Tag: west bengal ration scam

west bengal ration scam

  • Ration Scam: খোলাবাজারে রেশনের খাদ্যশস্য পাচার! নামে-বেনামে ডিলারশিপ খোদ ডিস্ট্রিবিউটরদের

    Ration Scam: খোলাবাজারে রেশনের খাদ্যশস্য পাচার! নামে-বেনামে ডিলারশিপ খোদ ডিস্ট্রিবিউটরদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশনে যে কোনও রকমের দুর্নীতি হয়নি, সেটা আড়াল করতে নানা রকমের পদ্ধতি ব্যবহার করেছিল বেশ কয়েকজন ডিস্ট্রিবিউটর। অভিযোগ, রেশনের (Ration Scam) খাদ্যশস্য খোলা বাজারে পাচার করতে ডিলারশিপ খুলে বসেছিল ডিস্ট্রিবিউটররা। নামে-বেনামে এই রেশন ডিলারশিপ খোলা হয়েছিল। যতই সময় এগোচ্ছে ততই রেশন দুর্নীতির জাল গুটিয়ে আনছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রেশন ডিস্ট্রিবিউটরদের এই অভিনব পদ্ধতি জানতে পেরে এই ধরনের ডিস্ট্রিবিউটরদের নামের তালিকাও তৈরি করেছে ইডি। ইতিমধ্যে রেশনের ডিলারশিপ (Ration Scam) রয়েছে, এমন ডিস্ট্রিবিউটরদের ঠিকানায় হানাও দিয়েছেন তদন্তকারীরা।

    দুর্নীতির ধরন দেখে আশ্চর্য ইডি

    সাধারণভাবে নিয়ম হল, রেশন ডিলাররা (Ration Scam) ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছ থেকে খাদ্যশস্য আনেন এবং তা সাধারণ মানুষের মধ্যে বন্টন করেন। চালকল থেকে খাদ্যশস্য আনার নিয়ম ডিস্ট্রিবিউটরদের। রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা সহজেই বুঝে যান যে দুর্নীতির উৎসকেন্দ্র হলেন ডিস্ট্রিবিউটররা। তবে ডিস্ট্রিবিউটরদের নামে কোনও রকমের অভিযোগ না হওয়ায় আশ্চর্য হয়ে গিয়েছে ইডি। তার কারণ ডিস্ট্রিবিউটররা যদি কোনও রেশন ডিলারকে খাদ্যশস্য খোলা বাজারে বিক্রি করতে বলেন সে ক্ষেত্রে ডিলারের উচিত সেটা নিয়ে অভিযোগ জানানো। তবে তেমন অভিযোগ কোথাও জানানো হয়নি কেন? আবার নিয়ম অনুযায়ী ডিস্ট্রিবিউটর ডিলার ছাড়া অন্য কোথাও খাদ্যশস্য বিক্রি (Ration Scam) করতে পারবেন না।

    বাকিবুরের সঙ্গে কারা যোগাযোগ রাখতেন সে তালিকাও ইডির হাতে

    প্রশ্ন হচ্ছে রেশন ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছ থেকে খাদ্যশস্য খোলাবাজারে গেল কিভাবে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই ইডি অফিসাররা জানতে পারেন বেশ কয়েকজন রেশন ডিস্ট্রিবিউটর তাঁদের নামে এবং বেনাম রেশনের ডিলারশিপ নিয়ে বসে আছেন এবং সেই ডিলারশিপের মাধ্যমেই খাদ্যশস্য খোলাবাজারে বিক্রি করছেন। ইডি তদন্তকারীদের দাবি, গণবন্টন আইন অনুসারে কোনও ডিস্ট্রিবিউটর নিজের নামে বা নিকট আত্মীয়ের নামে ডিলারশিপ রাখতে পারবেন না। অর্থাৎ তথ্য গোপন করে দুর্নীতি করার জন্যই ডিস্ট্রিবিউটররা নিজের নামে ডিলারশিপ নিয়েছেন। এই সমস্ত ডিস্ট্রিবিউটরদের সংখ্যা ইতিমধ্যে হাতেও পেয়েছে ইডি। ডিস্ট্রিবিউটরদের মধ্যে কারা কারা বাকিবুরের (Ration Scam) সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলতেন সেটাও খতিয়ে দেখছেন ইডির আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: দুর্নীতিতে আকণ্ঠ ডুবে! নিজেকে ‘বালু-মুক্ত’ করতে আপ্রাণ চেষ্টা রেশন ডিলারের

    Siliguri: দুর্নীতিতে আকণ্ঠ ডুবে! নিজেকে ‘বালু-মুক্ত’ করতে আপ্রাণ চেষ্টা রেশন ডিলারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর শিলিগুড়ির (Siliguri) এক শীর্ষ তৃণমূল নেতা তাঁর বাড়ির ড্রইং রুম থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পেল্লাই ছবি রাতারাতি নামিয়ে আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলেছিলেন। এবার রেশন দুর্নীতিতে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (বালু) গ্রেফতার হতেই শিলিগুড়ির সেই রেশন ডিলার নিজেকে ‘বালু-মুক্ত’ করতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। রেশন দুর্নীতিতে আকণ্ঠ ডুবে থাকা সেই রেশন ডিলারের সঙ্গে তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতা, প্রাক্তন মন্ত্রীও এখন বিনীদ্র রজনী কাটাচ্ছেন। রেশন দুর্নীতিতে ইডির তদন্তে ডাক পড়ার আতঙ্ক গ্রাস করেছে তাঁদের।

    উত্তরবঙ্গে নানা ব্যবসায় রেশন-দুর্নীতির টাকা?

    রেশন দুর্নীতির টাকা শিলিগুড়ি থেকে ডুয়ার্সে ছড়িয়ে পড়েছে। আত্মীয়, ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের নামে  নানা ধরনের ব্যবসায় সেই টাকা লগ্নি করেছেন বনমন্ত্রী। এনিয়ে এতদিন চাপা গুঞ্জন ছিল। কিন্তু জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হতেই সেই গুঞ্জন প্রকাশ্যে চলে এসেছে। শিলিগুড়িতে (Siliguri) রেশন দুর্নীতির কেন্দ্রবিন্দুতে মাটিগাড়ার ব্লকের সেই রেশন ডিলারের নাম জোরালো ভাবে উঠে আসছে।অভিযোগ, তাঁকে সামনে রেখে শিলিগুড়িতে অনেক তৃণমূল নেতা, উত্তরবঙ্গের প্রাক্তন মন্ত্রী দু’হাত ভরে টাকা কামিয়েছেন, বনমন্ত্রীর সিন্ডিকেটে যোগ দিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায় কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। শিলিগুড়ি, ডুয়ার্স ও পাহাড়ে রিসর্ট, বালি খাদান, ক্র্যাশার, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় রেশন দুর্নীতির টাকা খাটানোর অভিযোগ উঠে এসেছে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে। তিনি গ্রেফতার হতেই  সাধারণ মানুষের পাশাপাশি তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের মুখেও এখন এই চর্চা।

    শিলিগুড়ির (Siliguri) দেবনগর টাউনশিপের নাম কেন উঠছে?

    উঠে এসেছে শিলিগুড়ির শিবমন্দিরের কাছে দেবনগর টাউনশিপের নাম। স্থানীয়দের দাবি, বনমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ মহম্মদ ফারুখ ওরফে রাহুল দেব বিঘার পর বিঘা জমি কেনেন। সেই জমি কেনার সময় উপস্থিত ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়র এক আত্মীয়। সেই দেবনগর প্রজেক্টের সাইন বোর্ডে একটি সংস্থার নাম থাকলেও সেখানে কোনও ঠিকানা, রেজিস্ট্রেশন নম্বর কিছুই লেখা নেই। যে মোবাইল নম্বর দেওয়া রয়েছে, সেখানে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। স্থানীয়দের দাবি, রেশন দুর্নীতির টাকায় এই প্রকল্পের সঙ্গে তৃণমূলের অনেক নেতাই জড়িত (Siliguri)।
    পছন্দের কোনও শিল্পপতিকে সামনে খাড়া করে বনমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের একাধিক রুগ্ন ও বন্ধ থাকা চা-বাগানেও রেশন দুর্নীতির টাকা লাগিয়েছেন। এই সিন্ডিকেটে তৃণমূলের একাধিক নেতা রয়েছেন বলে অভিযোগ।

    বিজেপি কী বলছে? (Siliguri)

    বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অরুণ মণ্ডল বলেন, আমাদের প্রশ্ন, কোনও মন্ত্রী বা তৃণমূল নেতা কেন্ত্রীয় এজেন্সির তদন্তে গ্রেফতার হতেই তাদের দুর্নীতির ইতিহাস বেরিয়ে আসছে। তাহলে রাজ্যের পুলিশ ও গোয়েন্দারা এতদিন কী করেছে। আমরা তো বারবার বলে আসছি তৃণমূল দলটাই চোর। পুলিশ তৃণমূলের দলদাস হওয়ায় সব দেখে-বুঝেও ঘুমিয়ে থাকছে। কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা চুরির পাশাপাশি গরু ও কয়লা পাচারের টাকায় তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সম্পত্তি ভরে উঠেছে। সেই টাকা কালীঘাটে যাচ্ছে। একশো দিনের কাজ প্রকল্পেও দেখা যাবে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের টাকা চুরি। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share