে উপেক্ষা করে এই প্রথম এই গ্রাম থেকে ৪ জন মেয়ে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হল। বোলপুর পারুলডাঙা শিক্ষানিকেতন আশ্রম বালিকা বিদ্যাপীঠের ছাত্রী বাসন্তি টুডু, লতিকা মুর্মু, মিরু হাঁসদা ও গুসকড়ার পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মু আবাসিক স্কুলের ছাত্রী সুমিত্রা টুডু এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় (Madhyamik Result) উত্তীর্ণ হয়েছে। এর আগে এই গ্রাম থেকে কোনও মেয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেইনি, উত্তীর্ণ হওয়া তো দূরের কথা৷ নারী শিক্ষার অগ্রগতি নিয়ে আন্দোলন চলছে বহু দিন ধরেই৷ সেই আন্দোলনের নজির বলা যায় ৪ আদিবাসী কন্যার সাফল্যকে৷ বাবা-মায়ের সঙ্গে মাঠে ধান পোঁতা, ধান কাটার কাজ করে তারা৷ তার ফাঁকেই পড়াশোনা। তারা জানায়, এর আগে কোনও মেয়ে সেভাবে পড়াশোনা করতে পারেনি৷ কারণ পরিকাঠামো নেই, বেহাল যোগাযোগ ব্যবস্থা, নেই পড়াশোনার পরিবেশ। সদ্য একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এই গ্রামটিকে দত্তক নিয়েছে৷ তাদের তত্ত্বাবধানেই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে তারা৷ যে যুবকের উদ্যোগে তাদের এই সাফল্য সেই বুদ্ধিশ্বর মণ্ডল বলেন, “এই গ্রামের উন্নয়ন একেবারেই নেই৷ প্রত্যন্ত একটি গ্রাম থেকে ৪ টি মেয়ে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ। আমি ওদের সঙ্গে আছি বহু দিন ধরে৷ তাদের সাফল্যে খুব খুশি হয়েছি।”

    কী বলল উত্তীর্ণরা (Madhyamik Result)?

    সুমিতা টুডু, বাসন্তি টুডু, মেরু হাঁসদা বলে, “এই গ্রামে আগে কোনও মেয়ে মাধ্যমিক (Madhyamik Result) পাশ করেনি৷ কারণ কোনো রকম সুযোগ সুবিধাই ছিল না৷ টিউশন পড়তে পারতাম না। আমাদের গ্রামের অবস্থাও ভালো নয়৷ সবাই মাঠে কাজ করে৷ আমরাও ধান পোঁতার কাজ করি৷ আমরা পাশ করায় গ্রামের সবাই খুব খুশি। আগামীতে গ্রামের বাকি মেয়েদের বলব, তারাও যেন পড়াশোনা করে আরও ভালো ফল করে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Online College Admission: মধ্যরাত থেকেই খুলে গিয়েছে পোর্টাল, স্নাতকস্তরে ভর্তির অনলাইন প্রক্রিয়া শুরু

    Online College Admission: মধ্যরাত থেকেই খুলে গিয়েছে পোর্টাল, স্নাতকস্তরে ভর্তির অনলাইন প্রক্রিয়া শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার মধ্যরাত থেকেই চালু হয়েছে কলেজে কলেজে অনলাইনে ভর্তির প্রক্রিয়া (Online College Admission)। পোর্টালের (College Admission Portal) মাধ্যমে রাজ্যের ৫০৯টি কলেজে স্নাতকস্তরে ভর্তির প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। এ বছর থেকেই এই পোর্টোলের মাধ্যমেই কলেজে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হল। তবে, এবার কেন্দ্রীয় পোর্টাল নয়, কলেজের নিজস্ব পোর্টালের মাধ্যমে এই ভর্তি প্রক্রিয়া চলছে। 

    অনলাইন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দিনক্ষণ

    মে মাসে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত হয়। এর পর গত ২ জুন উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ২০২৩-২৪ সালে এবার অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া (Online College Admission) শুরু হবে। সেই মতো, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে অনলাইনে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে। জমা পড়া আবেদন পত্রের ভিত্তিতে মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে ২০ জুলাই। উচ্চশিক্ষা দফতরে ইচ্ছা, সমস্ত প্রক্রিয়া ৩১ জুলাইেয়র মধ্যে শেষ করতে হবে, যাতে ১ অগাস্ট থেকেই কলেজগুলিতে প্রথম সেমেস্টার শুরু করে দেওয়া যায়।

    এই বছর থেকে স্নাতক স্তরের পাঠক্রম চার বছরের। উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফে বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যে ছাত্র যে কলেজে ভর্তি হতে চাইবেন তিনি সেই কলেজে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজের পোর্টালে (College Admission Portal)  গিয়ে তিনি আবেদন করতে পারবেন। সেখানেই তাঁরা তাঁদের যাবতীয় নথি আপলোড করতে পারবেন। 

    ফর্ম ফিলআপের সময় মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি

    অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া (Online College Admission) নিয়ে উচ্চশিক্ষা দফতর বেশ কিছু নির্দেশও দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে—

       ⁕ কেবলমাত্র মেধার ভিত্তিতেই পড়ুয়াদের ভর্তি নিতে হবে। ভর্তি প্রক্রিয়ার সময় সংশ্লিষ্ট পড়ুয়াকে তাঁদের শংসাপত্র যাচাইয়ের জন্য ডাকা যাবে না। 

       ⁕ অনলাইনে পড়ুয়াদের শংসাপত্র আপলোড কিংবা যাচাইয়ের জন্য তাঁদের কাছ থেকে থেকে কোনও অর্থ আদায় করতে পারবে না সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। 

       ⁕ যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা কলেজে ভর্তির জন্য সুযোগ্য বলে বিবেচিত হবে, কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে তাঁদের ফোন অথবা ইমেল মারফত সে কথা জানাতে হবে।

       ⁕ কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়গুলি কোনও ভাবেই পড়ুয়াদের থেকে নগদে ভর্তির ফি নিতে পারবে না। অনলাইনে অথবা নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ফি প্রদান করতে পারবেন মেধাতালিকায় নাম থাকা পড়ুয়ারা।

       ⁕ শংসাপত্রে গরমিল পাওয়া গেলে পড়ুয়াদের আবেদনপত্র বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছে উচ্চশিক্ষা দফতর (Online College Admission)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘বাংলার লজ্জা’! প্রাথমিকে পড়াবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা? ‘সরকারি শিক্ষা বন্ধের চক্রান্ত’, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘বাংলার লজ্জা’! প্রাথমিকে পড়াবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা? ‘সরকারি শিক্ষা বন্ধের চক্রান্ত’, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে যখন উত্তাল রাজ্য, সেই আবহেই বাঁকুড়ায় বিতর্কিত পদক্ষেপ নিল পুলিশ। সেখানে সিভিক ভলান্টিয়ারদের প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। বাঁকুড়া পুলিশের তরফে ‘অঙ্কুর’ প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছে। তার আওতায় প্রাথমিক স্কুলগুলিতে ক্লাস নেবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা। আর এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। এরপরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি অভিযোগ করেছেন, মুখ্যমন্ত্রী স্কুল শিক্ষাকে বেসরকারি করার জন্য ফন্দি এঁটেছেন। আর এ নিয়ে ট্যুইটও করেছেন শুভেন্দু।

    ট্যুইটে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেছেন, রাজ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ইতিমধ্যেই চার লক্ষ কমেছে। রাজ্যের ৮,২০৭টি সরকার পরিচালিত স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ৩০-এর কম। প্রাথমিকস্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য পরিপূরক ক্লাস করানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিভিক ভলান্টিয়ারদের। যার অর্থ, রাজ্য সরকার সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা একেবারে বন্ধ করার পরিকল্পনা করে ফেলেছে। এর পাশাপাশি ট্যুইটে একটি চিঠিও শেয়ার করেছেন। দেখা গিয়েছে, এই সরকারি চিঠিটি বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার জেলাশাসককে লিখেছেন। যাতে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সিভিক পুলিশরা ‘অঙ্কুর’ নামে এক প্রকল্পের আওতায় বাঁকুড়ার ৪৬টি স্কুল বা কমিউনিটি সেন্টারে শিশু পড়ুয়াদের পরিপূরক ক্লাস করাবে। জেলাশাসককে এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিতে অনুরোধ করেছেন পুলিশ সুপার।

    পুলিশের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বাঁকুড়ার সাংসদ তথা কেন্দ্রের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী চিকিৎসক সুভাষ সরকার বলেন, “সিভিক ভলান্টিয়াররা শিশুদের ইংরাজি আর অঙ্ক শেখাবে এটা একবিংশ শতকে পশ্চিমবাংলার লজ্জা। এখানে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে না। সরকার শিক্ষাব্যবস্থা চালাতে না পারলে দায়িত্ব নিয়ে পদত্যাগ করুক।”

    শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর প্রতিক্রিয়া

    রাতে বিষয়টি জানতে পেরে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “বিষয়টি নিয়ে বাঁকুড়ার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমাদের মতামত নেওয়া হয়নি। সেই কারণে আমাদের কাছে মতামত চাওয়ার জন্য ওঁদের বলা হয়েছে। তার পর দেখা যাবে এটা চালু হবে কি না। এখন চালু করা যাবে না।”

  • Madhyamik Merit List: মাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত, কোন জেলা জিতে নিল প্রথমের খেতাব?

    Madhyamik Merit List: মাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত, কোন জেলা জিতে নিল প্রথমের খেতাব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হয়েছে ২০২২ সালের মাধ্যমিকের ফলাফল (Madhyamik Results 2022)। দুবছর অতিমারীর অভিশাপ কাটিয়ে আবার পুরনো ছন্দে মাধ্যমিক হয়েছে এবছর। এই বছর ৬৯৩ নম্বর পেয়ে রাজ্যে যুগ্মভাবে প্রথম হয়েছেন বাঁকুড়ার রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশনের অর্ণব ঘড়াই (Arnab Ghorai) এবং বর্ধমান সিএমএস স্কুলের রৌনক মণ্ডল (Raunak Mandal)। দ্বিতীয় স্থানেও রয়েছে ২ জন। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২। মালদার (Malda) কৌশিকী সরকার এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের (West Midnapore) রৌনক মণ্ডল। কৌশিকী মালদার গাজোলের আদর্শবাণী অ্যাকাডেমি হাইস্কুলের ছাত্রী ও রৌনক ঘাটাল বিদ্যাসাগর হাইস্কুলের ছাত্র।

    তৃতীয় স্থানেও ২ জন। পশ্চিম বর্ধমানের অনন্যা দাশগুপ্ত এবং পূর্ব মেদিনীপুরের দেবশিখা প্রধান। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। আসানসোল উমারানী ঘরাই মহিলা কল্যাণ গার্লস হাইস্কুলের অনন্যা দাশগুপ্ত ও চোরেপালিয়া শ্রী শ্রী বাসন্তী বিদ্যাপীঠের দেবশিখা প্রধান। চতুর্থ হয়েছেন ৪ জন। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০। পঞ্চম হয়েছেন ১১ জন।  প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯। ষষ্ঠ স্থানেও জায়গা করে নিয়েছেন পাঁচজন। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ১০ জন জায়গা করে নিয়েছেন সপ্তম স্থানে। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭। অষ্টম স্থানে ৬৮৬ নম্বর পেয়ে রয়েছেন ২২ জন। নবম স্থানাধিকারী ১৫ জনের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৫। প্রায় ৪০ জন রয়েছেন দশম স্থানে। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৪।   

    আরও পড়ুন: প্রকাশিত মাধ্যমিকের ফলাফল, জেনে নিন কী করে দেখবেন?       

    এবছর রেকর্ড সংখ্যক পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছিলেন। প্রায় ১১ লক্ষ পড়ুয়া এবার পরীক্ষায় বসেন। এবছর পাশের হার ৮৬.৬ শতাংশ৷ অর্থাৎ ৯ লক্ষ ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থী এবার পাশ করেছেন। ছাত্রদের পাশের হার ৮৮ শতাংশ, ছাত্রীদের মধ্যে পাশের হার ৮৫ শতাংশ। পাশের হারের নিরিখে এবার শীর্ষস্থানে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর৷ তারপরেই কালিম্পং৷ এরপর রয়েছে যথাক্রমে পশ্চিম মেদিনীপুর, কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও মালদা৷ পূর্ব মেদিনীপুরে পাশের হার ৯৭.৬৩ শতাংশ। কালিম্পং,পশ্চিম মেদিনীপুর, কলকাতায় পাশের হার ৯৪ শতাংশর বেশি। ঝাড়গ্রামে পাশের হার ৯২.৫৯ শতাংশ। উত্তর ২৪ পরগনায় পাশের হার ৯১.৯৮ শতাংশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পাশের হার ৮৯.০৮ শতাংশ। 

    এ বার মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ হয়েছে পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৭৯ দিনের মাথায়। এবছর ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের সংখ্যা ১১ শতাংশ বেশি। ছাত্রদের তুলনায় ১ লক্ষ ২০ হাজার ৯৬১ জন বেশি ছাত্রী এবছর পরীক্ষায় বসেছিলেন।  

     

  • Summer Holidays: হয় ছুটি নয় অনলাইন, রাজ্যের চাপ বেসরকারি স্কুলগুলিকে, কটাক্ষ বিজেপির

    Summer Holidays: হয় ছুটি নয় অনলাইন, রাজ্যের চাপ বেসরকারি স্কুলগুলিকে, কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ছুটিইই’ বলে হাল্লা রাজার দৌড় মনে আছে? যুদ্ধ থেকে ছুটি চেয়েছিলেন হাল্লার রাজা। তবে, ইতিহাসের দীর্ঘতম গরমের ছুটির ঘোষণার পরও ওই ছুট আর একরাশ ছুটির আনন্দ দেখে যাচ্ছে না বাংলার স্কুল পড়ুয়াদের মুখে। বরং উল্টো ছবি ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক শিক্ষক শিক্ষাকর্মীদের। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার, আরেক ঘোষণা রাজ্য সরকারের শিক্ষা দফতরের। সরকারি নির্দেশিকা মেনে এবার ছুটি দিতে হবে বেসরকারি স্কুলগুলোকেও। বিতর্ক বেঁধেছে তা নিয়েও।

    সরকারি স্কুলের গরমের ছুটি বাড়ানোর পর এবার, রাজ্যের শিক্ষা দফতরের নজর বেসরকারি স্কুলে। বৃহস্পতিবারই বিকাশভবনে এক বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হল, সরকারি নির্দেশিকা মেনে রাজ্যের বেসরকারি স্কুলগুলিতেও বাড়তি গরমের ছুটি দিতে হবে। নয়তো চালু করতে হবে অনলাইন ক্লাস।

    বিকাশভবনে রাজ্যের শিক্ষাসচিবের সঙ্গে দীর্ঘ এক ঘণ্টার বৈঠকে হাজির ছিলেন ৩০টি বেসরকারি স্কুলের অধ্যক্ষরা। জানতে চাওয়া হল, ২৭ এপ্রিলের সরকারি নির্দেশ, বেসরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষ জানেন কিনা? জানলে কেন তাঁরা এখনও চালু রেখেছেন স্কুল? রাজ্যের শিক্ষা দফতরের (West Bengal Education Department) নির্দেশ, সরকারি স্কুলগুলোর মত রাজ্যের বেসরকারি স্কুলগুলিকেও গরমের জন্য বাড়তি ছুটি দিতে হবে। স্কুল পরিচালকরা বাড়তি ছুটি দিতে রাজি না হওয়ায়, সরকারের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে ফের শুরু করতে হবে অনলাইন ক্লাস। মোদ্দা কথা, গরমের কারণে স্কুলে এসে পড়া চলবে না ছাত্রছাত্রীদের।  

    করোনার কাঁটায় দু’বছর পর, সবে স্কুল খুলেছে। তারপরই তাপপ্রবাহের কারণে বাড়তি গরমের ছুটিতে মোটেই খুশি নয় ছাত্রছাত্রীরা। বিরক্ত অভিভাবকরাও। সরকারি ছুটি ঘোষণার দু’দিনের মধ্যে বৃষ্টি নেমেছে। পরিবেশ কিছুটা হলেও ঠান্ডা। অনায়াসে স্কুলে যেতে পারেন ছাত্রছাত্রীরা। অভিভাবকরাও তাই চাইছেন। শিক্ষা দফতরের দাবি, একবার সরকারি নোটিফিকেশন বার হয়ে যাওয়ার পর তার আর বদল হয় না। সেকারণে সকলকেই সরকারি নির্দেশ মেনে চলতে হবে।  

    ২ মে থেকে ১৫ জুন। প্রায় দেড় মাসের গরমের ছুটি ইতিহাসে বিরল। এই দেড় মাসের মধ্যে যেকোনও সময়ে আবহাওয়ার যে কোনও রকম বদল আসতে পারে। বলছেন মৌসম-বিশেষজ্ঞরা। ছুটির কারণ অত্যাধিক গরম হলে আবহাওয়া বদলের সঙ্গে সরকারি সিদ্ধান্তেরও বদল হওয়া উচিত। কিন্তু গরমের কারণে দেড়মাসের ছুটির ঘটনা বিরল।

    অতিরিক্ত ছুটির কড়া সমালোচনা করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী (Mamata) চাইছেন, বাংলার সবাই অশিক্ষিত হোক। ‌উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) শিক্ষাব্যবস্থা চালাতে পারছেন না। যাঁরা চালাচ্ছেন উনি তাঁদেরও চালাতে দিচ্ছেন না। যাঁদের সামর্থ আছে তাঁরা বেসরকারি স্কুলে ছেলেমেয়েদের পড়ান। যাঁরা দু’বছর বেতন দিয়েছেন স্কুলে, সেখানে বন্ধ করার কোনও কারণই নেই।”

     

     

      

LinkedIn
Share