Tag: west bengal tourist spots

west bengal tourist spots

  • Shivkhola: চা বাগানের বুক চিরে রাস্তা, সবুজের গালিচা, পাহাড়ি নদী! ছবির মতো সুন্দর শিবখোলা

    Shivkhola: চা বাগানের বুক চিরে রাস্তা, সবুজের গালিচা, পাহাড়ি নদী! ছবির মতো সুন্দর শিবখোলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক; একটা ছোট্ট পাহাড়ি নদী আর তরাই উপত্যকার ইতস্তত বিক্ষিপ্ত জঙ্গল। এই নিয়েই সংসার দার্জিলিং জেলার এই অনাঘ্রাত, প্রায় অচেনা পার্বত্য পর্যটন কেন্দ্র ‘শিবখোলা’র। ছবির মতো সুন্দর নরবুঙ টি এস্টেটের (Tea garden) বুক চিরে রাস্তা চলে গিয়েছে সোজা। সেই রাস্তা ছেড়ে দিলে সবুজের গালিচায় মোড়া এক টুকরো ভূমি আর তার নীচে নদীর চর। নদীর ওপারে মহানন্দার অরণ্য আর বিশঘরের গ্রাম। গ্রাম থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নদীর তীরে এক সুপ্রাচীন শিব মন্দির (Shivkhola)। মূল মন্দির আর নাটমন্দিরের নীচ দিয়ে শিবখোলা নদী একটা মনোরম বাঁক নিয়েছে। পাহাড়ি কিশোরীর উচ্ছলতায় পায়ের নুপূরের ঝুমঝুমি বাজিয়ে অনর্গল বয়ে চলেছে সেই নদী।

    অপূর্ব মায়ার আঁচল (Shivkhola)

    এখান থেকে প্রায় ১৫ কিমি দূরে মালদিরাম সানরাইজ পয়েন্ট। এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার অসাধারণ ভিউ পাওয়া যায়। ম্যাগপাই, মিনলা, মিনিভেটের রাজত্ব এই অঞ্চলে। এছাড়াও এখানে দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির, বিভিন্ন রঙের প্রজাপতির। এখানে কোথাও নেই শহরের কোলাহল। নেই কোনও দূষণ। পাহাড়ের কোলে প্রকৃতি যেন এক অপূর্ব মায়ার আঁচল বিছিয়ে রেখেছে। ট্রেকিং, বার্ড ওয়াচিং অথবা নিঃশব্দে প্রকৃতির কোলে দুটো দিন কাটানোর জন্য এক আদর্শ জায়গা এই শিবখোলা (Shivkhola)। ইচ্ছে হলে আর হাতে সময় থাকলে একই সঙ্গে ঘুরে আসা যায় ২৫ কিমি দূরের লাটপাঞ্চার, ৪ কিমি দূরে হেলিপ্যাড আর ভিউ পয়েন্ট অথবা দু-আড়াই ঘন্টার সফরে দার্জিলিং থেকেও।

    যাবেন কীভাবে, থাকবেন কোথায়?

    যাতায়াত ও থাকা খাওয়া-কলকাতা থেকে এলে প্রথমে আসতে হবে এন জে পি বা নিউ জলপাইগুড়ি। আসছে তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেস, দার্জিলিং মেল, কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস, কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। সেখান থেকে আসতে হবে শিলিগুড়ি। শিলিগুড়ি থেকে গাড়ি নিয়ে আসতে হবে শিবখোলা (Shivkhola)। দূরত্ব প্রায় ২৭ কিমি। কলকাতা থেকে সরাসরি শিলিগুড়ি আসছে বেশ কিছু সরকারি এবং বেসরকারি বাসও। শিবখোলায় আছে শিবখোলা অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্প। ফোন ৭০৭৬০১২৩১৪ , ৮৩৮৮৮৪২৩৪১।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: নবাবিয়ানার সাক্ষী মুর্শিদাবাদে অজস্র দ্রষ্টব্য, ইতিহাস যেন এখানে কথা বলে!

    Murshidabad: নবাবিয়ানার সাক্ষী মুর্শিদাবাদে অজস্র দ্রষ্টব্য, ইতিহাস যেন এখানে কথা বলে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর মুর্শিদাবাদ (Murshidabad)। প্রায় ৫৪ বছরের নবাবিয়ানার সাক্ষী বাংলা, বিহার, ওড়িশার শেষ স্বাধীন রাজধানী এই মুর্শিদাবাদ। এখানকার সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় দ্রষ্টব্য হল হাজারদুয়ারি। ১৮২৪ থেকে ১৮৩৮ সালে নগদ ১৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই প্রাসাদটি নির্মাণ করেন নবাব নাজিম হুমায়ূন জা। আসল নকল মিলিয়ে প্রাসাদটির ১০০০টি দরজা থাকার জন্য এর নাম হয়েছে হাজারদুয়ারি। প্রাসাদের অভ্যন্তরে রয়েছে সংগ্রহশালা। সেখানে প্রদর্শিত হয়েছে তৎকালীন সময়ের নবাবদের ব্যবহৃত তৈজসপত্র, পোশাক, বিভিন্ন দলিল-দস্তাবেজ। এর আর্ট গ্যালারিতে রয়েছে মার্শাল, টিটো প্রমুখ বিশিষ্ট শিল্পীদের আঁকা অপূর্ব সব ছবি। অস্ত্রাগারে রয়েছে প্রায় ২৯০০০-রও বেশি অস্ত্র।

    বৃহত্তম ইমামবাড়া, কাটরা মসজিদ, জগৎ শেঠের বাড়ি (Murshidabad) 

    হাজারদুয়ারির বিপরীতেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম ইমামবাড়া। ১৮৪৬-এ সিরাজের তৈরি কাঠের ইমামবাড়াটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিনষ্ট হলে পরবর্তী কালে এটি নির্মাণ করেন নবাব নাজিম ফেরাদুন জা। হাজারদুয়ারির প্রাঙ্গণেই রয়েছে ঘড়ি মিনার, সিরাজের তৈরি মদিনা, বাচ্চেওয়ালি তোপ নামের বিশাল এক কামান। মুর্শিদাবাদের পরবর্তী আকর্ষণ কাটরা মসজিদ। নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ ১৭২৩-২৪ খ্রিষ্টাব্দে এটি নির্মাণ করেন। এখানেই রয়েছে তাঁর সমাধি। পাশেই তোপখানায় জাহানকোষা কামান। এছাড়াও এখানকার অন্যতম দ্রষ্টব্য কাঠগোলা বাগান, মোতিঝিল, জগৎ শেঠের বাড়ি, নসীপুরে দেবী সিং-এর প্রাসাদ (এই তিনটি স্থানেই বর্তমানে সংগ্রহশালা হয়েছে), ভাগীরথী নদীর ওপারে কীরিটকণা গ্রামে গ্রামে রয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের পবিত্র তীর্থস্থান একান্ন সতীপীঠের অন্যতম কিরীটেশ্বরী মন্দির, খোশবাগে নবাব সিরাজউদ্দৌলা, নবাব আলিবর্দী খানের সমাধি, বড়নগরে রানি ভবানীর তৈরি মন্দির প্রভৃতি (Murshidabad)। 

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Murshidabad)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে হাজারদুয়ারি এক্সপ্রেস, ভাগীরথী এক্সপ্রেস ছাড়াও শিয়ালদা থেকে যাচ্ছে লালগোলা প্যাসেঞ্জার। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) দূরত্ব প্রায় ২১৫ কিমি।
    থাকা খাওয়া-হাজারদুয়ারির আশেপাশে থাকাটাই সুবিধার। তাতে বেড়ানোর ঝামেলা এবং খরচ অনেকটাই কমে। এখানে আছে হোটেল হিস্টোরিক্যাল, হোটেল অন্বেষা (দুটিরই ফোন ৯৪৩৪১১৫৪৭০), হোটেল ফ্রেন্ডস এবং হোটেল পাপিয়া (এই দুটির ফোন ৯৭৩২৬০৯০৮৪), হোটেল যাত্রিক (৯৭৩৩৯৭৫০২৪), হোটেল মঞ্জুষা (৯৫৯৩৯৫০৯৭৩) প্রভৃতি। আর ঐতিহাসিক স্থানে ঠিকঠাক ঘোরার প্রয়োজনে দরকার হয় অভিজ্ঞ গাইডের। গাইডের প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ৯৭৭৫৮৫৬৭০৫, ৯৪৭৫০৬৪৮৮৯ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bandel Church: ব্যান্ডেল চার্চের জন্য ৭৭৭ বিঘা জমি দিয়েছিলেন শাহজাহান, কেন জানেন?

    Bandel Church: ব্যান্ডেল চার্চের জন্য ৭৭৭ বিঘা জমি দিয়েছিলেন শাহজাহান, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার খুব কাছেই হুগলি জেলার এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র এবং পিকনিক স্পট ব্যান্ডেল।.এক সময় এখানে আধিপত্য ছিল পর্তুগিজদের। ১৫৩৭ সালে নবাবকে সাহায্য করার বিনিময়ে পর্তুগিজ অ্যাডমিরাল সাম্পাইরো এখানে পর্তুগিজ কলোনি গড়ে তোলার অনুমতি পান। ১৫৭১ সালে তাঁরা এখানে একটি বন্দর গড়ে তুলতে উদ্যোগী হন। ১৫৭৯ তে মুঘল সম্রাট আকবর এখানে পর্তুগিজদের নগর পত্তনের অধিকার দেন এবং ওই একই সময় পর্তুগিজরা এখানে বন্দর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এজন্য তাঁরা গোয়া থেকে অগাস্টিয়ান (Augustian) সন্ন্যাসীদের নিয়ে আসেন। ১৫৯৯ তে নির্মিত হয় এই ‘ব্যান্ডেল চার্চ’ (Bandel Church)। পর্তুগিজদের গড়া রোমান ক্যাথলিক এই চার্চই হল এখানকার প্রধান আকর্ষণ। এটিই হল বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন চার্চ।

    চার্চের জন্য অর্থবরাদ্দ (Bandel Church)

    মুঘলদের আক্রমণের ফলে এই চার্চটির একবার ক্ষতিও হয়। মুঘল সম্রাট শাহজাহানের আদেশে এই চার্চের ফাদার জোয়ান দ্য ক্রুজ (Joan Da Cruz) সহ বেশ কয়েকজন খ্রিষ্টানকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় আগ্রা ফোর্টে। শাহজাহানের আদেশে তাঁদের হাতির পায়ের তলায় পিষে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। কিন্তু বিস্ময়করভাবে ফাদার জোয়ানের জন্য নির্দিষ্ট হাতিটি ফাদারকে পদপিষ্ট না করে তাঁকে পিঠে বসিয়ে সম্রাটের কাছে নিয়ে যায়। সবাইকে অবাক করে দিয়ে হাতিটি এমন আচরণ করে যেন মনে হয় সে সম্রাটের কাছে ফাদারের প্রাণভিক্ষা করছে। হাতিটির হাঁটু মুড়ে ফাদারের এইভাবে প্রাণভিক্ষার চেষ্টা দেখে সম্রাটের হৃদয় উদ্বেলিত হয়ে ওঠে এবং তিনি ফাদারসহ বাকি বন্দিদেরও মুক্তি দেন। শুধু তাই নয়, তিনি চার্চটিকে সংস্কার করার জন্য বেশ কিছু অর্থ বরাদ্দ করেন এবং ৭৭৭ বিঘা জমি দেন চার্চের জন্য ১৬৩৩ সালে (Bandel Church)।

    দেখার আছে অনেক কিছুই

    চার্চটির সামনের অংশ গ্রিসের ডোরিক স্থাপত্যে নির্মিত। ভিতরে যিশুর জীবনের বিভিন্ন আখ্যান তুলে ধরা হয়েছে পেইন্টিংয়ে। এই অসাধারণ স্থাপত্য এবং শিল্পকর্ম উৎসর্গ করা হয়েছে নোসা সেনোরা ডি রোজারিওকে। কাঁচের পাত্রে রাখা আছে তাঁর মুর্তি। এর পাশেই মা মেরির আবির্ভাবস্থানে ১৮৫৮ সালে লুর্ভের রেপ্লিকার অনুকরণে গুহা তৈরি করা হয়েছে। ১৯৮৮ সালে এই চার্চকে ব্যাসিলিকা বা ঈশ্বরের প্রাসাদ (Bandel Church) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ১৯৪৯ সালের ২৮ অক্টোবর এই চার্চের ৩৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে গঙ্গার তীরে মা মেরির স্মরণে গড়ে তোলা হয়েছে ‘ক্রশ মেমোরিয়াল অল্টার’। এছাড়াও এখানে অন্যতম দ্রষ্টব্য প্রার্থনা গৃহ, সমাধি, একটি সুবিশাল জাহাজের হাল প্রভৃতি। আর আছে গঙ্গার অপরূপ মোহময়ী রূপ। ইচ্ছে হলে বা হাতে সময় থাকলে ঘুরে নিতে পারেন নিকটবর্তী ইমামবাড়া। ১৮৬১ সালে দানবীর হাজি মোহম্মদ মহসিন প্রায় ৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই মার্বেল পাথরের অপূর্ব সৌধটি নির্মাণ করেন। দেখে নিন সূর্য ঘড়ি এবং ৩৫ মিটার উঁচু ক্লক টাওয়ারটিও।

    যাবেন কীভাবে? (Bandel Church)

    যাতায়াত-হাওড়া স্টেশন থেকে ঘন্টায় ঘন্টায় ট্রেন যাচ্ছে ব্যান্ডেল। দূরত্ব প্রায় ৪০ কিমি। এখানে থাকার খুব একটা প্রয়োজন পড়ে না। কলকাতা থেকে সকালে এসে সারা দিন ঘুরে আবার সন্ধ্যায় ফিরে যাওয়া যায় কলকাতায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purulia: অযোধ্যা পাহাড়ে শ্রীরামচন্দ্রের ‘পাতালভেদী’ বাণে সৃষ্টি হয়েছিল সীতাকুণ্ডের

    Purulia: অযোধ্যা পাহাড়ে শ্রীরামচন্দ্রের ‘পাতালভেদী’ বাণে সৃষ্টি হয়েছিল সীতাকুণ্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র পুরুলিয়া (Purulia) জেলার অযোধ্যা পাহাড়। পুরুলিয়া শহর থেকে ৪০-৪২ কিমি দূরে সবুজের গালিচায় মোড়া আর ঢেউ খেলানো পাহাড় দিয়ে সাজানো অযোধ্যা শুধুমাত্র প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকেরই নয়, ট্রেকার এবং পাখি দেখতে যাঁরা ভালোবাসেন, তাঁদের জন্যও এক আদর্শ স্থান। আদিবাসী অধ্যুষিত এই অঞ্চলটি শাল, শিরীষ, মহুয়া, সেগুন প্রভৃতি গাছের ছায়ায় আবৃত। চারদিকে উঁকি দিচ্ছে একের পর এক পাহাড়ের সারি। এখানকার সর্বোচ্চ গিরিশিখরটির নাম “গোর্গাবুরু, যার উচ্চতা প্রায় ২৮৫০ ফুট। অযোধ্যা পাহাড়ের অরণ্যের ব্যাপ্তি প্রায় ৩৪৫১৭ একর। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে আসা এই অরণ্যে বাস হরিণ, নেকড়ে, বুনো শুকর, হাতি প্রভৃতি প্রাণীর। আর দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির।

    পুরাণে কী বলা আছে?

    পুরাণ মতে, অজ্ঞাতবাসকালে দণ্ডক যাওয়ার পথে শ্রীরামচন্দ্রের সঙ্গে এই পাহাড়ের পথে যাচ্ছিলেন সীতাদেবী। সেই সময় তাঁর হঠাৎ-ই খুব তৃষ্ণা পায়। সেই তৃষ্ণা মেটানোর জন্য তখন “পাতালভেদী” বাণ প্রয়োগ করে মাটি-পাথরের বুক থেকে জল নির্গত করেন শ্রীরামচন্দ্র। সৃষ্টি হয় এক কুণ্ড বা কূপ (Purulia)। এখনও বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন “দিসুম সেন্দ্রা” অর্থাৎ শিকার উৎসবে দূর-দূরান্ত থেকে আসা আদিবাসী মানুষ এখানে থাকা দুটি জলপ্রপাত, বামনি ফলস আর তুরগা ফলসে স্নান করেন। তারপর এই সীতাকুণ্ড, যার অপর নাম “বুড়বুড়ি”, তার পবিত্র জল পান করে পবিত্র হয়ে ” বুইয়া” নিনাদে মেতে ওঠেন শিকার করার জন্য। এই বুড়বুড়ি কুণ্ডের সামনের শাল জঙ্গলে রয়েছে “সীতাকেশ”। সীতাদেবীর পায়ের চিহ্নও রয়েছে “সীতা চাতালে”। দেখে নেওয়া যায় যোগিনী বা ময়ূরী পাহাড়ের চূড়ায় বসে চারদিকের অপূর্ব সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

    আর কী কী দেখবেন? (Purulia)

    এছাড়াও এক যাত্রাতেই দর্শন করে নেওয়া যায় অযোধ্যা পাহাড়ে চড়ার শিক্ষাপ্রদান কেন্দ্র, এশিয়ার দ্বিতীয় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি, ঠান্ডেশ্বরী ফলস, মুরগুমা ড্যাম প্রভৃতি। আর প্রাণ ভরে উপভোগ করে নেওয়া যায় প্রকৃতির অমলিন, অনাবিল, সবুজ সৌন্দর্য।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Purulia)

    যাতায়াত–হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেনে যেতে হবে পুরুলিয়া। যাচ্ছে ১২৮২৭ পুরুলিয়া এক্সপ্রেস , ১২৮৮৩ রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। পুরুলিয়া থেকে বাস অথবা গাড়ি নিয়ে যেতে হবে অযোধ্যা পাহাড়। থাকা খাওয়া–এখানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বন উন্নয়ন নিগমের বনবাংলো, পুরুলিয়া (Purulia) পাম্পড স্টোরেজ প্রজেক্টের গেস্ট হাউজ, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের আশ্রম। এছাড়াও রয়েছে কয়েকটি হোটেল। প্রয়োজনে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে নেওয়া যায় এগুলিতেও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sea Beach: হারিয়ে যাচ্ছে তাজপুরের অনাবিল নির্জনতা, যত্রতত্র গজিয়ে উঠছে হোটেল, রিসর্ট!

    Sea Beach: হারিয়ে যাচ্ছে তাজপুরের অনাবিল নির্জনতা, যত্রতত্র গজিয়ে উঠছে হোটেল, রিসর্ট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকে দশ বা পনেরো বছর আগেও বহু মানুষ সেভাবে জানতেন না যে সি-বিচটির (Sea Beach) বিষয়ে, আজ সেই সমুদ্র সৈকত পশ্চিমবঙ্গের উপকূল পর্যটনের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। হ্যাঁ, এই উপকূল পর্যটন কেন্দ্রটির নাম “তাজপুর”। পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এক ছোট্ট অঞ্চল এই তাজপুর। বিস্তীর্ণ সোনালী বালুকাবেলা, সেই বালুকাবেলা জুড়ে লাল কাঁকড়ার খেলা করা, ঝাউগাছের আকাশ ছুঁতে চাওয়ার দুঃসহ প্রচেষ্টা, মাথার ওপর নীল আকাশ, আর বঙ্গোপসাগরের উর্মিল হাতছানি-এই সব নিয়েই তাজপুরের সংসার। পূর্ণিমা রাতে যখন সাগরের নীল জলের ওপর চাঁদের রুপোলি আলো এসে পড়ে, তখন এক অদ্ভুত ঘোর লাগে মনে। সূর্যাস্ত বা সূর্যোদয়ের সময় সূর্যের রক্তিম আভা তাজপুরকে করে তোলে আরও মোহময়ী, আরও সুন্দর। তখন প্রকৃতি প্রেমিক হৃদয় নিজের অজান্তেই কখন যেন গেয়ে ওঠে, “কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা, মনে মনে”।

    প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট (Sea Beach)

    যদিও এই মুহূর্তে তাজপুরের সেই অনাবিল নির্জনতা আর নেই। অনেকটাই নষ্ট হয়ে গেছে সেই ঝাউ আর কেয়া গাছের আধিক্য। এখন আর সাগরের বালুকাবেলায় খেলা করা লাল কাঁকড়ার দল সেই পরিমাণে দেখা যায় না, প্রকৃতি আর পরিবেশ নষ্ট করে যত্রতত্র গড়ে উঠেছে একাধিক হোটেল, রিসর্ট। একদম বিচের ওপর একাধিক খাওয়ার ও থাকার হোটেল। তাতে প্রকৃতির ভারসাম্যটাই নষ্ট হতে চলেছে। তবু দু’দিন ছুটি কাটাতে তাজপুর এক অন্যতম সেরা স্থান (Sea Beach) হতেই পারে। তাজপুরের মোহনায় একটি ছোট নদী এসে মিশেছে সমুদ্রের সঙ্গে। নদীর ওপারেই আর এক জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র মন্দারমণি। ইচ্ছে হলে আর হাতে সময় থাকলে তাজপুর থেকে একই সঙ্গে ঘুরে নেওয়া যায় এই মন্দারমণি এবং শঙ্করপুরও।

    যাতায়াত ও থাকা-খাওয়া (Sea Beach)

    কলকাতা থেকে দিঘাগামী যে কোনও বাসে এসে নামতে হবে দিঘা-শঙ্করপুরের আগে বালিসাই স্টপেজে। এখান থেকে মাত্র চার-পাঁচ কিমি দূরে তাজপুর (Sea Beach)। যেতে হবে অটো বা টোটোতে। আর ট্রেনে গেলে দিঘাগামী ট্রেনে এসে নামতে হবে রামনগর ষ্টেশনে। সেখান থেকে গাড়ি বা অটোরিকশাতে আসতে হবে তাজপুর। থাকা এবং খাওয়ার জন্য এখানে রয়েছে বেশ কিছু হোটেল, রিসর্ট। এগুলির প্রায় সবকটিতেই থাকার সঙ্গে সঙ্গে খাওয়ারও ব্যবস্থা আছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share