Tag: West Bengal state electricity board

West Bengal state electricity board

  • TMC 21 July: ২১ জুলাই ‘নো শাটডাউন’, মোবাইল বার্তায় নির্দেশ বিদ্যুৎ দফতরের

    TMC 21 July: ২১ জুলাই ‘নো শাটডাউন’, মোবাইল বার্তায় নির্দেশ বিদ্যুৎ দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এর আগে হাসপাতালে রক্ত মজুত রাখা হয়েছে, ধর্মতলায় রেলিং উপড়ে ফেলা, গাছ কাটা, আলো লাগানো, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, এলাকায় জীবাণু নাশক ছড়ানো সবই হয়েছে। এক প্রকার বাধ্য হয়েই মধ্য ও দক্ষিণ কলকাতার প্রায় সবই স্কুলই আগামীকাল ছুটি ঘোষণা করে দিয়েছে। 

    এর পর শেষ দফায় অন্য দফতরগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমে থেমে থাকল না বিদ্যৎ দফতরও। ২১ জুলাই রাজ্যের কোথাও শাটডাউন নেওয়া যাবে না। বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানির সমস্ত সার্কেল অফিস পর্যন্ত এই বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কোনও লিখিত নির্দেশ নয়, বিদ্যুৎ ভবন থেকে কর্তারা ওয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে নীচ পর্যন্ত একথা জানিয়ে দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: একুশের সমাবেশ রাজনৈতিক না সরকারি অনুষ্ঠান? প্রশাসনিক ব্যস্ততা দেখে উঠছে প্রশ্ন

    বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার কর্মীদের একাংশের মতে, কখনও কখনও লোড বণ্টন, রুটিন মেরামত, লাইনের ধারে গাছ কাটা, বিদ্যুৎ লাইনে গোলমাল ধরা পড়লে লোডশেডিং করতে হয়। গ্রামেগঞ্জে রোজই কোথাও না কোথাও আধ-এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ রাখতে হয়। সাধারণত মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা, দুর্গাপুজো, কালীপুজো, ঈদের সময় ‘নো শাটডাউন’ অর্ডার করা হয়। এই প্রথম শাসক দলের রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য এমন আপৎকালীন নির্দেশ জারি করা হল।

    কর্তাদের কেউ কেউ মশকরা করে বলেছেন, আসলে ২১ জুলাইকে কেন্দ্র করে যা কিছু প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তার অধিকাংশই কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম করেছেন। বাকি স্বাস্থ্য বা পুলিশ দফতরের মন্ত্রী তো মুখ্যমন্ত্রী নিজেই রয়েছেন। ফলে বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসের কাজ দেখানো এবং নম্বর তোলার সুযোগ ছিল না। শেষ লগ্নে এসে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা তাই ওয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে রাজ্যে কোথাও শাটডাউন নেওয়া যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: হাসপাতালগুলিতে মজুত রাখতে হবে রক্ত! ২১ জুলাইয়ের আগে সরকারি নির্দেশ ঘিরে বিতর্ক

    যখন মমতার ভক্তকুল সকলেই প্রায় কলকাতামুখী সেখানে গ্রামে কোথায় লোডশেডিং হল তাতে কী এমন মহাভারত অশুদ্ধ হবে? এক কর্তার জবাব, এত প্রশ্ন করছেন কেন, স্বাস্থ্য দফতর সারা রাজ্যে সমস্ত হাসপাতালে রক্ত মজুত রাখার লিখিত নির্দেশ দিয়েছে, আর বিদ্যুৎ দফতর লোডশেডিংয়ে না করাতে ভুলটা কি করেছে?   

  • Pending DA Case: বেতন হলেও ডিএ পেলেন না বিদ্যুৎ কর্মীরা, মাশুল বাড়িয়ে বকেয়া মেটানো হবে কি?

    Pending DA Case: বেতন হলেও ডিএ পেলেন না বিদ্যুৎ কর্মীরা, মাশুল বাড়িয়ে বকেয়া মেটানো হবে কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুনের শেষ দিনে বেতন হয়েছে বিদ্যুৎ কর্মীদের। কিন্তু ডিএ মেলেনি। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে বেতনের সঙ্গেই আরও কিস্তি ডিএ পাওয়ার কথা ছিল রাজ্যের চারটি বিদ্যুৎ সংস্থার প্রায় ১৪ হাজার কর্মীর। ডিএ দিতে না পারলে চার কর্তার বেতন বন্ধেরও নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। এদিন আরও এক দফা নির্দেশে ছয় কর্তার বেতন বন্ধ রাখতে বলেছেন তিনি। প্রশ্ন, তা হলে কি ডিএ পাবেন না বিদ্যুৎ কর্মীরা?

    বিদ্যুৎ দফতর সূত্রের খবর, রাজ্যের চলতি বেতন কমিশনের আগের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেবে চার সংস্থা। এক কিস্তি দিয়েও দেওয়া হয়েছে। আরও পাঁচটি কিস্তি বাকি রয়েছে। কিন্তু টাকার সংস্থান করতে সময় লাগছে বলে দাবি করেছেন বিদ্যুৎ কর্তারা। তাঁরা জানান, ২০১৬ থেকে ২০২০ পর্যন্ত বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার জন্য বকেয়া ডিএ-র পরিমাণ ২৪০ কোটি টাকা, বিদ্যুৎ সংবহন সংস্থার ৮০ কোটি, বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগমের ১২০ কোটি এবং ডিপিএলের বকেয়া ডিএ-র পরিমাণ ৪০ কোটি টাকা। সবমিলিয়ে ২০২০ সাল পর্যন্ত বকেয়া মেটাতেই ৪৮০ কোটি টাকা লাগবে বিদ্যুৎ দফতরের। এর পর রয়েছে ২০২০ থেকে আজ অবধি বকেয়ার পরিমাণও। 

    আরও পড়ুন: ডিএ বকেয়া থাকায় ২ রাজ্য সরকারি কর্তার বেতন বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

    কর্তারা জানাচ্ছেন, এর মধ্যে এক কিস্তি ডিএ দেওয়া হয়েছে। এখনও প্রয়োজন ৪৫০ কোটি টাকা। রাজ্য সরকারের ভাঁড়ারের অবস্থা করুণ। ফলে রাজ্যের মন্ত্রিসভা চার বিদ্যুৎ সংস্থাকে টাকার ব্যবস্থা করে দেবে এমন পরিস্থিতি নেই। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা সরিয়ে কর্মীদের ডিএ মেটানোর একটা চেষ্টা হচ্ছে বটে, সেটাও কতটা ফলপ্রসু হবে না বুঝে উঠতে পারছেন না কর্তারা। অগত্যা ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে কর্মীদের ডিএ মেটানোর পথেই হাঁটতে হচ্ছে বলে বিদ্যুৎ ভবনে কানাঘুঁষো চলছে। 

    যদিও এক বিদ্যুৎ কর্তার ব্যাখ্যা, রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা ২৪ হাজার কোটি টাকার সংস্থা। সামান্য টাকা মেটাতে কোনও সমস্যা নেই। শুধুমাত্র বিদ্যুৎ কর্মীদের কেন্দ্রীয় হারে ডিএ মিটিয়ে দিলে রাজ্যের বাকি ১০ লক্ষ কর্মচারীর কী হবে? নবান্ন চায়নি শুধু বিদ্যুৎ কর্মীদের সব পাওনা মিটে যাক। সেই কারণেই এতদিন বকেয়া ডিএ মেটানো হয়নি। এখন হাইকোর্টের নির্দেশে ডিএ মিটিয়ে দেওয়া হবে। তার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: শুভেন্দুকে নেতাই যেতে বাধা কেন? ডিজি, এসপির বিরুদ্ধে রুল জারি হাইকোর্টের

    কর্তাদের ব্যাখ্যা যাই হোক না কেন দফতরের অন্দরের খবর, কর্মীদের ডিএ-র বোঝার দায় আসলে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের উপরই চাপিয়ে দিতে পারে বণ্টন সংস্থা। অচিরেই বিদ্যুতের মাশুল বাড়ানোর পথে হাঁটতে হতে পারে বলে কর্তাদের একাংশের আশঙ্কা। কেউ কেউ জানাচ্ছেন, আগেরবার ডিএ দেওয়ার নাম করেই মাশুল বাড়ানো হয়েছিল। এবারও কি বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা দাম বাড়াতে রাজি হবে? বিদ্যুৎ কর্মীরা বকেয়া পেলেই অবশ্য রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ-র দাবি আরও জোরালো হবে। এক্ষেত্রেও হাইকোর্ট ডিএ মেটানোর রায় দিলেও রাজ্য চুপ করে বসে রয়েছে। 

LinkedIn
Share