Tag: West Bengal news

West Bengal news

  • Election Commission: পক্ষপাতের অভিযোগে রাজ্যের ২ সিনিয়র নির্বাচনী অফিসারকে সরাল কমিশন

    Election Commission: পক্ষপাতের অভিযোগে রাজ্যের ২ সিনিয়র নির্বাচনী অফিসারকে সরাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগে এ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতরের দুই অফিসারকে সরিয়ে দিল কমিশন (Election Commission)। যাঁদের সরানো হল তাঁরা হলেন, অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অমিত রায়চৌধুরী এবং যুগ্ম মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক রাহুল নাথ। প্রসঙ্গত ভোট ঘোষণার (Lok Sabha Election 2024) পরেই লাগু হয় আদর্শ আচরণবিধি। তখনই কমিশন সরিয়ে দিয়েছিল রাজ্য পুলিশের ডিজিকে। এর পাশাপাশি সরানো হয়েছিল চার জেলাশাসককেও।

    পক্ষপাতের অভিযোগ ছিল ২ অফিসারের বিরুদ্ধে

    কমিশন (ECI) সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দুই আধিকারিকের (Election Commission) বিরুদ্ধে পক্ষপাতের একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছিল। দুজনেই ছিলেন ডাব্লুবিসিএস অফিসার। কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ এবং অবাধ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এর পাশাপাশি ওই দুই অফিসারের পরিবর্তে অন্য নামও কমিশন চেয়েছে রাজ্যের কাছে। প্রসঙ্গত, ভোট ঘোষণার (Lok Sabha Election 2024) পরে আদর্শ আচরণবিধি লাগু হওয়া থেকেই সরকারি অফিসারদের বদলি করার বিশেষ ক্ষমতা থাকে নির্বাচন কমিশনের হাতে। সেই ক্ষমতা বলেই এই দুই আধিকারিককে (Election Commission) সরানো হল।

    আরও পড়ুন: ভোটের উত্তাপে রাজ্যের স্কুলগুলিতে এগিয়ে এল গরমের ছুটি, বাড়ল দিনও, কবে থেকে?

    ৪ জেলাশাসককে সরানো হয় আগেই

    এর আগেও নির্বাচন কমিশন সরিয়ে দেয় পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম এবং বীরভূম-এই চার জেলার জেলাশাসককে। তখন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছিল, ওই চার জেলাশাসক কেউই (Election Commission) আইএস ক্যাডারের অফিসার নন। তাঁরা ডাব্লুবিসিএস আধিকারিক। প্রসঙ্গত, যে কোনও জেলায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ার দেখভালের সর্বোচ্চ দায়িত্ব থাকে জেলাশাসকের ওপরে। অবাধ-শান্তিপূর্ণ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন করাতে বড় ভূমিকা থাকে জেলাশাসকদের। তাই কোনও রকম যাতে অভিযোগ না ওঠে সেদিকে তাকিয়ে আইএএস ক্যাডারের চার জেলাশাসককে নিয়োগ করে কমিশন (ECI)। প্রসঙ্গত, সারা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও ভোট (Lok Sabha Election 2024) হবে সাত দফায়। ১৯ এপ্রিল থেকে ভোট শুরু হচ্ছে বাংলায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: নয়া ঠিকানা নিজাম প্যালেস! অবশেষে সিবিআই হেফাজতে শেখ শাহজাহান

    Sheikh Shahjahan: নয়া ঠিকানা নিজাম প্যালেস! অবশেষে সিবিআই হেফাজতে শেখ শাহজাহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) সিবিআই-এর (CBI) হাতে তুলে দিতে বাধ্য হল সিআইডি (CID)। স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য শেখ শাহজাহানকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম। স্বাস্থ্যপরীক্ষার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নগাদ সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়া হয় শাহজাহানকে। এরপর ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে মেডিকেলের জন্য। তারপর সেখান থেকে নিজাম প্যালেসে (Nizam Palace, Kolkata) নিয়ে যাওয়া হবে তাঁকে। 

    শাহজাহানের স্বাস্থ্যপরীক্ষা

    প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব খান্না জানিয়েছিলেন, আজ বিকেল ৪টে ১৫ মিনিটের মধ্যে সিবিআই-এর হাতে শাহজাহানকে তুলে দিতে হবে সিআইডি-কে। কিন্তু সিবিআই যেতেই সন্দেশখালিকাণ্ডে ধৃত শাহজাহান শেখকে (Sheikh Shahjahan) নিয়ে ভবানী ভবন থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে যান রাজ্যের গোয়েন্দারা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে শাহজাহানের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা হয়। হস্তান্তর প্রক্রিয়ার আগে নিয়ম মেনে শাহজাহানের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানোর পর তাঁকে নিয়ে বেরিয়ে যায় সিআইডি। অন্য দিকে, সিবিআই ভবানী ভবনে অপেক্ষায় করতে থাকে শাহজাহনকে হেফাজতে নেওয়ার জন্য।

    আরও পড়ুন: ১২.৭৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! ইডির তালিকায় শাহজাহানের কোন কোন জমি?

    আদালত অবমাননার অভিযোগ

    আদালতের নির্দেশ মেনে সাড়ে ৩টে নাগাদই ভবানী ভবনে পৌঁছে যান সিবিআই আধিকারিকেরা। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। কিন্তু আদালতের দেওয়া সময় পার হয়ে গেলেও শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) নিয়ে ভবানী ভবন থেকে বেরোতে দেখা যায়নি সিবিআইকে। যার প্রেক্ষিতে রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ করে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি। এদিন কলকাতা হাইকোর্টে অনুপস্থিত ছিলেন প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানম। এই আবহে তাঁর এজলাসে থাকা শাহজাহান মামলার শুনানি হয় জাস্টিস হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চে। এই আবহে হরিশ ট্যান্ডন জানান, প্রধান বিচারপতির রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়ার কোনও কারণ নেই। যদিও রাজ্যের যুক্তি ছিল, যেহেতু সুপ্রিম কোর্টে তারা স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করেছেন, তাই আজকেই যেন শাহজাহানকে সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া না হয়। তবে রাজ্যের সেই যুক্তি ধোপে টেকেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Aadhaar Card: ‘‘রাতের মধ্যেই ফের সক্রিয় হবে নিষ্ক্রিয় হওয়া আধার’’, রাজ্যবাসীকে আশ্বাস সুকান্তর

    Aadhaar Card: ‘‘রাতের মধ্যেই ফের সক্রিয় হবে নিষ্ক্রিয় হওয়া আধার’’, রাজ্যবাসীকে আশ্বাস সুকান্তর

     

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক ব্যক্তির আধার (Aadhaar Card) নিষ্ক্রিয় হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি সমাধানে সক্রিয় গেরুয়া শিবির। সোমবার, রাজ্য বিজেপির তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে যাদের আধার নিষ্ক্রিয় হয়েছে, তা মঙ্গলবারের মধ্যেই পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠবে। বঙ্গ বিজেপি নেতাদের দাবি, পরিকল্পনামাফিক ষড়যন্ত্র করে ভোটের ঠিক আগে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তদন্ত করে তার বের করা প্রয়োজন বলেও মনে করছে বঙ্গ বিজেপি।

    গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের বহু মানুষের কাছে আধার-নিষ্ক্রিয় (Aadhaar Card) হওয়ার চিঠি ও বার্তা আসতে শুরু করেছে। এই নিয়ে তীব্র আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ভোটের মুখে। সমস্যা যে গুরুতর হতে চলেছে, তা আগাম আঁচ করে তড়িঘড়ি আসরে নামেন বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। যোগাযোগ করা হয় কেন্দ্রের সঙ্গে। গোটা বিষয়টি বিস্তারিতভাবে পেশ করা হয়। এর পরই, কেন্দ্রের তরফে আশ্বাস পেয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি এদিন রাজ্যবাসীকে অভয় দেন। 

    ‘‘২৪-ঘণ্টার মধ্যে সক্রিয় হবে কার্ড’’

    এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘আধার কার্ড (Aadhaar Card) নিয়ে বেশ কিছু জেলায় বেশ কিছু সমস্যা হয়েছে। তাকে হাতিয়ার করে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা সন্দেশখালি থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা করছে, ভয় পাওয়ানোর চেষ্টা করছে। আমি রাজ্য বিজেপি সভাপতি হিসাবে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, আমি রেলমন্ত্রী, তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী ও আধারের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় সচিবের সঙ্গে কথা বলেছি। কারও বিন্দুমাত্র ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। আজ রাতের মধ্যে সমস্ত তথাকথিত ডিঅ্যাক্টিভেটেড আধার কার্ড আবার চালু হয়ে যাবে। কোনও আধার কার্ড বাতিল হবে না।’’

    ‘‘অভিযোগ জানানোর প্রয়োজন নেই’’

    রাজ্যের বাসিন্দাদের কারও আধার (Aadhaar Card) নিষ্ক্রিয় হলে যাতে তারা অভিযোগ জানাতে পারে, তার জন্য একটি পোর্টাল তৈরির ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এই মর্মে তিনি মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দেন। সেই প্রেক্ষিতে এদিন সুকান্ত (Sukanta Majumdar) জানিয়ে দেন, কোনও প্রয়োজন নেই কোথাও অভিযোগ করার। সোমবার রাতের মধ্যেই সব আধার সক্রিয় হয়ে যাবে। তিনি বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী একটা পোর্টাল খুলেছেন বলে শুনতে পাচ্ছি। কোনও পোর্টালে কোনও অভিযোগ জানানোর দরকার নেই। যদি আজ রাতের পরে কারও আধার কার্ড ডিঅ্যাক্টিভেটেড থাকে, বিজেপি পার্টি অফিসে যোগাযোগ করুন। আমরা দায়িত্ব নিচ্ছি, আমরা দায়িত্ব নিয়ে আপনাদের আধার কার্ড অ্যাক্টিভেট করে দেব। আমরা আঞ্চলিক আধার অফিসের সঙ্গে আপনাদের যোগাযোগ করিয়ে দেব। আজ রাতের মধ্যে সবার সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’’

    কেন্দ্রের অগোচরে এমন কাজ?

    এদিকে, আচমকা রাজ্যবাসীর আধার-কার্ড নিষ্ক্রিয় হওয়ার ঘটনার নেপথ্যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র হয়ে থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দুর দাবি, সমস্যা তৈরি হয়েছে আধার কার্ডের রাঁচি আঞ্চলিক দফতর থেকে। এদিন এক্স হ্যান্ডলে শুভেন্দু লেখেন, ‘‘এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা বলেছি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিষ্ক্রিয় হওয়া আধার কার্ড সক্রিয় হয়ে যাবে।’’ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘রাঁচির আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে যে এরকমটা করা হয়েছে, তা উচ্চপর্যায়ের আধিকারিক এবং মন্ত্রকের কেউ জানতেন না।’’

    ভোটের আগে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র?

    এই কাণ্ড ঘটিয়ে ভোটের আগে বিজেপিকে কালিমালিপ্ত করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বলেও মনে করছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। কারণ, যাঁদের আধার কার্ড (Aadhaar Card) নিষ্ক্রিয় হয়েছে, তাঁদের মধ্যে অনেকেই মতুয়া-সম্প্রদায়ভুক্ত। বিজেপির দাবি, ভোটের আগে সিএএ-এনআরসি জুজু দেখিয়ে মতুয়া ভোটব্যাঙ্ককে বিজেপি-বিরোধী করার একটা অপচেষ্টা করা হয়েছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘সত্যটা কী, তা জানতে একটা তদন্ত করা হবে এবং এটাও খতিয়ে দেখা হবে যে ভোটের আগে কোনও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে কিনা।’’ এই প্রসঙ্গে শীর্ষস্তরে এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য শুভেন্দু জাহাজমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: ছেলে সমুদ্রকে সঙ্গে নিয়ে সুজিতের দফতরে হানা ইডির, কী বললেন মন্ত্রী-পুত্র?

    ED Raid: ছেলে সমুদ্রকে সঙ্গে নিয়ে সুজিতের দফতরে হানা ইডির, কী বললেন মন্ত্রী-পুত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি চালাতে চালাতেই এবার উল্টোদিকে সুজিত বসুর (Sujit Bose) দফতরেও হানা দিল ইডি (ED Raid)। মন্ত্রী-মুত্রকে নিয়ে উল্টোদিকের ফ্ল্যাটে থাকা দফতরে পৌঁছে গেল ইডি। সেখানও চলে তল্লাশি।

    ১১ ঘণ্টা পার, এখনও চলছে তল্লাশি

    ১১ ঘণ্টা পার হতে চলল। এখনও রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর (Sujit Bose) বাড়িতে চলছে ইডি-র ম্যারাথন তল্লাশি (ED Raid)। সঙ্গে চলছে জিজ্ঞাসাবাদও। সেই সকাল থেকেই মন্ত্রীমশাইয়ের বাড়ির মধ্যেই রয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। তবে, তার মধ্যেই, একবার দেখা মিলেছিল বিকেলে। এদিন বিকেল সওয়া ৪টে নাগাদ সুজিত বসুর ছেলে সমুদ্রকে নিয়ে মন্ত্রীর পুরনো বাড়ি থেকে বের হয় ইডির কয়েকজন আধিকারিক। গন্তব্য ২০০ মিটার দূরে শ্রীভূমি ক্লাবের উল্টোদিকে একটি বহুতল। জানা যায়, ওই বহুতলের একটি ফ্ল্যাটে সুজিত বসুর দফতর রয়েছে। সেখানে তিনি মাঝেমধ্যে বসেন। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ব্যাগ গোছাতে শুরু করুন’’, ইডি হানায় খোঁচা শুভেন্দুর, ‘‘খেলা শুরু হয়েছে’’, কটাক্ষ দিলীপের

    কী বললেন মন্ত্রী-পুত্র?

    এদিকে, সমুদ্র বাড়ি থেকে বের হতেই তাঁকে ছেঁকে ধরেন সাংবাদিকরা। প্রথমে কিছু বলতে না চাইলেও, পরে তিনি প্রশ্নের উত্তরে সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, “এ ব্যাপারে কিছু এখন বলা যাবে না। ওনারা তদন্ত করছেন। তদন্ত চলতে দিন। তারপর যা সামনে আসার আসবে। আমাদের তরফে পূর্ণ সহযোগিতা করা হচ্ছে।” সমুদ্র বাড়ি থেকে বেরোতেই সুজিতের অনুগামীরাও আশপাশে ভিড় করেন। তাঁদের সবাইকে শান্ত থাকতে বলেন সুজিত বসুর ছেলে। তার পর ইডি অফিসারদের সঙ্গে বাবার (Sujit Bose) অফিসে ঢুকে যান।

    দিকে দিকে তল্লাশি ইডির

    পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারি তদন্তে এদিন একসঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি (ED Raid)। এদিন সকাল ৭টা নাগাদ, লেকটাউনের শ্রীভূমি ক্লাবের পাশে থাকা সুজিত বসুর (Sujit Bose) জোড়া ফ্ল্যাটে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। দুটি ফ্ল্যাটে হানা দেয় দুটি পৃথক দল। সুজিত বসু ছিলেন নতুন বাড়িতে। মন্ত্রীর বাড়ি বাইরে থেকে ঘিরে ফেলে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। সন্দেশখালিকাণ্ডের পর থেকে সতর্ক বাহিনীও। জটলা দেখলেই সরিয়ে দিচ্ছেন জওয়ানরা। 

    সুজিত বসুর (Sujit Bose) বাড়ি ছাড়াও আরও ২ জায়াগায় এদিন একসঙ্গে তল্লাশি অভিযান শুরু করে ইডি (ED Raid)। বরানগরের বিধায়ক তথা তৃণমূল নেতা তাপস রায়ের বউবাজারের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। উত্তর দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুবোধ চক্রবর্তীর বাড়িতে হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এই ২ জায়গাতেও তল্লাশি চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kuntal Ghosh: রাজারহাটের ফ্ল্যাট কি কুন্তলের বেনামি সম্পত্তি? জানতে হাজির ইডি

    Kuntal Ghosh: রাজারহাটের ফ্ল্যাট কি কুন্তলের বেনামি সম্পত্তি? জানতে হাজির ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া কুন্তল ঘোষের (Kuntal Ghosh) রাজারহাটের ফ্ল্যাটে মঙ্গলবার হানা দিল ইডি। প্রসঙ্গত নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া যুব তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কুন্তল ঘোষ বর্তমানে জেলে বন্দি রয়েছেন। কুন্তল ঘোষের ফ্ল্যাটে এদিন তল্লাশি চালাতে মঙ্গলবার সিজিও কমপ্লেক্সের দফতর থেকে ইডি আধিকারিকরা পৌছান রাজারহাটের ফ্ল্যাটে। জানা গিয়েছে, এই ফ্ল্যাট থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছিল কুন্তল ঘোষকে। গ্রেফতারের পর ফ্ল্যাটের মালিক এখন নিজেই সেখানে থাকেন।

    কুন্তলের ভাড়া নেওয়া ফ্ল্যাট আসলে বেনামি সম্পত্তি নয় তো?

    ইডির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই ফ্ল্যাট হস্তান্তর করা হয়েছে বর্তমানে। কুন্তল এই ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন বলে জানা যায়। বর্তমানে যিনি ফ্ল্যাটে আসেন তিনি কি আসল মালিক? কবে ফ্ল্যাট কিনেছিলেন? কার কাছ থেকে ফ্ল্যাট কিনেছিলেন? কত টাকার বিনিময়ে কিনেছিলেন? এ সমস্ত কিছুই জানতে চাইছে তদন্তকারীরা। আসলে কুন্তল ঘোষের (Kuntal Ghosh) কোনও বেনামি সম্পত্তি সুকৌশলে বিক্রি করা হয়েছে কিনা সেটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা এবং সে কারণে বাসিন্দাদের সঙ্গে কথাও বলছেন তদন্তকারীরা।

    জানুয়ারি মাসেই গ্রেফতার হন কুন্তল

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই হুগলির তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষকে গ্রেফতার করে ইডি। ২৪ ঘণ্টা তল্লাশি চালানো হয়, জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় কুন্তল ঘোষকে। এর পরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। বেসরকারি কলেজ সংগঠনের নেতা তাপস মণ্ডল নিয়োগ দুর্নীতিতে বলাগড়ের নেতা কুন্তলের যোগসাজশের কথা জানান ইডি আধিকারিকদের। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই কুন্তলের (Kuntal Ghosh) ফ্ল্যাটে হানা দেয় ইডি। কুন্তলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছিলেন তাপস মণ্ডল। তাঁর দাবি ছিল, ৩২৫ জন শিক্ষক পদপ্রার্থীর কাছ থেকে ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা নিয়েছেন কুন্তল। নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে রয়েছেন কুন্তল বলে বেশ কিছু তথ্য প্রমাণ পান ইডি আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Municipality Recruitment Scam: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের দুয়ারে ইডি, চলছে তল্লাশি

    Municipality Recruitment Scam: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের দুয়ারে ইডি, চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘যেখানে দেখিবে ছাই উড়াইয়া দেখ তাই, পাইলেও পাইতে পার অমূল্য রতন’–ঠিক এই কথাটাই যেন প্রযোজ্য রাজ্যের ক্রমবর্ধমান দুর্নীতির খতিয়ান ও তাতে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের জড়িত থাকার বিষয়টিতে। শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে গরুপাচার, কয়লা পাচারে একাধিক রাজ্যের শাসক দলের একাধিক হেভিওয়েট নেতামন্ত্রীদের নাম প্রকাশ্যে এসেছে, অভিযোগ উঠেছে। ব্যতিক্রম নয় পুর-নিয়োগ দুর্নীতিও। বর্তমান শাসকের জমানায় দুর্নীতি যে কীভাবে দল ও প্রশাসনকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে রেখেছে, তার আরেকটা উদাহরণ দেখা গেল বৃহস্পতিবার।

    সকাল ৬টায় মন্ত্রীর দুয়ারে ইডি

    এদিন পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের আরেক মন্ত্রীর নাম জড়িয়ে পড়ল। বৃহস্পতিবার সাত সকালে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের বাড়িতে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। পুর-নিয়োগ দুর্নীতির (Municipality Recruitment Scam) তদন্তে কলকাতা সহ রাজ্যের ১২ জায়গায় এক যোগে ম্যারাথন তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। সেই সূত্রেই এদিন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান রথীন ঘোষের বাড়িতে ইডি হানা দেয়। 

    এদিন, সকাল ৬টা নাগাদ খাদ্যমন্ত্রীর মাইকেলনগরের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। ৫টি গাড়িতে রথীনের বাড়িতে পৌঁছন ইডি আধিকারিকরা। সকাল থেকেই চলছে ইডির তল্লাশি অভিযান (Municipality Recruitment Scam)। বাড়ি ঘিরে রেখেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকরা। বাড়িতেই রয়েছেন রথীন ঘোষ। খাদ্যমন্ত্রী সহ তাঁর পরিবারের লোকজনদের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। শুধু খাদ্যমন্ত্রীর বাড়িই নয়, এদিন কামারহাটি পুরসভার তৃণমূলের পুর চেয়ারম্যান গোপাল সাহার অমৃতনগরের বাড়িতেও তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। পাশাপাশি বরানগর পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিকের বাড়িতেও পৌঁছে গিয়েছে ইডির একটি দল। টিটাগড়ের প্রাক্তন পুর চেয়ারপার্সন প্রশান্ত চৌধুরীর বাড়িতেও হানা দিয়েছে ইডি (Enforcement Directorate)। দক্ষিণ দমদম পুরসভার নিতাই দত্তের বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে ইডি। মোট ১২টি টিমে ভাগ হয়ে ৮০ জন ইডি আধিকারিক নেমেছেন অভিযানে।

    অয়ন শীলের সঙ্গে কী সম্পর্ক রথীনের?

    ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বেআইনিভাবে পুরসভায় নিয়োগ (Municipality Recruitment Scam) সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করছে ইডি। এর মধ্যে অন্যতম হল মধ্যমগ্রাম পুরসভা। রথীন দীর্ঘদিন ধরে মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন। সেই প্রেক্ষিতে, নিয়োগ-দুর্নীতি সংক্রান্ত নথি চেয়ে মধ্যমগ্রাম পুরসভার কাছে নোটিশ পাঠিয়েছিল ইডি। সেই নথি ইডি-র দফতরে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন বর্তমান চেয়ারম্যান নিমাই ঘোষ। সূত্রের খবর, ফাইল ঘেঁটে বেশ কিছু সন্দেহজনক তথ্য উঠে আসে। সেখানে রথীন ঘোষের উল্লেখ মেলে। পাশাপাশি, পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলার অন্যতম কিংপিন অয়ন শীল তাঁর বয়ানে রথীন ঘোষের নাম উল্লেখ করেছেন। এমনকি, অয়ন শীলের বাড়িতে বাজেয়াপ্ত করা নথিতে উল্লেখ ছিল রথীনের নাম। সেই সূত্রেই এদিন রথীন ও তাঁর অনুগামীদের বাড়িতে একযোগে তল্লাশি অভিযানে নেমেছে ইডি (Enforcement Directorate)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sadhvi Niranjan: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে দিল্লিতে আটক তৃণমূল নেতারা

    Sadhvi Niranjan: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে দিল্লিতে আটক তৃণমূল নেতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় তাঁরা যেমন খুশি তেমন করেন। তাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা (Ruckus in New Delhi) তৈরি করে তৃণমূল সাংসদরা ভেবেছিলেন, পার পেয়ে যাবেন। কিন্তু, তাঁরা দিল্লিকে বাংলা ভাবার ভুল করেছিলেন। কিন্তু, দিল্লি যে বাংলা নয়, সেটা বোধহয় হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল নেতৃত্ব। 

    ঠিক কী ঘটেছিল মঙ্গলবার রাতে?

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কৃষি ভবনে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগের রাষ্ট্রমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতির (Sadhvi Niranjan) সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল তৃণমূল নেতৃত্বের। সাক্ষাতের সময় ছিল সন্ধ্যা ৬টা। কিন্তু, তৃণমূল প্রতিনিধিদলের সঙ্গে দেখা করার জন্য নির্ধারিত সময়ের বাইরে আরও আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তার পরেও কেউ না আসায় তিনি কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান। এর পর রাত ৯টা নাগাদ সেখানে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন তৃণমূল নেতা-নেত্রীরা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগের রাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর দফতর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অনেক পরে সেখানে গিয়ে জমায়েত শুরু করেন তৃণমূল নেতারা। কৃষি ভবনের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা। ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলা (Ruckus in New Delhi) তৈরির চেষ্টা করেন। দিল্লি হাই-সিকিউরিটি জোন। সেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের সামনে এভাবে আচমকা গিয়ে ধর্না-বিক্ষোভ-প্রদর্শন করা যায় না। কিন্তু, সেটা ভুলে গিয়েছিলেন এরাজ্যে ক্ষমতায় থেকে ধরাকে সরা জ্ঞান করা তৃণমূল নেতৃত্ব। ফলে, যা হওয়ার তাই হয়েছে। বাধ্য হয়ে ব্যবস্থা নেয় দিল্লি পুলিশ। রাত ৯টায় অভিষেক-সহ তৃণমূল নেতৃত্বকে আটক (TMC Leaders Detained) করে দিল্লি পুলিশ। রাত ১১টা নাগাদ তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

    রাতে ভিডিও পোস্ট করেন সাধ্বী নিরঞ্জন

    এখানেই থেমে থাকেনি তৃণমূল। আসল ঘটনাকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে উল্টে পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগ করতে থাকেন অভিষেকরা। বাধ্য হয়ে আসল সত্যটা প্রকাশ করতে আসরে নামতে হয় খোদ মন্ত্রীকে। মঙ্গলবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেন সাধ্বী নিরঞ্জন (Sadhvi Niranjan)। তাতে দেখা যাচ্ছে, নিজের দফতরে বসে বিভিন্ন নথিপত্র পরীক্ষা করছেন সাধ্বী নিরঞ্জন। তাঁর সামনে বেশ কয়েকটি ফাঁকা চেয়ার রাখা। পিছনে আরও বেশ কিছু আসন রয়েছে। সবগুলিই ফাঁকা। ইঙ্গিত স্পষ্ট, ওই ফাঁকা আসনগুলি তৃণমূল প্রতিনিধি দলের জন্য রাখা ছিল। সাধ্বী নিরঞ্জনের অভিযোগ, বাংলার দাবি জানানো নয়, বরং রাজনীতি করাই ছিল তৃণমূল নেতাদের আসল উদ্দেশ্য। আর আসল উদ্দেশ্যর কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় খোলসা করে তৃণমূলকে (TMC Leaders Detained) কার্যত তুলোধনা করেন সাধ্বী নিরঞ্জন।

    কী বলেছেন কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী?

    ভিডিও পোস্ট করে সাধ্বী নিরঞ্জন (Sadhvi Niranjan) লেখেন, “আজ আড়াই ঘণ্টা সময় নষ্ট হল। তৃণমূল সাংসদদের জন্য অপেক্ষা করে করে আজ আমি সাড়ে আটটায় অফিস থেকে বের হলাম। আমি জানতাম, তৃণমূলের সাংসদ ও বাংলার মন্ত্রীদের প্রতিনিধি দল আমার কার্যালয়ে আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য এদিন সন্ধ্যা ৬টায় সময় নিয়েছিল। কিন্তু পরে, তারা তৃণমূল কর্মীদের সামনে আমায় ডেকে দেখা করতে চেয়েছিল। এটা আমার অফিসের ব্যবস্থার বিরোধী। তারা বৈঠকের নির্ধারিত বিষয় থেকে সরে এসেছে। কারণ তাদের উদ্দেশ্য দাবি পূরণ করা ছিল না। তাদের উদ্দেশ্য ছিল রাজনীতি করা। তৃণমূল নেতাদের (TMC Leaders Detained) এই আচরণ অত্যন্ত লজ্জাজনক।”

    এই বিষয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “পাঁচ জনকে যেতে বলা হয়েছিল, ৪০ জন যেতে চান। ওটা হাট না ডায়মন্ড হারবার?”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: অভিষেকের ডায়মন্ড হারবারে পুলিশ, ভোটকর্মীদের আটকে দেদার ‘ছাপ্পা’ তৃণমূলের!

    Panchayat Elections 2023: অভিষেকের ডায়মন্ড হারবারে পুলিশ, ভোটকর্মীদের আটকে দেদার ‘ছাপ্পা’ তৃণমূলের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, শনিবার রাজ্যে এক দফায় পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election 2023)। সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। আর তখন থেকেই, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়ে গিয়েছে বেপরোয়া রাজনৈতিক হিংসা। একদিকে যেমন ঝরছে রক্ত, তেমন অন্যদিকে, শাসকদলের বেলাগাম ভোট-সন্ত্রাস ও লুটের ছবি উঠে আসছে। যেমনটা হয়েছে ডায়মন্ড হারবার থেকে। 

    অভিষেকের কেন্দ্রে সন্ত্রাসের অভিযোগ

    রাজ্য রাজনীতিতে ডায়মন্ড হারবার গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এটি তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্র। দীর্ঘদিন ধরে ডায়মন্ড হারাবারে সন্ত্রাসের অভিযোগ করেছিল বিরোধীরা। এবার সেই ছবি সামনে আসায় ফের বিরোধীদের দাবি জোরালো হয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) শাসক দলের বিরুদ্ধে দেদার ছাপ্পার অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। অভিযোগ, ভোটকর্মীদের আটকে রেখে ও ভয় দেখিয়ে ছাপ্পা মারার খবর পাওয়া গেছে। ভোটকর্মীদের মারধরও করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: কোচবিহারে পুড়ল ব্যালট, লুট উত্তর দিনাজপুরে! শাসক-সন্ত্রাস নিয়ে সরব সুকান্ত

    ঠিক কী বলছেন স্থানীয়রা?

    স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোট দিতে এসে তাঁরা দেখেন, তাদের ভোট পড়ে গিয়েছে। রাতের অন্ধকারে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ছাপ্পা মারার অভিযোগ উঠেছে। সেখানেও ইতি উতি ব্যালট পেপার পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। অভিযোগ, শুক্রবার রাতে বেলাগাম ছাপ্পা মেরে ব্যালট বাক্স ভরিয়ে দিয়েছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। সকালে ভোটকেন্দ্রে এসে ব্যালট বাক্স খুলে সব ব্যালট ফেলে দেয় উত্তেজিত জনতা।

    ভাইরাল হয়েছে একাধিক ভিডিও 

    এই মর্মে, সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যদিও সেই ভিডিওগুলির সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োতে এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘‘তৃণমূলের ছেলেরা রাতেই ছাপ্পা মেরেছে। সরকারি কর্মী, অফিসার ও পুলিশকে মারধর করা হয়েছে। আমরা সকালে এসে সেই ব্যালট বক্স (Panchayat Election 2023) বাইরে ফেলে দিয়েছি।’’ এক পুলিশকর্মীকে কাতরভাবে বলতে শোনা যায়, ‘‘রাতে এখানে অনেক লোকজন ঢুকে পড়েছিল। বোমা-বন্দুক দেখিয়ে আমাদের খুন করার হুমকি দেওয়া হয়। আমাদের মারধর করা হয়। আমরা কোনও প্রতিরোধ করতেই পারিনি। প্রাণের ভয় রয়েছে।’’

    ভাইরাল হওয়া আরেকটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, দাউদাউ করে করে জ্বলছে ব্যালট পেপার। রাতে ছাপ্পা মারার অভিযোগে সেই ব্যালট পেপারগুলিতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিরোধীরা। সেখানে অনেকগুলির ব্যালটে তৃণমূলের প্রতীকের উপর ভোটের ছাপ দেখা গিয়েছে। এই ভিডিয়ো সামনে আসার পর থেকেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bengal Bomb Blasts: বারুদের স্তূপে বাংলা! সাম্প্রতিক অতীতে রাজ্যে কবে কোথায় বিস্ফোরণ?

    Bengal Bomb Blasts: বারুদের স্তূপে বাংলা! সাম্প্রতিক অতীতে রাজ্যে কবে কোথায় বিস্ফোরণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরা বিস্ফোরণকাণ্ড (Bengal Bomb Blasts) নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট শিয়রে। তার আগে তৃণমূল পরিচালিত সরকার দুর্নীতির বোঝা সামাল দিতেই হিমসিম খাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এগরা বিস্ফোরণের ঘটনা বিরোধী শিবিরের হাতে নতুন অস্ত্র তুলে দিয়েছে।

    বিরোধীদের দাবিই সত্যি!

    দীর্ঘদিন ধরেই প্রধান বিরোধী দল বিজেপি দাবি করে আসছে, তৃণমূল সরকারের বদান্যতায় বোমা তৈরিই এখন এই রাজ্যের প্রধান শিল্পে পরিণত হয়েছে। তাদের দাবি যে অমূলক নয়, তা দেখিয়ে দিয়েছে এগরাকাণ্ড। প্রশাসন যতই একে বাজি কারখানার বিস্ফোরণ (Bengal Bomb Blasts) বলে চালানোর চেষ্টা করুক না কেন, সেখানে যে বোমা তৈরিই হত, তা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছে নিহতদের পরিবারও। পুলিশ উঠেপড়ে লেগেছিল বিষয়টাকে খাটো করে দেখানোর জন্য। যে কারণে মামলা রুজুর সময় বাদ দেওয়া হয়েছিল বিস্ফোরক আইনের ধারা। কিন্তু, তাতেও শেষরক্ষা হয়নি। এই মামলায় বিস্ফোরক ধারা জুড়তে বৃহস্পতিবারই পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

    রক্তে বারবার ভিজেছে বাংলার মাটি

    এগরায় এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে ৯ জনের মৃত্যুর খবর ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও বিরোধীদের দাবি, মৃতের সংখ্যা ২০ ছাড়িয়েছে। তবে, এগরা প্রথম নয়। এর আগেও গত এক বছরে বার বার বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠেছে বাংলা। রাজ্যবাসীর রক্তে ভিজেছে বাংলার মাটি। বারুদের গন্ধে ভরে উঠেছে বাংলার বাতাস। এর আগেও বিস্ফোরণে খালি হয়েছে অনেক মায়ের কোল। মুছেছে অনেক সিঁথির সিঁদুর। কেউ কেউ যেমন মাতৃহারা-পিতৃহারা-ভ্রাতৃহারা হয়েছেন, কেউ আবার সন্তান হারানোর শোক বুকে বয়ে বেড়াচ্ছেন। বাদ যায়নি শিশুরাও। বল ভেবে খেলতে খেলতে বোমা ফেটে শিশু মৃত্যু ও ঘায়েল হওয়ার ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন রাজ্যবাসী। তবে, এত কিছুর পরও থামেনি বিস্ফোরণের (Bengal Bomb Blasts) আওয়াজ। রাজ্যের একের পর প্রান্ত থেকে ভেসে আসছে বোমা ফাটার আওয়াজ। সর্বশেষ ঘটনা এগরা। হয়তো এটাই শেষ নয়।

    আরও পড়ুন: এগরা বিস্ফোরণকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত ভানুসহ গ্রেফতার ৩, কোথা থেকে জানেন?

    রাজ্যের বিস্ফোরণ-পঞ্জী

    এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক রাজ্যে ঘটে যাওয়া বিগত কয়েকটি বোমা বিস্ফোরণের (Bengal Bomb Blasts) খতিয়ান—

    ১০ এপ্রিল ২০২৩—ইসলামপুর থানা এলাকার বানিয়া গ্রামে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সফিজুল হক নামের একজনের বাড়িতে বোমা তৈরির কাজ চলছিল। সেখানেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে খবর। আর তাতে সফিজুলের দু’টি হাতই উড়ে যায়।

    ১ এপ্রিল ২০২৩—খোদ বিকাশ ভবনের সরকারি ২ জন কর্মচারী ধরা পড়ে এনআইএ-র হাতে। একজন আবার তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী, পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। অভিযোগ, বিস্ফোরক পাচার করতেন তাঁরা। সূত্রের খবর, প্রভাবশালীদের সাহায্যেই দিনের পর দিন প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক সরবরাহ করে গেছেন এই ২ জন। পুলিশের সাহায্যেও এই কাজ চলত কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, এনআইএ গ্রেফতারি এড়াতে বিকাশ ভাবনে সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন মীর মহম্মদ নুরুজ্জুমান। ন্যাশনাল ইনফরমেশন সেন্টার (NIC) বা জাতীয় তথ্যকেন্দ্রের প্রজেক্টে কাজ করছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, ৮১ হাজার জিলেটিন স্টিক আর ২৭ হাজার কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সাপ্লাই করেছিলেন এই দুজন। এত পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধারের পরও কেন এঁরা ধরা পড়েননি, উত্তর খুঁজছে এনআইএ। 

    ২০ মার্চ ২০২৩—মহেশতলায় পুটখালি মণ্ডলপাড়ায় বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৩ জনের মৃত্যু হয়। বিস্ফোরণে বাজি কারখানার মালিকের স্ত্রী-পুত্র, প্রতিবেশী কিশোরীর মৃত্যু হয়। নোদাখালি, পাঁশকুড়ার পরে ফের এই বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ। 

    ১০ মার্চ ২০২৩— মুর্শিদাবাদ জেলার নওদা থানার মধুপুর মাঠপাড়া গ্রামে বোমা বিস্ফোরণ হয়ে প্রাণ হারান একজন। গুরুতর আহত হন আরও তিনজন। বোমা বাঁধার সময় তা ফেটে যেতেই বিকট শব্দ হয়। তখনই সবাই ছিটকে পড়ে যায়।

    আরও পড়ুন: বাজির আড়ালে চলত বোমা তৈরিরই কারবার! বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নিহতের পরিবারের সদস্য

    ৪ মার্চ ২০২৩— পাড়ুইয়ের তৃণমূল নেতার বাড়িতে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে তার আওয়াজ বহু দূর থেকে শোনা যায়।

    ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩— বোমার আঘাতে জখম হন মাড়গ্রাম ১ তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ভুট্টো শেখের ভাই লাল্টু শেখ ও তাঁর বন্ধু নিউটন শেখ।

    ৬ ডিসেম্বর ২০২২— বসিরহাটে বিস্ফোরণে জখম এক নাবালক সহ ২। বসিরহাটের রামনগরে রান্নাঘরে বিস্ফোরণ হয়। গুরুতর আহত হয় নাবালক। আহত হন এক গৃহবধূও। 

    ১৭ নভেম্বর ২০২২— উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁয় তৃণমূল নেতার বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ। মৃত এক ৯ বছরের নাবালিকা। মৃতের নাম সোহানা খাতুন ওরফে ঝুমা। সে সম্পর্কে তৃণমূল নেতার ভাগ্নি। বুধবার সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ থানার চাঁপালি পঞ্চায়েতের গাইন পাড়ায় তৃণমূল নেতা আবুল হোসেন গাইনের বাড়িতে বিস্ফোরণ হয়।

    ১১ অক্টোবর ২০২২— পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার সাধুয়াপোতা গ্রামে বাজি বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে প্রাণ যায় দুজনের। মৃতদের মধ্যে এক স্কুল ছাত্রও ছিল।  গ্রামের শ্রীকান্ত ভক্ত নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে বেআইনি ভাবে বাজি তৈরি হচ্ছিল।  বিস্ফোরণের জেরে ভেঙে পড়ে বাড়ির একাংশ। অভিযোগ, সেখানে বোমা জাতীয় বাজিও তৈরি করা হত৷

    ২৯ জুন ২০২২— ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরের ভীমগড় ব্রিজের কাছে। এলাকার পুরনো শ্মশানঘাটের কাছে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের জেরে ভেঙে পড়ে রাস্তার ধারে থাকা একটি বাড়িও। পাণ্ডবেশ্বরের পুরনো শ্মশানঘাটের কাছে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হয়। সেই শব্দে চারদিক কেঁপে ওঠে। ব্রিজ লাগোয়া একটি জায়গায় পরিত্যক্ত ঘরের মধ্যে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে।

    আরও বিস্ফোরণ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গায়

    এছাড়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে একটি বালতি থেকে শ’খানেক বোমা মেলে। বীরভূমের মাড়গ্রাম, লাভপুর, দুবরাজপুর, মল্লারপুর থেকে চারদিনে পাওয়া গিয়েছে ৪০০-র বেশি তাজা বোমা, ৩০ কেজির বেশি বোমার মশলা। মুর্শিদাবাদে গুলি, আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা উদ্ধার হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট ও বর্ধমানের খাগড়াগড় মোড় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে একটি বাড়িতে জোরালো বিস্ফোরণ (Bengal Bomb Blasts) হয়। তাতে আহত একজনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি বারুইপুর, ক্যানিং থেকেও তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। এইসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই বিরোধীরা বলছে, বাংলা রয়েছে বারুদের স্তূপের উপর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: নির্দেশ মোদির, ৪২ আসনের লক্ষ্যেই ঝাঁপাবে রাজ্য বিজেপি, ঘোষণা সুকান্তর

    Lok Sabha Election 2024: নির্দেশ মোদির, ৪২ আসনের লক্ষ্যেই ঝাঁপাবে রাজ্য বিজেপি, ঘোষণা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টার্গেট বদল বঙ্গ বিজেপির! সৌজন্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কলকাতায় এসে মোদির সেনাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন রাজ্যের ৪২টি আসনের (Lok Sabha Election 2024) মধ্যে ৩৫টি পেতেই হবে। সেই লক্ষ্য পূরণেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বাংলার বিজেপি নেতারা।

    বঙ্গ বিজেপির নয়া লক্ষ্যমাত্রা (Lok Sabha Election 2024)

    এই লক্ষ্যমাত্রাই এক লাফে বেড়ে হেয়েছে ৪২। নয়া লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন ক্যাপ্টেন নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। তিনি বলেছিলেন, “রাজ্যের ৪২টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে হবে।” এই এক মন্ত্রেই হয়েছে বাজিমাত। তার ওপর রয়েছে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক তাপস রায়। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় চাকরি ছেড়ে হাতে তুলে নিয়েছেন পদ্ম ঝান্ডা। এসবও বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছে বঙ্গ বিজেপিকে। যার জেরে এ রাজ্যে বিজেপি নেতারা আস্তিন গুটিয়ে নেমে পড়েছেন রাজ্যের সবক’টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে।

    কী বললেন সুকান্ত?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যেহেতু বলেছেন ৪২টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে হবে, তাই আমরা ৩৫টি নয়, ৪২টি আসনেই জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছি।” গত শনিবার কৃষ্ণনগরের সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী যখন বিশ্রাম কক্ষে গিয়েছিলেন, তখন তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন বঙ্গ বিজেপির দুই কান্ডারি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে প্রায় পনের মিনিট ধরে বৈঠক হয় এই তিন নেতার। বিজেপি সূত্রে খবর, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সামগ্রিক বিষয় নিয়ে শুভেন্দু-সুকান্তর কাছে খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা সহ অন্যান্য সমস্যার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন সুকান্ত-শুভেন্দু।

    আরও পড়ুুন: হামলার দিন শাহজাহানকে তিনি ফোন করেছিলেন, আগেভাগেই স্বীকার তৃণমূল বিধায়কের!

    ইতিমধ্যেই প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। ১৯৫ জনের এই তালিকায় রয়েছেন বাংলার ২০ জনও। দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকাও প্রকাশিত হবে অচিরেই। বাংলার যে আসনগুলিতে প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়ে গিয়েছে, সেখানে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে দেওয়াল লিখন। শুরু হয়েছে প্রচারও।

    বিচারপতির পদ ছেড়ে আসা অভিজিৎকে তমলুকে প্রার্থী করা হতে পারে ধরে নিয়ে দেওয়াল লিখন শুরু করে দিয়েছেন বিজেপির অত্যুৎশাহীরা। বসিরহাটে ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকেও প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। তৃণমূল থেকে আসা তাপস রায়ও হতে পারেন পদ্ম প্রার্থী। তাই ৩৫ নয়, ৪২টি আসনই গেরুয়া ঝুলিতে পুরতে মরিয়া বঙ্গ বিজেপি (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share