Tag: west bengal transport

west bengal transport

  • Arambagh: তৃণমূলের লাগামছাড়া তোলাবাজি, আরামবাগে তিতিবিরক্ত বাস মালিকরা ধর্মঘটের পথে

    Arambagh: তৃণমূলের লাগামছাড়া তোলাবাজি, আরামবাগে তিতিবিরক্ত বাস মালিকরা ধর্মঘটের পথে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের তোলাবাজির জেরে বন্ধ হতে চলেছে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ জেলার সঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) মহকুমার যোগাযোগের বেশ কয়েকটি রুটের বেসরকারি বাস পরিষেবা। বাস মালিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ছাপানো হয়েছে পোস্টার। পুজোর মুখে রুটি-রুজি অনিশ্চিত পরিবহণ কর্মীদের। তার জেরেই উদ্বেগ আরামবাগে। আরামবাগের সঙ্গে সরাসরি দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলার গণ পরিবহণের বাস বন্ধ হলে একদিকে যেমন সমস্যায় পড়বেন সাধারণ যাত্রীরা, অন্যদিকে রুটি রোজগার বন্ধ হয়ে যাবে বাস কর্মীদের। ইতিমধ্যেই আরামবাগ মহকুমা শাসক, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ও তৃণমূল ভবনেও এই তোলাবাজির অভিযোগ জানিয়েছে বাস মালিক সংগঠন। এমনকি ধর্মঘটের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও বাসগুলিতে পোস্টার লাগিয়ে যাত্রীদের জানানো হচ্ছে। তাতে লেখা, ‘আরামবাগ বাসস্ট্যান্ডে শ্রমিক ইউনিয়নের তোলাবাজির প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য সমস্ত যাত্রী পরিষেবা বন্ধ থাকবে।’ বাস কর্মী থেকে মালিক সকলেই বলছেন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ধর্মঘটের রাস্তায় হাঁটা ছাড়া তাঁদের কোনও উপায় নেই।

    বাস চালিয়ে খরচই উঠছে না (Arambagh)

    এক বাস মালিক মধুমিতা ভট্টাচার্যের অভিযোগ, আরামবাগ বাসস্ট্যান্ড থেকে শ্রমিক কল্যাণের নামে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা সফিকুল ইসলাম বাস প্রতি চল্লিশ টাকা করে বিল ছাপিয়ে জুলুম করে টাকা তুলছে। তিনি দাবি করেন, লক্ষ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে বাস চালিয়ে কোনওদিন টাকা পান, কোনওদিন পান না। খরচই তুলতে পারেন না বেশিরভাগ সময়। চরম উদ্বেগের ছবি আরামবাগ বাস টার্মিনাসে। তোলাবাজদের জোর-জুলুমে অতিষ্ঠ বাস মালিকরা। দক্ষিণবঙ্গের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ আরামবাগ শহরের বাস টার্মিনাস। যেখন থেকে সারা রাজ্যের বিভিন্ন জেলার প্রায় ২৬টি রুটে ১৫০টির বেশি এক্সপ্রেস বাস চলাচল করে। তার সঙ্গে আরামবাগ মহকুমায় ২০০টিরও বেশি লোকাল বাস চলে। ৩০০ থেকে ৩৫০টি বাস প্রতিদিন আরামবাগ টার্মিনাস (Arambagh) থেকে পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, বাঁকুড়া পুরুলিয়া, দুই মেদিনীপুর সহ রাজ্যের আরও বেশ কয়েকটি জেলায় যাতায়াত করে। প্রায় দুই হাজার বাস কর্মচারী গণপরিবহণের সঙ্গে যুক্ত। তোলাবাজির অভিযোগ নিয়ে পুজোর মুখে যদি বাস মালিরা ধর্মঘটে সামিল হন, তাহলে গণপরিবহণের সঙ্গে যুক্ত দুই হাজার শ্রমিকের রুটি রুজিতে টান পড়বে। এর দায় কে নেবে? উঠছে সেই প্রশ্ন। কাঠগড়ায় শাসকদলের নেতারা। আরও অভিযোগ, শাসকদলের এক গোষ্ঠীর নেতাদের মদতেই এই তোলাবাজি চলছে। এক বাস কর্মী বলছেন, শুধু মালিকরা নয়, আমাদেরও পেটে লাথি পড়ছে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। প্রশাসন কোনও উদ্যোগ না নিলে অবস্থা আরও খারাপ হবে। তাই আমরা চাইছি ধর্মঘট হোক।

    কী বলছেন অভিযুক্ত, কী অভিযোগ বিজেপির? (Arambagh)

    যদিও অভিযুক্ত শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি সেখ সফিকুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা এই কাজ করছে আমার জানা নেই। এই ঘটনা যদি ঘটে থাকে তাহলে প্রশাসন তদন্ত করে দেখুক। এই ঘটনা প্রসঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, তৃণমূলের তোলাবাজির জেরেই পশ্চিমবঙ্গের দুর্দশা। যার বিড়ি কিনে খাওয়ার পয়সা ছিল না, সেই এখন তৃণমূলের নেতা হয়ে বিশাল বাড়ি, দামি দামি গাড়ি। কোথা থেকে হয়? এটা তো আর নিজের রোজগারের টাকায় হয় না, অপরের টাকা তোলাবাজি করে জুলুমবাজি করে চালিয়ে নিচ্ছে। সময় এলেই মানুষ বুঝিয়ে দেবে, কতটা দুধ আর কতটা জল আলাদা হয়ে যাবে। এসব তৃণমূলের কালচার। ওরাই করতে পারে। সাধারণ মানুষ সব দেখছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: শতবর্ষে পা দিল হাওড়ার ৫২ নম্বর বাস রুট, হেরিটেজ ঘোষণার দাবি

    Howrah: শতবর্ষে পা দিল হাওড়ার ৫২ নম্বর বাস রুট, হেরিটেজ ঘোষণার দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া (Howrah) শহরের সবথেকে পুরনো হল ৫২ নং বাস রুট। যেটিকে হাওড়া শহরের প্রথম বাস রুট বলে ধরে নেওয়া হয়। এই রুটে বাস চলাচল শুরু হয়েছিল ১৯২৪ সালে। শ্রীরামপুরের ৩ নং রুটকে অনেকেই মনে করেন, সেটি হয়তো পশ্চিমবঙ্গের সর্বপ্রথম বাস রুট। কিন্তু আদতে, ৩ নং রুটে বাস চলাচল শুরুর ৪ বছর আগে থেকেই যাত্রা শুরু করে ৫২ নম্বর রুট। এক সময় রুটটি চলত রামরাজাতলা থেকে হাওড়া পর্যন্ত। পরে সেটি বাড়িয়ে এসপ্ল্যানেড বা ধর্মতলা পর্যন্ত করা হয়। এছাড়া ৫২ নম্বরের আরও কিছু রুট ছিল। যেমন খটিরবাজার টু হাওড়া, ইছাপুর টু ধর্মতলা, ৫২ এ সুরকি কল থেকে এসপ্ল্যানেড, রামরাজাতলা থেকে এসপ্ল্যানেড ভায়া ব্রাবোর্ন রোড, ৫২বি রামরাজাতলা থেকে ধর্মতলা ভায়া স্ট্র‍্যান্ড রোড, ৫২ সি হাওড়া ময়দান থেকে ধর্মতলা। বর্তমানে অবশ্য রামরাজাতলা থেকে ধর্মতলা ৫২ নম্বর রুট ছাড়া ৫২ এ, বি রুটগুলি বন্ধ হয়ে গেছে। সময়ের সাথে হাওড়া শহরের রাস্তা অনেকটাই ছোট হয়ে গেছে। বেড়েছে জনঘনত্ব। এর জন্য গাড়ির গতি কিছুটা কমলেও চলার বিরাম হয়নি এই একশো বছরে। অটো-টোটোর দাপটে একটু সমস্যা হলেও, আজও রামরাজাতলার রাজা ৫২। প্রতিদিন ২৫ টি বাস চলে এই রুটে, ৮ মিনিট ছাড়া মেলে পরিষেবা।

    কিছুদিন আগেই হয়ে গেল উদযাপন (Howrah)

    কলকাতা বাসোপিডিয়া গ্রুপের তরফ থেকে এই রুটের শতবর্ষ উদযাপন করা হয় কিছুদিন আগে। বাসোপিডিয়ার সভাপতি সৌভিক মুখার্জি বলেন, আমি দেখেছি বয়স্ক ঠাকুমাকে বাসের গায়ে হাত দিয়ে নমস্কার করতে। আসলে রাম ঠাকুরের থানে যায় তো! দেখেছি নতুন বর-বউকে বাসে বাড়ি ফিরতে। তখন যেন মনে হয়, এ বাস শুধু একটা যানবাহনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। একশো বছর ধরে এতগুলো মানুষকে যে বাস তার সার্ভিস দিয়েছে, সেই বাস কেবল একটা যন্ত্র থাকে না। হয়ে ওঠে পরিবারের সদস্য। সেই প্রবীণ সদস্য আজ একশো বছরে পা দিল। ৫২, ৫৮ বাস মালিক সমিতির সেক্রেটারি ভোলানাথ চৌধুরী বলেন, তাঁর বাবার আমল থেকে তাঁদের এই রুটে (Howrah) বাস চলে। আগে রাম মন্দিরের উল্টোদিকে ফাঁকা যায়গায় এই বাসস্ট্যান্ড ছিল। বছর ২২ আগে রাম মন্দির থেকে কিছুটা দূরে প্রাইভেট পার্টনারশিপে এবং এমপি ল্যাডের টাকায় নতুন বাসস্ট্যান্ড তৈরি হয়। এখন সেখান থেকেই বাস ছাড়ে।

    কী বলছেন এই বাসের এক সময়ের যাত্রীরা (Howrah)?

    হাওড়ার বাসিন্দা শিবনাথ হাজরা বলেন এখন তাঁর বয়স ৬০ এর কিছু বেশি। রামরাজাতলা (Howrah) থেকে বাসে চেপে হাওড়ায় অফিস যেতেন। সেই স্মৃতি এখনও মনে আছে৷ তবে তখন এত রাস্তা জ্যাম হত না। ফাঁকা রাস্তায় বাস চলত। এখন তো অটো-টোটোর ঠ্যালায় গাড়ি চলে ধিক ধিক করে। তিনি বলেন, জেলার অনেক বাস রুটই এখন বন্ধ। ৫২র সঙ্গে ৫৮ নম্বর বাস রুটও তখন বিধানসভা থেকে পাশ হয়েছিল। কিন্তু সেই ৫৮ রুটের বাসও বন্ধ। ৫২ রুটেও বাস কমতে কমতে তলানিতে ঠেকেছে৷ তাই হাওড়ার ঐতিহ্যবাহী এই রুটকে বাঁচিয়ে রাখতে একে হেরিটেজ করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • West Bengal Transport: বাবুঘাট থেকে সরিয়ে সাঁতরাগাছি, নয়া বাস টার্মিনাসের প্রকল্পও কি ফাইলবন্দি?

    West Bengal Transport: বাবুঘাট থেকে সরিয়ে সাঁতরাগাছি, নয়া বাস টার্মিনাসের প্রকল্পও কি ফাইলবন্দি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরে যানজট কমাতে রাজ্য পরিবহণ দফতরের (West Bengal Transport) উদ্যোগে কয়েক বছর আগে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, কলকাতার বাবুঘাটের আন্তঃরাজ্য বাসস্ট্যান্ডকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে হাওড়ার কোনা এক্সপ্রেসওয়ের উপর সাঁতরাগাছি বাস টার্মিনাসে। কিন্তু বেশ কয়েক বছর কেটে গেলেও এখনও সাঁতরাগাছি বাস টার্মিনাসে সরানো যায়নি বাবুঘাট বাসস্ট্যান্ডকে। সম্প্রতি আদালত নির্দেশ দেয় দ্রুত এই বাসস্ট্যান্ড বাবুঘাট থেকে সাঁতরাগাছিতে সরানোর৷ তার পরেও সেই নির্দেশ মানা হয়নি।

    সারাদিন ফাঁকাই পড়ে থাকে টার্মিনাস

    বাস চালক থেকে পরিবহণের (West Bengal Transport) সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা জানান, সাঁতরাগাছি বাসস্ট্যান্ড এখনও সম্পূর্ণ তৈরি হয়নি। কারণ সেখান থেকে সহজে বাসগুলি কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে বেরনো বা ঢোকার জন্য যে উড়ালপুল নির্মাণ হচ্ছিল, সেটি অসম্পূর্ণ হয়ে পড়ে আছে। বাস টার্মিনাসে প্রথমে সাঁতরাগাছি স্টেশন সংলগ্ন বাসগুলি দাঁড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হলেও তা মানা হয় না। শুধুমাত্র সাঁতরাগাছি স্টেশনের কাছ থেকে যে সব বাস কলকাতা বা দক্ষিণবঙ্গের উদ্দেশে ছাড়ে সেই বাসগুলি রাতে পার্কিং-এর জন্য এই নব নির্মিত বাস টার্মিনাস ব্যবহার করে৷ বাকি সময় এখান থেকে কোনও বাস চলে না৷ সারা দিন ফাঁকা, ধু ধু করে বাস টার্মিনাস। বর্তমানে অবশ্য কলকাতা বন্দরে যাতায়াতকারী বড় বড় লরি ও কন্টেনারগুলি এখানে পার্কিং করে রাখা হয়।

    উড়ালপুল হল না, মিটল না জল জমার সমস্যাও

    বাসযাত্রীরা জানান, কলকাতা থেকে সাঁতরাগাছি বাস টার্মিনাসে ঢুকতে গেলে বাঁ দিকে সহজেই বাসগুলি ঢুকতে পারে। কিন্তু এই টার্মিনাস থেকে বাস ছেড়ে কলকাতার দিকে আসতে হলে অনেকটা জাতীয় সড়কের দিকে এসে সেখান থেকে ইউটার্ন করে আসতে হয়৷ যে সব বাস জাতীয় সড়কের দিক থেকে এই বাস টার্মিনাসে আসতে চায়, তাদেরও একই সমস্যা। তাদের সাঁতরাগাছি স্টেশনের কাছ থেকে ইউটার্ন করে ঢুকতে হয়। এই সমস্যা দূর করতেই বাস টার্মিনাস তৈরির কিছুদিন পর এখানে একটি ফ্লাইওভার তোরির কাজ শুরু হয়।  কিন্তু সেটিও কিছুটা কাজ এগনোর পর বন্ধ হয়ে যায়। এরপর পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (West Bengal Transport) বাস টার্মিনাস পরিদর্শন করে বলেন, এবার দ্রুত ফ্লাই ওভার শেষ হয়ে যাবে। এই টার্মিনাসে জল জমার একটা সমস্যা রয়েছে। তাই নিকাশি সমস্যা মেটাতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু সেই সমস্যাও মেটেনি। ফ্লাইওভারের কাজ শেষ হয়নি। এমনকি বর্ষা কালে এই বাসস্ট্যান্ডে জল জমে যায়, সেই সমস্যাও মেটেনি।

    কী বলছেন যাত্রীরা (West Bengal Transport)?

    এদিকে রেল যাত্রীদের অভিযোগ, সাঁতরাগাছি স্টেশন থেকে এই নতুন বাস টার্মিনাসের দূরত্ব প্রায় এক কিলোমিটার। ফলে এতটা রাস্তা কোনা এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে হেঁটে গিয়ে তাঁদের পক্ষে বাস ধরাও খুব মুশকিল। একই ভাবে এই রোদে, গরমে বা বৃষ্টিতে বাসস্ট্যান্ড থেকে এতটা রাস্তা হেঁটে স্টেশনে আসাও খুব সমস্যার। এক বাসযাত্রী বলেন, বাবুঘাট থেকে বাস উঠে এলে তাঁদের কলকাতা যেতে সুবিধা হবে এটা ঠিকই। কিন্তু সাঁতরাগাছি স্টেশন সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসের চাপে এমনিতেই যানজট (West Bengal Transport) লেগে থাকে। ফলে ভবিষ্যতে যে কী পরিস্থিতি হবে, তা কেউ জানে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share