Tag: west bengal panchayat board

west bengal panchayat board

  • Panchayat Board: পাঁচ হাজার পুলিশ এনেও ‘খেলা’ হল না, খানাকুলের পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে

    Panchayat Board: পাঁচ হাজার পুলিশ এনেও ‘খেলা’ হল না, খানাকুলের পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তির জেরে পঞ্চায়েত বোর্ড (Panchayat Board) গঠন স্থগিত ছিল। হুগলি জেলার খানাকুলের ঠাকুরানিচক পঞ্চায়েতের বোর্ড অবশেষে সোমবার কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে গঠিত হল। এদিন খানাকুলের ওই পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করল বিজেপি। টান টান রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্য দিয়ে ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন হয়। প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশের উপস্থিতিতে এদিন বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়। সকাল থেকেই পুলিশ-প্রশাসনের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

    কীভাবে হল বোর্ড (Panchayat Board) গঠন?

    খানাকুলের ২৪ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ১১ টি বিজেপির দখলে। তার মধ্যে একটি পঞ্চায়েত সমিতি আছে। উল্লেখ্য, গত ১১ ই অগাস্ট আরামবাগ মহকুমার প্রায় সব ক’টি গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠিত হলেও ঠাকুরানিচক পঞ্চায়েতে ব্যাপক মারপিট হওয়ায় বোর্ড গঠন (Panchayat Board) প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। এদিন বন্ধ হয়ে যাওয়া ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৫ টি সংসদের মধ্যে ১৩ টি পায় বিজেপি এবং তৃণমূল পায় ১২ টি। স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপি এগিয়ে থাকে। এদিন খানাকুলের মোড়ে ব্যাপক জমায়েত ছিল তৃণমূল ও বিজেপির। প্রশাসনের নজরদারির পাশাপাশি প্রতিটি এলাকায় পুলিশ মোতায়ন করা হয়। কড়া পুলিশি পাহারার মধ্য দিয়ে বিজেপির জয়ী ১৩ জন প্রার্থীকে পঞ্চায়েতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বোর্ড গঠনের জন্য ভোট প্রক্রিয়া শুরু হয়। অবশেষে বিজেপির প্রধান হন রামকৃষ্ণ মাইতি এবং উপ প্রধান হন সন্ধ্যা কোটাল।

    খানাকুল জুড়ে বিজেপির জয়জয়কার (Panchayat Board)

    এরপরই গেরুয়া আবির খেলায় মেতে ওঠেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। এদিন এই বোর্ড গঠন প্রক্রিয়ায় পুড়শুড়ার বিধায়ক তথা আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিমান ঘোষ ও খানাকুলের বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ উপস্থিত ছিলেন। বিজেপি নেতা বিমান ঘোষ বলেন, একটা পঞ্চায়েত (Panchayat Board) গঠন করতে এত পুলিশ কেন দিতে হবে? তৃণমূল চেয়েছিল কারচুপি করে বোর্ড দখল করে নেবে। কিন্তু বিজেপি তাকে প্রতিরোধ করে। অপরদিকে খানাকুলের বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ বলেন, খানাকুল জুড়ে বিজেপির জয়জয়কার। সেরকম ভাবেই বিজেপি ঠাকুরানিচক দখল নিয়েছে।সব মিলিয়ে ঠাকুরানিচক পঞ্চায়েত গঠনে তৃণমূল খেলার মাঠ ছেড়ে পালালো বলা যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: পঞ্চায়েতের উপ সমিতি গঠন ঘিরে ধুন্ধুমার নদিয়ায়, লাঠি-বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার বিজেপি কর্মীদের

    Nadia: পঞ্চায়েতের উপ সমিতি গঠন ঘিরে ধুন্ধুমার নদিয়ায়, লাঠি-বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার বিজেপি কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপ সমিতি গঠনকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কাণ্ড। শুক্রবার দুপুরে নদিয়ার (Nadia) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কৃষ্ণগঞ্জ পঞ্চায়েতের উপ সমিতি গঠনকে কেন্দ্র করে শাসক এবং বিরোধী দলের সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনায় তীব্র চাঞ্চলের সৃষ্টি হল। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা লাঠি, বাঁশ দিয়ে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের। পাশাপাশি এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী শিবির।

    গন্ডগোলের সূত্রপাত কীভাবে (Nadia)?

    জানা গেছে, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ২৫ টি আসন বিশিষ্ট কৃষ্ণগঞ্জ (Nadia)পঞ্চায়েতে ১৩ টি আসনে জয়লাভ করে পঞ্চায়েত বোর্ড দখল করে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি পায় ১২ টি আসন। এছাড়াও পঞ্চায়েত সমিতিতে তৃণমূল ও বিজেপি ১টি করে আসনে জয়লাভ করে। সেক্ষেত্রে তৃণমূলের আসন সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ১৪ টিতে। অভিযোগ, এদিন পঞ্চায়েতের উপ সমিতি গঠন করতে গিয়ে তৃণমূল সমর্থিত একজন জয়ী সদস্য বিজেপির সদস্যদের মধ্যে গিয়ে বসেন। তৃণমূলের ওই সদস্য বিজেপিকে সমর্থন করতেই উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বচসার সৃষ্টি হয়। ওই সদস্যার সার্টিফিকেট ও ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল সমর্থিত কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি তৃণমূল আশ্রিত কর্মী-সমর্থকদের বেধড়ক মারে গুরুতর জখম বেশ কয়েকজন বিজেপি সমর্থক বলে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে সরাসরি আঙুল তুলতে দেখা যায় বিরোধী শিবিরের নেতা-কর্মীদের। জখম ব্যক্তিদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় কৃষ্ণগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে।

    অভিযোগের জবাবে কী বলল তৃণমূল (Nadia)?

    যদিও ঘটনাটি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন তৃণমূল সমর্থিত পঞ্চায়েত প্রধান মদন ঘোষ। তিনি বলেন, পঞ্চায়েত উপ সমিতির (Nadia) ভোটাভুটি শুরু হলে উপস্থিত বিরোধী শিবিরের কর্মীরা তাদের এক সদস্যাকে হাত ধরে টেনে নিয়ে তাঁর ব্যালট পেপার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের মধ্যে বচসার সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই গ্রাম পঞ্চায়েতের বাইরে ধুন্ধুমার কাণ্ড। তার ফলেই বেশ কয়েক জন আহত হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Board: এবার গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে হাতছাড়া পঞ্চায়েত, তৃণমূলের সমর্থনেই বোর্ড দখল করল বিজেপি

    Panchayat Board: এবার গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে হাতছাড়া পঞ্চায়েত, তৃণমূলের সমর্থনেই বোর্ড দখল করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেই বোধহয় বলে, নিজের নাক কেটে পরের যাত্রাভঙ্গ! এখানে পর বলতে নিজেদেরই দল। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল যে কোন জায়গায় পৌঁছেছে, তার আরও একটি উদাহরণ সামনে এল। তৃণমূলকে হারাতে এতদিন বিরোধীদের একজোট হওয়ার চিত্র সামনে এসেছে। এবার বিজেপিকে সমর্থন করল তৃণমূল। আর তার জেরে বোর্ড হাতছাড়া হয়ে গেল শাসকদলের। তৃণমূল ও নির্দলের সমর্থনে পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন করল বিজেপি। বোর্ড গঠনের পরেই পঞ্চায়েতের গেটে বিজেপির দলীয় পতাকা লাগিয়ে উল্লাসে মাতোয়ারা কর্মী-সমর্থকরা।

    কীভাবে বোর্ড এল বিজেপির হাতে?

    জানা যায়, শান্তিপুর ব্লকের গয়েশপুর পঞ্চায়েতের আসন সংখ্যা মোট ২১ টি, যেখানে বিজেপি জয়লাভ করেছিল ১০টি আসনে। তৃণমূল জয়লাভ করেছিল ৯টি আসনে, একটি আসনে জয়লাভ করে সিপিএম। আর অন্য একটি আসনে জয়লাভ করে নির্দল। যদিও পরবর্তীতে সিপিএম প্রার্থী তৃণমূলে যোগদান করায় আরও একটি আসন বাড়ে তৃণমূলের। আজ গয়েশপুর পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন হয়। প্রথম থেকেই টানটান উত্তেজনার মধ্যে দিয়ে চলে বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া। তবে গোটা পঞ্চায়েত চত্বরে কড়া নজরদারি ছিল পুলিশের। জানা যায়, ওই পঞ্চায়েতের নবনির্বাচিত বিজেপির প্রধান হন গোপাল ঘোষ, আর তৃণমূলের উপপ্রধান হন শিপ্রা মণ্ডল। বোর্ড গঠনের পরে বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছেন, নির্দলের জয়ী প্রার্থী ও ওই অঞ্চলের তৃণমূলের ৭ নম্বর বুথের জয়ী প্রার্থীর সমর্থনে পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন করতে সক্ষম হয় তারা। বোর্ড গঠনের পরেই বিজেপির নবনির্বাচিত প্রধান গোপাল ঘোষকে সাথে নিয়ে উল্লাসে মেতে ওঠেন কর্মী-সমর্থকরা।

    ইতিহাস তৈরি হল, দাবি বিজেপির

    অন্যদিকে বিজেপি নেতৃত্ব এও জানিয়েছেন, শান্তিপুর গয়েশপুর পঞ্চায়েতে বিজেপি এবার ইতিহাস গড়ল। কারণ ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির তেমন প্রভাব না থাকলেও ২০২৩ এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ওই অঞ্চলে বিজেপির যথেষ্ট প্রভাব তৈরি হয়। আর মানুষ ঢেলে ভোট দেওয়াতে তারা পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন করতে পারে। তবে বিগত দিনে ওই পঞ্চায়েতে উন্নয়নমূলক কোনও কাজ হয়নি বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি নতুন করে বোর্ড গঠন করায় ওই পঞ্চায়েত এলাকায় কিভাবে আরও উন্নয়ন করা যায়, সেই লক্ষ্য থাকবে, এমনটাই জানিয়েছেন তাঁরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Board: প্রধান হয়েছেন শাশুড়ি, তৃণমূলের বিপক্ষ গোষ্ঠী তাণ্ডব চালালো জামাইয়ের বাড়িতে!

    Panchayat Board: প্রধান হয়েছেন শাশুড়ি, তৃণমূলের বিপক্ষ গোষ্ঠী তাণ্ডব চালালো জামাইয়ের বাড়িতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতের বোর্ড (Panchayat Board) গঠন হওয়ার পরেই নবনির্বাচিত প্রধানের জামাইয়ের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনায় আতঙ্কে গোটা এলাকা। পরিবারের অভিযোগ, তৃণমূলেরই অন্য এক গোষ্ঠী এই বোমাবাজির সঙ্গে জড়িত। ঘটনাটি শান্তিপুর ব্লকের বেলঘড়ি ১ নম্বর পঞ্চায়েতের ফুলিয়ার ফুলিয়া পাড়ার। নবনির্বাচিত প্রধানের জামাই মিঠুন বসাকের অভিযোগ, গতকাল ওই পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন হওয়ার পরে তাঁর শাশুড়ি বাসন্তী বসাক প্রধান নির্বাচিত হন। এর পরেই তাঁরা প্রত্যেকে বাড়ি চলে আসেন। অভিযোগ, গতকাল গভীর রাতে হঠাৎই তাঁদের বাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছেড়ে দুষ্কৃতীরা। এর পরে তারা বাড়িতে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। পরিবারের লোকজন বাইরে বেরিয়ে আসতেই ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। যদিও বেশ কয়েক ঘণ্টা বাদে বাড়ি লক্ষ্য করে শুরু হয় বোমাবাজি। সেখানেই শেষ নয়, পরপর দু থেকে তিনবার বাড়িতে বোমা মারার অভিযোগ ওঠে। বিকট শব্দে আবার বাইরে বেরিয়ে আসেন পরিবারের লোকজন। দেখেন, বোমা বিস্ফোরণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

    আতঙ্কে ঘুম নেই পরিবারের

    এর পরে শুরু হয় ব্যাপক আতঙ্ক। সারা রাত ঘুম নেই পরিবারের। গোটা এলাকায় আতঙ্কে সৃষ্টি হয়। খবর পেতেই ঘটনাস্থলে যায় শান্তিপুর থানার পুলিশ, তদন্ত শুরু করে। নবনির্বাচিত প্রধানের জামাই মিঠুন বসাকের এও অভিযোগ, তাঁর শাশুড়ি প্রধান (Panchayat Board) নির্বাচিত হলেও তাঁরা কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। কিন্তু তাঁদের বাড়িতে কেন এভাবে হামলা চালানো হল, পুলিশ এর পূর্ণ তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করুক। না হলে আগামী দিনে আরও বড় ঘটনা ঘটে যেতে পারে, আমরা নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি।

    মুর্শিদাবাদে জোট প্রার্থীর স্বামীকে কোপানোর অভিযোগ

    ঘটনার যেন শেষ নেই। পঞ্চায়েতে বোর্ড (Panchayat Board) গঠন হওয়ার পরে বাড়ি ফেরার সময় জোটের প্রার্থীর স্বামী সহ জোটের এক কর্মীকে রাস্তায় ফেলে ধারালো অস্ত্র  দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে, মুর্শিদাবাদে রানিনগর থানার বেণীপুর শিমুলতলা এলাকায়। জানা যায়, রানিনগর ২ নম্বর ব্লকের মালি বাড়ি দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট পঞ্চায়েত সদস্য ১৭ জন। তার মধ্যে ১০টিতে জয়ী হয় তৃণমূল। সাতটি আসনে জয়ী হয় বাম-কংগ্রেস জোট। ১০ জন নিয়ে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করে তৃণমূল কংগ্রেস। বোর্ড গঠন শেষে জোটের প্রার্থীরা বাড়ি ফেরার সময় এক মহিলা প্রার্থীর স্বামী সহ আরও এক জোটের কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়। এই ঘটনায় দুজন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে রানিনগর গোধনপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন চিকিৎসকরা। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। যদিও কংগ্রেসের তোলা অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রাজনগর থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তারা। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: গাজোলে জয়েন্ট বিডিও ঘেরাও, বিক্ষোভের মুখে বেধড়ক মার খেল পুলিশ

    Malda: গাজোলে জয়েন্ট বিডিও ঘেরাও, বিক্ষোভের মুখে বেধড়ক মার খেল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও উত্তেজনায় অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল মালদার (Malda) গাজোলের বাবুপুর অঞ্চল। ঘেরাওয়ের মুখে পড়লেন গাজল ব্লকের জয়েন্ট বিডিও। বিক্ষোভের মুখে পড়ে বেধড়ক মার খেল পুলিশও। জানা গেছে, মালদার গাজোলের বাবুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে বৃহস্পতিবার বোর্ড গঠনের কথা ছিল। ১২ আসন বিশিষ্ট বাবুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল পেয়েছে পাঁচটি আসন, সিপিএম তিনটি, কংগ্রেস দুটি এবং বিজেপি ও নির্দল একটি করে আসনে জয়লাভ করে। এরপর জোট বেঁধে বোর্ড গঠনের চেষ্টা শুরু করে বিরোধীরা। কিন্তু অভিযোগ, দিন কয়েক আগে হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যান সিপিএমের একজন জয়ী প্রার্থী। আদিবাসী অধ্যুষিত ওই পঞ্চায়েতে সিপিএম প্রার্থীকে সমর্থন করেছিল ঝাড়খণ্ড দিসম পার্টি। প্রার্থীকে অপহরণ করা হয়েছে বলে গাজোল থানাতে অভিযোগ দায়ের করা হয়। এমনকি থানা ঘেরাও করা হয়েছিল।যদিও প্রার্থীর দেখা মেলেনি।

    পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ থেকেই গন্ডগোল (Malda) 

    বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের আগে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সরব হয় বিরোধীরা। বোর্ড গঠনের আগেই উপস্থিত পুলিশ আধিকারিক ও পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বেধে যায় বিরোধী জোটের। আক্রমণ করা হয় পুলিশকে। বিক্ষুব্ধদের তাড়া খেয়ে এলাকা (Malda) ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয় পুলিশ। মারধর করা হয় বেশ কিছু পুলিশ কর্মীকেও। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছান গাজল ব্লকের জয়েন্ট বিডিও। তাঁকেও ঘেরাও করে রাখেন বিরোধী জোটের কর্মী-সমর্থকরা।

    হল না বোর্ড গঠন (Malda) 

    অন্যদিকে বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া আজ হওয়ার কথা থাকলেও পঞ্চায়েতে হাজির হননি বোর্ড গঠনের জন্য নিযুক্ত সরকারি কর্মীরা। এমনকি অনুপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের বিজয়ী প্রার্থীরাও। স্বভাবতই গোটা ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন ও পঞ্চায়েত কর্মীদের বিরুদ্ধে শাসক দলকে মদত করার অভিযোগ উঠেছে। এখনও পর্যন্ত ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড (Malda) গঠন প্রক্রিয়া স্থগিত রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Board: বোর্ড হাতছাড়া হচ্ছে দেখে এবার বিজেপির জয়ী প্রার্থীর শংসাপত্র ছিঁড়ে টপাটপ মুখে!

    Panchayat Board: বোর্ড হাতছাড়া হচ্ছে দেখে এবার বিজেপির জয়ী প্রার্থীর শংসাপত্র ছিঁড়ে টপাটপ মুখে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায় গণনা কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থীকে হারাতে ব্যালট খেয়ে নিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী মহাদেব মাটি। সিপিএম প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ মজুমদারের এমন অভিযোগে চক্ষু চড়ক গাছ হয়েছিল ভোটারদের। শেষে কিনা তাঁদের জনমত পেটে! এমন ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল গোটা রাজ্যে। এবার সেই অবাক করা ঘটনার পুনরাবৃত্তি উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে (Panchayat Board)৷ তৃণমূল সদস্যা এবার খেয়েছেন ঠিকই, কিন্তু ব্যালট নয়। তাঁর পেটে গেল বিজেপি প্রার্থীর জয়ের শংসাপত্র। আর এহেন ন্যক্কারজনক ঘটনায় তোলপাড় উত্তর দিনাজপুর জেলা৷

    কীভাবে ঘটল এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা (Panchayat Board)?

    জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জ ব্লকের ১৪ নং কমলাবাড়ি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতে পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বোর্ড গঠন (Panchayat Board) প্রক্রিয়া ছিল। ফলে সকাল থেকেই টান টান উত্তেজনার পরিবেশ ছিল। কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় শুরু হয় যাবতীয় প্রক্রিয়া। অথচ বেলা বাড়তেই আচমকা উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে৷ পঞ্চায়েত দফতরের ভিতরে যখন প্রধান নির্বাচনের জন্য ভোটাভুটি চলছিল, তখন হঠাৎ তৃণমূলের এক সদস্যা বিজেপির জয়ী সদস্যর শংসাপত্র হাত থেকে কেড়ে টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে টপাটপ মুখে পুড়ে নেন। যা দেখে হতভম্ব হয়ে যান সেখানে উপস্থিত অন্যান্য পঞ্চায়েত সদস্য ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা। এমন ঘটনা মনে করিয়ে দিল গত মাসে সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনের গণনা কেন্দ্রে ব্যালট খেয়ে নেওয়ার ঘটনা। উত্তর ২৪ পরগনার সেই ঘটনা নিয়ে রাজ্যবাসী নিন্দায় মুখর হয়। এবার সেই ছায়া উত্তর দিনাজপুরে পড়ল।

    কী জানালেন বিজেপির সদস্য, কী জবাব দিল তৃণমূল?

    বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য দুলাল সরকারের অভিযোগ, পঞ্চায়েতে প্রধান নির্বাচন (Panchayat Board) প্রক্রিয়া যখন শেষ পর্যায়ে, তখন তৃণমূল সদস্য সোনা টোপ্পা তাঁদের এক সদস্যর হাত থেকে শংসাপত্র ছিনিয়ে খেয়ে নেন। বোর্ড হাতছাড়া হতে দেখে এমনই পথ বেছে নেয় তৃণমূল, যাতে বিজেপি বোর্ড গঠন করতে না পারে৷ কিন্তু তৃণমূলের সেই অপচেষ্টা রুখে দিয়ে বিজেপি বোর্ড গঠন করতে পেরেছে। যদিও বিজেপির আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূলের সোনা টোপ্প৷ তাঁর দাবি, বিজেপি ভোটাভুটি করতে চাইছিল না। সে কারণে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে তাঁর বিরুদ্ধে৷

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share