Tag: west bengal panchayat polls

west bengal panchayat polls

  • Uttar Dinajpur: জোড়া খুনের ঘটনায় উধাও সিসিটিভি ফুটেজ! পুলিশকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Uttar Dinajpur: জোড়া খুনের ঘটনায় উধাও সিসিটিভি ফুটেজ! পুলিশকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উধাও হয়ে গিয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ! পুলিশের ভূমিকায় অত্যন্ত বিরক্ত প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট। পঞ্চায়েত ভোট কেন্দ্রের বুথে লাগানো হয়েছিল সিসিটিভি। নজরদারিতে হয়েছে ভোট গ্রহণ পর্ব। উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে (Uttar Dinajpur) ভোটের দিনেই খুন হয়েছিলেন দুই রাজনৈতিক কর্মী। আজ সোমবারে হাইকোর্টে এই জোড়া খুনের মামলায় আদতে সিসিটিভির ফুটেজ দিতে ব্যর্থ হয় পুলিশ। এর ফলেই পুলিশকে আদলাতের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হল। উল্লেখ্য, রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের সময় মনোনয়ন থেকে ভোটদান এবং ফলাফলের পর ভোট পরবর্তী হিংসায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে ছিল। পরবর্তী সময়ে বেশ কিছু খুন, হত্যা এবং ভোট লুটের মামলা হাইকোর্টে গেছে বলে জানা গিয়েছে।

    ঘটনা কী ঘটেছে (Uttar Dinajpur)?

    আদলাত সূত্রে জানা গিয়েছে, ইসলামপুরের (Uttar Dinajpur) জগির বস্তিতে ভোটের দিন খুন হয়েছিল দুই ভাই। একজন ছিলেন জমির উদ্দিন তৃণমূল কর্মী এবং অপর আরেক জন ছিলেন সামসুর হক কংগ্রেস সমর্থক। ভোটের দিনে বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় তাঁদের। এই খুনের ঘটনায় আদালতে পুলিশ জানিয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ হারিয়ে গিয়েছে। অথচ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে পুলিশের তদন্ত করার নির্দেশ ছিল। পুলিশ নামে মাত্র তদন্ত করেছে। ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করার কথা বললেও পুলিশ তা করতে পারেনি। আদলাতের বক্তব্য ঠিক এমনটাই। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আদালত মামলায় গোপন জবানবন্দী নেওয়ার কথা বললেও খুনে যারা অভিযুক্ত তাদেরকেই সাক্ষী করেছে পুলিশ। রাজনীতির একাংশের মানুষের বক্তব্য পুলিশ দুষ্কৃতীদের হয়ে কাজ করছে।

    আদলাত কী বলেছে?

    ইসলামপুরের গোয়ালপুকুরের (Uttar Dinajpur) নির্বাচনের দিনে খুনের ঘটনায় পুলিশকে তীব্র সমালোচনা করে হাইকোর্টের বিচারপতি বলেন, “ভোটের দিনে দুই ভাইয়ের খুন হতে হয়েছিল। আর পুলিশ বলছেন দুই পক্ষের মধ্যে গোলমালে মারা গিয়েছেন! পুলিশের ভূমিকা নিয়ে আর কিছু বলার নেই।” বিচারপতি আরও জিজ্ঞেস করেন, “গোপন জবানবন্দী নেওয়া হয়েছে কিনা?” উত্তরে উকিল বলেন বয়ান নেওয়া হয়েছে। কিন্তু পালটা বিচারপতি বলেন, “মৃত পরিবারের বক্তব্যকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য কাজ করছে পুলিশ। পুলিশ নিজের ইচ্ছেতে গল্প সাজিয়েছেন।” বর্তমানে পুলিশ সুপারকে তদন্তের ভার দিলেও সিসিটিভি ফুটেজ আদৌ উদ্ধার হবে কিনা তা এখনও সংশয়ের বিষয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bengal Bomb Blasts: বারুদের স্তূপে বাংলা! সাম্প্রতিক অতীতে রাজ্যে কবে কোথায় বিস্ফোরণ?

    Bengal Bomb Blasts: বারুদের স্তূপে বাংলা! সাম্প্রতিক অতীতে রাজ্যে কবে কোথায় বিস্ফোরণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরা বিস্ফোরণকাণ্ড (Bengal Bomb Blasts) নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট শিয়রে। তার আগে তৃণমূল পরিচালিত সরকার দুর্নীতির বোঝা সামাল দিতেই হিমসিম খাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এগরা বিস্ফোরণের ঘটনা বিরোধী শিবিরের হাতে নতুন অস্ত্র তুলে দিয়েছে।

    বিরোধীদের দাবিই সত্যি!

    দীর্ঘদিন ধরেই প্রধান বিরোধী দল বিজেপি দাবি করে আসছে, তৃণমূল সরকারের বদান্যতায় বোমা তৈরিই এখন এই রাজ্যের প্রধান শিল্পে পরিণত হয়েছে। তাদের দাবি যে অমূলক নয়, তা দেখিয়ে দিয়েছে এগরাকাণ্ড। প্রশাসন যতই একে বাজি কারখানার বিস্ফোরণ (Bengal Bomb Blasts) বলে চালানোর চেষ্টা করুক না কেন, সেখানে যে বোমা তৈরিই হত, তা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছে নিহতদের পরিবারও। পুলিশ উঠেপড়ে লেগেছিল বিষয়টাকে খাটো করে দেখানোর জন্য। যে কারণে মামলা রুজুর সময় বাদ দেওয়া হয়েছিল বিস্ফোরক আইনের ধারা। কিন্তু, তাতেও শেষরক্ষা হয়নি। এই মামলায় বিস্ফোরক ধারা জুড়তে বৃহস্পতিবারই পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

    রক্তে বারবার ভিজেছে বাংলার মাটি

    এগরায় এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে ৯ জনের মৃত্যুর খবর ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও বিরোধীদের দাবি, মৃতের সংখ্যা ২০ ছাড়িয়েছে। তবে, এগরা প্রথম নয়। এর আগেও গত এক বছরে বার বার বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠেছে বাংলা। রাজ্যবাসীর রক্তে ভিজেছে বাংলার মাটি। বারুদের গন্ধে ভরে উঠেছে বাংলার বাতাস। এর আগেও বিস্ফোরণে খালি হয়েছে অনেক মায়ের কোল। মুছেছে অনেক সিঁথির সিঁদুর। কেউ কেউ যেমন মাতৃহারা-পিতৃহারা-ভ্রাতৃহারা হয়েছেন, কেউ আবার সন্তান হারানোর শোক বুকে বয়ে বেড়াচ্ছেন। বাদ যায়নি শিশুরাও। বল ভেবে খেলতে খেলতে বোমা ফেটে শিশু মৃত্যু ও ঘায়েল হওয়ার ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন রাজ্যবাসী। তবে, এত কিছুর পরও থামেনি বিস্ফোরণের (Bengal Bomb Blasts) আওয়াজ। রাজ্যের একের পর প্রান্ত থেকে ভেসে আসছে বোমা ফাটার আওয়াজ। সর্বশেষ ঘটনা এগরা। হয়তো এটাই শেষ নয়।

    আরও পড়ুন: এগরা বিস্ফোরণকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত ভানুসহ গ্রেফতার ৩, কোথা থেকে জানেন?

    রাজ্যের বিস্ফোরণ-পঞ্জী

    এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক রাজ্যে ঘটে যাওয়া বিগত কয়েকটি বোমা বিস্ফোরণের (Bengal Bomb Blasts) খতিয়ান—

    ১০ এপ্রিল ২০২৩—ইসলামপুর থানা এলাকার বানিয়া গ্রামে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সফিজুল হক নামের একজনের বাড়িতে বোমা তৈরির কাজ চলছিল। সেখানেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে খবর। আর তাতে সফিজুলের দু’টি হাতই উড়ে যায়।

    ১ এপ্রিল ২০২৩—খোদ বিকাশ ভবনের সরকারি ২ জন কর্মচারী ধরা পড়ে এনআইএ-র হাতে। একজন আবার তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী, পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। অভিযোগ, বিস্ফোরক পাচার করতেন তাঁরা। সূত্রের খবর, প্রভাবশালীদের সাহায্যেই দিনের পর দিন প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক সরবরাহ করে গেছেন এই ২ জন। পুলিশের সাহায্যেও এই কাজ চলত কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, এনআইএ গ্রেফতারি এড়াতে বিকাশ ভাবনে সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন মীর মহম্মদ নুরুজ্জুমান। ন্যাশনাল ইনফরমেশন সেন্টার (NIC) বা জাতীয় তথ্যকেন্দ্রের প্রজেক্টে কাজ করছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, ৮১ হাজার জিলেটিন স্টিক আর ২৭ হাজার কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সাপ্লাই করেছিলেন এই দুজন। এত পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধারের পরও কেন এঁরা ধরা পড়েননি, উত্তর খুঁজছে এনআইএ। 

    ২০ মার্চ ২০২৩—মহেশতলায় পুটখালি মণ্ডলপাড়ায় বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৩ জনের মৃত্যু হয়। বিস্ফোরণে বাজি কারখানার মালিকের স্ত্রী-পুত্র, প্রতিবেশী কিশোরীর মৃত্যু হয়। নোদাখালি, পাঁশকুড়ার পরে ফের এই বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ। 

    ১০ মার্চ ২০২৩— মুর্শিদাবাদ জেলার নওদা থানার মধুপুর মাঠপাড়া গ্রামে বোমা বিস্ফোরণ হয়ে প্রাণ হারান একজন। গুরুতর আহত হন আরও তিনজন। বোমা বাঁধার সময় তা ফেটে যেতেই বিকট শব্দ হয়। তখনই সবাই ছিটকে পড়ে যায়।

    আরও পড়ুন: বাজির আড়ালে চলত বোমা তৈরিরই কারবার! বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নিহতের পরিবারের সদস্য

    ৪ মার্চ ২০২৩— পাড়ুইয়ের তৃণমূল নেতার বাড়িতে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে তার আওয়াজ বহু দূর থেকে শোনা যায়।

    ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩— বোমার আঘাতে জখম হন মাড়গ্রাম ১ তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ভুট্টো শেখের ভাই লাল্টু শেখ ও তাঁর বন্ধু নিউটন শেখ।

    ৬ ডিসেম্বর ২০২২— বসিরহাটে বিস্ফোরণে জখম এক নাবালক সহ ২। বসিরহাটের রামনগরে রান্নাঘরে বিস্ফোরণ হয়। গুরুতর আহত হয় নাবালক। আহত হন এক গৃহবধূও। 

    ১৭ নভেম্বর ২০২২— উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁয় তৃণমূল নেতার বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ। মৃত এক ৯ বছরের নাবালিকা। মৃতের নাম সোহানা খাতুন ওরফে ঝুমা। সে সম্পর্কে তৃণমূল নেতার ভাগ্নি। বুধবার সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ থানার চাঁপালি পঞ্চায়েতের গাইন পাড়ায় তৃণমূল নেতা আবুল হোসেন গাইনের বাড়িতে বিস্ফোরণ হয়।

    ১১ অক্টোবর ২০২২— পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার সাধুয়াপোতা গ্রামে বাজি বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে প্রাণ যায় দুজনের। মৃতদের মধ্যে এক স্কুল ছাত্রও ছিল।  গ্রামের শ্রীকান্ত ভক্ত নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে বেআইনি ভাবে বাজি তৈরি হচ্ছিল।  বিস্ফোরণের জেরে ভেঙে পড়ে বাড়ির একাংশ। অভিযোগ, সেখানে বোমা জাতীয় বাজিও তৈরি করা হত৷

    ২৯ জুন ২০২২— ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরের ভীমগড় ব্রিজের কাছে। এলাকার পুরনো শ্মশানঘাটের কাছে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের জেরে ভেঙে পড়ে রাস্তার ধারে থাকা একটি বাড়িও। পাণ্ডবেশ্বরের পুরনো শ্মশানঘাটের কাছে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হয়। সেই শব্দে চারদিক কেঁপে ওঠে। ব্রিজ লাগোয়া একটি জায়গায় পরিত্যক্ত ঘরের মধ্যে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে।

    আরও বিস্ফোরণ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গায়

    এছাড়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে একটি বালতি থেকে শ’খানেক বোমা মেলে। বীরভূমের মাড়গ্রাম, লাভপুর, দুবরাজপুর, মল্লারপুর থেকে চারদিনে পাওয়া গিয়েছে ৪০০-র বেশি তাজা বোমা, ৩০ কেজির বেশি বোমার মশলা। মুর্শিদাবাদে গুলি, আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা উদ্ধার হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট ও বর্ধমানের খাগড়াগড় মোড় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে একটি বাড়িতে জোরালো বিস্ফোরণ (Bengal Bomb Blasts) হয়। তাতে আহত একজনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি বারুইপুর, ক্যানিং থেকেও তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। এইসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই বিরোধীরা বলছে, বাংলা রয়েছে বারুদের স্তূপের উপর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কে? নবান্নর কাছে তৃতীয় নাম চাইলেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কে? নবান্নর কাছে তৃতীয় নাম চাইলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে সৌরভ দাসের মেয়াদ শেষ হয়েছে রবিবার। তার পর ৪৮-ঘণ্টা কেটে গেলেও সেই জায়গায় কে বসবেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা অব্যাহত মঙ্গলবারেও। রাজ্যের পাঠানো দুটি নামের সুপারিশই খারিজ করে দিয়েছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। সূত্রের খবর, তৃতীয় নাম চেয়ে পাঠানো হয়েছে রাজভবনের তরফে।

    তৃতীয় নাম চেয়ে পাঠালেন রাজ্যপাল

    সূত্রের খবর, রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহাকে বসানোর পরিকল্পনা করেছিল নবান্ন। এই মর্মে ফাইল পাঠানো হয় রাজভবনে। কিন্তু, রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) প্রশ্ন করেন, কেন একজনের নাম পাঠানো হয়েছে? এর পর তড়িঘড়ি আরও একটি নাম পাঠায় রাজ্য সরকার। গত শুক্রবার রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এই পদের জন্য উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত মুখ্যসচিব অজিতরঞ্জন বর্ধনের নাম পাঠান রাজভবনে। 

    আরও পড়ুন: রাজ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়ে নবান্নের সঙ্গে সংঘাত, ফাইল ফেরত পাঠালেন রাজ্যপাল

    তার পরও সম্মতি মেলেনি। সূত্রের খবর, দু’জনের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে নারাজ রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। তার ওপর দুটি নাম নিয়েই আপত্তি রয়েছে রাজভবনের। ফলে, রাজভবনের তরফে সোমবার, অর্থাৎ গতকাল তৃতীয় বিকল্প নাম চেয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যপালের এই নির্দেশে মহা ফাঁপড়ে পড়েছে নবান্ন। কারণ, তৃতীয় প্রার্থী হিসেবে কার নাম পাঠানো হবে, তা বাছতেই হিমশিম অবস্থা রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের। 

    পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা

    তার ওপর, রাজভবন সূত্রে খবর, আজ, মঙ্গলবার গোয়া যাওয়ার কথা রাজ্যপালের (CV Ananda Bose)। ২ জুন তাঁর কলকাতায় ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে, তার আগে যে কিছু হচ্ছে না, তা এক প্রকার প্রায় নিশ্চিত এদিকে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ খালি থাকায় আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়েও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। কারণ, এই কমিশন হল এক সদস্যের কমিশন। তাই নির্বাচন কমিশনারের পদটি শূন্য থাকলে পঞ্চায়েত ভোট করা সম্ভব নয়। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ কবে ঘোষণা হবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ফলে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগকে ঘিরে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত আরও বৃদ্ধি পেল বলেই মনে করছে তথ্যাভিজ্ঞ মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duare Sarkar: দুয়ারে সরকার নিয়ে কী খবর প্রকাশ পাচ্ছে, নজর রাখার নির্দেশ নবান্নর, কিন্তু কেন?

    Duare Sarkar: দুয়ারে সরকার নিয়ে কী খবর প্রকাশ পাচ্ছে, নজর রাখার নির্দেশ নবান্নর, কিন্তু কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে সরকার শিবির (Duare Sarkar) সংক্রান্ত যা যা খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে, তার ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখতে চলেছে নবান্ন। এই মর্মে জেলাস্তর থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের শীর্ষ স্তরের তরফে।  

    মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘দুয়ারে সরকার’ শিবির। শিয়রে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাকে মাথায় রেখে জনসংযোগ বৃদ্ধিতে ফের কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। বলা বাহুল্য, পঞ্চায়েত ভোটের জন্য এবারের ফোকাস গ্রাম-বাংলা। আর তাই, এবারের দুয়ার সরকার শিবিরকে বাড়তি গুরুত্ব দিতে চাইছে রাজ্যের শাসক শিবির। সম্প্রতি নবান্ন থেকে জারি করা হয়েছে দুয়ারে সরকার সংক্রান্ত একটি আন্তঃবিভাগীয় নির্দেশিকা। প্রশাসনের কোন পর্যায়ে কী কী দায়িত্ব পালন করতে হবে, তাতে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানেই বলা হয়েছে— দুয়ারে সরকার শিবির সংক্রান্ত বৈদ্যুতিন মাধ্যমে প্রকাশত হওয়া যাবতীয় খবর ‘ট্র্যাক’ করতে হবে। প্রয়োজনে কন্ট্রোল রুম চালু করতে হবে। 

    নির্দেশিকা অনুযায়ী, মিডিয়া কভারেজের ওপর নজরদারি করতে হবে। কী খবর প্রকাশ পাচ্ছে, তা খেয়াল রাখতে হবে। এর জন্য জেলা স্তরে জেলাশাসক এবং রাজ্যস্তরে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের কাছে যাবতীয় তথ্য পাঠাতে হবে। নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে দেওয়া রয়েছে যে, জেলাস্তরে কার হাতে থাকবে গোটা নিয়ন্ত্রণ। ঠিক একইভাবে, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরেও একজন শীর্ষ আধিকারিক থাকবেন, যিনি জেলাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রাখবেন।

    আরও পড়ুন: আধার, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট না থাকলেও গৃহীত হবে ‘দুয়ারে সরকার’ আবেদনপত্র! প্রশাসনিক নির্দেশ কী ইঙ্গিত দিচ্ছে?

    প্রশাসনিক এই নির্দেশ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে স্বভাবতই শুরু হয়ে গিয়েছে তীব্র জল্পনা। বিরোধীদের কটাক্ষ, রাজ্যবাসীর চোখে সরকারের ভাবমূর্তি যে একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে, তা শাসক শিবির থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কর্তারা সকলেই টের পেয়েছেন। এখন শিয়রে পঞ্চায়েত ভোট। তার আগে, ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে তৎপর হয়ে উঠেছেন তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। তাই, সংবাদমাধ্যমের ওপর নজরদারি চালানোর উদ্দেশ্য হল- যাতে কোথাও কোনও নেতিবাচক খবর ছাপা বা প্রকাশ পাচ্ছে, তা নজরে রাখা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Duare Sarkar: ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরেও চলতে পারে তৃণমূলের কাটমানি, সিন্ডিকেট-রাজ! আশঙ্কা খোদ রাজ্য প্রশাসনের

    Duare Sarkar: ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরেও চলতে পারে তৃণমূলের কাটমানি, সিন্ডিকেট-রাজ! আশঙ্কা খোদ রাজ্য প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দল পরিচালিত ‘দুর্নীতি’ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছে সেই রাজ্যেরই ক্ষমতাসীন সরকার (TMC Government)। আবাক মনে হলেও, এটা বাস্তব। এমনই নিদর্শন দেখা গিয়েছে নবান্ন (Nabanna) থেকে প্রকাশিত ‘দুয়ারে সরকার’ (Duare Sarkar) বিজ্ঞপ্তিতে। 

    শিয়রে পঞ্চায়েত নির্বাচন (West Bengal Panchayat Polls)। তাকে মাথায় রেখেই ফের কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। নতুন উদ্যমে পুনরায় শুরু হচ্ছে ‘দুয়ারে সরকার’ (Duare Sarkar) প্রকল্প। মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে রাজ্যে দুয়ারে সরকার। বলা বাহুল্য, এবারের ফোকাস গ্রাম-বাংলা। আর সেই নিয়ে সম্প্রতি নবান্ন থেকে জারি করা হয়েছে নির্দেশিকা। তাতে, কী কী করতে হবে, কী কী করণীয়, তা উল্লেখ করা হয়েছে। আর এই নির্দেশিকার একটি অংশ নিয়েই যাবতীয় জল্পনা শুরু হয়েছে। 

    নির্দেশিকায় যা বলা হয়েছে, তার সারমর্ম হল— রাজ্যের শাসক দলের একাধিক নেতা-কর্মীরা যে দুর্নীতি, সিন্ডিকেট-রাজ ও কাটমানি তোলায় যে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে, তা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছে রাজ্য প্রশাসনও। সেই নিয়ে একটি সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে নির্দেশিকায়।

    নির্দেশিকার একটি অংশে বলা হয়েছে, ‘দুয়ারে সরকার’ (Duare Sarkar) শিবিরে যদি কোনও (শাসক দলের) টাউট পরিষেবার নাম করে টাকা দাবি (তোলা) করে, তাহলে অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে স্থানীয় প্রশাসন। পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সর্বস্তরের আধিকারিকরা নিশ্চিত করবেন যাতে শিবিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় থাকে। পাশাপাশি, নির্দেশিকায় এ-ও বলা হয়েছে, যে কোনওমতে গুচ্ছাকারে জমা করা আবেদনপত্র (Bulk Application) গ্রহণ করা হবে না।

    বিরোধীদের কটাক্ষ, দুর্নীতি যে দলের মজ্জায় মজ্জায় ঢুকে গিয়েছে, তা বুঝে গিয়েছেন শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই নির্দেশিকা থেকেই তা পরিষ্কার। সাম্প্রতিককালে, এই রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দলের একাধিক হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রী জেলে বন্দি। নিত্যদিন এক-একটি নতুন দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হচ্ছে। বিরোধীদের কটাক্ষ, এখন পঞ্চায়েত ভোটের আগে, নিজেদের মুখ রক্ষা করার একটি শেষ মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তৃণমূল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share