Tag: West Bengal political controversy

  • Mamata Banerjee: মমতার সভায় মিশনের ভুয়ো অধ্যক্ষ, আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের

    Mamata Banerjee: মমতার সভায় মিশনের ভুয়ো অধ্যক্ষ, আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতার (Mamata Banerjee) এসআইআর ধর্না নিয়ে ফের বিতর্ক সামনে এল। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের নাম অপব্যবহারের অভিযোগ উঠল। এনিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে মিশন। মমতার সভায় গেরুয়া পোশাক পরা এক ব্যক্তি নিজেকে মিনাখাঁ শাখার রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের সন্ন্যাসী ও সভাপতি বলে দাবি করেন। তিনি দাবি করেন, ১৪ বছর ধরে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার পরেও এসআইআর প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এই সমস্যার সমাধানের আশায় তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এসেছেন বলেও জানান। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা একজন সন্ন্যাসীকেও এভাবে হয়রানি করা লজ্জার বিষয়। তবে ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর, ১৫ মার্চ সংবাদপত্রে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রামকৃষ্ণ সারদা মিশন স্পষ্ট জানায়, মিনাখাঁয় তাদের কোনও শাখা নেই এবং ওই ব্যক্তির দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

    মিশনের বিবৃতি

    সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রব্রাজিকা অতন্দ্রপ্রাণার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মিনাখাঁয় রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের কোনও শাখা নেই এবং কোনও পুরুষ সন্ন্যাসী সেখানে সভাপতি—এমন দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, “শ্রী সারদা মঠ” এবং “রামকৃষ্ণ সারদা মিশন” নাম, সিলমোহর ও প্রতীক আইনগতভাবে সুরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এগুলি ব্যবহার করলে Emblems and Names (Prevention of Improper Use) Act, 1950 অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শ্রী সারদা মঠ ১৯৫৪ সালে , ১৯৬০ সালে রামকৃষ্ণ সারদা মিশন গঠিত হয়

    বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের ইতিহাসও তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, শ্রী সারদা মঠ ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৫৯ সালে নিবন্ধিত হয়। স্বামী বিবেকানন্দের ভাবনা অনুযায়ী এই মঠ প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরে ১৯৬০ সালে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমাজসেবামূলক কাজের জন্য রামকৃষ্ণ সারদা মিশন গঠিত হয় (Ramakrishna Sarada Mission)।

  • TMC: মনরেগা প্রকল্পের লেবার বাজেট প্রস্তাব জমা দেয়নি তৃণমূল সরকার, তাই মজুরি দিতে দেরি, লোকসভায় জানাল কেন্দ্র

    TMC: মনরেগা প্রকল্পের লেবার বাজেট প্রস্তাব জমা দেয়নি তৃণমূল সরকার, তাই মজুরি দিতে দেরি, লোকসভায় জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র বারংবার মনে করিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন বা মনরেগা  (MGNREGA) প্রকল্পের আওতায় লেবার বাজেট প্রস্তাব জমা দেয়নি পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল (TMC) সরকার। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী দলগুলি তীব্র সমালোচনা শুরু করেছে। তাদের অভিযোগ, এই দেরির ফলে গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পের আওতায় হাজার হাজার শ্রমিক বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁদের প্রাপ্য মজুরি থেকে।

    কী জানাল কেন্দ্র (TMC)

    প্রসঙ্গত, এই বিষয়টি গুরুত্ব পেল তখনই, যখন বঙ্গের শাসক দল তৃণমূলেরই (TMC) এক সাংসদ পশ্চিমবঙ্গে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইনের বকেয়া অর্থ দেওয়ার অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এই প্রশ্নেরই জবাবে কেন্দ্রীয় সরকার লোকসভায় বিবৃতি দিয়ে জানায়, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় লেবার বাজেট প্রস্তাব এখনও পাওয়া যায়নি এবং তার জন্যই অপেক্ষা করছে কেন্দ্র। আরও বলা হয়েছে, রাজ্যগুলির পক্ষ থেকে লেবার বাজেট জমা দেওয়া মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইনের আওতায় তহবিল পরিকল্পনা ও অনুমোদনের জন্য একটি বাধ্যতামূলক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। এই প্রস্তাব ছাড়া কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট অর্থবর্ষের জন্য মজুরি দিতে ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ করতে পারে না। নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই বকেয়া প্রস্তাব জমা দেওয়ার বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে একাধিকবার মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন

    এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে। সমালোচকদের দাবি, এই দেরি রাজ্য সরকারের সেই অভিযোগের সঙ্গে মেলে না, যেখানে তারা বারবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বরাদ্দ অর্থ আটকে রাখার অভিযোগ তুলেছে (MGNREGA)।মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন ভারতের বৃহত্তম সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির একটি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ পরিবারের সদস্যদের প্রতি অর্থবর্ষে অন্তত ১০০ দিনের কাজ দেওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া হয় (TMC), যদি তাঁরা অদক্ষ কায়িক শ্রম করতে ইচ্ছুক হন। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবিকা রক্ষায় এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিতর্ক কেন্দ্র–রাজ্য সংঘাতকে আরও তীব্র করতে পারে, বিশেষ করে কল্যাণমূলক প্রকল্প ও তহবিল বণ্টন নিয়ে দু’পক্ষে যে বিরোধ চলছে, তার প্রেক্ষাপটে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার বারবার অভিযোগ করেছে, কেন্দ্র মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন- সহ বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আটকে রেখেছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    নির্ধারিত তহবিল বরাদ্দে প্রভাব

    লোকসভায় যে নথি পেশ করা হয়েছে, তা প্রকাশ্যে আসার পর বিতর্ক এখন ঘুরে গিয়েছে প্রশাসনিক দায়বদ্ধতার দিকে। প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যস্তরের প্রক্রিয়াগত দেরিই কি গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য নির্ধারিত তহবিল বরাদ্দে প্রভাব ফেলছে? বিতর্ক বাড়তে থাকায় এখন দাবি উঠছে, দ্রুত লেবার বাজেট প্রস্তাব জমা দিয়ে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইনের আওতায় (MGNREGA) ফের মজুরি দেওয়া শুরু করতে সময়সূচি ঘোষণা করা হোক (TMC)।

     

LinkedIn
Share