Tag: west Bengal election 2026

  • Gyanesh kumar: নির্বাচন প্রস্তুতির পর্যালোচনায় রাজ্যে কমিশনের ফুল বেঞ্চ, জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে ম্যারাথন বৈঠক

    Gyanesh kumar: নির্বাচন প্রস্তুতির পর্যালোচনায় রাজ্যে কমিশনের ফুল বেঞ্চ, জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে ম্যারাথন বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণার প্রাক্কালে রাজ্যের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে তিন দিনের সফরে কলকাতায় পৌঁছেছেন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমার-এর (Gyanesh kumar) নেতৃত্বে এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি রবিবার রাতেই শহরে পদার্পণ করে। আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে কমিশনের ব্যস্ত কর্মসূচি। মূলত আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং ভোটগ্রহণের প্রশাসনিক প্রস্তুতি যাচাই করাই এই সফরের মূল লক্ষ্য।

    বৈঠকের সময় সূচি কেমন (Gyanesh kumar)?

    ৯ মার্চ সোমবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বৈঠক এবং পর্যালোচনা। সকাল ১০টায় স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন কমিশনের সদস্যরা। মাঝে ৩০ মিনিটের বিরতি। এরপর দুপুর ১২টা থেকে ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট থেকে ১২টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত বক্তব্য রাখেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগারওয়াল। তারপর ১২টা ৫৫ মিনিট থেকে ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে উদ্বোধনী বক্তব্য। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২টো ১৫ মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার শীর্ষ আধিকারিক এবং এসএসপি-এসপি পর্যায়ের আধিকারিকদের (Gyanesh kumar) সঙ্গে নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা রয়েছে। এরপর মাঝে একটা বিরতি থাকবে এবং শেষে ৩টে ১৫ মিনিট থেকে আবার বৈঠক রয়েছে কমিশনের। বিষয় থাকবে নির্বাচন প্রস্তুতির বিস্তারিত বৈঠক।

    রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময়

    আজ সকালে প্রথমেই স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন কমিশনের কর্তারা। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দলের অভিযোগ ও পরামর্শ শোনা হয় এই অধিবেশনে। এই সঙ্গে প্রশাসনিক ও পুলিশি পর্যালোচনা করার কথাও হয়েছে। দুপুরে রাজ্যের সব জেলার জেলাশাসক (DM) এবং পুলিশ সুপারদের (SP) সঙ্গে বৈঠকে বসেন জ্ঞানেশ কুমার। নির্বাচনী প্রস্তুতি (West Bengal Election 2026), বুথের পরিকাঠামো এবং স্পর্শকাতর এলাকাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সফরের দ্বিতীয় ভাগে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশকের (DGP) সঙ্গেও কমিশনের সদস্যদের বৈঠক করার কথা রয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন

    আজকের এই বৈঠকে রাজ্যের বিধানসভা (West Bengal Election 2026) ভোটকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে রাজ্যে কত সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন এবং তাদের মোতায়েনের কৌশল নিয়েও এই সফরে চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটার তালিকায় নাম সংশোধন ও অন্তর্ভুক্তি (SIR) নিয়ে সম্প্রতি যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও কমিশনের এই সফরে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ১০ মার্চ সফর শেষ করে দিল্লিতে ফিরে যাওয়ার পরই রাজ্যে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল ভাবে রয়েছে।

  • Amit Shah: “ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার কুর্সিতে বসবে বিজেপি”, প্রত্যয়ী শাহ

    Amit Shah: “ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার কুর্সিতে বসবে বিজেপি”, প্রত্যয়ী শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার কুর্সিতে বসবে বিজেপি।” মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনদিনের সফরে সোমবার রাতেই কলকাতায় (TMC) এসেছেন তিনি। বছর ঘুরলেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার নির্বাচন। তার আগে এ রাজ্যে দলের সাংগঠনিক হালহকিকত বুঝতে বঙ্গ সফরে এসেছেন তিনি। এই সফরে মঙ্গলবার বাংলায় যে এবার বিজেপি আসছে, তা জানিয়ে দিলেন শাহ। তাঁর গলায় ঝরে পড়ল প্রত্যয়।

    জমি দিচ্ছে না রাজ্য (Amit Shah)

    কেন্দ্রীয় সরকার কী কী উন্নয়ন করেছে, এদিন তারও ফিরিস্তি দেন শাহ। তবে তার সবগুলিরই যে রাজ্যের তৃণমূল সরকার বিরোধিতা করেছে, তাও জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে রাজ্য সরকার জমি দিচ্ছে না বলেও অনুযোগ করেন শাহ। তাঁর মতে, সেই কারণেই শেষ করা যাচ্ছে না সীমান্তে বেড়া দেওয়ার কাজ। তাই বেনো জলের মতো এ রাজ্যে ঢুকে পড়ছে অনুপ্রবেশকারীরা। পুলিশ-প্রশাসন দেখেও নিশ্চুপ। আর বিএসএফ কী করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। তিনি বলেন, “অসম এবং ত্রিপুরায় অনুপ্রবেশ বন্ধ হলেও, এ রাজ্যে কেন হচ্ছে না? আসলে বাংলার জনবিন্যাসে বদল আনতেই সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য রাজ্যের তরফে জমি দেওয়া হচ্ছে না।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বাংলার সীমান্ত দিয়ে যে অনুপ্রবেশ হচ্ছে, তা শুধু বাংলার বিষয় নয়। এটি পুরো দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্ন। এমন (Amit Shah) মজবুত সরকার এখানে আনুন, যারা এখানে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দেবে।”

    তোলাবাজির প্রসঙ্গ

    তিনি বলেন, “আগে সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজের সূচনা হত এই বাংলা থেকেই। আজ তোলাবাজির কারণে এ রাজ্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন শিল্পপতিরা (TMC)।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কামানোর অধিকার এখানে রয়েছে একমাত্র ভাইপোর। আর কারও অধিকার নেই। শিল্প ক্ষেত্রে বাংলা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তা আপনার আমলে হয়েছে। বামেরা অর্ধেক শেষ করে গিয়েছিল। আপনি পুরোটা শেষ করে দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “আজ মমতার নেতৃত্বে পুরো বাংলার বিকাশ থমকে গিয়েছে। মোদির সব যোজনা পুরো দেশে গরিবের উন্নয়ন করছে, এখানে সিন্ডিকেট চলছে। ১৪ বছর ধরে ভয় ও দুর্নীতি বাংলার পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজেপি সরকারের সঙ্কল্প, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ এর পর যখন বিজেপির সরকার হবে, তখন বাংলার সংস্কৃতি ফেরানোর চেষ্টা করব (Amit Shah)।” তিনি বলেন, “দেশের যেখানে যেখানে এনডিএ, বিজেপির সরকার রয়েছে, সেখানে গরিবদের উন্নয়নকে প্রাথমিকভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এখানেও দেব। বন্ধ করব অনুপ্রবেশ। শুধু তাই নয়, অনুপ্রবেশকারীদের ধরে একে একে দেশ থেকে বের করে দেবে বিজেপি (TMC)।”

    কংগ্রেস বিগ জিরো

    বিজেপির সেকেন্ড ইন কমান্ড শাহ বলেন, “ছাব্বিশের বাংলায় বিজেপিরই সরকার হবে। এর মজবুত আধার বিজেপির কাছে রয়েছে। ২০১৪ সালে ১৭ শতাংশ ভোট ও মাত্র ২টি আসন পেয়েছিলাম। পাঁচ বছর পরে আমরাই ৭৭টি আসনে জিতেছি। আর কংগ্রেস বিগ জিরো হয়েছে। বামফ্রন্টও একটাও আসন পায়নি। এ রাজ্যে আমরা প্রধান বিরোধী দল হয়েছি, শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা (Amit Shah)। ২০২৪ সালে ১২টি আসন পেয়েছি। আর ছাব্বিশে প্রচণ্ড বহুমতের সঙ্গে বিজেপির সরকার হবে। ২৪ সালে টানা তৃতীয়বারের জন্য মোদি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, বিহার এবং দিল্লিতে বিজেপির সরকার হয়েছে। ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশেও বিজেপি বা এনডিএর সরকার হয়েছে। আমার বিশ্বাস, ছাব্বিশের ভোটেও বাংলায় বিজেপির সরকার হবে।”

    মতুয়াদেরও আশ্বাস

    মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরকে পাশে নিয়েই শাহ বলেন, “মতুয়াদের ভয়ের কোনও কারণ নেই। যাঁরা শরণার্থী হয়ে বাংলায় এসেছেন, তাঁদের ক্ষতি কেউ করতে পারবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও পারবেন না (TMC)। তাঁদের সকলকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।” শাহ বলেন, “ছাব্বিশ সালের ভোট হবে মূলত অনুপ্রবেশ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ভোট।” দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “তৃণমূলের একাধিক নেতা ও মন্ত্রীর বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। আপনারা বলছেন বাংলায় দুর্নীতি নেই? নিয়োগ দুর্নীতি থেকে পুরসভা পর্যন্ত সর্বত্রই কেলেঙ্কারির ছায়া।”

    মন্দির-মসজিদ রাজনীতি

    মন্দির-মসজিদ রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে শাহ বলেন, “বাংলায় মন্দির-মসজিদের রাজনীতি করছে কে? তৃণমূল থেকে বেরিয়ে যাওয়া এক বিধায়ক এবং তৃণমূল নিজে (Amit Shah)।” তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় এটা যে করা ঠিক হয়নি, বাংলার মানুষকে তা বুঝতে হবে।মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়েও রাজ্য সরকারকে তোপ দাগেন শাহ। আরজি কর, দুর্গাপুর মেডিক্যাল কলেজ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারী নির্যাতনের ঘটনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “তৃণমূল সরকার বাংলার মানুষকে (TMC) সুশাসন দিতে ব্যর্থ (Amit Shah)।”

LinkedIn
Share