Tag: West Bengal Tourist Places

West Bengal Tourist Places

  • Bankura: নিবিড় অরণ্যের মাঝে মল্লরাজাদের গড়ের ভগ্নাবশেষ! ইতিহাসের জ্বলন্ত সাক্ষী জয়পুর ফরেস্ট

    Bankura: নিবিড় অরণ্যের মাঝে মল্লরাজাদের গড়ের ভগ্নাবশেষ! ইতিহাসের জ্বলন্ত সাক্ষী জয়পুর ফরেস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়া জেলার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র এবং অরণ্য ‘জয়পুর ফরেস্ট’। দুপাশে শাল, শিমূলের নিবিড় অরণ্যর বুক চিরে চলে গেছে রাজপথ। মাঝে মধ্যেই দেখা মেলে হাতিদের চলাচল করার জন্য “এলিফ্যান্ট করিডোর” (Bankura)। নিবিড় অরণ্যের মাঝে বাস করে হাতি সহ হরিণ, সজারু, ময়ূর আর নানান প্রজাতির পাখি। অরণ্যের শিহরণ, নিস্তব্ধতা প্রতিনিয়ত গ্রাস করে অরণ্যপ্রেমী পর্যটকের হৃদয়। এই অনাবিল আরণ্যক সৌন্দর্য তো মনপ্রাণ দিয়ে উপভোগ করবেনই। তার সঙ্গেই দেখে নিন ইতিহাসের এক অপূর্ব আর জ্বলন্ত সাক্ষী।

    মল্লরাজাদের গড়ের ভগ্নাবশেষ (Bankura)

    জয়পুর ফরেস্টের মধ্যেই রয়েছে মল্লরাজাদের গড়ের ভগ্নাবশেষ। এখানে এলে অবশ্যই দেখে নিন সুপ্রাচীন গোকুলচাঁদ মন্দিরটি। বাঁকুড়া জেলার বৃহত্তম এই মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল প্রথম রঘুনাথ সিংহের রাজত্বকালে, ১৬৪৩ সালে। আবার এও বলা হয়, মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয় বীর হাম্বীরের পূর্ববর্তী মল্লরাজা চন্দ্রমল্লের আমলে। ল্যাটেরাইট পাথরে নির্মিত মন্দিরটি দৈর্ঘ্য-প্রস্থে ৪৫ ফুট এবং উচ্চতায়ও ৪৫ ফুট। এর চুড়াগুলি লক্ষণীয়। মন্দিরটি পূর্বমুখী, পঞ্চরত্ন (Bankura)। এই মন্দিরের প্রধান বিগ্রহ গোকুলচাঁদ। প্রায় পরিত্যক্ত এই মন্দিরটি আজও বাংলার প্রাচীন শিল্প ও সংস্কৃতির ঐতিহ্য বহন করে চলেছে। এর কাছেই জঙ্গলের মধ্যে রয়েছে এক বিশাল বাঁধ বা সরোবর, নাম  সমুদ্র বাঁধ। একই সঙ্গে অরণ্যর শিহরণ, ইতিহাসের আঘ্রাণ, আর অমলিন প্রকৃতিকে পেতে হলে জয়পুর ফরেস্ট হল অন্যতম সেরা ঠিকানা।

    কলকাতা থেকে দূরত্ব প্রায় ১২৭ কিমি (Bankura)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে বিষ্ণুপুর বা বাঁকুড়াগামী সব বাসই যাচ্ছে জয়পুরের ওপর দিয়ে। সড়কপথে কলকাতা থেকে দূরত্ব প্রায় ১২৭ কিমি। বিষ্ণুপুর প্রায় ১৪ কিমি। আর ট্রেনে গেলে রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস, পুরুলিয়া এক্সপ্রেস, আরণ্যক এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেনে গিয়ে বিষ্ণুপুর নেমে সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে যেতে হবে জয়পুর (Bankura)।
    থাকা খাওয়া-এখানে রয়েছে জঙ্গলের অভ্যন্তরে আরণ্যক রিসর্ট ( ৮২৪০০৮৫২৪৩ ), বনলতা রিসর্ট ( ৯৭৩২১১১৭০৬ ) প্রভৃতি। দুটিতেই খাওয়ার ব্যবস্থা আছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maithon: পানীয় জল, শৌচাগারের অভাব, নেই পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট! মাইথন নিয়ে সোচ্চার পর্যটকরা

    Maithon: পানীয় জল, শৌচাগারের অভাব, নেই পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট! মাইথন নিয়ে সোচ্চার পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের মরশুম শুরু হতেই পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে মাইথন জলাধারে। বলা বাহুল্য, জায়গাটি প্রাকৃতিক ভাবে খুবই সুন্দর। যেখানে পাহাড়, জঙ্গল ও জলাধারের সমাবেশ ঘটেছে একসাথে। প্রকৃতি যেন ঢেলে সাজিয়েছে এই জলাধারকে। স্বাভাবিক ভাবেই সপ্তাহান্তে ও প্রতি বছর শীতের মরশুমে পর্যটকদের ঢল নামে একে ঘিরে। পাশাপাশি পিকনিকের সময় বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত সহ ঝাড়খণ্ড থেকেও দলে দলে লোক আসে এই জলাধারে। যেখানে নৈস্বর্গিক দৃশ‍্যের সাথে থাকে জলবিহার বা নৌকাতে ভ্রমণের ব‍্যবস্থা। আগত পর্যটকদের দিকে খেয়াল রেখে প্রশাসন থেকে কিছু পরিষেবার ব‍্যবস্থা করা হয় প্রতি বছর। পাশাপাশি পর্যটকদের সুরক্ষা, দূষণের থেকে রক্ষা পেতে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এর জন‍্য সরকারের পক্ষ থেকে পর্যটকদের কাছ থেকে ট‍্যাক্সও আদায় করা হয়।

    পরিষেবা প্রদানে গাফিলতি

    যদিও এই বছর শীতের শুরুতে মাইথন জলাধারে উপস্থিত হয়ে দেখা গেল, পর্যটকদের আসা-যাওয়া শুরু হলেও পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বেশ কিছু গাফিলতি রয়েছে। যেমন এলাকায় বিশেষ পানীয় জলের ব‍্যবস্থা নেই। নেই পর্যাপ্ত শৌচালয়। তাছাড়া যেসব শৌচালয় রয়েছে, সেগুলি অপরিচ্ছন্ন ও ব‍্যবহারের অযোগ‍্য। অথচ সেই শৌচালয় ব‍্যবহারের জন‍্যই আদায় করা হচ্ছে টাকা। জলবিহারের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত লাইফ জ‍্যাকেটের ব‍্যবস্থা নেই। পাশাপাশি নিষেধের কড়াকড়িতে পর্যটকরা উৎসাহ হারাচ্ছেন এই জলাধারের প্রতি, এমনটাই জানালেন নৌ চালকরা। পর্যটকরা এই পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরতে এসে অব‍্যবস্থার প্রতি সোচ্চার হচ্ছেন।

    সরব পর্যটকরাও

    তাঁরা ক‍্যামেরার সামনেই জানাচ্ছেন, মনোরম এই জায়গায় ঘোরার জন‍্য সরকারি ভাবে টোল আদায় করা হলেও পর্যপ্ত পরিষেবার ব‍্যবস্থা নেই। নৌকা চালকরাও জানাচ্ছেন, তাঁদের কাছে পর্যাপ্ত লাইফ জ‍্যাকেট দেওয়া হয়নি। তাই অধিক যাত্রী তাঁরা নৌকা বা বোটে তুলতে পারছেন না। এই বিষয়গুলি নিয়ে বিডিও দেবাঞ্জন বিশ্বাস পানীয় জলের অসুবিধার কথা মেনে নেন। যদিও জানান, নৌকা চালকদের লাইফ জ‍্যাকেট রয়েছে। তবে কম থাকলে বিষয়টি নৌ চালকদের জানাতে বলেন। একই সাথে তিনি জানিয়েছেন, পর্যটকদের সুরক্ষার ব‍্যবস্থাটি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পর্যটন কেন্দ্রটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়টিতেও জোর দেওয়া হয়েছে। তবে সারা বছরের এই পিকনিক সিজনের অপেক্ষায় থাকেন নৌচালক থেকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। কারণ পর্যটকরা এলে তাঁদের অর্থ উপার্জন হবে। তবে এই বছর এখনও টোল আদায় শুরু হয়নি বলেই জানা যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: শাল, মহুয়া, সেগুন গাছের নিবিড় ছায়ায় ঢাকা এই জঙ্গল! দেখা মেলে ময়ূরেরও

    Paschim Bardhaman: শাল, মহুয়া, সেগুন গাছের নিবিড় ছায়ায় ঢাকা এই জঙ্গল! দেখা মেলে ময়ূরেরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম বর্ধমান (Paschim Bardhaman) জেলার এই জঙ্গল ‘গড় জঙ্গল’ নামে খ্যাত হলেও এর অন্য পরিচিতি ‘কাঁকসার জঙ্গল’ নামে। না, এই জঙ্গলের নেই কোনও অভয়ারণ্য, ন্যাশনাল পার্ক বা ওয়াইল্ড লাইফ স্যাঙচুয়ারির স্বীকৃতি। তবে আছে অরন্যের শিহরণ, প্রাচীন ইতিহাসের গন্ধ। একই সঙ্গে রয়েছে ধর্মের যোগ। শাল, মহুয়া, সেগুন গাছের নিবিড় ছায়ায় ঢাকা এই জঙ্গলে দেখা মেলে হরেক রং-এর হরেক প্রজাতির পাখির। মাঝে মাঝেই দেখা মেলে ময়ূরের। ঘন জঙ্গলের বুক চিরে ইতিউতি চলে গেছে রাঙা মাটির বনপথ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অসাধারণ।

    উল্লেখ রয়েছে পুরাণেও

    বলা হয় এই গড় জঙ্গল (Paschim Bardhaman) হল ভারতের অন্যতম প্রাচীন স্থান। গড় জঙ্গলের কথা উল্লেখ রয়েছে পুরাণেও। সুপ্রাচীন কালে এই জঙ্গলে আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মেধস মুনি। শ্রী শ্রী চণ্ডীপুরাণ মতে, রাজা সুরথ এই মেধস ঋষির আশ্রমে মিলিত হন বৈশ্য সমাধির সঙ্গে। রাজা সুরথ এই জঙ্গলে তিনটি মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন ১) মহাকালী মন্দির ২) মহা সরস্বতী মন্দির এবং ৩) মহালক্ষ্মী মন্দির। বর্তমানে এখানে রয়েছে মেধস মুনির আশ্রম, মহাকাল ভৈরবীর মন্দির। এক সময় এখানে ১৬ টি মন্দির ছিল। এর মধ্যে শ্যামরূপা মন্দির এবং শিব মন্দির দুটি এখনও পর্যন্ত অবশিষ্ট আছে।

    দুর্গাপুজোর অষ্টমীর দিন তোপধ্বনি?

    চণ্ডী পুরাণ এবং মার্কণ্ডেয় পুরাণ মতে, রাজা সুরথ এখানেই (Paschim Bardhaman) করেছিলেন দুর্গাপুজো। তিনি এখানে দুর্গাপুজো করেছিলেন বসন্তকালে। বলা হয় রাজা সুরথের করা সেই দুর্গাপুজোই পৃথিবীর প্রথম দুর্গাপুজো। দ্বাদশ শতকে নির্মিত এই শ্যামরূপা মন্দিরটিতে বহু ভক্ত আজও পুজো দিতে আসেন। এও শোনা যায়, এখনও এখানে দুর্গাপুজোর অষ্টমীর দিন তোপধ্বনি শোনা যায়। গড় জঙ্গল থেকে সামান্য দূরে অজয় নদ। প্রায় নদের তীরেই রয়েছে আর একটি দারুণ সুন্দর দ্রষ্টব্য। সেটি হল বহু লোককথা এবং প্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে দাঁড়িয়ে থাকা “ইছাই ঘোষের দেউল”।

    দুর্গাপুরের কাছেই

    এক কথায় বলা চলে, অরণ্য, নদ, ধর্ম, ইতিহাস-সব মিলিয়ে একটা দুটো দিন বেড়িয়ে আসার জন্য এক অন্যতম আদর্শ স্থান এই ‘গড় জঙ্গল’ (Paschim Bardhaman)। গড় জঙ্গল যাওয়ার জন্য প্রথমে আসতে হবে দুর্গাপুর। হাওড়া থেকে প্রচুর ট্রেন আসছে সরাসরি দূর্গাপুর। আবার কলকাতার ধর্মতলার বাসস্ট্যান্ড থেকে বহু বাস আসছে সরাসরি দুর্গাপুর। দুর্গাপুর থেকে গাড়ি নিয়ে ঘুরে নিতে হবে গড় জঙ্গল।
    দুর্গাপুরে থাকার ও খাওয়ার জন্য রয়েছে বিভিন্ন দামের ও বিভিন্ন মানের প্রচুর হোটেল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mukutmanipur: প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দিয়েই হৃদয় ছুঁয়ে যেতে পারে বাঁকুড়া জেলার মুকুটমণিপুর

    Mukutmanipur: প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দিয়েই হৃদয় ছুঁয়ে যেতে পারে বাঁকুড়া জেলার মুকুটমণিপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর বুকে যদি এক টুকরো স্বর্গ বলে কোনও জায়গা থেকে থাকে, তবে নিঃসন্দেহে বলে দেওয়া যায় সেই জায়গাটির নাম “মুকুটমণিপুর” (Mukutmanipur)। পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার এক ছোট্ট, নির্জন পর্যটন কেন্দ্র এই মুকুটমণিপুর। শুধুমাত্র আপন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দিয়েই এই মুকুটমণিপুর হৃদয় ছুঁয়ে যেতে পারে যে কোনও প্রকৃতি প্রেমিক পর্যটকের। একদিকে কংসাবতী বা কাঁসাই নদী, অপর দিকে ছোট ছোট পাহাড়ের সারি, অগভীর বনানী, নীল আকাশ—। আর কী চাই সৌন্দর্য পিপাসু পর্যটকের? আর যদি হয় পূর্ণিমা রাত, তাহলে তো আর কথাই নেই। চাঁদের রুপোলি আলোয় স্নান করা মুকুটমণিপুর তখন “কল্প লোকের গল্প গাথা”।

    পাহাড়-জঙ্গল ঘেরা অপূর্ব স্থান

    একই সঙ্গে দেখে নেওয়া যায় কাঁসাই নদীর ওপর প্রায় ১১ কিমি দীর্ঘ ও ৩৮ মিটার উঁচু বাঁধটি, ৪ কিমি দূরে অম্বিকা নগরে দেবি অম্বিকার প্রাচীন মন্দির। ইচ্ছে হলে আর হাতে সময় থাকলে ঘুরে আসুন প্রায় ৫৯ কিমি দূরে আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রাম “সুতান”, প্রায় ৪০ কিমি দূরে ঘন অরণ্য পরিবৃত “রানি বাঁধ”, প্রায় ৪৩ কিমি দূরে পাহাড়-জঙ্গলে ঘেরা এক অপূর্ব সুন্দর স্থান “ঝিলিমিলি” প্রভৃতিও (Mukutmanipur)।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন?

    যাতায়াত–কলকাতার ধর্মতলার শহিদ মিনার বাসস্ট্যান্ড থেকে সরাসরি বাস যাচ্ছে মুকুটমণিপুর (Mukutmanipur)। কলকাতা থেকে দূরত্ব প্রায় ২৪৪ কিমি। বাসে সময় লাগে প্রায় ৬-৭ ঘণ্টা। এছাড়া ট্রেনে বাঁকুড়া অথবা বিষ্ণুপুর এসে সেখান থেকে বাসে যাওয়া যায় মুকুটমণিপুর। দূরত্ব বাঁকুড়া ৫৬ এবং বিষ্ণুপুর ৮২ কিমি । প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি কলকাতা থেকে মুকুটমণিপুর গামী সব বাসই যাচ্ছে বাঁকুড়া জেলার দুটি অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র বিষ্ণুপুর এবং জয়পুর ফরেস্টের ওপর দিয়ে ।
    থাকা-খাওয়া–মুকুটমণিপুরে বেশ কিছু হোটেল, লজ রয়েছে থাকা এবং খাওয়ার জন্য। আবার প্রয়োজন মনে করলে বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুরে থেকেও ঘুরে নেওয়া যায় মুকুটমণিপুর (Mukutmanipur)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sundarbans: ম্যানগ্রোভ অরণ্য, অজস্র দ্বীপ, ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে দেখা মিলতে পারে ‘মহারাজেরও’!

    Sundarbans: ম্যানগ্রোভ অরণ্য, অজস্র দ্বীপ, ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে দেখা মিলতে পারে ‘মহারাজেরও’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়ঙ্কর কি কখনও সুন্দর হতে পারে? হ্যাঁ, পারে। আর যে জায়গায় বেড়াতে গেলে ভয়ঙ্করকেও সুন্দর বলে মনে হয়, তা আর কোনও জায়গা নয়, আমাদের এই পশ্চিমবঙ্গেরই এক জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র “সুন্দরবন”। এখানে জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ, আর গাছে সাপ। তবু এই অরণ্য সুন্দর। বলা হয়, সুন্দরী গাছের আধিক্য থাকার কারণেই নাকি এই ম্যানগ্রোভ অরণ্যের নাম হয়েছে সুন্দরবন (Sundarbans)।

    ১০২টি ছোট-বড় দ্বীপ

    সুন্দরী গাছ ছাড়াও এই ম্যানগ্রোভ অরণ্যে আছে ধূধূল, কেওড়া, গরান, গেওয়া, গোলপাতা আর বাঘেদের লুকিয়ে থাকার জন্য অত্যন্ত প্রিয় “হেতাল” গাছ। সুন্দরবনের (Sundarbans) মোট ১০২ টি ছোট-বড় দ্বীপের মধ্যে ৫৪ টি দ্বীপে জনবসতি আছে। বাকি দ্বীপগুলিতে শুধুই বাদাভূমির ওপর ম্যানগ্রোভের জঙ্গল, আর সেই জঙ্গলে বসবাসকারী অরণ্যাচারী প্রাণীর দল, যার মধ্যে আছে হরিণ, শজারু, বাঁদর, বুনো শুয়োর, বন বিড়াল, আর হ্যাঁ আছেন তিনি! বনের রাজা, স্বয়ং রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। তবে তিনি চট করে কাউকে দেখা দেন না। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে তবেই মহারাজের দেখা মেলে। আর নদীর বুকে আছে কুমির। শীতকালে প্রায়শই দেখা যায়, নদীর চরে শুয়ে রোদ পোহাচ্ছে বিশালাকার কুমির।

    ওয়ার্ল্ড ন্যাচারাল হেরিটেজ সাইট (Sundarbans)

    আর আছে বিভিন্ন প্রকারের পাখি। এখানে দেখা মেলে বক, শামুকখোল, নানান প্রজাতির মাছরাঙা, সিগাল, মাছ ধরা ঈগল, পানকৌড়ি প্রভৃতি পাখির। প্রায় ৪২১০ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল নিয়ে গড়ে ওঠা এই অরণ্যকে ১৯৮৪ সালে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১৯৯৭ সালে মেলে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের স্বীকৃতি। ইউনেস্কো এই অরণ্যকে গ্লোবাল বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ফরেস্ট বলে ঘোষণা করে। ১৯৮৭ সালের ১২ ডিসেম্বর এই সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড ন্যাচারাল হেরিটেজ সাইটের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। গভীর অরণ্যের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে মাতলা, হোগল, বিদ্যাধরী, রায়মঙ্গল প্রভৃতি নদী। সুন্দরবনের (Sundarbans) প্রাণকেন্দ্র হল সজনেখালি। এখান থেকেই জঙ্গলে প্রবেশের অনুমতিপত্র দেওয়া হয়।

    ঘোরা এবং থাকা-খাওয়া (Sundarbans)

    ঘোরার জায়গা বলতে রয়েছে পাখিরালয়, বনবিবি ভাড়ানি, নেতি ধোপানির ঘাট, পীরখালি, বুড়ির ডাবরি, দোবাকি, পঞ্চ মুখানি প্রভৃতি। এগুলোর মধ্যে বহু জায়গাতেই ওয়াচ টাওয়ার আছে।যাতায়াতের উপায় কী? এক সময় ক্যানিং থেকে লঞ্চ নিয়ে সুন্দরবন (Sundarbans) যেতেন পর্যটকরা। এখন প্রায় অধিকাংশই যান গদখালি দিয়ে। এখানে থাকা-খাওয়ার জন্য রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের ট্যুরিস্ট লজ “সজনেখালি ট্যুরিস্ট লজ”। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন প্যাকেজকারী সংস্থার নিজস্ব লজ। তবে যেহেতু এই সফরের প্রায় অধিকাংশটাই নদীবক্ষে এবং এখানে অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রর মতো থাকা-খাওয়ার হোটেল নেই, তাই এই ভ্রমণটি প্যাকেজ ট্যুরে ঘুরে নেওয়াই ভালো। অন্যথায় খরচ ও ঝামেলা, দুই-ই অনেকখানি বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Udaipur Sea Beach: নিউ দিঘার খুব কাছেই আর এক সমুদ্র সৈকতের হাতছানি, ঘুরে আসবেন নাকি?

    Udaipur Sea Beach: নিউ দিঘার খুব কাছেই আর এক সমুদ্র সৈকতের হাতছানি, ঘুরে আসবেন নাকি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ আর ওড়িশার সীমান্তে নিউ দিঘার খুব কাছেই এক অপূর্ব সুন্দর, নির্জন, নিরালা সমুদ্র সৈকত এই উদয়পুর সি-বিচ (Udaipur Sea Beach)। মাথার ওপর সুনীল আকাশ, নিচে তটভূমিতে বিস্তীর্ণ সোনালি বালুকাবেলা। আর সামনে বঙ্গোপসাগরের নীল জলের উর্মিল হাতছানি। এই নিয়েই সংসার উদয়পুরের। সাগরের বেলাভূমিতে বসে থাকার সময় যখন জোয়ারের এক একটা ঢেউ এসে পায়ের সামনে আছড়ে পড়ে, তখন যে অসাধারণ অনুভূতি হয়, তা শুধু গল্পেই সম্ভব। সমস্ত বালুকাবেলা জুড়ে সারাটা দিন ধরে আপন মনে খেলা করে লাল কাঁকড়ার দল। দিনের শেষে সূর্য যখন ঢলে পড়ে পশ্চিম দিগন্তে, সাগরের জল হয়ে ওঠে রক্তিম, ঝাউ গাছের সারির ফাঁক দিয়ে সেই অস্তাচলগামী সূর্যের রাঙা আলোর আভায় উদ্ভাসিত উদয়পুর সি-বিচকে মনে হয় কল্পলোকের গল্পগাথা। সেই মনোরম দৃশ্য একমাত্র অনুভূতি দিয়েই উপলব্ধি করতে হয়, ভাষায় প্রকাশ করা প্রায় অসম্ভব।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন (Udaipur Sea Beach)?

    উদয়পুর যাওয়ার সুবিধা হল নিউ দিঘা থেকে। নিউ দিঘা থেকে মাত্র ২ কিমি দূরে এই উদয়পুর। নিউ দিঘা থেকে যাওয়া যায় রিকশ, মোটর চালিত ভ্যান প্রভৃতিতে। সেরা উপায় হল নিউ দিঘা থেকে সকাল সকাল বেরিয়ে উদয়পুর ঘুরে নিয়ে বিকেল বিকেল নিউ দিঘা বা প্রয়োজনে ওল্ড দিঘা ফিরে এসে সেখানেই রাত্রিবাস করা। ওল্ড দিঘা এবং নিউ দিঘায় রয়েছে দ্য স্টেট ফিশারিজ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিঃ-এর থাকার ব্যবস্থা। ওল্ড দিঘায় আছে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগম বা WBTDC, বেনফিশ, দিঘা-শংকরপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বা  ডিএস ডিএ-র পর্যটক আবাস এবং অসংখ্য বেসরকারি হোটেল (Udaipur Sea Beach)।

    কীভাবে উপভোগ করবেন?

    উদয়পুর সি বিচে (Udaipur Sea Beach) সারাটা দিন এই লাল কাঁকড়ার পিছন পিছন ছুটে বেড়ানো, দূরে সাগরের বুকে জেলেদের মাছ ধরার নৌকো অথবা ট্রলার কিংবা পণ্যবাহী জাহাজের নিরন্তর ভেসে চলা আর ঝাউগাছের সারির মধ্য দিয়ে বাতাসের বয়ে চলার গান শুনতে শুনতে কখন যে সময় কেটে যায় বোঝাই যায় না। তবে উদয়পুর বিচটি অপেক্ষাকৃত শান্ত ও নির্জন। এখানে যেমন দিঘার মতো কোলাহল, জনস্রোত নেই। একই রকম ভাবে এখানে দোকান-পাট, বিশেষ করে খাওয়া-দোকানের সংখ্যাও অনেক কম। কাজেই এখানে ঘুরতে যাওয়ার সময় এই বিষয়টাও ভাবনার মধ্যে রাখা প্রয়োজন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Tourist Places: নীল তরঙ্গমালার নিঃশব্দ আহ্বান বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জ, হেনরিজ আইল্যান্ড!

    West Bengal Tourist Places: নীল তরঙ্গমালার নিঃশব্দ আহ্বান বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জ, হেনরিজ আইল্যান্ড!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের উপকূল পর্যটনে (West Bengal Tourist Places) বরাবরই এক বিশেষ স্থান রয়েছে এই প্রান্তিক উপকূল পর্যটন কেন্দ্র বকখালির। কিছুদিন আগে পর্যন্ত বকখালি যাওয়ার জন্য কলকাতা থেকে নামখানা অবধি বাসে বা ট্রেনে গিয়ে তারপর ফেরি নৌকায় হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদী পেরিয়ে আবার গাড়ি বা বাসে পৌঁছতে হত বকখালি। কিন্ত এখন নদীর ওপর সেতু তৈরি হয়ে যাওয়ায় সেই ঝক্কি আর সামলাতে হয় না। ফলে পর্যটকরা সরাসরি বাসে বা গাড়ি নিয়েই পৌঁছে যেতে পারেন কলকাতা থেকে মাত্র ১২৮ কিমি দূরের এই মনোরম সমুদ্র সৈকত বকখালিতে। একদিকে বঙ্গপোসাগরের নীল তরঙ্গমালার অমোঘ আহ্বান, অপরদিকে সোনালী বালুকাবেলার দুরন্ত হাতছানি, মাথার ওপর সুনীল আকাশ, তটভূমি জুড়ে সারি সারি ঝাউগাছের বাঙ্ময়, অথচ নিঃশব্দ আমন্ত্রণ-প্রকৃতি প্রেমিক পর্যটকদের হৃদয় হরণের জন্য আর কী চাই? মূলত এই সাগর আর এই অসাধারণ প্রকৃতির টানেই হাজার হাজার মানুষ বারবার ছুটে আসেন বকখালিতে। সমুদ্র ছাড়াও এখানে রয়েছে একটি কুমির প্রকল্প। কুমির ছাড়াও আছে বেশ কয়েকটি হরিণ।

    ম্যানগ্রোভ অরণ্যের মাঝে হেনরিজ আইল্যান্ড (West Bengal Tourist Places) 

    বকখালি থেকে মাত্র ৪-৫ কিমি দূরে আর একটি সুন্দর স্থান হেনরিজ আইল্যান্ড (West Bengal Tourist Places)। প্রকৃতপক্ষে এটি পঃ বঃ মৎস্য উন্নয়ন নিগমের একটি প্রকল্প। এই মৎস্য উন্নয়ন নিগম বা দি ফিশারিজ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের উদ্যোগেই এই ম্যানগ্রোভ অরণ্যের মাঝে গড়ে উঠেছে পর্যটন কেন্দ্র। এখানে বেশ কয়েকটি সুবিশাল জলাশয়ে করা হচ্ছে মাছের চাষ। পর্যটকদের চারপাশের শোভা দর্শনের জন্য রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার। একটু এগিয়ে গেলেই ঘন ম্যানগ্রোভ অরণ্য। তারপরেই সমুদ্র। অপূর্ব পরিবেশ। মৎস্য উন্নয়ন নিগম এখানে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থাও করেছে। এদের এখানে আছে  দুটি থাকার ব্যবস্থা- ১) সুন্দরী ট্যুরিস্ট কমপ্লেক্স এবং ২) ম্যানগ্রোভ ট্যুরিস্ট কমপ্লেক্স।

    নির্জন বিচ ফ্রেজারগঞ্জ (West Bengal Tourist Places) 

    বকখালি থেকে প্রায় ৪ কিমি পথ গেলে আর এক  সুন্দর, নিরালা, নির্জন বিচ ফ্রেজারগঞ্জ (কলকাতার দিক থেকে যাওয়ার সময় আগে পড়বে এই ফ্রেজারগঞ্জ)। এখানে থাকার জন্য রয়েছে বেনফিশের হোটেল। এছাড়াও আছে বেশ কিছু বেসরকারি হোটেল (West Bengal Tourist Places) ।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন?

    কলকাতার ধর্মতলা থেকে বর্তমানে সরাসরি বাস যাচ্ছে বকখালি (West Bengal Tourist Places)। অন্যথায় শিয়ালদা থেকে ট্রেনে নামখানা এসে সেখান থেকে ফেরি নৌকায় নদী পেরিয়ে নামখানা-বকখালি বাসে অথবা গাড়ি ভাড়া করে যাওয়া যায় বকখালি। বকখালিতে থাকার জন্য আছে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগম বা ডব্লিউবিটিডিসি (WBTDC)-এর বকখালি ট্যুরিস্ট লজ। এছাড়াও এখানে রয়েছে বেশ কিছু বিভিন্ন মানের ও বিভিন্ন দামের বেসরকারি হোটেল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share