Tag: West Bengal police

West Bengal police

  • RG Kar: আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদ, পথে নামছেন প্রাক্তন পুলিশকর্মীরা, সন্ধ্যায় হাওড়ায় মিছিল

    RG Kar: আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদ, পথে নামছেন প্রাক্তন পুলিশকর্মীরা, সন্ধ্যায় হাওড়ায় মিছিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar) প্রতিবাদে এবার পথে নামছেন রাজ্যের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীরা। শুধু তাই নয়, তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও পা মেলাবেন এই মিছিলে। জানা গিয়েছে, আজ রবিবার অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীদের এই মৌন মিছিল অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, কোনওরকম স্লোগান ব্যবহার করা হবে না এই মিছিলে। তাঁদের গলায় ঝোলানো থাকবে শুধু মাত্র প্লাকার্ড এবং সেখানে লেখা থাকবে, ‘আরজি করের ঘটনার দ্রুত বিচার চাই’, ‘সমাজবন্ধু পুলিশবাহিনী গড়ে তুলুন’।

    শিবপুরের কাজিপাড়া থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত মিছিল (RG Kar)

    অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীদের এই মিছিলের (RG Kar) যাঁরা উদ্যোগ নিয়েছেন, তাঁদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রবিবার শিবপুরের কাজিপাড়া থেকে হাওড়া ময়দান (Howrah) পর্যন্ত মিছিল হবে। তাতে যোগ দেবেন প্রাক্তন পুলিশকর্মীরা এবং মূল দাবি থাকবে আরজিকর কাণ্ডের খুব দ্রুত বিচার। জানা গিয়েছে, হাওড়ার (Howrah) পুলিশ কমিশনার প্রবীণ ত্রিপাঠিকে ইতিমধ্যেই তাঁরা ইমেইল করে নিজেদের কর্মসূচির কথা বিস্তারিতভাবে জানিয়েছেন। অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীরা জানিয়েছেন, শনিবার রাত পর্যন্ত ইমেইলের কোনও উত্তর পুলিশ কমিশনার দেননি। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, ধরেই নেওয়া হচ্ছে পুলিশের কোনও আপত্তি থাকবে না।

    প্রথমবারের জন্য অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্মীদের পথে নামতে দেখা যাবে

    নিজেদের কর্মসূচিতে তাঁরা (RG Kar) আইনজীবী- চিকিৎসক-অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যেও বেশ কয়েকজনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তবে কোন কোন মুখকে ঠিক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীদের মিছিলে দেখা যাবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে পথে দেখা গেলেও, এই প্রথমবারের জন্য অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীদের পথে নামতে দেখা যাবে। শুধু তাই নয়, এই মিছিলে সামিল হবেন তাঁদের পরিবারও। প্রসঙ্গত আরজি করের (RG Kar) ঘটনার প্রায় ৫০ দিনেরও বেশি পার। এরই মধ্যে দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও দেখা গিয়েছে প্রতিবাদের আঁচ। আরজি করের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকাও বার বার প্রশ্নের মুখে পড়েছে! গ্রেফতার হয়েছেন টালা থানার প্রাক্তন ওসি। দেশের শীর্ষ আদালতও পুলিশকে কাঠগড়ায় তুলেছে। লাগাতার আন্দোলনের চাপে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাতে বাধ্য হয়েছেন বিনীত গোয়েলকে। এই আবহে আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে প্রাক্তন পুলিশ কর্মীদের এই মিছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: গণনা কেন্দ্রে কেন সাদা পোশাকের পুলিশ থাকবে? ‘গোপন’ তথ্য ফাঁস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: গণনা কেন্দ্রে কেন সাদা পোশাকের পুলিশ থাকবে? ‘গোপন’ তথ্য ফাঁস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝের একটা দিন! তারপরেই দেশের অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হবে। ভোট গণনার কেন্দ্রগুলিতে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে বলেই জানা গিয়েছে। স্ট্রং রুমের সব থেকে বাইরে থাকবে বন্দুকধারী পুলিশ। তারপরে দ্বিতীয় স্তরে থাকবে লাঠিধারী পুলিশকর্মীরা। স্ট্রং রুমের যেখানে গণনা চলবে তার সব থেকে কাছে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। জানা গিয়েছে এর নেতৃত্বে থাকবেন একজন উপ নগরপাল। ঠিক এই আবহে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সরব হতে দেখা গেল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)। তাঁর প্রশ্ন, গণনা কেন্দ্রে কেন সাদা পোশাকের পুলিশ থাকবে?

    শুভেন্দুর ট্যুইট

    এই নিয়ে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টও করেছেন। নিজের এক্স হ্যান্ডেলের ওই পোস্টে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ডিআইজি (নিরাপত্তা) আইপিএস রবীন্দ্রনাথকে তোপ দেগেছেন এবং লিখেছেন, “আমি জানি আপনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁর নির্দেশেই আপনি গতকাল সন্দেশখালিতে উপস্থিত ছিলেন ভোট প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন করতে।”

    শুভেন্দু অধিকারী তুলে ধরেছেন ভারতের নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকাও

    এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী তুলে ধরেছেন ভারতের নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকাও। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক জানিয়েছেন, গণনা কেন্দ্রগুলিতে ত্রিস্তরীয় যে কর্ডনিং সিস্টেম থাকে, সেই সিস্টেমের প্রথম কর্ডনের বাইরে কখনই যেতে পারে না রাজ্য পুলিশ। তারপরেও ডিআইজি নিরাপত্তা কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন এ নিয়েই প্রশ্ন রাজ্যের বিরোধী দলনেতার। প্রসঙ্গত, প্রথম দুটি কর্ডনে থাকবে পুলিশ। যা নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকার পরপন্থী। বিশেষজ্ঞদের মতে, এক্ষেত্রে শুভেন্দু অধিকারী সঠিক কথাই বলেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami 2024: “পঞ্চাশ হাজারের মিছিল হবে রাম নবমীতে”, হুঙ্কার দিলেন দিলীপ ঘোষ

    Ram Navami 2024: “পঞ্চাশ হাজারের মিছিল হবে রাম নবমীতে”, হুঙ্কার দিলেন দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাজো সাজো রব গোটা ভারত জুড়ে। কারণ আগামী কাল অর্থাৎ বুধবারই দেশ জুড়ে পালন করা হবে রাম নবমী (Ram Navami 2024)। দীর্ঘ  ৫০০ বছরের প্রচেষ্টার পর অযোধ্যায় (Ayodhya) তৈরি হয়েছে রাম মন্দির। তাই এবছরের রাম নবমী (Ram Navami 2024) বিশাল সমারোহের সাথে পালন করবেন হিন্দুরা। কিন্তু তার আগেই বর্ধমান দুর্গাপুরের হেভিওয়েট বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) রাম নবমী নিয়ে হুঙ্কার ছাড়লেন। রাজ্যের রাম ভক্তদের মধ্যে তীব্র উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    রাম নবমীর মিছিল প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য

    মঙ্গলবার রাম নবমী (Ram Navami 2024) প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “পঞ্চাশ হাজারের মিছিল হবে রাম নবমীতে। কেউ আটকাতে পারবে না। এই দেশ রামের দেশ। ৫০০ বছরের চেষ্টায় রাম মন্দির হয়েছে। হিন্দুরা (Hindu) বিজয় উৎসব পালন করবে। আমি আবেদন রাখছি হিন্দু সমাজের কাছে। হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নামুন। দিলীপ ঘোষ সঙ্গে আছে। ত্রিশূল ধরেছি। প্রয়োজনে সব ধরবো হিন্দু সমাজের জন্য। কোনও বাপের ব্যাটার হিম্মত নেই হিন্দুস্থানে হিন্দুদের আটকায়। আদালত এবং সংবিধান আমরা তৈরি করেছি দেশ রক্ষার জন্য। তৃণমূল (TMC) এলে তাঁদের এই নির্বাচনে সমূলে বিনাশ করুন।”

    রামমহোৎসব বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (Ram Navami 2024)

    উল্লেখ্য রাজ্যে এখন ভোটের হাওয়া। রাম নবমীর (Ram Navami 2024) একদিন বাদেই অর্থাৎ ১৯ এপ্রিল থেকে রাজ্যে শুরু হচ্ছে ২০২৪ সালের প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Vote 2024)। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত প্রতিটি দলের প্রার্থীরাই। কিন্তু অন্যদিকে ভোটের আবহের মধ্যেই রাজ্যে রামমহোৎসব শুরু করে দিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। ১৫ দিন ধরে চলবে এই অনুষ্ঠান। তার মধ্যে আছে রাম নবমী এবং হনুমান জয়ন্তীও।

    আরও পড়ুন:রাজ্যের আপত্তি ধোপে টিকল না, হাইকোর্টের নির্দেশে হাওড়ায় দুদিন হবে রাম নবমীর শোভাযাত্রা

    গত বছর অশান্তি হয়েছিল রাম নবমীতে

    প্রসঙ্গত, গত বছর রাম নবমীকে (Ram Navami 2024) কেন্দ্র করে হাওড়া, হুগলি ও উত্তর দিনাজপুরের কয়েকটি জায়গায় অশান্তি হয়েছিল। তাই এবার একাধিক জনসভায় রাম নবমী নিয়ে দাঙ্গার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাম নবমীর অনুষ্ঠান ও মিছিলের অনুমতি পেতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। সেই মামলার শুনানিতে সোমবারই আদালত রাম নবমীর মিছিলের অনুমতি দিয়েছে। শুনানিতে বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, “রাজ্য পুলিশের (West Bengal Police) পক্ষে রাম নবমীর মিছিল নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলে তারা কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে মিছিলের ২৪ ঘণ্টা আগে বাহিনী (Central Force) চাইতে হবে রাজ্য পুলিশকে। সেই মতো নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে বাধা দিচ্ছে পুলিশ, হাইকোর্টে অভিযোগ ইডির

    Calcutta High Court: সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে বাধা দিচ্ছে পুলিশ, হাইকোর্টে অভিযোগ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি মামলার তদন্তে রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে বাধার অভিযোগ। এই মর্মে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হল ইডি। চাওয়া হল সিবিআই। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে এই আবেদন করা হয়েছে।

    কী বললেন ইডির আইনজীবী?

    ইডির ওপর হামলার ৫৬ দিন পরে গ্রেফতার হন শেখ  শাহজাহান। তারপর থেকেই এই মামলার তদন্তভার নিয়েছে সিআইডি। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদীর বক্তব্য, ‘‘তদন্তের নামে বারবার ইডি অফিসারদের ডেকে পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু অভিযুক্তকে আদতে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জেরার প্রয়োজন।’’ গত ৫ জানুয়ারি ইডির ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী হিসেবে ইডির ডেপুটি ডিরেক্টরকে সিআইডি তলব করে। সোমবারই ভবানী ভবনে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু গতকাল ইডির ডেপুটি ডিরেক্টর যাননি। এবার আদালতে গিয়েই পুলিশের বিরুদ্ধেই অভিযোগ করল ইডি।

    কী বললেন সিবিআই-এর আইনজীবী?

    প্রসঙ্গত, ইডির হামলার ঘটনায় বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত সিট গঠন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। নির্দেশে বলা হয়, সিবিআই এবং রাজ্যের আধিকারিকরা যৌথভাবে এই মামলার তদন্ত করবে। তবে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ (Calcutta High Court) দিয়েছিল। আগামী ৬ মার্চ ওই মামলার ফের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। সিবিআইয়ের তরফে আইনজীবী এসভি রাজু এদিন বলেন, ‘‘যদি তদন্ত সিআইডির হাতে থাকে তাহলে তা সাংঘাতিকভাবে ব্যাহত হবে। তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হতে পারে। তাই অবিলম্বে এই মামলার তদন্ত হস্তান্তর করা উচিত সিবিআইয়ের হাতে।’’

    তদন্ত দিকভ্রষ্ট হওয়ার আশঙ্কা সিবিআইয়ের

    এসভি রাজু আরও (Calcutta High Court) বলেন, ‘‘রাজ্য পুলিশ তদন্তকে বিভ্রান্ত করবে। অন্যদিকে ঘোরাতে চাইবে। যারা ইডি আধিকারিকদের উপর আক্রমণ করেছিল তাদের কিছু হল না। উলটে ইডি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে মহিলাদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ করা হয়েছে। ফলে অনুমান করা যায় এই মামলা পুলিশ চাইবে অন্যদিকে ঘোরাতে। রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে আমরা সন্দিহান। সেই জন্য সিবিআইয়ের হাতে দেওয়া হোক তদন্তের দায়িত্ব।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Police: সন্দেশখালিতে হামলার ঘটনায় এতদিনে টনক নড়ল, সরানো হল বসিরহাটের এসপি’কে

    West Bengal Police: সন্দেশখালিতে হামলার ঘটনায় এতদিনে টনক নড়ল, সরানো হল বসিরহাটের এসপি’কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের পুলিশ এবং প্রশাসনিকস্তরে একাধিক রদবলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নবান্ন থেকে রাজ্যে একাধিক আইএএস, আইপিএস এবং ডব্লুবিসিএস অফিসারদের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারদের উপর দুষ্কৃতীদের আক্রমণের ঘটনায় বসিরহাটের এসপি জোবি থমাসকে বদলি করা হল এবার। উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতির তদন্তকাণ্ডে গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। শাহজাহানের অনুগামীরা ব্যাপক সংখ্যায় জমায়েত হয়ে হামলা করেছিল। ঘটনায় ইডির তিন জন অফিসারের মাথা ফেটেছিল। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। কিন্তু ঘটনার পর এতদিন কেটে গেলেও প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। কমিশনের নজরদারি শুরু হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই কি আগেভাগে এসপি’কে বদলি করা হল? এমন প্রশ্ন স্বাভাবিক কারণেই উঠতে শুরু করেছে।

    একই ভাবে অতিরিক্ত নিরাপত্তা অধিকর্তা হিসাবে নতুন দায়িত্ব পেলেন জাভেদ শামিম। সব মিলিয়ে বুধবার মোট ৪৫ জন আইপিএস অফিসারকে বদল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    কোন কোন অফিসারের বদলি হল (West Bengal Police)?

    লোকসভা ভোটের আগে একাধিক পুলিশ আধিকারিকদের (West Bengal Police) রদবদল করা হল। আইবি দফতর থেকে মনোজ ভার্মাকে বদলি করা করা হয়েছে আইজি (আইনশৃঙ্খলা) পদে। কলকাতা পুলিশ, বিধাননগর কমিশনারেটরের অনেক অফিসারকে বদলি করা হয়েছে। আবার একই সঙ্গে বারাসত, বনগাঁ, কালিম্পং, বসিরহাটেও বেশ কিছু জেলা পুলিশ সুপারকে বদল করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের ডিসি উত্তর পদে থাকা তরুণ হালদারকে বদলি করা হয়েছে সিআইডির ডিআইজি দফতরে। ডিসি দক্ষিণ-পূর্ব শুভঙ্কর ভট্টাচার্যকে কলকাতার পুলিশের যুগ্ম কমিশনার করা হয়েছে। আবার বিধাননগর কমিশনারেটের ডিসি ট্রাফিক ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে পাঠানো হচ্ছে কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল পদে। একই সঙ্গে ডব্লুবিপিএস অফিসার সুমন্ত কবিরাজকে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার পদ থেকে সরিয়ে পাঠানো হল বনগাঁ পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার পদে।

    জেলাশাসক বদল

    রাজ্যের পুলিশ আধিকারিকের (West Bengal Police) সঙ্গে সরকারি আমলাদের ক্ষেত্রেও বদল করা হয়েছে। বীরভূম এবং পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে বদল করা হয়েছে। আগে বীরভূমের জেলাশাসক ছিলেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি এবার থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসকের কাজ সামলাবেন। অন্যদিকে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাঝিকে বদল করা হয়েছে। এছাড়াও একাধিক অতরিক্ত জেলাশাসক এবং মহকুমা শাসকদেরও এদিন বদল করা হয়েছে। লোকসভা ভোটের আগে এই বদল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন ভোট কৌশলীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ‘নিখোঁজ’, ‘বেপাত্তা’ শাহজাহানের আগাম জামিনের আবেদন এবার বারাসত আদালতে!

    Sandeshkhali: ‘নিখোঁজ’, ‘বেপাত্তা’ শাহজাহানের আগাম জামিনের আবেদন এবার বারাসত আদালতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি নাকি নিখোঁজ। তিনি নাকি বেপাত্তা। ঘটনার পর প্রায় ২৬ দিন অতিক্রান্ত। তবুও পুলিশ নাকি তাঁর হদিশ পায়নি। হাইকোর্ট থেকে শুরু করে রাজ্যপাল, তাঁর এই অন্তরালে থাকা নিয়ে বারবার নানা মন্তব্য শোনা গিয়েছে। এমনকী ক’দিন আগে আগাম জামিনের আবেদন নিয়ে তিনি যখন ইডি’র দ্বারস্থ হন, তখনই প্রশ্ন উঠেছিল, আবেদনপত্রে তিনি সই করলেন কীভাবে। সন্দেশখালি (Sandeshkhali) এই তৃণমূল নেতা শাহজাহানের অন্তর্ধান-রহস্য যখন ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে, তখন আরও একবার তাঁর নাম ভেসে উঠল। এবার তাঁর জন্য আগাম জামিনের আর্জি জমা পড়ল বারাসত আদালতে।

    কী জানালেন সরকারি আইনজীবী?

    উত্তর ২৪ পরগনা জেলা আদালতের মুখ্য সরকারি আইনজীবী শান্তময় বসু জানান, গতকাল শাহজাহান তাঁর আইনজীবী মারফত আগাম জামিনের একটি আবেদন করেন। সেই আবেদন গৃহীত হয়েছে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি জামিনের মামলার শুনানি। তিনি আরও জানান, ন্যাজাট পিএস কেস নাম্বার ৯/২৪ মামলার ভিত্তিতে এই আবেদন করা হয়েছে। জামিনের আবেদনে শাহজাহান সেখানে উপস্থিত ছিল না, এমনটাই দাবি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে থানার কাছে মামলা (Sandeshkhali) সংক্রান্ত নথি চেয়ে পাঠানো হয়েছে সরকারি আইনজীবীর পক্ষে।

    বাড়িতে অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত ইডি (Sandeshkhali) 

    উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি শাহজাহানের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছিলেন ইডি’র আধিকারিকরা। তাঁকে সেদিন বাড়িতে পাওয়া যায়নি। কিন্তু ওই দিনই শাহজাহান ঘনিষ্ঠদের প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন তাঁরা। ইডি’র অফিসার এবং নিরাপত্তা আধিকারিকরা আক্রান্ত হন, আহত হন। এই নিয়ে থানায় অভিযোগ জানানোর পর বিষয়টি এখন হাইকোর্টে বিচারাধীন। ইডি’র পক্ষ থেকে গত ২৪ শে জানুয়ারি ফের ওই তৃণমূল নেতার বাড়িতে (Sandeshkhali) অভিযান চালানো হয়েছিল। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল বেশ কিছু জিনিস। ইডির পক্ষ থেকে তাঁর বাড়িতে নোটিশ লাগিয়ে ২৯ শে জানুয়ারি তাঁকে ইডির দফতরে হাজির হতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সেদিনও তিনি হাজির হননি। অথচ আগাম জামিনের জন্য একের পর এক আবেদন জানিয়ে চলেছেন। প্রশ্ন উঠছে, আইনজীবীর সঙ্গে তাঁর যেখানে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রয়েছে, সেখানে পুলিশ তাঁকে কেন খুঁজে পাচ্ছে না! যদিও এই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।

    হাইকোর্টের ক্ষোভের মুখে পুলিশ (Sandeshkhali) 

    উল্লেখ্য, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের ক্ষোভের মুখে পড়ে পুলিশ। সন্দেশখালিকাণ্ডে সেদিন হামলাকারীর সংখ্যা ছিল হাজার তিনেক। কিন্তু পুলিশ কেন মাত্র চারজনকে গ্রেফতার করেছে, সেই প্রশ্ন তুলে আদালত ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল। বিচারপতি বলেছিলেন, পুলিশ এতদিন ধরে কী করছে, সেটা কেস ডায়েরি দেখেই বোঝা সম্ভব। পুলিশকে তাই কেস ডায়েরি আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali) পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন এই তৃণমূল নেতা। প্রশ্ন উঠেছে, দলীয় নেতৃত্বেই কি তাঁকে আগলে রেখেছেন?

    লুক আউট নোটিশ জারি

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) তৃণমূলের ডন (Sandeshkhali) শাহজাহানের বিরুদ্ধে ঘটনার পরই লুক আউট নোটিশ জারি করে ইডি। শুধুমাত্র সন্দেশখালির এই ডন নেতাই নয়, তাঁর পরিবারের অন্যান্য় সদস্যদের নামেও এই লুক আউট নোটিশ জারি করে কেন্দ্রীয় তদন্তাকারী সংস্থা। লুক আউট নোটিশ দেশের সমস্ত বিমানবন্দরে পাঠানো হয়। নোটিশ যায় সীমান্তরক্ষীবাহিনীর হাতেও। যাতে শাহাজাহান দেশ ছাড়তে না পারে। কিন্তু কোথায় কী! তাঁর টিকিও ছুঁতে পারেনি পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Suvendu Adhikari: বারাকপুরকাণ্ডে মমতার পুলিশকে ‘হিংস্র নেকড়ে’-র সঙ্গে তুলনা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বারাকপুরকাণ্ডে মমতার পুলিশকে ‘হিংস্র নেকড়ে’-র সঙ্গে তুলনা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুরে বিজেপির আইন অমান্যকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা দেখা গেল। সোমবার বিজেপি কর্মীদের আন্দোলনকে দমন করতে পুলিশ ইটবৃষ্টি, জলকামান, কাঁদানে গ্যাসের শেল, লাঠিচার্জ সবকিছুই করে। বিজেপি কর্মীদের দিকে তেড়ে গিয়ে পুলিশ চড়-থাপ্পড়, লাথিও মারতে থাকে। ইতিমধ্যে পুলিশের এহেন আচরণকে কাঠগড়ায় তুলেছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এনিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পুলিশের ভূমিকাকে ‘হিংস্র নেকড়ে’-র সঙ্গে তুলনা করছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দুর আরও  অভিযোগ, ‘‘এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে খুঁজে খুঁজে, বেছে বেছে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের পেটানো হয়েছে। তৃণমূলের উদ্দেশে শুভেন্দুর বক্তব্য, ‘‘আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে এই ঘটনাগুলি ঘটানো হয়েছে। বিজেপি এর শেষ দেখে ছাড়বে।”

    কী বললেন শুভেন্দু?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘এই কর্মসূচিতে যা যা ঘটেছে, তা ইতিমধ্যে আপনারা দেখেছেন। কোনও প্ররোচনা ছাড়াই হিংস্র নেকড়ের মতো পুলিশ শুধু জলকামান ব্যবহার করেই ক্ষান্ত হয়নি। জলকামানের পরে আমাদের কর্মী-সমর্থকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়, তখন এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে খুঁজে খুঁজে, বেছে বেছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের পেটানো হয়েছে। ২৫-৩০ জন আহত হয়েছেন। ৬ জনকে বারাকপুর হাসপাতাল থেকে কল্যাণী এইমসে স্থানান্তর করা হচ্ছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বারাকপুর বিজেপির ১৫ জন একনিষ্ঠ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমি পুলিশের এই আচরণের নিন্দা করছি। যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করছি।’’

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে ১৫ নম্বর রেল গেটের সামনে থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেই মতো কর্মী-সমর্থকরা জমায়েত হন। সেখানে সুতলি বোমা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে, পুলিশ এসে বোমা উদ্ধার করে নিয়ে যায়। সুকান্তর নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয়। মিছিল আটকাতে পুলিশের পক্ষ থেকে তিনটি ব্যারিকেড করা হয়েছিল। রাস্তায় রাখা ছিল জলকামানও। প্রতিটি ব্যারিকেডে প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। প্রথম ব্যারিকেড পেরিয়ে বিজেপি কর্মীরা দ্বিতীয় ব্যারিকেডে জমায়েত হন। বিজেপি কর্মীরা দ্বিতীয় ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এরপরই বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ ইট ছোড়ে বলে অভিযোগ। ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করতেই পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। বহু মহিলা কর্মীর ওপর লাঠিপেটা করা হয়। মিছিলের ওপর জলকামান চালানো হয়। সুকান্ত মজুমদারও জল কামানের জলে সম্পূর্ণ ভিজে যান। পুলিশি হামলা বিজেপি কর্মীরা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। এরপর মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায়। বিজেপি-র কর্মসূচিকে পুলিশ বানচাল করে দেয় বলে বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DGP: যাকে খুশি ডিজি করা যাবে না, কমিশনের নয়া গাইডলাইনে রাজ্যের স্বেচ্ছাচারিতায় কোপ

    DGP: যাকে খুশি ডিজি করা যাবে না, কমিশনের নয়া গাইডলাইনে রাজ্যের স্বেচ্ছাচারিতায় কোপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের ডিজি (DGP) নিয়োগ নিয়ে নতুন গাইডলাইন প্রকাশ করল ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন। এই গাইডলাইন থেকে একটা বিষয় পরিষ্কার, রাজ্য সরকার চাইলেই যাকে খুশি আর ওই পদে বসাতে পারবে না। এতদিন তৃণমূল সরকার রাজ্য পুলিশের এই সর্বোচ্চ পদটিতে বেছে বেছে তাঁবেদারদেরই বসিয়ে এসেছে। সেই অর্থে পদটির কোনও গুরুত্বই রাখা হয়নি। যাঁদেরই এই পদে বসানো হয়েছে, তাঁরা কার্যত জো-হুজুরপনা করেই দায় এড়িয়েছেন। এবার এই পদের গুরুত্ব অনুযায়ী কড়া গাইডলাইন জারি করা হয়েছে গত ২৬ সেপ্টেম্বর। তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পাশাপাশি সমস্ত রাজ্যের মুখ্যসচিবদের। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই সংক্রান্ত ২০০৯ সালের যে গাইডলাইন ছিল, তা বাতিল হয়ে এটি এখন থেকেই কার্যকর করতে হবে।

    কী রয়েছে নয়া গাইডলাইনে? (DGP)

    প্রথমত, ডিজি নিয়োগে রাজ্য সরকারের একাধিপত্য খর্ব করতে একটি এমপ্যানেলমেন্ট কমিটি গঠন করার কথা বলে দেওয়া হয়েছে। তাতে থাকবেন ইউপিএসসি’র চেয়ারম্যান, কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র সচিব, সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজি প্রমুখ। এই সংক্রান্ত যে কোনও বৈঠক বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বোচ্চ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে কমিশনের চেয়ারম্যানকে।

    গাইডলাইনে সাফ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, স্রেফ পছন্দের ভিত্তিতে রাজ্য পুলিশের ওই রকম একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বোচ্চ পদে (DGP) কাউকে বসিয়ে দেওয়া যাবে না। যাকে বসানে হচ্ছে, দেখে নিতে হবে, এমন একটি বাহিনীকে পরিচালনা করার মতো যোগ্যতা তাঁর আছে কি না। তাঁর কাজের রেকর্ডকেও গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করতে হবে। অর্থাৎ, এই পদে কেউ নির্বাচিত হবেন মেরিটের ভিত্তিতে, তাঁবেদারি করে নয়।

    তিনমাস আগে পাঠাতে হবে প্রস্তাব (DGP)

    গাইডলাইনে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ডিজির পদ যেদিন ফাঁকা হওয়ার কথা, তার অন্তত তিন মাস আগে নয়া কমিটির মিটিং ডাকার জন্য কমিশনকে জানাতে হবে। তাতে প্যানেল হিসেবে রাজ্য কাকে কাকে চাইছে, তাদের নাম, ধাম, রেকর্ড, কর্মদক্ষতা, পড়াশোনা ইত্যাদি একগুচ্ছ তথ্যও দিতে হবে। এমনকী ওই অফিসারের বিরুদ্ধে কোনও শৃঙ্খলাভঙ্গ বা ফৌজদারি মামলা অমীমাংসিত থাকলে, জানাতে হবে সেটাও। কোনও সময় ওই অফিসার জরিমানার সম্মুখীন হলে সেটাও চেপে গেলে চলবে না। এতকিছু বিচার বিবেচনা করার পরই ওই কমিটি সংশ্লিষ্ট রাজ্যের জন্য ডিজি নিয়োগের প্যানেল তৈরি করে রাজ্যকে পাঠাবে। আরও একটি বিষয় ওই গাইডলাইনে জানানো হয়েছে। তা হল, প্যানেলে থাকা কোনও অফিসারের বিরুদ্ধে যদি ভিজিল্যান্স বা বিভাগীয় তদন্ত চলে, তবে তাঁকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হবে না। কিন্তু প্যানেলে সর্বোচ্চ তিনজনের বেশি নাম দেওয়া যাবে না।
    কমিশনের ওই গাইডলাইন থেকে পরিষ্কার, রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ পদে (DGP) নিয়োগে রাজ্যের স্বেচ্ছাচারিতার আর কোনও জায়গা থাকবে না। যোগ্যতা এবং কর্মদক্ষতা থাকলে তবেই কাউকে ওই রকম একটি পদে বসানো যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: আটা দুর্নীতির তদন্তে রাজ্য পুলিশের ভূমিকায় সন্দেহ ইডির, তৈরি করা হয় ভুয়ো কৃষক সংগঠনও

    Ration Scam: আটা দুর্নীতির তদন্তে রাজ্য পুলিশের ভূমিকায় সন্দেহ ইডির, তৈরি করা হয় ভুয়ো কৃষক সংগঠনও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিতে (Ration Scam) কালো টাকা সাদা করতে ভুয়ো কৃষক সংগঠনও গড়ে তুলেছিলেন বাকিবুর রহমান। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে ইডির হাতে। ইডি আধিকারিকদের দাবি, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক যখন খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখনই পশ্চিমবঙ্গে ‘ফার্মারস ফোরাম’ নামে একটি কৃষক সংগঠন গড়ে তোলা হয়। ওই সংগঠনের অন্যতম কর্ণধার ছিলেন রাইস মিল মালিক বাকিবুর রহমান। অন্যদিকে রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে রাজ্য পুলিশের ভূমিকাতেও সন্দেহ তৈরি হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। শুধু চাল নয়, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) আটা নিয়েও দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করছে ইডি। এই সংক্রান্ত  তিনটি মামলাও দায়ের হয় নদিয়ার কোতোয়ালি, নবদ্বীপ এবং কৃষ্ণনগর থানায় ২০২০, ২০২১ এবং ২০২২ সালে।

    রেশনে আটা নিয়ে দুর্নীতি

    সেই মামলা খতিয়ে দেখতে গিয়ে ইডি জানতে পারে, খোলাবাজারে সরকারি স্ট্যাম্প দেওয়া আটা বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল। ইডি সূত্রে খবর, আটা ভাঙানো হতো বাকিবুরের মিলে। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে রাজ্য পুলিশের তদন্তে একবারও উঠে আসেনি বাকিবুরের নাম (Ration Scam)! ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন, বাকিবুরের নদিয়াজুড়ে একাধিক চাল কল রয়েছে। তদন্তের সময় পুলিশ কেন তার রাইস মিলগুলিতে হানা দিল না? প্রভাবশালী মন্ত্রীর হাত বাকিবুরের মাথায় ছিল বলেই কি পুলিশি তদন্ত থেকে বেঁচে ছিলেন রাকিবুর? অন্যদিকে জানা গিয়েছে, ভুয়ো কৃষক সংগঠনের নামে  ভুয়ো শস্যদানা কেনাবেচায় ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের নামের তালিকাও তৈরি করা হয়েছিল। সেই তালিকার মাধ্যমেই সরকারি ভাবে দেখানো হতো শস্য কেনাবেচা হয়েছে অর্থাৎ সংগঠনও ভুয়ো, শস্য কেনাবেচার প্রক্রিয়াটাও ছিল ভুয়ো। কিন্তু খাতায়-কলমে তাতে বাস্তবে হয়েছে বলে দেখানো হতো।

    বাকিবুর-জ্যোতিপ্রিয়কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা

    চলতি মাসের ১৩ তারিখে ঠিক দুর্গাপুজোর আগেই গ্রেফতার করা হয় বাকিবুরকে। অন্যদিকে, দুর্গাপুজোর পরেই ২৬ অক্টোবর গ্রেফতার করা হয় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। ঘটনাক্রমে, বাকিবুর রহমানের ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়েছে ইতিমধ্যে। তবে বর্তমানে কেন্দ্রীয় সংস্থার হেফাজতেই রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী। এমন অবস্থায় বাকিবুর রহমান ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করলে আরও অনেক তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, এখানেই শেষ নয়, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডের (Ration Scam) জাল যে অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে, তা মানছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরাই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WB Govt Job: রাজ্য পুলিশে সাব ইন্সপেক্টর পদে চাকরির ব্যাপক সুযোগ, আজই আবেদন করুন

    WB Govt Job: রাজ্য পুলিশে সাব ইন্সপেক্টর পদে চাকরির ব্যাপক সুযোগ, আজই আবেদন করুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি কি সরকারি চাকরি (WB Govt Job) করতে চান? তাহলে আজই নজর রাখুন এই বিজ্ঞপ্তিতে। রাজ্য পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর পদে নিয়োগ শুরু হয়েছে। সব কিছু জেনে আবেদন করুন। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে গত অগাস্টের ২৯ তারিখ থেকে। তাই দেরি না করে আজই আবেদন করুন।

    কোন সাইটে আবেদন করতে হবে (WB Govt Job)?

    পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা যাবে। আগ্রহী প্রার্থীরা wbpolice.gov.in ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে পারবেন।

    বিজ্ঞাপনে কী বলা হয়েছে?

    রাজ্য পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর পদের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাব ইন্সপেক্টর, সাব ইন্সপেকট্রেস আনআর্মড ব্রাঞ্চ এবং কলকাতা পুলিশের সার্জেন্ট পদে কর্মী নিয়োগ (WB Govt Job) করা হবে। মোট শূন্য পদের সংখ্যা হল ১৬৯। এই আবেদন জমা করার শেষ তারিখ হল ১৮ সেপ্টেম্বর। বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই পদে আবেদন করছেন, এমন প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ২০ থেকে ২৭ বছরের মধ্যে। এছাড়াও সংরক্ষিত পদের জন্য বয়সে কিছুটা ছাড় মিলবে। শূন্য পদের জন্য প্রতিমাসে বেতন হবে ৩২১০০ থেকে ৮২৯০০ টাকা পর্যন্ত। জেনারেল বিভাগের জন্য আবেদন ফি ২৭০ টাকা এবং তফশিলি জাতি এবং উপজাতির জন্য ফি ২০ টাকা।

    যোগ্যতা

    আবেদনকারী (WB Govt Job) প্রার্থীদের যোগ্যতা হিসাবে বলা হয়েছে, যে কোনও বিষয়ে স্নাতক হতে হবে। ভারতীয় নাগরিক হতে হবে আবেদনকারীকে। বাংলা ভাষায় লিখতে পড়তে জানতে হবে। শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকতে হবে। কলকাতা পুলিশের আনআর্মড শাখায় কেবল মহিলা আবেদনকারীদের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    কীভাবে হবে নিয়োগ?

    শূন্য পদের নিয়োগের জন্য প্রথমে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষা হবে মোট ৯০ মিনিটে ২০০ নম্বরের। পরীক্ষা বাংলা এবং ইংরেজি মাধ্যমে নেওয়া হবে। পাশ করলে শরীরিক পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে  নিয়োগপত্র (WB Govt Job) দেওয়া হবে।

    আবেদনের পদ্ধতি

    আবেদনকারী পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ওয়েবসাইট ttps://wbpolice.gov.in, কলকাতা পুলিশের ওয়েবসাইট kolkatapolice.gov.in এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটে https://prb.wb.gov.in আবেদন (WB Govt Job) করতে পারবেন।

    নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে আবেদন করতে পরবেন

    প্রথেম ওয়েবসাইটে যেতে হবে।

    এরপর হোমপেজে রিক্রুটমেন্ট বাটনে ক্লিক করতে হবে।

    এরপর নিয়োগের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে হবে।

    এরপর একটি নতুন পেজে যেতে হবে।

    তারপর আবেদনপত্র ক্লিক করে সব পূরণ হবে।

    প্রয়োজনীয় একধিক তথ্য আপলোড করতে হবে।

    এবার আবেদনের টাকা জমা করতে হবে।

    এরপর জমা করে চূড়ান্ত প্রিন্ট আউট নিতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share