Tag: West Bengal panchayat election

West Bengal panchayat election

  • Loksabha Election 2024: বঙ্গে পঞ্চম দফায় ৭৬২, ষষ্ঠ দফাতে ১০২০ কোম্পানি বাহিনী!

    Loksabha Election 2024: বঙ্গে পঞ্চম দফায় ৭৬২, ষষ্ঠ দফাতে ১০২০ কোম্পানি বাহিনী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চতুর্থ দফায় (Loksabha Election 2024) দক্ষিণবঙ্গে ভোট প্রবেশ করতেই বাড়ল অশান্তি। রক্তপাত, ভোটারদের আটকানো, এজেন্টকে মারধর সহ অতীতের ভোট রাজনীতির সমস্ত রকম বদ অভ্যাসের সাক্ষী হল বাংলা। প্রথম ৩ দফায় রক্তপাতহীন হলেও চতুর্থ দফা থেকে অশান্তি বৃদ্ধির আশঙ্কা করছে সব পক্ষ। এমতাবস্থায় পঞ্চম ও ষষ্ঠ দফায় বাহিনী বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। ষষ্ঠ দফায় তমলুক, কাঁথি, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, ঘাটাল, পুরুলিয়া, বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়ায় নির্বাচন হবে। জঙ্গলমহলের তিন কেন্দ্রেরই ভোট এই দফায়। ষষ্ঠ দফায় আট আসনে অশান্তি ঠেকাতে হাজার কোম্পানির বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চলেছে কমিশন।

     ২৫ মে-এর আগেই রাজ্যে আসবে ১০২০ কোম্পানি বাহিনী

    কমিশন সূত্রে খবর ২৫ মে-এর আগেই রাজ্যে চলে আসবে ১০২০ কোম্পানি বাহিনী। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে এলাকা ছেয়ে ফেলে অশান্তি ঠেকাতে চায় কমিশন। শুরুর দফাগুলিতে কম আসনে ভোট হয়েছে। এবং যথেষ্ট শান্তিপূর্ণভাবে (Loksabha Election 2024) ভোট হয়েছে। বেশি আসনে শান্তিপূর্ণ ভোট করতে বেশি বাহিনীতেই ভরসা রাখছে কমিশন। উল্লেখ্য, ১ হাজার বাহিনী এলে দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে বাহিনী মোতায়েনে অনেক রাজ্যকেই পিছনে ফেলে দেবে এ রাজ্য।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী সাম্প্রতিক হিংসা প্রসঙ্গে বলেন, “বাহিনী এলেই সব সোজা হয়ে যাবে। পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম দফায় তৃণমূলের কী হয় দেখতে থাকুন। শুধু ঠাকুরকে ডাকুন যেন ৮০ শতাংশের উপর পোল হয়। হীরকরাণী বাই বাই হয়ে যাবে। ৪ তারিখের পরে দেখবেন অনেক কিছু হচ্ছে। একটাও ভোট ভালভাবে করতে চায় না। মানুষকে ভোট দিতে দেয় না। ।”

    আরও পড়ুন: অর্জুন গড়ে বিজেপি কর্মীকে রাস্তায় ফেলে পেটালেন তৃণমূল কাউন্সিলর

    ঝাড়গ্রামে প্রতি বুথে থাকবেন আট জন জওয়ান

    প্রসঙ্গত পঞ্চম দফা থেকেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধি করছে নির্বাচন কমিশন। তেলেঙ্গানা অন্ধ্রপ্রদেশের (Loksabha Election 2024) ভোট মিটে যাওয়ায় বাহিনী মোতায়েনে সমস্যা হবে না কমিশনের। শেষ দু’দফায় কমিশনের প্রস্তাবিত বাহিনীর থেকেও অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হবে রাজ্যে। প্রাথমিক ভাবে কমিশনে রাজ্যের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিল মোট ৯২০ কোম্পানি বাহিনী ব্যবহার করা হবে। ষষ্ঠ দফা থেকে তা-ও ছাপিয়ে যাচ্ছে। সপ্তম দফায় আরও বৃদ্ধি করা হবে বাহিনী। ঝাড়গ্রামে থাকছে বিশেষ নজর। সেখানে প্রতি বুথে থাকবেন আট জন করে জওয়ান। ষষ্ঠ দফায় ১,০২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। সপ্তম দফায় সেই সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে চলেছে। এখনও পর্যন্ত ২০২১ সালের করোনা কালে বিধানসভা ভোটে রাজ্যে সব থেকে বেশি বাহিনী ব্যবহার করেছিল কমিশন। তখন আট দফায় ভোট হয়েছিল। মোট ১,০৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই সংখ্যা এবার সপ্তম দফায় ছাড়িয়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ভোট লুঠ চলবে না, লাঠির জবাব লাঠিতে দিন! তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ভোট লুঠ চলবে না, লাঠির জবাব লাঠিতে দিন! তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানুষের ভোট মানুষ দেবে। ভোট লুঠ চলবে না। ভোট লুঠ করতে চাইলে তাদের সর্বস্ব লুঠ করা হবে, হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (BJP State President Sukanta Majumdar)। রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন। ভোটের তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রস্তুতি নিচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। চড়ছে কথার পারদও। এই আবহেই  ভোট-লুঠের অভিযোগ তুলে সরব হলেন সুকান্ত মজুমদার। রামপুরহাটের (Rampurhat) জনসভায় তিনি বলেন,  ‘‘কথার জবাব কথায় দিন, আর লাঠির জবাব লাঠিতে দিন। যদি দুধ দেয়, ভাল করে কিসমিস দিয়ে পায়েস বানিয়ে খাইয়ে দিন। আর ভোট লুঠ করতে যদি আসে, তার সবকিছু লুঠ করে বাড়িতে পাঠিয়ে দিন।’’

    আরও পড়ুন: নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে চার্জশিট সিবিআইয়ের! জানেন তালিকায় রয়েছেন কারা?

    রাজ্যে আগামী নির্বাচনে যে বদল আসতে পারে তা এদিনের জনসভা থেকে স্পষ্ট। আগে তৃণমূলের অনুব্রত মণ্ডলের গড় বলে পরিচিত ছিল বীরভূম। কিন্তু বছর ঘুরলেই পঞ্চায়েত ভোট। এখনও তিনি জেলে বন্দি। এবার তাঁর মাটিতে দাঁড়িয়েই হুঙ্কার শোনা গেল বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যে। বুধবারে প্রকাশ্য সমাবেশে বক্তব্য রাখার সময় রাজ্যে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘‘মনে রাখবেন ভয় মানে হচ্ছে মৃত্যু, ভয় পাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। আমরা শুধু ভারতবর্ষের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল নয়,পৃথিবীর সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, তাই আর আমরা তৃণমূলের মতো চোরেদের দলের লোকদের ভয় পাব না,ওই দিন চলে গিয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া বাংলায় ভোট হওয়াই উচিত নয়! পঞ্চায়েত নির্বাচনে এক সুর সুকান্ত-শুভেন্দুর

    গত পঞ্চায়েত ভোটে বীরভূম কার্যত বিরোধী শূন্য ছিল। এবার তৃণমূলের দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসায় জেলে অনুব্রত মণ্ডল-সহ একাধিক নেতা। এর কী প্রভাব পঞ্চায়েত ভোটে পড়ে তা সময় বলবে। কিন্তু রাজ্যে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোট করাতে তৎপর বিজেপি। ভোট লুঠ ও সন্ত্রাস রুখতে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিও তুলেছে পদ্ম শিবির।  

  • WBSEDCL: পঞ্চায়েতের বকেয়া ৪০৮ কোটি উদ্ধার না হলে বিদ্যুৎ দফতরের বরাদ্দ বন্ধ করে দেবে কেন্দ্র

    WBSEDCL: পঞ্চায়েতের বকেয়া ৪০৮ কোটি উদ্ধার না হলে বিদ্যুৎ দফতরের বরাদ্দ বন্ধ করে দেবে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ঢালাও বিদ্যুৎ পুড়ছে কিন্তু তার বিল মেটাচ্ছে না রাজ্য সরকারের (West Bengal Government) অধীনে থাকা সংস্থাগুলি। পঞ্চায়েত দফতরেই বকেয়া ৪০৮ কোটি টাকা। এই টাকা উদ্ধার না হলে কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Government) আর কোনও অনুদান বা ঋণ দেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। বাধ্য হয়ে বিদ্যুৎ দফতর পঞ্চায়েত দফতরের কাছে বকেয়া টাকা এখনই মিটিয়ে দিতে বলেছে। না মেটালে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা (WBSEDCL) চালানো যে মুশকিলের হয়ে দাঁড়াবে সে কথাও অকপট জানিয়ে দিয়েছেন বণ্টন সংস্থার শীর্ষ কর্তা। বিদ্যুৎ দফতরের চিঠি মাথায় হাত পঞ্চায়েত দফতরের। একে তো ১০০ দিনের টাকা, আবাস যোজনা, সড়ক যোজনার টাকা বন্ধ। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো রাজ্য সরকারেরই অপর দফতর ৪০৮ কোটি টাকা চেয়ে তাগাদা দেওয়ায় মহা ফাঁপড়ে পড়েছে সরকার। টাকা না মেটালে যদি পঞ্চায়েত ভোটের আগে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি দেখা যায়, তা হলে বিপদ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পঞ্চায়েত কর্তারা।

    আরও পড়ুন: পুজোর মাসে বেতন দিতে ৪৫০০ কোটি ধার করছে রাজ্য, খরা কোষাগারে

    পঞ্চায়েত দফতর সূত্রের খবর, রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার চেয়ারম্যান কাম ম্যানেজিং ডিরেক্টর শান্তনু বসু গত ১২ সেপ্টেম্বর পঞ্চায়েত সচিব পি উলগনাথনকে লিখেছেন, পঞ্চায়েত দফতরের কাছে বণ্টন সংস্থার ৪০৮ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। এই টাকা অবিলম্বে মেটাতে হবে। কারণ, কেন্দ্রীয় সরকার তাদের অনুদান এবং ঋণ দেওয়ার জন্য অধীনস্ত সংস্থার বকেয়া আদায়ের শর্ত দিয়েছে। তাছাড়া বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার আর্থিক ভার কমাতে ও গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক রাখতে বকেয়া টাকা পাওয়া জরুরি। বিদ্যুৎ দফতরের চিঠি পেয়ে পঞ্চায়েত দফতর করণীয় ঠিক করতে পারছে না। কারণ, বকেয়া মেটানোর ৪০৮ কোটি টাকা তাদের হাতে নেই, না মেটালে পঞ্চায়েত ভোটের আগে গ্রামে লোডশেডিং শুরু হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

    বিদ্যুৎ দফতরের হিসাব অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি বকেয়া রয়েছে বাঁকুড়া, বীরভূম, বর্ধমান সদর, হুগলি, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ জেলায়। এই সব জেলায় গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি বা জেলা পরিষদগুলি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুতের বকেয়া বিল মেটায়নি। এবার পঞ্চায়েত ভোটের আগে তাই খেসারতও বেশি দিতে হবে।

    বিদ্যুৎ দফতরের দাবি, আর্থিক সংকটে ভুগছে সংস্থা। এর মধ্যেই হাইকোর্টের রায় মেনে ডিএ মেটাতে হয়েছে কর্মীদের। আর্থিক সংস্থাগুলিও ঋণ দিতে চাইছে না। এমন অবস্থায় একমাত্র ভরসা কেন্দ্রের অনুদান। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন সংস্থার থেকে বকেয়া আদায় করে আর্থিক ভিততি মজবুত করলে তবেই কেন্দ্রীয় সাহায্য মিলবে। এমন অবস্থায় রাজ্যের দুই দফতর নিজেরাই আকচাআকচিতে জড়িয়েছে। এমনকী গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক রাখতে হলে টাকা মেটাতে হবে এমন হুমকিও দিয়েছে বিদ্যুৎ দফতর (West Bengal State Electricity Department)।

      

LinkedIn
Share