Tag: west bengal election

west bengal election

  • ECI: বৃহস্পতিতেই রাজ্যের ২৯৪ কেন্দ্রে নেমে পড়লেন ৪৭৮ অবজার্ভার, রিপোর্ট পাঠানো শুরু শুক্র থেকেই!

    ECI: বৃহস্পতিতেই রাজ্যের ২৯৪ কেন্দ্রে নেমে পড়লেন ৪৭৮ অবজার্ভার, রিপোর্ট পাঠানো শুরু শুক্র থেকেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) বুধবার জানিয়েছে, আগামী চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আসন্ন পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন যাতে কোনো প্রকার হিংসা (Violence Free Assembly Polls), ভয়ের পরিবেশ না তৈরি হয় তা সুনিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর কমিশন। সেই সঙ্গে নির্বাচন যাতে প্রলোভনমুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করতে ২৫ লক্ষেরও বেশি কর্মকর্তা মোতায়েন করার কথা জানিয়েছে। নির্বাচন কমিশন গত রবিবার পাঁচ রাজ্য— অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গ, ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচনের পাশাপাশি ছয়টি রাজ্যের উপ-নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে। এই পাঁচটি অঞ্চলে একাধিক দফায় সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে কমিশন বিশাল সংখ্যক নির্বাচন পর্যবেক্ষক, ভোট কর্মী সহ কর্মকর্তা নিযুক্ত করেছে।

    কোথায় কত কর্মী?

    • ● কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, মোতায়েন করা কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন প্রায় ১৫ লক্ষ পোলিং স্টাফ, ৮.৫ লক্ষ নিরাপত্তা কর্মী, ৪০,০০০ গণনা কর্মী, ৪৯,০০০ মাইক্রো অবজার্ভার অর্থাৎ অণু-পর্যবেক্ষক, ২১,০০০ সেক্টর অফিসার এবং গণনা কাজের জন্য আরও প্রায় ১৫,০০০ অতিরিক্ত মাইক্রো অবজার্ভার (ECI)।
    • ● গ্রাউন্ড লেভেল স্তরে এই নির্বাচনী ব্যবস্থাকে সহায়তা করছেন ২.১৮ লক্ষেরও বেশি বুথ লেভেল অফিসার (BLO)। ভোটাররা ফোন কলের মাধ্যমে অথবা ‘ECINet’ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের ‘Book-a-call to BLO’ ফিচারের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।
    • ● এছাড়াও, জেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা এবং রিটার্নিং অফিসারদের স্তরে অভিযোগ বা জিজ্ঞাসা জানানোর জন্য এসটিডি কোড ‘+৯১ ১৯৫০’ নম্বরে একটি ডেডিকেটেড কল সেন্টার পরিষেবা চালু করা হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, “জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ধারা ২৮এ-এর বিধান অনুযায়ী মোতায়েন করা সমস্ত কর্মীকে নির্বাচন কমিশনের ডেপুটেশনে থাকা বলে গণ্য করা হবে।”

    ৮৩২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ১,১১১ জন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক

    • ● সম্পূর্ণ নির্বাচনী ব্যবস্থাকে তদারকি করতে কমিশন (ECI) ৮৩২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ১,১১১ জন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মোতায়েন করেছে। এই পর্যবেক্ষকরা সাধারণ নির্বাচন এবং উপ-নির্বাচন চলাকালীন মাঠে কমিশনের প্রতিনিধি (Violence Free Assembly Polls) হিসেবে কাজ করবেন।
    • ● এই দলে ৫৫৭ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক (General Observers), ১৮৮ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং ৩৬৬ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক (Expenditure Observers) রয়েছেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই কর্মী ইতিমধ্যে নির্ধারিত নির্বাচনী এলাকায় পৌঁছে গেছেন।

    এই পর্যবেক্ষকরা তাদের যোগাযোগের তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করবেন এবং প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে প্রার্থী, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করবেন। নির্বাচন সংক্রান্ত যে কোনও অভিযোগ শোনা ও তার সমাধান করার জন্য কাজ করবেন বলে জানিয়েছে কমিশন।

    কমিশনের চোখ-কান হয়ে নেমে পড়েছেন অবজার্ভাররা

    পশ্চিমবঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন করা কমিশনের কাছে অ্যাসিড-টেস্ট। যে কারণে, এরাজ্যের ওপর বাড়তি নজর রেখেছে কমিশন। ফলস্বরূপ, বৃহস্পতিবার থেকেই নির্বাচন কমিশনের চোখ-কান হয়ে রাজ্যের ভোটের ময়দানে নেমে পড়েছেন অবজার্ভাররা। কমিশন জানিয়েছে নির্বাচনকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে রাজ্যের ২৯৪ কেন্দ্রে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে ভোটকে কেন্দ্র করে সব মিলিয়ে ৪৭৮ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। ২৯৪ জন জেনারেল অবজারভার থাকছেন। রয়েছেন ৮৪ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক। সেই সঙ্গে আয়-ব্যয়ের জন্য হিসেব পর্যবেক্ষক থাকবে ১০০ জন। শুক্রবার থেকেই বিধানসভা ভিত্তিক রিপোর্ট জমা দেবেন তাঁরা৷ এই সকল পর্যবেক্ষকের কাজ থাকবে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ (Violence Free Assembly Polls) করা।

    স্পর্শকাতর এলাকায় বিশেষ অবজার্ভার

    হিংসা কবলিত (Violence Free Assembly Polls) স্পর্শকাতর বিধানসভা এবং বুথে বিশেষ নজর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মালদা, মুর্শিদবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তিন থেকে চারটি বিধানসভায় একজন করে পুলিশ অবজার্ভার থাকবেন। উত্তর কলকাতার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য থাকছে তিন জন এবং দক্ষিণ কলকাতা চারটি বিধানসাভ কেন্দ্রের জন্য দেওয়া হয়েছে একজন পুলিশ অবজার্ভার।

    প্রতি ৭০ জন ভোটারের এক জন নির্বাচনী কর্মকর্তা (ECI)

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জন্য ২৫ লক্ষের বেশি কর্মকর্তা মোতায়েন করা হয়েছে, যেখানে মোট যোগ্য ভোটারের সংখ্যা ১৭.৪ কোটির বেশি। এর অর্থ হলো, প্রতি ৭০ জন ভোটারের জন্য প্রায় একজন করে নির্বাচনী কর্মকর্তা (ECI) নিয়োগ করা হয়েছে। এর আগে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি ঘোষণার সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সমস্ত কর্মকর্তাদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন, কমিশনের লক্ষ্য হল হিংসা (Violence Free Assembly Polls) ও প্রলোভনমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করা, যাতে প্রতিটি ভোটার কোনো ভয় বা পক্ষপাত ছাড়াই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

     

    ৪ মে ফলাফল ঘোষণা

    নির্বাচন কমিশন গত ১৫ মার্চ দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু, পদুচেরি ও পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে। পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে দুই দফায়। প্রথম দফা ২৩ এপ্রিল, এবং দ্বিতীয় দফা ২৯ এপ্রিল। সব রাজ্যে মোট ফলাফল ঘোষণা হবে ৪ মে। বুধবার থেকেই কাজে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। সন্ত্রাস রুখতে কমিশন যে অত্যন্ত তৎপর তা আরও একবার স্পষ্ট বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

  • Lok Sabha Election 2024: প্রথম দফায় বাংলার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে শুরু ভোটগ্রহণ

    Lok Sabha Election 2024: প্রথম দফায় বাংলার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে শুরু ভোটগ্রহণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্রের উৎসব শুরু হয়ে গেল বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্র ভারতবর্ষে। সাত দফার লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) আজ প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। গোটা দেশে ১০২ আসনে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া। পশ্চিমবঙ্গেও ভোটগ্রহণ হবে সাত দফাতেই। আজ প্রথম দফায় (West Bengal Phase 1) পশ্চিমবঙ্গের তিনটি লোকসভা আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। তিনটিই উত্তরবঙ্গে। এই তিনটি আসন হল— কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক এই তিন আসনের খুঁটিনাটি। তিন আসনের জন্য ২৭৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ১২ হাজার ৩১০ জন রাজ্য পুলিশ থাকছে তিন আসনের মোট ৫ হাজার ৮১৪টি বুথের জন্য।

    কোচবিহার

    প্রথম দফায় (West Bengal Phase 1) ভোট হচ্ছে কোচবিহারে। বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া উত্তরবঙ্গের কোচবিহার আসনটির অন্তর্গত সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা এবং নাটাবাড়ি — কোচবিহার লোকসভা আসনের অন্তর্গত (Lok Sabha Election 2024)। এই আসনে মোট বৈধ ভোটারের সংখ্যা ১৯ লক্ষ ৬৬ হাজার ৮৯৩। এর মধ্যে, ১০ লক্ষ ১৪ হাজার ৮৬৪ জন পুরুষ। প্রায় ৯ লক্ষ ৫২ হাজার মহিলা। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে মোট ৩৩ জন। 

    পোলিং স্টেশন বা ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৪৩। স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা ১৯৬। মডেল বুথের সংখ্যা ২১। প্রতিটি বুথেই থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যে ভোটকেন্দ্রে দুটি বুথ রয়েছে সেখানে অন্তত চারজন কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং যেখানে তিন থেকে পাঁচটি বুথ রয়েছে সেখানে আটজন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হবে। এর পাশাপাশি, সব বুথেই চলবে ওয়েব-কাস্টিং। মোট ১১২ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকবে কোচবিহারে। এছাড়া, আরও ৪ হাজার রাজ্য পুলিশ থাকবে। মোট ভোট-কর্মীর সংখ্যা ১২,১৮০। কোচবিহারের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। এই আসনে মাইক্রো অবজারভার থাকছেন ৩২৮ জন। সকাল থেকে পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে সর্বক্ষণ যোগাযোগ রাখবেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক।

    কোচবিহার আসনটি সংরক্ষিত আসন (Lok Sabha Election 2024)। এই আসনে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১৪। এর মধ্যে বিজেপি প্রার্থী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। তৃণমূল কংগ্রেসের জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। ফরোয়ার্ড ব্লকের নীতীশ চন্দ্র রায় এবং কংগ্রেসের পিয়া রায় চৌধুরী। গত লোকসভা নির্বাচনে এই আসনে জয়ী হয়েছিল বিজেপি। 

    আলিপুরদুয়ার

    প্রথম দফায় (West Bengal Phase 1) ভোট হচ্ছে আলিপুরদুয়ারে। উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার আসনটির অন্তর্গত সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র (Lok Sabha Election 2024) রয়েছে। সেগুলি হল— কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা, মাদারিহাট, তুফানগঞ্জ (জেলা কোচবিহার) এবং নাগরাকাটা (জেলা জলপাইগুড়ি)। এই আসনে মোট বৈধ ভোটারের সংখ্যা ১৭ লক্ষ ৭৩ হাজার ২৫২। এর মধ্যে, ৮ লক্ষ ৮৯ হাজার ০১৯ জন পুরুষ। ৮ লক্ষ ৮৪ হাজার ১৭১ জন মহিলা। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে মোট ৬২ জন। 

    এই আসনে পোলিং স্টেশন বা ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ৮৬৭। প্রতিটি বুথেই থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এর পাশাপাশি, সব বুথেই চলবে ওয়েব-কাস্টিং। মোট ৬৩ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকবে আলিপুরদুয়ারে। এছাড়া, আরও ২ হাজার ৭৫৮ জন রাজ্য পুলিশ থাকবে। আলিপুরদুয়ারে ১৮০ জন মাইক্রো অবজারভার থাকছেন। 

    আলিপুরদুয়ার আসনটি সংরক্ষিত আসন। এই আসনে বিজেপি প্রার্থী মনোজ টিগ্গা। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রকাশ চিক বরাইক। আরএসপির মিলি ওরাওঁ। ২০১৯ সালে লোকসভা আসন দখল করে বিজেপি। 

    জলপাইগুড়ি

    প্রথম দফায় (West Bengal Phase 1) ভোট হচ্ছে জলপাইগুড়িতে। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি আসনটির অন্তর্গত সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। সেগুলি হল— ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, মাল এবং মেখলিগঞ্জ (জেলা কোচবিহার)। এই আসনে মোট বৈধ ভোটারের (Lok Sabha Election 2024) সংখ্যা ১৮ লক্ষ ৮৫ হাজার ৯৬৩। এর মধ্যে, পুরুষ ভোটার ৯ লক্ষ ৫৮ হাজার ৬১১ জন।মহিলা ভোটার ৯ লক্ষ ২৭ হাজার ৩৩৯ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১৩ জন।

    পোলিং স্টেশন বা ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ৯০৪। স্পর্শকাতর বুথে আছে ২৯৬টি। যার মধ্যেই ১৯৮টি অতিস্পর্শকাতর বুথ আছে। মহিলা পরিচালিত বুথের সংখ্যা ১৪৯টি। থিম বুথের সংখ্যা ১৩টি। ৮ হাজার ভোটকর্মী এই কেন্দ্রে থাকছেন। প্রতিটি বুথেই থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এর পাশাপাশি, সব বুথেই চলবে ওয়েব-কাস্টিং। মোট ৭৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকবে জলপাইগুড়িতে। জলপাইগুড়িতে ২০২ জন মাইক্রো অবজারভার থাকছেন। 

    জলপাইগুড়ি আসনটি সংরক্ষিত আসন। এই আসনে বিজেপি প্রার্থী (Lok Sabha Election 2024) জয়ন্ত রায়। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নির্মলচন্দ্র রায়। সিপিএমের দেবরাজ বর্মণ। ২০১৯ সালে লোকসভা আসন দখল করে বিজেপি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share